আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়ার শঙ্কায় এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে তা নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অথচ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রায় তিনশ হেক্টর কৃষি জমি অনাবাদি পড়ে আছে।

মূলত একটি বিলে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের কারণে কচুরিপানা আটকে অন্তত চার হাজার কৃষকের জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বিলের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ এবং মাছের অবাধ বিচরণেও ব্যাঘাত ঘটছে ওই বাঁধের কারণে।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, প্রতি হেক্টর জমিতে ছয় মেট্রিক টনেরও বেশি ধান উৎপাদন হয়। সেই হিসেবে বিলে বাঁধ দেয়ার কারণে চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়া জমিগুলোতে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন ধান উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ও রূপসদী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে থাকা বাড়িয়াদহ বিলটি দুই বছর আগে স্থানীয় ফরদাবাদ-রূপসদী ধীবর সমবায় সমিতির নামে তিন বছরের জন্য ইজারা দেয় জেলা প্রশাসন। সমিতির সদস্য পিছন দাসের নামে নেয়া ইজারার শর্ত লঙ্ঘন করে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর কাছে বিলটি সাব ইজারা দেয়া হয়।

সাব ইজারাদাররা মাছ চাষের জন্য বাঁশ ও জাল দিয়ে বাঁধ দেন বিলে। আর ওই বাঁধের কারণে কচুরিপানা আটকে কৃষকদের প্রায় তিনশ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে বাড়িয়াদহ বিলে গিয়ে দেখা গেছে, মাছ চাষের জন্য অবৈধভাবে বিলের কয়েক কিলোমিটার অংশজুড়ে বাঁশ ও জাল দিয়ে বাঁধ দিয়েছেন সাব ইজারাদাররা। এই বাঁধের ভেতরেই মাছ চাষ করা হচ্ছে। আর বাঁধের কারণে বিল সংলগ্ন প্রায় তিনশ হেক্টর জমিতে কচুরিপানা আটকে আছে। এতে কৃষকরা তাদের জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। বাঁধ দেয়ার আগে বিলে বিভিন্ন নৌযান চললেও এখন আর কোনো নৌযান চলাচল করতে পারছে না।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানিয়েছেন, এক কানি (৩০ শতাংশ) জমি থেকে কচুরিপানা সরাতে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু এই টাকা টাকা খরচ করে কচুরিপানা সরানোর সক্ষমতা নেই অধিকাংশ কৃষকের। জমিতে চাষাবাদ করতে না পেরে কোনো কোনো কৃষক বিলে মাছ ধরতে গেলে তাদের বাধা দেন ইজারাদাররা।

রূপসদী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সাত্তার মিয়া জানান, বাড়িয়াদহ বিলের পাশে তার আড়াই কানি কৃষি জমি রয়েছে। প্রতি মৌসুমে এই জমি থেকে প্রায় ৫০ মণের মতো ধান গোলায় তোলেন তিনি। কিন্তু বিলে বাঁধ দেয়ার কারণে তার সব জমি এখন কচুরিপানার নিচে। আর তাই এবারের মৌসুমে ধান চাষ করতে পারেননি তিনি।

ফরদাবাদ গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মামুন মিয়া বলেন, বিলের পাশে আমার ১৫ কানি জমি আছে। আমার এই জমিতে প্রায় তিনশ মণ ধান হয়। শুধু এই বাঁধের কারণে কচুরিপানা আটকে আমাদের জমি এখন চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যদি বাঁধ না দিতো তাহলে কচুরিপানা আমাদের জমিতে থাকতো না, বিলে চলে যেতো। এখন আমাদের কৃষকদের মরার মতো অবস্থা।

ফরদাবাদ গ্রামের আরেক কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, মাছ চাষ করে তারা, আর ক্ষতি হয় আমাদের। তারা আমাদের এই ক্ষতি দেখে না। এই অবৈধ বাঁধের কারণে সব জমিতে কচুরিপানা ভরে গেছে। আমাদের দাবি এই বাঁধ ভেঙে দিয়ে জমিগুলো চাষের উপযোগী করে দেয়া হোক।

ফরদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম বলেন, সাব ইজারাদারদের দেয়া বাঁধের কারণে কৃষকের জমিতে এসে কচুরিপানা জমা হয়। আর কৃষকরা কচুরিপানা পরিষ্কারও করতে পারেন না, ধানও চাষ করতে পারেন না। গত দুই বছর ধরে এই অবস্থা চলছে। কৃষকরা বিলে মাছও ধরতেও পারেন না। এতে করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।

ফরদাবাদ ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সকহারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ইসমাঈল হোসেন সুজন বলেন, বিলে বাঁধ দেয়ার কারণে প্রায় তিনশ হেক্টর জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই জমির ওপর চার হাজার কৃষক পরিবারের জীবিকা নির্ভর করে। সেজন্য দ্রুত বাঁধটি অপসারণ করে জমিগুলোকে চাষের উপযোগী করে তোলা প্রয়োজন।

ল ইজারাদার ও ফরদাবাদ-রূপসদী ধীবর সমবায় সমিতির সদস্য পিছন দাস বলেন, বিগত মৌসুমে কৃষকরা ধান চাষ করেছেন। এবার জমিতে আটকে থাকা কচুরিপানা আমরা পরিষ্কার করে দেবো।

এদিকে সাব ইজারাদারদের পেশীশক্তির কাছে নিরুপায় কৃষকরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। দ্রুত সাব ইজারাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সারোয়ার বলেন, আমরা ইজারা নেয়া মৎস্যজীবী সমিতিকে সময় দিয়েছি। নির্দিষ্ট ওই সময়ের মধ্যে বাঁধটি অপসারণ করার পাশপাশি কৃষি জমিতে আটকে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করার জন্য বলা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট করে দেয়া সময়ের মধ্যে বাঁধটি অপসারণ এবং কচুরিপানা পরিষ্কার না করা হয়- তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

    বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

  • বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

    বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

  • বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

    বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

  • বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি
  • বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি
  • বিলে অবৈধ বাঁধ, চাষের অনুপযোগী ৩০০ হেক্টর জমি

পরিবেশ

বিড়ালের ইঁদুর ধরা

শিকারের আশায় বসে ছিল বিড়ালটি। হঠাৎ চোখে পড়ল ইঁদুর। বাগে আনতে সময়ও লাগল না বেশি। চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জ থেকে বিড়ালের ইঁদুর শিকারের ছবি পাঠিয়েছেন সৌরভ দাশ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পরিত্যক্ত ইলেকট্রনিক বর্জ্য

ই-বর্জ্য হচ্ছে ইলেকট্রনিক বর্জ্য। যেমন: পরিত্যক্ত টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ক্যামেরা, এয়ারকন্ডিশনার, মুঠোফোন, ইলেকট্রনিক খেলনাসামগ্রী ইত্যাদি। নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব জিনিস ব্যবহারের পরে যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখনই এটি বর্জ্যে পরিণত হচ্ছে। সাধারণ দৃষ্টিতে এগুলোকে চিরাচরিত বর্জ্য মনে হলেও আসলে কিন্তু তা নয়। এগুলো পচনশীল নয়, তাই পরিবেশের যথেষ্ট ক্ষতি করে। এ কারণে মাটি, গাছপালা, ফসল ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, পুরোনো ইলেকট্রনিকসামগ্রী যখন ভাঙারির দোকানে স্থান পায়, তখন দোকানিরা প্রয়োজনে এসব বর্জ্যকে রোদের তাপে শুকিয়ে নেন। অনেকে বর্জ্যগুলোকে দোকানে না রেখে রাস্তার পাশে ফেলে রাখেন। ছবিগুলো সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে তোলা। ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তামিলনাড়ু-পুদুচেরি উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় নিভার

ভারতের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় নিভার। বুধবার তামিলনাড়ুর মারাক্কানম ও পুদুচেরির মধ্যবর্তী অঞ্চলে রাত এগারোটার দিকে তাণ্ডব শুরু করে শক্তিশালী এই ঝড়।

আবহাওয়া দফতর এর আগে জানিয়েছে, প্রায় তিন ঘণ্টায় এর কেন্দ্র পুদুচেরি অতিক্রম করে যাবে। সে সময় বাতাসের গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৪৫ কিলোমিটার হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগে থেকেই চেন্নাইসহ রাজ্যের একাধিক জেলায় শুরু হয় তীব্র বৃষ্টি। রাস্তাঘাট পানিতে ভরে গেছে। যানবাহনের সংখ্যাও খুবই কম। রাতের দিকে ঝড়ের তাণ্ডব বাড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

এখন পর্যন্ত রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষকে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী আর বি উদয়কুমার জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মানুষকে চেন্নাইয়ের দক্ষিণের নাগাপট্টিনম ও কাড্ডালোর জেলা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় তামিলনাড়ু উপকূলে রণতরী আইএনএস জ্যোতি মোতায়েন করেছে নৌবাহিনী। খাবারসহ উদ্ধারকাজের বিভিন্ন সরঞ্জাম রাখা হয়েছে ওই জাহাজে।

ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় চেন্নাই বিমানবন্দর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া চেন্নাইয়ের অধিকাংশ বড় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ জানানো হয়েছে, রাজ্যে ইতোমধ্যেই ১৫০টি ত্রাণ শিবিরকে তৈরি রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তামিলনাড়ুর বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে পুদুচেরিতে। এ সময়ে সব দোকান বন্ধ থাকবে। তবে দুধের দোকান, পেট্রোল পাম্প খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বিমানের ৪৯টি ফ্লাইট।

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসেবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পালানিস্বামী বৃহস্পতিবার ১৩ টি জেলায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন। পুদুচেরিতেও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

যমুনার চরে মিলল সাড়ে ১০ ফুট লম্বা অজগর

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সোহাগপুর যমুনার চর থেকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় সাড়ে ১০ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ‘দ্য বার্ড সেফটি হাউস’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা সোহাগপুর যমুনার চর থেকে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসী জানায়, রোববার (২২ নভেম্বর) বিকেলে গ্রামের জমির মধ্য একটি অজগর সাপ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে কিছু লোক ভয় পেয়ে সাপটির মাথায় টেঁটা দিয়ে আঘাত করে। রাত ৮টার দিকে দ্য বার্ড সেফটি হাউসের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি ফোনে স্থানীয়দের বন্যপ্রাণী আইনের বিষয়ে জানালে তারা সাপটি তাদের হেফাজতে রাখেন। সোমবার বেলা ১১টার দিকে মামুন বিশ্বাস ও জুবায়ের হোসেন চর থেকে আহত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে দ্য বার্ড সেফটি হাউসের চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে আমি ও জুবায়ের অজগর সাপটি উদ্ধার করার জন্য সোহাগপুর চরে যাই। সেখানে গিয়ে সাপের অবস্থা মারাত্মক হওয়ায় কিছু ছবি তুলে রাজশাহী বিভাগীয় বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবিরের কাছে পাঠিয়ে দেই। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা অজগর সাপটি সামাজিক বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হৃষীকেস চন্দ্র রায়, এম এল এস নবুয়াত, শাহজাদপুর পি এম রশিদুল হাসানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাপটি বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় উপযুক্ত চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বন্যহাতি হত্যা প্রতিরোধে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বর্তমান সরকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করছে। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের কিছু এলাকায় বিভিন্ন কারণে বন্যহাতি হত্যা করা হচ্ছে। এসব বন্যহাতি নিধন প্রতিরোধে ব্যর্থ এবং দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্যহাতি হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত মাসিক সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এতে সভাপতিত্ব করেন তিনি।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ড. মো. বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজ, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ, কে, এম রফিক আহাম্মদ, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসেন চৌধুরীসহ দফতর প্রধান ও বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

বনমন্ত্রী জনসাধারণকে বন্য হাতি নিধন থেকে বিরত রাখতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বন্য হাতির কারণে ক্ষতির সম্মুখীন মানুষদের সরকারের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি সবাইকে জানাতে হবে। হাতিসহ অন্য বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল তৈরি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে হাতির আবাসস্থল বিনষ্ট ও বিভক্ত হয়েছে। তাদের দীর্ঘকালীন পরিচিত চলাচলের পথও নষ্ট হয়েছে। ফলে বন্য হাতিরা পথভ্রষ্ট হয়ে অথবা খাবারের খোঁজে মানুষের ধানক্ষেতে ঢোকার চেষ্টা করে। ফলে স্থানীয় মানুষের পাতানো বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বা নানাবিধ আক্রমণে তারা মারা যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com