আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

চট্টগ্রামের পিঠা: বিন্নি চালের পিঠা

চট্টগ্রামের পিঠা: বিন্নি চালের পিঠা
চট্টগ্রামের পিঠা: বিন্নি চালের পিঠা

বিন্নি চালের পিঠা

উপকরণ: বিরুই চাল (বিন্নি) ১ কেজি, নারকেল ২ কাপ, চিনি আধা কাপ, পানি ৪ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

‌প্রণালি: প্রথমে ১ কেজি চাল নিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখব ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। এরপর উঠিয়ে ঝাঁজরিতে পানি ঝরিয়ে কাগজের ওপর চালগুলো ছড়িয়ে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিন। এবার গ্রাইন্ডারে গুঁড়া করে নিন। চালের গুঁড়ার সঙ্গে পানি ও লবণ মিশিয়ে মেখে নিন। মুঠো করা যাবে, এমন অবস্থায় মিশ্রণটি আনতে হবে। যদি মুঠ হয়, তাহলে বুঝতে হবে পিঠার জন্য গুঁড়া তৈরি। ‌এবার চুলায় তাওয়া বসিয়ে গরম করে নিন। প্রথমে হাতের সাহায্যে গুঁড়া গোল করে তাওয়ার ওপর ছড়িয়ে দিন। চিনি, নারকেলকুচি দিয়ে ২ থেকে ৩ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ঢাকনা খুলে ২ ভাঁজ অথবা ৩ ভাঁজ করলে হয়ে যাবে বিন্নি চালের পিঠা। গুঁড়ার সঙ্গে রং মিশিয়ে চেলে নিয়ে রঙিন বিন্নি পিঠা বানাতে পারেন।

দৈনন্দিন

ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন

ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন
ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন

ডেঙ্গু জ্বর এক আতঙ্কের নাম। ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার কারণে এ রোগ দেখা দেয়। দেশজুড়ে প্রাণহানী ও অসুস্থতা মহামারি আকার ধারণ করছে। ডেঙ্গু জ্বরে মানব শরীরের রক্তের প্লাটিলেট কমে যায়। রক্তের প্লাটিলেট ১ লাখ ৫০ হাজারের নিচে নেমে গেলে এ অসুস্থতা পরিলক্ষিত হয়।

তাই রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে কিছু ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এরমধ্যে আনার, ডাব, পাকা পেঁপে ও লেবু রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে অসুস্থ হলে ফলগুলো নিয়মিত খেতে হবে।

আনার: আনার, বেদানা বা ডালিম একই ধরনের ফল। বাজারে প্রায় বারো মাসই এসব ফল পাওয়া যায়। রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে আনার, বেদানা বা ডালিমের পাশাপাশি এসব ফলের জুস খাওয়াতে পারেন।

ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন
ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন

ডাব: কেনার সময় অবশ্যই কচি ডাব দেখে কিনবেন। ডাবের পানি রোগীকে খেতে দেবেন। গ্যাসের সমস্যা থাকলে নরম নারিকেল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন
ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন

পাকা পেঁপে: পাকা পেঁপে বাজার বা নিজের বাগান থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। কেটে ফালি ফালি করে খেতে পারেন। বেশি অসুস্থ হলে জুস করে খাওয়া যায়।

ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন
ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন

লেবু: লেবু একটি সহজলভ্য ফল। বাজার বা নিজের গাছ থেকে লেবু সংগ্রহ করা যায়। রোগীকে বেশি বেশি লেবুর শরবত খেতে দিতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন
ডেঙ্গু জ্বর হলে যা খাবেন

রোগীর অসুস্থতা বিবেচনা করে এসব ফল জুস করে খাওয়া যায়। এ ফল খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়া পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে আতঙ্কিত না হয়ে কাঙ্ক্ষিত প্লাটিলেট অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে খেয়ে যেতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

গর্ভাবস্থায় যে ফলগুলো খাবেন

 গর্ভাবস্থায় যে ফলগুলো খাবেন
গর্ভাবস্থায় যে ফলগুলো খাবেন

অন্যান্য সময়ের থেকেও গর্ভাবস্থায় খাবারের বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়। কারণ এ সময়ে শুধু একটি নয়, দুটি শরীরের পুষ্টি যোগাতে হয়। ভিটামিন ও পুষ্টি পেতে গর্ভাবস্থায় কিছু ফল খাওয়া জরুরি। লাইফস্টাইলবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে যেসব ফল গর্ভাবস্থায় জরুরি সেগুলোর কথা-

অনেকে মনে করেন গর্ভাবস্থায় আঙ্গুর খাওয়া ঠিক নয়। তবে আঙুরে রয়েছে ভিটামিন এ। ফোলেট, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম এগুলোও পাওয়া যায় আঙুরে। তাই এ ফল গর্ভাবস্থায় খেতে পারেন।

লেবু হজম ভালো করে, বমিভাব ও সকালের ক্লান্তিভাব দূর করে। এ ছাড়া লেবু শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতেও কাজে দেয়।

গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য খুব প্রচলিত সমস্যা। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এ সময় কলা খেতে পারেন।

এ গ্রীষ্মকালীন ফলটি শুধু সুস্বাদুই নয়, এর মধ্যে আছে স্বাস্থ্যকর অনেক উপাদান। রয়েছে ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি। গর্ভাবস্থায় এ ফল বেশ পুষ্টিদায়ক।

কমলা সাইট্রাস ফল। এটি ভিটামিন ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। গর্ভাবস্থায় এ ফল খেলে ভিটামিন সিয়ের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে।

আপেল অনেক রোগ প্রতিরোধ করে। গর্ভাবস্থায় ফলটি খেতে পারেন। এটি গর্ভাবস্থায় খুব নিরাপদ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

চীন

করোনাভাইরাস: রোগ জীবাণু নির্মূলে সচল হয়েছে রোবট

 হাসপাতালের ওয়ার্ডে জীবাণু নাশ করছে ইউভি রোবট
হাসপাতালের ওয়ার্ডে জীবাণু নাশ করছে ইউভি রোবট

“আপনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান, দরোজা বন্ধ রাখুন। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে জীবাণুনাশকের কাজ শুরু হবে।“ ইংরেজিতে এই কথাগুলো বলছে একটা রোবট।

“এটা চীনা ভাষাতেও কথা বলতে পারে,” জানালেন ইউভিডি রোবটস কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইমন এলিস।

জানালার কাঁচের মধ্য দিয়ে দেখা গেল ঘরের মধ্যে রোবটটি ঘোরাফেরা করতে শুরু করেছে এবং ক্যামেরার ফ্ল্যাশ-বাতির মতো অতিবেগুনি রশ্মি জ্বেলে ঘরের সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস ধ্বংস করছে।

“আমাদের ব্যবসা এমনিতেই বেশ চড়া ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির পর এটা একেবারেই আকাশচুম্বী হয়েছে,” বলছেন ইউভি রোবটস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী পের ইউল নিয়েলসেন।

এরই মধ্যে তারা চীনে, বিশেষভাবে উহানে, প্রচুর সংখ্যায় এই রোবট পাঠিয়েছেন।

এশিয়া এবং ইউরোপেও তাদের বিক্রি বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।

“সবচেয়ে বেশি অর্ডার এসেছে ইতালি থেকে”, বলছেন মি. নিয়েলসেন, “তাদের অবস্থা সত্যি শোচনীয়। আমরাও চেষ্টা করছি তাদের যথাসম্ভব সাহায্য করতে।“

 উহানের এক হাসপাতালে জীবাণুনাশক রোবট।
উহানের এক হাসপাতালে জীবাণুনাশক রোবট।

স্বাভাবিকভাবেই ইউভিডি রোবটসের উৎপাদন বেড়ে তিনগুণ হয়েছে।

ডেনমার্কের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ওডেনসে এই কোম্পানির কারখানায় প্রতিদিন একটা করে এধরনের জীবাণুনাশক রোবট নির্মাণ করা হচ্ছে।

যেভাবে কাজ করে এই রোবট

এই জীবাণুনাশক রোবটের রয়েছে আটটা বাল্ব, যেগুলো থেকে তীব্র অতিবেগুনি অর্থাৎ আলট্রা-ভায়োলেট বা ইউভি-সি আলোকরশ্মি বের হয়।

এই আলোকরশ্মি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক জীবাণুর ডিএনএ এবং আরএনএ ধ্বংস করে যাতে এগুলো সংখ্যায় আর বাড়তে না পারে।

তবে এই অতিবেগুনি রশ্মি মানবদেহের জন্যও খুবই ক্ষতিকারক।

তাই এই রোবট কাজ করার সময় ঘরে কোন মানুষ উপস্থিত থাকার নিয়ম নেই।

পুরো ঘরের জীবাণু ধ্বংস করতে রোবটটির ১০ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে।

 ইউভি রোবটসের কারখানায় উৎপাদন বেড়েছে তিনিগুণ।
ইউভি রোবটসের কারখানায় উৎপাদন বেড়েছে তিনিগুণ।

এই রোবট তৈরিতে সাহায্য করেছে ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ডেনমার্ক।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিকাল মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক হান্স ইয়র্ন কলমোস বলছেন, “এমন অনেক খারাপ জীবাণু আছে যেগুলো আপনার দেহে সংক্রমিত হতে পরে।“

“কিন্তু আমাদের দেহে যদি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অতিবেগুনি রশ্মির ডোজ দেয়া যায়, তাহলে এধরনের ক্ষতিকারক জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।“

এই রোবটের নির্মাণ শুরু হয় ২০১৯ সালে। এর দাম ৬৭ হাজার ডলার।

তবে এগুলো সুনির্দিষ্টভাবে করোনাভাইরাস নির্মূল করতে পারে কিনা, তার জন্য আলাদা করে কোন পরীক্ষা চালানো হয়নি।

কিন্তু মি. নিয়েলসেন বিশ্বাস করেন এই রোবট করোনাভাইরাসকেও ধ্বংস করতে সক্ষম।

“সার্স এবং মার্স-এর সাথে করোনাভাইরাসের অনেক দিক থেকেই মিল রয়েছে। এবং আমরা জানি যে ইউভি-সি আলোকরশ্মি দিয়ে এগুলো ধ্বংস করা সম্ভব,” বলছেন তিনি।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের সহযোগী অধ্যাপক ড. লেনা সিরিচও মনে করেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ইউভি রোবট হতে পারে একটি মোক্ষম অস্ত্র।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কষ্ট হলেও কেন আমরা ভয়াবহ ঝাল খাবার পছন্দ করি

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা ধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলেন যে, প্রচণ্ড কষ্ট নিয়ে আসা একটি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তার মাথা ব্যথা হচ্ছে, নাক দিয়ে পানি পড়ছে, গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারা বুঝতে পারছিলেন না সমস্যাটা কোথায়?

একটি সিটি স্ক্যান, মূত্র পরীক্ষা, রক্তে চিনির মাত্রা এবং শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে তারা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হন- তিনি কোন বিষক্রিয়া আক্রান্ত হননি অথবা রহস্যজনক কোন রোগে আক্রান্ত নন। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচগুলোর একটি খেয়েছিলেন।

তিনি যে জাতের মরিচ খেয়েছিলেন, সেটি হচ্ছে ক্যারোলিনা রিপার, যেটি সাধারণ জালাপিনো মরিচের চেয়ে ২৭৫ গুণ বেশি ঝাল। ৩৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি একটি প্রতিযোগিতায় নেমে ওই ঝাল মরিচ খেয়েছিলেন।

তবে তিনি ভাগ্যবান যে, তার মস্তিষ্কের চাপা হয়ে যাওয়া রক্তনালী আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন।

 দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় জন্ম নেয়া ক্যারোলাইনা রিপার মরিচ বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচগুলোর অন্যতম
দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় জন্ম নেয়া ক্যারোলাইনা রিপার মরিচ বিশ্বের সবচেয়ে ঝাল মরিচগুলোর অন্যতম

এটা হয়তো একটি চরম উদাহরণ।

কিন্তু বিশ্বের নানা কোনে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ, হয়তো কোটি কোটি যখন ঝাল মসলার খাবার খেতে বসেন, হয়তো তাদের জিহ্বায় তীব্র অনুভূতির তৈরি হয়, যখন তারা তাড়াতাড়ি পানি বা কোমল পানিয় খেয়ে ঝাল কমানোর চেষ্টা করেন।

অনেকের পেট খারাপ করে তোলে। তারপরেও মানুষ কেন ঝাল খায়?

এটা আসলে এমন একটা ভালোবাসার গল্প যা হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছে এবং সেটির কমতিরও কোন লক্ষণ নেই।

সেটা বুঝতে পারা যায় এই পরিসংখ্যান দেখলে, ২০০৭ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিশ্বের মরিচের উৎপাদন ২৭ মিলিয়ন টন থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৭ মিলিয়ন টন।

বিবর্তনমূলক প্রবৃত্তি

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনডেক্সবক্সের তথ্য অনুযায়ী, গড়ে আমরা প্রত্যেকে গতবছর প্রায় পাঁচ কেজি করে মরিচ খেয়েছি। গড়পড়তা একটি লাল মরিচের ওজন হয়ে থাকে ২০গ্রাম।

অনেক দেশের নাগরিকদের মধ্যে তুলনামূলক বেশি ঝাল খাওয়ার প্রবণতা থাকে।

তুরস্কের বাসিন্দারা প্রতিদিন গড়ে ৮৬.৫ গ্রাম মরিচ খেয়ে থাকে- যা বিশ্বের সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো, যারা বছরে ৫০.৯৫ গ্রাম মরিচ খায়, যারা বিশেষ করে ঝালমসলাযুক্ত খাবারের জন্য বিখ্যাত।

কিন্তু কেন আমরা ঝাল খাবার এতো বেশি পছন্দ করি?

এর পেছনে লুকিয়ে আছে শিহরিত হয়ে ওঠার মতো মনোবিজ্ঞান ও বিবর্তনের প্রবণতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি জটিল গল্প।

 সারা বিশ্বে মরিচের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে
সারা বিশ্বে মরিচের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে

প্রকৃতির গোপনীয়তা

কোন বিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মরিচের ভেতর ঝালের জন্য দায়ী ক্যাপসাইসিনের সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিয়ে বিতর্ক আছে।

বিজ্ঞানীরা এখন জানেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মরিচের ঝাল ক্রমেই বেড়েছে এবং উদ্ভিদগুলো এমন একটি ঝাল বা উত্তাপ তৈরি করেছে, যার ফলে স্তন্যপায়ী প্রাণী বা পোকামাকড় এসব উদ্ভিদ খাওয়া থেকে বিরত থাকে।

কিন্তু দেখা গেছে, পাখির এ নিয়ে কোন সমস্যা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বের করেছেন যে, কেন মরিচের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি খুব ভালোভাবে কাজ করেছে।

স্তন্যপায়ী প্রাণীরা মরিচের বিচি পেটের ভেতরে হজম করে ফেলে, ফলে নতুন করে আর গাছের বংশবিস্তার সম্ভব হয় না। পাখির মরিচ খেতে কোন সমস্যা হয় না

কিন্তু পাখির ক্ষেত্রে তা হয় না- বীজ পাখির মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে এবং নতুন উদ্ভিদের জন্ম হতে পারে।

সুতরাং মরিচের গাছ যদি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের নিজের ফল খাওয়া বন্ধ করতে এই ঝালের ব্যবস্থা তৈরি করে থাকে, তাহলে মানুষের ক্ষেত্রে কেন সেটি প্রযোজ্য হচ্ছে না?

এটা আরো অবাক করার মতো, কারণ মানুষ সাধারণত তিক্ত স্বাদকে বিষের সঙ্গে যুক্ত করে থাকে, যা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে গড়ে উঠেছে।

 পাখির মরিচ খেতে কোন সমস্যা হয় না
পাখির মরিচ খেতে কোন সমস্যা হয় না
 চীনের একটি শহরে মরিচ খাওয়ার উৎসব
চীনের একটি শহরে মরিচ খাওয়ার উৎসব

জ্বলে যাওয়ার সতর্কতা

একটি থিওরি হলো যে, মানুষ ঝাল খাবারের স্বাদ পেয়েছে তাদের অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যের কারণে।

ধারণাটি হলো যে, মানুষ উপলব্ধি করতে শুরু করে য, ঝাল মসলার খাবার পচে যাওয়ার সম্ভাবনা কম- খাবারে উত্তাপ থাকার মানে হলো সেটি নষ্ট হয়ে যায়নি।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী জেনিফার বিলিং এবং পল ডব্লিউ.শেরম্যান ১৯৯৮ সালের দিকে প্রথম এই ধারণা নিয়ে সামনে আসেন।

তারা ৩৬টি দেশের মাংস দিয়ে তৈরি কয়েক হাজার ঐতিহ্যগত খাবার বিশ্লেষণ করে দেখেছেন এবং দেখতে পেয়েছেন, তুলনামূলক উষ্ণ জলবায়ুর অঞ্চলগুলোয় ঝালযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়, যেখানে খাবার সহজেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

 বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, তুলনামূলক উষ্ণ জলবায়ুর অঞ্চলগুলোয় ঝালযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়, যেখানে খাবার সহজেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, তুলনামূলক উষ্ণ জলবায়ুর অঞ্চলগুলোয় ঝালযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়, যেখানে খাবার সহজেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

”গরমের দেশগুলোয় মাংস দিয়ে তৈরি প্রতিটি খাবারেই অন্তত একটি মসলা থাকবেই, আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেক মসলা থাকে, ভারী মসলা। আর ঠাণ্ডার দেশগুলোয় বেশিরভাগ খাবার তৈরি করা হয় মসলাবিহীন বা খুব সামান্য মসলা দিয়ে,” তারা উপসংহারে পৌঁছান।

থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স, ভারত ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোয় মসলা নির্ভর খাবার বেশি তৈরি করা হয়। অন্যদিকে সুইডেন, ফিনল্যান্ড এবং নরওয়েতে সবচেয়ে কম মসলা খাওয়া হয়।

”আমার মতে, খাবার রান্নার পদ্ধতি দেখলেই বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পরজীবী বা জীবাণুগুলোর সঙ্গে ও আমাদের মধ্যেকার প্রতিযোগিতার একটি ইতিহাস দেখতে পাওয়া যায়। আমরা যেসব খাবার খাই, পরজীবীগুলোও সেই একই খাবার খাওয়ার চেষ্টা করে।” বলছেন শেরম্যান।

”খাবার নিয়ে যা কিছু আমরা করি, শুকাই, রান্না করি, ভাপে সেদ্ধ করি, লবণ মিশিয়ে রাখি অথবা মসলা মাখি- সব কিছুর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এসব জীবাণু যাতে খাবারটি নষ্ট করে ফেলতে না পারে। ”

কোমলতার প্রতিষেধক?

খাদ্য বিজ্ঞানী কাওরি ও’কনোর আরেকটি সূত্র যোগ করেছেন।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলছেন, আখ এবং আলুর মতো, মরিচ এমন একটি খাদ্যদ্রব্য যা ইউরোপের মানুষদের কাছে বহু বছর অচেনা ছিল। কিন্তু ইউরোপিয়ানরা আমেরিকায় পৌঁছার পর এবং বাণিজ্য পথ চালুর পর, সেটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

 বিশ্বের মধ্যে তুরস্কে জনপ্রতি সবচেয়ে বেশি মরিচ খাওয়া হয়
বিশ্বের মধ্যে তুরস্কে জনপ্রতি সবচেয়ে বেশি মরিচ খাওয়া হয়

”ইউরোপের অভিযাত্রীদের মাধ্যমে মরিচ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে,” বলছেন ও’কনোর।

এগুলোর চমকপ্রদ স্বাদ খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বের খাবারে ছড়িয়ে পড়ে। এসব দেশের মধ্যে আছে ভারত, চীন এবং থাইল্যান্ড।

”আমাদের কল্পনা করে নিতে হবে যে, সেই সময় ইউরোপের খাবার খুবই মৃদু ধরণের ছিল। কিন্তু মরিচ সেগুলোয় স্বাদ যোগ করেছে, যেমনটা হয়েছে চিনি আসার পর।”

রোমাঞ্চ ও পেটে ব্যথা

তবে মরিচের প্রতি আমাদের ভালোবাসার কারণ হিসাবে আরেকটা বিকল্প তত্ত্ব আছে।

মশলাযুক্ত খাবারের প্রতি আমাদের ঝোঁকের কারণ হিসাবে মনে করা হয় ”সীমিত ঝুঁকি” নেয়ার প্রবণতাকে।

এই তত্ত্বে বলা হয় যে, এখন মানুষ যেমন রোমাঞ্চের জন্য রোলারকোস্টার বা স্কাইডাইভিং করতে পছন্দ করে, ঠিক একই রকম রোমাঞ্চের জন্য ঝাল ঝাল মরিচ খেতে শুরু করে।

 বিজ্ঞানীদের ধারণা, বিবর্তনের নানা পর্যায়ে নিজেদের রক্ষাকবচ হিসাবে ফলে ঝাল যুক্ত করে মরিচ গাছ
বিজ্ঞানীদের ধারণা, বিবর্তনের নানা পর্যায়ে নিজেদের রক্ষাকবচ হিসাবে ফলে ঝাল যুক্ত করে মরিচ গাছ

কষ্টের স্বাদ

এই ধারণাটি প্রথম প্রকাশ করেন পল রোজিন, ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়ার একজন মনোরোগবিদ। তিনি প্রথম এই বিষয়ে আগ্রহ বোধ করেন এটা লক্ষ্য করে যে, বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণী মরিচ খায় না, মানুষ বাদে।

তিনি পরীক্ষার অংশ হিসাবে মানুষজনকে ক্রমেই বেশি ঝালের মরিচ দিতে থাকেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা আর ঝাল খেতে পারে না।

সাক্ষাৎকারের সময় তিনি অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চান, কোন মরিচ তাদের সবচেয়ে ভালো লেগেছে। তারা বলেছেন, সবচেয়ে বেশি ঝালের মরিচটি।

পল রোজিন ব্যাখ্যা করে বলছেন, ”মানুষ হচ্ছে একমাত্র প্রাণী যারা অতি নেতিবাচক বিষয়কেও উপভোগ করতে পারে।”

”আমাদের শরীর যদি বিপরীত আচরণও করে, তারপরেও আমাদের মন জানে যে, আমরা আসলে খুব বড় কোন বিপদের মধ্যে নেই।”

এটা তুলনা করা যেতে পারে এভাবে যে, মানুষ অতিরিক্ত ঝাল খেতে পছন্দ করে, ঠিক যেমন তারা ভীতিকর ভৌতিক চলচ্চিত্র দেখতে পছন্দ করে।

 রোমাঞ্চ পাওয়ার জন্যেও কি মরিচ খাওয়া হয়?
রোমাঞ্চ পাওয়ার জন্যেও কি মরিচ খাওয়া হয়?

বৈশিষ্ট্য এবং লিঙ্গ

বিজ্ঞানীরা আরো বোঝার চেষ্টা করেছেন, কেন কিছু কিছু মানুষ অন্যদের তুলনায় বেশি ঝাল খেতে পছন্দ করে।

খাদ্য বিজ্ঞানী নাদিয়া বাইর্নেস জানার চেষ্টা করেছেন যে, মানুষের লিঙ্গ বৈশিষ্ট্য কি ঝালমসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রভাব রাখে কিনা।

তিনি দেখতে পেয়েছেন, পুরুষরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অন্যদের দেখানোর জন্য বেশি ঝালের মরিচ খায়, অন্যদিকে নারীরা কষ্টদায়ক ঝালের অনুভূতি পেতে চায়।

” উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, মেক্সিকোয় মরিচ খাওয়া মানে হলো শক্তি, বেপরোয়া এবং পুরুষত্ব প্রদর্শনের ব্যাপার।”

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার: মরিচ খাওয়ার পেছনে রোমাঞ্চপ্রিয়তা, কষ্ট উপভোগ অথবা প্রাচীন প্রবৃত্তির অনুসরণ করা, কারণ যাই হোক না কেন, বিশ্বে এখন আরো বেশি পরিমাণের মরিচ উৎপাদন করা হচ্ছে এবং মরিচের ঝালও দিনে দিনে বাড়ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

চীন

করোনাভাইরাস মহামারির উৎস কি চীনে চোরাচালান হওয়া প্যাঙ্গোলিন থেকে?

প্যাঙ্গোলিন
প্যাঙ্গোলিন

প্যাঙ্গোলিন নামে একটি প্রাণী যা চোরাই পথে চীনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা হয় – তার দেহে এমন একটি ভাইরাস পাওয়া গেছে যা কোভিড নাইনটিনের সাথে ‘ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।’

প্যাঙ্গোলিন হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি চোরাই পথে পাচার হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী।

এটা খাদ্য হিসেবে যেমন ব্যবহৃত হয়, তেমনি ব্যবহৃত হয় ঐতিহ্যবাহী ওষুধ তৈরির জন্য। ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে প্যাঙ্গোলিনের গায়ের আঁশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং তাদের মাংসও চীনে একটি উপাদেয় খাবার বলে গণ্য করা হয়।

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. টমি ল্যাম বলেছেন, চীনে পাচার হওয়া মালয়ান প্যাঙ্গোলিনের মধ্যে এমন দুই ধরনের করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে – যা মানুষের মধ্যে দেখা দেয়া মহামারির সাথে সম্পর্কিত।

নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব প্রাণী নিয়ে নাড়াচাড়া করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, এবং ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের মতো কোন মারাত্মক রোগ বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাতে হলে বুনো প্রাণীর বাজারে প্যাঙ্গোলিনের মত জন্তু বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত।

তারা এটাও বলছেন যে , মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্যাঙ্গোলিনের ভুমিকা বুঝতে হলে আরো পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা প্রয়োজন।

“যদিও সার্স-কোভ-টু-র প্রাদুর্ভাবের সরাসরি ‘হোস্ট’ হিসেবে প্যাঙ্গোলিনের ভুমিকা আরো নিশ্চিত হবার দরকার আছে, তবে ভবিষ্যতে যদি এরকম প্রাণী-থেকে-মানুষে মহামারি ছড়ানো ঠেকাতে হয় তাহলে বাজারে এসব প্রাণীর বিক্রি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত” – বলেন ড. ল্যাম।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বাদুড়ের দেহেও করোনাভাইরাস আছে, এবং তার সাথে মানুষের দেহে সংক্রমিত ভাইরাসের আরো বেশি মিল আছে। কিন্তু একটি অংশ – যা মানুষের দেহের কোষ ভেদ করে ভেতরে ঢুকতে ভাইরাসটিকে সহায়তা করে – তার সাথে এর মিল নেই।

করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাস

সহ-গবেষক সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এডওয়ার্ড হোমস বলেন, এর অর্থ হলো বন্যপ্রাণীদের মধ্যে এমন ভাইরাস আছে যা মানুষকে সংক্রমিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।

তিনি বলছেন,”করোনাভাইরাসের সাথে বাদুড়ের নিশ্চয়ই সম্পর্ক আছে, হয়তো প্যাঙ্গোলিনও সম্পর্কিত, তবে অন্য কোন প্রাণীর জড়িত থাকারও জোর সম্ভাবনা আছে।”

ঠিক কীভাবে ভাইরাসটি একটি জন্তুর দেহ থেকে বেরিয়ে অন্য একটি প্রাণীর দেহে এবং তার পর সেখান থেকে মানুষের দেহে ঢুকলো – তা এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্য হয়েই রয়েছে।

খুব সম্ভবত: হর্সশু প্রজাতির বাদুড় এবং প্যাঙ্গোলিন – দুধরণের প্রাণীই এতে জড়িত কিন্তু এর ঘটনাক্রম এখনো অজানা।

ডা. ল্যাম বলছেন, চোরাই পথে আসা মালয়ান প্যাঙ্গোলিনে এ ভাইরাস পাওয়া যাবার পর এই প্রশ্নটাও উঠছে যে – এই প্যাঙ্গোলিনের দেহেই বা ভাইরাস ঢুকলো কীভাবে? সেটা কি পাচারের সময় আশপাশে থাকা বাদুড় থেকে এসেছিল – নাকি দক্ষিণ পূর্ব-এশিয়ায় তাদের যে প্রাকৃতিক আবাসস্থল সেখানেই ঘটেছিল?

প্রাণী সংরক্ষণবিদরা বলছেন, এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত অবৈধ বন্যপ্রাণী পাচার রোধের জন্য সরকারগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

চীন অবশ্য কোভিড নাইনটিন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর বন্যপ্রাণীর মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিয়েছে, এবং ভিয়েতনামেও এমন কিছু পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

লন্ডনের জুলজিক্যাল সোসাইটির অধ্যাপক এন্ড্রু কানিংহ্যাম বলছেন, এই গবেষণাপত্র থেকে একলাফে কোন সিদ্ধান্তে পৌছে যাওয়া ঠিক হবে না। তার কথায়, কোভিড নাইনটিনের উৎস আসলে এখনো অজানা। হয়তো এটা কোন প্রাকৃতিক প্যাঙ্গোলিন ভাইরাসই ছিল, বা হয়তো প্যাঙ্গোলিন ধরা এবং হত্যা করার সময় অন্য কোন প্রাণী থেকে এসেছিল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com