আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

চট্টগ্রামের পিঠা: বিন্নি চালের পিঠা

চট্টগ্রামের পিঠা: বিন্নি চালের পিঠা
চট্টগ্রামের পিঠা: বিন্নি চালের পিঠা

বিন্নি চালের পিঠা

উপকরণ: বিরুই চাল (বিন্নি) ১ কেজি, নারকেল ২ কাপ, চিনি আধা কাপ, পানি ৪ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

‌প্রণালি: প্রথমে ১ কেজি চাল নিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখব ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। এরপর উঠিয়ে ঝাঁজরিতে পানি ঝরিয়ে কাগজের ওপর চালগুলো ছড়িয়ে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিন। এবার গ্রাইন্ডারে গুঁড়া করে নিন। চালের গুঁড়ার সঙ্গে পানি ও লবণ মিশিয়ে মেখে নিন। মুঠো করা যাবে, এমন অবস্থায় মিশ্রণটি আনতে হবে। যদি মুঠ হয়, তাহলে বুঝতে হবে পিঠার জন্য গুঁড়া তৈরি। ‌এবার চুলায় তাওয়া বসিয়ে গরম করে নিন। প্রথমে হাতের সাহায্যে গুঁড়া গোল করে তাওয়ার ওপর ছড়িয়ে দিন। চিনি, নারকেলকুচি দিয়ে ২ থেকে ৩ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ঢাকনা খুলে ২ ভাঁজ অথবা ৩ ভাঁজ করলে হয়ে যাবে বিন্নি চালের পিঠা। গুঁড়ার সঙ্গে রং মিশিয়ে চেলে নিয়ে রঙিন বিন্নি পিঠা বানাতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

দৈনন্দিন

ঋণাত্মক

ঋণাত্মক
ঋণাত্মক

এত দিন নিয়ম ছিল, কোনও শিল্পসংস্থা বনভূমির অংশবিশেষ পরিষ্কার করিয়া ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ব্যবহার করিলে বন দফতরকে ক্ষতিপূরণের অর্থ দিবে। শুধু তাহাই নহে, শিল্পসংস্থাটিকেই নির্বাচন ও অধিগ্রহণ করিতে হইবে অন্য ভূমিখণ্ড, যেখানে বন দফতর নূতন করিয়া বনসৃজন করিবেন। এই বন্দোবস্তেই বদল আসিতেছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন ফরেস্ট অ্যাডভাইজ়রি কমিটি সম্প্রতি সবুজ সঙ্কেত দিয়াছে ‘গ্রিন ক্রেডিট’ প্রকল্পকে। যাহা ছিল একান্তই সরকারের কাজ, এই প্রকল্পের অধীনে তাহাই করিতে পারিবে কোনও বেসরকারি সংস্থা। তাহারাই জমি বাছিবে, গাছ লাগাইবে, কাজ দেখিয়া ঠিক মনে হইলে ও বন দফতরের শর্ত পূরণ করিলে তিন বৎসর পরে তাহা ‘সম্পূরক বনভূমি’র মর্যাদা পাইবে। বনভূমি হইতে লব্ধ অর্থকরী যাহা কিছুই, বেসরকারি সংস্থাটি চাহিলে তাহা লইয়া বাণিজ্য করিতে পারিবে, অপর কোনও শিল্পসংস্থা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ইহাদের নিকট হইতে সেই ভূমিখণ্ড ক্রয়ও করিতে পারিবে। অর্থাৎ বনভূমিকে দেখা হইতেছে একটি পণ্য হিসাবে। সরকারের ঘর হইতে ছাড়িয়া দিয়া, বেসরকারি হস্তে সঁপিয়া বাণিজ্যও হইল, নূতন বনসৃজনও হইল। পরিবেশ বাঁচিল, আবার শিল্পসংস্থার উন্নয়নকার্যও বহাল রাখিল!

সমস্যা রহিয়াছে। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যে অরণ্য কাটা পড়িল, আর সম্পূরক বনভূমি বলিয়া যাহা সৃষ্টি হইল, তাহার চরিত্র এক নহে। অরণ্য বহুমাত্রিক, তাহাতে শতসহস্র তরুলতাবৃক্ষের অবস্থিতি। বেসরকারি সংস্থা জমি অধিগ্রহণ করিয়া যাহা করিবে তাহা বৃক্ষরোপণ, মূলত একই ধরনের গাছ লাগাইবার কাজ। হয়তো সমগ্র ভূমিতে সারি সারি ইউক্যালিপটাস রোপণ হইল। তাহা কি পরিণত অবস্থাতেও কখনও অরণ্যের সমান বা সমকক্ষ হইতে পারে? যে হেতু বেসরকারি সংস্থার গাছ লালনপালন করিয়া বড় করিবার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বরাদ্দ, তাই নানান প্রজাতির গাছ না লাগাইয়া একটি-দুইটি প্রজাতির গাছ— যাহারা অনায়াসে বা অল্প আয়াসে বড় হয়— লাগাইবার প্রবণতা থাকিবে। গত বৎসর প্রকাশিত ‘স্টেট অব ফরেস্ট রিপোর্ট’ হইতে প্রাপ্ত তথ্য, দেশে সবুজের বিস্তৃতি বাড়িয়াছে। এই সবুজের মধ্যে অনেকাংশেই কিন্তু বাণিজ্যিক বৃক্ষরোপণ; প্রকৃত অর্থে ‘গভীর অরণ্য’ যাহা, তাহার পরিধি ক্রমেই কমিতেছে। গ্রিন ক্রেডিট দিয়া বেসরকারি সংস্থাকে কাজ ছাড়িয়া দিলে বৃক্ষরোপণ হইবে বটে, বনসৃজন কতখানি হইবে বলা মুশকিল। অরণ্য কেবল অক্সিজেনই দেয় না, বহুবিধ প্রাণকে আশ্রয় দেয়, জীববৈচিত্রকে ধরিয়া রাখে। একধর্মী বৃক্ষরোপণে শত প্রাণের পরিপুষ্টি সাধন অসম্ভব।

বাণিজ্যিক দিকটি লইয়াও নিঃসন্দেহ হওয়া যাইতেছে না। যে বেসরকারি বা শিল্পসংস্থা এই কাজে যোগ দিবে, তাহাদের সামগ্রিক দায়বদ্ধতা থাকিবে তো? অরণ্যবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষিত হইবে তো? বন দফতর এত সব নজরে রাখিতে গিয়া নিজেদের কার্যে পিছাইয়া পড়িলেও গোল বাধিবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বেসরকারিকরণ লইয়া বিতর্ক কম নাই। তাহার উপরে আছে পছন্দের বেসরকারি সংস্থাকে ‘পাইয়া দিবার’ অভিযোগ, যাহা আদৌ ভিত্তিহীন নহে। সমস্ত সামলাইয়া সবুজের অভিযান সফল হইবে কি না, প্রশ্নচিহ্ন থাকিয়া গেল। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মতামত

দেশে দেশে ‘ফিরে চল মাটির টানে’

বিপ্লবী নেতা মার্কাস গার্ভে বলেছিলেন, যে মানুষের নিজের মূল, অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কোনো জ্ঞান নেই সে মূলত একটি শিকড়হীন গাছ। রবিঠাকুরও আমাদের মাটির টানে ফিরে যেতে বলেছেন শিকড়ে, যেখান থেকে উৎপত্তি হয়েছে নিজের অস্তিত্বের। সমুদ্র উত্থিত এই ব-দ্বীপের পলি জমা উর্বর মাটিতে পূর্বপুরুষরা বুনেছিল ফসলের বীজ, ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির স্বপ্ন। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের মূল প্রোথিত রয়েছে হাজার বছর আগে, এই কৃষিতেই।

পাঠক! আপনারা হয়তো জানেন, চ্যানেল আইয়ের পর্দায় ‘ফিরে চল মাটির টানে’ অনুষ্ঠানে দেখেছেন আমি প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ ও স্কুলের একঝাঁক শিশু-কিশোর নিয়ে চলে যাই কৃষকের কাছে, কৃষির কাছে। যেন এই অনুষ্ঠান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি তরুণ, আগামী প্রজন্ম একবার হলেও ছুঁয়ে আসে নিজের শিকড়পোঁতা মাটি, নিয়ে আসে বাংলাদেশের কৃষকের শ্রমে-ঘামে সিক্ত মাটির ঘ্রাণ। সেখান থেকে যেন তারা দীক্ষা নিতে পারে ধ্যানমগ্ন ও শ্রমসাধনার সমৃদ্ধ জীবনের এবং আরও শক্ত ও মজবুত করতে পারে নিজের শিকড়কে।

নতুন প্রজন্মকে আগের প্রজন্মের সঙ্গে, অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে প্রতিটি উন্নত ও সভ্য জাতিরই। কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত উন্নত রাষ্ট্রগুলোর কৃষি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পাঠ দেওয়া হয় নতুন প্রজন্মকে। যেমন বলা যায় স্কটল্যান্ডের উইটমোর অর্গানিক ফার্মের কথা। সেখানে শিশুরা নিয়মিত কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য প্রস্তুত প্রণালির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারে। আবার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ৫০ মাইল দূরের ম্যুর পার্ক এলাকায় আন্ডার উড ফ্যামিলি পার্কের কথাও বলা যেতে পারে। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনও আপনারা ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে দেখেছেন।

ক’দিন আগে কাজের প্রয়োজনে যেতে হয়েছিল মার্কিন মুলুকের নিউইয়র্কে। সেখানে স্কুলের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের কৃষি বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ও হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়ার এক প্রতিষ্ঠানের খোঁজ মিলল। পোকান্টিকো হিলসের স্টোন বার্নস সেন্টার ফর ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার। পাহাড়বেষ্টিত নৈসর্গিক পরিবেশে সমন্বিত কৃষির এক বিশাল আয়োজন। প্রতিষ্ঠানটিতে একদিকে চলছে কৃষি উৎপাদন, অন্যদিকে কৃষি নিয়ে বহুমুখী গবেষণা। এখানে বিভিন্ন বয়সী ও শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য যেমন রয়েছে ব্যবহারিক কৃষি শিক্ষার আয়োজন, একইভাবে রয়েছে প্রচলিত কৃষিব্যবস্থার ত্রুটিগুলো হাতে-কলমে জানার ব্যবস্থাও।

৮০ একর জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান আমেরিকার স্বনামখ্যাত শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ ডেভিড রকফেলার ও তার মেয়ের মালিকানাধীন। তাদের উদ্যোগেই প্রথমে দুগ্ধ খামার গড়ে তোলা হয়; যা দিনে দিনে বহুমুখী কৃষি উৎপাদন ও কৃষিপণ্যের স্বাদ ও মান সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ধারণা দেওয়ার এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এই ‘স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার’ সেন্টারেই রয়েছে ‘ব্লু হিল’ নামের ব্যয়বহুল ও অভিজাত রেস্টুরেন্ট। সরাসরি খামারজাত খাদ্যের সেই রেস্তোরাঁয় একজনের খাবারের আনুমানিক মূল্য পড়ে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ হাজার টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস বলে খামারটি ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রকফেলার পরিবারের নিজস্ব ও রক্ষণশীল একটি প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০০৪ সালে এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কৃষিবিষয়ক শিক্ষার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছে ১৩ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ; যাদের সবারই কৃষির প্রতি যেমন রয়েছে অনুরাগ, একইভাবে রয়েছে সম্যক জানা-বোঝাও।

আগেই স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার সেন্টার পরিদর্শনের সময়সূচি ও অনুমোদন নিয়ে রাখা ছিল। তাই প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ নির্বাহী আমাদের সাদর সম্ভাষণ জানিয়ে ভিতরে নিয়ে গেলেন। তিনি জানালেন তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে। স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার সেন্টার গভীরভাবে চায় নতুন প্রজন্মকে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষা দিতে। সে শিক্ষাটি হোক হাতে-কলমে। মাটি ও ফসলের স্পর্শের মধ্য দিয়ে। শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, পৃথিবীব্যাপীই শিক্ষা হয়ে উঠেছে রুদ্ধ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ভবন কাঠামোর ভিতরমহলের বিষয়। কিন্তু এখানে রয়েছে মুক্ত প্রাঙ্গণে মাটির ঘ্রাণ মেখে নতুন এক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ।

সনাতন কৃষি ও আধুনিক কৃষির পার্থক্যটি খুব স্পষ্টভাবেই ধরা পড়ে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে। অবশ্য প্রকৃতিনির্ভর কৃষিকে বেশি করে প্রাধান্য দিচ্ছে তারা। মাঠে দেখা মিলল একদল শিক্ষার্থীর, যারা হাতে-কলমে নিচ্ছে কৃষি শিক্ষা। আর তাদের শিক্ষক প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা পরিচালক রেনে মারিয়ন। কথা হয় মারিয়নের সঙ্গে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা নিউইয়র্কের একটি কলেজের নবম গ্রেডের। কলেজের প্রাণিবিদ্যা ক্লাসের অংশ হিসেবেই উদ্ভিদের জীবনপ্রণালি, কৃষি ও এর অনুশীলনগুলো প্রথমবারের মতো সরেজমিন দেখছে। কৃষির পরিবর্তনগুলো তারা বোঝার চেষ্টা করছে।

মারিয়ন জানান, যদিও আমাদের সনাতন কৃষিতে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। কৃষি থেকে অনেকেই সরে গেছেন। কিন্তু কয়েক প্রজন্ম আগে এসব শিক্ষার্থীর পূর্ব প্রজন্মও কৃষক ছিল। ওরা সেই অতীতটা জানে না। ওদের সেই অতীতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াটা জরুরি। মাঠে দেখা মেলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক তরুণের। নাম লরেন্স। কথা হয় তার সঙ্গে। সে জানায়, নয় মাসের সমন্বিত কৃষির একটি কোর্স করছে সে। কোর্সের শুরুর তিন মাস ছিল প্রাণিসম্পদ। তা শেষ করার পর বনায়ন বিষয়ে কোর্স করেছে তিন মাস, এরপর চলছে পুরোপুরি কৃষি শিক্ষা।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টোন বার্ন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার সেন্টারটি বিস্ময়কর এক কৃষি ক্ষেত্র। মাঠে যেমন ফসলের উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের, একইভাবে ধারণা দেওয়া হচ্ছে উদ্ভিদের রোগবালাই, কীটনাশক প্রয়োগসহ প্রয়োজনীয় প্রতিটি বিষয়ে। বিস্তীর্ণ ফসলি খেত তার পাশে দীর্ঘদিনের বন-বনানীর ভিতর দিয়ে শিক্ষার্থীরা বিচরণ করছে, সেই সঙ্গে জেনে নিচ্ছে কৃষির পানি ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে নানা বিষয়। স্টোন বার্ন সেন্টারের ব্লু হিল রেস্টুরেন্টের কিচেনে গিয়ে রীতিমতো অবাক হয়েছিলাম। সেখানেও শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কিচেনে শিক্ষার্থীদের কাজ কী? স্টোন বার্ন সেন্টারে এক দিনের জন্য সংযুক্ত শিক্ষার্থীদের ক্লাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সবজি কাটা থেকে শুরু করে রান্না পর্যন্ত। এর প্রতিটি পর্ব অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত।

রেনে মারিয়ন জানান, ফসল উৎপাদনের সব পর্বে যেমন নানা বিষয়ে দৃষ্টি রাখার প্রয়োজন রয়েছে, তেমন দৃষ্টি রাখতে হবে কৃষিপণ্যকে খাদ্যে পরিণত করার কৌশলের দিকেও। বিশেষ করে সবজি বা ফল কাটা, তা রান্না করা এবং পরিবেশনের ওপর নির্ভর করছে এর বিশুদ্ধতা।

পাঠক! এসব শুনে আপনাদের নিশ্চয়ই মনে পড়ছে ফিরে চল মাটির টানের কথা। আমাদের প্রতিটি সেশনেই শিক্ষার্থীদের কৃষি কাজের পাশাপাশি থাকে নিজ হাতে খাদ্য রান্নার বিষয়। অনেক বিড়ম্বনা সহ্য করে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই এ কাজগুলো সম্পন্ন করে। যাই হোক, সমন্বিত কৃষি শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী আমেরিকান শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলল, ফসলের মাঠ থেকে খাবারের প্লেট পর্যন্ত অর্থাৎ খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রস্তুতি পর্যন্ত এই সম্যক ধারণা তাদের জীবনবোধকে সমৃদ্ধ করেছে।

আগেই বলেছি, স্টোন বার্ন সেন্টার একদিকে যেমন আধুনিক কৃষির নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উন্নয়নের কাজ করে চলেছে, একইভাবে শিক্ষার্থীদের এমনভাবে কৃষিকৌশল সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে যাতে তারা যে কোনো সময় কৃষিকাজে হাত দিতে পারে। ইতিমধ্যে আমেরিকার ৪৬টি স্কুলের মাধ্যমিক শ্রেণির নিয়মিত পাঠক্রমে যুক্ত রয়েছে এই সেন্টার পরিদর্শন ও ব্যবহারিক শিক্ষা। বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেও চিন্তা করা হচ্ছে প্রজন্মকে কৃষিসচেতন করে গড়ে তোলার। খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্যের স্বার্থেই প্রতিটি নাগরিকের জানা প্রয়োজন ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কৃষি সম্পর্কিত ধ্যান-ধারণা থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

আমাদের দেশেও খোদ প্রধানমন্ত্রী বার বার আহ্বান জানাচ্ছেন, শিক্ষার্থীদের কৃষকের মাঠে গিয়ে কৃষি সম্পর্কিত ধারণা নেওয়ার জন্য। হৃদয়ে মাটি ও মানুষের পক্ষ থেকে প্রায় এক দশক ধরে ‘ফিরে চল মাটির টানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমি চেষ্টা করে চলেছি নতুন প্রজন্মকে কৃষির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। আমার বিশ্বাস, এসবের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম মাটির সঙ্গে তাদের সম্পর্কটুকু ধরে রাখবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

চট্টগ্রামের পিঠা: মধু ভাত

চট্টগ্রামের পিঠা: মধু ভাত
চট্টগ্রামের পিঠা: মধু ভাত

মধু ভাত

উপকরণ: পোলাওয়ের চাল দেড় কাপ, বিন্নি চাল আধা কাপ, নারকেল ১ কাপ, কনডেন্সড মিল্ক স্বাদমতো, গুঁড়া দুধ সিকি কাপ, জালা চালের গুঁড়া এক কাপ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: চাল ধুয়ে ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এদিকে চুলায় একটি পাত্রে ৬ কাপ পানি ও ২ চা-চামচ লবণ দিয়ে ফোটাতে থাকুন। পানি ফুটে উঠলে এতে চাল (পানি ঝরিয়ে নিতে হবে) দিয়ে দিন। চুলায় মাঝারি আঁচে নরম করে ভাত রান্না করুন। ভাত যাতে হাঁড়ির গায়ে না লেগে যায়, সে জন্য কিছুক্ষণ পরপর কাঠি দিয়ে নেড়ে দিন। ভাতটা আঠালো হয়ে এলে চুলার আঁচটা আরও কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে পাঁচ মিনিট রাখুন। এবার ঢাকনা সরিয়ে ভাতটুকু নেড়ে নিন। ১০ মিনিট পর ভাতের পাত্রটি চুলা থেকে নামিয়ে অল্প অল্প করে জালা চালের গুঁড়া ছিটিয়ে ঘুঁটনি দিয়ে ভালো করে ঘুঁটে নিন। ভাতের ওপর আধা কাপ জালা চালের গুঁড়া সুন্দর করে চেপে ঢেকে দিন। এবার ভাতের পাত্রটিকে ঘরের মধ্যে গরম কোনো জায়গায় মোটা কাপড় দিয়ে ১২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। ১২ ঘণ্টা পর দেখুন ভাতের ওপরটা ফেটে গেছে কি না। ফেটে থাকলে পুরো ভাত বাটিতে ঢেলে নিন। এবার পরিবেশনের আগে নারকেল, গুঁড়া দুধসহ সবকিছু চামচ দিয়ে মিশিয়ে ভাতের ওপর ছিটিয়ে দিন। অনেকে এই মধু ভাত পাতলা করে খায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নিরামিষভোজীরা যে ডায়েট অনুসরণ করেন তা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে

নিরামিষভোজীরা যে ডায়েট অনুসরণ করেন তা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে
নিরামিষভোজীরা যে ডায়েট অনুসরণ করেন তা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে

ভেগান বা নিরামিষভোজীদের ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দিলেও বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোকের ঝুঁকি।

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণাটি, ১৮ বছর ধরে ৪৮ হাজার মানুষের উপর পরিচালনা করা হয়েছে।

প্রতি এক হাজার জনের মধ্যে নিরামিষভোজীদের মধ্যে করোনারি হৃদরোগীর সংখ্যা মাংসাশীদের তুলনায় ১০ জন করে কম পাওয়া গেছে।

কিন্তু স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা তিনজন করে বেশি পাওয়া গেছে।

ডায়েট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের খাদ্যাভ্যাস যেমনই হোক না কেন, বিভিন্ন ধরণের বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো।

গবেষণায় নতুন কি পাওয়া গেছে?

এপিক-অক্সফোর্ড স্টাডি মূলত একটি দীর্ঘ মেয়াদি গবেষণা প্রকল্প যা দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্য নিয়ে পরীক্ষা চালায় তাদের তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই গবেষণায়।

১৯৯৩ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অর্ধেকই ছিলেন মাংসাশী। ১৬ হাজারের কিছু বেশি ছিলেন নিরামিষভোজী।

আর সাড়ে সাত হাজার অংশগ্রহণকারী জানান যে তারা আহার হিসেবে মাছ খেতেন।

অংশগ্রহণের সময় এবং ২০১০ সালে আবার নতুন করে এসব অংশগ্রহণকারীদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

তাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য, ধূমপান এবং শারীরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়গুলোও আমলে নেয়া হয়েছিলো।

সব মিলিয়ে, করোনারি হৃদরোগ বা সিএইচডি’র সংখ্যা মেলে ২৮২০টি, স্ট্রোকের সংখ্যা ১০৭২টি যার মধ্যে ৩০০টি মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ জনিত স্ট্রোকের ঘটনাও রয়েছে। মস্তিষ্কের দুর্বল শিরা ছিড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হলে এ ধরণের স্ট্রোক হয়।

মাংসাশীদের তুলনায় মাছ ভোজীদের মধ্যে সিএইচডি’র ঝুঁকি ১৩ ভাগ কম ছিলো।

আর নিরামিষভোজীদের মধ্যে এই হার ২২ভাগ কম ছিলো।

কিন্তু যারা উদ্ভিদ ও শাক সবজি খেয়ে জীবন ধারণ করেন বা যারা নিরামিষভোজী, তাদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি ২০ ভাগ বেশি ছিলো।

গবেষকদের ধারণা, ভিটামিন বি১২ এর অভাবের কারণে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তবে তারা বলেন যে, এর প্রকৃত কারণ খুঁজে পেতে হলে আরো গবেষণার দরকার রয়েছে।

এমনও হতে পারে যে, খাদ্যাভ্যাসের সাথে আসলে এর কোন সম্পর্ক নেই। বরং যারা মাংস খায় না তাদের জীবনের অন্যান্য কারণের জন্যই হয়তো এই ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

প্রতিরাতে শুধু মাংস আর আলু নয় বরং বৈচিত্র্যময় খাবার খেতে হবে
প্রতিরাতে শুধু মাংস আর আলু নয় বরং বৈচিত্র্যময় খাবার খেতে হবে

তার মানে কি নিরামিষভোজী অস্বাস্থ্যকর?

ব্রিটিশ ডায়েটিক এসোসিয়েশনের ডা. ফ্রাঙ্কি ফিলিপস বলেন যে, এটা নাও হতে পারে। কারণ এই গবেষণাটি শুধুমাত্র একটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা মাত্র।

“তারা শুধু পর্যবেক্ষণ করেছে যে মানুষ কি খায় এবং তাদেরকে বছরের পর বছর ধরে অনুসরণ করেছে, এটা শুধু সম্পৃক্ততাই জানান দেয়, কারণ বা প্রভাব সম্পর্কে বিশ্লেষণ করে না,” তিনি বলেন।

“সবার জন্য বার্তা হচ্ছে, সবচেয়ে ভালো হচ্ছে একটি পরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাস এবং বিভিন্ন ধরণের খাবার খাওয়া।”

“মাংসাশীরা সাধারণত বিভিন্ন ধরণের খাবার খায় না। কারণ তারা প্রতি রাতে খাবার হিসেবে মাংসই খায় এবং কোন ধরণের শাক-সবজি খায় না।”

গবেষণা শুরুর পর থেকে কি মানুষের খাবারে পরিবর্তন এসেছে?

২০১০ সালে গবেষকরা আবার অংশগ্রহণকারীদের কাছে গিয়ে তাদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল।

কিন্তু ডা. ফিলিপস বলেন, নিরামিষভোজীদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তিত হয়েছিলো।

“এই তথ্যগুলো কয়েক দশক আগে সংগ্রহ করা হয়েছিলো,” তিনি বলেন।

“স্বাভাবিকভাবেই আজ থেকে ২০ কিংবা ৩০ বছর আগে নিরামিষভোজীদের

সাথে আজকের নিরামিষভোজীদের পার্থক্য তৈরি হয়েছে।”

“নিরামিষভোজীদের খাবারের পরিধি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এগুলো এখন মূল ধারার সাথে যুক্ত হয়েছে।”

আমরা এখন অনেক বেশি মাত্রায় প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং মাংস খাওয়ার স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে অনেক বেশি জানি যা অন্ত্রের ক্যান্সার তৈরি করে।

প্রতিরাতে শুধু মাংস আর আলু নয় বরং বৈচিত্র্যময় খাবার খেতে হবে
প্রতিরাতে শুধু মাংস আর আলু নয় বরং বৈচিত্র্যময় খাবার খেতে হবে

তাহলে কি খাওয়া উচিত?

ব্রিটিশ জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ইট ওয়েল গাইড নামে খাবার সম্পর্কিত একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। আপনি যে ধরণের খাবারই খান না কেন, আপনার থালায় এ ধরণের খাবার থাকাটা জরুরী বলে উল্লেখ করা হয়েছে এতে..

•দিনে কমপক্ষে ৫ ভাগ ফল এবং শাক-সবজি খান

•মূল খাবার হিসেবে উচ্চ মাত্রায় আঁশ সম্পন্ন এবং শ্বেতসার বহুল খাবার যেমন আলু, রুটি, ভাত কিংবা পাস্তা রাখা উচিত

•প্রোটিন ভুলে গেলে হবে না- চর্বিহীন মাংস, মাছ, সামুদ্রিক খাবার, ডাল, তফু কিংবা লবণহীন বাদাম খেতে হবে

•দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার থাকতে হবে

•উচ্চ মাত্রায় চর্বিযুক্ত খাবার, চিনি কিংবা লবণ যত কমানো যায় ততই ভালো

কিন্তু যারা নিরামিষভোজী তাদের নির্দিষ্ট কিছু পুষ্টি গ্রহণ সম্পর্কে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, যারা মাংস, দুগ্ধজাত খাবার এবং মাছ খায় তারা পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ পায় যা স্বাস্থ্যকর রক্ত এবং স্নায়ুতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয়।

যাই হোক, যদিও সকালের নাস্তার বিভিন্ন সিরিয়াল এবং ইস্ট সমৃদ্ধ খাবারে ভিটামিন বি১২ থাকে তবু নিরামিষভোজীদের মধ্যে এই ভিটামিনের অভাব দেখা দিতে পারে।

উদ্ভিদ-জাত খাবার থেকে আয়রনও কম পাওয়া যায়। তাই যারা মাংস খান না তাই তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তারা যাতে নিয়মিত গমের রুটি, আটা, শুকনো ফল এবং ডাল খান।

এছাড়া গত মাসে নিরামিষভোজীদের আহ্বান জানানো হয়েছিলো যে তারা যাতে মস্তিষ্কের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভিটামিন কোলিন পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ইলিশ ডিমের মতি পোলাও

ইলিশ ডিমের মতি পোলাও
ইলিশ ডিমের মতি পোলাও

উপকরণ ক. ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, ইলিশের ডিম ২ টুকরা, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ২ টেবিল চামচ, পাউরুটি ২ টুকরা, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো।

উপকরণ খ. আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৪–৫টি, সয়াবিন তেল সিকি কাপ, টক দই ২ টেবিল চামচ, চিনি আধা চা-চামচ।

উপকরণ গ. পোলাওর চাল ২ কাপ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, পানি (ইলিশ সিদ্ধ করার জন্য) ২ কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, ঘি সিকি কাপ, এলাচি ২টি, দারুচিনি ২ টুকরা, চিনি ১ চা-চামচ, কিশমিশ ১ টেবিল চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো।

প্রণালি ক. ইলিশ মাছ লবণ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। বাকি পানি পোলাওয়ের জন্য রেখে দিতে হবে। এবার ইলিশের ডিম ভালোভাবে চটকে নিন। কাঁটা বাছা মাছ ও বাকি উপকরণগুলো একসঙ্গে পানি দিয়ে ভেজানো পাউরুটির সঙ্গে মাখাতে হবে। এবার হাতে টোস্টের গুঁড়ো লাগিয়ে ছোট ছোট বলের মতো বানিয়ে ডুবো তেলে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন।

খ. একটি পাত্রে দুধ বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে ভালোভাবে বেটে চুলায় দিয়ে কষান। মসলায় সুঘ্রাণ এলে দুধ দিয়ে দিন। দুধ ফুটে উঠলে ভাজা মাছের ডিমের মতিগুলো দিতে হবে। একটু পর তেল চকচকে হলে পোলাওর সঙ্গে মিশিয়ে অল্প ঘি ছড়িয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করুন।

গ. পোলাও: রাইস কুকারে যথারীতি নারকেলের দুধ ও ইলিশ সিদ্ধ পানি দিয়ে পোলাও রান্না করে নিতে হবে। রাইস কুকার ছাড়া চুলাতেও পোলাও রান্না করতে পারবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০১৯
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com