আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

কাঁঠালের কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা দমন করবেন যেভাবে

 কাঁঠালের কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা দমন করবেন যেভাবে
কাঁঠালের কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা দমন করবেন যেভাবে

আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। খেতেও সুস্বাদু। তাই সবার প্রিয় ফল এটি। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই কাঁঠাল পাওয়া যায়। এখন চলছে কাঁঠালের মৌসুম। তাই জেনে নেই কাঁঠালের কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ সম্পর্কে-

<script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”></script>

রোগের নাম: কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ

লক্ষণ: দুই ধরনের লক্ষণ দেখলেই বোঝা যায়-
১. এ পোকার আক্রমণ হলে গাছের কাণ্ডে ছিদ্র দেখা যায়।
২. কাণ্ডে মালার মতো ঝুল লেগে থাকে বা ঝুলতে থাকে।

প্রতিকার: কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ হলে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে-

১. গর্ত পরীক্ষা করে পোকা মেরে ফেলা।
২. গর্তের ভেতর প্যারাডাইক্লোরোবেনজিন ঢেলে গর্তের মুখ মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া।
৩. সিরিঞ্জ দিয়ে গরম পানি গর্তের ভেতর ইনজেক্ট করেও পোকা মারা যায়।


৪. চিকন ধাতব তার গর্তের ভেতর ঢুকিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মারা।
৫. কটন বাডের মাথা কেরোসিন বা পেট্রলের মধ্যে ভিজিয়ে গর্তে ঢুকিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

যেভাবে আম ও লিচুর ফলঝরা রোধ করবেন

যেভাবে আম ও লিচুর ফলঝরা রোধ করবেন
যেভাবে আম ও লিচুর ফলঝরা রোধ করবেন

এখন আম-লিচুর মৌসুম। এসময় আম ও লিচু গাছে নানাবিধ সমস্যা দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে ফলঝরা রোগটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চাষিরা আম ও লিচুর ফলঝরা সমস্যা নিয়ে অনেক চিন্তায় থাকেন। তবে ফলঝরা রোধে কিছু করণীয় রয়েছে। আসুন জেনে নেই কী করতে হবে ফলঝরা রোধ করতে-

১. বর্ষার শুরুতে বা শেষে প্রতিটি গাছের গোড়ার মাটি ভালোভাবে খুড়ে বয়সভেদে সার দিতে হবে।
২. দুপুর বেলা (সূর্য ঠিক মাথার উপর) গাছের নিচে যতটুকু ছায়া পড়ে ততটুকু জায়গায় সার দেবেন।

৩. ফলঝরা রোগে আক্রান্ত আম ও লিচু গাছের গোড়ায় অবশ্যই বোরণ প্রয়োগ করতে হবে।
৪. ফল যখন মোটর দানার মতো থাকে; তখন মাটিতে রস না থাকলে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে ৫-৭ দিন পর পর ২-৩ বার বোরণ স্প্রে করতে হবে।
৬. একই হারে যে কোনো ম্যানকোজেব এবং কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।
৭. মাছিপোকার আক্রমণে ফল ঝরে গেলে প্রতি বিঘার জন্য ১০-১২টি সেক্স ফেরোমন ব্যবহার করবেন।
৮. কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগের ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃষ্টি হলে আবার স্প্রে করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

লিচু শুকিয়ে বা ফেটে গেলে যা করবেন

 লিচু শুকিয়ে বা ফেটে গেলে যা করবেন
লিচু শুকিয়ে বা ফেটে গেলে যা করবেন

লিচু রসালো সুস্বাদু ফল। এখন লিচুর মৌসুম। কিন্তু দীর্ঘ খরা হলে লিচু শুকিয়ে যেতে পারে। এছাড়া লিচুর ফল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আসুন জেনে নেই এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় সম্পর্কে-

লিচু শুকিয়ে গেলে: লিচু শুকিয়ে গেলে যে ব্যবস্থা নিতে পারেন-

১. খরা মৌসুমে সপ্তাহে ২ বার নিয়মিত সেচ দেওয়া।
২. বিকাল বেলা গাছে পানি স্প্রে করা।
৩. পর্যাপ্ত জৈব সার প্রয়োগ করা।

লিচু ফেটে গেলে: লিচু ফেটে গেলে এর প্রতিকার হচ্ছে-

১. খরা মৌসুমে নিয়মিত সেচ দেওয়া।
২. গুটি বাঁধার পরপরই সলুবর বোরণ ২ গ্রাম বা লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর ৩ বার স্প্রে করা।
৩. বর্ষার আগে ও পরে বছরে ২ বার গাছের বয়স অনুযায়ী সুষম সার প্রয়োগ করা।
৪. প্রতি বছর গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম হারে ডলোচুন প্রয়োগ করা।
৫. পর্যাপ্ত জৈব সার প্রয়োগ করা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি

পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি
পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলায় এবছর প্রচুর লিচু উৎপাদিত হয়েছে। পাহাড়ে জন্মানো এ লাল রঙের রসালো সুস্বাদু লিচু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

কৃষি অধিদফতর জানায়, রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, কাপ্তাইসহ বিভিন্ন উপজেলায় লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিদিনই রাঙ্গামাটি শহরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও লঞ্চে করে আনা হচ্ছে লিচু। যা ট্রাকে করে বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি
পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি

বরকলের লিচু চাষি প্রভাত কুসুম চাকমা বলেন, ‘আমার দু’টি পাহাড়ে প্রায় ১১ একর জায়গাজুড়ে রয়েছে লিচুর বাগান। প্রতি বছর এ সময়ে আমি বাগান থেকে প্রচুর লিচু বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করি। এ বছর বাগান পরিচর্যার জন্য প্রায় ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর শুরু থেকে ভালো মুকুল এসেছিল গাছে। তাই ফলও হয়েছে ভালো। এবারের বাজারে মূল্য ভালো। আশা করা যায় প্রায় ৭-৮ লাখ টাকার মতো আয় হতে পারে।’

পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি
পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি

নানিয়ারচরের আরেক চাষি জাহাঙ্গির আলম বলেন, ‘আমি বাড়ির পাশে প্রায় ৫ একর জমিতে লিচু গাছ লাগিয়েছিলাম। এখন প্রতি বছর এ বাগান থেকে প্রচুর চায়না-৩ লিচু উৎপাদন হয়। এ লিচু বাজারে বিক্রি করে ভালো লাভবান হচ্ছি। চায়না-৩ একশ’ লিচু বাজারে প্রায় ৩০০-৩৫০ টাকা বিক্রি করছি।’

রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা বলেন, ‘রাঙ্গামাটির মাটি লিচু চাষের জন্য উর্বর। বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় লিচুর ভালো ফলন হয়। রাঙ্গামাটিতে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ ৪২ হেক্টর জমিতে লিচুর চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ৭.৬৫ টন করে প্রায় ১ হাজার ৩শ’ মেট্রিক টন লিচু উৎপন্ন হবে।’

পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি
পাহাড়ের রসালো লিচুতে কৃষকের মুখে হাসি

তিনি আরও বলেন, ‘রাঙ্গামাটিতে দুই ধরনের লিচু চাষ করা হয়, চায়না-২ এবং চায়না-৩। তবে চায়না-২ কম ফলন হয় বলে প্রায় চাষিরা চায়না-৩ লিচুর বাগান করে থাকে। বাজারে চায়না-২ প্রতি একশ’তে ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং চায়না-৩ প্রতি একশ’তে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।’

তবে লিচুর আকার অনুসারে বাজারে আরও কম দামের লিচুও পাওয়া যাচ্ছে। বাজার মূল্য স্বাভাবিক থাকায় আশা করা যায় চাষিরা তাদের ন্যায্যমূল্য পাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি

 গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি
গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি

‘জ্যৈষ্ঠের গরম আর গগণের ডাক/ এলো বুঝি বৃষ্টি বুনো হাঁসের ঝাঁক/ ঝড়ো ঝড় বাতাসে ফুটলো কদম/ শালিকের ঝাঁকগুলো তুললো রিদম/ প্রকৃতির সাজে আজ জ্যৈষ্ঠের কৃষ্টি/ আম-জাম-কাঁঠালের অপরূপ দৃষ্টি।’ কবি কবিতার ছন্দে জ্যৈষ্ঠের বর্ণনা এভাবেই দিয়েছেন। গ্রীষ্মের দ্বিতীয় মাস জ্যৈষ্ঠ। বাহারি রঙের বিভিন্ন ফলের মৌ মৌ গন্ধে ভরে তুলেছে চারপাশ। বছরজুড়ে কম-বেশি ফল পাওয়া গেলেও সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এ মাসে। সুস্বাদু ফলের সরবরাহ বেশি থাকায় সবার কাছে মাসটি ‘মধুমাস’ নামেই পরিচিত। মধুমাসের ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম লিচু। রসে টইটুম্বুর এ ফলের নাম শুনলেই জিভে জল আসে। আর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে এখন লিচু ঘিরেই চলছে ব্যস্ততা। এ যেন লিচুর উৎসব।

বাদুড়ের কবল থেকে লিচু রক্ষায় রাত জেগে পাহাড়া দেওয়া, দিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাছ থেকে লিচু নামানো ও থোকা বাঁধার পরে তা গাড়িতে করে স্থানীয় বাজারে নিয়ে যাওয়া। লিচুকে ঘিরে এমনভাবে ব্যস্ত গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গ্রামের সাধারণ মানুষ। উঁচু চালা জমি সমৃদ্ধ শ্রীপুরের রসালো লিচুর কদর রয়েছে দেশজুড়েই। জেলাজুড়ে প্রায় ৫০ হাজার কৃষক এই লিচুকে ঘিরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকেন। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগে শ্রীপুরের কিছু এলাকায় লিচুর ভালো ফলনের পথে প্রতিবন্ধকতা হলেও অন্যান্য এলাকায় ফলন হয়েছে অন্যবারের চেয়ে ভালো। জ্যৈষ্ঠ মাসের ভরা মৌসুমে এখন লিচুকে ঘিরেই এখন ব্যস্ত গাঁয়ের কৃষাণ-কৃষাণী।

 গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি
গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যমতে, জেলার সবচেয়ে বেশি লিচুর আবাদ হয় শ্রীপুর উপজেলায়। এছাড়াও কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর ও গাজীপুর সদর উপজেলায় লিচুর আবাদ হলেও স্বাদের দিক দিয়ে শ্রীপুরের লিচুর ভিন্নতা থাকায় এর চাহিদাও বেশি। এবার জেলাজুড়ে ১৪শ’ ৩৭ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। উৎপাদিত হয়েছে ২৭ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন। এদিকে প্রতিনিয়ত গাজীপুরের লিচুর চাহিদা বাড়ায় প্রতিবছরই জেলাজুড়ে সম্প্রসারণ হচ্ছে লিচু চাষ। এ চাষে কৃষকের রুচির ভিন্নতার সাথে জাতেরও পরিবর্তন হয়। এখানে আবাদ হচ্ছে চায়না-৩, বোম্বাই ও পাতি লিচু।

শ্রীপুরের টেপিরবাড়ি গ্রামের লিচু চাষি আজমল হুদা বলেন, ‘এবার লিচু গাছে মুকুল আসার পর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক চাষি। আমাদের গ্রামসহ পাশের কেওয়া গ্রামেও গাছ থেকে লিচু পাওয়া যায়নি। তবে অন্যান্য এলাকায় লিচুর ভালো ফলন হয়েছে। লিচুর ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে স্থানীয় বাজারগুলোতে। বাজারে এখন প্রতিটি লিচু বিক্রি হচ্ছে ১ টাকা থেকে ৩ টাকা দরে।’

বারতোপা গ্রামের স্কুল শিক্ষক কবির হোসেন বলেন, ‘ফলনের দিক দিয়ে এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাগানে উৎপাদিত লিচু কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য নিয়ে যান স্থানীয় বাজারগুলোতে। তবে অনেকে ভালো দাম পাওয়ার আশায় চলে যান রাজধানীতেও। জ্যৈষ্ঠ মাস পুরোটা সময়ই লিচু পাওয়া যায়। এবার অন্যান্য সময়ের চেয়ে ভালো ফলন ও দাম পাওয়া যাচ্ছে।’

 গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি
গ্রামে গ্রামে লিচুর উৎসব, চাষিদের মুখে হাসি

রাজাবাড়ি গ্রামের লিচু চাষি আহাম্মদ আলী জানান, লিচু চাষ ঘিরেই তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এখানকার লিচুর কদর থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা মুকুল আসার সাথে সাথে বাগান কিনে নেন। তিনি এবার তার বাগানের ২০টি গাছের লিচু বিক্রি করেছেন লক্ষাধিক টাকায়।

দক্ষিণ বারতোপা গ্রামের গৃহবধূ আকলিমা খাতুন জানান, তাদের ৩টি গাছ রয়েছে। তাই পরিবারের লোকজন নিয়ে নিজেরাই গাছ থেকে লিচু সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যান। এবার শ্রীপুরের বাজারগুলোতে লিচু আসছে প্রচুর।

কাপাসিয়ার রাণীগঞ্জ বাজারের লিচু ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিপক্ক হওয়ার পর গাছে বেশি দিন লিচু রাখা যায় না, লিচুর মৌসুমও হয় সংক্ষিপ্ত। একসময়ে সব লিচু বাজারে আসায় আশানুরূপ দাম পাওয়া যায় না। তাই লিচু সংরক্ষণে সরকার উদ্যোগ নিলে সবাই উপকৃত হতো।’

গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, ‘আমরা কয়েক বছর ধরে স্থানীয় কৃষকদের লিচু চাষ সম্প্রসারণে উদ্বুদ্ধ করায় প্রতিনিয়ত বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে লিচু চাষ। এবার জেলাজুড়েই লিচুর ভালো ফলন হয়েছে। ভোক্তা পর্যন্ত বিষমুক্ত লিচু পৌঁছার ব্যাপারে আমরা প্রথম থেকেই নজরদারি করেছি। লিচু চাষ থেকে কয়েক কোটি টাকা আয়ের মাধ্যমে গাজীপুরের গ্রামীণ অর্থনীতির ভীত শক্তিশালী হচ্ছে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com