আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ফল

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র তামিমের আম চাষে সাফল্য

বিভিন্ন জাতের আম চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছে,রাজশাহী জেলার বাঘা থানা মনিগ্রামের, সফটওয়্যার প্রকৌশলী বিভাগের ছাত্র,মোঃ তামিম হাসান রাসেল,পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষিকে ভালোবেসে গড়ে তুলেছে তার শখের বিশাল আমবাগান।

প্রথমত পরীক্ষামূলকভাবে,১ একর ৩ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করে বেশ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বিভিন্ন জাতের ৫০০ বেশি গাছ রোপন করে সে দারুণ সাফল্য পায়।

তার বাগানে রয়েছে,লকনা, ফজলি, হিমসাগর, আমরুপালি, লেংরা, তুতাপুরি, আঠি, গোপালভোগ, কাচামিঠি ইত্যাদি,বিভিন্ন জাতের আম।

গতবছর ঐ আম বাগান থেকে ৬ লাখ টাকার আম বিক্রি করে। এতে সে বেশ লাভবান হয়। এ বছর ওই বাগান ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার আম বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তামিম বলেন,শিক্ষা জীবন শেষে চাকরীর পেছনে না ঘুরে ব্যবসা বা কৃষি  পেশায় নিজেকে কাজে লাগালে সবচাইতে দ্রুততম উন্নয়ন করা সম্ভব। তাই তিনি পড়াশোনা পাশাপাশি এই করনাকালীন সময় কে কাজে লাগিয়েছেন। 

একটি চারা আম গাছে আম ধরা পর্যন্ত তার খরচ হয় প্রায় ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। প্রথম বছর ছোট গাছ থেকে ৪-৫ মন মাঝারি গাছ থেকে ১৫-২০ মন আার বড় গাছ থেকে ৩০-৫০ মন আম পেয়েছিল।কিন্তু এবার আগের বছরের তুলনাই ২ গুন ফলন আাসা করে।। পর্যায়ক্রমে যেমন একটি গাছের পরিচর্যা খরচ বাড়বে তেমনি আমের সংখ্যাও বাড়তে থাকবে।

তামিমের আম চাষ দেখে আশেপাশের কৃষক আমের চাষ করছে। আগামী আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তামিম বলেন এই অঞ্চল আম চাষের জন্য আবহাওয়া ও জলাবায়ু উপযোগী। এ অঞ্চলে আম চাষ করে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে রফতাণী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

লাল গ্রহের মাটিতে প্রথম সাড়ে ৬ মিটার চষে বেড়ালো নাসা-র রোভার

মঙ্গলের মাটিতে প্রথম টেস্ট ড্রাইভেই সাফল্য পেল নাসা-র রোভার ‘পারসিভের‌্যান্স’। লাল গ্রহের মাটিতে বৃহস্পতিবার ৩৩ মিনিট ধরে ঘোরাফেরা করে রোবটযানটি। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গলগ্রহের অভিযানে একে অনন্য মাইলফলক বলে আখ্যা দিয়েছে সংস্থা।

রোবটযানের এই সাফল্যে স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বসিত ‘পারসিভের‌্যান্স’-এর মবিলিটি টেস্ট বেড ইঞ্জিনিয়ার অ্যানেইস জারিফিয়ান। ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনায় নাসা-র জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি থেকে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘এই তো সবে শুরু। আমরা আরও দীর্ঘ টেস্ট ড্রাইভ করব।’’

‘পারসিভের‌্যান্স’-এর সফল যাত্রার পর সে ছবি তুলে ধরে নাসা-র টুইটারে হ্যান্ডলে অ্যানেইস লিখেছেন, ‘আমাদের টেস্ট ড্রাইভ দারুণ হয়েছে। দেখতেই পাচ্ছেন, মঙ্গলের মাটিতে আমরা চাকার দাগ রেখে এসেছি। চাকার দাগ অনেক বারই দেখেছি। তবে মনে হয় না কখনওই এতটা খুশি হয়েছি’।AdvertisementAdvertisement


নাসা-র বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ছ’চাকার রোবটযানটি বৃহস্পতিবার লাল গ্রহের ২১.৩ ফুট এলাকা জুড়ে ঘোরাফেরা করে। কেমন ছিল সে যাত্রাপথ? নাসা জানিয়েছে, প্রথমে ১৩.১২ ফুট এগিয়ে গিয়ে ১৫০ ডিগ্রি বাঁ-দিকে মুখ ঘোরায় ‘পারসিভের‌্যান্স’। এর পর পিছিয়ে আসে ৮.২ ফুট। প্রথম বার পরীক্ষামূলক ভাবে ২১ ফুটের সামান্য বেশি জায়গায় ঘোরাফেরা করলেও ভবিষ্যতে মঙ্গলের মাটিতে রোবটযানটি আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে পারে কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে নাসা। সব ঠিকঠাক চললে শুক্রবার এবং শনিবারেও লাল গ্রহের মাটি চষে বেড়াবে ‘পারসিভের‌্যান্স’।

পৃথিবী থেকে মঙ্গলের ১ দিনের সময়সীমা সামান্য বেশি হয়। নাসা জানিয়েছে, মঙ্গলের ১ দিনের সময় অনুয়ায়ী রোবটযানটি দিনপ্রতি ২০০ মিটার ঘোরাফেরা করতে পারে। যদিও এ ব্যাপারে দক্ষতায় ‘পারসিভের‌্যান্স’ এগিয়ে রয়েছে আগে পাঠানো নাসার রোভার ‘কিউরিওসিটি’-র চেয়ে। ‘কিউরিওসিটি’-র তুলনায় ৫ গুণ দ্রুত গতিতে এগোতে পারে ‘পারসিভের‌্যান্স’, জানিয়েছে নাসা। মঙ্গলে পা রাখার পর ৮ বছর পর, এখনও কাজ করে চলেছে ‘কিউরিওসিটি’।



লাল গ্রহে কোনও কালে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না, তা জানতেই গত বছরের ৩০ জুলাই রওনা দিয়েছিল নাসা-র রোবটযানটি। এ বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলের মাটিতে পা রেখেছিল ‘পারসিভের‌্যান্স’। আপাতত আগামী ২ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য ওই গ্রহই তার ঠিকানা। যদিও ভবিষ্যতে সেই সময়সীমা বাড়ানোও হতে পারে বলে জানিয়েছেন নাসা-র বিজ্ঞানীরা। মঙ্গলের মাটি থেকে ৩০টি পাথর এবং মাটির নমুনা সংগ্রহ করে তা বন্ধ করা টিউবের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানোর কাজে লাগানো হয়েছে এই রোবটযানটিকে। আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ তা পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য পৃথিবীতে পাঠানোই এখন ‘পারসিভের‌্যান্স’-র অন্যতম লক্ষ্য।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

অনলাইনে সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা শিখল ২০০০ শিশু

“ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে” উপলক্ষে এফডিআই ওয়ার্ল্ড ডেন্টাল ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি (বিডিএস) এর সঙ্গে সবচেয়ে বড় অনলাইন ইভেন্ট “ব্রাশেথন”আয়োজন করেছে পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ। আয়োজিত এই ইভেন্টে সারাদেশ থেকে দুই হাজার বাচ্চা অংশ নেয়।

বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে প্রতি বছর নানা আয়োজনের মাধ্যমে  “ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে” পালন করে ইউনিলিভার বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ওরাল কেয়ার ব্র্যান্ড পেপসোডেন্ট। এসব কর্মসূচির মধ্যে থাকে সার্টিফাইড ডেন্টিস্টদের সবচেয়ে বৃহৎ জমায়েত, সচেতনতামূলক র‌্যালি, কমিউনিকেশন ক্যাম্পেইন, বিনামূল্যে ডেন্টাল ক্যাম্প ও স্কুলে সচেতনামূলক অনুষ্ঠান। এ বছর করোনা মহামারির কারণে পেপসোডেন্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে “ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে” পালন করছে।   পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ, এফডিআই ওয়ার্ল্ড ডেন্টাল ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি (বিডিএস) মাসব্যাপী অনলাইন ক্যাম্পেইন “ব্রাশউইথমি”ও আয়োজন করেছে। এই ক্যাম্পেইন ১৫ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হবে আগামী ১৫ এপ্রিল। ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন তারকারা তাদের বাচ্চাদের সঙ্গে ব্রাশ করার মজার মজার ছবি, ভিডিও এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।

দাঁতের ক্ষয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রচলিত রোগগুলোর একটি। প্রতি পাঁচজন শিশুর অন্তত তিনজন দাঁতের ক্ষয়ে ভুগছেন এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির অন্যতম একটি কারণ দাঁতের ব্যথা। দাঁতের ক্ষয় থেকে রেহাই পাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দিনে দুইবার ব্রাশ করা। দেখা গেছে দিনে এবং রাতে দুই বেলা ফ্লোরিডেটেড টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করার অভ্যাস দাঁতের ক্ষয় কমাতে পারে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ।   

ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে উপলক্ষে করা এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৩০ শতাংশ মানুষ ঠিকমতো দুই বেলা ব্রাশ করছেন না। ২০১৮ সালে যেখানে ৭৮ শতাংশ বাবা-মা এবং ৮২ শতাংশ সন্তানরা দিনে দুই বেলা ব্রাশ করতেন, সেখানে ২০২০ সালে তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৭৪ শতাংশ এবং ৭৩ শতাংশে। বাবা-মায়েদের দুই বেলা ব্রাশ না করার কারণে তাদের সন্তানদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ওরাল কেয়ারের প্রতি অবহেলা। 

এ সম্পর্কে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড এর বিউটি অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার এর মার্কেটিং ডিরেক্টর আফজাল হাসান খান বলেন, ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্দেশ্যমুখী ব্র্যান্ড হিসেবে পেপসোডেন্ট বাঁধনহীন মুখের হাসির জন্য সব ওরাল ডিজিজ নির্মূল করতে চায়। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে প্রতিটি হাসির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। 

গত দুই দশকেরও বেশি সময়ে অসংখ্য বাংলাদেশি নাগরিক আমাদের অংশীদারিত্বমূলক কাজের সাক্ষী। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমরা ওরাল হেলথ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে আসছি। আমরা এই বার্তা ১ কোটি ২০ লাখ স্কুল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দিয়েছি ও তাদের এ বিষয়ে শিখিয়েছি। কোভিড-১৯ মহামারির এই সময়ে দাঁতের চিকিৎসকদের সহযোগিতায় আমরা হাজার হাজার মানুষকে অনলাইনে দাঁতের সেবা পেতে সাহায্য করেছি। 

সারাদেশে ডেন্টাল এডুকেশনের জন্য বিগত বছরগুলোতে  আমরা আমাদের সহযোগিতা তিন হাজারের বেশি চিকিৎসকের জন্য বিস্তৃতি করেছি। করোনা মহামারির সময়ে গত বছর আমরা সম্মুখসারিতে সেবারত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের পিপিই সরবরাহ করেছি। “ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে”র এই বিশেষ দিনে আমরা ভালোর সঙ্গী হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আপনাদের পেপসোডেন্ট এর সহযাত্রী হতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি”

পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে মুখ ও দাঁতের যত্নে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে আসছে। বাচ্চাদের সঠিকভাবে ব্রাশ করা শেখাতে ও দুই বেলা ব্রাশের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে স্কুলে স্কুলে পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হচ্ছে ২০০০ সাল থেকে। 

এ পর্যন্ত ১ কোটিরও বেশি বাচ্চা ব্র্যান্ডটির সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আওতায় এসেছে। এছাড়া পেপসোডেন্ট বাংলাদেশের ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প থেকেও দাঁতের সুরক্ষায় সেবা পেয়েছেন ২০ লাখ মানুষ। দুই বেলা ব্রাশ করা নিয়ে পরিবারের বাবা-মা ও বাচ্চাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে প্রতিবছরই পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ বৃহৎ পরিসরে “ব্রাশেথন” ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে থাকে।

পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ এর সচেতনতামূলক এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে ব্র্যান্ডটির ফেসবুক পেইজে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

বিষাক্ত সাদা ব্যাঙের বিষে তৈরি হবে ওষুধ

শেখ আনোয়ার

পৃথিবীতে সাদা রঙের এমন কিছু প্রাণি আছে, যেগুলো দৃষ্টিনন্দন। দেখতে সাদা ধবধবে হলেও বাস্তবে এরা যে কতটা বিষাক্ত, তার প্রমাণ আলবিনোর বুলফ্রগ। সুইডেনের বরফাচ্ছন্ন পর্বত আলবিনোয় দেখা যায় ধবধবে সাদা রঙের এই বিষাক্ত ব্যাঙ।

বিজ্ঞানীরা এর নাম রেখেছেন ডেনড্রোবেটস ভেনট্রিমেকিউলাটাস। এ ব্যাঙের গায়ে মেলানিন না থাকায় বরফাচ্ছন্ন পরিবেশের সঙ্গে মিলে যায়। শিকারি প্রাণির কবল থেকে আত্মরক্ষার জন্য সহজেই ছদ্মবেশ নিতে পারে। বুলফ্রগের চোখ জুড়ানো সাদা সৌন্দর্যের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে ভয়ঙ্কর বিষ। এ বিষে আছে প্রচণ্ড জ্বালা। আছে অবশ করে ফেলার ক্ষমতা আর প্রাণ কেড়ে নেওয়ার মত শক্তি।

jagonews24

সাধারণত সাপ বা গিরগিটি জাতীয় প্রাণি যদি একে পায়, তখন চোখ বুঝে ঘপাৎ করে গিলে ফেলে। কিন্তু কোনো শিকারি প্রাণি যদি বুলফ্রগ শিকার করতে যায়, তাহলে উল্টো সেটাই বিষের যন্ত্রণায় কুপোকাৎ হয়ে যায়। যেসব শিকারি প্রাণি এ সাদা ব্যাঙ সম্পর্কে জানে, ভুলেও তারা এর ধারে কাছে ঘেঁষবে না।

সাদা ব্যাঙ লুকিয়ে রাতের বেলা শিকার করতে নামে। এরপরও কিন্তু শিকারি প্রাণি দ্বারা আক্রান্ত হয় সাদা ব্যাঙ। যে শিকারি প্রাণি জানে না, এদের চামড়ায় মারাত্মক বিষ আছে; তারা অবলীলায় হামলা চালিয়ে বসে। এতে কখনো কখনো আহত হয় এ ব্যাঙ। অপরদিকে শিকারি প্রাণিরও চরম ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে। বিষের প্রচণ্ড জ্বালা এবং মারাত্মক প্রতিক্রিয়া থেকে যদি কোনোমতে পার পেয়েও যায়, বাকি জীবনে আর নাম নেবে না বুলফ্রগের।

jagonews24

আলবিনো প্রজাতীয় মানুষরা শিকার ধরার কাজে বুলফ্রগ ধরে চামড়ার ওপরে তীর বা বর্শা ঘঁষে নেয়। আর তাতেই তীরের আগায়, বর্ষার ফলায় মেখে যায় ব্যাঙের ভয়ানক বিষ। কখনো কখনো ব্যাঙ ধরে আগুনের তাপে ঝুলিয়ে রাখে। আর তখন টপটপ করে ঝরে পড়তে থাকে ত্বকের ওপর থলেতে জমে থাকা বিষ।

কোনো কোনো বিজ্ঞানী বলেন, ‘বুলফ্রগ ইচ্ছাকৃতভাবেই নিজের শরীরে বিষ সঞ্চয় করে রাখে। অন্য কোনো প্রাণী আক্রমণ করলে তার দিকে ছুঁড়ে দেয় থলির ভেতর সঞ্চিত এ বিষ।’

jagonews24

মার্কিন গবেষক ডা. কান্ডওয়েল গবেষণায় পেয়েছেন, প্রতিরক্ষার তাড়নায় এদের শরীরে আপনা-আপনি বিষ তৈরি হয় না। খাবার-দাবার থেকে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ার পর তৈরি হচ্ছে এ বিষ। তিনি লক্ষ্য করেন, এ ব্যাঙ প্রচুর পিঁপড়া খায়। পিপড়ার শরীরেই আসলে অ্যালকালয়েডে ভরা। এভাবে বিষাক্ত পিপড়ার শরীর থেকে ব্যাঙের শরীরে ঢুকে পড়ে অ্যালকালয়েডের মত ভয়ানক বিষ। বিভিন্ন শারীরিক প্রক্রিয়ার পর তা জমা হতে থাকে ব্যাঙের চামড়ার ওপরের থলিগুলোয়।

এতো রক্ত হিম করা কাণ্ড ঘটালেও বিষাক্ত সাদা ব্যাঙ একদিক দিয়ে কিন্তু বেশ উপকারী। বিশেষ করে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য। গবেষকরা লক্ষ্য করেন, বিষাক্ত সাদা ব্যাঙের বিষের অ্যালকালয়েডে আছে এক ধরনের ওষুধি উপাদান। যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষেত্রে প্রবলভাবে বাঁধা দিয়ে থাকে।

jagonews24

মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানে ওষুধ হিসেবে এ অ্যালকালয়েড প্রেসক্রাইব করা হয় হরহামেশাই। সাধারণত শরীরের মাংস শিথিল করার কাজে ব্যবহৃত হয় এ ওষুধ। রক্তনালীতে রক্তের এ জমাট বাঁধার জন্য আধুনিক যুগেও মানুষের হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো ভয়াবহ শারীরিক বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে।

এবার বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, সাদা ব্যাঙের বিষ অচিরেই ব্যবহার উপযোগী করে মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ব্যাপকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে। সম্প্রতি মার্কিন গবেষক ডা. জ্যাসলোফ এ ব্যাঙের সাদা চামড়ায় শনাক্ত করেছেন একধরনের শক্তিশালী আ্যন্টিবায়োটিক। তার মতে, এটি সহজেই মানবদেহে অবস্থিত জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম। এ উপাদান দিয়ে তিনি বিশেষ ধরনের একটি ক্রিম আবিষ্কার করেছেন। যা ডায়াবেটিস ফুড আলসার নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সেই সঙ্গে চেষ্টা চলছে করোনার ওষুধ তৈরির।

jagonews24

হয়তো আগামী দিনে করোনা, হৃদরোগ, ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে আর কষ্ট করতে হবে না। সাদা ব্যাঙের বিষ দিয়ে তৈরি হবে জীবনদায়ী ওষুধ, এ কথা বলাই যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

১ লাখ ৭৫ হাজার বর্গমিটার আয়তনের কাতার স্টেট গ্র্যান্ড মস্ক

১ লাখ ৭৫ হাজার বর্গমিটার আয়তনের কাতার স্টেট গ্র্যান্ড মস্ক

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com