আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

    বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?
  • বাইডেনের বিজয়ে কী ঘটবে বাকি বিশ্বে?

পরিবেশ

ফেরোমোন ফাঁদের ব্যবহার

র্তমান বিশ্বের অন্যতম পরিবেশ বান্ধব পোকা দমন পদ্ধতি হচ্ছে সেক্স ফেরোম্যান ট্রাপ ব্যবহারের মাধ্যমে পোকা দমন । এ পদ্ধতিতে প্লাষ্টিকের বক্স ব্যবহার করা হয় যার দু পাশে ত্রিকোনাকৃতি ফাঁক থাকে। ট্রাপে ব্যবহৃত টোপটিতে স্ত্রী পোকার নিসৃত গন্ধ/ sent কে কৃত্রিমভাবে ১০০গুন বৃদ্ধি করে দেয়া থাকে যাতে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ পোকা বক্সের ভিতরে বা আশে পাশে স্ত্রী পোকা আছে ভেবে খুজতে থাকে। একসময় উড়তে উড়তে বক্সের সাবান পানির মধ্যে হয়রান হয়ে পড়ে পোকাটি মারা যায়। এভাবে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ পোকা মারার মাধ্যমে কীড়া পোকার বংশবৃদ্ধি বন্ধ করার মাধ্যমে পোকা দমন করা হয়। বিশেষ করে ফল ও কান্ড ছিদ্রকারী পোকার লার্ভা/কীড়া দমনের জন্য এ জৈবিক পদ্ধতি খুবই কার্যকরী।
আমাদের দেশে ইস্পাহানী কোম্পানীি বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফলের সেক্স ফেরোম্যান ফাঁদ কৃষক পর্যায়ে বাজারজাত করছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত; ফসলি জমি ও মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি

দুই দিনের টানা ভারি ভর্ষণে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে অসংখ্য ছোট-বড় মৎস্য ঘের ও পুকুর। তলিয়ে আছে সদ্য রোপা আমন, বীজতলা ও ফসলি জমি। উপকূলীয় উপজেলা আশাশুনি ও শ্যামনগরের কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়াসহ বিভিন্ন নদ ও নদীর বেড়ি বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভারী বর্ষণের কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। টানা এই বৃষ্টির কারণে বিশেষ করে সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নিম্না ল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার পরিবার। স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে মৌসুমী বৃষ্টির কারনে প্লাবিত হয়ে আছে জেলার নিন্মাঞ্চল। সাতক্ষীরার সদর উপজেলার, মধুমল্লারডাঙ্গি, কামালনগর, মাছখোলা, ধুলিহর, ফিংড়ি, ব্রহ্মরাজপুর, লাবসা, বল্লী, ঝাউডাঙা ইউনিয়নের বিলগুলোতে সদ্য রোপা আমন ও বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া কয়েক হাজার মাছের ঘের, পুকুর ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এই বৃষ্টিপাতে কি পরিমান মৎস্য ঘের ও ফসলসহ কৃষির ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে তা এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান দিতে পারেনি জেলা মৎস্য অফিস ও সাতক্ষীরা খামার বাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। 

এদিকে সাতক্ষীরা পৌরসভার পানি নিষ্কাশন সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় রসুলপুর, মেহেদিবাগ, মধুমল্লারডাঙ্গী, বকচরা, সরদারপাড়া, পলাশপোল, কামাননগর, পুরাতন রাজারবাগান, বদ্দিপাড়া কলোনি, ঘুড্ডির ডাঙি, পুরাতন সাতক্ষীরা, কাটিয়া মাঠপাড়া, মাছখোলা, ডায়েরবিল, রথখোলাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে। প্লাবিত এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে। সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পৌরবাসীরা জলাবদ্ধতায় নাকাল হচ্ছে বছরের পর বছর।

কলারোয়ার খোরদো এলাকার আইয়ুব হোসেন জানান, বেত্রবতী ও কপোক্ষাক্ষ নদীর উভয় পাশের বিল ও গ্রামগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার ভারসা গ্রামের লিটন জানান, কপোতাক্ষ নদের তীরে অবস্থিত বিভিন্ন গ্রাম ও বিল পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে মৎস্য ঘের ও কোটি কোটি টাকার মাছ। অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এসব এলাকার বিলগুলোতে সদ্য রোপা আপন ও বীজতলার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পানের বরজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

এদিকে উপকূলীয় উপজেলা আশাশুনির প্রতাপনগর, আনুলিয়া, খাজরা, বড়দল, শ্রীউলা, আশাশুনি সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্না ল পানিতে থৈ থৈ করছে। নদীর বাঁধগুলো ঝুকিতে রয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, কাশিমাড়ি, বুড়িগোয়ালিনী, কৈখালি, রমজাননগরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা, মথুরেশপুর, ভাড়াশিমলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মাছের ঘের ও পুকুর পানিতে ডুবে গেছে।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরায় ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর তথ্য কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, ভারি বর্ষণে জেলার নিম্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রোপা আমন, আউশ বীজতলা তলিয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের জরিপ করে ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপন করে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে। 

সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাছেদ জানান, ভারি বর্ষণে সাতক্ষীরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অতি বর্ষণজনিত ক্ষয়-ক্ষতি নিরূপনে এখনো পর্যন্ত কোন নির্দেশনা পাননি তারা। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

গোলাপ চাষ, টবে গোলাপ চাষ পদ্ধতি ও গোলাপের পরিচর্যা

গোলাপ মূলত শীতকালীন ফুল। গোলাপ ফুল হলো সৌন্দর্য্য ও লাবন্যের প্রতীক। তবে বর্তমানে এর চাহিদা ও সৌন্দর্য্যের কারণে সারা বছরই গোলাপ চাষ করা হচ্ছে। বর্ণ, গন্ধ ও কমনিয়তায় গোলাপকে ফুলের রানী বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব দেশেই কমবেশি সারাবছর গোলাপের চাষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জেলাতে গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। গোলাপের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় গোলাপ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

জলবায়ু ও মাটিঃ গোলাপ প্রধানত শীত এবং নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডীয় একটি ফুল। বেশি উষ্ণ বা আর্দ্র আবহাওয়ায় গোলাপের গাছ ভালো হয় না।  ২০-৩০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রা, ৮৫% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এবং ১০০-১২৫ সেমি গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী। ৬.০-৬.৫ pH মানযুক্ত  সুনিষ্কাশিত এবং উর্বর দোঁআশ মাটি  গোলাপ চাষের জন্য উত্তম।

গোলাপের জাতঃ পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতের গোলাপ রয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশে চাষ হয় এমন কিছু জাতসমূহ হলোঃ মিরান্ডি, পাপা মেলান্ড, ডাবল ডিলাইট, তাজমহল, প্যারাডাইস, ব্লু-মুন, মন্টেজুমা, টাটা সেন্টার, সিটি অব বেলফাষ্ট ইত্যাদি।

রোপণ সময়ঃ বাংলাদেশে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।

গোলাপের বংশবৃদ্ধিঃ গোলাপ গাছ বীজ, কাটিং, গুটি কলম এবং চোখ কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে। শুধুমাত্র প্রজনন বা ফসল উন্নয়ন কর্মসূচীর ক্ষেত্রে বীজের মাধ্যমে গোলাপের বংশবিস্তার হয়ে থাকে। তবে নতুন গাছ উৎপন্নের প্রধান পদ্ধতি হলো বাডিং বা চোখ কলম, যার মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের উৎপাদন করা হয়ে থাকে। যে জাতটির বংশবৃদ্ধি করা হয় তার চোখ অপর একটি সুবিধামতো আদিজোড় বা (rootstock) এর উপর স্থাপন করা হয়ে থাকে। আদিজোড় গাছের সজীবতা, উৎপাদনশীলতা, ফুলের গুনাবলী, ঝোপের স্থায়ীত্ব, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, মাটি ও আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করে থাকে। আদিজোড়ের কাটিংসমূহ (পেন্সিল আকৃতি) গ্রীষ্মের শেষে তৈরি করা হয়ে থাকে এবং নার্সারিতে সারি করে ২৫ -৩০ সেমি দূরত্বে রোপন করা হয়। প্রায় ৬ মাস পর এইসব কাটিংসমূহ বাডিং এর জন্য উপযুক্ত আকৃতির কান্ড তৈরি করে থাকে। গোলাপের ক্ষেত্রে মূলত T-বাডিং করা হয়ে থাকে।

টবে গোলাপের চাষপদ্ধতিঃ

টবের স্থানঃ খোলামেলা ও আলো বাতাসপূর্ণ এমন স্থানে গোলাপের টব রাখতে হবে যেখানে গাছ সকালের সূর্য কিরণসহ ৬-৮ ঘন্টা রোদ পায়। বিকেলের রোদ (বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে) না লাগানোই ভালো, কেননা এতে ফুলের রং ফ্যাকাসে হয়ে যেতে পারে। লক্ষ রাখতে হবে গোলাপ গাছে যাতে চারিদিক হতেই আলো পড়ে। কেননা একদিকে আলো পেলে গাছটি কেবল আলোর দিক দিয়েই বাড়বে। এজন্য টবসহ গাছটি মাঝে মাঝে ঘুরিয়ে নিতে হবে। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে টবের গোলাপ গাছকে রক্ষা করার জন্য পর্যায়ক্রমে রোদ ও ছায়ায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টব রাখলে গাছ ভালো থাকবে এবং ফুলও বেশি দিন পাওয়া যাবে।

মাটি তৈরিঃ এঁটেল মাটি গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী নয়। টবের জন্য সার মাটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে মাটি বেশ ফাঁপা থাকে এবং পানি জমে না থাকে। ১ ভাগ দোআঁশ মাটি, ৩ ভাগ গোবর সার বা কম্পোষ্ট, ১ ভাগ পাতা পচা সার, আধা ভাগ বালি (নদীর সাদা বালি হলে ভাল হয়) দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তাতে এক মুঠো সরিষার খৈল ও এক চামচ চুন মিশিয়ে ১টি ২০ সেমি (৮ ইঞ্চি) টবে ১ মাস রেখে দিতে হবে। এই ১ মাস টবে পানি দিয়ে মাটি উল্টে পাল্টে দিতে হবে। এতে মাটির মিশ্রণ ভালো হবে। অনেকে মাটির মিশ্রণে ব্যবহৃত চা পাতা ব্যবহার করেও ভালো ফল পেয়েছেন। টবে নিচের কয়েক সেমি পরিমাণ অংশে ইট বা মাটির হাড়ি পাতিলের ভাংগা টুকরা এমনভাবে বিছিয়ে দিতে হয় যাতে টবের মাটি এগুলোর উপর থাকে। এতে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সুবিধা হবে।

টবের আকারঃ টবের আকার নির্ভর করে যে গোলাপের চাষ করা হবে তার জাতের উপর। ছোট জাতের জন্য ২০ সেমি (৮ ইঞ্চি) টব, বড় জাতের জন্য ৩০ সেমি (১২ ইঞ্চি) বা আরো বড় টব ব্যবহার করতে হবে। তবে প্রথম বছর যে আকারের টবে গাছ বসানো হবে পরের বছর বড়- আকারের টবে গাছ স্থানান্তর করলে বড় আকারের বেশি ফুল পাওয়া যাবে।

টবে চারা বসানোর সময়ঃ বছরের যে কোন সময়ই টবে গোলাপের চারা বসানো যায়। তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস চারা লাগানোর উত্তম সময়। এ সময় চারা লাগালে বেশি দিন ধরে ফুল পাওয়া যাবে। এছাড়াও গাছের পরিচর্যা করতে সুবিধা হবে এবং গাছে রোগ ও পোকার আক্রমণ তুলনামুলকভাবে কম হয়ে থাকে।

টবে চারা বসানোঃ চারাগাছ বা কলমচারা মাটির গোল্লাসহ পলিথিন ব্যাগে অথবা ছোট মাটির টবে কিনতে পাওয়া যায়। চারাটি যদি টবের হয়, তাহলে টব থেকে পুরো মাটিসহ চারাটি এমনভাবে নিতে হবে যাতে ভেংগে না যায় বা শিকড়ের কোন ক্ষতি না হয়। ভেজা মাটির গোল্লাসহ চারা সংগ্রহ করলে তা একটু শুকিয়ে নিতে হবে। চারা বসাবার আগেই গাছের অপ্রয়োজনীয় পুরোনো বা মরা ডাল পালা হালকা ভাবে ছেঁটে দিতে হবে। এরপর চারাটি টবের মাঝখানে সোজা করে বসিয়ে টবের ওপরে কিছু কম্পোষ্ট সার দিয়ে গাছের গোড়ারমাটি হালকা চাপ দিয়ে বসিয়ে দিতে হবে। চারা এমনভাবে বসাতে হবে যাতে কুঁড়ি বের হবার গিট/ পর্ব টি মাটির ওপরেই থাকে।

সেচঃ টবে বসানোর পর অন্তত ২-৩ বার পানি সেচ দিতে হবে। চারা অবস্থায় গাছ যাতে প্রখর রোদ বা বৃষ্টির ঝাপ্টা থেকে রক্ষা পায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথম অবস্থায় ৩/৪ ঘণ্টা  এবং ধীরে ধীরে বাড়াতে বাড়াতে ৬-৭ ঘণ্টা রোদ পাওয়ার ব্যবস্থা করলে গোলাপের ফলন ভালো হবে। পানি সেচের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে গাছের গোড়ায় পানি দাঁড়িয়ে না থাকে। কচি পাতা ও কুঁড়ি ছাড়ার সময় পানি বেশি প্রয়োজন হয়ে থাকে। এ সময় সকাল সন্ধ্যা সেচ দেওয়া উচিত। ঝাঁঝরি দিয়ে ডালপালাসহ সমস্ত গাছটিই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে।

সার প্রয়োগঃ টব বসাবার ১ মাস পর থেকে ১৫-৩০ দিন অন্তর অন্তর সার দিতে হবে। শীতের ঠিক পরেই অর্থাৎ মার্চের শেষে বা এপ্রিলের প্রথম দিকে টবের উপরের ৮/১০ সেমি মাটির স্তর তুলে দিয়ে খালি জায়গায় পচা গোবর সার ও নতুন ফাঁপা মাটি দিয়ে ভরে দিতে হবে। এর পর খড় বা পাতা দিয়ে ঢেকে গ্রীষ্মের প্রখর রোদ থেকে গাছের শিকড়কে রক্ষা করতে হবে। শীতকালে গাছ ছাটার পর, প্রতি টবে ৩ মুঠা গুঁড়া গোবর সার ও ১ মুঠা স্টিমড হাড়ের গুঁড়া বা স্টেরামিল প্রয়োগ করিতে হইবে। পরবর্তীতে পুরো শীতকালে ১ মাস পর পর ১ মুঠা করে স্টিমড্ বোন মিল বা স্টেরামিল প্রয়োগ করতে হবে।

গোলাপ গাছে বেশি ফুল উৎপাদনের জন্য পাতার সার ও ফলিয়ার স্প্রের জনপ্রিয়। কয়েকটি রাসায়নিক সার মিশিয়ে এই সার প্রস্তুত করতে হয়। শীতকালে সকাল ৮টার মধ্যে ফলিয়ার স্প্রে করতে হয়। দুই প্রকারের পাতা সার গাছে ব্যবহার করা হয়, ১টি গাছের স্বাস্থ্য ও ফুল ভাল করার জন্য অপরটি ট্রেস এলিমেন্টের জোগান দেয়ার জন্য, যেমন- ইউরিয়া, ডাই-অ্যামোনিয়াম সালফেট ও ডাই-পটাশিয়াম ফসফেট প্রতিটি ১০ গ্রাম করে ১০ লিটার পানিতে গুলে স্প্রে দ্রবণ তৈরি করতে হবে। ট্রেস এলিমেন্টের জন্য ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ২০ গ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ সালফেট ১৫ গ্রাম, ফেরাস সালফেট ১০ গ্রাম, বোরাক্স ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে প্রতি লিটার পানিতে উল্লেখিত মিশ্রণটির ২ গ্রাম করে গুলিয়ে স্প্রে করতে হবে। দুইটি পাতা সারের সাথেই কীটনাশক বা বালাইনাশক মিশিয়ে স্প্রে করা যায় কিন্তু দুটি সার এক সাথে মিশিয়ে স্প্রে করা যাবে না।

পাতার সার টবের গোলাপের জন্য অপরিহার্য এবং জমির গোলাপের জন্য উপকারী। পাতার দু’দিকেই ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। রাসায়নিক তরল সারের পরিবর্তে গোবর ও সরিষার খৈল ৪/৫ দিন পানিতে পচিয়ে তরল করে সপ্তাহে ২ দিন করে ব্যবহার করা যাবে। গাছের নতুন ডাল-পালা বাড়াতে ও ফুলের আকার বড় করতে এ ধরনের তরল সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তরল সারের অভাবে ছোট মাছপঁচা পানি গাছের গোড়ায় দেওয়া যাবে। দুর্বল গাছে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম করে ইউরিয়া মিশিয়ে সকাল বিকাল পাতায় স্প্রে করলে গাছ তাজা থাকে।

চুন-পানি প্রয়োগঃ প্রতি লিটার পানিতে ১ চামচ গুড়ো চুন পরিস্কার পানিতে ভালোভাবে গুলে পাতলা ন্যাকড়ায় ছেঁকে প্রতি ৩ মাস পর পর দিতে হয়। চুন-পানি দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে অন্য কোন সার না দিয়ে শুধু পানি দিতে হবে।

গাছ ছাঁটাইঃ মৃত ও রোগআক্রান্ত ডাল অপসারনের জন্য, গাছের উপযুক্ত আকৃতি প্রদানের জন্য, প্রতিটি ডালে ফুল আসার জন্য এবং প্রয়োজনীয় রোদ্র পাওয়ার জন্য নিয়মিত গাছ ছাটাই করতে হয়। গোলাপ হলো প্রচুর শাখা বিস্তারকারী গুল্ম জাতীয় গাছ। গাছের ফুল দেওয়া শেষ হলেই গাছ ছেঁটে দিতে হবে। নিয়মিত গাছ ছাঁটাই করলে বেশি ও বড় আকারের ফুল পাওয়া যায়। বর্ষার পর অক্টোবর-নভেম্বর মাস ছাঁটাইয়ের জন্য উপযুক্ত সময়। সাধারণত ২০-২৫ সেমি (৮-১০ ইঞ্চি) বড় রেখে ডাল ছেঁটে দিতে হয়। ডাল এমনভাবে কাটতে হবে যাতে থেঁতলে বা ছিঁড়ে না যায়। এ জন্য ধারালো ছুরি ব্যবহার করতে হয়। সাদা, হলুদ, হালকা হলুদ ও দো-রঙা জাতের গোলাপ গাছ খুব হালকা ছাঁট আর লাল জাতের গোলাপ গাছে শক্ত ছাঁট দিতে হবে।

গাছ ছাঁটাইয়ের পর ডাইব্যাক রোগের আক্রমণ হতে পারে। সুতরাং গাছ ছাঁটাইয়ের আগে ও পরে কীটনাশক ও ছত্রাক নাশক দুটোই প্রয়োগ করতে হবে।

রোগ-পোকা দমনঃ শুঁয়ো পোকা বা অনিষ্টকারী অন্য যে কোন পোকা দেখা মাত্র ধরে মেরে ফেলতে হবে। লাল মাকড়সার আক্রমণ ও ডাইব্যাক রোগই বেশ মারাত্মক। গোলাপ গাছের নানা অংশ কালো হয়ে মরে যাওয়া। এ রোগটিকেই ডাইব্যাক বলে। গাছের রোগাক্রান্ত অংশটি কেটে ফেলে ডাইথেন এম-৪৫ ২ গ্রাম/ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

চারা সংগ্রহঃ চারা সংগ্রহের সময় সুস্থ ও ভালো চারা সংগ্রহ করা উচিত। চারা সংগ্রহের সময় এর গোড়ার মাটির গোল্লাটি অবিকল আছে কিনা তা ভালো করে দেখে নিতে হবে। মাটির গোল্লাসহ চারার গোড়ার শিকড় বেরিয়ে থাকা অবস্থার চারা গাছ না নেওয়াই ভালো। অভিজ্ঞ লোকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্বস্ত ও পরিচিত নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা উত্তম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

যে তিন ব্যক্তির সঙ্গে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না

‘তিন ব্যক্তির সঙ্গে কিয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না, তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। …তারা হলো—ক. যে ব্যক্তি পরিধেয় কাপড় টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে রাখে; খ. যে ব্যক্তি উপকার করার পর খোঁটা দেয় এবং গ. যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথের মাধ্যমে পণ্য চালায়।’ মুসলিম, হাদিস : ১০৬

মানুষের উপকার করার প্রবণতা একটি মহৎ গুণ। যারা অন্যের উপকার করে হাদিসের ভাষায় তাদের শ্রেষ্ঠ মানুষ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি মানুষের বেশি উপকার করে, সে-ই শ্রেষ্ঠ মানুষ।’ (আল মুজামতুল আউসাত, হাদিস : ৫৭৮৭)এই কাজের পুরস্কারও অনেক বড়। দুনিয়াতে মানুষের সংকট দূর করার পুরস্কারস্বরূপ মহান আল্লাহ সে উপকারকারীর আখিরাতের সংকটগুলো দূর করে দেবেন। যেখানে হাজার দুনিয়ার বিনিময়ের বিনিময়েও একটি নেকি কেনা যাবে না। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়াবি সংকটগুলো থেকে একটি সংকট মোচন করে দেয়, আল্লাহ তাআলা তার আখিরাতের সংকটগুলোর একটি সংকট মোচন করবেন। যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্তের অভাব মোচনে সাহায্য করবে, আল্লাহ তাআলাও তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দ্য দান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-গুণ গোপন করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন করবেন। আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৬৯৯)

অন্যের সাহায্যে এগিয়ে এলে এভাবেই মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের সম্মানিত করেন। তবে শর্ত হলো, এ ধরনের কাজে অবশ্যই পূর্ণ ইখলাস থাকতে হবে। ইখলাস ছাড়া কোনো আমলই আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা নিজ সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করে, আর ব্যয় করার পর খোঁটা দেয় না এবং কোনো কষ্টও দেয় না, তারা নিজ প্রতিপালকের কাছে তাদের প্রতিদান পাবে। তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত  : ২৬২)

কারো উপকার করে তাকে খোঁটা দেওয়া এবং তাকে ছোট করার লক্ষ্যে অন্যের কাছে তা প্রচার করে বেড়ানো ইখলাসবিরোধী কাজ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা, খোঁটা দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান-সদকাকে সেই ব্যক্তির মতো নষ্ট কোরো না, যে নিজের সম্পদ ব্যয় করে মানুষকে দেখানোর জন্য এবং আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে না। সুতরাং তার দৃষ্টান্ত এ রকম, যেমন এক মসৃণ পাথরের ওপর মাটি জমে আছে, অতঃপর তাতে প্রবল বৃষ্টি পড়ে ও তা সেই মাটি ধুয়ে নিয়ে যায় এবং সেটিকে আবার মসৃণ পাথর বানিয়ে দেয়। এরূপ লোক যা উপার্জন করে, তার কিছুমাত্র তারা হস্তগত করতে পারে না। আর আল্লাহ এরূপ কাফিরদের হিদায়াত দান করেন না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬৪)

খোঁটা দেওয়ার কারণে আল্লাহর ক্রোধের সম্মুখীন হতে হবে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘তিন ব্যক্তি এমন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা যাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না, তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। আবু যর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এ কথাটি তিন-তিনবার বললেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, তারা কারা, তারা তো সর্বস্বান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল? তিনি বলেন, (ক) যে ব্যক্তি পরিধেয় কাপড় টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে রাখে; (খ) যে ব্যক্তি উপকার করার পর খোঁটা দেয় এবং (গ) যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথের মাধ্যমে পণ্য চালায়।’ (মুসলিম, হাদিস : ১০৬) 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

গ্লাডিওলাস চাষ

মাটি ও জলবায়ুঃ

যে কোন ধরনের উর্বর মাটিতেই গ্লাডিওলাস চাষ করা যায় তবে সুনিষ্কাশিত দো-আঁশ ও বেঁলে দো-আঁশ মাটি চাষের জন্য উত্তম। মাটির পি এইচ মান ৬-৭ এর মধ্যে থাকা উচিত। মাটির ঠান্ডা আবহাওয়ায় এ ফুল ভাল জন্মে। সাধাণত ১৫-২০ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রা এ বৃদ্ধি ও ফুল উৎপাদনের জন্য উপযোগী। গ্লাডিওলাস প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা আলো পছন্দ করে। তাই রৌদ্রজ্জ্বল জায়গা এবং ঝড়ো বাতাস প্রতিরোধের ব্যবস্থা আছে এমন জায়গা এই ফুল চাষের জন্য নির্বাচন করা উচিত।

জাতঃ

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গ্লাডিওলাস ফুলের বারি গ্লাডিওলাস-১, বারি গ্লাডিওলাস-২ ও বারি গ্লাডিওলাস-৩ জাতগুলো উদ্ভাবন করেছে। এই জাতগুলো আমাদের দেশের সব জায়গায় চাষাবাদ উপযোগী।

বংশ বিস্তারঃ

বীজ, করম ও করমেলের মাধ্যমে গ্লাডিওলাসের বংশ বিস্তার করা যায়। সাধারণভাবে চাষের জন্য করম রোপণ করা হয়। ৪-৫ সেমি ব্যাসের করম ব্যবহার করা ভাল।

জমি তৈরি ও সার প্রয়োগঃ

গ্লাডিওলাস চাষে উপযুক্ত সময় অক্টোবর-নভেম্বর। এসময় ভালভাবে চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে জমি তৈরি করতে হয়। সাধারনত গ্লাডিওলাস চাষে প্রতি বর্গমিটারে ৫-৬ কেজি পচা গোবর বা জৈব সার, ১০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০ গ্রাম টিএসপি এবং ৩০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োজন। শেষ চাষের সময় টিএসপি, এমওপি ও গোবর সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।  ইউরিয়া সারের অর্ধেক রোপনের ২০-২৫ দিন পর এবং বাকি অর্ধেক পুষ্পদন্ড বের হওয়ার পর উপরিপ্রয়োগ করতে হবে।

করম রোপনঃ রোপনের আগে বীজ ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে নিলে অঙ্কুরোদগম তরান্বিত হয়। বীজকে রোগ মুক্ত করতে ডাইথেন-এম ৪৫এর মধ্যে ভিজিয়ে (১০ লি. পানিতে ৩০-৩৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে) ছায়ায় শুকিয়ে নিতে হবে। সারি থেকে সারি ২০ সেমি এবং গাছ থেকে গাছ ১৫ সেমি দূরত্ব রেখে মাটির ৫-৬ সেমি গভীরে রোপন করতে হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ

জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজন মত সেচ দিতে হবে। প্রতি সেচের পর জমিতে জো আসলে নিড়ানি দিয়ে জমি আলগা করে দিতে হবে। ইউরিয়া সারের প্রথম উপি প্রয়োগের পর সেচ দিতে হবে এবং জমিতে জো আসলে মাটি ঝুরঝুরে করে দুই সারির মাঝখানের মাটি গাছের গোড়ায় তুলে দিতে হবে।  বাতাসে গাছ হেলে পড়ার হাত থেকে রক্ষার জন্য ছোট ছোট খুটি বা প্লাস্টিকের রশি টেনে দেওয়া প্রয়োজন। গ্লাডিওলাসে সীট ব্লাইট রোগে পাতা ও ফুল আক্রান্ত হয় এবং ফিজিরিয়াম রট জীবানুর আক্রমণে কান্ড ও গোড়া পচে যায়। উভয় রোগের জন্য ১৫ দিন অন্তর বেভিস্টিন (.২%) বা ডাইথেন এম ৪৫ রোগ নাশক স্প্রে করতে হবে। পোকার জন্য রাইসন বা পারহেকথিয়ন স্প্রে করতে হবে।

ফুল সংগ্রহঃ

সাধারণত স্পাইকের নিচ থেকে ১-২টি পাপড়ি ফুটলে ফুল সংগ্রহ করতে হয়। ফুল সংগ্রহের পরপরই বালতি ভর্তি পানিতে সোজা করে ডুবিয়ে রেখে পরে নিম্ন তাপমাত্রায় (৬-৭ডিগ্রী) সংরক্ষণ করা উত্তম।  স্পাইক কাটার সময় গাছের গোড়ায় ৪-৫টি পাতা রাখতে হবে তাহলে করম পুষ্ট হবে।

করম তোলা ও সংরক্ষণঃ

সাধারণত মার্চ-এপ্রিল মাসে করম তোলা হয়। ফুল ফোঁটা শেষ হলে পাতা হলুদ হয় ওে গাছ মারা যায়। এসময় গাছের গোড়া খুঁড়ে সাবধানে করমগুলি সংগ্রহ করা হয়। খেয়াল রাখতে হবে যেন করম কেটে বা আঘাতপ্রাপ্ত না হয়। করম সংগ্রহের পর বড় ও ছোট করম বাছাই করে ছায়ায় শুকাতে হবে। সংরক্ষণের আগে করমগুলোকে ০.১% বেনলেট বা ০.২% ক্যাপটান দ্রবণে ৩০ মিনিট শোধন করে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর করমগুলো ছিদ্রযুক্ত পলিথিন ব্যাগে ভরে ঘরের শকনো ও ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com