আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত: মিয়ানমারের সেনাদের টহল বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের উদ্বেগ

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা
রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা

বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাদের গতিবিধি গত কয়েকদিনে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে এ ধরণের তৎপরতা বৃদ্ধি পাবার প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ জানিয়ে রোববার একটি চিঠি দেয়া হয়েছে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, গত শুক্রবার থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে বলে দেখা গেছে।

সীমান্ত এলাকার অন্তত তিনটি পয়েন্টে সৈন্যদের ”ব্যাপক সংখ্যক” উপস্থিতি দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

যদিও সেটাকে সৈন্য সমাবেশ বলতে চাননি কর্মকর্তারা।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাদের নির্যাতনে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে
২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাদের নির্যাতনে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানোর জন্য রোববার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে ডাকা হয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশের উদ্বেগ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের উদ্বেগের কারণ কী?

সাধারণত দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল যদি বাড়ে, এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রদূতকে ‘তলব’ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় সেনা টহল বেড়েছে, কিন্তু কোন আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হয়নি, সে কারণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, তারা খবর পেয়েছেন সেনা টহল দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের একেবারে কাছ ঘেঁষে হচ্ছে না।

কিন্তু তারপরেও সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরণের টহল বাড়ানোর ঘটনা দেখা যায়নি বলেই প্রাথমিকভাবে উদ্বেগ বা কনসার্ন বোধ করেছে বাংলাদেশ।

এছাড়া যেহেতু সীমান্ত এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সেনা টহল লক্ষ করা গেছে, কর্মকর্তারা মনে করছেন ভবিষ্যতে সেটা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এজন্যই আনুষ্ঠানিকভাবে সেটা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

এখানে আরো একটি বিষয় রয়েছে, মিয়ানমারের এই সেনা টহলের একটি অংশ হয়েছে সিভিলিয়ান বাহনে করে, অর্থাৎ মাছ ধরার নৌকায় করে।

আর যে তিনটি পয়েন্টে তাদের দেখা গেছে সেগুলো হল কা নিউন ছুয়া, মিন গালারগি ও গার খুইয়া আর এই জায়গাগুলো মূলত মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা।

এটাকে সন্দেহজনক বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

কারণ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এ ধরণের সেনা টহল বাড়লে পরে, হয়ত সেখানকার মুসলমানদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যার ফলে আরো কিছু লোকজন হয়ত বাংলাদেশে ঢুকে পড়তে চাইবে, তারও একটা ঝুঁকি তৈরি হয়।

ফলে এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে মিয়ানমারকে।

পরিবেশ

কেন্দুয়ায় অতিরিক্ত খাবার খেয়ে কৃষকের ৩ গরুর মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাচিয়ালী গ্রামের আব্দুল আউয়াল নামের এক কৃষকের তিন গরুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে কৃষক আব্দুল আউয়ালের ছোট ভাই পল্লী চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, আমার ভাইয়ের গোয়ালে চারটি গরু ছিল। প্রতিদিনের মত বুধবার (১০ফেব্রুয়ারী) তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) দিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয়। কিন্তু হঠাৎ গরু গুলি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনটি গরুরই মৃত্যু হয়। অপর একটি গরুকে চিকিৎসা দেয়ার পর প্রাণে বেঁচে যায়।

 গরু তিনটির বাজার মুল্য প্রায় ১৭০ হাজার টাকার মতো হবে। এতে করে কৃষক আব্দুল আউয়াল বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা খোশেদ আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে চিকিৎসক দল পাঠানো হয়েছে। পরে তারা ওই কৃষকের গরুগুলো দেখে এবং কৃষকের সাথে কথা বলে জানতে পারে, গরু গুলি অতিরিক্ত মাত্রায় তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) খেয়ে ফেলে। যে কারনে ওই কৃষকের তিনটি গরুর একসাথে  মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাছাড়া মৃত্যুর অন্য কোনও কারণ আছে কিনা সে কারণে আমরা মৃত গরুর আলামত সংগ্রহ করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জমি কিনেও নৌকায় বসবাস, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নৌকায় মানুষ পারাপার করে একখণ্ড জমি কিনেছিলেন মিলন নেছা (৫২)। কিন্তু সে জমিতে ঘর নির্মাণ করতে পারেননি তিনি। নৌকায়ই ছোট ছেলেকে নিয়ে থাকেন। খবরটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে প্রধানমন্ত্রীর। পরে তার কার্যালয় থেকে মিলন নেছাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিলন নেছার ঘরের কাজের উদ্বোধন করেন শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান।
তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন-ভূমিহীনদের ঘর ও জমি প্রদানের কার্যক্রম নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে আজ আমরা শরীয়তপুরের নারী খেয়াঘাটের মাঝি মিলন নেছাকে একটি ঘর করে দিচ্ছি।’এ সময় গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ঢালী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলমগীর হুসাইন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের সদস্য জাকির হোসেন দুলাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল খায়ের শেখ, গোসাইরহাট পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলী আকবর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলী আকবর বলেন, ‘মিলন নেছা নদীতে নৌকা চালিয়ে মানুষ পারাপার করতেন। তাকে নিয়ে  সংবাদ প্রকাশের পর, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের নজরে আসে।’

দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে জয়ন্তী নদীতে নৌকায় বসবাস করছেন মিলন নেছা। আট বছর যাবত নদীতে মানুষ পারাপার করছেন। মিলনের যখন বয়স ২২ বছর, তখন তার বাবা মারা যান। তারা তিন বোন ও তিন ভাই। বাবার পথ অনুসরণ করে ওই বয়সেই সংসারের হাল ধরতে মাঝির কাজ শুরু করেন মিলন। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করেন। তাছাড়া দুই পারের কিছু মানুষ বছরে যা ফসল পায় তার একটি অংশ দিয়ে সহযোগিতা করেন মিলনকে।

নৌকায়ই রান্না-খাওয়া, নৌকায়ই বসবাস তার। নৌকা পারাপার করে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছেন। জীবনের শেষ সঞ্চয় দিয়ে ছয় শতক জমিও কিনেছেন তিনি। কিন্তু ঘর তুলতে পারেননি। তার স্বামী রহম আলী সরদার ১৫ বছর আগে তাকে ও দুই ছেলেকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। বড় ছেলে আব্দুল খালেক (২৬) বিয়ে করে আলাদা থাকে। নদীর পাড়ে ছাউনি নৌকায় ছোট ছেলে আব্দুল মালেককে (২২) নিয়ে থাকেন তিনি।

এদিকে ঘর বরাদ্দ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা মিলন নেছা বলেন, ‘আগে নৌকায় মানুষ পারাপার করতাম, নৌকায়ই থাকতাম। সাংবাদিকরা আমার কষ্ট দেখে, নিউজ করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঘর দিছে। সন্তানদের নিয়ে ঘরে থাকবো। আমি খুবই খুশি।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ঘোড়াঘাটে সরকারি জমিতে দোকান-ঘর নির্মাণের অভিযোগ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে দোকান ঘরের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বারপাইকের গড় মাজার কমিটির সভাপতি আবুল কালাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা যায়, ঘোড়াঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক বারপাইকেরগড়ে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন বারপাইকের গড় মাজার শরিফের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গার উপর উপজেলার মগলিশপুর মিরাপড়া এলাকার ইব্রাহিম আলী ও বারপাইকেরগড় গ্রামের শাহাজান আলীসহ আরও অনেকে অবৈধভাবে জবর দখল করে দোকান ঘরের স্থাপনা নির্মান করছে। এতে মাজার কমিটির লোকজন বাধা দিতে গেলে কমিটির লোকজনকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় অবৈধ দখলকারীরা। অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শীতকালে বডি স্ক্রাবিং

শীতকালে মানবদেহ সব থেকে বেশি রুক্ষ, শুষ্ক ও মলিন হয়ে যায়। তখন প্রচুর ডেড সেল দেখা দেয়। এতে স্কিন অনেক খারাপ দেখায়।

পাশাপাশি স্কিনের ডেড সেলগুলো কাপড়ে পড়তে থাকে, যা মানুষের সামনে অনেক বেশি লজ্জাজনক। এই লজ্জার হাত থেকে বাঁচার জন্য হলেও বডি স্ক্রাবের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

বডি স্ক্রাব করার জন্য পার্লারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসে, ঘরেই রয়েছে এমন উপকরণগুলো দিয়ে সম্ভব।

কফি অনেক কার্যকরী একটি স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কফির দানাগুলো স্কিনে জমে থাকা ময়লা খুব সহজেই তুলে ফেলতে সাহায্য করে। এছাড়াও স্কিন ফর্সা করতেও সক্ষম।

শুধু কফিই নয়, স্ক্রাবার হিসেবে লেবু, চিনি, কমলা লেবুর খোসা অনেক কার্যকর। এছাড়াও বাজারে অনেক ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়। যদিও তাদের কার্যকারিতা সবার স্কিনে এক রকম হয় না।

ঘরে বানানো স্ক্রাবারগুলো নিজের স্কিন টাইপের মত খুব সহজেই তৈরি করে নেওয়া সম্ভব। পরিমাণটাও নিজেই নির্ধারণ করা সম্ভব; সে ক্ষেত্রে অপচয় অথবা পণ্যটি ডেট-ওভার হওয়ার সুযোগ থাকে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ডালডা-চিনি-রঙ দিয়ে তৈরি হচ্ছে খেজুরের গুড়!

বাঙালির কাছে পিঠাপুলি তৈরির অন্যতম উপকরণ খেজুর গুড়। ডালডা, চিনি, রঙ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সেই গুড়। নাটোরের বড়াইগ্রাম ও লালপুর উপজেলায় র‌্যাবের অভিযানে ৫ হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়েছে। এসময় গুড় তৈরির উপাদান হিসেবে রাখা এক হাজার কেজি চিনি, ৩ কেজি হাইড্রোজ, এক কেজি টেক্সটাইল রঙ, ৫ কেজি ডালডা জব্দ করা হয়।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন ব্যবসায়ীকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা শেষে ওই চিনি নিলামে বিক্রি করা হয়। 

নাটোর র‌্যাব অফিসের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মাসুদ রানা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বড়াইগ্রাম উপজেলার আটঘর এবং লালপুর উপজেলার  ওয়ালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় ৫ হাজার কেজি ভেজাল গুড় ও এক হাজার কেজি চিনি জব্দ করা হয়। ভেজাল গুড় তৈরি, সংরক্ষণ ও বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন লালপুর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাম্মী আক্তার।

 লালপুর ওয়ালিয়া এলাকার আইয়ুব আলী (৩৬) ও একই এলাকার জলি বেগম (৩০) কে ৫০ হাজার করে এক লাখ এবং আটঘড় এলাকার আমজাদ হোসেন (৪৩) কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, জব্দ করা অন্যান্য আলামত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে চিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com