আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

বাংলাদেশে গরুর দুধে অ্যান্টিবায়োটিক আসে কীভাবে

বাংলাদেশে গরুর দুধে অ্যান্টিবায়োটিক আসে কীভাবে
শাহজাদপুরের একজন গরু খামারি
শাহজাদপুরের একজন গরু খামারি

শাহজাদপুরের একটি গ্রামে প্রাণ কোম্পানির জন্য খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করেন রাকিবুল মাহমুদ।

তিনি বলেন, ” আমি যখন দুধ এখানে রিসিভ করি তখন অনেক সময় দেখা যায় দুধে মাই আসছে। মাই এক ধরণের রোগ। এটা গরুর ওলান দিয়ে বের হয়। কৃমির ট্যাবলেট দিলে দুধে মাই আসে। তখন আমি খামারিদের বলে দিই যে মাই আসা দুধ আমি রিসিভ করবো না। “

” তাৎক্ষনিক ওরা অ্যান্টিবায়োটিক ডোজ দিয়ে দেয়। স্বাভাবিকভাবে মাই সারতে ১০-১৫দিন সময় লাগে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক দিলে দেখা যায় ওটা পরের দিন থেকে ক্লিয়ার হয়ে যায়। ঐ অ্যান্টিবায়োটিকটা যাবে কই? অ্যান্টিবায়োটিকটা এভাবেই আসে,” বলছিলেন মি: মাহমুদ।

খামারিদের অনেকই মনে করেন, দানাদার গবাদি পশুর খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিক এবং সিসা থাকতে পারে। যদিও এটি শুধুই তাদের ধারণা।

শাহজাদপুর উপজেলায় পোতাজিয়া দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির সভাপতি ওয়াজ আলী বলেন, অনেক কোম্পানি আছে যারা গবাদি পশুর খাদ্য বাজারজাত করার জন্য গরুর খামারিদের নানাভাবে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করে। তারা খামারিদের বোঝানোর চেষ্টা করে যে তাদের কোম্পানির খাবার গরুকে দিলে দুধের উৎপাদন বাড়বে।

তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে গবাদি পশুর চারণভূমি কমে যায়। ফলে গবাদি পশুর খাদ্যের জন্য প্যাকেট-জাত দানাদার খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়।

” ক্যাটেল ফিডের কোম্পানি বিভিন্ন অবস্থায় হয়তো হরমোন জাতীয় দ্রব্য দিয়া বলে আমার মালটা খাওয়াও দুধ বেশি হবে। সেই ক্ষেত্রে সরকারিভাবে ক্যাটল ফিড পরীক্ষা করুক,” বলছিলেন ওয়াজ আলী।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেল, ক্যাটল ফিডের বিভিন্ন কোম্পানি ভেদে দুধের উৎপাদন এক থেকে দুই কেজি হেরফের হয়।

ক্ষুদ্র খামারিরা গরু বাঁচাতে অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান
ক্ষুদ্র খামারিরা গরু বাঁচাতে অনেক সময় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান

তবে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, দানাদার পশুখাদ্য থেকে ক্ষতিকর উপাদান গরুর শরীরে প্রবেশ করার সুযোগ নেই। তিনি দাবি করেন, পশু খাদ্যের নমুনা বাজার থেকে সংগ্রহ করে প্রায়ই পরীক্ষা করা হয়।

গবাদি পশুর অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” আমরা খামারিদের বা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলবো, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনো অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাবহার করবেন না।”

তিনি বলেন, গরুর শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হলে সেটির প্রভাব ক্ষেত্র বিশেষ সাত থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত থাকে। এ সময়টুকু দুধ খাওয়া যাবেনা।

মি: রহমান জানান, এমন কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ আছে যেগুলো গবাদি পশু এবং মানুষ – উভয়ের শরীরের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে শুধু প্রয়োগের মাত্রা হেরফের হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

লাইভস্টক

করোনায় কুরবানি করা নিয়ে যা বলল দেওবন্দ

করোনায় কুরবানি করা নিয়ে যা বলল দেওবন্দ
করোনায় কুরবানি করা নিয়ে যা বলল দেওবন্দ

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে পবিত্র ঈদুল আজহা সন্নিকটে। করোনায় পশু জবেহ না করে কুরবানির টাকা দান করা যাবে কি? করোনার এ সংকটকালীন সময়ে কুরবানি নিয়ে মতামত জানিয়েছে উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ। দেওবন্দের অনলাইন ফতোয়া সাইট এ বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মী উৎসব ঈদ। ঈদুল ফিতরে মুমিন মুসলমান ফিতরা আদায় করেন। আর ঈদুল আজহায় সামর্থবান কিংবা নিসাব পরিমান সম্পদের মালিকরা পশু কুরবানি করে থাকেন। আর তা সম্পদশালীদের জন্য ওয়াজিব বা আবশ্যক কাজ।

চাঁদ দেখা সপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই কিংবা ১ আগস্ট অনুষ্ঠি হবে এ ঈদ। আর এ দিন মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহের মাধ্যমেই পালন করবে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কুরবানি।

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবে এ সময়ে কুরবানি না করে এ অর্থ গরিব-অসহায়দের মাঝে দান করার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ সম্পর্কে দেশ-বিদেশের অনেক ইসলামিক স্কলার তাদের মতামত সুস্পষ্ট করেছেন।

দারুল উলুম দেওবন্দও তাদের অনলাইন ফতোয়া সাইটে মতামত তুলে ধরেছে। কুরবানির পশু জবাই না করে সে অর্থ অন্যদের মাঝে বিতরণ সম্পর্কে তারা জানিয়েছে যে,-
‘পশু কুরবানির বিকল্প নেই৷ কুরবানি না করে তার অর্থ দান করা যাবে না।’

তবে কেউ যদি কুরবানির জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো কারণে কুরবানি আদায় করতে সক্ষম না হয় তবে কুরবানির সমপরিমাণ অর্থ গরিব-অসহায়দের মাঝে বিতরণ করতে হবে বলেও জানিয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দ।

তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কুরবানি বিধান পালন করতে হবে। কুরবানি পরবর্তী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেছে দারুল উলুম দেওবন্দ।

ঈদের নামাজ পড়া সম্পর্কে দারুল উলুম দেওবন্দ আরও ঘোষণা করে যে, ঈদুল আজহার নামাজও মুসলিমরা বাড়িতেই আদায় করবে। যেভাবে ঈদুল ফিতরের নামাজ ভারতের মুসলিমরা বাড়িতে আদায় করেছিল। দারুল উলুম দেওবন্দের শরিয়াহ কাউন্সিল সবার প্রতি তা পালনে উদ্বাত্ত আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য যে, হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম পশু কুরবানির মাধ্যমে এ ইবাদত চালু করেছিলেন৷ বিশ্বনবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়েও তা যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম কুরবানি আদায়ে কোনো মুমিন মুসলমানেরই বিরত থাকা ঠিক নয়।

কেননা কুরবানি নাম ইবাদতের মাধ্যমে মুমিন মুসলমান মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে থাকে। এ ইবাদতের মাধ্যমেই মুমিন মুসলমানের সঙ্গে মহান আল্লাহর নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। কেননা কুরবানির পশুর রক্ত, গোশ্ত বা হাড় কোনো কিছুই মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং মানুষের কুরবানির করার নিয়ত বা মনের সংকল্পই মহান আল্লাহর কাছে পৌঁছে। তাই এ ইবাদতের মাধ্যমেই বান্দা সহজে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে সক্ষম হয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানি আদায় করে তার নৈকট্য অর্জনের তাওফিক দান করুন। গরিবদের মাঝে অর্থ সাহায্যের নামে কুরবানি থেকে বিরত থাকা থেকে হেফাজত করুন। কুরবানি করে গোশ্ত ও চামড়ার অর্থ বিতরণ করে গরিব-অসহায়দের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ-পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত নয়

কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ-পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত নয়
কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ-পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত নয়

ট্যানারি শিল্পসহ কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহনে শিশুদের নিযুক্ত করা যাবে না। এ কাজে যাতে শিশুদের নিযুক্ত করা না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহার পর কাঁচা চামড়া বহন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে শিশুদের নিযুক্ত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। চামড়া প্রক্রিয়াকরণে এসিডসহ অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করার কারণে এবং চামড়া শিল্পের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ায় তা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকাতেও চামড়া শিল্পের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে।

তাই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্যানারি শিল্পসহ অন্যান্য অন্য কোথাও চামড়া পরিবহন বা প্রক্রিয়াকরণের কাজে যেন শিশুদের ( যাদের বয়স ১৪ বছর বয়স পূর্ণ হয়নি) নিযুক্ত করা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয় চিঠিতে।

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। এই ঈদে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ
ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ

অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিত অনলাইন সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এ হাটের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি ডিজিটাল গরুর হাট থেকে কেবল গরু কেনাই নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে জবাই করে বাসায় পৌঁছেও দেয়া হবে। আমরা এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটি হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে যত্রতত্র গরু বেচাকেনা বন্ধ এবং একটা সিস্টেমে আনা। ফলে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু কেনাবেচা করা যাবে। এছাড়া আধুনিক উপায়ে পশু কোরবানিও দেয়া যাবে।

কোরবানিকৃত পশুর রক্ত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠুভাবে করা যাবে। অনলাইনের মাধ্যমে পশু কেনাবেচা ও কোরবানি দেয়া হলে পশুর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যেগুলো আমরা ফেলে দিই, সেগুলো রফতানির জন্য সংরক্ষণ করা যাবে। চামড়া সংরক্ষণ আগের চেয়ে সহজ হবে। এটি একটি কম্পোজিট প্রক্রিয়া।

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ
ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটে গরু কিনলে হাসিল মাফ

মেয়র বলেন, যারা অনলাইন থেকে গরু কিনবেন তাদের হাসিল দিতে হবে না। অনলাইন হাট থেকে কোরবানির দিন ৪০০, পরের দিন এক হাজার এবং তার পরের দিন ৬০০ গরু বিক্রয় করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল গরুর হাটের মাধ্যমে কোরবানি পশু ক্রয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলেও ভবিষ্যতে কোরবানি পশু ক্রয়ে এ ধরনের অনলাইন প্লাটফর্মের উপর নির্ভর করা যাবে।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সারের সঞ্চালনায় অনলাইন সভায় অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন

ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন
ডিএনসিসির ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট উদ্বোধনে অনলাইনে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

এটুআই ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই ই-হাটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশেনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

এছাড়াও যুক্ত ছিলেন সিপিডির সিনিয়র গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

আইসিটি ডিভিশন, মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতায় ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট বাস্তবায়ন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে চালু হলো ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’

অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে চালু হলো ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’
অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে চালু হলো ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাটের’ যাত্রা শুরু হয়েছে শনিবার (১১ জুলাই) থেকে।

এটুআই ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় ই-হাটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, আইসিটি ডিভিশন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতায় ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট বাস্তবায়ন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

অনলাইন হাটের বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটা একেবারেই সহজ কাজ নয়, আছে অনেক চ্যালেঞ্জ। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির জন্য পশুর ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়। সেই সঙ্গে যোগান দেয়া, সঠিক সময়ে ডেলিভারিসহ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক নানা চ্যালেঞ্জ থাকে। তারা বলছেন, এটি খুব সহজ কাজ নয়। আমরা এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম তবে এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটিও হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই।

অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোরবানি পশুর হাট বসাবে না ঢাকা ডিএনসিসি। সেই সঙ্গে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এবার কোরবানির পশুর মাংস বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ডিএনসিসি। অনলাইনে পছন্দের পশু কেনার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে এটি জবাই করে বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে এমন উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে অনলাইন প্রক্রিয়াটা কীভাবে করলে ভালো হবে, কি কি সমস্যা আসতে পারে, এসব ভেবে এ সেবাকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তারা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কোরবানির পশুর মাংস বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে ডিএনসিসি এ কার্যক্রমের সঙ্গে থাকবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

জানা গেছে, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন এবার দুই থেকে তিন হাজার কোরবানির পশুর মাংস প্যাকেটজাত করে বাসা বাড়িতে পৌঁছানোর চিন্তা করছেন। ৪৫টা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা এ কাজটি করবেন। একটি পশু জবাই করে মাংস কাটার পুরো প্রক্রিয়ায় অনেকগুলো মানুষকে কাছাকাছি আসতে হয়। যেটা এই সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তাই স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয় মেনে পশু কোরবানি করে মাংস কেটে ক্রেতার বাড়িতে দিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে বিক্রি হওয়া পশু রাখার জন্য মোহম্মাদপুরের বছিলা, উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি এলাকা নির্ধারণের কাজ চলছে।

শনিবার (১১ জুলাই) অনলাইনে কোরবানি পশু কেনার লক্ষ্যে ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’ এর উদ্বোধন করা হয়।

এ বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি ডিজিটাল গরুর হাট থেকে কেবল গরু কেনাই নয়, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে জবাই করে মাংস বাসায় পৌঁছেও দেয়া হবে। আমরা এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করলাম। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক ভুলত্রুটি হতে পারে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে যত্রতত্র গরু বেচাকেনা বন্ধ এবং একটা সিস্টেমে আনা। ফলে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু কেনাবেচা করা যাবে। এছাড়া আধুনিক উপায়ে পশু কোরবানিও দেয়া যাবে।

কোরবানিকৃত পশুর রক্ত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠুভাবে করা যাবে। অনলাইনের মাধ্যমে পশু কেনাবেচা ও কোরবানি দেয়া হলে পশুর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যেগুলো আমরা ফেলে দিই, সেগুলো রফতানির জন্য সংরক্ষণ করা যাবে। চামড়া সংরক্ষণ আগের চেয়ে সহজ হবে। এটি একটি কম্পোজিট প্রক্রিয়া।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল গরুর হাটের মাধ্যমে কোরবানি পশু ক্রয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গেলেও ভবিষ্যতে কোরবানি পশু ক্রয়ে এ ধরনের অনলাইন প্লাটফর্মের উপর নির্ভর করা যাবে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব নির্ধারিত হাটের মধ্যে ছিল মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী সড়কসংলগ্ন (বছিলা), ভাষানটেক, মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড-৬-এর (ইস্টার্ন হাউজিং) খালি জায়গা, ভাটারা (সাঈদনগর) পশুর হাট, মিরপুর ডিওএইচএসের উত্তর পাশের সেতু প্রপার্টি ও সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠ, বাড্ডার ইস্টার্ন হাউজিং (আফতাবনগর) সড়কের হাট, মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং হাট, আগারগাঁও, ৩০০ ফিট এলাকার ডুমনি, উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর ব্রিজের পশ্চিম অংশ ও ২ নম্বর ব্রিজের পশ্চিমে গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের ফাঁকা জায়গা।

তবে ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এগুলো থেকে তিনটি হাট বাদ দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো, ভাষানটেক, ইস্টার্ন হাউজিং এবং আফতাব নগরের হাট। তবে উত্তরার সবগুলো হাট মিলিয়ে বৃন্দাবন এলাকায় একটি হাট বসবে। অর্থাৎ যে হাটগুলো বসবে সেগুলো হলো, মোহাম্মদপুরের বছিলা, কাওলার হাট, ৩০০ ফিট সড়কের ডুমনি হাট, ভাটারার সাঈদ নগর হাট এবং উত্তরার বৃন্দাবন। এছাড়াও থাকছে গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাট।

কোরবানির পশুর হাটের বিষয়ে এর আগে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছিলেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবার পশুর হাট বসাবে না ডিএনসিসি।

মেয়র বলেন, শহরে ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে যদি পশুর হাট বসে সেটি কিন্তু জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য কিছু কিছু সিদ্ধান্ত আমি পরিবর্তন করতে বলেছি। হাট ইজারা দিয়ে হয়তো কোটি টাকা আয় করা যাবে, কিন্তু টাকার চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই তুলনামূলক কম ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাট বসানোর নির্দেশ দিয়েছি যাতে ব্যাবসায়ীরা পশু বিক্রিও করতে পারে আবার জনস্বাস্থ্যও বিবেচনায় রাখা যায়।

মেয়র বলেন, তেজগাঁও, আফতাবনগর, ভাষানটেক এলাকায় বড় হাট বসে প্রতিবার। সেখান থেকে আমাদের অনেক টাকা আয়ও হতো। কিন্তু এ বছর করোনা বিবেচনায় এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এসব স্থানে হাট বসাতে দেব না। এছাড়া উত্তরা ১০, ১১ ও ১২ এই তিনটি সেক্টরে বড় হাট বসত। গত বছর এ হাটে ইজারা মূল্য পাওয়া গেছে চার কোটি ৭৩ লাখ টাকা। কিন্তু এ বছর এখানে আমরা হাট বসতে দেব না। উত্তরাবাসীর জন্য উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের বৃন্দাবন এলাকায় বড় হাট বসবে, তারা সেখান থেকে পশু কিনতে পারবেন এবং ওই এলাকায় মানুষের বসবাসও কম।

এছাড়া মোহাম্মদপুরের বাসিন্দাদের জন্য বছিলায় একটা হাট বসবে। পূর্বাচল ব্রিজ সংলগ্ন মস্তুল ডুমনী ও ৩০০ ফুট সড়কের সাইদ নগর এলাকায়, কাউলায়। গাবতলীতে স্থায়ী পশুর হাট আছে, সেটি থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com