আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

বাংলাদেশের সেরা ১০ দর্শনীয় স্থান

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলভূমি আমাদের চির সবুজ বাংলাদেশ। এদেশে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ এই সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসে। জেনে নিন দেশের সেরা ১০টি দর্শীয় স্থান সম্পর্কে।

  • কুয়াকাটা: কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা ‘সাগর কন্যা’ হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়।

    কুয়াকাটা: কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা ‘সাগর কন্যা’ হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়।

  • বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক বা সংক্ষেপে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা ইউনিয়নের বড় রাথুরা মৌজা ও সদর উপজেলার পীরুজালী ইউনিয়নের পীরুজালী মৌজার খণ্ড খণ্ড শাল বনের ৪৯০৯.০ একর বন ভূমি ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে পরিচিত।

    বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক বা সংক্ষেপে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা ইউনিয়নের বড় রাথুরা মৌজা ও সদর উপজেলার পীরুজালী ইউনিয়নের পীরুজালী মৌজার খণ্ড খণ্ড শাল বনের ৪৯০৯.০ একর বন ভূমি ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে পরিচিত।

  • টাঙ্গুয়ার হাওর: টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরনা) এসে মিশেছে এই হাওরে। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি।

    টাঙ্গুয়ার হাওর: টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরনা) এসে মিশেছে এই হাওরে। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি।

  • নিঝুম দ্বীপ: নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার পুরো দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে।

    নিঝুম দ্বীপ: নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার পুরো দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে।

  • নাফাকুম: বান্দরবানের বিস্ময়কর সৌন্দর্য্যের নাম নাফাকুম জলপ্রপাত। বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বান্দরবান জেলা। ভ্রমণপিয়াসী মানুষদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে এর অবস্থান। বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলার নাম থানচি। এই উপজেলার একটি এলাকার নাম রেমাক্রি।

    নাফাকুম: বান্দরবানের বিস্ময়কর সৌন্দর্য্যের নাম নাফাকুম জলপ্রপাত। বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বান্দরবান জেলা। ভ্রমণপিয়াসী মানুষদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে এর অবস্থান। বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলার নাম থানচি। এই উপজেলার একটি এলাকার নাম রেমাক্রি।

  • রাতারগুল: রাতারগুল সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। এখানে হিজলে ফল ধরে আছে শয়ে শয়ে। বটও চোখে পড়বে মাঝেমধ্যে, মুর্তা গাছ কম। বড়ই অদ্ভুত এই জলের রাজ্য। কোনো গাছের হাঁটু পর্যন্ত ডুবে আছে পানিতে। একটু ছোট যেগুলো, সেগুলো আবার শরীরের অর্ধেকই ডুবিয়ে আছে জলে। কোথাও চোখে পড়বে মাছ ধরার জাল পেতেছে জেলেরা।

    রাতারগুল: রাতারগুল সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। এখানে হিজলে ফল ধরে আছে শয়ে শয়ে। বটও চোখে পড়বে মাঝেমধ্যে, মুর্তা গাছ কম। বড়ই অদ্ভুত এই জলের রাজ্য। কোনো গাছের হাঁটু পর্যন্ত ডুবে আছে পানিতে। একটু ছোট যেগুলো, সেগুলো আবার শরীরের অর্ধেকই ডুবিয়ে আছে জলে। কোথাও চোখে পড়বে মাছ ধরার জাল পেতেছে জেলেরা।

  • সাজেক: সাজেক ভ্যালি বা সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাই উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থল। রাঙামাটির একেবারে উত্তরে অবস্থিত এই সাজেক ভ্যালিতে রয়েছে দুটি পাড়া- রুইলুই এবং কংলাক। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রুইলুই পাড়া ১,৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

    সাজেক: সাজেক ভ্যালি বা সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাই উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থল। রাঙামাটির একেবারে উত্তরে অবস্থিত এই সাজেক ভ্যালিতে রয়েছে দুটি পাড়া- রুইলুই এবং কংলাক। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রুইলুই পাড়া ১,৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

  • সুন্দরবন: সুন্দরবন: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের লীলাভূমি এই বিশ্বের ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) সুন্দরবন। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি খুলনা শহরে এসে হোটেলে অবস্থান করে পছন্দের ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সুন্দরবন যাত্রা করা যায়।

    সুন্দরবন: সুন্দরবন: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের লীলাভূমি এই বিশ্বের ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) সুন্দরবন। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি খুলনা শহরে এসে হোটেলে অবস্থান করে পছন্দের ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সুন্দরবন যাত্রা করা যায়।

  • কক্সবাজার: সারি সারি ঝাউবন, বালুর নরম বিছানা, সামনে বিশাল সমুদ্র। ছুটিতে বেড়িয়ে আসার জন্য পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের তুলনাই হয় না। রয়েছে নীল জলরাশির গর্জন। মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহপরী, সেন্টমার্টিন কক্সবাজারকে করেছে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়। এখানে গিয়ে বেড়াতে পারেন হিমছড়ি ও ইনানী বিচেও।

    কক্সবাজার: সারি সারি ঝাউবন, বালুর নরম বিছানা, সামনে বিশাল সমুদ্র। ছুটিতে বেড়িয়ে আসার জন্য পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের তুলনাই হয় না। রয়েছে নীল জলরাশির গর্জন। মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহপরী, সেন্টমার্টিন কক্সবাজারকে করেছে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়। এখানে গিয়ে বেড়াতে পারেন হিমছড়ি ও ইনানী বিচেও।

  • সেন্টমার্টিন: সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা দেশের মূলভূখণ্ডের সর্ব দক্ষিণে এবং কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে ১৭ বর্গ কিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। স্থানীয় ভাষায় সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেও ডাকা হয়। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত এ দ্বীপটি বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন স্থান হিসাবে জায়গা করে নিয়েছে।

    সেন্টমার্টিন: সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা দেশের মূলভূখণ্ডের সর্ব দক্ষিণে এবং কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে ১৭ বর্গ কিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। স্থানীয় ভাষায় সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেও ডাকা হয়। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত এ দ্বীপটি বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন স্থান হিসাবে জায়গা করে নিয়েছে।

  • কুয়াকাটা: কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা ‘সাগর কন্যা’ হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়।
  • বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক বা সংক্ষেপে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা ইউনিয়নের বড় রাথুরা মৌজা ও সদর উপজেলার পীরুজালী ইউনিয়নের পীরুজালী মৌজার খণ্ড খণ্ড শাল বনের ৪৯০৯.০ একর বন ভূমি ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে পরিচিত।
  • টাঙ্গুয়ার হাওর: টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরনা) এসে মিশেছে এই হাওরে। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি।
  • নিঝুম দ্বীপ: নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ। এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার পুরো দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে।
  • নাফাকুম: বান্দরবানের বিস্ময়কর সৌন্দর্য্যের নাম নাফাকুম জলপ্রপাত। বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বান্দরবান জেলা। ভ্রমণপিয়াসী মানুষদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে এর অবস্থান। বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলার নাম থানচি। এই উপজেলার একটি এলাকার নাম রেমাক্রি।
  • রাতারগুল: রাতারগুল সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। এখানে হিজলে ফল ধরে আছে শয়ে শয়ে। বটও চোখে পড়বে মাঝেমধ্যে, মুর্তা গাছ কম। বড়ই অদ্ভুত এই জলের রাজ্য। কোনো গাছের হাঁটু পর্যন্ত ডুবে আছে পানিতে। একটু ছোট যেগুলো, সেগুলো আবার শরীরের অর্ধেকই ডুবিয়ে আছে জলে। কোথাও চোখে পড়বে মাছ ধরার জাল পেতেছে জেলেরা।
  • সাজেক: সাজেক ভ্যালি বা সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাই উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থল। রাঙামাটির একেবারে উত্তরে অবস্থিত এই সাজেক ভ্যালিতে রয়েছে দুটি পাড়া- রুইলুই এবং কংলাক। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রুইলুই পাড়া ১,৭২০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।
  • সুন্দরবন: সুন্দরবন: প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের লীলাভূমি এই বিশ্বের ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ) সুন্দরবন। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি খুলনা শহরে এসে হোটেলে অবস্থান করে পছন্দের ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সুন্দরবন যাত্রা করা যায়।
  • কক্সবাজার: সারি সারি ঝাউবন, বালুর নরম বিছানা, সামনে বিশাল সমুদ্র। ছুটিতে বেড়িয়ে আসার জন্য পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের তুলনাই হয় না। রয়েছে নীল জলরাশির গর্জন। মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহপরী, সেন্টমার্টিন কক্সবাজারকে করেছে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়। এখানে গিয়ে বেড়াতে পারেন হিমছড়ি ও ইনানী বিচেও।
  • সেন্টমার্টিন: সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা দেশের মূলভূখণ্ডের সর্ব দক্ষিণে এবং কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে ১৭ বর্গ কিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। স্থানীয় ভাষায় সেন্টমার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরা বলেও ডাকা হয়। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত এ দ্বীপটি বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন স্থান হিসাবে জায়গা করে নিয়েছে।

পরিবেশ

বিরল প্রজাতির নেপালি ঈগল উদ্ধার

বিশ্বব্যাপী বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির একটি নেপালি ঈগল নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দূর্লভপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসন, বিবিসিএফ ও সবুজ বাংলার স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় ঈগলটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর পাখিটিকে প্রথমে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় ও পরে রাজশাহী বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) দফতর ও সবুজ বাংলার সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী বলেন, বৃক্ষ নিধন, বন উজাড়সহ নানান কারণে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে পাখিগুলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা খবর পাই নাটোরের নলডাঙ্গার দূর্লভপুরে ফারুক হোসেন নামে একজনের বাড়িতে আছে ঈগলটি। তিনি এটিকে অসুস্থ অবস্থায় পান। প্রসাশনকে সঙ্গে নিয়ে অনেক চেষ্টার পর ঈগলটিকে উদ্ধারে সক্ষম হয়েছি।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বী বলেন, পাখিসহ সকল বন্যপ্রানী নিধন বন্ধে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে মাইকিং করা হবে।

অভিযান পরিচালনাকালে অন্যান্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, বিলহালতি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মো. ইসাহাক আলী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সঞ্চয় হোসেনসহ অনেকে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তিমির পেটে এত প্লাস্টিক!

ইন্দোনেশিয়ার একটি ন্যাশনাল পার্কের জলাশয় থেকে মৃত একটি তিমিকে উদ্ধার করা হয়েছে। পার্কের কর্মকর্তারা বলছেন, তিমিটির পাকস্থলীতে ৬ কেজি প্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ৬ কেজি প্লাস্টিকের মধ্যে ১১৫টি পানির খাওয়ার কাপ, ৪টি বোতল, ২৫টি ব্যাগ ও একজোড়া স্যান্ডেল, ১৯ পিস শক্ত প্লাস্টিক, সোয়া তিন কেজি ওজনের সমপরিমাণ দড়ি পাওয়া গেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩১ ফুটের এই তিমিটি ইন্দোনেশিয়ার ওকাতোবি ন্যাশনাল পার্কের কাপোতা দ্বীপের তীর থেকে সোমবার উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদীরা। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর ন্যাচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) ইন্দোনেশিয়ার সামুদ্রিক প্রজাতি সংরক্ষণ টিমের কো-অর্ডিনেটর ডোয়াই সুপ্রপতি বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, স্তন্যপায়ী এই প্রাণিটির মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে আমরা এখনও সক্ষম হয়নি। এমতাবস্থায় এ ধরনের মৃত্যু সত্যিই উদ্বেগের।

ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য প্লাস্টিকের ব্যবহার একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৫ সালে পরিচালিত একটি জরিপ বলছে, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে যত প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় তার ৬০ শতাংশ সমুদ্রে পতিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লাস্টিক খেয়ে প্রতি বছর শত শত সামুদ্রিক প্রাণি মারা যাচ্ছে।

চলতি বছরের জুনে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাংশের একটি জলাশয়ে একটি পাইলট তিমিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিমিটি একপর্যায়ে বমি করে ৮০টি প্লাস্টিকের ব্যাগ বের করে দেয়। পরে ওই তিমিটির মৃত্যু হয়।

চলতি শুরুতে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন বের হয়। এতে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, সমুদ্র থেকে এ জঞ্জাল যদি দ্রুত অপসারণ করা সম্ভব না হয়, তাহলে আগামী এক দশকের মধ্যে এ জঞ্জালের সংখ্যা তিন গুণে গিয়ে দাঁড়াবে।

গত বছরের শেষের দিক জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর ১০০ লাখ টন প্লাস্টিকের বর্জ্য সমুদ্রে গিয়ে মেশে। এর ফলে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে সামুদ্রিক প্রাণির জীবন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জেলের জালে ধরা পড়লো ঘড়িয়াল ছানা

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে যমুনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ঘড়িয়াল ছানা। ঘড়িয়ালটির দৈর্ঘ্য সাড়ে তিন ফুট। প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের মাধ্যমে ঘড়িয়ালটি মিরপুর চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার তেওতা এলাকায় যমুনা নদীতে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় জেলে আবুল কালাম। হঠাৎ তার জালে ধরা পড়ে বিরল প্রজাতির একটি ঘড়িয়াল ছানা। পরে এটিকে তিনি এক হাজার টাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন।

এদিকে ঘড়িয়াল ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে নদী তীরে ভিড় জমায় শত শত মানুষ। খবর পেয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের এক কর্মচারী ঘড়িয়ালের ছানাটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণী সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে ঘড়িয়ালটি মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়।

মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানার জুনিয়র অফিসার ডা. সঞ্জিত কুমার বিশ্বাস জানান, এক সময় পদ্মা-যমুনায় এই প্রজাতির ঘড়িয়ালের বসবাস থাকলেও এখন প্রায় বিলুপ্ত। দেশের সকল চিড়িয়াখানা মিলিয়ে মাত্র ১১টি ঘড়িয়াল রয়েছে। উদ্ধারকৃত ঘড়িয়ালটি মিরপুর চিড়িয়াখানায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পরে দর্শনার্থীদের দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বিলুপ্তির পথে বৈচিত্রময় প্রাণী ভোঁদড়

বৈচিত্রময় এক প্রাণী ভোঁদড়। এরা দেখতে অনেকটা বেজির মত। এরা আধাজলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী। স্থান ভেদে এটি ধেড়ে, উদ, উদবিলাই, উদবিড়াল, মাছ নেউল ইত্যাদি নামেও পরিচিত। প্রায় শতবছর ধরে এই অঞ্চলে মাছ শিকারের জন্য শিকারিরা ভোঁদড় ব্যবহার করে আসছেন।

কিন্তু দিনে দিনে মানুষের অত্যাচারে এই প্রাণির সংখ্যা কমছে। তাই আগের মত এদের যেমন দেখা যায় না তেমনি এদের দিয়ে মাছ শিকার করতেও দেখা যায় না ।

বর্তমানে সব প্রাণিই বিলুপ্তির পথে। ভোঁদড়ও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে মূলত নড়াইল, খুলনা, সিলেট এবং দেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার নদী, খাল, বিল, পুকুরের পাশে, প্লাবনভূমি ও খানাখন্দে এবং উপকূলীয় জেলায় ভোঁদড় দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুরে ভোঁদরের দেখা মিলে।

এই উভচর প্রাণির প্রিয় খাবার মাছ। তাই এরা পুকুর বা বিলে মাছ শিকার করে। তবে মাছ ছাড়াও বিভিন্ন জলজ প্রাণী শিকারে পটু এই ভোঁদড়। এরা বসবাস করে জলাশয়ের পাশে বন-জঙ্গলে। এরা পানির নিচে ডুব দিয়ে একাধারে আধা কিলোমিটার যেতে পারে। সাঁতারের সময় কান ও নাকের ফুটো বন্ধ রাখে।

কিছু ভ্রান্ত ধারণার ফলে মানুষ ভোঁদড় মারছে। এর একটি হচ্ছে- এরা পুকুরের সব মাছ খেয়ে ফেলে। আর কিছু মানুষ মনে করে ভোঁদড়ের তৈলাক্ত চামড়ার অনেক দাম, তাই তারা লোভে এদের নির্বিচারে হত্যা করছে। আবাসভূমি ধ্বংস ও পরিবর্তনই এদের কমে যাওয়ার আরও একটি বড় কারণ। এর বাইরে আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে বন্যপ্রাণিকে হত্যা করতে সাধারণ মানুষ খুব উৎসাহী। বণ্যপ্রাণী দেখামাত্র সবাই লাঠিসোটা নিয়ে দৌড়ে আসে মারতে। এতে জীব-জগতের অন্যতম সুন্দর আর বৈচিত্রময় প্রাণী ভোঁদড় হারিয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য।

ভোঁদেরর ইংরেজী নাম- Smooth-coated Otter বৈজ্ঞানিক নাম- Lutrogale perspicillata

বিভিন্ন কুসংস্কার, অবৈধ শিকারের ফলে এরা যেমন দ্রুত কমছে তেমনি এখনও কিছু মানুষ ভালোবেসে তাদের ঠিকিয়ে রেখেছে। ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছে , নড়াইল ও সুন্দরবন অঞ্চলের কিছু জেলে। তারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে ভোঁদড় দিয়ে বিশেষ কায়দায় মাছ ধরতে অভ্যস্ত।

নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ের গোবড়া গ্রামে গেলে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের শত বছরের কৌশল দেখতে পাওয়া যায়। এই গ্রামের মৎসজীবীরা মাছ শিকারের পাশাপাশি ভোঁদড়কে টিকিয়ে রাখতে নিজেরা প্রজনন করে যাচ্ছেন।

চিত্রা নদীতে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকার দেখে বন্যপ্রাণী গবেষক সীমান্ত দিপু জাগো নিউজকে বলেন, সত্যিই অসাধারণ। সাধারণত এই প্রজাতির ভোঁদড় প্রকৃতিক পরিবেশ ছাড়া প্রজননের ঘটনা খুবই বিরল। নড়াইলের গোবড়া গ্রামের ১৫-২০ জন মৎসজীবীর ঘরে কৃত্রিম পরিবেশে বাচ্চা দেয় ভোঁদড়। এই পরিবারগুলোর জীবিকা হয় মূলত ভোঁদড়কে কেন্দ্র করে। আমাদের দেশের জেলেরা অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার যে রণকৌশল শিখেছে তার বিপরীতে তাদের উদ্যোগকে সত্যিই সাধুবাদ জানাতে হয়।

ভোঁদড়ের শরীর কালচে বাদামি ঘন লোমে ঢাকা। মাথা ও শরীরের মাপ ৬৫-৭৫ সে.মি.। গলার দিকে সাদা । লেজ ৪০-৪৫ সে.মি. চ্যাপ্টা। ফলে সাঁতারে বেশ সুবিধা হয় । কান ছোট। পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের মত চ্যাপ্টা । স্ত্রী ভোঁদর প্রতি বছরে একবার তিন থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। এরা বেঁচে থাকে প্রায় ২০ বছর।

ভোঁদড় নিয়ে গবেষণা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। তিনি জাগো নিউজকে জানান, প্রাণিজগতের মধ্যে বৈচিত্রময় একটি প্রাণী হচ্ছে ভোঁদড়। সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় এরা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এদের রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রতিটি প্রাণী পরিবেশের জন্য প্রয়োজন। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের অস্তিত্বও হুমকিতে পড়বে। তাই নিজেদের স্বার্থে হলেও প্রাণিদের নিরাপদ আবাসের সুযোগ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

প্রতি ১০ হাজারে জন্ম নেয় একটি সাদা বাঘ

সাদা বাঘের জন্ম খুবই বিরল। ১০ হাজার বাঘের বাচ্চা জন্ম নিলে সেখান থেকে একটি হতে পারে সাদা বাঘ। এতদিন সাদা বাঘের দেখা পেতে যেতে হত দেশের বাইরের বিভিন্ন চিড়িয়াখানায়। কিন্তু স্বপ্নের সেই বাঘের দেখা মিলছে এখন বাংলাদেশে, তাও একটি নয় আছে ২টা। দেশের ইতিহাসে চলতি বছরই প্রথম সাদা বাঘের দেখা মিলেছে।

কিন্তু কিভাবে এলো এই সাদা বাঘ? সাদা বাঘ কি আসলেই কোনো বিশেষ প্রজাতি? এসব নিয়ে নানা কৌতূহল থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে সাদা বাঘ আসলে কোনো আলাদা প্রজাতি নয়, এরা অন্য ৮/১০টা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মতোই। জিনগত ও শ্বেত রোগের কারণে এসব বাঘের রঙ সাদা হয়।

সাধারণ বাঘ থেকেই এদের জন্ম হয় তবে তা সচরাচর হয় না। প্রতি ১০ হাজার বাঘের বাচ্চা জন্ম নিলে সেখান থেকে একটি সাদা বাঘ পাওয়া যেতে পারে।

চট্টগ্রাম চিরিয়াখানায় এবছরের ১৯ জুলাই ‘রাজ’ ও ‘পরী’ দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় একটি সাদা বাঘ। রাজ ও পরীকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কিনে আনা হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়। এই সাদা বাঘটিই দেশের ইতিহাসে প্রথম সাদা বাঘ। এর কিছুদিন পর চলতি বছরের ৮ আগস্ট গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জন্ম নেয় আরও একটি সাদা বাঘ।

কোনো প্রাণী ভিন্ন রঙের হলে সেটি প্রাণীবিজ্ঞানের ভাষায় পরিচিত হয় ‘এলবিনো’ হিসেবে। সাদা বাঘও এলবিনো হিসেবেই হতে পারে আবার জিনগত কারণে হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে যে ২টি সাদা বাঘ জন্ম নিয়েছে তা জিনগত কারণেই সাদা হয়েছে। যদিও অনেকের ধারণা মেলানিনের অভাবে মানুষের শরীরে যেমন শ্বেতী রোগ হয়ে সারা শরীর সাদা হয়ে যায় বাংলাদেশের সাদা বাঘের ক্ষেত্রেও হয়ত তাই। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ শ্বেত রোগ হলে বাংলাদেশের সাদা বাঘের গায়ে যে ডোরাকাটা কালো দাগ আছে তা থাকার কথা নয় এবং চোখের মণি নীল না হয়ে ফ্যাকাশে থাকার কথা।

সাদা বাঘের জন্ম খুবই বিরল ঘটনা। সর্বশেষ অন্তত ৫০ বছর আগে মধ্যভারতে একটি সাদা বাঘ বুনো পরিবেশে জন্ম নেয়। তবে খাঁচাবন্দি অবস্থায় সাদা বাঘ বেশি হয় এর কারণ খাঁচায় জিনগত ত্রুটি সম্পন্ন নিকট আত্মীয়দের মধ্যে ক্রসিং ঘটে। যেমন বাপ-মেয়ে, ভাই-বোন।

তবে প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে বরফ যুগের সময় বাঘের পূর্ব-পুরুষরা সাদা ছিল। যে কারণে তাদের জিনগত সে বৈশিষ্ট্য সুপ্ত অবস্থায় রয়ে গেছে যা মাঝে মাঝে প্রকাশ পাচ্ছে।

অন্যান্য বাঘ থেকে সাদা বাঘের কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। যেমন তুলনামূলক ভাবে সাদা বাঘ জন্মের সময় সাইজে বড় থাকে, জন্মের পর দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তাদের ওজনও হয় বেশি। ২-৩ বছর বয়সে সাদা বাঘ প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে। সাদা পুরুষ বাঘ সাধারণত ওজনে ২০০ থেকে ২৬০ কেজি এবং দৈর্ঘ্যে ৩ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী সু-জিন লুয়ো ও তার সতীর্থরা ‘কারেন্ট বায়োলজি’ নামক একটি জার্নালে সাদা বাঘ নিয়ে তাদের একটা গবেষণা পত্র প্রকাশ করেন। সেটা থেকে জানা যায়, জিনের একটি বিশেষ রঞ্জক পদার্থের পরিবর্তনই এই সাদা রঙের জন্য দায়ী। বিজ্ঞানীদের মতে কোনো প্রাণীর কোষের স্বাভাবিক রঞ্জক পদার্থই দেহবর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে।

বিজ্ঞানীরা সাদা বাঘের দেহকোষের জিন পরীক্ষা করে দেখেছেন কোষের মধ্যে বিশেষ রঞ্জক জিন ‘এসএলসি ৪৫এ২’ আছে। বিশেষত মানুষসহ ঘোড়া, মুরগি ও মাছের দেহের হাল্কা রঙের জন্যও এই রঞ্জক পদার্থটি দায়ী। এই বিশেষ রঞ্জকটি কালো-হলুদ রং তৈরিতে বাধা দেয়। কিন্তু সাদা বাঘের গায়ে হাল্কা কালো ডোরার কারণ ‘এসএলসি৪৫এ’ জিনের মধ্যে ‘এ৪৭৭ভি’ নামক অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিবর্তন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক প্রাণী বিশেষজ্ঞ মনিরুল এইচ খান জাগো নিউজকে জানান, দুটি কারণে যেকোনো প্রাণী সাদা রঙের হতে পারে। একটি হচ্ছে শ্বেতী রোগ, অন্যটি জিনগত কারণ। বাংলাদেশের সাদা বাঘগুলোর জন্ম জিনগত কারণেই হয়েছে।

ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার ও গবেষক আদনান আজাদ জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের চিড়িয়াখানায় সাদা বাঘ থাকলেও বাংলাদেশে ছিল না। কিন্তু এখন আর এই বাঘ দেখতে বিদেশ যেতে হবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com