আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

বর্ষায় বাগানের যত্ন নেবেন যেভাবে

বর্ষায় বাগানের যত্ন নেবেন যেভাবে
বর্ষায় বাগানের যত্ন নেবেন যেভাবে

খোলা জায়গায় বাগান করতে না পারলেও আজকাল অনেকেই ব্যালকনি কিংবা ছাদে বাগান করার দিকে ঝুঁকছেন। বর্ষার পানি গাছের জন্য উপকারী হলেও এর দাপট গাছের জন্য ক্ষতিকর। তাই এমন ভাবে বাগান সাজাতে হবে, যাতে শুধু বৃষ্টির পানিটা গাছ পায়। পাশপাশি বর্ষায় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাগানকে রক্ষা করতে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেমন-

ছায়ায় রাখুন চারা: প্রথমেই চারাগুলোকে কোনও শেডের তলায় নিয়ে গিয়ে রাখতে হবে। অথবা ছাদের একটা পাশে নিয়ে গিয়ে তার উপরে টিন বা এ জাতীয় কিছু দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন। শেডের সুবিধে না থাকলে চারাগুলিকে বারান্দার কোণে বা ঘরের জানালার কাছেও রাখতে পারেন।

মাটির ক্ষয় রোধ: অনেক সময় বর্ষার পানিতে গাছের মাটির উপরের স্তর ধুয়ে যায়। এর সঙ্গে কিন্তু মাটির সার, উর্বর অংশটুকুও ধুয়ে সাফ হয়ে যায়। এতে গাছ পানি পেলেও পুষ্টি পায় না। তাই গাছের কাণ্ড থেকে প্লাস্টিক বেঁধে টবের মাটি ঢেকে রাখতে পারেন। এতে বৃষ্টির পানি চুঁইয়ে মাটিকে পুষ্ট করবে। এঁটেল মাটি বেশি ব্যবহার করতে পারেন। এরা খুব তাড়াতাড়ি পানি টেনে নেয়।

প্রুনিং: বর্ষায় অনেক গাছই খুব ঝাঁকড়া হয়ে যায়। ফলে একনাগাড়ে অনেক দিন বৃষ্টির পর মাঝেমধ্যে রোদ উঠলেও গাছের সব জায়গায় সেই রোদ পৌঁছায় না। এতে গাছের গোড়া পচে যেতে পারে। তাই গাছের ডাল ছেঁটে দিতে হবে। ফুলের গাছে যে ডালে ফুল শুকিয়ে যাবে, তা কেটে দিতে পারেন। তা হলে সেখান থেকে আবার নতুন কুঁড়ি জন্মাবে।

পানি নিস্কাশন : গাছের গোড়ায় যেন বৃষ্টির পানি না জমে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এজন্য টবের নীচে অন্তত দুটো গর্ত করে রাখবেন। মাটিতে একটা গর্তের মুখ বন্ধ হয়ে গেলেও অন্য গর্ত জমা পানি বের করতে সাহায্য করবে। দু’তিন পর পর গর্তের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে কিনা সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। খোলা জায়গায় বাগান থাকলে যাতে সেখানে পানি না জমে সেদিকে নজর দিতে হবে।

কীটনাশক: বর্ষার আর্দ্র পরিবেশে পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ে। নতুন পাতার রস খেতেও এরা গাছে জড়ো হয়। তাই বর্ষার শুরু থেকেই কীটনাশকের ব্যবহার শুরু  করতে হবে। প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে নিমের তেল, গোলমরিচ গুঁড়ো, শুকনো মরিচের গুঁড়া দিতে পারেন গাছের গোড়ায়। এতেও কাজ না হলে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।

সারের ব্যবহার :  যেহেতু বর্ষার পানি উপরের স্তরের মাটি অনেকটাই ধুয়ে যায় তাই গাছে সার দিতে হবে নিয়মিত।  তবে এ সময়ে গলা-পচা সারের তুলনায় শুকনো সারের উপরে ভরসা রাখাই ভাল। চায়ের পাতা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে,  ডিমের খোলা শুকিয়ে গুঁড়ো করে দিতে পারেন।

বর্ষায় বাগান পরিষ্কার রাখতে যা করণীয়-

১. ব্যালকনি, ছাদ, লন যেখানেই গাছ লাগান না কেন বাগানের মাটি থেকে শুরু করে গাছ- সবকিছুই পরিষ্কার রাখতে হবে।

২. টবে পানি জমতে দেবেন না। এতে এডিশ মশা বিস্তার লাভ করতে পারে।

৩. গাছের পচা বা হলুদ পাতা একটা পাত্রে জড়ো করুন। সেখান থেকে জৈব সার তৈরি করুন।

৪. অনেক সময়  টবের উপরের স্তর সবুজ শ্যাওলায় ঢেকে যায়। এই শ্যাওলা অক্সিজেন গাছের গোড়ায় পৌঁছতে দেয় না। গাছের বৃদ্ধি রোধ করে। তাই শ্যাওলার অংশটুকু খুঁচিয়ে তুলে ফেলে দিতে হবে।

৫. বাড়ির সামনে বা ছাদে বাগান হলে এই অংশটুকু আলাদা করে ইট বা পাথর দিয়ে বাগানের সীমানা নির্দিষ্ট রাখুন। তা হলে বাকি অংশে সেই মাটি বা কাদা ছড়িয়ে নোংরা হবে না।

৬. বৃষ্টির দাপটে অনেক সময়ে গাছ ভেঙে যায়। তাই দুর্বল গাছের চারপাশে কাঠি পুঁতে দড়ি দিয়ে বেঁধে ওদের সাপোর্ট দিতে পারেন। লতানো গাছ মাচায় তুলে দিন।

পরিবেশ

পেয়ারার পর এবার মাল্টায় মার

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার জামদহ গ্রামের কৃষক মেরাজুল ইসলামকে (৫৫) তিন বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মাল্টার চারা দেওয়া হয়েছিল। ১৫ কাঠা জমিতে তিনি ৭০টি গাছ লাগিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার তাঁর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, একটি গাছও নেই। বাগানের জমিতে কপি চাষ করা হয়েছে। মেরাজুলের ছেলে রাকিবুল ইসলাম বললেন, এক বছর পর গাছগুলোতে ফল এসেছিল। কিন্তু পাতা হলুদ হয়ে গাছ মরে যেতে লাগল। আরও ক্ষতির আশঙ্কায় তাঁর বাবা বাগান ভেঙে দিয়েছেন।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, মাল্টার বিশেষ যত্ন নিতে হয়। আমগাছের মতো মাটিতে পুঁতে দিলেই ফল ধরে না। যাঁরা সেই যত্ন নিচ্ছেন, তাঁদের বাগান ভালো আছে। রাজশাহীর বাজারে এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে এই মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। খুব বেশি মিষ্টি না হলেও টক নয়। বাজারে এর বেশ চাহিদা আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে মেরাজুলের মতো জেলার ৩০০ চাষিকে প্রদর্শনী খেত করার জন্য ২০১৭ সালে বারি মাল্টা-১ জাতের চারা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কারও বাগানের গাছ আছে, কারও বাগানে নেই। তবে আরও ভয়ের ব্যাপার, ইউটিউব দেখে উৎসাহিত হয়ে অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় চাষিরা ঝাঁপিয়ে পড়েন এই মাল্টা চাষে। জেলায় বর্তমানে প্রায় এক হাজার চাষি মাল্টা চাষ করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ এখনো কিছু বুঝে উঠতে পারেননি, কারও সর্বনাশের শুরু, আর কারও সর্বনাশ হয়ে গেছে।

বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটিতে একসময় ভূগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ দিয়ে ধান চাষ করা হতো। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ধীরে ধীরে নিচে নেমে যেতে থাকে। যে পরিমাণ পানি তোলা হয়, বৃষ্টিপাত সেই পরিমাণ না হওয়ার কারণে পানির স্তর আর আগের জায়গায় ওঠে না। এ জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর শস্য বৈচিত্র্যকরণের উদ্যোগ নেয়। পানি কম লাগে এমন ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়। শুরু হয় নতুন জাতের ফসল চাষের আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় টমেটো, আপেলকুল, বাউকুল, পেয়ারা, পাম, কমলা, স্ট্রবেরি, ড্রাগন ফল, কাজুবাদাম, রামবুটান, পার্সিমন, অ্যাভোকাডো, কফি, বিচিবিহীন কুল, বলসুন্দরী কুল, বিচিবিহীন লেবু, চায়না লেবু ও মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে। তবে ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে মাল্টা চাষ। এর আগে শুরু হওয়া কুল চাষ থেমে গেছে। তিন–চার বছরের মাথায় মড়কে গাছ মরে যাওয়ায় পেয়ারাবাগান কমে এসেছে। ভালো বাজার না পেয়ে প্রতিবছর টমেটো রাস্তায় ফেলে দিতে দেখা যায়। ২০১৭ সালে নকল বীজে প্রতারিত হয়ে বীজ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করে আজও ক্ষতিপূরণ পাননি টমেটোচাষিরা। বাণিজ্যিকভাবে বাজার না পাওয়ায় স্ট্রবেরি চাষ বন্ধের পথে। অন্য ফলগুলো নিয়ে চাষিরা অস্বস্তির মধ্যে আছেন। আর এবার মাল্টা চাষে মার খেয়েছেন চাষিরা।

রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় মাল্টার বাগান করেছেন অভিজিৎ গুহ (৫২)। তাঁর বাড়ি রাজশাহী নগরের কেদুর মোড় এলাকায়। তিনি একজন স্কুলশিক্ষক। ইউটিউব দেখে তিনি মাল্টা চাষে উৎসাহিত হন। তিনি আরও কয়েকজন অংশীদার নিয়ে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বামনইল ও তানোরের চান্দুড়িয়া এলাকায় প্রায় ১৫০ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে মাল্টাবাগান করেছেন। এ পর্যন্ত তাঁর বিনিয়োগ প্রায় ৭০ লাখ টাকা। তাঁর গাছের বয়স প্রায় ১ বছর ৮ মাস। এই পর্যায়ে এসে তিনি দেখছেন তাঁর বাগানের ২৫ শতাংশ গাছের পাতা হুলুদ হয়ে যাচ্ছে। হলুদ পাতার গাছটি কিছুদিন পরেই মারা যাচ্ছে। মাল্টা চাষ করে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন নিয়ে তিনি দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মাল্টাবাগান দেখতে ছুটে বেড়ান। তাঁর তথ্যমতে, শুধু চুয়াডাঙ্গার একটি বাগানের গাছ সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে। অভিজিৎ বলেন, তিনি ফল গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে গেছেন, যে যা পরামর্শ দিয়েছেন, তাই করে দেখেছেন। কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজশাহীর পবা উপজেলার রনহাট এলাকার চাষি নূরুজ্জামানকে কৃষি বিভাগ থেকে মাল্টার চারা দেওয়া হয়েছিল। দেড় বিঘা জমিতে তিনি ১৯৪টি গাছ রোপণ করেছিলেন। এর মধ্যে ১৪০টি গাছই রোগাক্রান্ত হয়ে গেছে। পাতা হলুদ হয়ে গাছের ডাল মরে যাচ্ছে। আক্রান্ত গাছের ফলগুলো আকারে ছোট হয়ে আসছে। কয়েক দিন আগে তাঁর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, ৫০টি গাছ মোটামুটি সুস্থ আছে। নূরুজ্জামান বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে যে ৫৫টি চারা দিয়েছিল, সেগুলোই আগে আক্রান্ত হয়েছে।

গোদাগাড়ী উপজেলার বামনইল এলাকার চাষি মঞ্জুর রহমান ১২ বিঘা জমিতে মাল্টার বাগান করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর বাগান ভালো আছে। ৫ শতাংশ গাছ রোগাক্রান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ গাছের পাতাই হলুদ হয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোদাগাড়ীর কমলাপুর এলাকায় সারিকুল নামের একজন চাষি তাঁর মাল্টাবাগান পুড়িয়ে দিয়েছেন।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, পাতা হলুদ হওয়ার পরেও চিকিৎসা আছে। তাঁরা চাষিদের সেই পরামর্শ দিচ্ছেন। যাঁরা পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করছেন, তাঁদের বাগান ভালো আছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামছুল হক বলেন, মাল্টাগাছের পাতা হলুদ হয়ে মারা যাওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত। বিষয়টি তিনি কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটকেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পঞ্চগড়ের মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী, সেখানেও এই রোগ দেখা দিয়েছে। মাল্টা ধান, পাট আমের মতো নয়। বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তা ছাড়া হবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সবুজ পাহাড়ে কমলা

বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাহাড়ের কমলা বাজারে আসতে শুরু করেছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছে এই কমলা। খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের কমলা ১ কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর এলাকা নিয়ে এবারের ছবির গল্প।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পাহাড়ি লেবু

সিলেট অঞ্চলের পাহাড়-টিলায় বাণিজ্যিকভাবে লেবু চাষ করা হয়। স্থানীয়ভাবে লেবুর চাহিদা মিটিয়ে সিলেট ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির জন্য নেওয়া হয় এই লেবু। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে লেবুর ফলন সবচেয়ে বেশি হয়। ফলনও বেশ ভালো। পাহাড়-টিলার ভাঁজে ভাঁজে সারা বছরেই লেবুর ফলন হয়। এসব পাহাড়ি লেবু নেওয়া হয় সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। বাজারে প্রতি হালি লেবু আকার ভেদে বিক্রি হয় ১০-১৪ টাকায়। সিলেটের সোবহানীঘাট এলাকার ছবির গল্প

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ড্রাগন ফলের চাষ

>সবুজ পাহাড়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে। গাছে ফল এসেছে। বাগান থেকে ড্রাগন ফল বিক্রি করতে ফল সংগ্রহ করছেন হ্লাশিং মং চৌধুরী। প্রতি কেজি ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। গড়াছড়ি, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামে এ ফল রপ্তানি করা হয়। খাগড়াছড়ি মহালছড়ি উপজেলার ধুমনিঘাট এলাকা থেকে তোলা কিছু ছবি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

আপেল কুল

ধানের খেত ও মাছের ঘেরের আইলে চলছে আপেল কুলের আবাদ। তেমন খরচা নেই চাষিদের। রং ধরে কুল পেকে গেলে গাছ থেকে পেড়ে নেওয়া হয়। বাজারে বিক্রি করে বেশ কিছু অর্থ জোটে। চাষির ঘরে আসে আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আপেল কুল নিয়ে এই ছবির গল্প।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com