আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

বরই গাছের সাথে শত্রুতা!

নওগাঁর পত্নীতলার নির্মইল ইউনিয়নের ছোট বিদিরপুর উত্তরপাড়া গ্রামের কৃষক আবুল কাশেমের বাগানে দুর্বৃত্তরা ১২০টি বলসুনন্দরী জাতের বরই গাছ উপড়ে ফেলে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী কৃষক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৩১ শতাংশ জমিতে বল সুন্দরী জাতের ১২০টি বড়ই গাছ রোপণ করে ছোট বিদিরপুর গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম। গাছগুলো বেশ লকলকে হয়ে উঠেছিল। গত শনিবার সকালে একই গ্রামের কয়েকজন দুর্বৃত্ত বরই গাছগুলো উপুড়ে ফেলে দেয়।এতে কৃষক আবুল কাশেমের প্রায় ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন তিনি। ওইদিন বিকেলে কৃষক আবুল কাশেম বাদী হয়ে পত্নীতলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

নির্মইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রায় তিন মাস পূর্বে ওই জমি নিয়ে একটি সালিশি বৈঠক ডাকা হয়। উভয়পক্ষ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। তারপর হঠাৎ করে কেন আবার গাছ উপড়ে ফেলা হলো বিষয়টি ভাবার রয়েছে।

পত্নীতলা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই কৃষকের জমি পরিদর্শন করা হয়েছে। বরই গাছ উপড়ে ফেলার সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফল

রাজশাহীর বাজারে সময়ের আগেই গোপালভোগ!

রাজশাহীর বাজারে সময়ের আগেই উঠেছে জাতআম খ্যাত ‘গোপালভোগ’। তবে, এই আম নামানোর কথা আগামী ২০ মে থেকে।

অর্থাৎ সময়েরও প্রায় দুই সপ্তাহ আগে এই আম গাছ থেকে ভাঙা হয়েছে। আর তাই বাজারেও মিলছে পাকা রঙের গোপালভোগ আম।

এতে আমের রাজধানীতে থাকা মানুষের মধ্যে এই আম নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র-প্রতিক্রিয়া। এখনই বাজারে এই আম খাবেন না খাবেন না; তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন অনেকেই।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রচণ্ড গরমের কারণে অনেকটা আগেই পেকে গেছে গোপালভোগ আম। তাই কোনো রকম রাসায়নিক ছাড়াই বিক্রি করার জন্য তারা পাকা আম বাজারে তুলেছেন। এটি নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যসম্মত। 

রাজশাহী জেলা প্রশাসন বলছে, সাধারণত ২০/২৫ মে মাসের আগে গোপালভোগ খাওয়ার জন্য উপযুক্ত হয় না। যে কারণে তারা এবছর গোপালভোগ আম নামানোর জন্য ২০ মে তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এই সময়ের আগে এই আম পরিপক্ক হয় না। তাই বাজারে অপরিপক্ক আম পেলে যাচাই-বাছাই করে শিগগিরই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

এদিকে শনিবার (৮ মে) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট, বড় মসজিদের সামনে এবং সাহেব বাজার কাঁচাবাজারের সামনে এই গোপালভোগ আম বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অনেকে ভ্যানে করে আম বিক্রি করছেন। অনেকেই আবার অন্যান্য ফলের সঙ্গেও আম বিক্রি করছেন। ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে এই আম বিক্রি হচ্ছে। বলা চলে তারা কেউই জেলা প্রশাসনের ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ মানছেন না। অনেক চাষি ও ব্যবসায়ী আম পাকার নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আম ভাঙছেন। ফলে এই অপরিপক্ক আমই এখন খেতে হচ্ছে ভোক্তাদের। মনের মধ্যে নানান দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলেও নতুন ফল হিসেবে অনেকেই শখ করে ছেলে-মেয়ের জন্য এই আম কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। 

রাজশাহী সাহেববাজার এলাকার ফল ব্যবসায়ী শাহীন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, এখন যে আম নামছে আর যা বিক্রি হচ্ছে তা কেমিক্যাল বা রাসায়নিক মেশানো। গোপনে গাছ থেকে পাড়া হচ্ছে। এরপর তা গ্রাম থেকে রাজশাহী শহরে চলে আসছে। এজন্য প্রকৃত ফল ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের ভয়ে সময়ের আগে আম বাজারে উঠাচ্ছেন না। কারণ ধরা পড়লে জরিমানা গুনতে হবে।  

এর আগে অনেকের জরিমানা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রাজশাহীর সাহেববাজারে ভ্যান করে আম নিয়ে আসা শাজাহান বাংলানিউজকে বলেন, এই আমি কোনো কেমিক্যাল বা রাসায়নিক মেশানো হয়নি। এবার রাজশাহীতে প্রচণ্ড তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এ কারণে সময়ের আগেই পেকে যাচ্ছে আম। আবার আগাম জাতের আম রয়েছে। সেগুলো এখন পাকতে শুরু করেছে। এই আমগুলো গাছপাকা এবং সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত বলেও তিনি দাবি করেন। 

রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আব্দুল আলিম বাংলানিউজকে বলেন, ভালো আম পেতে আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে। আমচাষি, ব্যবসায়ী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও ফল গবেষণাকেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সবাই বসে একমত হওয়ার পরই রাজশাহী জেলা প্রশাসন এবছরও গাছ থেকে আম ভাঙার সময় বেঁধে দিয়েছে। সেই সময় অনুযায়ী গাছ থেকে আম ভাঙা হলে এবং সেই আম বাজারজাত এবং খাওয়া হলে কোনো ঝুঁকি নেই বলেও মন্তব্য করেন এই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

এদিকে বাজারে সময়ের আগেই আম বিক্রির ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার বলেন, বেঁধে দেওয়া সময়ের আগে কোনোভাবেই আম নামানো যাবে না। যদি কেউ সময়ের আগে গাছ থেকে অপরিপক্ক আম ভাঙেন এবং বাজারে বিক্রি করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিগগিরই তারা বাজার মনিটরিং করে এ বিষয়টি দেখবেন বলেও উল্লেখ করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

ছাদে আমের কলমের চারা বাগান

আম বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয় একটি ফলের নাম । আমকে ফলের রাজা বলা হয় । সারা দেশেই এর চাষ হলেও বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল হল এই আম । বাংলাদেশে অনেক জাতের আমের চাষ হয়ে থাকে । তবে এর মধ্যে ভাল জাতের আমের চাষ রাজশাহী অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ । শহরের বাসিন্দারা ছাদে দুচারটা আম গাছ লাগিয়ে শখ মিটাতে পারেন ।

ছাদের উপযোগী জাতঃ সব জাতের আমই ছাদে চাষ করা সম্ভব ।

তবে ফলন বেশী হয় ছাদের জন্য এমন কিছু জাত নির্বাচন করা উচিৎ । এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল হয় বারি আম -৩ জাতটি । গাছ ছোট আকৃতি, ফল মাঝারি এবং খেতে বেশ সুস্বাদু । যার আরেক নাম আম্রপালি । মোটামুটি প্রতিবছরই ফল দেয় বিধায় ছাদে লাগানোর ক্ষেত্রে আম্রপালিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া উচিৎ । তাছাড়াও বাউ আম – ১, ২, ৩, ৬, ৭, লতা বোম্বাই ইত্যাদি বামন জাতের আম ছাদের জন্য বেশ উপযোগী । চাষ পদ্ধতিঃ ছাদে আমের কলমের চারা লাগানোর জন্য ২০ ইঞ্চি কালার ড্রাম বা টব সংগ্রহ করতে হবে । ড্রামের তলায় ৩-৫ টি ছিদ্র করে নিতে হবে । যাতে গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে । টব বা ড্রামের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে । এবার ২ ভাগ দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ৪০-৫০ গ্রাম টি,এস,পি সার, ৪০-৫০ গ্রাম পটাশ সার, ১ কেজি কাঠের ছাই, ১কেজি হাড়ের গোড়া ও হাফ কেজি সরিষার খৈল একত্রে মিশিয়ে ড্রাম বা টব ভরে পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ দিন ।

অতঃপর মাটি কিছুটা খুচিয়ে দিয়ে আবার ৪-৫ দিন এভাবেই রেখে দিতে হবে । যখন মাটি কিছুটা ঝুরঝুরে হবে তখন একটি  সুস্থ সবল কলমের চারা উক্ত টবে রোপন করতে হবে ।  চারা গাছটিকে সোজা করে লাগাতে হবে । সেই সাথে গাছের গোড়ায় মাটি কিছুটা উচু করে দিতে হবে এবং মাটি হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে । যাতে গাছের গোড়া দিয়ে বেশী পানি না ঢুকতে পারে । একটি সোজা কাঠি দিয়ে গাছটিকে বেধে দিতে হবে । চারা লাগানোর পর প্রথমদিকে পানি কম দিতে হবে । আস্তে আস্তে পানি বাড়াতে হবে । টবের গাছটিকে এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে প্রায় সারাদিন রোদ লাগে ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

অনুন্নত জাতের আম গাছকে উন্নত জাতে পরিবর্তনের পদ্ধতি

বর্তমানে বাংলাদেশে ৭০টি ফল বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হচ্ছে। এর মধ্যে আম স্বাদে ও গন্ধে খুবই আকর্ষণীয় ফল। ফলের গুণগতমান ও বহুবিধ ব্যবহারের কারণে প্রায় সব মানুষের কাছে এটি সমানভাবে সমাদৃত। ভারতীয় উপমহাদেশে এই জন্য আমকে ফলের রাজা বলা হয়। ভাল বা উন্নতজাতের আমের চাহিদা দেশব্যাপী। বর্তমানে বাংলাদেশের সকল জেলাতেই আমের চাষাবাদ হচ্ছে।

কিন্তু ভাল ও মানসম্পন্ন আম সকল জেলাতে উৎপাদন হয় না। কারণ হিসেবে দেখা যায়, মাটি ও আবহাওয়াগত অবস্থা, আমের জাত ও বাগান ব্যবস্থাপনা উলেস্নখযোগ্য। আমের রাজধানী চাঁপাই নবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, দিনাজপুর, মেহেরপুর ও ঠাকুরগাঁ জেলাতে ভাল জাতের আম উৎপাদন হয়। অন্যান্য জেলাগুলোতে বেশিরভাগ আম গাছ বীজ থেকে হওয়া বা গুটি প্রকৃতির। ফলে বীজের গাছ হতে ভাল জাতের আম পাওয়া সম্ভব নয়, যার জন্য প্রতি বছর বিভিন্ন বয়সের আম গাছ চাষিরা কেটে ফেলেন। কিন্তু অতি সহজেই টপ ওয়ারকিং এর মাধ্যমে অনুন্নত জাতকে উন্নত জাতে পরিবর্তন করা যায়। এছাড়াও ভাল জাতের আমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪০ ভাগ আম গাছই গুটি প্রকৃতির। যদি এই গুটি গাছগুলোকে এই পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নত জাতে পরিবর্তন করা সম্ভব হয় তাহলে খুব অল্প সময়ে দেশে আমের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।

এই পদ্ধতিতে জাত পরিবর্তনের জন্য প্রথমে অনুন্নত জাতের গাছটির উপরের অংশ কর্তন করা হবে। বছরের সব সময় এই কর্তনের কাজটি করলে সুফল পাওয়া যাবে না। গবেষণায় দেখো গেছে, বর্তমান সময় এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কর্তনের কাজটি করলে ভাল হয়। গাছ কর্তনের পরে গাছে সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা করতে হবে। সাধারণত দেখা যায়, ডাল কর্তনের ৩০ থেকে ৪৫ দিন পর নতুন শাখা বের হয়। তবে মাটির অবস্থাভেদে এই সময় কম বেশি হতে পারে। প্রথমে দেখা যায়, কর্তিত অংশ হতে অসংখ্য নতুন কুশি বের হয়। সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত শাখাগুলো রেখে বাকিগুলো ভেঙে ফেলতে হবে। গাছের বয়স অনুযায়ী ৫০ থেকে ১০০টি শাখা রাখতে হবে। এই সময় নতুন কুশিতে এ্যানথ্র্যাকনোজ রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে।

এই রোগের আক্রমণ দেখা দিলে ছত্রাকনাশক নির্দেশিত মাত্রায় ২/৩ বার ১৫ দিন পর পর সপ্রে করতে হবে। পাতা কাটা উইভিল বা থ্রিপসের আক্রমণ হলে সুমিথিয়ন ৫০ ইসি/ডায়াজিনন ৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে সপ্রে করতে হবে। ছাঁটাইকৃত ডালে যে কুশি বের হবে সেগুলো মে-জুলাই মাস পর্যন্ত কলম করা যাবে। ক্লেফ্ট এবং ভিনিয়ার এই দুই পদ্ধতিতে কলম করা যায়। তবে কলম করার সময় ভিনিয়ার পদ্ধতিতে কলম করা উত্তম। অন্য পদ্ধতিতে সফলতার হার কম হবে। প্রত্যেকটি ডালে ভিন্ন জাত দ্বারা কলম করা সম্ভব তবে খুব বেশি জাতের কলম না করাই ভাল। কলম করার পর মূল গাছের শাখা-প্রশাখা বের হলে তা ভেঙে ফেলতে হবে। নতুন জাতে পরিবর্তিত গাছে তৃতীয় বছর হতে আম উৎপাদন শুরু হয় এবং চতুর্থ বছর হতে ভাল ফলন দিতে শুরু করে। গাছের বয়স ১০ থেকে ৪৫ বছর হলে পদ্ধতিটি প্রয়োগ করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। তবে গাছের বয়স কম হলে ডগা না কেঁটে সরাসরি কলম বাঁধা যায়। ফলে অতি অল্প সময়ে বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য অতিরিক্ত আমের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

রাসায়নিক মুক্ত আম চেনার ৮টি উপায়

আজকাল সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল/ সবজি মানেই হচ্ছে রাসায়নিক। তাহলে এখন উপায়? কি করে চিনবেন রাসায়নিক মুক্ত আম? কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চিনে নেয়া সম্ভব রাসায়নিক মুক্ত আম। আসুন জেনে নেই।6px;”>১)প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসবে না।২)আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।৩)কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।৪)গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক।

কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।৫) হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।৬) আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।৭) আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া।৮) আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।আম সম্পর্কে নতুন করে কি কিছু বলার আছে? না নেই। এখন তো আমেরই মৌসুম চলছে। যিনি কি-না মোটেই আম ভালোবাসেন না, এ মৌসুমে তিনিও একবার হলেও চেখে দেখেন। ভারতীয় উপমহাদেশে আম কয়েক হাজার বছর ধরে চাষাবাদ চলছে।তবে পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। এ দেশেও আমের বিভিন্ন জাতের দেখা পাওয়া যায়।কিন্তু কেবল দেখা পেলে কী হবে? আজকাল সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল-সবজি মানেই হচ্ছে কেমিক্যালযুক্ত। তাহলে এখন উপায়? কী করে চিনবেন রাসায়নিকমুক্ত আম? কেনার সময় ক্রেতা যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চিনে নেওয়া সম্ভব রাসায়নিক মুক্ত আম। আসুন জেনে নিই।


প্রথমেই লক্ষ করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কি-না।

ফরমালিনযুক্ত আমে মাছি বসে না।আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনও কখনও বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন কোনো সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই, বুঝবেন যে সে আমে ওষুধ দেওয়া।বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের ফল আছে। তবে আমের মতো এত সুস্বাদু ফল আর নেই। আমের যেমন ঘ্রাণ, তেমনি মজাদারও বটে। তাই তো বলা হয়, ফলের রাজা আম।আম দিয়ে বানানো হয় চাটনি, আচার, আমসত্ত্ব, জুস। আমাদের দেশে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাত, কাঁচা

মিষ্টি, হিমসাগর, আম্রপালি, খিরসাগর, ফজলি, কিষাণভোগ, মোহনভোগ, মিছরিভোগ, গুঁটি, লখনা, আশ্বিনাসহ আমাদের দেশে কয়েক শ‘ প্রজাতির আম রয়েছে।বাংলাদেশের সব অঞ্চলে আমের চাষ হলেও উন্নত জাতের আম হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও দিনাজপুর এলাকায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট বাজারকে আমবাজারের রাজধানী বলা হয়। এ ছাড়া শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, আলীনগর, রহনপুর এলাকায় আমের বড় বাজার বসে। এখান থেকে আম ব্যবসায়ীরা আম কিনে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

সবুর করুন, সুস্বাদু আম আসছে…

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফলের দোকানে বিক্রি হচ্ছে পাকা আম। ফুটপাতে, ঝুড়িতে, ভ্যানে করেও বিক্রি হচ্ছে ভূরি ভূরি পাকা আম। ক্রেতারা আম কিনছেন। অনেক ক্রেতা বলছেন আম সুস্বাদু নয়। ভেতরে নরম হলেও নেই পাকা আমের স্বাদ। অনেক বিক্রেতার দাবি, এগুলো রাজশাহীর আম। তবে আম গবেষকেরা বলছেন, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর সুস্বাদু আমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত। মে মাসের শেষ ও জুনের প্রথম দিকে পাওয়া যাবে এই আম।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জগন্নাথপুর, বসুন্ধরা রোডে ঝুড়িভর্তি পাকা আম বিক্রি করছিল কিশোর  শরিফুল ইসলাম। কী জাতের আম ও দাম কত জানতে চাইলে বলল, এটা গোবিন্দভোগ। কেজি প্রতি দাম ১৫০ টাকা।  

মো. হারুন নামের এক ক্রেতা  বললেন, এখন যে আম পাওয়া যাচ্ছে, তাতে একদম টেস্ট নেই। তিনি জানান, তিন দিন আগে ২০০ টাকা কেজি দরে আম কিনেছিলেন। কাটার পর দেখেন ভেতরে নরম, খাওয়াই যায় না।

বিক্রেতা শরিফুল জানাল, কয়েক দিন ধরে সে কারওয়ান বাজার থেকে কিনে এনে পাকা আম বিক্রি করছে। প্রতিদিন প্রায় ২০ কেজি করে পাকা আম বিক্রি হচ্ছে তার।

মো. জসিম নামের আরেক আম বিক্রেতা তাঁর আমগুলোকে রাজশাহীর বলে দাবি করলেন। দাম চাইলেন আরও বেশি, প্রতি কেজি ২০০ টাকা। ‘আম তো পাকেইনি, রাজশাহীর আম পেলেন কোথায়?’ বলতেই জসিম বলেন, ‘আরও ১৫ দিন আগে থাইকা পাকা আম আসা শুরু করছে।’

তাহলে এসব আম কোথা থেকে আসছে? জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের (এটিকে আম গবেষণা কেন্দ্রও বলা হয়) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জমির উদ্দিন বলেন, এ সময়ে বাজারে যেসব আম আসে, তা ভারত থেকে আসা আম। এই সময়ে দেশি জাতের আম তেমন নেই বাজারে। বেশির ভাগই ভারত থেকে আসা এই আমগুলোর দামও বেশি, খেতেও সুস্বাদু নয়। মার্চ-এপ্রিল মাসের দিকে এ আমগুলোকে বাজারে উঠতে দেখা যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার উইংয়ের উপপরিচালক (ফল ও ফুল) মো. আমিনুল ইসলামও জানালেন, আর দিন দশেকের মধ্যেই বাজারে আম আসা শুরু করবে। সাতক্ষীরায় আগেভাগে আম এলেও সেগুলো এখনো বাজারে দেখা যাচ্ছে না বললেই চলে। তবে অনেকে সাতক্ষীরা থেকে সরাসরি নিয়ে আসছেন।

বিক্রেতা মো. জসিমের দাবি আমগুলো রাজশাহীর
বিক্রেতা মো. জসিমের দাবি আমগুলো রাজশাহীর

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মো. মোক্তার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখনকার আমগুলোর স্বাদ–গন্ধ নেই। ক্রেতাদের বলব, যে সময়ের জিনিস, সে সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। ক্রেতা না কিনলে এসব আম বাজারে আসবে না। আমগুলো অপরিপক্ব। আম কাটলেই দেখা যায় ভেতরের আঁটি পরিপক্ব নয়, নরম।’

সুস্বাদু-পাকা আম কখন পাবেন?

ব্যানানা আমের সঙ্গে উদ্যোক্তা সোহেল রানা
ব্যানানা আমের সঙ্গে উদ্যোক্তা সোহেল রানা

আম গবেষকেরা জানিয়েছেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সাতক্ষীরায় আগাম আম দেখা যায়। সাধারণত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সাতক্ষীরায় বোম্বাই, গোপালভোগ, ক্ষীরসাপাত গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়। এটি শিগগিরই ব্যাপকভাবে বাজারে আসবে।

এর দুই সপ্তাহ পর থেকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ থেকে ওই জাতের আমগুলো গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়। মে মাসের শেষ থেকে জুনের প্রথম সপ্তাহে হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়। এ দুটি জাতের আম কিছুটা দীর্ঘসময় ধরে পাওয়া যায়। জুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আম্রপালি, হাঁড়িভাঙা, সূর্যপুরি আম গাছ থেকে তোলা শুরু হবে। জুনের শেষের দিকে আসবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত নতুন জাতের বাউ আম-১৪ বা ব্যানানা ম্যাংগো। জুলাইয়ের শুরুতে আসবে ফজলি আম। বারি আম-৪ আসবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে। সবশেষে জুলাইয়ের শেষের দিকে আসবে আশ্বিনা জাতের আম। তবে বেশি লাভের আশায় আমচাষিরা নির্ধারিত সময়ের এক-দুই সপ্তাহ আগে ফজলি ও আশ্বিনা আম গাছ থেকে পেড়ে ফেলেন।বিজ্ঞাপন

বিক্রি হচ্ছে আম
বিক্রি হচ্ছে আম

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার একজন উদ্যোক্তা সোহেল রানা। নিজের উদ্যোগে তৈরি বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্কে জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে তিনি আম পাড়া শুরু করবেন। গাছে ঝুলতে থাকা কাঁচা আমের ছবি তিনি ফেসবুকে পোস্ট করা শুরু করেছেন। প্রথম আলোকে জানালেন, গত বছর ১৪০ বিঘার জমির ওপর ল্যাংড়া, হিমসাগর, নাকফজলি, আম্রপালি, বারি-৪, ব্যানানা, গৌড়মতি জাতের আম উৎপাদন করেছিলেন। আম বিক্রি হয়েছিল ৩৫ লাখ টাকার। এবার আরও বেশি জমিতে আমগাছ লাগিয়েছেন। তিনি বললেন, ‘গোপালভোগ পাকে মে মাসের শেষে। এবার খরার কারণে আমের বৃদ্ধি ধীরগতিতে হচ্ছে। এ কারণে গাছ থেকে তুলতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে।’

সোহেল রানার মতো অনেক আম উদ্যোক্তা এখন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আমের আগাম অর্ডার নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com