আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

ত্রিপুরায় প্রথমবার হবে বন্য হাতির সংখ্যা জরিপ

ত্রিপুরায় প্রথমবার হবে বন্য হাতির সংখ্যা জরিপ
ত্রিপুরায় প্রথমবার হবে বন্য হাতির সংখ্যা জরিপ

আগরতলা (ত্রিপুরা): ত্রিপুরা রাজ্যের বন্য হাতির সংখ্যার জরিপ এবং তাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া আবাস পুনরায় তৈরির লক্ষ্যে বন দফতর বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। এজন্য অন্য রাজ্য থেকে নিয়ে আসা হবে হাতি বিশেষজ্ঞ দল।

বাংলানিউজকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা জানালেন ত্রিপুরা সরকারের বন ও জনজাতি কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া।

প্রায় ৬৫ শতাংশের বেশি বনভূমিত ও পাহাড়ি এলাকায় ঘেরা উত্তরপূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের জঙ্গলে অন্যান্য বন্যপ্রাণীর সঙ্গে রয়েছে বন্য হাতিও। রাজ্যের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে অনেকেই এখন পাহাড়ি এলাকায় ঘর-বাড়ি তৈরি করে বসবাস ও চাষবাস করছেন। এর ফলে বন্য হাতির প্রাকৃতিক বিচরণ ভূমি নষ্ট হয়েছে। তাই খাদ্যের খোঁজ করে প্রায়শই বন্য হাতি জনপদে চলে আসে এবং আক্রমণ চালায় বাড়ি-ঘরসহ ফসলের ক্ষেতে। ফলে হাতি ও মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

এমন ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে রাজ্যের খোয়াই জেলার অন্তর্গত কল্যাণপুর ঘিলাতলী, চেবরী, মহারানীসহ আশেপাশের বিভিন্ন জনপদে। মূলত ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই জেলার আঠারোমুড়া পাহাড় এবং তার আশেপাশের বনভূমিতে বন্য হাতিদের প্রাকৃতিক বিচরণ ক্ষেত্র রয়েছে। কিন্তু এই সকল এলাকায় এখন জনবসতি গড়ে ওঠায় হাতিদের বিচরণসহ খাবারের সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই বন্য হাতির দল লোকালয়ে নেমে আসে। দীর্ঘকাল ধরে এই সমস্যা চলছে।

বন্য হাতি ও মানুষের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব চলছে তা দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছে ত্রিপুরা সরকারের বন দফতর। কী করে হাতিদের প্রাকৃতিক আবাসকে আবার নতুন করে গড়ে তোলা যায় এবং রাজ্যে বর্তমানে কতগুলো বন্য হাতি রয়েছে তা গণনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরই প্রেক্ষিতে বন দফতর পশ্চিমবঙ্গ এবং রাজস্থান থেকে হাতি বিশেষজ্ঞ আনার পরিকল্পনা নিয়েছে। ইতোমধ্যে এই দুই রাজ্যের অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন হাতি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সরকার কথা বলেছে বলেও জানান মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বন্য হাতির গণনাসহ কী করে আবার হাতিদের প্রাকৃতিক আবাস ফিরিয়ে দেওয়া যায় সেই বিষয়ে কাজ শুরু হয়ে যেত। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে এই প্রক্রিয়া কিছুটা পিছিয়ে গেছে। তবে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে বহিঃরাজ্যের বিশেষজ্ঞের একটি দল রাজ্যে এসে হাতি গণনা এবং আবাস সংক্রান্ত জরিপ শুরু করবে। এবারে প্রথম ত্রিপুরা রাজ্যের হাতি জরিপের কাজ করা হবে।

ত্রিপুরা রাজ্যের আঠারোমুড়া পাহাড়ের এলিফ্যান্ট করিডর তথা বন্য হাতির অভয়ারণ্যের মধ্য দিয়ে চলে গেছে ৮ নম্বর জাতীয় সড়ক, যা আসাম হয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সড়কপথে ত্রিপুরাকে সংযুক্ত করেছে। এলিফ্যান্ট করিডোরের উপর দিয়ে চলে যাওয়া সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের নিরাপত্তায় বন দফতর থেকে ইতোমধ্যে করিডোরের বিভিন্ন জায়গায় গাড়ির গতিসীমা নিয়ন্ত্রণসহ সতর্কতা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে।

দৈনন্দিন

ভিন্ন স্বাদে মাছ

ভিন্ন স্বাদে মাছ

ভিন্ন স্বাদে মাছ

ভাজা, ভাপা, ঝোল। এর বাইরে কি মাছের আর কোনো রান্নাই হয় না? একটু অন্য রকম করে মাছ খেতে কি ইচ্ছে করে না কখনো কখনো? অবশ্যই করে এবং অবশ্যই রান্না করা যায়। আজ থাকছে একটু ভিন্ন রকম মাছ রান্নার আয়োজন।

ইলিশের স্টু

উপকরণ

ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, ছোট গাজর ১টি, বিনস ৩-৪টি, মটরশুঁটি আধা কাপ, ফুলকপির টুকরা ৪টি, সাদা তেল ১ টেবিল চামচ, তেজপাতা ২টি, গোলমরিচ থেঁতো ১০টি, দারুচিনি ১ টুকরা, লবঙ্গ ২টি, ছোট এলাচি ২টি, আদা ৪ টুকরা, পেঁয়াজ বড় ১টি (৮ টুকরা করে কাটা), টমেটো ১টি (কুচানো), মাখন ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, গোলমরিচ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, ধনেপাতাকুচি পরিমাণমতো।

ইলিশের স্টু
ইলিশের স্টু

প্রণালি

মাছ হালকা ভেজে নিন, চাইলে কাঁচা মাছও ব্যবহার করতে পারেন। গাজর ও বিন ছোট টুকরা করে কেটে নিন। তারপর মটরশুঁটি ও ফুলকপির সঙ্গে সেদ্ধ করে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে গরমমসলা ও আদার ফোড়ন দিন। এতে পেঁয়াজ, সেদ্ধ তরকারি ও টমেটো একের পর এক দিয়ে নেড়ে নিন। এবার মাখন, লবণ, মরিচ এবং চিনি দিয়ে নাড়াচাড়া করে দুধ ও পানি দিন। ফুটে উঠলে মাছ দিয়ে ঢেকে দিন। সবজি সেদ্ধ হতে হতে মাছও সেদ্ধ হয়ে যাবে। নামানোর আগে লেবুর রস ও ধনেপাতাকুচি দিয়ে দিন। এ খাবার গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।বিজ্ঞাপন

মাছের রেজালা

উপকরণ

রুই মাছ বড় ৮ টুকরা, ঘি ও সয়াবিন তেল একসঙ্গে ৪ টেবিল চামচ, টক দই এক কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, লবঙ্গ ৬টি, দারুচিনি ৩টি, তেজপাতা ২টি, শুকনা মরিচ ৭-৮টি, গোলমরিচ ৬টি, বড় পেঁয়াজ ২টি (পাতলা করে কাটা), লবণ স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো, জায়ফল-জয়ত্রীর গুঁড়া সামান্য।

মাছের রেজালা
মাছের রেজালা

প্রণালি

টক দই ফেটিয়ে তার সঙ্গে পেঁয়াজ, আদা, কাঁচা মরিচ মিশিয়ে নিন। মাছ হালকা করে ভেজে ৪৫ মিনিট দইয়ে ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইতে ঘি গরম করে গরমমসলা, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ ফোড়ন দিন। ফোড়ন হয়ে গেলে আস্ত গোলমরিচ ও কাটা পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজে রং ধরলে মাছগুলো তুলে নিয়ে ফেটিয়ে রাখা দই দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলা থেকে তেল ছাড়লে মাছ দিয়ে দিন। তারপর লবণ ও চিনি দিয়ে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। মাছের ঝোল গাঢ় হবে। নামানোর আগে জায়ফল–জয়ত্রীর গুঁড়া দিতে হবে।বিজ্ঞাপন

রুই মোগলাই

উপকরণ

রুই মাছ ৫-৬ টুকরা বড়, পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ১ টেবিল চামচ, কাজুবাদামবাটা ৫০ গ্রাম, গরমমসলার গুঁড়া আধা টেবিল চামচ, তেজপাতা ২টি, টক দই ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে, চিনি আধা চা-চামচ, ফ্রেশ ক্রিম ২ টেবিল চামচ, তেল ও ঘি একসঙ্গে ৪ টেবিল চামচ, সাজানোর জন্য একটি ডিম সেদ্ধ।

রুই মোগলাই
রুই মোগলাই

প্রণালি

রুই মাছ ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইতে তেল দিয়ে তেজপাতা ফোড়ন দিন। পেঁয়াজবাটা, আদাবাটা ও কাঁচা মরিচবাটা দিয়ে নেড়ে একটু লাল হলে কাজুবাদামবাটা দিয়ে নাড়তে থাকুন। তারপর দই, লবণ ও চিনি মেশান। এতে অল্প পানি দিয়ে ভাজা মাছগুলো দিয়ে দিন। কষতে কষতে তেল ছেড়ে দিলে গরমমসলার গুঁড়া ও ক্রিম দিয়ে নামিয়ে নিন। সেদ্ধ ডিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।বিজ্ঞাপন

ভেটকি মাছের ভিন্ডালু

উপকরণ

ভেটকি মাছ ১ কেজি, বড় পেঁয়াজ ১টি, কাঁচা মরিচ ২-৩টি, লবণ স্বাদমতো, টমেটো ২টি, সয়াবিন তেল ১ কাপ। পরিমাণমতো ভিনেগার দিয়ে একসঙ্গে বেটে নিন: হলুদের গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাশ্মীরি মরিচ ৫টি, শুকনা মরিচ ৫টি, রসুন ১০ কোয়া, সরষে ১ চা-চামচ, আদা ২ টুকরা, পেঁয়াজ ১টি, জিরা ১ চা-চামচ, গোলমরিচ ৫টি।

প্রণালি

কড়াইয়ে তেল গরম করে ভিনেগারে বাটা মসলা দিয়ে কষান। মসলার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, টমেটো ও লবণ দিন। নেড়েচেড়ে ভাজুন।

১০ মিনিট কষান। তেল-মসলা আলাদা হলে এক কাপ গরম পানি দিন। কম আঁচে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। ঝোলটা গাঢ় হলে নামিয়ে নিন।

মালাই পাবদা

উপকরণ

পাবদা মাছ ৫টি, আদাবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ১ চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল প্রয়োজনমতো, ফ্রেশ ক্রিম আধা কাপ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি

পাবদা মাছে লবণ-হলুদ মাখিয়ে হালকা ভেজে নিন। কড়াইতে তেল গরম হলে পেঁয়াজবাটা, আদাবাটা, শুকনা মরিচের গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালো করে কষান। এবার নারকেলের দুধ দিন। লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে ভাজা মাছ দিন। এবার ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে দিন। ঝোল ঘন হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ইলিশের ডিম

ইলিশ মাছকে কত রকমের করে যে রান্না করা যায়, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। একেক জায়গার মানুষ একেক রকম করে রান্না করে থাকে। খুব সাধারণভাবে ইলিশ মাছ রান্না করলেও অনেক সময় সেই স্বাদ মুখে লেগে থাকে। প্রতিবছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে-পরে ইলিশের ডিম ছাড়ার আসল সময়।

কেবল মাছ নয় ইলিশের ডিমও দারুণ সুস্বাদু। নানাভাবেই ইলিশের ডিম রান্না করা হয়ে থাকে। এই পদটি খুব কম সময়ে আর কম ঝঞ্ঝাটে রান্না করা যায়। ঝাল কম দিয়ে রান্না করলে বাচ্চারাও খেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। ইলিশ মাছের ডিম রান্নার এই সহজ রেসিপিটি পাঠকদের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে শেয়ার করেছেন নুসরাত সুলতানা

উপকরণ

একটি বড় ইলিশ মাছের ডিম, পেঁয়াজ বড় সাইজের ২টি, কাঁচা মরিচ ৩-৪টি, টমেটো ১টি, অল্প ধনেপাতাকুচি, তেল ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা–চামচ ও লবণ পরিমাণমতো।

ছবি: নুসরাত সুলতানা

প্রণালি

ইলিশ মাছের ডিম ভালো করে পরিষ্কার করে অল্প পানি দিয়ে কচলে নিলে একধরনের তরল খামিরের মতো হয়ে আসে। এরপর চুলায় একটি পাত্রে অল্প তেল দিয়ে গরম হয়ে গেলে বেশি করে পেঁয়াজকুচি দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে সামান্য হলুদের গুঁড়া ও পরিমাণ মতো লবণ আর অল্প পানি দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে। তারপর পানিমিশ্রিত ইলিশ মাছের ডিম আস্তে আস্তে ঢেলে অনবরত নাড়তে হবে। যেহেতু মাছের ডিম ছড়িয়ে যায়, তাই পানি একটু বেশি লাগে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে একটি টমেটোকুচি, প্রয়োজনমতো ৩-৪টি কাঁচা মরিচ ভেঙে অথবা ফালি করে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়িয়ে ৫ মিনিটের মতো ঢাকনা দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। ৫ মিনিটের কম সময়ের মধ্যে রান্না শেষ হয়ে যাবে। চুলা থেকে নামানোর আগে অল্প ধনেপাতা কুচি করে রান্না করা মাছের ডিমের ওপর ছড়িয়ে দিলে সুগন্ধ ছড়াবে। এরপর পরিবেশনের সময় সবার মধ্যে কাড়াকাড়ি পড়ে যেতে বাধ্য।

নোট: ১. মাছের ডিম ফ্রিজে না রেখে তরতাজা রান্না করে নেওয়াই ভালো। ২. মাছের ডিম রান্নার পর ঠান্ডা হয়ে গেলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। তাই গরম গরম পরিবশেন করাই শ্রেয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মোগল বিরিয়ানির একাল

মোগল বিরিয়ানির একাল
মোগল বিরিয়ানির একাল

মানুষ বেঁচে থাকার জন্য খায়, আবার ভোজনরসিক মানুষ খাওয়ার জন্যও বাঁচে। ভোজনরসিক হোক বা না হোক, বিরিয়ানি ভালোবাসে না, এমন মানুষ কমই আছে।
বিরিয়ানির জন্ম সেই মোগল আমলেরও আগে। মূলত এটি রাজা-বাদশার খানদানি খাবার। প্রচুর মাংস, ঘি, চাল ও হরেক রকম দামি মসলায় তৈরি সুস্বাদু ও সুঘ্রাণযুক্ত বিশেষ এই খাবার তখনকার রাজা-বাদশার রান্নাঘর থেকে কালের স্রোতে এখন যেকোনো ভোজনরসিক মানুষের থালায় এসে পড়েছে।বিজ্ঞাপন

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় ও জনপ্রিয় নানান রকমের বিরিয়ানির দোকান। খানদানি এই খাবার প্যাকেটজাত হয়ে চলে আসছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। করোনাকালে মানুষ কী বিরিয়ানি খাচ্ছে? জানতে আমরা কথা বলেছিলাম জনপ্রিয় কয়েকটি বিরিয়ানি রেস্তোরাঁর মালিকদের সঙ্গে।

ফুডপান্ডা বিরিয়ানি পৌঁছে দিচ্ছে গ্রাহকের দোরগোরায়
ফুডপান্ডা বিরিয়ানি পৌঁছে দিচ্ছে গ্রাহকের দোরগোরায়

সুলতান’স ডাইন-এর ম্যানেজার মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, করোনাকালে ব্যবসার অবস্থা আগের মতো ভালো নেই বিধায় ৬০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করতে হয়েছে। লালবাগ বিরিয়ানি হাউসের মালিক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, রেস্তোরাঁয় এসে বিরিয়ানি খাওয়ার ক্রেতা কমে গেছে। আগের ক্রেতার চার ভাগের এক ভাগও নেই এখন।বিজ্ঞাপন

হোম ডেলিভারির এই সুবিধায় লাভ হয়েছে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়, সাধারণ ক্রেতা এবং তরুণ কর্মীদেরও। সহজেই ফুডপান্ডা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খাবার অর্ডার দিলেই পৌঁছে যাচ্ছে দোরগোড়ায়। ফুডপান্ডা গ্রাহকদের অনলাইনে অর্ডার করা আরও সুবিধাজনক ও আকর্ষণীয় করে দিচ্ছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ‘মাথা নষ্ট ডিসকাউন্ট’ অফার দিয়ে, যা চলবে অক্টোবর মাসজুড়ে।

নতুন স্বাভাবিক এই সময় বিভিন্নভাবে পাল্টে দিচ্ছে মানুষের জীবনযাপনের ধরন। এবার আমাদেরই এই সময়টাকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে। থেমে থাকবে না ভোজনরসিকের খানদানি বিরিয়ানি ভোজন।

তবে সশরীর রেস্তোরাঁয় গিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার মানুষ কমে গেলেও খাবারের চাহিদা কমেনি। মানুষ এখন অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বিরিয়ানি খাচ্ছে। তাই জনপ্রিয় রেস্তোরাঁগুলো অনলাইনে খাবার সরবরাহ চালু করেছে। আর ক্রেতার কাছে খানদানি এই খাবার পৌঁছে দিচ্ছে ফুডপান্ডা। নিরাপদে খাবার ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তরুণ কর্মীরা, যাঁরা পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

চাল ছাড়াই ফ্রায়েড রাইস

চাল ছাড়াই ফ্রায়েড রাইস! চমকাবার কিছু নেই। রান্না করতে জানলে রান্না তো করাই যায় কতকিছু। পানি ছাড়া ভাত রান্না করা গেলে চাল ছাড়াও ফ্রায়েড রাইস রান্না করা সম্ভব।

ফুলকপির গুণাগুণ তো আমরা সবাই জানি।

নানাভাবে আমরা ফুলকপি খেয়ে থাকি। শীতকাল এলেই ফুলকপির নানা রকম রান্না আমাদের খাদ্যতালিকায় স্থান করে নেয়। ভাজি থেকে শুরু করে নানা রকম তরকারি, পোলাও কোরমা, পাকোরা—সবই ফুলকপি দিয়ে তৈরি করা হয়।

আজকাল ফুলকপির রাইস খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমাদের আজকের রেসিপি ফুলকপির ফ্রায়েড রাইস। রাইস বলা হলেও এ রেসিপিতে চালের কোনো ব্যবহার হয়নি! ফুলকপি কুচি করে এ রাইস তৈরি করা হয়েছে। এটি ভীষণ পুষ্টিকর এবং আদর্শ একটি খাদ্য। চমৎকার এই রেসিপিটি সিডনি থেকে পাঠিয়েছেন মীর সাবিনা আক্তার

ফুলকপিতে ভিটামিন কে, সি, বি৬ এবং পটাশিয়াম পাওয়া যায়। এতে ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট খুবই কম পরিমাণে থাকায় এটি ডায়েট মিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আদর্শ একটি খাদ্য। স্বাদে ও গন্ধে কোনো অংশেই সাধারণ ফ্রায়েড রাইসের চাইতে কম নয় চাল ছাড়া এ ফ্রায়েড রাইস।

চলুন উপকরণ ও রন্ধনপ্রণালি জেনে নেওয়া যাক।

উপকরণ

ফুলকপির রাইস ১.৫ কাপ, মিক্সড ভেজিটেবলস ১ কাপ, বাটার ১-২ চা–চামচ, নারকেল তেল ১–২ চামচ, রসুনকুচি ১ চামচ, পেঁয়াজকুচি ১–৩ কাপ, গোলমরিচের গুঁড়া ১–২ চামচ, সয়া সস ২-৩ চা–চামচ, ডিম ২টি, চিলি ফ্লেক্স ১ চামচ, সেসেমি অয়েল (তিলের তেল) ১ চামচ, পেঁয়াজপাতার কুচি ১–৩ কাপ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী।

রন্ধনপ্রণালি

প্রথমেই ফুলকপি পরিষ্কার করে ধুয়ে একদম মিহি কুচি করে নিতে হবে।এটা আপনি গ্রেট করে নিলে একদম মিহি কুচি হবে, দেখতে যেন চালের মতো লাগে।
মাঝারি আঁচে চুলা জ্বালিয়ে তাতে একটি ছড়ানো ফ্রাইপ্যানে বসিয়ে দিতে হবে। ফ্রাইপ্যান গরম হলে বাটার দিয়ে ফেটানো ডিম দিয়ে দ্রুত নেড়ে ঝুরি করে নিতে হবে। ডিমগুলো অন্য পাত্রে তুলে রেখে সেই প্যানে অল্প বাটার আর নারকেল তেল দিতে হবে। এখানেই শেষ নয় কিন্তু।

তেল গরম হলে রসুনকুচি দিয়ে একটু নেড়ে পেঁয়াজকুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ স্বচ্ছ হয়ে এলে মিক্সড ভেজিটেবলস, লবণ অল্প গোলমরিচের গুঁড়া আর চিলি ফ্লেক্স দিয়ে একটু ভাজতে হবে। একটু ভেজে তাতে ফুলকপির রাইস আর সয়া সস দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। তেল কম মনে হলে একটু অলিভ অয়েল দেওয়া যায়। প্রায় ৩-৪ মিনিট ভেজে এতে ডিম দিতে হবে এবং পেঁয়াজপাতার (কলিসহ) কুচি দিয়ে দিতে হবে। সেসেমি অয়েল দিয়ে একটু নেড়ে রান্না শেষ করতে হবে।

একটি পাত্রে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন অসাধারণ মজার এই ফুলকপির এগ ফ্রায়েড রাইস। মুরগির মাংস ও চিংড়ি মাছ দিয়েও মজাদার ফুলকপির ফ্রায়েড রাইস করে নেওয়া যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাধুরীর কাছে খিচুড়ি রান্না শিখুন

তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমাদের কৌতূহল কম নয়। তাঁরা কী খান, কী করেন—নানান প্রশ্ন আমাদের মনে ঘুরপাক খায়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসার পর তারাদের জীবনও এখন অনেকটাই খোলা খাতা। বিটাউন তারকারা নেট দুনিয়ায় হামেশাই শেয়ার করেন তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের নানান মুহূর্ত, নানান কথা। এখন এসব তারকারা কী খাচ্ছেন, কী করছেন, তা–ও আমরা মুহূর্তে জানতে পারি।
বলিউডের ‘ধকধক গার্ল’ মাধুরী দীক্ষিতও আর পাঁচজনের মতো খিচুড়িপ্রেমী, তা তিনি নিজেই জানালেন। এমনকি খিচুড়ি কীভাবে রাঁধতে হয়, তা–ও মাধুরীর থেকে চটপট শিখে নিতে পারেন।

মাধুরী ‘সাগুদানার খিচুড়ি’ খেতে দারুণ ভালোবাসেন। আর মাধুরীর জন্য সাগুর খিচুড়ি বানাচ্ছেন তাঁর স্বামী ডাক্তার শ্রীরাম নেনে।

সম্প্রতি মাধুরী ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রীরাম নেনে হাতা-খুন্তি নিয়ে চূড়ান্ত ব্যস্ত। কারণ, তিনি তাঁর প্রিয় মাধুরীর জন্য নিজের হাতে সাগুর খিচুড়ি বানাচ্ছেন। তবে শুধু বানিয়েই ক্ষান্ত হননি নেনে, মাধুরীকে খিচুড়ি খাইয়েও দিচ্ছেন। তবে খিচুড়ি রান্নার করার কৌশল শেখাচ্ছেন মাধুরী। কীভাবে সাগুর খিচুড়ি রান্না করতে হয়, তা তিনি তাঁর স্বামীকে পাশে দাঁড়িয়ে শেখাচ্ছেন। ভিডিও ক্যাপশনে মাধুরী জানিয়েছেন যে সাগুর খিচুড়ি তাঁর সব সময়ের পছন্দের ডিশ।


লকডাউনে অনেক কিছুই করেছেন মাধুরী। বাসায় বসে অনলাইনে নাচের তালিম দিয়েছেন তিনি। আবার কখনো কাঁচি হাতে স্বামীর চুল কাটতে দেখা গেছে তাঁকে। এবার স্বামীকে রান্না শেখানোর কাজে রীতিমতো লেগে পড়েছেন মাধুরী।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com