আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের আয়োজনে ১৫ নভেম্বর থেকে বিশেষ প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্যাভিলিয়নে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রদর্শনীতে আলোকচিত্র, বই, ভিডিওসহ বিভিন্ন উপকরণে বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন তুলে ধরা হয়েছে। প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। চলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

বাংলাদেশ

হ্যাচারি পরিচালনায় আবেদন নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বাড়ল

হ্যাচারি পরিচালনায় আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বেড়েছে। ফি বাড়াতে ‘মৎস্য হ্যাচারি বিধিমালা, ২০১১’ সংশোধন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ১৯ নভেম্বর সংশোধিত বিধিমালার গেজেট জারি করা হয়েছে।

কার্প মাছের রেণু উৎপাদন হ্যাচারির আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি ছিল যথাক্রমে একশ, দুই হাজার ও এক হাজার টাকা। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, সেটা এখন বেড়ে হয়েছে দুইশত, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা।

গলদা ও বাগদা চিংড়ি পিএল (পোস্ট লার্ভি) উৎপাদন হ্যাচারির ক্ষেত্রে বর্তমানে আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি যথাক্রমে দুইশ, সাড়ে সাত হাজার ও ছয় হাজার টাকা। আগে ছিল একশ, পাঁচ হাজার ও তিন হাজার টাকা।

দেশীয় অন্যান্য মাছ ও মনোসেক্স তেলাপিয়া হ্যাচারির ক্ষেত্রে আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি ছিল যথাক্রমে একশ, দুই হাজার ও এক হাজার টাকা। সেটা এখন বেড়ে হয়েছে দুইশ, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা।

বাহারী মাছের হ্যাচারির আবেদন ফি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকা, নিবন্ধন ফি এক হাজার টাকা থেকে বেড়ে দেড় হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার টাকা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণীর হ্যাচারির আবেদন ফি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকা, নিবন্ধন ফি ২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার টাকা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে নবায়ন ফি আগের মতোই এক হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালায় ভাইরাসের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে ‘ভাইরাস’ অর্থ পোনা, রেণু, নপ্লি (লার্ভার প্রথম পর্যায়) ও পিএলের (লার্ভা পরবর্তী পর্যায়) রোগ সৃষ্টিকারী আণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয় অণুজীব।

সরকার সময় সময় গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে পোনা, রেণু, নপ্লি ও পিএলের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাসের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করবে বলেও সংশোধিত বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হ্যাচারি পরিচালনাকারী পোনা, রেণু, নপ্লি বা পিএল বিক্রি বা সরবরাহ করার আগে এতে ক্ষতিকর ভাইরাসের উপস্থিতি সরকার-স্বীকৃত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করাবেন এবং এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে তা ভাইরাসমুক্ত বলে লিখিতভাবে ঘোষণা করবেন- বলে বিধিমালায় নতুন একটি বিধি যুক্ত করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের ঘর দিতে কক্সবাজারে হবে ১১৯টি ভবন

জলবায়ু উদ্বাস্তু এবং কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। এ জন্য কক্সবাজারের সদর উপজেলার খুরুশকুল মৌজায় ১১৯টি ৫তলা ভবন করে দেবে সরকার। এতে খরচ হবে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা। চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা এ লক্ষ্যে ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ নামের একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সেনাসদরের ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফের শাখা।

জলবায়ু উদ্বাস্তু এবং কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ৩ হাজার ৮০৮টি পরিবারের পুনর্বাসনসহ জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমে জাতীয়ভাবে দারিদ্র্যের হার কমানো প্রকল্পটির উদ্দেশ্য।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমগুলো হলো- ১১৯টি ৫ তলা ভবন নির্মাণ, একটি মসজিদ ও একটি মন্দির নির্মাণ, ২২ দশমিক ৬০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ ও সংযোগ রাস্তা নির্মাণ, ৩৮ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২৮টি সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প স্থাপন, ৮ কিলোমিটার পানির লাইন ও ১৪টি ওভারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার স্থাপন, ৪টি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং, পুকুর, জেটি নির্মাণ ও সাব-স্টেশন এবং সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের মত হলো, জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনসহ জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় দারিদ্র্যের হার কমাতে ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ফলে প্রকল্পটি অনুমোদন করা যেতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

গৃহহীনদের ঘর দিতে ৬৪৩ কোটি টাকা চায় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ অর্থবছরে এ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনার (ডিপিপি) লক্ষ্যমাত্রা ছিল মোট এক হাজার ৬৭৮ কোটি ৪ লাখ টাকা। এই দুই অর্থবছরে প্রকল্পটির জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক হাজার ৩৫ কোটি টাকা। মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য এ প্রকল্পের ডিপিপিতে সংস্থান থাকা বাকি ৬৪৩ কোটি ৪ লাখ টাকা নতুন বরাদ্দ ও ছাড় করতে চিঠি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন আশ্রয়ণ-২-এর প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে এডিপি ও বিশেষ প্রয়োজনে বরাদ্দ সহায়তা খাত থেকে ৫৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বরাদ্দ করা অর্থ দিয়ে ২৪ হাজার ৫৩৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহনির্মাণের মাধ্যমে পুনর্বাসনের জন্য ইতোমধ্যে রাজস্বসহ ৪৩২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ডিপিপিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৬২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। তার মধ্যে এডিপিতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ৪৫০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে ডিপিপির লক্ষ্যমাত্রা ৬১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৫৮৫ কোটি টাকা। ডিপিপিতে দুই অর্থবছরের মোট সংস্থান এক হাজার ৬৭৮ কোটি ৪ লাখ টাকা। এই অর্থের মধ্য থেকে দুই অর্থবছরে এডিপিতে এক হাজার ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ডিপিপিতে সংস্থান থাকা অবশিষ্ট ৬৪৩ কোটি ৪ লাখ টাকা নতুন বরাদ্দের প্রয়োজন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

শত ব্যস্ততার মাঝে এক টুকরো অবসরে

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তিনি। ১৭ কোটি মানুষের এ দেশের সরকার পরিচালনার গুরুদায়িত্ব তার কাঁধেই। এই দায়িত্ব পালনে তাকে শত ব্যস্ততায় ডুবে থাকতে হয়। এর ফাঁকেই এক টুকরো অবসর খুঁজে বের করেন তিনি। সেই অবসরে তিনি হয়ে ওঠেন একেবারে সাধারণ বাঙালি নারী। এই সাধারণ অবসরযাপনই তাকে করে তোলে অসাধারণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন সাধারণ অবসরযাপনের দুটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে শনিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে। একটি ছবিতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনের লেকে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছেন। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, সাধারণ বাঙালি নারীর মতোই তিনি সেলাই মেশিনে কাপড় সেলাই করছেন।

এই দুই ছবিতে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারীরা।

বড়শি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মাছ ধরার ছবিটি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম লিখেছেন, ‘ক্যাপশন দেবার মতো বিদ্যা আমার নাই।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ছবি দুটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন পরিপূর্ণ মানুষ। তিনি সাফল্যের সাথে ১৭ কোটি বাংলাদেশির ভাগ্য পরিবর্তিত করেছেন। দশ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমানকে আশ্রয় দিয়েছেন। কিন্তু এখনো রান্না, মাছ ধরা এবং সেলাই উপভোগ করার জন্য সময় খুঁজে পান।’

ছবি দুটি নিজ ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক লিখেছেন, ‘সাধারণ বাঙালি নারী আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। নানা ব্যস্ততার মাঝে তিনি অবসর পেলেই সেলাই করেন কাপড় আর মাছ ধরতে যান গণভবনের পুকুরে। সব হারিয়ে দেশের জন্য সারাদিন কাজ করে যাওয়া এই অনন্য সাধারণ মানুষটির জন্য অনেক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

৮০ হাজার টন ইউরিয়া ক্রয় প্রস্তাবে সায়

রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় ১৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৪৯ টাকায় ৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মধ্যে সৌদি আরব ও কাতার থেকে ৫০ হাজার এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামালের অনুপস্থিতিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩২তম বৈঠকে এ প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য আটটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হলে আটটি প্রস্তাবেরই অনুমোদন দেয়া হয়। তার মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তিনটি, বিদ্যুৎ বিভাগের তিনটি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রস্তাবগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে অতিরিক্ত সচিব বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের সৌদি বেসিক ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (এসএবিআইসি) থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ৫৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫৩ হাজার ৪৩৭ টাকা।

এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে কাতার কেমিক্যাল অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল মার্কেটিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোস্পানি (মুনতাজা) কিউ, পি জে,এস,সি কাতার থেকে ষষ্ঠ লটে ২৫ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক প্রিল্ড ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৬২ টাকা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com