আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

মাদ্রাসায় ধর্ষণ, ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলা আর সুদানে শিশু নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন

নারী পণ্য নয়: ধর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ।
নারী পণ্য নয়: ধর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ।

বাংলাদেশে ধর্ষণ সহ নারীর প্রতি বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা নিয়ে খবর ক্রমাগত বেরিয়ে আসছে, যা নিয়ে মানুষের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। উদ্বেগ বাড়ছে বিভিন্ন মাদ্রাসায় ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়নের খবর নিয়ে।

আজ শুরু করছি বাংলাদেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়ন নিয়ে একটি চিঠি দিয়ে, লিখেছেন রংপুরের কাউনিয়া থেকে বিলকিস আক্তার:

”অপরাধীরা সব সময় অপরাধের সুযোগ খোঁজে, আর এসকল ঘটনা সাধারণত অল্প ছাত্র-ছাত্রী পড়ে এমন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে বেশি হয়। কারণ এগুলোর দায়িত্বে তেমন যোগ্যতা সম্পন্ন কেউ থাকেন না, এখানে অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সুযোগকে তারা ব্যবহার করেন। তাই বর্তমান সরকারের উচিৎ যোগ্য মানুষ ছাড়া কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যাতে অনুমোদন দেওয়া না হয়।

”আলেমদের সমন্বয়ে একটা বোর্ড গঠন করে দিলে এ অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে বলে একজন নারী হিসেবে আমি মনে করছি। অপরাধ যে কেউ করুক না কেন, যদি সমাজে কঠোর শাস্তির বিধান থাকতো তাহলে কেউই হয়তো সহজে মেয়েদের দিকে খারাপ নজরে তাকাবার সাহস পেত না।”

ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের কাছে ধর্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ।
ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের কাছে ধর্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ।

কঠোর শাস্তির বিধান কিন্তু বাংলাদেশের আইনে সব সময়ে ছিল মিস আক্তার, এখন সেটা আরো কঠোর করা হয়েছে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, পুলিশ কি দক্ষতার সাথে এবং নির্ভয়ে যৌন অপরাধের তদন্ত করে দোষীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারবে? এই মুহূর্তে আমাদের সামনে যা উদাহরণ আছে তা দেখে উত্তরটা ইতিবাচক হবার সম্ভাবনা দেখছি না। কোন কমিটি গঠন করে কাজ হবে বলেও আমার মনে হয় না। আগে আইন এবং বিচার প্রক্রিয়া সংস্কার করা উচিত যাতে নির্যাতিত নারী অভিযোগ করতে এগিয়ে আসার ভরসা পান এবং অপরাধীকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা যায়।

এ বিষয়ে বিবিসির করণীয় আছে বলে মনে করেন ঢাকার বনশ্রী থেকে এমদাদুল হক বাদশা:

”ইদানীং বাংলাদেশে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়ে গেছে –এমনকি পবিত্র স্থান মসজিদ-মাদ্রাসাতেও ছোট ছোট মেয়েরা ধর্ষিত হচ্ছে। এর সমাধান আসলে কীভাবে হতে পারে — এই ব্যাপারে বিবিসি একটি সমীক্ষা চালাতে পারে।”

আমি আপনার সাথে একমত মি. হক, ধর্ষণের বিষয়টা বাংলাদেশে এমন এক পর্যায়ে গেছে যে, তাকে আর অন্য দশটা অপরাধের সাথে তুলনা করা যায় না। ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতন নিয়ে বড় মাপের কাজ করার পরিকল্পনা আমরা করছি, যেখানে ধর্ষণের কারণ, সামাজিক দায়িত্ব এবং বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকবে।

সুদানে খালওয়া নামক ইসলামী স্কুলগুলোতে শিশু নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে বিবিসি
সুদানে খালওয়া নামক ইসলামী স্কুলগুলোতে শিশু নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে বিবিসি

গত সোমবার বিবিসির নিউজ আরবি বিভাগের এক অনুসন্ধানী ভিডিও আমরা প্রকাশ করি, যেখানে দেখা যায় সুদানের ইসলামী স্কুলগুলোয় শিশুদের কীভাবে পায়ে শেকল বেঁধে নিয়মিত নির্যাতন, নিপীড়ন করা হয়। সে বিষয়ে লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

”আমার মতে, শুধু মাদ্রাসা বা ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র নয়, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা যে জায়গাই হোক, এটা উদ্বেগজনক ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটা চরম ঘৃণিত অপরাধ। ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, স্থান কাল পাত্র নয়, অপরাধীকে অপরাধের দৃষ্টিতে বিবেচনা করতে হবে। অপরাধীকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র বা সমাজের দায়িত্ব। কিন্তু আমি লক্ষ্য করেছি, বিবিসি মাদ্রাসা বা ইসলামী শিক্ষা নিয়ে যেভাবে কোন ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে নেতিবাচকভাবে প্রচার করে, তা অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে করে না। এটা কী এক ধরণের বৈষম্য নয়?

”তাছাড়া, বিবিসি গোপন ক্যামেরা বসিয়ে এই ধরনের ২৩টি স্কুলে শিশুদের মারধর ও নির্যাতনের ছবি তুলেছে। এ ধরণের কাজ তো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হওয়ার কথা এবং সেটা প্রচারের দায়িত্ব সংবাদমাধ্যমের কিন্তু বিবিসির মতো একটি সংবাদ মাধ্যম কী গোপন ক্যামেরা বসিয়ে এ ধরণের গোপন ভিডিও করতে পারে?”

যে কোন মিডিয়া গোপনে ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারে মি. রহমান। তবে বিবিসিতে গোপন রেকর্ডিং এর বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। প্রথমত, কোনো বিভাগ গোপন রেকর্ডিং করতে চাইলে বিবিসির এডিটোরিয়াল পলিসি-র কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি শুধু তখনি দেয়া হয়, যখন ঘটনা জনস্বার্থে প্রকাশ করা জরুরি বলে ধারণা করা হয় এবং গোপন রেকর্ডিং ছাড়া ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করা অসম্ভব বলে মনে হয়।

বিবিসির আরবি বিভাগ সেভাবেই কাজটি করেছে, এবং শিশুদের ওপর এই নির্মম অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ করা যে জনস্বার্থে জরুরি ছিল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর আপনার বক্তব্য, যে বিবিসি অন্য ধর্মের বেলায় এরকম অনুসন্ধান করে না, সেটা আমি গ্রহণ করতে পারছি না। বিবিসি বছরের পর বছর ধরে ক্রিশ্চিয়ান, বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক যাজকদের শিশু নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ করে আসছে।

ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত স্যামুয়েল প্যাটি জনপ্রিয় একজন শিক্ষক ছিলেন
ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত স্যামুয়েল প্যাটি জনপ্রিয় একজন শিক্ষক ছিলেন

ধর্মের বিষয়েই যখন আছি, তখন ধর্ম সংক্রান্ত আরেকটি চিঠি নেয়া যাক। ঝিনাইদহ থেকে কাজী সাঈদ লিখেছেন একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং হত্যাকারীর পরিচয় নিয়ে:

”ফ্রান্সে এক শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করার একটি ঘটনাকে ‘ইসলামী সন্ত্রাসী হামলা’ বলে বর্ণনা করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ। আমার প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে এটাকে “ইসলামী সন্ত্রাসী হামলা” হিসাবে আখ্যায়িত করা যেতে পারে? এখনও তো হত্যাকারী সম্পর্কে কিছুই জানেন না ফরাসি প্রেসিডেন্ট। তাছাড়া যদিও বা কোন মুসলিম নামধারী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকেন, তাহলেই কি এটা ইসলামী সন্ত্রাসী হামলা?”

ফরাসী পুলিশ হত্যাকারী সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছে মি. সাঈদ। হত্যাকারী মুসলিম হলেই সেটা ইসলামী সন্ত্রাস হয় না, সে কথা ঠিক। কিন্তু একই সাথে, গত কয়েক বছরে ফ্রান্সে ইসলামের কথা বলে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। ফরাসী পুলিশ এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন কোন হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছে না। তারা মনে করছে হত্যাকারী ইসলামপন্থী রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডটি করেছে। এই ঘটনায় উস্কানি দেবার অভিযোগ স্থানীয় একটি মদজিদ ছয় মাসের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেজন্য ফরাসী রাষ্ট্রপতি এই ঘটনাকে ইসলামী সন্ত্রাস বলে আখ্যায়িত করেছেন।

হতাশা: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর এরকম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
হতাশা: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর এরকম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

বর্তমান সময়ের মূল্যবোধ নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে লিখেছেন বাগেরহাটের কচুয়া থেকে শিবাজী মণ্ডল:

”বর্তমান সময়ের সর্বাধিক আলোচিত সামাজিক বিষয়বস্তুর মধ্যে প্রাধান্য পাচ্ছে ধর্ষণ, খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, দুর্নীতি প্রভৃতি। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিশেষ অবদান, সাফল্য কিংবা অনুপ্রেরণামূলক অর্জনের বিষয়ে শেষ কবে আলোচনা শুনেছি বা আলোচনা করেছি মনে করতে গিয়ে একটু হোঁচটই খেলাম। উন্নতির খরস্রোতে গা ভাসিয়ে যদি আমাদের চরিত্র আর নৈতিকতা ডুবেই গেল, তবে কেবলমাত্র পোশাক আর অবকাঠামোগত উন্নতিকে সঙ্গী করে ঠিক কতটা পথ পাড়ি দিতে পারব জানি না। পারিপার্শ্বিক ভাবে শুদ্ধ চিন্তা, শুদ্ধ বুদ্ধি আর শুদ্ধ অনুপ্রেরণার জগতটা দিন দিন যেন ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে।”

আপনি ঠিকই বলেছেন মি. মণ্ডল, আজ-কাল আলোচনায় শুধু আছে মৃত্যু, সেটা করোনাভাইরাসেই হোক আর খুনই হোক। আর আছে ধর্ষণ সহ নারীর ওপর নানা রকমের সহিংসতা। তবে পুরোপুরি হতাশ হবার কোন কারণ আমি দেখছি না। এই বিশ্বে আরো অনেক খারাপ দিন গেছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারে, মহামারিতে মারা গেছে, কোটি কোটি মানুষ যুদ্ধ-বিগ্রহে প্রাণ দিয়েছেন। তারপরও শান্তি এসেছে, মানুষের শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক উন্নতি হয়েছে। আমরা তো আশা করতেই পারি যে, এক সময় ধর্ষণ, খুন, গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে দেশ বেরিয়ে আসবে?

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের জন্য অপেক্ষা।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের জন্য অপেক্ষা।

বাংলাদেশে হতাশার আরেকটি লক্ষণ দেখা যাচ্ছে নির্বাচন ব্যবস্থার বিপর্যয়ে। গত মঙ্গলবার উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে শ’দুয়েক আসনে যে নির্বাচন হয়, তাতে ভোটার উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। সে বিষয়ে লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

”আমার মতে, বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে সারা পৃথিবীর সব বিশ্লেষক বিশ্লেষণ করলেও হয়তো কোনো সমাধান বের করতে পারবেন বলে মনে হয় না! কারণ আমরা সব সময়ই পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে পছন্দ করি। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে আজ অবধি কোন নির্বাচন বৈধ হয়েছে কি-না আমার জানা নেই।

রাতের অন্ধকারে নির্বাচন, ব্যালট বাক্স ভর্তি, ভিন্ন মতাবলম্বীদের কঠোর হস্তে দমন, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দলীয়করণের ফলে উৎসব মুখর পরিবেশটা সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন চাইলেই কেউ আর প্রার্থী হতে পারেন না, দলীয় ক্যাডারদের ভয়ে মানুষ ভোট কেন্দ্রে যেতে উৎসাহী হচ্ছেন না। ক্ষমতাসীনদের দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সুফল আমরা পেয়েছি ইউনিয়ন পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান-মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে।”

শুধু স্থানীয় নির্বাচনই নয় মি. ইসলাম, সম্প্রতি জাতীয় সংসদের কয়েকটি আসনে উপনির্বাচনেও ভোটারদের অনাগ্রহ দেখা গিয়েছে। সব দেখে মনে হচ্ছে সাধারণ মানুষ গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার জন্য এটা যে একটা বড় বিপর্যয়, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

অতি বৃষ্টির কারণে এবারে আলুর ফলন হয়েছে কম।
অতি বৃষ্টির কারণে এবারে আলুর ফলন হয়েছে কম।

বাংলাদেশে হঠাৎ করে আলুর দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বিচলিত হয়েছেন। সে বিষয়ে লিখেছেন খুলনার পাইকগাছা থেকে আরিফুল ইসলাম:

”বাংলাদেশে বেশির ভাগ জনগোষ্ঠী দরিদ্র, আয়ের সিংহভাগ খাদ্যের জন্যে ব্যয় করতে হয়। তাই তাদের প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আলুর ব্যবহার হয়ে থাকে । বাজারে তরি তরকারির দাম বেশি বলে অনেক দরিদ্র মানুষ আলু ভর্তা, আলু ভাজা, খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে বেশির ভাগ সময় ক্ষুধা নিবারণ করে । সরকার কর্তৃক আলুর দাম ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, কিন্তু বাজারে তা ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। সরকার বলছে, আলুর কোন ঘাটতি নেই আর ব্যবসায়ীরা বলছে মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে আলুর চাহিদার কারণে আলুর ঘাটতি দেখা দিয়েছে । এখন যে যার দায় সেরে যাচ্ছেন।”

আমরা জানি মি. ইসলাম, বাংলাদেশে বহু বছর ধরেই আলুকে চালের বিকল্প হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। কিন্তু মানুষ আলুকে একটি স্বল্প দামের সবজি হিসেবেই দেখেছে। এখন আলুর দাম নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেলে অনেক পরিবারই খাদ্য সঙ্কটে পড়তে পারেন। সরকার বাজার দর নির্ধারণ করে দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেটা তদারকি করার মত লোকবল বা অবকাঠামো তাদের আদৌ আছে কি?

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প।প্রকল্প।
ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প।

আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিবিসি প্রবাহতে প্রচারিত প্রতিবেদন সম্পর্কে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

”বিবিসি বাংলার টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রবাহে আকবর হোসেনএর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন দেখলাম ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে। বাংলাদেশ সরকার এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে মূলত রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য। কিন্তু রোহিঙ্গারা যেমন ভাসানচরে যেতে রাজি নয় তেমনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের বিরোধিতা করে চলেছে।

আকবর হোসেন এর এই প্রতিবেদন দেখে আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার যথেষ্ট চেষ্টা করেছে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পটিকে নিরাপদ করে তুলতে। ভবন গুলি নির্মাণের ক্ষেত্রে ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাসের দিকটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি চাইছে না রোহিঙ্গারা ভাসানচরে পুনর্বাসিত হোক। তাহলে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ কেন নিচ্ছে না?”

ভাসানচর থেকে আকবর হোসেন রিপোর্ট করছেন।
ভাসানচর থেকে আকবর হোসেন রিপোর্ট করছেন।

বলতে গেলে কোন রোহিঙ্গাই ভাসানচরে যেতে চাইছে না মি. সরদার। ওখানে শ’তিনেক শরণার্থীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কিন্তু তারাও সেখানে থাকতে চাইছে না। ভাসানচর যতই নিরাপদ হোক না কেন, সাগরের মাঝে ছোট নিষ্প্রাণ একটি দ্বীপে থাকাটা তাদের জন্য কারাগারের সমতুল্য। সেখানে তারা নি:সঙ্গ হয়ে পড়বে, মূল শরণার্থী সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে, নিজ দেশ মিয়ানমার থেকে বহুদূর চলে যাবে।

আমার মনে হয় আন্তর্জাতিক সংগঠন গুলি চায় না যে রোহিঙ্গাদের তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ভাসানচরে পাঠানো হোক। আর তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারটা কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের ওপর নির্ভর করে না, কারণ প্রত্যাবর্তনের চাবি-কাঠি মিয়ানমার সরকারের হাতে।

এ'বছরের এমবিবিএস পরীক্ষার্থীরা সেশন জট নিয়ে শঙ্কিত।
এ’বছরের এমবিবিএস পরীক্ষার্থীরা সেশন জট নিয়ে শঙ্কিত।

বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে পরীক্ষার্থীদের পাস করে দেবার সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক এখনো থেমে যায়নি। এরই মধ্যে মেডিকেল স্টুডেন্টস, অর্থাৎ এমবিবিএস পরীক্ষার্থীরা একই ধরণের অটো পাসের কথা বলছেন। তাদের অনেকেই একটি অভিন্ন চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমন প্রজ্ঞা চক্রবর্তী, মাহবুবা খানম এবং তাসনিম আনিকা:

”আমরা মেডিকেল শিক্ষার্থীরা এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শঙ্কায় দিন গুনছি। ইতোমধ্যে আমরা ১ম, ২য়, ৩য় পেশাগত পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা ২০২০ সালের মে মাসের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়ে সাত মাস পিছেয়ে গিয়েছি । যেখানে আমাদের ২০২১ সালের মে মাসে ৩য় পেশাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা সেখানে আমরা এখনো ২য় পেশাগত পরীক্ষাই দিতে পারিনি। এখন যদি ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যেও পরীক্ষার তারিখ ফেলা হয়, তাও আমরা পুরো এক বছরের মত পিছিয়ে যাচ্ছি। যার ফলে আমরা ধেয়ে চলেছি এক ভয়াবহ সেশন জটের দিকে।

”আপনারা জানেন যে, করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ডিসেম্বর জানুয়ারি নাগাদ সবচেয়ে প্রকট হবে। এমতাবস্থায় যদি পরীক্ষা নেয়ার কথা ভাবাও হয়, তা কতটা যুক্তিযুক্ত? আর পরীক্ষা যদি করোনার তীব্র ঝুঁকির মধ্যেই দিতে হয়, তাহলে এই সিদ্ধান্ত সাত মাস আগেই নেয়া দরকার ছিল নয় কি?

”আমরা এটাও দেখেছি যে আমাদের প্রতিবেশী দেশ আরো অনেক আগেই এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের অটো প্রমোশনের মাধ্যমে পরবর্তী ধাপের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে ৷ সম্প্রতি কেমব্রিজেও অটো প্রমোশন দিয়ে মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ধাপে উন্নীত করা হয়েছে। তাহলে আমরা কেন নয়?”

অটো প্রমোশন যখন এক গ্রুপকে দেয়া হয়, তখন অন্যান্য পরীক্ষার্থীরাও সেটা চাইবে। এইচএসসি পরীক্ষা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবার সময় সরকার নিশ্চয়ই এমবিবিএস পরীক্ষার্থীদের কথাও ভেবেছে? তবে সরকার হয়তো এইচএসসি আর এমবিবিএস কে একই কাতারে ফেলতে চাইছে না। দুটো ভিন্ন কুয়ালিফিকেশন, তাদের মর্যাদা ভিন্ন এবং পেশা জগতে তাদের গুরুত্বর আকাশ পাতাল তফাৎ আছে। দেখা যাক, সরকার কী পদ্ধতি বের করে।

পুরষ্কার বিজয়ী পাঁচজন ডাক্তার, মাঝে মরিস হিলেম্যান (বাঁ দিক থেকে তৃতীয়)।
পুরষ্কার বিজয়ী পাঁচজন ডাক্তার, মাঝে মরিস হিলেম্যান (বাঁ দিক থেকে তৃতীয়)।

পরের চিঠি লিখেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর থেকে অণুতম বণিক, যিনি পেশায় একজন ডাক্তার:

”রবিবার আপনাদের প্রচারিত ইতিহাসের সাক্ষীতে ড. মরিস হিলেম্যান-এর উপর প্রতিবেদন শুনে আপ্লুত হলাম। আমার সন্তানকে বললাম মানুষের জন্ম কতখানি মহান হলে তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পরেও মানুষ তাঁকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে। আজকে জীবিত প্রতিটি শিশু ওঁনার কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ এই মহান মানুষটির জন্যই ভয়ংকর এবং জীবন সংহারক জীবাণুর কাছ থেকে আমাদের সন্তানেরা, সেই সাথে আমরা নিজেরাও লড়াই করতে শিখেছি এবং প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছি। উনি জীবিত থাকলে হয়ত অতি দ্রুতই কোভিড-১৯ এর টিকা আবিষ্কার করে ফেলতেন।

”আপনাদের হয়তো খুব বেশি সময় ব্যয় হত না যদি ওঁনার আবিষ্কার করা টিকাগুলির নাম একটুখানি বর্ণনা করতেন। সবাই আমরা ওঁনার আবিষ্কার করা টিকার নাম শুনে আরও বেশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারতাম।”

ড. মরিস হিলেম্যানের আবিষ্কার করা সব টিকার নাম বলা সম্ভব না মি. বনিক, কারণ তিনি ৪০টিরও বেশি ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেছিলেন। তবে যে সব রোগের টিকা তিনি আবিষ্কার করেছিলেন, তার মধ্যে রয়েছে হাম, মাম্পস, গুটি বসন্ত, মেনিনজাইটিস, হেপাটাইটিস এ, হেপাটাইটিস বি এবং নিউমোনিয়া।

তার কেটে এভাবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।
তার কেটে এভাবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।

পরের চিঠি লিখেছেন ঢাকার ধানমন্ডি থেকে শামীম উদ্দিন শ্যামল:

”কেবল টিভি নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের তার অপসারণ করা এখন সময়ের দায়িত্ব। আমরা সাধারণ নাগরিকরাও চাই ঢাকার এই জঞ্জাল অপসারিত হোক। কিন্তু, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গ্রাহকদের/নাগরিকদের কথা চিন্তা না করেই হঠাৎ করে তার কাটা শুরু করে দিয়েছিল, যাতে গ্রাহকদের অনেক ভোগান্তি এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।

নেটওয়ার্ক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার বলার পরও যখন সিটি কর্পোরেশনের আদেশ মানছিলোনা তখন গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণের দিকটি হাতে রেখে তার অপসারণ অভিযানে নামতে হতো। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও নেটওয়ার্ক কোম্পানিগুলো তার অপসারণ নিয়ে ইঁদুর-বিড়াল খেলা খেলছে। গ্রাহকরা নিরবিছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা না পেলেও চার্জ লাগছেই আগের মতোই।”

তার কি হঠাৎ করেই কাটা হয়েছে মি. শামীম উদ্দিন শ্যামল? আমি তো জানতাম কয়েক মাস ধরেই সিটি কর্পোরেশন বলে আসছে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো তার না সরালে সেগুলো কেটে দেয়া হবে। তবে এ’কথা ঠিক যে, ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর গাফিলতির কারণে সাধারণ গ্রাহক না পাচ্ছে সেবা, না পাচ্ছে কোন ক্ষতিপূরণ। তবে ক্ষতিপূরণ কে দেবে সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে।

এবারে আমাদের ফোন-ইন নিয়ে একটি অভিযোগ করে লিখেছেন যশোরের মনিরামপুর থেকে জাহাঙ্গীর আলম:

”বিবিসি বাংলার একটি চমৎকার উদ্যোগ হল ফোন ইন অনুষ্ঠান। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে ইদানীং অনুষ্ঠানে মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়ার কারণে অনুষ্ঠানের মূল তাৎপর্য নষ্ট হচ্ছে। আমি মহিলাদের ছোট করার জন্য কথাটি বলছি না। উদাহরণ হিসেবে বলছি গত ১৪ই অক্টোবর প্রচারিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট একজন রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ অথচ লক্ষ্য করলে দেখা যাবে তার কাছে অবান্তর প্রশ্ন এত বেশি করা হয়েছিল যে অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছিল। এরকম একজন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে আমরা অনেক কিছুই জানতে পারতাম। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করলেও আমাদের অনেক বিষয় জানা হয়ে যেত যদি সেখানে প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হতো।”

আপনি বলছেন, মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়ার কারণে অনুষ্ঠানের মূল তাৎপর্য নষ্ট হচ্ছে, তাহলে সেটা কি নারীদের খাটো করা হচ্ছে না? আপনি অভিযোগ করছেন ফোন-ইন অনুষ্ঠানে অতিথির কাছে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হয়েছে। সেটা মোটেই কাম্য নয় এবং সেদিকে আমরা ভবিষ্যতে খেয়াল রাখবো। কিন্তু সেই দোষটা আপনি নারী অংশগ্রহণকারীদের ঘাড়ে চাপাবেন কেন? অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন কি কোন পুরুষ কখনো করেনি? তাই বলে কি তাদের পুরুষ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে? অবশ্যই যাবে না।

শেষ করার আগে একটি প্রশংসামূলক চিঠি, লিখেছেন সাতক্ষীরার টেকাকাশিপুর থেকে মুঈন হুসাইন:

”অন্যদের মতো আমিও বিবিসি বাংলা বেতারের একজন মুগ্ধকর শ্রোতা। সময়ের অভাবে বা ব্যস্ততার কারণে বিবিসির সংবাদ সব সময় শুনতে পারি না। কিন্তু আপনাদের ফেসবুক পাতায় গিয়ে প্রতিদিন ঠিকই কিছুটা সময় করে প্রকাশিত বিভিন্ন লেখাগুলো পড়ি। কারণ, এ সব তথ্যবহুল লেখা পড়তে আমার অনেক ভাল লাগে। ব্যাপক অজানা বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভও করতে পারি। আর আপনাদের নির্ভীক কর্মী ও বেতারে প্রচারিত নিরপেক্ষ খবরে আমরা অগাধ ভরসা পাই।”

আপনাকে ধন্যবাদ মি. হুসাইন, বিবিসি বাংলা শোনার জন্য এবং আমাদের ওপর আস্থা রাখার জন্য।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

মোহাম্মদ ওয়ারেছ আলী খান, নরসিংদী সদর।

মোহাম্মদ মাসুদ রানা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

দীপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।

মোবারক হুসাইন, মাতুয়াইল, যাত্রাবাড়ি।

অর্ক রায়, ভারত।

মোহাম্মদ আব্দুল মাতিন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ।

মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, রংপুর সদর।

  • তার কেটে এভাবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।

    তার কেটে এভাবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।

  • পুরষ্কার বিজয়ী পাঁচজন ডাক্তার, মাঝে মরিস হিলেম্যান (বাঁ দিক থেকে তৃতীয়)।

    পুরষ্কার বিজয়ী পাঁচজন ডাক্তার, মাঝে মরিস হিলেম্যান (বাঁ দিক থেকে তৃতীয়)।

  • এ'বছরের এমবিবিএস পরীক্ষার্থীরা সেশন জট নিয়ে শঙ্কিত।

    এ'বছরের এমবিবিএস পরীক্ষার্থীরা সেশন জট নিয়ে শঙ্কিত।

  • ভাসানচর থেকে আকবর হোসেন রিপোর্ট করছেন।

    ভাসানচর থেকে আকবর হোসেন রিপোর্ট করছেন।

  • ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প।প্রকল্প।

    ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প।

  • অতি বৃষ্টির কারণে এবারে আলুর ফলন হয়েছে কম।

    অতি বৃষ্টির কারণে এবারে আলুর ফলন হয়েছে কম।

  • গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের জন্য অপেক্ষা।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের জন্য অপেক্ষা।

  • হতাশা: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর এরকম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

    হতাশা: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর এরকম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

  • ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত স্যামুয়েল প্যাটি জনপ্রিয় একজন শিক্ষক ছিলেন

    ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত স্যামুয়েল প্যাটি জনপ্রিয় একজন শিক্ষক ছিলেন

  • সুদানে খালওয়া নামক ইসলামী স্কুলগুলোতে শিশু নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে বিবিসি

    সুদানে খালওয়া নামক ইসলামী স্কুলগুলোতে শিশু নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে বিবিসি

  • ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের কাছে ধর্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ।

    ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের কাছে ধর্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ।

  • নারী পণ্য নয়: ধর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ।

    নারী পণ্য নয়: ধর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ।

  • তার কেটে এভাবে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়।
  • পুরষ্কার বিজয়ী পাঁচজন ডাক্তার, মাঝে মরিস হিলেম্যান (বাঁ দিক থেকে তৃতীয়)।
  • এ'বছরের এমবিবিএস পরীক্ষার্থীরা সেশন জট নিয়ে শঙ্কিত।
  • ভাসানচর থেকে আকবর হোসেন রিপোর্ট করছেন।
  • ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প।প্রকল্প।
  • অতি বৃষ্টির কারণে এবারে আলুর ফলন হয়েছে কম।
  • গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের জন্য অপেক্ষা।
  • হতাশা: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর এরকম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
  • ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত স্যামুয়েল প্যাটি জনপ্রিয় একজন শিক্ষক ছিলেন
  • সুদানে খালওয়া নামক ইসলামী স্কুলগুলোতে শিশু নির্যাতনের প্রমাণ পেয়েছে বিবিসি
  • ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের কাছে ধর্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ।
  • নারী পণ্য নয়: ধর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ।
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

করোনা হলে কখন উপুর করে শোয়াতে হবে

করোনা হলেও মানুষ খুব বেশি হাসপাতালে যাওয়ার চিন্তা করছেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চলছে করোনা রোগীর চিকিৎসা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, করোনাভাইরাস যেহেতু শ্বাসনালীর মাধমে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে থাকে, তাই শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়ে থাকে। যখন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিয়ে সমস্যা হয়, তখন রোগীকে উপুড় করে শোয়ানো হলে কষ্ট কিছুটা কমে।  

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্বাসকষ্টের সমস্যা তীব্র হলে এভাবে শোয়ানো হয় রোগীকে।  কারণ উপুর হয়ে শোয়া অবস্থায় ফুসফুসের অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। করোনা আক্রান্ত রোগীর ফুসফুসে সংক্রমণ হলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজটাও সঠিকভাবে হয় না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যই রোগীকে উপুড় করে শোয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।  

এছাড়াও উপুড় হয়ে শোয়ার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস বাড়ে ও ইনফেকশনের প্রবণতাও কমে।

মনে রাখতে হবে করোনা আক্রান্ত রোগীকে উপুড় করে শোয়াতে সমস্যা হলে ডান বা বাঁ পাশে কাত করে শোয়াতে হবে। কখনোই চিত করে শোয়ানো যাবে না।  

তবে ঘুমানোর সময় একটানা উপুড় করে শোয়ানো ঠিক না। জেগে থেকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় এভাবে শোয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তারকা রেস্টুরেন্টের শর্মা এবার বাড়িতেই

মহামারি করোনার কারণে বাইরে থেকে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এসেছে আমাদের। কিন্তু মাঝে মাঝে তো কিছু স্পেশাল খাবার খেতে ইচ্ছে করতেই পারে।

এই যেমন অনেক দিন হয়তো শর্মা খাওয়া হচ্ছে না।  
এবার হবে, তাও আবার ঘরের তৈরি। কে তৈরি করবে? কেন, আপনি। বেশ সহজ জেনে নিন রেসিপি: 

উপকরণ 
পুরের জন্য: যেকোনো মাংস কিমা অথবা ছোট টুকরো করে কাটা ৫০০ গ্রাম, দই এক কাপ, ভিনেগার দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ও পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ করে, রসুন এক চা চামচ, ধনে গুঁড়া দেড় চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টা এলাচ-দারুচিনি, লবণ পরিমাণমতো, লেবু একটি।

প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ঢেকে ফ্রিজে একঘণ্টা রাখুন।


পাত্রে অল্প তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ছাড়ুন। পেঁয়াজ ভাজা হলে মিশ্রণটি দিয়ে রান্না করে নিন।
সসের জন্য: রসুন চারটি, লবণ স্বাদমতো, তেল এক কাপ, ডিমের সাদা অংশ দু’টি, লেবুর রস এক চা চামচ।

প্রণালী: রসুন, লবণ আর তেল একসাথে ব্লেন্ড করে তারপর ডিমের সাদা অংশটা ঢেলে দিন তেল একটু লেবুর রস ব্লেন্ডার চলতে থাকা অবস্থায় ঢেলে দিন। হয়ে গেল গার্লিক সস।

রুটির জন্য: ময়দা দুই কাপ, ইস্ট দুই চা চামচ, গরম পানি আধা কাপ।

লবণ পরিমাণ মতো। চিনি এক চা চামচ।

প্রণালী:  ইস্ট ১/২ কাপ পানিতে মিশিয়ে চিনি দিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। একটি পাত্রে ময়দা ও লবণ মিশিয়ে এতে ইস্ট ও পানি দিয়ে মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।  এবার খামির একটু গরম জায়গায় আধাঘণ্টা রেখে দিন, ফুলে উঠবে। ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে ১০ মিনিট প্রি-হিট দিয়ে মোটা রুটি বানিয়ে ৪ মিনিট বেক করুন। চাইলে চুলায় ফ্রাইপ্যানেও একটু সময় নিয়ে রুটি তৈরি করে নিতে পারেন।

সবশেষে শসা, টমেটো, পেঁয়াজ ও ধনে পাতা কুচি রুটির ওপর কিমা দিন, এরপর গার্লিক সস দিন। এবার রুটি রোল করে পরিবেশন করতে পারেন। অথবা রুটির মাঝে কেটে পকেটের মতো তৈরি করে কিমার মিশ্রণ ভেতরেও দিয়ে দিতে পারেন।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বটিয়াঘাটায় উদ্ধার ৫৩ সন্ধি কচ্ছপ ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত

বটিয়াঘাটায় উদ্ধার ৫৩ সন্ধি কচ্ছপ ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত

বাগেরহাট: খুলনার বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার করা ৫৩টি সন্ধি কচ্ছপ বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।  

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঘোড়াদিঘীর ঘাটে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করেন।

এসময় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) নির্মল কুমার পাল, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার মৎস্য বিশেষজ্ঞ মফিজুর রহমান চৌধুরী, বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার পরিদর্শক রাজু আহমেদসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) নির্মল কুমার পাল বলেন, বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার করা কচ্ছোপগুলোকে ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। দিঘীতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারবে। তবে এগুলোকে সংরক্ষণের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। 

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জেলা প্রশাসন সব সময় সোচ্চার। ভবিষ্যতেও আমরা সোচ্চার থাকব। এর অংশ হিসেবে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হলো। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, বন বিভাগসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একযোগে কাজ করে এ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করবো।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বটিয়াঘাটা উপজেলার বাজারমাছ থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করেন বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার সদস্যরা। আহরণ নিষিদ্ধ কচ্ছপ বিক্রির দায়ে নিরাপদ সরকার নামে এক ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে রসুন ও পেঁয়াজের ক্ষেত

নীলফামারী: এবারের শীতে মানুষ, গবাদি পশু কষ্টে পড়েছে। তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের হাড় ভাঙা পরিশ্রমে বোনা ফসল।

বিশেষ করে আলু, রসুন ও পেঁয়াজের ক্ষতি কৃষকরা পুষিয়ে নিতে পারবেন না। শীত ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কারণে মাঠের পর মাঠের পেঁয়াজ আর রসুনের পাতার আগা বাদামী হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে (স্টেমফাইলিয়াম লিফ ব্লাইট রোগ)

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি, কামারপুকুর, পার্শ্ববর্তী খানসামার প্ল্যান বাজার, দুহশুহ, ফতেজংপুর,  মারগাঁও চিরিবন্দর বিভিন্ন  এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়। সেখানকার কৃষক ফয়েজ উদ্দিন, আবু তালেব, রতন মিয়া জানান, আলু, রসুন ও পেঁয়াজ বোনার পর পরই শুরু হয় তীব্র শীত ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। 

শীতের তীব্রতা সহ্য করতে না পেয়ে আলু ক্ষেতে দেখা দেয় ছত্রাক জনিত পচন রোগ। কৃষকরা বালাইনাশক ওষুধ স্প্রে করলেও খুব কাজ একটা হয়নি তাতে। বিশেষ করে রসুন ও পেঁয়াজের পাতাগুলো কুঁকড়ে গেছে। ফলে এ বছর উৎপাদনে টান পড়তে পারে বলে জানান তারা।  

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রসুন ও পেঁয়াজের উৎপাদন কম হলেই দাম বাড়বে। ফলে কৃত্রিম সংকটও সৃষ্টি হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ, ভেসে উঠলো লক্ষাধিক টাকার মাছ

রাজবাড়ী: রাজবাড়ী সদর উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের রশোরা গ্রামে একটি মৎস্য খামারে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।

শনিবার (১৩ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে ইতালী প্রবাসী মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের মৎস্য খামারে এ ঘটনা ঘটেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠেছে।  
খামারের কেয়ারটেকার মো. ওমর আলী তুহিন জানান, খামারের মালিক ইতালীতে থাকেন। মৎস্য খামার তিনি দেখাশোনা করেন। বেশ কিছুদিন ধরে এলাকার মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত আবুল বাসার শেখ বিভিন্ন ভাবে তাদের খামারের পুকুর থেকে মাছ চুরি করে আসছিলো। এ ব্যাপারে তাকে নিষেধ করা হলো সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ৮/১০ দিনের ব্যবধানে দুটি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলে। এতে লাখ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের বাসার ৪/৫ জন জড়িত আছে।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের সঙ্গে কথা বল্লে তিনি জানান, বাসার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা এলাকায় চুরির সঙ্গে জড়িত। তারা মাদকসেবী হিসেবেও পরিচিত। বাসারের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে। সে তার পুকুরের মাছ চুরি করে বাজারে বেচে মাদক সেবন করে বলে জানা আছে। তিনি এর প্রতিকার চান।

চিলতি মাসের ৯ তারিখে মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের স্ত্রী ফারজানা নাসরিন রাজবাড়ী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এতে উল্লেখ করেন, আবুল বাসার ও এলাকার বেশ কয়েক জন ছেলে তাদের মৎস্য খামার থেকে জাল দিয়ে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। পরে তাদের নিষেধ করলে জীবননাশের হুমকি দেয়।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com