আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

এক সময়ের লঞ্চের ফেরিওয়ালা আজ কোটিপতি

মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয় রাজাকার খলিল শেখের সহযোগিতায় পাক সেনারা বাবা কুমুদ রায়কে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে নবগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়। তখন আমার বয়স প্রায় ১২ বছর। অনেক খোঁজ করেও বাবার লাশ পাইনি। সংসারে মা ও দুই বোন। তাদের বাঁচাতে লেখাপড়া ছেড়ে লঞ্চে কলা, বিস্কুট, পাউরুটি বিক্রি করে সংসার চালাতাম। অনেক দিন না খেয়ে কেটেছে। এক পোয়া আটা কিনে পাতলা জাউ রান্না করে সবাই মিলে খেয়েছি। শাক-পাতা কুড়িয়ে তেল-লবণ ছাড়াই সেদ্ধ করে খেয়েছি। অনেকের কাছে হাত পেতেছি। কোনো সহায়তা পাইনি।’ কথাগুলো বলছিলেন কালিয়া উপজেলার বাসিন্দা শিবুপদ রায়। লঞ্চের সেই ফেরিওয়ালা এখন কোটিপতি। শুধু তাই নয় কালিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলরও তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কালিয়া উপজেলা শহরের জিরোপয়েন্ট থেকে গোবিন্দনগর গ্রামের ভক্তডাঙ্গা বিলের দূরত্ব প্রায় চার কিলোমিটার। এখানেই শিবুপদ রায় ২৬৭ একর জমির ওপর গড়ে তুলেছেন মৎস্যসহ সমন্বিত কৃষি খামার। খামারে টমেটো, মিষ্টিকুমড়া, ঢেড়স, পেঁপে, করোলা, লাউসহ বিভিন্ন শাক-সবজির আবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশাল ঘেরে চিংড়ি, বিভিন্ন প্রজাতির মাছসহ আমন ও বোরো ধানের আবাদ হচ্ছে।

এসব কৃষিপণ্য রাজধানী ঢাকাসহ পাশের গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, বাগেরহাট, খুলনা, বরিশালের বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এখানে ২২ জন শ্রমিক নিয়মিত এবং এক থেকে দেড়’শ শ্রমিক খণ্ডকালীন কাজ করে থাকেন। এই খামার থেকে বছরে প্রায় দেড় কোটি টাকার কৃষিপণ্যসহ মাছ বিক্রি করা হয়। পণ্য পরিবহন খরচ, শ্রমিক, ইজারা নেয়া জমির মালিকদের টাকা পরিশোধ করে শিবুপদ রায়ের বছরে লাভ থাকে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা।

শিবুপদ বলেন, লঞ্চে কলা, বিস্কুট, পাউরুটি বিক্রি করে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ টাকা আয় হতো। এ টাকা দিয়ে সংসার চালাতাম। লঞ্চেই একদিন আমার দেখা হয় বড়দিয়া মোকামের (বড়দিয়া নৌ-বন্দর) ভূষিমাল ব্যবসায়ী নিত্যানন্দ সাহার সঙ্গে। তিনি আমার কষ্টের কথা শুনে তার গদিতে (ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে) থাকা-খাওয়াসহ মাসে ৩০০ টাকা বেতনে কাজ দেন। সাত বছর দোকানে কর্মচারীর কাজ করেও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছি। সবশেষ ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতনও পেয়েছি।

তিনি জানান, বেতনের টাকা জমিয়ে ১৯৭৮ সালের দিকে কালিয়া পৌর এলাকায় ১৬ হাজার ৬০০ টাকা পুঁজি নিয়ে ভূষিমালের দোকান দেন। ১৯৯৮ সালে ১০ একর জমি বন্দোবস্ত নিয়ে বাড়ির পাশে চিংড়ি চাষ করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ঘেরের পাশাপাশি ধানছাটাই মেশিন (রাইচমিল) কেনেন। ২০১৫ সালে ভক্তডাঙ্গা বিলেই সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তোলেন। প্রথমে ২২৬ একরে পরে তা বাড়িয়ে ২৬৭ একর জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। এ বছর ১০০ একর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন।

ভক্তডাঙ্গার বিল সারা বছরই পানিতে তলিয়ে থাকে। ফসলাদি তেমন একটা হতো না। এ সমস্ত জমির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে ২০ বছর চুক্তিতে তাদের জমি বন্দোবস্ত নেয়া হয়। এ রকম প্রায় ৫০০ কৃষকের জমি বন্দোবস্ত নেয়া হয়। জমির মালিকদের বছরে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হয় বলে জানান এ সফল উদ্যোক্তা।

ছোট কালিয়া গ্রামের অশোক কুমার ঘোষ বলেন, প্রতিদিনই তিন থেকে চার ট্রাক মালামাল এই খামার থেকে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাচ্ছে।

নড়াইলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক চিন্ময় রায় বলেন, ২৬৭ একরের এ বহুমুখী খামারটি নয়নাভিরাম এবং দৃষ্টিনন্দন। জীবনে অনেক স্থানে চাকরি করেছি কিন্তু গোছালো এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এমন কৃষি খামার কোথাও চোখে পড়েনি। এটি শুধু অনুকরণীয়ই নয় আমাদের দেশে একটি মডেল হতে পারে।

এগ্রোবিজ

বিদেশী সবজি চাষে ভাল আয় করেছেন যিনি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কীভাবে কেঁচো সার তৈরি করছেন নারীরা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

লাউ চাষে হাকিম দেওয়ানের ভাগ্য বদল

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

 ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা
ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

গ্রামের ভেতরের গ্রামীণ মেঠোপথ ধরে এগোতে এগোতে হঠাৎ একখণ্ড সবুজের সমারোহ চোখে পড়ার মতো। সেখানে একপা-দু’পা হেঁটেই দেখা গেল তরমুজের ক্ষেত। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তরমুজ। তরমুজ তুলে জড়ো করছেন কৃষক। স্তূপ করে রাখছেন বিক্রির জন্য। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মহাজনেরা তরমুজ কিনতে ক্ষেতে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে দাম কষাকষির মাধ্যমে চূড়ান্ত করছেন। ওই তরমুজ ট্রাক-ট্রলি বোঝাই করে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে তরমুজ চাষিরা খেত থেকে তরমুজ তুলে বিক্রি করার চেষ্টায় ব্যস্ত রয়েছেন।

এ চিত্র খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের তক্তামারি গ্রামের। স্থানীয়রা বলছেন, এবারই সর্বপ্রথম বেশি পরিমাণে তরমুজ চাষ করা হয়েছে এ উপজেলায়। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে তক্তামারি গ্রামে। কৃষকেরা বলছেন, এ মৌসুমে তরমুজ চাষ লাভজনক হওয়ায় তাদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। তাই তারা প্রতিবছরই তরমুজের চাষ করবেন বলে আশা রাখেন।

সবুজ সোনার আশায়, আমন ধান কাটা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে তরমুজ লাগানোর প্রস্তুতি। বার বার চাষ দিয়ে দ্রুত মাটি শুকিয়ে রোপণ করা হয় তরমুজের বীজ। কৃষকরা মনে করেন, আগে লাগালে আগে তরমুজ পাওয়া যায় এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এ ধারণা থেকেই উপজেলার কৃষকের মাঝে ব্যাপকভাবে সাড়া পড়েছে। তাই নারী-পুরুষ সবাই মিলে সারাদিন শ্রম দিচ্ছে তরমুজ ক্ষেতে।

 ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা
ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

ডুমুরিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪৫০ মেট্রিক টন। বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মতো। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪২০ মেট্রিক টন। যার মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।

উপজেলার তক্তামারি গ্রামের সবচেয়ে বড় তরমুজ চাষি কামাল বাওয়ালী (৪০) নিজের ও অন্যের জমি মিলিয়ে মোট সাত বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মৌসুমের আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকার মহাজনেরা তরমুজ নিতে চলে আসেন। ফলনের পর তরমুজ সংগ্রহ করতে এলাকায় অবস্থান করেন। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে মহাজনদের কাছে প্রায় ৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি।’

 ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা
ডুমুরিয়ায় তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অন্তত ১৪ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করতে ব্যয় হয় ১০-১২ হাজার টাকার মতো। ফসল ভালো হলে বিক্রি হয় প্রতিবিঘা ১ লাখ টাকারও বেশি। লাভের আশায় পরিশ্রম করে মাত্র ৬০ দিনের ফসল করছেন তারা। পরিবারের সবাইকে নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা কাজ করছেন। পরিশ্রম করতে পারলে অনেক টাকা লাভ হবে।

কৃষি অফিসের হিসাবমতে, তরমুজ চাষে এক হেক্টর জমিতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকার একটু বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তরমুজ উৎপাদন হবে কমপক্ষে ৩০ মেট্রিক টন। সর্বনিম্ন ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলে হবে প্রায় ৯ লাখ টাকা। তাই তরমুজে লাভবান বেশি হওয়ায় কৃষকরা এখন তরমুজ চাষের প্রতি ঝুঁকছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, ‘এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে। মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হওয়ায় চাষিদের সেচ খরচ কম হয়েছে। তবে নিচু জমিতে পানি জমে একটু ক্ষতি হলেও ফলন ভালো ও বড় আকারের তরমুজ ফলনে চাষিরা লাভবান হবে। লবণাক্ত এসব জমিতে পাকিজা, সুইট ড্রাগন ও প্রাউন্ড জাতের তরমুজ ভালো হয়। তাই কৃষকরা বীজতলা তৈরি করে এসব জাতের বীজ রোপণ করছেন।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ- শেষ পর্ব

 ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ- শেষ পর্ব
ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ- শেষ পর্ব

জালের খাঁচায় মাছ চাষ একদিন জনপ্রিয় হবে। হবে হাজারও মানুষের কর্মসংস্থান। বাড়বে আমিষের উৎপাদন। শক্ত হবে জাতীয় অর্থনীতি। তাই আসুন জেনে নেই ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষের উপায়। আজ শেষ পর্ব

যে মাছ চাষ করবেন
খাঁচায় সব ধরনের মাছ চাষ করা যায় না। সেক্ষেত্রে বিদেশি ঘাওর, নাইলোটিকা, রাজপুঁটি, কার্প প্রজাতি ও পাঙ্গাস। এসব মাছের গড় উৎপাদন ৪-৫ মাসে প্রতি ঘনমিটার ৫-১৫ কেজি।

পোনার মাপ
পোনা সবসময়ই বড় সাইজের ছাড়া ভালো। তবে ২-৩ ইঞ্চির কম হলে চলবে না।

পোনার পরিমাণ
এর কোনো সুনিদির্ষ্ট নিয়ম নেই। ধরুন আপনি উৎপাদন করবেন প্রতি ঘনমিটারে ১০ কেজি। সেখানে পোনা ছাড়বেন প্রতি ঘনমিটারে ১০০টা + ৫% ধরে নেবেন মারা যাবে। তেমনি আফ্রিকান মাগুর ছাড়তে চাইলে লক্ষ্যমাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ১৫ কেজি এবং প্রতিটা মাছের গড় ওজন ২৫০ গ্রাম। তবে সেখানে পোনা ছাড়তে হবে ৬০টা + ৫% মারা যাবে।

মাছের খাদ্য
অনেক খাল-বিলে কোনো মৌসুমে প্রচুর উদ্ভিদ কণার জন্ম হয় যে, অল্প ঘনত্বে মাছ ছেড়ে খাদ্য ছাড়াই প্রতি ঘনমিটারে ৪-৫ মাসে ৫-৭ কেজি মাছ উৎপাদন করা যায়। তবে সুষম খাদ্য হিসেবে দৈনিক ২-৩ বার খাবার দিতে হয়। এখানে প্রাণিজ আমিষ, যেমন- শুঁটকি মাছ, শামুকের মাংস, গরু-ছাগলের রক্ত, মাংসের ছাটি বা গরু-ছাগলের নাড়ি-ভুঁড়ি ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত খৈল। যেকোনো খৈল, যেমন- সরিষা, তিল, নারকেল, বাদাম, সয়াবিন, তিসি, তুলা ইত্যাদি। উচ্ছিষ্ট ভাত। এছাড়া প্রচুর ঘাস খায় নাইলোটিকা, গ্রাস কার্প ও রাজপুঁটি। ঘাসের মধ্যে নরম ঘাস, যেমন- রাইদা, ইছাদল, পোটকা প্রভৃতি। সুষম খাদ্যের জন্য শুঁটকি অথবা যেকোনা প্রাণিজ আমিষ ১০-৩০%, খৈল ২০-৪০%, গমের ভুষি বা মিহি কুঁড়া ২০-৫০%, তার সাথে ৫% চিটাগুড় ও ৫-১০% সস্তা দামের আটা ও ০.৫% ভিটামিন। খাবার তৈরির সময় একটু পানি মেশাবেন যেন খাবারটা মাখতে মাখতে সাবানের মতো শক্ত হয়। মনে রাখতে হবে, তৈরি বল ১৫-২০% মিটার পর্যন্ত পানিতে যেন না গলে। খাদ্য বাঁশের ঝুড়িতে করে খাঁচার মধ্যে পানির ১ হাত নিচে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। মাছ ৫-১০ মিনিটের মধ্যে সব খাদ্য শেষ করে ফেলবে।

খাদ্যের পরিমাণ
সুষম খাদ্য দিয়ে ১ কেজি মাছ উৎপাদন করতে ২-৩ কেজি খাদ্য দরকার হয়। খাবারের সাথে সাথে কাঁচা গোবর, মুরগির বিষ্ঠা ও প্রচুর ঘাস দিলে খরচ অনেক কমে।

খাঁচা তৈরির খরচ
২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি খাঁচা তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ১৬ হাজার টাকা, যা চার-পাঁচ বছর স্থায়ী হয়।

উৎপাদন
মাছের আকার ৩০০-৪০০ গ্রাম হলেই বিক্রির উপযোগী হয়, আর এ ক্ষেত্রে সময় লাগে মাত্র ছয় মাস। প্রতি ঘনমিটারে কমপক্ষে ৩০ কেজি মাছ উৎপাদিত হয়ে থাকে। সাধারণত চাষকৃত পোনার ওজন ১০ গ্রাম হয়ে থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে আকারে বড় অর্থাৎ ২০-৩০ গ্রাম ওজনের পোনা চাষ করলে সর্বোচ্চ উৎপাদন পাওয়া যায়। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি ১০টি খাঁচা থেকে প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com