আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধিগুলোর মধ্যে ক্যানসার অন্যতম। বাংলাদেশেও উচ্চ মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগের মধ্যে একটি হলো ফুসফুসের ক্যানসার। তাই ফুসফুস ক্যানসার যাতে প্রাথমিক পর্যায়েই প্রতিরোধ করা যায়, সে জন্য এর উপসর্গ সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখতে হবে। বলা হয়ে থাকে, শ্বাসযন্ত্রের যাবতীয় রোগের মধ্যে ফুসফুসের ক্যানসার সবচেয়ে মারাত্মক। তবে আশার কথা হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়। আর এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এ লক্ষ্যে এসকেএফ অনকোলোজি নিবেদিত ‘বিশ্বমানের ক্যানসার চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে’ অনুষ্ঠানের ১৩ তম পর্বে অতিথি হিসেবে যোগ দেন ডা. জাহান আফরোজা লাকী, এমবিবিএস, এমফিল (রেডিওথেরাপি), অনকোলোজিস্ট (ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ), সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, রেডিওথেরাপি বিভাগ, রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এ অনুষ্ঠানের আলোচ্য বিষয় ছিল ফুসফুসের ক্যানসার।

অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল এবং এসকেএফের ফেসবুক পেজে সম্প্রচারিত হয়। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ডা. মো. শাহরিয়ার ইসলাম।বিজ্ঞাপন

ডা. জাহান আফরোজা লাকী বলেন, ‘ফুসফুস ক্যানসার সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের আগে ক্যানসার কী তা জানতে হবে। স্বাভাবিকভাবে মানবদেহ অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষ দ্বারা গঠিত। সুস্থ দেহে এ কোষগুলো নিয়মিত ও সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়রোধ করে। সাধারণত, একটি কোষ থেকে ক্যানসারের উৎপত্তি হয়।

শ্বাসযন্ত্রের সবচেয়ে মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যানসার
Tapos

একটি কোষ যখন নিয়মিত ও সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে বিভাজন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে কোষবিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই অনিয়ন্ত্রিত কোষবিভাজনের ফলে সেখানে একটি পিণ্ড বা চাকা সৃষ্ট হয়, যাকে আমরা টিউমার বলে থাকি। এই টিউমার দুধরনের হতে পারে—ক্ষতিকারক ও অক্ষতিকারক। এর মধ্যে ক্ষতিকারক টিউমারগুলোকে আমরা ক্যানসার বলে থাকি। যখন ফুসফুসের কোষের মধ্যে এই অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন হয়ে থাকে, তখন সেটিকে আমরা ফুসফুস ক্যানসার বলি।’

বাংলাদেশের পুরুষদের এক নম্বর ক্যানসার হলো ফুসফুস ক্যানসার। যারা ধূমপায়ী তারা এ ধরনের ক্যানসার থেকে একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত নন। এদের ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যানসার এমনভাবে শরীরে সৃষ্টি হবে যা বেশির ভাগ সময়ই টের পাওয়া যাবে না। কারণ, নির্দিষ্ট কোনো উপসর্গ অনেক সময় চোখে পড়বে না। আর অন্যান্য ক্যানসারের থেকে ফুসফুস ক্যানসার বেশ মারাত্মক। কারণ, এতে লক্ষণ সহজে ধরা পড়বে না। নারীদের ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত রোগীর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা থাকলে এর হাত থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এটি এমন একটি অসুখ, যার কারণ হিসেবে চিকিৎসকেরা মূলত ধূমপানকে চিহ্নিত করেন। তা ছাড়া যাঁরা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন এবং যাঁদের পরিবারে ধূমপায়ী ব্যক্তি রয়েছেন, তাঁদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, পরোক্ষ ধূমপানের মাধ্যমেও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকেন এ রোগে।

ফুসফুস ক্যানসারের প্রথম ও প্রধান উপসর্গ হলো কাশি। সাধারণত, একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকলে তা ফুসফুস ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে মনে করা হয়। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এর আরেকটি উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা। বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। ফুসফুসে ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো বুকে ব্যথা হওয়া।

সাধারণত গ্রামে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আর্থিকভাবে খুব একটা সচ্ছল নয়, সেসব রোগীর আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ বিড়ি। আবার পরিবেশের ধুলোবালু, হাইড্রোকার্বন থেকেও অনেকে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণত, জনবহুল নগরীগুলো, যেখানে প্রচুর ট্রাফিক, সেসব অঞ্চলে যানবাহনের কালো ধোঁয়া মানুষের নিশ্বাসের সঙ্গে ঢুকে পড়ছে। এ কারণে অনেক রকম কেমিক্যাল ফুসফুসে ঢোকার কারণে প্রচুর মানুষ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে।

তবে বর্তমানে ফুসফুস ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসার সুবিধা বাংলাদেশের প্রতিটি বড় শহরেই রয়েছে। ফুসফুসে ক্যানসার থেকে বাঁচতে হলে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় ক্রোমিয়াম, নিকেল, ক্যাডমিয়ামের কারণে যেন ক্ষতি না হয়, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেসব কর্মক্ষেত্রে যদি সঠিক নিয়ম মেনে চলা হয়, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আমাদের দেশে একসময় প্রচুর পরিমাণে ডিজেল ব্যবহার হতো, যা বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে। ডিজেল থেকে নির্গত ধোঁয়ার কারণে অনেক ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে।বিজ্ঞাপন

ফুসফুস ক্যানসারের প্রথম ও প্রধান উপসর্গ হলো কাশি। সাধারণত, একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকলে তা ফুসফুস ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে মনে করা হয়। রোগীর যদি নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং তিনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এর আরেকটি উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা। বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। ফুসফুসে ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো বুকে ব্যথা হওয়া। অনেক সময় ক্যানসার হাড়ে ছড়িয়ে পিঠে ব্যথা ছড়াতে পারে। অনেকের আবার তা মাথায় ছড়িয়ে বমিভাব এবং লিভারে গিয়ে জন্ডিস হয়।

শ্বাসযন্ত্রের সবচেয়ে মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যানসার
Tapos

এ ছাড়া এটি ত্বকেও ছড়াতে পারে। আবার রোগীর খাবারে অরুচি ও অনীহা দেখা দেয়। কারও কারও দেহের ওজন অপ্রত্যাশিত ও অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। এগুলোই ফুসফুসে ক্যানসারের মূল উপসর্গ। এর কোনো একটি বা একাধিক উপসর্গ দেখা দিলে ফুসফুস ক্যানসার হিসেবে ধরে নিয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে হবে।বাংলাদেশের পুরুষদের এক নম্বর ক্যানসার হলো ফুসফুস ক্যানসার। যারা ধূমপায়ী তারা এ ধরনের ক্যানসার থেকে একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত নন। এদের ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যানসার এমনভাবে শরীরে সৃষ্টি হবে যা বেশির ভাগ সময়ই টের পাওয়া যাবে না। কারণ, নির্দিষ্ট কোনো উপসর্গ অনেক সময় চোখে পড়বে না। আর অন্যান্য ক্যানসারের থেকে ফুসফুস ক্যানসার বেশ মারাত্মক। কারণ, এতে লক্ষণ সহজে ধরা পড়বে না। নারীদের ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত রোগীর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা থাকলে এর হাত থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এটি এমন একটি অসুখ, যার কারণ হিসেবে চিকিৎসকেরা মূলত ধূমপানকে চিহ্নিত করেন। তা ছাড়া যাঁরা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন এবং যাঁদের পরিবারে ধূমপায়ী ব্যক্তি রয়েছেন, তাঁদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, পরোক্ষ ধূমপানের মাধ্যমেও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকেন এ রোগে।

সাধারণত গ্রামে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আর্থিকভাবে খুব একটা সচ্ছল নয়, সেসব রোগীর আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ বিড়ি। আবার পরিবেশের ধুলোবালু, হাইড্রোকার্বন থেকেও অনেকে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণত, জনবহুল নগরীগুলো, যেখানে প্রচুর ট্রাফিক, সেসব অঞ্চলে যানবাহনের কালো ধোঁয়া মানুষের নিশ্বাসের সঙ্গে ঢুকে পড়ছে। এ কারণে অনেক রকম কেমিক্যাল ফুসফুসে ঢোকার কারণে প্রচুর মানুষ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে।

শ্বাসযন্ত্রের সবচেয়ে মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যানসার
Tapos

তবে বর্তমানে ফুসফুস ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসার সুবিধা বাংলাদেশের প্রতিটি বড় শহরেই রয়েছে। ফুসফুসে ক্যানসার থেকে বাঁচতে হলে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় ক্রোমিয়াম, নিকেল, ক্যাডমিয়ামের কারণে যেন ক্ষতি না হয়, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেসব কর্মক্ষেত্রে যদি সঠিক নিয়ম মেনে চলা হয়, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আমাদের দেশে একসময় প্রচুর পরিমাণে ডিজেল ব্যবহার হতো, যা বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে। ডিজেল থেকে নির্গত ধোঁয়ার কারণে অনেক ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে।

ফুসফুস ক্যানসারের প্রথম ও প্রধান উপসর্গ হলো কাশি। সাধারণত, একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকলে তা ফুসফুস ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে মনে করা হয়। রোগীর যদি নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং তিনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এর আরেকটি উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা। বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। ফুসফুসে ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো বুকে ব্যথা হওয়া। অনেক সময় ক্যানসার হাড়ে ছড়িয়ে পিঠে ব্যথা ছড়াতে পারে। অনেকের আবার তা মাথায় ছড়িয়ে বমিভাব এবং লিভারে গিয়ে জন্ডিস হয়।

এ ছাড়া এটি ত্বকেও ছড়াতে পারে। আবার রোগীর খাবারে অরুচি ও অনীহা দেখা দেয়। কারও কারও দেহের ওজন অপ্রত্যাশিত ও অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। এগুলোই ফুসফুসে ক্যানসারের মূল উপসর্গ। এর কোনো একটি বা একাধিক উপসর্গ দেখা দিলে ফুসফুস ক্যানসার হিসেবে ধরে নিয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে হবে।

দৈনন্দিন

যেভাবে সুতি কাপড়ের যত্ন নিলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে

আরামদায়ক পোশাক পরতে হলে সুতি কাপড়ের বিকল্প নেই। কারণ সুতি হলো প্রাকৃতিক ফেব্রিক। তুলা থেকে তৈরি হয় সুতা। এরপর ওই সুতা থেকে তৈরি হয় সুতির পোশাক। তাই এই ফেব্রিকের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

সুতি কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে ভাঁজ করা পর্যন্ত নিয়ম মানা জরুরি। না হলে কাপড়ের আয়ু কমে যায়। এটির বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক সুতি কাপড়ের যত্ন নেবেন কীভাবে?

সুতি কাপড় ধোয়ার উপায়

>> সুতি কাপড়ের ফেব্রিক খুব সহজেই ছিঁড়ে যায়। তাই ঘঁষে ঘঁষে সুতির পোশাক না ধোয়াই ভালো।

>> প্রচণ্ড গরম পানিতেও কখনো ভেজাবেন না সুতির পোশাক। এতে পোশাকের রং নষ্ট হয়ে যাবে।

>> একটি সুতি কাপড় পরিধান করার একমাস পর ধোবেন না। পরার পরপরই ধুয়ে শুকিয়ে ভালোভাবে রেখে দিন।

>> যদি একবার পরেই কাচতে না চান, তবে তাকে রোদে দিতে হবে অবশ্যই। অন্তত এক ঘণ্টা রোদে দেবেন।

>> যদি সুতির পোশাকে কোনো দাগ হয়ে যায়, তবে আগে তা আলাদা করে তুলে নিন। তারপর সম্পূর্ণ জামাটি পরিষ্কার করুন।

>> সুতির পোশাকে আপনি মাড় দিতেই পারেন। তবে মাড় দেওয়ার পরই পানি ঝরিয়ে নিন।

শুকানোর সময় যা করবেন

>> খুব টানটান করে সুতির পোশাক মেলবেন না।

>> পানি ঝরিয়ে নিয়ে সুতির পোশাক মেলুন।

>> চড়া রোদে সুতির পোশাক দেবেন না। হালকা রোদে বা ছায়ায় সুতির পোশাক মেলবেন।

ইস্ত্রি করার সময় করণীয়

>> প্রথমে পোশাক উল্টে নিয়ে ইস্ত্রি করে তারপর সোজা পিঠে করুন।

আলমারিতে রাখার সময় করণীয়

>> পরিধান করার পর ভালোভাবে রোদে না শুকিয়ে বা ধুয়ে সুতির পোশাক কখনো ভাঁজ করে আলমারিতে রাখবেন না।

>> সুতির কাপড় আলমারিতে রাখার পর ওই স্থানে কিছু কালোজিরা দিয়ে রাখবেন। এতে পোশাক ভালো থাকবে। পোকা-মাকড় কাপড়ের ধারে-কাছে আসবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

টাক মাথায় চুল গজাতে পেয়ারা পাতার ব্যবহার!

অকালে চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাতে অনেকেই এটা-সেটা ব্যবহার করেন। এসব করেও মাথায় নতুন চুল গজাচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। মাথায় যাদের চুল কম বা টাক পড়ে গেছে; এমন মানুষেরা সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন।

চুল পড়ার রয়েছে অনেক কারণ। অনিয়মিত জীবন-যাপন, বংশগতভাবে টাক, কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার ইত্যাদি কারণে চুল পড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের কারণেও চুল পড়ার সমস্যাটি বেড়ে যেতে পারে।

এ ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগে অতিরিক্ত চুল পড়ায় মাথায় টাক পড়তে পারে। তবে চিন্তিত না হয়ে কার্যকরী উপায়ে চুল গজানোর জন্য প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানে ভরসা রাখুন।

তেমনই একটি উপাদান হলো পেয়ারা পাতা। নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন! পেয়ারা পাতায় আবার কীভাবে চুল গজাবে? প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় পেয়ারা পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলোয় ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স রয়েছে। যা চুল পড়া ঠেকাতে পারে। একই সঙ্গে এটি চুল গজাতেও সাহায্য করে।

তাই জেনে নিন পেয়ারা পাতা দিয়ে চুল গজানোর সহজ উপায়-

প্রথমে কিছু পেয়ারা পাতা একটি পাত্রে নিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে পানি ঠান্ডা হতে দিন। এবার আপনার মাথার ত্বকে পেয়ারা পাতা সেদ্ধ পানীয় ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এ উপায় অনুসরণ করলে ফলাফল কিছুদিনের মধ্যে টের পাবেন।

যদিও অনেক কারণে চুল পড়ে মাথা টাক হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ধরে যদি চুল পড়তে থাকে আর মাথা টাক হওয়া শুরু হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি এ টোটকা মেনে চুলের যত্নে পেয়ারা পাতা ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কালো চা দূর করবে মুখের কালচে দাগ

শারীরিক সুস্থতায় কালো চা পানের বিকল্প নেই। কালো চা আমরা সাধারণত লিকার হিসেবে (রং চা) অথবা দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করে থাকি। তবে রং চায়ে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কালো চা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তা ছাড়া নিয়মিত কালো পান করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। এমনকি যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান; তাদের জন্যও রং চা অনেক কার্যকরী। শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় বরং ত্বকের কালো দাগ দূর করতে পারে চা।

কালো চায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। চায়ের পলিফেনল হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার যম। যেকোনো জীবাণু ধ্বংসে কাজ করে কালো চায়ে থাকা উপাদানসমূহ। ত্বক ও চুলের যত্নে কালো চা ব্যবহারেই দেখবেন ম্যাজিকের মতো ফলাফল। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় কালো চায়ের ব্যবহার-

>> চোখের নিচের বলিরেখা ও কালচে দাগ দূর করতে ব্ল্যাক টি’র ব্যবহৃত ঠান্ডা ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন।

>> চুলের ঝলমলে ভাব আনতে শ্যাম্পু শেষে ব্ল্যাক টি লিকার দিয়ে ধুয়ে নিন।

>> মেহেদির সঙ্গে কালো চায়ের লিকার মিশিয়ে চুলে লাগালে রঙিন আভা চলে আসবে।

>> ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে ঠান্ডা টি ব্যাগ চেপে চেপে লাগান।

>> চুল লম্বা করতেও কালো চায়ের বিকল্প নেই! এজন্য কয়েকটি কালো চায়ের টি ব্যাগ এক কাপ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন শ্যাম্পু শেষে চুলের গোড়ায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিট চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর চুল শুকিয়ে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

তামার পাত্রে পানি পানের উপকারিতা

প্রাচীনকাল থেকে উপমহাদেশের মানুষ তামার তৈজসপত্র ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে পানি পানের জন্য তামার পাত্র প্রায় সব পরিবারেই ব্যবহার করা হত। তামায় আছে একাধিক গুণ, প্রতিদিন তামার পাত্রে পানি পান কীভাবে সুস্থ রাখে শরীর তা জেনে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কী আছে এই সোনার হোটেলে?

এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনা হচ্ছে এই সোনার হোটেলটি নিয়ে। কী আছে এই সোনার হোটেলে? দুবাইয়ের ‘বুর্জ আল আরব’ নামের এ হোটেলটি সম্পর্কে জানা যাক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com