আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

ফুল চাষিরা হতাশ, ছাড়তে হবে ব্যবসা!

ঢাকা (সাভার): ফুল, তাকে যে নামেই ডাকা হোক না কেনো তা সুবাস ছড়াবেই। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, সব ধরনের অনুষ্ঠানাদি সুন্দর করে সাজাতে ফুলের কোনো বিকল্প নেই। মনের ভালোবাসা প্রকাশেরও অন্যতম মাধ্যম এ ফুল।

একটি টাটকা ও সতেজ ফুল মানুষের মনকে প্রফুল্ল করে তুলতে পারে। তা বাগানে থাকুক অথবা ফুলদানিতে।

তাই মন ভালোর পাশাপশি অনেকেই জীবিকা নির্বাহের জন্যও ফুলের চাষ করে থাকেন। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ভালোবাসা দিবসসহ সব সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানে ফুলের চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।

সাভারের বিরুলিয়া, সাদল্যাপুর, শ্যমলাপুর, মৈস্তাপাড়া, আকরাইন এলাকায় গড়ে উঠেছে বড় বড় ফুলের বাগান। এসব ফুল চাহিদা মেটায় ঢাকা ও আশপাশের এলাকার। কিছু ফুল আবার চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেটেও যায়।

সন্ধ্যার পর শ্যমলাপুর ও মৈস্তাপাড়ায় বসে বিশল ফুলের হাট। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে ছুটে আসেন টাটকা ও সতেজ ফুল কেনার জন্য। অনেকেই আবার দেখার জন্য আসেন।
সাভারে ফুল চাষিরা হতাশ
ফুল চাষি রুহুল আমিন বাংলানিউজকে বলেন, ফুল চাষ করেই সংসার চলে। ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কিছুটা লাভের মুখ দেখলেও ব্যবসা থাকেনা বছরের অন্যান্য সময়গুলোতে।

তিনি বলেন, এক বিঘা জমিতে গ্লাডিয়াস চাষে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়। একটি গাছ থেকে ফুল পাওয়া যায় মাত্র একবার। সে হিসেবে প্রতিটি ফুল ১০ টাকার নিচে বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হয়। তার ওপরে এখন বাজারে আসতে শুরু করছে চায়না ফুল।

এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, চায়না ফুলের কারণে টাটকা ফুলের বাজার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চায়না ফুলের কোনো গন্ধ নেই, শুধু দূর থেকে দেখতেই সুন্দর লাগে। তাই বড় বড় অনুষ্ঠানে এখন শুধু চায়না ফুল লাগানো হয়। এমনভাবে চলতে থাকলে আমাদের ফুলের চাষ বন্ধ করে দিতে হবে। ছাড়তে হবে ফুলের ব্যবসা।
বর্তমানে ফুলের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে প্রতিনিয়ত হতাশায় ভুগছেন সাভারের একাধিক ফুল চাষি। তবু এর মধ্য দিয়েই তারা চাষ করছেন গোলাপ, গ্লাডিয়াস, জারবেরিসহ নানান প্রজাতির ফুল।

এ বিষয়ে চাষি রুহুল আমিন বলেন, সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিলে আমারা এ ব্যাবসা টিকিয়ে রাখতে পারবো। তা না হলে ফুল চাষ বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

ফুল

শীতেও কদমের শোভা

কদম ফোটে বর্ষায়। কিন্তু এই নভেম্বরের শীতেও কদমগাছে ফুল ফুটেছে। খুলনার বয়রায় দেখা মিলেছে সবুজ পাতার ভেতরে ফুটে থাকা কদমের। নগরের বয়রা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের বড় বয়রা সর্বজনীন পূজামন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে কদমগাছটি। সেখানে চোখে পড়ে ফুটে থাকা ফুল আর শোনা যায় পাখির কিচিরমিচির শব্দ। শিশু-কিশোররা অসময়ের এই কদমফুল পাড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। বৃক্ষ-প্রকৃতি বিষয়ে কাজ করা লোকজন বলছেন, প্রকৃতি অনেকটা বদলেছে। বর্ষা দীর্ঘায়িত হয়েছে, সঙ্গে গরমও থাকছে। সংক্ষিপ্ত হয়েছে শীত। তাই শীতের অদ্ভুত চমক হয়ে উঠেছে কদম ফুল। গতকাল বৃহস্পতিবার কদমফুলের ছবিগুলো তুলেছেন সাদ্দাম হোসেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

হেমন্তের সুন্দর ফুল দেবকাঞ্চন

লেখক

আমাদের দেশে যে কয়েক ধরনের কাঞ্চন ফুল দেখা যায়, তার মধ্যে দেবকাঞ্চন অন্যতম। হেমন্তের প্রায় বিবর্ণ প্রকৃতিতে এই ফুলের সৌন্দর্য প্রশ্নাতীত। ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব বড় শহরে এই ফুলের পরিকল্পিত বীথি থাকা প্রয়োজন। তাতে আমাদের চারপাশে হেমন্তের ফুলের দৈন্য কিছুটা হলেও কমবে। ঢাকায় রমনা পার্ক, শেরেবাংলা নগর, বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ বিভিন্ন পার্ক-উদ্যান এবং পাহাড়ি এলাকায় দেবকাঞ্চন দেখা যায়। তবে বনে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো দেবকাঞ্চন সংখ্যায় অনেক কম। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে বিক্ষিপ্তভাবে এই ফুল ফোটে। 

দেবকাঞ্চন, রক্তকাঞ্চন এবং সাদাকাঞ্চনের কাণ্ড ও পাতার গড়ন প্রায় একই, পার্থক্য শুধু ফুলে। এ কারণে ফুল না ফুটলে এদের আলাদা করা কঠিন। তবে অন্যান্য কাঞ্চন ফুলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে রক্তকাঞ্চনই বেশি আকর্ষণীয়। কাঞ্চনের পাতা তার অনন্য বৈশিষ্ট্য। দুটি পাতা জোড়া দিলে দেখতে যেমন, পাতার শেষ প্রান্ত অবিকল সে রকম। এ কারণেই কাঞ্চনের বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশ দুই যমজ উদ্ভিদবিজ্ঞানীর নাম থেকে নেওয়া। তারা ষোড়শ শতকের বিখ্যাত উদ্ভিদবিজ্ঞানী ছিলেন।

দেবকাঞ্চন (Bauhinia purpurea) মাঝারি আকারের অর্ধচিরসবুজ গাছ, ৮ থেকে ১০ মিটার উঁচু, মাথা ছড়ানো। পাতা মাথার দিকে ২-বিভক্ত, লতির আগা চোখা ও ভোঁতা। ফুল ৬ থেকে ৮ সেন্টিমিটার চওড়া, সুগন্ধি, সাদা বা বেগুনি। কয়েকটি একত্রে একটি ডাঁটায়, ফোটে হেমন্তে, সারাগাছ ভরে। অসমান ও লম্বাটে পাঁচটি পাপড়ি, মুক্ত। শুঁটি ১০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, শিমের মতো। বীজ ১২ থেকে ১৬টি। ফুল অবশিষ্ট থাকতে থাকতেই শিমের মতো চ্যাপ্টা ফল ধরে। ফলগুলো একসময় শুকিয়ে গিয়ে আপনাআপনিই ফেটে যায়। তখন বীজগুলো ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের শুস্ক অঞ্চলের অরণ্যভূমিতে এদের আদি আবাস। কাঞ্চনগাছের বাকল থেকে ট্যানিং, রং ও দড়ি তৈরি করা যায়। বীজ তেল সস্তা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। গাছের শিকড় বিষাক্ত এবং সর্পদংশনের প্রতিষেধক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

যেসব ঔষধি গাছ রোগ সারাবে

প্রাচীন আমল থেকে উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানান রকমের ঔষধি গাছ দিয়ে চিকিৎসা করা হত। এখনও হচ্ছে। এসব ও গাছের অধিকাংশই আমাদের আশপাশে অযত্নে, অবহেলায় জন্মে। অনেক গাছ আবার সংরক্ষণের অভাবে হারিয়েও যাচ্ছে। বিশেষ করে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি ওষুধের ক্ষেত্রে এসব গাছের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

সজনে: উচ্চ রক্তচাপ ও লিভারের সমস্যায় সাজনার পাতা ও ফল ব্যবহার হয়। সজনে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। কাঁচা রসুনের সঙ্গে সজনে গাছের পাতা একসাথে মিলিয়ে খেলে বাতের ব্যথা উপশম হয়। এছাড়া এই গাছের পাতা ও ফল অনেক পুষ্টিকর বলে গবেষণায় দেখা গেছে। রুচি বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

মেন্দা: দেশের অঞ্চলভেদে চাপাইত্তা, কারজুকি, রতন, খারাজুরা নামেও পরিচিতি রয়েছে এই গাছটির। গ্রামাঞ্চলে এখনো পেটের পীড়া, রক্ত-আমাশা হলে পাতা বেটে পানিতে মিশিয়ে দুইবেলা খাওয়া হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এই গাছের বাকল ও পাতা উভয়ই ব্যবহার করা হয়। একসময় হাড় ভেঙ্গে গেলে ছালের মিশ্রণ স্থানীয়ভাবে প্লাস্টারিংয়ে ব্যবহার করা হতো। অনেক সময় বুকের ব্যথার জন্য মালিশ করা হয়।

ভাট ফুল: কৃমিনাশক এবং ডায়রিয়ার জন্য কাজ করে। কাঁচা হলুদের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। যাদের চর্ম রোগ রয়েছে, তারা এই ফুলের রস মালিশ করে উপকার পেয়েছেন।

নিম: ডায়াবেটিসের রোগীরা অনেকে নিমের পাতা শুকিয়ে ছোট ছোট ট্যাবলেট বানিয়ে সকাল বিকেল খেয়ে থাকেন। এছাড়া বহুকাল থেকে চিকেন পক্স, চামড়ার অ্যালার্জির মতো সমস্যায় নিমের পাতা গরম পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পোকা মাকড়ের কামড়ের ক্ষত হলে, সেখানে নিম আর হলুদের রস একসাথে মিশিয়ে লাগানো হয়। দাঁতের ব্যথার জন্য নিমের ডালের রস ব্যবহার করা হয়।

তুলসী: বিশেষ করে গ্রামের অনেক বাড়িতেই দেখা যায় তুলসী গাছ। সর্দিজনিত রোগে এই গাছটির পাতা খাওয়া হয়। অনেকে চায়ের সঙ্গেও ভিজিয়ে খান। বলা হয়ে থাকে, তুলসী পাতা ভেজে ঘি দিয়ে নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

চিরতা: এটি অনেক স্থানে কালমেঘ নামেও পরিচিত। ডায়াবেটিস রোগীরা খেয়ে থাকেন। পাতাগুলো গুড়ো করে পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে অনেকে খান। পেট খারাপ, ডায়রিয়া, জ্বর ও বাত ব্যথার ক্ষেত্রে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া হয়।

পাথরকুচি: গ্রামে একটা প্রচলিত ধারণা আছে, পাথরকুচি কিডনির পাথর ভাঙ্গতে সহায়তা করে, যদিও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি। তবে ব্যবহারকারীরা গবেষকদের কাছে বলেছেন, জ্বর ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যায় পাথরকুচির পাতা বেটে খেয়ে তারা উপকার পেয়েছেন। চামড়ার অ্যালার্জির জন্যও এটি বেটে ব্যবহার করা হয়। ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় পাথরকুচির পাতার রস ব্যবহার করা হয়।

কালোকেশী: প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে এই গুল্মজাতীয় গাছটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি চুল পড়া বন্ধ করতে সহায়তা করে বলে বিশ্বাস করা হয়। ড. তাহমিনা হক বলছেন, গবেষণার সময় অনেকে বলেছেন, মেয়েদের মাসিকের সমস্যায় অনেকে পাতার রস খেয়ে থাকেন। বৈজ্ঞানিকভাবে এটা ছত্রাকরোধী বা অ্যান্টিফাঙ্গাল হিসাবে প্রমাণিত হয়।

বাসক: ঠান্ডার জন্য, ফুসফুসের নানা সমস্যায় বাসক পাতার রস ফুটিয়ে সেই রস বা পানি খাওয়ানো হয়। শ্বাসনালীর সমস্যায় লালাগ্রন্থিকে বাসকের রস সক্রিয় করে বলে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে। তবে অধিক মাত্রায় খেলে বমি ভাব হতে পারে।

অর্জুন: এই গাছের মূল, ছাল, কাণ্ড, পাতা, ফল ও ফুল ওষধি হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হৃদরোগ, বুকে ব্যথার জন্য অর্জুনের ছাল গুড়ো করে খেয়ে থাকে। অর্জুনের গুড়ো বাসক পাতার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়। মচকে গেলে বা হাড়ে চিড় ধরলে রসুনের সঙ্গে মিশিয়ে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

জবা: পেট খারাপের জন্য জবা গাছের পাতা ও ফুল গরম ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। জন্ডিসের জন্য পাতার জুস খাওয়া হয়। ফুলের রস নারীরা মাসিক ও স্রাবজনিত সমস্যার জন্য খেয়ে থাকেন।

লজ্জাবতী: অনেকে একে লাজুক লতা বা অঞ্জলিকারিকাও বলে থাকেন। এই গাছের শেকড় বেটে গুড়ো করে ডায়রিয়ার জন্য খাওয়া হয়ে থাকে। পাতা ঘা-পাঁচড়া নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। গাছের পাতা ও ফুল বেটে শরীরের ক্ষতের স্থানে ব্যবহার করা হয়। বাতজ্বর বা হাড়ের ব্যথায়ও এই গাছটি বেটে দিলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া আমাশয়, হাত-পায় জলুনির জন্য অনেকে লজ্জাবতী গাছের মিশ্রণ ব্যবহার করেন।

দুর্বা ঘাস: মাঠে, ঘাটে, রাস্তার এই ঘাস অবাধে জন্মালেও অনেকেরই এর ওষধি গুণের কথা জানা নেই। রক্তক্ষরণ, আঘাতজনিত কেটে যাওয়া, চর্ম রোগে এই ঘাসের রস অনেক উপকারী। কোথাও কেটে গেলে এই পাতার রস লাগালে রক্তপাত তাৎক্ষণিক বন্ধ হয়ে যায়। এতে অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বলে গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

ধুতুরা: এটা অনেকে অ্যাজমার জন্য ব্যবহার করতেন। পাতা শুকিয়ে গুড়ো করে ধোয়া তৈরি করে সেটা শোকা হতো।

থানকুনি: এটি সম্ভবত বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি ওষধি উদ্ভিদ। খুবই সাধারণ যেকোনো পেটের ওষুধের জন্য থানকুনি পাতা কার্যকরী। এটা পাতা বেটে রস বা ভর্তা করে খাওয়া হয়। এই পাতা হজম শক্তি বাড়ায়, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে, চুল পড়া কমায়, ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

স্বর্ণলতা: জন্ডিস নিরাময়, তলপেটের ব্যথা কমানো, ও ক্ষত উপশমে এই লতা কাজ করে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। লতা সেদ্ধ করে পানি খাওয়া হয়। এই লতার পানি পিত্তনাশক ও কৃমি দমনে সহায়তা করে। ব্যাকটেরিয়া দমনেও এটি সহায়ক। তবে এই পাতার রস অনেক সময় গর্ভপাত, বা প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে দেয় বলেও

শতমূলী: শতমূলী উচ্চমানের ফলিক এসিড ও পটাশিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস। এতে ফাইবার, ভিটামিন এ ও ভিটামিন বি রয়েছে। এটি বন্ধ্যাত্ব নিরাময় ও শক্তিবর্ধক হিসাবে কাজ করে। সেই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

বিলিম্বি: কামরাঙ্গা গোত্রের একটি ফল হলেও এটি আলাদা ধরণের একটি ফল। এই ফল ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে প্রমাণিত। গবেষণায় দেখা গেছে, এর ভেতরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। চুলকানি নিরাময়, মাম্পস, চামড়া ফাটা, যৌনরোগ চিকিৎসায় অনেক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক এই গাছের ফল ও পাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে যাদের কিডনির রোগ রয়েছে, তাদের জন্য এই ফল বা পাতা ক্ষতিকর।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ও ‘ঢ্যাপ’

এক সময় খাল বিলে অজস্র শাপলা ফুল দেখা যেত। লাল কিংবা সাদা শাপলা ফুল দেখে মুগ্ধ হন না, এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল। আর তার সাথে সাথে বিপন্নের পথে জলাভূমির ফল ‘ঢ্যাপ’। শাপলার ফলকেই ‘ঢ্যাপ’ বলা হয়। কিছু কিছু আঞ্চলিক নাম ‘ভেট’ বলা হয়।

এক সময় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটা বিরাট অংশ শাপলা ফুলের ডাঁটা তরকারি হিসেবে খেতেন। শুধু তাই নয়, এই ‘ঢ্যাপ’ আমাশয়, বদহজম এবং রক্ত আমাশয় নিরাময়ের জন্য বেশ কার্যকরী বলেও প্রচলিত রয়েছে গ্রামে।কিন্তু ‘শাপলা ফল’ বা ‘ঢ্যাপ’ প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এখন।মাঝে-মধ্যে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামের বাজারগুলোতে ‘ঢ্যাপ’ বিক্রি করতে দেখা যায়। হাতীবান্ধার উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের বাজারে খণ্ডকালীন ঢ্যাপ বিক্রেতাদের একজন মনসুর আলী। তিনি উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি জানান,সানিনাজান ইউনিয়নে কিছু বিলে এখন স্বল্প পরিসরে শাপলা হয়। সেখান থেকেই তিনি শাপলার ফলি ও ঢ্যাপ সংগ্রহ করনে। এক হালি বা ৪টি ঢ্যাপের মূল্য ১০-১৪ টাকা দাম। প্রতিবছর তিনি এই সময়ে এই ফল বিক্রি করেন।

জানা গেছে, হাতীবান্ধা  উপজেলায় এক সময় অসংখ্য খাল-বিল ছিল। এর মধ্যে সানিয়াজান ইউনিয়নে ও হাতীবান্ধার কিছু সতি তে এসব ফুল পাওয়া যেতো বেশি । এসব খাল-বিলে প্রচুর পরিমাণে শাপলা ফুল ফুটত। এতে পাওয়া যেত প্রচুর পরিমাণে ঢ্যাপ। কিন্তু আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে যাচ্ছে বিল। তার সাথে সাথেও হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ।

শাপলার ফল বা ঢ্যাপ দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খই ভাজা হয়। যেটি গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কাছে ‘ঢ্যাপের খই’ নামে পরিচিত। এই ঢ্যাপের মধ্যে অসংখ্য বীজদানা থাকে। এসব বীজদানা রোদে শুকিয়ে চাল তৈরি করা হয়। ঢ্যাপের পুষ্টিকর চাল থেকে তৈরি করা খই ও নাড়ু অত্যন্ত সুস্বাদু।

খাল-বিল ও জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক জলাভূমিগুলো ধ্বংসই এ সুস্বাদু ঢ্যাপ বিলুপ্তি হচ্ছে বলে উপজেলার অনেকেই মনে করেন।

উপজেলা কৃষক জব্বার মিয়া বলেন, যখন অভাব দেখা দিত তখন আমরা শাপলার ভেট দিয়ে ভাত ও খই বানিয়ে খেতাম। কিন্তু এখন তো এইগুলো দেখাই যায় না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

সানজিদার বেলকনি বাগান

সৈয়দা সানজিদা জাহান পেশায় ব্যাংকার হলেও ভীষণ প্রকৃতিপ্রেমী। কাজের অবসরে বাগান করতে পছন্দ করেন তিনি। ছবিতে দেখুন সানজিদার বেলকনি বাগান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com