আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

রাবিতে ফুলের আড়ালে পপি চাষ!

রাবিতে ফুলের আড়ালে পপি চাষ!
রাবিতে ফুলের আড়ালে পপি চাষ!

আফিম তৈরির কাঁচামাল খ্যাত পপি চাষ নিষিদ্ধ হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফুলের আড়ালে পপি চাষ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন থেকে শুরু করে আবাসিক হলগুলোতে ফুলের বাগানের মধ্যে পপি চাষ করা হচ্ছে। গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিষয়টি জানতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে পপি গাছ নির্মূল করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে সাদা, লাল, গোলাপি ও হলুদ ফুলের পপি চাষ হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, সৈয়দ আমীর আলী হল, মতিহার হল, মাদার বখশ হল, শহীদ শামসুজ্জোহা হল, শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক হল, প্রাধ্যক্ষের বাসভবন ও মমতাজ উদ্দিন কলাভবন ও উপাচার্যের বাসভবনে রয়েছে নিষিদ্ধ এই পপি গাছ। অন্যান্য ফুলের আড়ালে পপি চাষ হলেও নজর নেই প্রশাসনের।

চাষ হওয়া গাছের ছবিসহ কয়েকটি ফুল ও ফল দেখালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুর হোসেন এটিকে নিষিদ্ধ পপি গাছ বলে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে পপি গাছ আছে তা আমি আগে জানতাম না। তবে এ বিষয়গুলো নিয়ে প্রশাসনের আরও সচেতন হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জানি না। তাই মন্তব্য করতে পারছি না। ঘটনা সত্য হয়ে থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

দৈনন্দিন

ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল

ফুল দিয়ে ঘর সাজাতে কে না ভালোবাসে? আর তাইতো ফুলদানিতে ঠাঁই পায় নানা ধরনের ফুল। কিন্তু সেই ফুল কিনে আনার কয়েক ঘণ্টা পরই মিইয়ে যায়। জেনে নিন ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল।

১. বাহারি গোলাপ ফুল দিয়ে ফুলদানি সাজাতে পছন্দ করেন? তাহলে অতি অবশ্যই খেয়াল রাখুন, গোলাপ ফুলের পুরো কাণ্ডটি যেন কোনওভাবেই পানির তলায় ডুবে না থাকে। গোলাপ ফুলের কাণ্ড বেশি ছোট করে কাটবেন না। তাহলে দীর্ঘ দিন তাজা থাকবে।

২) ফুল ভাল রাখতে মাঝেমাঝেই ফুলদানিতে রাখা ফুলের উপর পানি স্প্রে করুন। এতে ফুল দেখতে তাজা লাগবে। সহজে নষ্টও হবে না।

৩) ফুলদানিতে ফুল রাখার সময়ে যে পানি রাখেন, তাতে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ফুল ভাল থাকে।

৪) যে ফুলগুলো ফুলদানিতে রাখছেন, সেগুলোর সঙ্গে রাখা পাতাগুলোকে আগেই ছেঁটে ফেলে দিন। পাতা ছাড়া রাখলে ফুল বেশি ভাল থাকে।

৫) ফুলদানির পানি পাল্টানোর অভ্যাস নেই তো? ফুল কিন্তু এইকারণেও শুকিয়ে যেতে পারে। দুইদিন অন্তর ফুলদানির পানি পাল্টে ফেলুন।

৬) ফুল বাছার সময়ে বড় ফোটা ফুল না বেছে, কুঁড়ি বাছুন। তা বেশিদিন থাকবে। আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ফুলদানি রাখলে ফুল ভাল থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

সহজ উপায়ে যেভাবে বেলি ফুল চাষ করবেন

সুবাসের জন্য বেলি ফুলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। আমাদের দেশের অধিকাংশ উৎসব অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত ফুলের তোড়া, ফুলের মালায় সুগন্ধী ফুল হিসেবে বেলির বেশ কদর রয়েছে। শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই নয়, এটি বর্তমানে একটি অর্থকরী ফুল হিসেবে বিবেচিত। এটি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন নার্সারিতে।

আমাদের দেশে তিন জাতের বেলি ফুল দেখা যায়। এগুলো হচ্ছে সিঙ্গেল ও অধিক গন্ধযুক্ত, মাঝারি আকার ও ডবল এবং বৃহদাকার ডবল ধরনের।

বেলি ফুল গুটি কলম, দাবা কলম ও ডাল কলম পদ্ধতির মাধ্যমে বংশবিস্তার করা হয়। জমি চাষ ও সার প্রয়োগ বেলে মাটি ও ভারী এঁটেল মাটি ছাড়া সব ধরনের মাটিতে বেলি ফুল চাষ করা যায়। জমিতে পানি সেচ ও পানি নিকাশের ব্যবস্থা থাকা ভালো।

জমি চার-পাঁচবার চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরা সমান করতে হবে। জমি তৈরির সময় জৈব সার, ইউরিয়া, ফসফেট এবং এমপি প্রয়োগ করতে হবে। প্রায় ১ মিটার অন্তর চারা রোপণ করতে হবে। চারা লাগানোর পর ইউরিয়া প্রয়োগ করে পানি সেচ দিতে হবে।

গ্রীষ্মের শেষ হতে বর্ষার শেষ পর্যন্ত বেলি ফুলের কলম বা চারা তৈরি করা যায়। চারা থেকে চারা ও সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সেন্টিমিটার হতে হবে। চারা লাগানোর জন্য গর্ত খুঁড়ে গর্তের মাটির রোদ খাইয়ে, জৈব সার ও কাঠের ছাই গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করতে হবে। এরপর প্রতি গর্তে বেলির কলম বসাতে হবে। বর্ষায় বা বর্ষার শেষ দিকে কলম বসানোই ভালো। তবে সেচের ব্যবস্থা ভালো হলে বসন্তকালেও কলম তৈরি করা যায়।

জৈব পদার্থযুক্ত দো-আঁশ মাটিতে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপি সার পরিমাণ মতো মিশিয়ে টবে বেলি ফুলের চাষ করা যায়। টব ঘরের বারান্দা বা ঘরের ছাদে রেখে দেওয়া যায়।

যেভাবে বেলি ফুলের গাছের পরিচর্যা করবেন
বেলি ফুলের চাষে জমিতে সব সময় রস থাকা দরকার। গ্রীষ্মকালে ১০-১২ দিন পরপর শীতকালে ১৫-২০ দিন পর পর ও বর্ষাকালে বৃষ্টি সময়মতো না হলে জমির অবস্থা বুঝে দু-একটি সেচ দেওয়া দরকার।

বেলি ফুলের বাগানে আগাছা দমনের দিকেও নজর দিতে হবে। জমি বা টব থেকে নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। খড় কেটে কুচি করে জমিতে বিছিয়ে রাখলে সেচের প্রয়োজন কম হয় এবং আগাছাও বেশি জন্মাতে পারে না।

অন্যদিকে প্রতি বছরই বেলি ফুলের গাছের ডালপালা ছাঁটাই করা দরকার। শীতের মাঝামাঝি ডাল ছাঁটাই করতে হবে। মাটির উপরের স্তর থেকে ৩০ সেন্টিমিটার উপরে বেলি ফুলের গাছ ছাঁটাই করতে হবে। অঙ্গ ছাঁটাইয়ের কয়েক দিন পর জমিতে বা টবে সার প্রয়োগ করতে হবে।

রোগবালাই দূর করবেন যেভাবে

বেলি ফুল গাছে ক্ষতিকারক কীট-পতঙ্গ তেমন দেখা যায় না। মাকড়ের আক্রমণ হতে পারে। এদের আক্রমণে পাতায় সাদা আস্তরণ পড়ে, আক্রান্ত পাতাগুলো কুঁকড়ে যায় ও গোল হয়ে পাঁকিয়ে যায়।

গন্ধক গুঁড়া বা গন্ধকঘটিত মাকড়নাশক ওষুধ যেমন- সালট্যাফ, কেলথেন পাতায় ছিটিয়ে মাকড় দমন করা যায়। বেলি ফুলের পাতায় হলদে বর্ণের ছিটে ছিটে দাগযুক্ত এক প্রকার ছত্রাক রোগ দেখা যায়। এগ্রোসান বা ট্রেসেল-২ প্রয়োগ করে এ রোগ দমন করা যায়।

ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত গাছে ফুল ফোটে। সাধারণত ৫-৬ বছর পর গাছ কেটে ফেলে নতুন চারা লাগানো হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

অপূর্ব বুনো শিম

ছেলেবেলায় গ্রামবাংলায় পথে-মাঠে ফুটে থাকা শিম ফুলের থোকা এবং এর মিষ্টি রং দারুণ মোহিত করত। শিমলতায় ফুল ফুটলে ফুলের থোকায় আনাগোনা করত পিঁপড়ার দল। তা ছাড়া মৌমাছি, ভ্রমর, দুর্গাটুনটুনি শিম ফুলের থোকায় মধু নিতে উড়ে আসত। শিম ফুল বা ফল পাড়তে গিয়ে পিঁপড়ার কামড় খাওয়ার অভিজ্ঞতাটা হয়তো অনেকেরই আছে। দুরন্ত ছেলেবেলায় কয়েকটি শিম ফুলের থোকা হাতে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ফুলের নানান অংশ ছিঁড়ে দেখতে ভালো লাগত। ফুলের মিষ্টি রং এবং গঠন এ কাজ করতে উৎসাহ দিত।

শরতের কোনো এক দুপুরে সাগরপাড় ধরে হেঁটে চলেছি। ঝকঝকে নীল আকাশ।কিছু দূরের সাগরের জলও নীল। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে পথ হাঁটার ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। বঙ্গোপসাগরের তীরের গাছপালা ও পাখি দেখার জন্য টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে হাঁটা শুরু। পুরো কক্সবাজার জেলার উপকূলেই প্রায় এক সপ্তাহ পথ চলতে হবে। সেই পথে দেখা হয়েছিল প্রকৃতির নানান অনুষঙ্গের সঙ্গে। সাগরের ঢেউয়ের আবেদন, উপকূলের ঘাসবন, ঝোপঝাড়, মহিষের পাল, শঙ্খচিলের ডাক এবং অজানা কিছু ফুলের রঙের সঙ্গে। যাদের সঙ্গে আগে কখনোই দেখা হয়নি! তবে তারা কলমি, ঝুমকো এবং শিম ফুল গোত্রীয় সদস্য।

টেকনাফ থেকে হিমছড়ি সৈকতে আসার পথেই সাগরতীরে দেখা হয় মিষ্টি গোলাপি রঙের এক ফুলের সঙ্গে। কী অপূর্ব তার রং এবং সৌন্দর্য। সে ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম Canavalia rosea। ফুলের রঙের সঙ্গে মিল রেখেই ল্যাটিন নামের শেষে রোসিয়া জুটেছে। ইংরেজি নাম বিচ-বিন, বে বিন, সি-সাইড জ্যাকবিন ও কোস্টাল জ্যাকবিন। সাগরের বেলাভূমিতে জন্মে যে কারণেই এ নাম। ফলের বীজ ভেসে থাকার উপযোগী, সমুদ্রস্রোতের মাধ্যমে বীজ নানা প্রান্তে পৌঁছে যেতে পারে। যে কারণে এটি ছড়িয়ে পড়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকায়। বাংলাদেশে এটির উপস্থিতি ঠিক কখন বলা মুশকিল। কেবল দেশের কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকত এবং সেন্ট মার্টিন দ্বীপেই আমি দেখেছি। উপকূলের অন্যান্য জেলায় চোখে পড়েনি।বিজ্ঞাপন

বিচ বিন একটি প্যানট্রপিক্যাল প্রজাতি। উদ্ভিদ বীরুৎ এবং ভূমির ওপর লতা ছেয়ে যায়। পাতা যৌগিক এবং তিনটি পত্রকে সন্নিবেশিত। এটি অত্যন্ত লবণ সহনশীল একটি ধাবমান বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বেলেময় ও পাথুরে সমুদ্রতীরই এদের আদর্শ বাসস্থান। কোনো স্থানীয় নাম জানা যায়নি। তবে এটাকে বুনো শিম বলা যেতে পারে।

বিচ বিন ভূমিক্ষয় রোধের জন্য উপকারী। এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে গবেষণা করা যায়। পাতা, ফুল ও বীজের ভেষজ গুণ রয়েছে। বীজ আমিষের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে ব্যবহার করে পশ্চিম আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার অধিবাসীরা। প্রজাতিটির সঙ্গে কিছু ব্যাকটেরিয়ার মিথোজীবী সম্পর্ক রয়েছে। এসব ব্যাকটেরিয়া শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত হয়, যা ভূমিতে বায়বীয় নাইট্রোজেন আত্তীকরণে কাজ করে ভূমির উর্বরতা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে লতাটির বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় এবং কাছে জন্মানো উদ্ভিদেরও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কচি শিম সেদ্ধ করে খাওয়া হয়। কোথাও ফুলের পাপড়িও খাওয়ার চল রয়েছে। শুকনো পাতা চাটনির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার চুল বাড়ায় শিউলি ফুল!

লেখক

সকালে শিশির মাখা শিউলি ফুল দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। শিউলি মূলত শরতেরই ফুল। তবে শিউলির শোভা ও সৌরভ হেমন্তেও কিছুটা থাকে।

রূপেগুণে পরিপূর্ণ এই ফুল। সুবাস ছড়ানোর পাশাপাশি নানা রকম ওষুধি গুণে ভরপর এই ফুল। অনেকের কাছে এই ফুলটি খুবই প্রিয়। নানা কাজে শিউলি ফুল ব্যবহার করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক শিউলি ফুলে গুণগুলো।

আর্থারাইটিস ও সাইটিকার ব্যাথা সারাতে: প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দুটি শিউলি ফুলের পাতা ও দুটি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ও সাইটিকার ব্যাথা কমবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যাথা দূর হবে।

ব্রণের সমস্যা সমাধানে: ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

গলার আওয়াজ: কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায়? তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

জ্বর কমাতে: জ্বর কমাতে বেশ সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কৃমি ও মেদ সমস্যা সমাধানে: শিউলিফুলের পাতার  রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েকদিন খান। কৃমি সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।

ম্যালেরিয়ার পর: গবেষণা দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে। 

মাথার চুল বাড়ায়: শিউলি ফুলের পাতা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাতা ফেলে দিয়ে তেল সংরক্ষন করুন। এই তেলের ব্যবহারে আপনার মাথার চুল বাড়তে পারে।

শিউলি গাছের নির্যাস প্রাণীদের পাকস্থলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া মানব দেহে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা গবেষণায় পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শিউলি গাছের যাবতীয় অংশ সেবন করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে পদ্ম চাষ করে দ্বিগুণ মুনাফা অর্জন করুন

পশ্চিমবঙ্গ তথা সমগ্র দেশ জুড়ে প্রায় সব জায়গাতেই এই ফুলের চাষ হয়। বাংলার ‘ক্ষীরাই’ অঞ্চল পদ্মফুলের উপত্যকা বলে বহুদিন ধরে বিখ্যাত। সমগ্র রাজ্যের পদ্ম ফুলের ৫০ শতাংশ এই অঞ্চলেই চাষ হয়। পশ্চিমবঙ্গের দুই মেদিনীপুর, বাগনান, হুগলী, দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং রূপনারায়ণ নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলিতে উন্নত মানের পদ্ম চাষ হয়। পদ্মফুল সাধারণ জমিতে বা জলাশয়ে চাষ হয়। বাড়িতেও অনেক সৌখিন মানুষ পদ্ম ফুলের চাষ করে থাকেন।  

পদ্ম চাষ (Lotus Farming) –

পশ্চিমবঙ্গের অনেক কৃষক নিজস্ব জলাভূমিতে পদ্মের চাষ করেন। পদ্ম ফুলের চাষ’ পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে। ব্যবসায়ের দৃষ্টিকোণ থেকে এটির জন্য বেশ চাহিদা রয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, বিভিন্ন রাজ্যের কৃষক পদ্ম চাষে প্রগতিশীলতা দেখিয়েছেন। বাংলার পদ্ম ফুল বাইরের বেশ কয়েকটি রাজ্যে রফতানি হয়, যারমধ্যে রাজস্থান, পাঞ্জাবের নাম উল্লেখযোগ্য।

চাষের উপযুক্ত সময় (Cultivation Time) –

জুলাই-অগাস্ট মাসে পদ্ম চাষ করা হয়। পদ্ম ফুল মূলত লাল, গোলাপী, হলুদ, সাদা এই রংগুলিতেই অধিক পরিমাণে বাজারে মেলে। গাছগুলি বীজ বা কন্দ থেকে জন্মাতে পারে। প্রথমে বীজগুলিকে ক্লোরিনমুক্ত উষ্ণ জলে রাখতে হবে। পদ্মের বীজ থেকে কন্দ না বের হওয়া পর্যন্ত নিয়ম করে জল পরিবর্তন করা উচিত। লক্ষ্য রাখতে হবে কন্দ যেন জলে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং যথেষ্ট সূর্যের আলো পায়। বীজ থেকে কন্দ বার হওয়ার সপ্তাহ কয়েক হওয়ার পরেই তা রোপণ করার জন্য তৈরী হয়ে যায়। পাতা বড় হতে শুরু করলে উদ্ভিদ গভীর জলে রোপণের জন্য সাধারণত তৈরী হয়ে যায়।

বীজ থেকে বৃদ্ধি –

পদ্ম ফুল সাধারণত বিভিন্ন আকার এবং লাল, গোলাপী, হলুদ, সাদা ইত্যাদি বর্ণে উপলব্ধ। গাছগুলি বীজ বা কন্দ থেকে জন্মাতে পারে। বীজ থেকে বৃদ্ধির জন্যে বীজগুলিকে উষ্ণ জলে রাখতে হবে, মনে রাখবেন, এই জলে যেন ক্লোরিন না থাকে এবং পদ্মের বীজ থেকে কন্দ না বের হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন অবশ্যই জল পরিবর্তন করতে হবে। কন্দ যেন জলে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায়। কন্দ বেরনোর পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তা রোপণের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। এর পাতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে উদ্ভিদ গভীর জলে রোপণের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। ছোট ধরণের পদ্মের জন্য মাটির উপরের অংশ থেকে কেবল ১ থেকে ৬ ইঞ্চি জল প্রয়োজন, তবে বড় জাতের গাছগুলিতে ১ মিটার পর্যন্ত জল প্রয়োজন হতে পারে।

পদ্ম চাষের জন্য কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত: (Lotus Cultivation Precautions)

বীজ থেকে পদ্মের চাষ করতে হলে বৃদ্ধির প্রথম বছরে নিষিক্ত করা যাবে না। পদ্ম কন্দে ছ’টি পাতা ফোটার পরে সার প্রয়োগ শুরু করা উচিত।প্রতি তিন থেকে চার সপ্তাহ বাদে বাদে সার প্রয়োগ করতে হবে। উদ্ভিদ সুপ্ততা প্রস্তুতির জন্য জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে প্রয়োগ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। তরল কীটনাশক পদ্ম চাষের উপযুক্ত নয়, এই বিশেষ শ্রেণীর কীটনাশক প্রয়োগে পদ্ম পাতা পুড়ে যেতে পারে। মিলডিউ এবং রটিং থেকে পদ্মকে বাঁচাতে লাইভ স্প্যাগনাম মশে সংরক্ষণ করা উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com