আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

ফাহিম সালেহ: নিউইয়র্কে খুন হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত টেক মিলিওনিয়ার অল্প বয়সেই সুপরিচিত ছিলেন উদ্যোক্তা জগতে

ফাহিম সালেহ
ফাহিম সালেহ

নিউইয়র্কে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে নৃশংসভাবে খুন হওয়া ফাহিম সালেহ নিজের সম্পর্কে ওয়েবসাইটে লিখেছিলেন অন্ট্রেপ্রেনিওর, ইনভেস্টর, ড্রিমার অর্থাৎ উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, স্বপ্নবাজ।

ঢাকায় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী হুসেইন এম ইলিয়াস বলছিলেন যে সত্যিকার অর্থেই একজন স্বপ্নবাজ মানুষ ছিলেন ফাহিম সালেহ।

‘পাঠাও’ নামের যে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়, তার প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন ফাহিম সালেহ। আরেকজন হলেন হুসেইন এম ইলিয়াস।

“খুব কম মানুষই এতো তাড়াতাড়ি কিংবা এতো অল্প বয়সে সফল হয়েছিলেন। এর কারণ হলো খুবই উদ্যমী ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন তিনি,” বিবিসি বাংলাকে বলেন হুসেইন ইলিয়াস।

“এক জায়গায় আটকে থাকতেন না তিনি। এজন্যই একটার পর একটা উদ্যোগ নিয়েছেন। কোনটায় সফল হয়েছেন, আবার কোনটায় হননি। কিন্তু হাল ছাড়েননি।”

ফাহিম সালেহ বাংলাদেশি বাবা-মায়ের সন্তান হলেও বাংলাদেশে খুব একটা থাকেননি। ইনফরমেশন সিস্টেম নিয়ে পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

মাত্র ৩৩-বছর বয়সে যে অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন তিনি, তার দাম বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি টাকা। নিজের কেনা অ্যাপার্টমেন্টে খুন হওয়া ফাহিম সালেহ বড় হয়েছেন নিউইয়র্কেই, এবং পেশায় ছিলেন ওয়েবসাইট ডেভেলপার।

সেখানকার গণমাধ্যম তাকে চিহ্নিত করেছে “টেক মিলিওনিয়ার” হিসেবে।

“খুব অল্প বয়সেই কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। ১৫/১৬ বছর থেকে আমেরিকাতেই কাজ শুরু করেন – আইটি ফিল্ডেই। ফলে ২০১৪ সালে যখন ঢাকায় আসেন, তার আগেই প্রযুক্তির বিশ্বে তিনি পরিচিত ব্যক্তি, এবং সেটা তার কাজের জন্যই,” বলছিলেন মিস্টার ইলিয়াস।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

পাঠাও প্রতিষ্ঠার আগেই ফাহিম সালেহ ঢাকায় দু’টি প্রতিষ্ঠান খুলেছিলেন, যার মধ্যে একটি ছিলো হ্যাকহাউজ – অফিস ছিলো বনানীতে।

এখানেই কাজ করতে এসে হুসেইন ইলিয়াস তার সঙ্গে পরিচিত হন এবং পরবর্তীতে তারা দু’জনসহ মোট তিনজন মিলে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাঠাও চালুর কাজ শুরু করেন।

আগের দু’টি উদ্যোগে কাঙ্ক্ষিত সফলতা না এলেও ২০১৬ সালের শেষের দিকে চালুর পর পাঠাও দারুণ জনপ্রিয়তা পায় ২০১৭ সালে।

ফাহিম সালেহ
ফাহিম সালেহ

উদ্যোগ আর চিন্তা ছিলো নানা দেশে

তরুণদের জন্য ফাহিম সালেহ তৈরি করেছিলেন আইকনডুড ডটকম এবং এআইএমডুড ওয়েবসাইট। পনের বছর বয়স থেকেই কাজ শুরু করে উদ্যোক্তা জগতে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি।

পাশাপাশি ছিলেন অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটাল গ্লোবালেরও একজন উদ্যোক্তা।

মিস্টার ইলিয়াস বলেন, ফাহিম সালেহ সবসময়ই প্রযুক্তি-ভিত্তিক নতুন কিছু করার চিন্তা করতেন।

“এক সময় পাঠাওয়ের শেয়ার ছেড়ে দিলেন, কারণ তখন তিনি আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে কী করা যায় তা নিয়ে বেশ উদ্যোগী হয়ে উঠেছিলেন”।

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) বলছে, ফাহিম সালেহ বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং সেবা পাঠাও ছাড়াও নাইজেরিয়াতে ‘গোকাডা’ নামক আরেকটি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফরম চালু করেন।

তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত নানা খবরে বলা হচ্ছে যে তিনি কলম্বিয়াসহ ল্যাটিন আমেরিকার কয়েকটি দেশেও নানা ধরনের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

“আসলে তিনি খুব উচ্চাভিলাষী চিন্তা করতেন এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে পরিশ্রমও করতেন। ঝুঁকি নিতে পছন্দ করতেন তিনি। যখন বাংলাদেশে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং ছিলো না, ই-কমার্স বলতে কিছু ছিলো না, তখন তিনি পাঠাওয়ে বিনিয়োগ করার ঝুঁকি নিয়েছিলেন”।

ফাহিম সালেহ: নিউইয়র্কে খুন হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত টেক মিলিওনিয়ার অল্প বয়সেই সুপরিচিত ছিলেন উদ্যোক্তা জগতে

ঢাকায় এলে একাই বাসা ভাড়া করে থাকতেন ফাহিম সালেহ। ঢাকায় কী করছেন তা দেখাতে ২০১৮ সালের বাবা-মাকেও একবার নিয়ে এসেছিলেন আমেরিকা থেকে।

তবে বাংলাদেশে পাঠাওয়ের শেয়ার বিক্রি করে দিলেও অ্যাপভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জোবাইক ও যাত্রীতে বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি।

বিনিয়োগ ছিলো আলফাপটেটো নামের আরেকটি উদ্যোগেও।

নেপালের অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং প্লাটফরমেও বিনিয়োগ ছিল ফাহিম সালেহ’র।

কলম্বিয়াতে সবচেয়ে বড় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং কোম্পানি পিকাপ-এও বড় ধরণের বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি।

অল্প বয়সেই সুপরিচিত হয়ে উঠেছিলেন উদ্যোক্তা জগতে
অল্প বয়সেই সুপরিচিত হয়ে উঠেছিলেন উদ্যোক্তা জগতে

অর্থকে অনুসরণ করোনা, তাকেই তোমাকে অনুসরণ করতে দাও

নিজের ব্লগে ফাহিম সালেহ লিখেছিলেন, “ডোন্ট ফলো দা মানি, লেট ইট ফলো ইউ”।

তিনি লিখেন, যখন তিনি প্রথম ইন্টারনেট গেমস শুরু করেছিলেন, তখন তার লক্ষ্য ছিলো খরচ কমানো।

“কেন আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কাউকে ভাড়া করবো, যখন আউটসোর্সিংয়ের সুযোগ আছে! কেন প্রিমিয়াম সার্ভার কিনতে হবে, যেটা আছে সেটাই যখন ভালো কাজ করছে! কেন অফিস নিতে হবে, যখন বাসা থেকেই কাজ করা যাচ্ছে!

“কিন্তু যখন পেছন ফিরে তাকাই, তখন বুঝতে পারি যে আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধিকে সীমিত করে ফেলেছি”।

নিজের প্রথম ওয়েবভেঞ্চার উইজটিন ইনক-এর প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন যে এটিকে সঠিকভাবে বাড়তে দিলে বিশ্বখ্যাত জিগনা বা স্লাইড-এর মতোই হতো। ২০০৫ সালে বেশ সম্ভাবনাময় হয়েছিলো অন্তত ১৫টি সাইটের নেটওয়ার্ক উইজটিন ইনক।

এরপর তিনি যে নীতি নিয়েছিলেন, তাও লিখেছেন তার ব্লগে।

“যতটা পারো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করো, ঠিক যতটুকু দরকার ততটুকুই বেতন নাও, পরে আরও বিনিয়োগ করো … এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, অর্থকে অনুসরণ করো না, তাকেই তোমাকে অনুসরণ করতে দাও”।

প্রজেক্ট ও বিনিয়োগ

বিভিন্ন দেশে অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং কিংবা ওয়েবসাইট নেটওয়ার্কিং ছাড়াও তার ব্লগে যেসব প্রজেক্টের কথা তিনি উল্লেখ করেছন, সেগুলো হলো – প্রাংকডায়াল (এর মাধ্যমে বন্ধুদের কাছে ফানি কল পাঠানো হয়), ডলস্পট (বাচ্চাদের মোবাইল-ভিত্তিক গেমিং সাইট) এবং হ্যাকহাউজ (ঢাকা-ভিত্তিক উদ্যোগ)।

আরও বিনিয়োগ ছিল নিনজা ফিস স্টুডিওস-এ। এটি বাচ্চাদের মোবাইল গেমিং কোম্পানি।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) বলছে, ফাহিম সালেহ’র মৃত্যুতে দেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রি কেবল একজন সফল উদ্যোক্তাকে হারায়নি, বরং দেশের তরুণ স্টার্টআপ উদ্যোক্তাগণ হারালো তাদের একজন অন্যতম অনুপ্রেরণাদাতা ও পথপ্রদর্শককে।

“তরুণদের মধ্যে স্টার্টআপস কমিউনিটি গড়ে তোলার যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে, তাতে ফাহিম সালেহর এমন মৃত্যু নিঃসন্দেহে একটি বড় রকমের ধাক্কা হিসেবে প্রতিভাত হবে,” – এমনটিই বলা হয়েছে সংগঠনটির এক বিবৃতিতে ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

বিরল প্রজাতির নেপালি ঈগল উদ্ধার

বিশ্বব্যাপী বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির একটি নেপালি ঈগল নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দূর্লভপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসন, বিবিসিএফ ও সবুজ বাংলার স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় ঈগলটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর পাখিটিকে প্রথমে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় ও পরে রাজশাহী বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) দফতর ও সবুজ বাংলার সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী বলেন, বৃক্ষ নিধন, বন উজাড়সহ নানান কারণে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে পাখিগুলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা খবর পাই নাটোরের নলডাঙ্গার দূর্লভপুরে ফারুক হোসেন নামে একজনের বাড়িতে আছে ঈগলটি। তিনি এটিকে অসুস্থ অবস্থায় পান। প্রসাশনকে সঙ্গে নিয়ে অনেক চেষ্টার পর ঈগলটিকে উদ্ধারে সক্ষম হয়েছি।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বী বলেন, পাখিসহ সকল বন্যপ্রানী নিধন বন্ধে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে মাইকিং করা হবে।

অভিযান পরিচালনাকালে অন্যান্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, বিলহালতি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মো. ইসাহাক আলী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সঞ্চয় হোসেনসহ অনেকে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জেলের জালে ধরা পড়লো ঘড়িয়াল ছানা

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে যমুনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ঘড়িয়াল ছানা। ঘড়িয়ালটির দৈর্ঘ্য সাড়ে তিন ফুট। প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের মাধ্যমে ঘড়িয়ালটি মিরপুর চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার তেওতা এলাকায় যমুনা নদীতে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় জেলে আবুল কালাম। হঠাৎ তার জালে ধরা পড়ে বিরল প্রজাতির একটি ঘড়িয়াল ছানা। পরে এটিকে তিনি এক হাজার টাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন।

এদিকে ঘড়িয়াল ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে নদী তীরে ভিড় জমায় শত শত মানুষ। খবর পেয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের এক কর্মচারী ঘড়িয়ালের ছানাটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণী সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে ঘড়িয়ালটি মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়।

মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানার জুনিয়র অফিসার ডা. সঞ্জিত কুমার বিশ্বাস জানান, এক সময় পদ্মা-যমুনায় এই প্রজাতির ঘড়িয়ালের বসবাস থাকলেও এখন প্রায় বিলুপ্ত। দেশের সকল চিড়িয়াখানা মিলিয়ে মাত্র ১১টি ঘড়িয়াল রয়েছে। উদ্ধারকৃত ঘড়িয়ালটি মিরপুর চিড়িয়াখানায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পরে দর্শনার্থীদের দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বিলুপ্তির পথে বৈচিত্রময় প্রাণী ভোঁদড়

বৈচিত্রময় এক প্রাণী ভোঁদড়। এরা দেখতে অনেকটা বেজির মত। এরা আধাজলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী। স্থান ভেদে এটি ধেড়ে, উদ, উদবিলাই, উদবিড়াল, মাছ নেউল ইত্যাদি নামেও পরিচিত। প্রায় শতবছর ধরে এই অঞ্চলে মাছ শিকারের জন্য শিকারিরা ভোঁদড় ব্যবহার করে আসছেন।

কিন্তু দিনে দিনে মানুষের অত্যাচারে এই প্রাণির সংখ্যা কমছে। তাই আগের মত এদের যেমন দেখা যায় না তেমনি এদের দিয়ে মাছ শিকার করতেও দেখা যায় না ।

বর্তমানে সব প্রাণিই বিলুপ্তির পথে। ভোঁদড়ও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে মূলত নড়াইল, খুলনা, সিলেট এবং দেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার নদী, খাল, বিল, পুকুরের পাশে, প্লাবনভূমি ও খানাখন্দে এবং উপকূলীয় জেলায় ভোঁদড় দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুরে ভোঁদরের দেখা মিলে।

এই উভচর প্রাণির প্রিয় খাবার মাছ। তাই এরা পুকুর বা বিলে মাছ শিকার করে। তবে মাছ ছাড়াও বিভিন্ন জলজ প্রাণী শিকারে পটু এই ভোঁদড়। এরা বসবাস করে জলাশয়ের পাশে বন-জঙ্গলে। এরা পানির নিচে ডুব দিয়ে একাধারে আধা কিলোমিটার যেতে পারে। সাঁতারের সময় কান ও নাকের ফুটো বন্ধ রাখে।

কিছু ভ্রান্ত ধারণার ফলে মানুষ ভোঁদড় মারছে। এর একটি হচ্ছে- এরা পুকুরের সব মাছ খেয়ে ফেলে। আর কিছু মানুষ মনে করে ভোঁদড়ের তৈলাক্ত চামড়ার অনেক দাম, তাই তারা লোভে এদের নির্বিচারে হত্যা করছে। আবাসভূমি ধ্বংস ও পরিবর্তনই এদের কমে যাওয়ার আরও একটি বড় কারণ। এর বাইরে আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে বন্যপ্রাণিকে হত্যা করতে সাধারণ মানুষ খুব উৎসাহী। বণ্যপ্রাণী দেখামাত্র সবাই লাঠিসোটা নিয়ে দৌড়ে আসে মারতে। এতে জীব-জগতের অন্যতম সুন্দর আর বৈচিত্রময় প্রাণী ভোঁদড় হারিয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য।

ভোঁদেরর ইংরেজী নাম- Smooth-coated Otter বৈজ্ঞানিক নাম- Lutrogale perspicillata

বিভিন্ন কুসংস্কার, অবৈধ শিকারের ফলে এরা যেমন দ্রুত কমছে তেমনি এখনও কিছু মানুষ ভালোবেসে তাদের ঠিকিয়ে রেখেছে। ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছে , নড়াইল ও সুন্দরবন অঞ্চলের কিছু জেলে। তারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে ভোঁদড় দিয়ে বিশেষ কায়দায় মাছ ধরতে অভ্যস্ত।

নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ের গোবড়া গ্রামে গেলে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের শত বছরের কৌশল দেখতে পাওয়া যায়। এই গ্রামের মৎসজীবীরা মাছ শিকারের পাশাপাশি ভোঁদড়কে টিকিয়ে রাখতে নিজেরা প্রজনন করে যাচ্ছেন।

চিত্রা নদীতে ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকার দেখে বন্যপ্রাণী গবেষক সীমান্ত দিপু জাগো নিউজকে বলেন, সত্যিই অসাধারণ। সাধারণত এই প্রজাতির ভোঁদড় প্রকৃতিক পরিবেশ ছাড়া প্রজননের ঘটনা খুবই বিরল। নড়াইলের গোবড়া গ্রামের ১৫-২০ জন মৎসজীবীর ঘরে কৃত্রিম পরিবেশে বাচ্চা দেয় ভোঁদড়। এই পরিবারগুলোর জীবিকা হয় মূলত ভোঁদড়কে কেন্দ্র করে। আমাদের দেশের জেলেরা অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরার যে রণকৌশল শিখেছে তার বিপরীতে তাদের উদ্যোগকে সত্যিই সাধুবাদ জানাতে হয়।

ভোঁদড়ের শরীর কালচে বাদামি ঘন লোমে ঢাকা। মাথা ও শরীরের মাপ ৬৫-৭৫ সে.মি.। গলার দিকে সাদা । লেজ ৪০-৪৫ সে.মি. চ্যাপ্টা। ফলে সাঁতারে বেশ সুবিধা হয় । কান ছোট। পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের মত চ্যাপ্টা । স্ত্রী ভোঁদর প্রতি বছরে একবার তিন থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। এরা বেঁচে থাকে প্রায় ২০ বছর।

ভোঁদড় নিয়ে গবেষণা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। তিনি জাগো নিউজকে জানান, প্রাণিজগতের মধ্যে বৈচিত্রময় একটি প্রাণী হচ্ছে ভোঁদড়। সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় এরা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এদের রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রতিটি প্রাণী পরিবেশের জন্য প্রয়োজন। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের অস্তিত্বও হুমকিতে পড়বে। তাই নিজেদের স্বার্থে হলেও প্রাণিদের নিরাপদ আবাসের সুযোগ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

প্রতি ১০ হাজারে জন্ম নেয় একটি সাদা বাঘ

সাদা বাঘের জন্ম খুবই বিরল। ১০ হাজার বাঘের বাচ্চা জন্ম নিলে সেখান থেকে একটি হতে পারে সাদা বাঘ। এতদিন সাদা বাঘের দেখা পেতে যেতে হত দেশের বাইরের বিভিন্ন চিড়িয়াখানায়। কিন্তু স্বপ্নের সেই বাঘের দেখা মিলছে এখন বাংলাদেশে, তাও একটি নয় আছে ২টা। দেশের ইতিহাসে চলতি বছরই প্রথম সাদা বাঘের দেখা মিলেছে।

কিন্তু কিভাবে এলো এই সাদা বাঘ? সাদা বাঘ কি আসলেই কোনো বিশেষ প্রজাতি? এসব নিয়ে নানা কৌতূহল থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে সাদা বাঘ আসলে কোনো আলাদা প্রজাতি নয়, এরা অন্য ৮/১০টা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মতোই। জিনগত ও শ্বেত রোগের কারণে এসব বাঘের রঙ সাদা হয়।

সাধারণ বাঘ থেকেই এদের জন্ম হয় তবে তা সচরাচর হয় না। প্রতি ১০ হাজার বাঘের বাচ্চা জন্ম নিলে সেখান থেকে একটি সাদা বাঘ পাওয়া যেতে পারে।

চট্টগ্রাম চিরিয়াখানায় এবছরের ১৯ জুলাই ‘রাজ’ ও ‘পরী’ দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় একটি সাদা বাঘ। রাজ ও পরীকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কিনে আনা হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়। এই সাদা বাঘটিই দেশের ইতিহাসে প্রথম সাদা বাঘ। এর কিছুদিন পর চলতি বছরের ৮ আগস্ট গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জন্ম নেয় আরও একটি সাদা বাঘ।

কোনো প্রাণী ভিন্ন রঙের হলে সেটি প্রাণীবিজ্ঞানের ভাষায় পরিচিত হয় ‘এলবিনো’ হিসেবে। সাদা বাঘও এলবিনো হিসেবেই হতে পারে আবার জিনগত কারণে হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে যে ২টি সাদা বাঘ জন্ম নিয়েছে তা জিনগত কারণেই সাদা হয়েছে। যদিও অনেকের ধারণা মেলানিনের অভাবে মানুষের শরীরে যেমন শ্বেতী রোগ হয়ে সারা শরীর সাদা হয়ে যায় বাংলাদেশের সাদা বাঘের ক্ষেত্রেও হয়ত তাই। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ শ্বেত রোগ হলে বাংলাদেশের সাদা বাঘের গায়ে যে ডোরাকাটা কালো দাগ আছে তা থাকার কথা নয় এবং চোখের মণি নীল না হয়ে ফ্যাকাশে থাকার কথা।

সাদা বাঘের জন্ম খুবই বিরল ঘটনা। সর্বশেষ অন্তত ৫০ বছর আগে মধ্যভারতে একটি সাদা বাঘ বুনো পরিবেশে জন্ম নেয়। তবে খাঁচাবন্দি অবস্থায় সাদা বাঘ বেশি হয় এর কারণ খাঁচায় জিনগত ত্রুটি সম্পন্ন নিকট আত্মীয়দের মধ্যে ক্রসিং ঘটে। যেমন বাপ-মেয়ে, ভাই-বোন।

তবে প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে বরফ যুগের সময় বাঘের পূর্ব-পুরুষরা সাদা ছিল। যে কারণে তাদের জিনগত সে বৈশিষ্ট্য সুপ্ত অবস্থায় রয়ে গেছে যা মাঝে মাঝে প্রকাশ পাচ্ছে।

অন্যান্য বাঘ থেকে সাদা বাঘের কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। যেমন তুলনামূলক ভাবে সাদা বাঘ জন্মের সময় সাইজে বড় থাকে, জন্মের পর দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং তাদের ওজনও হয় বেশি। ২-৩ বছর বয়সে সাদা বাঘ প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে। সাদা পুরুষ বাঘ সাধারণত ওজনে ২০০ থেকে ২৬০ কেজি এবং দৈর্ঘ্যে ৩ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী সু-জিন লুয়ো ও তার সতীর্থরা ‘কারেন্ট বায়োলজি’ নামক একটি জার্নালে সাদা বাঘ নিয়ে তাদের একটা গবেষণা পত্র প্রকাশ করেন। সেটা থেকে জানা যায়, জিনের একটি বিশেষ রঞ্জক পদার্থের পরিবর্তনই এই সাদা রঙের জন্য দায়ী। বিজ্ঞানীদের মতে কোনো প্রাণীর কোষের স্বাভাবিক রঞ্জক পদার্থই দেহবর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে।

বিজ্ঞানীরা সাদা বাঘের দেহকোষের জিন পরীক্ষা করে দেখেছেন কোষের মধ্যে বিশেষ রঞ্জক জিন ‘এসএলসি ৪৫এ২’ আছে। বিশেষত মানুষসহ ঘোড়া, মুরগি ও মাছের দেহের হাল্কা রঙের জন্যও এই রঞ্জক পদার্থটি দায়ী। এই বিশেষ রঞ্জকটি কালো-হলুদ রং তৈরিতে বাধা দেয়। কিন্তু সাদা বাঘের গায়ে হাল্কা কালো ডোরার কারণ ‘এসএলসি৪৫এ’ জিনের মধ্যে ‘এ৪৭৭ভি’ নামক অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিবর্তন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক প্রাণী বিশেষজ্ঞ মনিরুল এইচ খান জাগো নিউজকে জানান, দুটি কারণে যেকোনো প্রাণী সাদা রঙের হতে পারে। একটি হচ্ছে শ্বেতী রোগ, অন্যটি জিনগত কারণ। বাংলাদেশের সাদা বাঘগুলোর জন্ম জিনগত কারণেই হয়েছে।

ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার ও গবেষক আদনান আজাদ জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের চিড়িয়াখানায় সাদা বাঘ থাকলেও বাংলাদেশে ছিল না। কিন্তু এখন আর এই বাঘ দেখতে বিদেশ যেতে হবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

যে সাপের ভয়ে পালিয়ে যায় অন্য সাপ

বৈচিত্র্যময় প্রাণীজগৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহ যেমন আছে তেমনি নির্বিচারে বন্যপ্রাণী হত্যাও অনেক মানুষের কাছে বেশ আনন্দের। আর এসবের মধ্যে সাপ মারতে একটু বেশিই উৎসাহ পায় সাধারণ মানুষ।

কোথাও সাপ দেখা গেলে মানুষ লাঠিসোটা নিয়ে ছুটে যায়। রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু হয় আগে কে পিটিয়ে মারবে সাপটিকে। এ যেন জন্ম জন্মান্তরের শত্রুতা। এর ফলে দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে সাপ। সঠিক জ্ঞানের অভাবে নির্বিচারে সাপ মারা এবং এদের আবাসস্থল নষ্ট করায় অনেক প্রজাতির সাপই আজ বিলুপ্তির পথে।

বাংলাদেশের পরিবেশ উপযোগী অন্যতম সুন্দর একটি সাপ হচ্ছে শঙ্খিনী সাপ। এর শান্ত স্বভাবের কারণে যারা সাপ সম্পর্কে ধারণা রাখেন তাদের কাছে এটি বেশ প্রিয়। অতি সুন্দর ও চমৎকার রঙে সজ্জিত এই সাপের মাথা আকারে বেশ বড়, সারা শরীরজুড়ে কালো ও হলুদ ডোরা। খুব বিষধর হলেও দেশের ইতিহাসে শঙ্খিনী সাপের দংশনে মানুষ মারা যাওয়ার ইতিহাস নেই।

নিউরো টক্সিন বিষ সংবলিত শঙ্খিনী সাপকে এলাকা বিশেষে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমন শাখামুটি, সানি সাপ (খুলনা অঞ্চলে), দুইমাথা সাপ ইত্যাদি। এর ইংরেজীত নাম Banded Krait, বৈজ্ঞানিক নাম Bungarus fasciatus। এই সাপদের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য হতে পারে ৬ থেকে ৭ ফুট।

এই সাপকে বাংলাদেশের আবাসিক সাপও বলা হয়। সারাদেশেই এদের দেখা যায় তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় এদের অবস্থান বেশি। দেশের বাইরে ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস, ম্যাকাও, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ব্রুনেই অংশেও এদের দেখা যায়।

গ্রাম এলাকায় এদের দু’মুখো সাপও বলে তবে সেটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এ সাপের লেজের অংশটি ভোঁতা থাকে বলে অনেকেই একে দু’মুখো সাপ বলে ভুল করে। এরা নিশাচর। ইঁদুরের গর্ত, ইটের স্তূপ এবং উইয়ের ঢিবিতে এরা থাকতে পছন্দ করে। অন্যান্য সাপ এদের ভয়ে পালিয়ে যায়। আইইউসিএন এই সাপকে বাংলাদেশে বিপন্ন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এই সাপ যে এলকায় থাকে অন্যান্য সাপ সাধারণত সে এলাকায় থাকে না কারণ অন্য প্রজাতির সাপ এদের প্রিয় খাদ্য। নিশাচর শঙ্খিনী সাপ কেউটে, গোখরা, কালাচসহ অন্যান্য বিষাক্ত সাপকে খেয়ে ফেলে। এদের ভয়ে অন্য সাপ পালিয়ে যায়।

শঙ্খিনী বর্ষায় ডিম দেয় ও বাচ্চা তোলে। স্ত্রী সাপ এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে ৪ থেকে ১৪টি ডিম দেয় এবং ডিমের পরিস্ফুটনকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে। ডিমের পরিস্ফুটনের জন্য ৬১ দিন সময় লাগে। শঙ্খিনীর বিষ খুব দামি এবং এর চামড়ার বাজার দর অন্য সাপ থেকে খুব চড়া।

রাজশাহী সাপের খামারের পরিচালক বোরহান বিশ্বাস রোমন বলেন, প্রতিটি সাপের জীবন হুমকির মুখে, এখনই প্রজননের ব্যবস্থা না করলে এরা বিপন্ন হয়ে যাবে। প্রজনননের জন্য খামার হতে পারে সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। এতে সাপ যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি দামি এই সাপের মাধ্যমে অর্জন করা যাবে বৈদেশিক মুদ্রা।

সাপ নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতার কাজ করছেন কামরুজ্জামান বাবু। তিনি জানান, সাধারণ মানুষকে আমরা সেভাবে সচেতন করতে পারিনি তাই তাদের কাছে সাপ মারা যেন উৎসবের কাজ। তবে সাধারণ মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে সচেতন করতে পারলে এখনো এই সাপকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে। তা না হলে অচিরেই এরা হারিয়ে যাবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও প্রানী বিশেষজ্ঞ ড. মনিরুল এইচ খান জাগো নিউজকে জানান, অনান্য সাপের মতো এই সাপও কমছে মূলত দুটি কারণে। মানুষ নির্বিচারে সাপ হত্যা করছে আর অন্য কারণ হচ্ছে মানুষের কারণে সাপের বাসস্থান বিপন্ন হচ্ছে দ্রুত। যেহেতু এই সাপ অন্য সাপকে খেয়ে ফেলে তাই প্রাকৃতিকভাবেই এই সাপ পরিবেশে নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com