আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ছাদকৃষির মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের স্বাদ গ্রহণ করছেন রাজধানীর রাজাবাজারের সিদ্দিকা বেগম। পাঁচতলা ভবনের ওপরে দশ বছরের ছাদকৃষিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ফল ফসলের দারুণ প্রাচুর্য।

শৈশব কেটেছে গ্রামে; তাই সারাটি জীবন কৃষির প্রতি টান অনুভব করেছেন সিদ্দিকা বেগম। জীবনের ইচ্ছেটুকু পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পেরেছেন নিজের বাসভবনের ২ হাজার বর্গফুটের ছাদে। ফল ফসলে পরিপূর্ণ ছাদ এখন পূরণ করছে তার জীবনের অনেক চাহিদাই।

সিদ্দিকা বেগমের ছাদে ফল, শাকসবজি সবকিছুই হচ্ছে শতভাগ জৈবিক পদ্ধতিতে। ছাদের একপাশে রয়েছে টারকি, মুরগি ও কবুতর।

এই ছাদকৃষি উদ্যোক্তার ছেলে সৌখিনতার বশে পাখ-পাখালি পালন শুরু করলেও এখন পেতে শুরু করেছেন বাণিজ্যিক লাভ।

সিদ্দিকা বেগমের বড় স্বার্থকতা, পরিবারের সব সদস্যকে তিনি দিনে দিনে অনুরাগী করে তুলতে পেরেছেন ছাদকৃষিতে। এই পরিবারের সবার কাছেই দিনে দিনে এই ছাদটিই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে প্রিয় ক্ষেত্র।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ছাদকৃষি

গুলশানের জেসমিন আক্তারের ছাদকৃষি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ছাদকৃষি

বারিধারায় আরজুমান্দ কামালের ছাদকৃষি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ছাদকৃষি

ইস্কাটন গার্ডেনে সুফিয়া আখতার জাহানের ছাদকৃষি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

বস্তায় আদা চাষ করার সহজ উপায়

আদা দৈনন্দিন জীবনে নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু। বর্তমানে বাজারে এর দামও প্রচুর। তাই একটু চেষ্টা করলে বাড়ির ছাদে বা ঘরের আশেপাশে ফাঁকা জায়গায় আদা চাষ করা যায়। আর সে জন্য সহজ পদ্ধতি হচ্ছে বস্তায় চাষ করা। আসুন তাহলে বস্তায় আদা চাষের সহজ উপায় সম্পর্কে জেনে নেই-

মিশ্রণ: প্রথমে একটি বস্তায় ৩ ঝুড়ি মাটি, ১ ঝুড়ি বালি, ১ ঝুড়ি গোবর সার ও দানাদার কীটনাশক ফুরাডান ৫জি ২৫ গ্রাম নিতে হবে। মাটির সঙ্গে গোবর, বালি ও ফুরাডান ভালোভাবে মিশিয়ে সিনথেটিক বস্তায় ভরে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে ১ চা চামচ পটাশ সার মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

চারা তৈরি: এবার একটি বালিভর্তি টবে তিন টুকরো অঙ্কুরিত আদা পুঁতে দিতে হবে। আদার কন্দ লাগানোর আগে ছত্রাকনাশক অটোস্টিন ২ গ্রাম বা লিটার পানিতে দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। অন্য ছত্রাকনাশকও ব্যবহার করা যাবে। যা হোক, শোধনের পর কন্দগুলো আধাঘণ্টা ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে।

চারা রোপণ: ২০-২৫ দিন পর বপনকৃত আদা থেকে গাছ বের হবে। তখন আদার চারা সাবধানে তুলে বস্তার মুখে ৩ জায়গায় বসিয়ে দিতে হবে। দিনের বেশিরভাগ সময় রোদ পায় এমন স্থানে বস্তাটি রাখতে হবে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আদা গাছ বড় হতে থাকবে।

সার প্রয়োগ: চারা লাগানোর দু’মাস পরে ৪ চা চামচ সরিষার খোল ও আধা চামচ ইউরিয়া মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। বস্তার মাটি মাঝে মাঝে খুঁড়ে একটু আলগা করে দিতে হবে।

উত্তোলন: জুন-জুলাই মাসে আদা লাগালে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে তোলা যায়। একেকটি বস্তায় ৩টি গাছ থেকে এক-দেড় কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

আঙিনা কৃষি

টবে বোম্বাই মরিচ চাষ করবেন যেভাবে

বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ১ মাসে ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-

বীজ বা চারা: যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।

চাষের নিয়ম: চারা টবে লাগানোর আগে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে।

যত্ন: চারা সবল না হলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করতে হবে। সপ্তাহে ১ দিন মাটি আলগা করে দিতে হবে। আগাছা সরিয়ে দিতে হবে। ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। সেই ফুল থেকে ধরবে বোম্বাই বা নাগা মরিচ।

পোকা দমন: মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।

ফলন: মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com