আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

ফড়ে রুখতে চাষিদের এসএমএস

ফড়ে রুখতে চাষিদের এসএমএস
ফড়ে রুখতে চাষিদের এসএমএস

নিয়ম হল, কেউ নিজেকে ‘ভাগচাষি’ বলে খাদ্য দফতরের নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে জমা দিলে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবে। কিন্তু এর ফলে ঘুরপথে ‘ফড়ে’রাই ওই ফর্ম পূরণ করে ধান বিক্রি করবে, আর প্রকৃত চাষিরা মার খাবে বলে আশঙ্কা করছে জেলা প্রশাসন। রবিবার বিকেলে কলকাতায় খাদ্য দফতরে একটি বৈঠকে জেলাশাসক বিজয় ভারতী এই প্রশ্ন তোলেন। মনিটরিং কমিটিতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ণ করার জন্যও খাদ্য দফতরের আবেদন জানাবে জেলা।

মন্ত্রীসভার বৈঠকে পরে রাজ্য কী করবে, সেই সিদ্ধান্ত পরে জানা যাবে। তার আগে ফড়েদের দৌরাত্ম্য রুখতে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন নানা ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, ‘কৃষকবন্ধু’র আওতায় থাকা প্রত্যেক চাষি যাতে সরাসরি সহায়ক মূল্যে নিকটবর্তী শিবিরে গিয়ে ধান বিক্রি করতে পারেন, তার জন্যে এসএমএস পাঠানো শুরু হয়েছে। জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, “প্রকৃত চাষিরা যাতে ধান বিক্রি করতে গিয়ে অসুবিধার মধ্যে না পড়েন সেই জন্যই নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’

জেলা প্রশাসনের কর্তাদের অভিজ্ঞতা, ক্ষুদ্র চাষিরা নানা কারণে শিবিরে গিয়ে ধান বিক্রি করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়েন। সমবায় যতক্ষণে গ্রামে গিয়ে ধান কিনতে শুরু করে, ততক্ষণে ছোট চাষিদের ধান চলে যায় ফড়েদের হাতে। এ বছর খোলা বাজারের দামের চেয়ে সহায়ক মূল্যে ধানের দাম অনেকটাই বেশি। তাই ফড়েদের দৌরাত্ম্য বাড়বে বলেই মনে করছে প্রশাসন। সে জন্য এ বার সরকারি শিবির খোলার সঙ্গেই অত্যাবশকীয় পণ্য নিগম, বেনফেডের মতো সরকারি এজেন্সের মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ধান কেনার জন্য মাঠে নামিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বর্ধমানে ২৩টি ‘সেন্ট্রাল প্রোকিওরমেন্ট সেন্টার’ (সিপিসি) খুলে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হয়েছে। গলসি থানা এলাকায় আরও ৮টি ‘ডিরেক্ট পারচেজ সেন্টার’ (ডিপিসি) খোলা হয়েছে। দ্বিতীয় স্তরে আরও সাতটি সিপিসি খোলা হয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ামক আবির বালি বলেন, “এ বছর অনেক আগেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি ধান কিনতে শুরু করেছে। প্রয়োজন হলে আরও শিবির খোলা হবে।’’ অত্যাবশকীয় পণ্য নিগমের জেলা প্রকল্প ম্যানেজার গৌতম দাস বলেন, “৩৬টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। গলসি ২ ব্লকে ধান কেনা শুরু হয়েছে।’’

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানে চাষির সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৭৫৯ জন। এর মধ্যে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নাম উঠেছে ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৭৭৭ জনের। এই সব চাষিদের তথ্য-সহ মোবাইল নম্বর রয়েছে কৃষি দফতরের হাতে। কৃষি দফতর সেই তথ্য দিয়েছে প্রশাসনকে। এর মধ্যে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৭৪৩ জনের কাছে এসএমএস পৌঁছে গিয়েছে।

কিন্তু যে সব চাষিদের তথ্য কৃষি দফতরের কাছে নেই, তাঁদের কাছে খাদ্য দফতর পৌঁছবে কী ভাবে? কলকাতার বৈঠকে ঠিক হয়েছে, রাজ্য জুড়ে ধান বিক্রি নিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জেলা তথ্য দফতরের মাধ্যমেও প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় স্তরে প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে।

এ দিন কাটোয়ায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথও বলেন, ‘‘সহায়ক মূল্যে ধান কেনার সময়ে ফড়েদের উৎপাত বন্ধ করতে হবে। কৃষকের জমির উৎপাদিত ধানের পরিমাণ অনুযায়ী তাঁদের স্লিপ দেওয়া, ধান ক্রয়কেন্দ্রগুলিতে পঞ্চায়েত ও কৃষি দফতরের কর্মীদের নজরদারি চালানোর মতো কাজগুলি করা দরকার। স্বচ্ছতা আনতে হবে।’’

এগ্রোবিজ

দেখতে অসুন্দর ফল ও সব্জি: ইউরোপে এক তৃতীয়াংশ খাদ্য ফেলে দেওয়া হয় যে কারণে

ফল ও সব্জি
ফল ও সব্জি

ব্রিটেনে এক গবেষণা বলছে, দেখতে ভালো লাগছে না এই যুক্তিতে ইউরোপের কৃষক এবং বিক্রেতারা প্রতি বছর পাঁচ কোটি টন খাদ্য বাতিল করে দেয়।

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ গবেষনা বলছে, মোট উৎপাতি শস্যের এক-তৃতীয়াংশ নষ্ট হয়ে যায় কারণ সুপারমার্কেট এবং ভোক্তারা এমন সবজি বা ফল চান যেগুলো দেখতে নিখুঁত।

অর্থাৎ এসব ফল বা সব্জির আকার হয়তো ঠিক নেই, কিম্বা দেখতে কুৎসিত ধরনের। অর্থাৎ এসব সব্জি বা ফলের সাথে ভোক্তাদের ধারণার মিল নেই।

ফলে অবিক্রিত বা বাতিল খাদ্য মাঠে পড়ে থাকে অথবা পশুর খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

এই গবেষণায় দেখা হয়েছে, প্রতি বছর ইউরোপীয় অর্থনৈতিক এলাকাতে কী পরিমাণ ফসলের হানি হয় এবং কী পরিমাণ ফসল ফেলে দেওয়া হয়।

গবেষকরা এজন্যে সরকারি নীতিমালা, সুপারমার্কেটের উচ্চ মান এবং পণ্য সম্পর্কে ভোক্তাদের আকাঙ্খাকে দায়ী করেছেন।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, এসব কারণে কৃষকদের যতো ফসল উৎপাদন করার কথা তারা তার চেয়েও বেশি উৎপাদন করে থাকে। কারণ তারা ধরেই নেন যে এর একটা অংশ তারা বিক্রি করতে পারবেন না।

দেখতে অসুন্দর ফল ও সব্জি
দেখতে অসুন্দর ফল ও সব্জি

এই অপচয় রোধে গবেষকরা ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। একই সাথে এবিষয়ে একটি আন্দোলন গড়ে তোলার কথাও বলেছেন তারা যাতে সুপারমার্কেটগুলো দেখতে ভালো নয় এরকম ফল বা সব্জি বিক্রি করতে উৎসাহিত হয়।

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ জিওসায়েন্সেসের স্টিফেন পর্টার বলেছেন, “সব্জি বা ফল দেখতে কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে লোকজনের মনোভাবের পরিবর্তন ঘটানো গেলে এই অপচয় অনেকটাই কমানো সম্ভব। পাশাপাশি এর ফলে খাদ্য উৎপাদনের কারণে জলবায়ুর উপরে যে প্রভাব পড়ে, এবং খাদ্যের জন্যে যে ব্যাপক চাহিদা সেসবও সামাল দেওয়া কিছুটা হলেও সহজ হবে।”

অবশ্য ইদানিং কালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপার মার্কেটগুলোতে এই ধারণায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

দেখতে নিখুঁত নয় এরকম ফল ও সব্জি সুপারমার্কেটের শেল্ফে জায়গা করে নিতে দেখা যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

লিয়াং জুন: চীনের প্রথম নারী ট্রাক্টর চালক ও আইকন মারা গেছেন

চীনের মুদ্রায় লিয়াং জুনের ছবি
চীনের মুদ্রায় লিয়াং জুনের ছবি

চীনের প্রথম নারী ট্রাক্টর চালক, যিনি পরবর্তীতে একজন জাতীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন, ৯০ বছর বয়সে সোমবার তিনি মারা গেছেন।

১৯৪৮ সালে লিয়াং জুন যখন ট্রাক্টর চালানো শেখার ক্লাসে যোগ দেন, সেখানে তিনি ছিলেন একমাত্র নারী।

তার এক যুগেরও বেশি সময় পরে, চীনের এক ইউয়ান (চীনের মুদ্রা) ব্যাংক নোটের গায়ে তার ছবি ছাপানো হয়, যেখানে তাকে হাসিমুখে ট্রাক্টর চালাতে দেখা যাচ্ছে।

“কেউই গাড়ি চালাতে পারত না, আমিও না” পরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “আর সেটা শিখেছিলাম বলে জীবনে আমার কোন আফসোস নেই।”

লিয়াং জুনের জন্ম ১৯৩০ সালে চীনের প্রত্যন্ত হেইলংজিয়াং প্রদেশের এক হতদরিদ্র পরিবারে।

শুরুতে কৃষিজমিতে সাহায্য করার পাশাপাশি গ্রামের একটি স্কুলে পড়াশোনা করতেন তিনি।

১৮ বছর বয়সে তিনি ট্রাক্টর চালানো শেখেন
১৮ বছর বয়সে তিনি ট্রাক্টর চালানো শেখেন

১৯৪৮ সালে স্থানীয় একটি স্কুলে ট্রাক্টর চালানো প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু হলে তিনি তাতে ভর্তি হয়ে যান।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঐ ক্লাসে ৭০জন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন, যেখানে লিয়াং জুন ছিলেন একমাত্র নারী।

প্রশিক্ষণ শেষে তিনি হন চীনের প্রথম প্রশিক্ষিত নারী ট্রাক্টর চালক।

এর এক বছর পরে কমিউনিস্ট নেতা মাও জেদং গণ-প্রজাতান্ত্রিক চীন গঠনের ঘোষণা দেন।

দারিদ্র পীড়িত শৈশব ছাড়িয়ে অনেকটা পথ

এক সময় চীনে কেবল অভিজাত পরিবারের সদস্য, কবি এবং সামরিক নেতাদের কদর ছিল।

কিন্তু ১৯৪৯ সালে যখন কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতা গ্রহণ করে, সে সময় সমাজের ভিন্ন ধরণের মানুষ অর্থাৎ বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষদের কদর বাড়ল।

সোভিয়েত ইউনিয়নে ইতিমধ্যে সে মডেলের চর্চা শুরু হয়েছিল।

বার্ধক্যেও তিনি ট্রাক্টর চালানো বন্ধ করেননি
বার্ধক্যেও তিনি ট্রাক্টর চালানো বন্ধ করেননি

চীনে তখন দরিদ্র, কঠোর পরিশ্রমী মানুষ যারা সমাজতান্ত্রিক দেশটির গঠনে কাজ করছিলেন তাদের কথা বেশি বেশি প্রচার করা হচ্ছিল।

লিয়াং জুন ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম প্রথম এবং সর্বাধিক পরিচিত মডেল কর্মী।

দেশটির মুদ্রার ওপর তার হাসিমুখের ছবি দেখে অনেকে এমন কাজে উৎসাহিত হবে ভাবা হত।

তিনি কেবল সমাজের শ্রেণিভেদকে ভেঙ্গেছিলেন এমন নয়।

লিয়াং জুন চীনের সব নারীর প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন এবং আজকে তাদের যে নানা রকম কাজের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে তারও শুরুটা লিয়াং জুনের হাত ধরেই হয়েছে।

তিনি নিজের সেসব সুযোগের পুরোটাই কাজে লাগিয়েছেন।

তিনি পরবর্তীতে একজন প্রকৌশলী এবং রাজনীতিবিদ হয়ে উঠেছিলেন, তার দারিদ্র পীড়িত শৈশবে যা ছিল অকল্পনীয়।

রাজনীতিতে লিয়াং

লিয়াং জুন চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সিসিপিতে সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন, এবং পরে তাকে বেইজিং এ কৃষি যন্ত্রপাতির ওপর পড়াশোনা করতে পাঠানো হয়েছিল।

পড়াশোনা শেষে তিনি হেইলংজিয়াং প্রদেশে ফেরত যান এবং তাকে অ্যাগ্রিকালচারাল মেশিনারি রিসার্চ ইন্সটিটিউটে কাজ করেন।

১৯৬২ সালে চীনে ট্রাক্টর চালানো অবস্থায় তার ছবিসহ ব্যাংক নোট ছাপানো শুরু হয়।

কমিউনিস্ট পার্টি নারীদের, বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের দেশটির শ্রমবাজারে বেশি করে যুক্ত করতে চেয়েছিল।

আর সেজন্য ভিন্ন ভিন্ন পেশায় নারীদের যুক্ত করার প্রচারণা হিসেবে তারা একজন ট্রাক্টর চালক নারীর প্রতিচ্ছবি উপস্থাপন করতে চেয়েছিল।

এমনকি অক্সফোর্ড হ্যান্ডবুক অব দ্য হিস্টোরি অব কমিউনিজম এ বলা হয়েছে, ‘নারী ট্রাক্টর চালকের চেয়ে বেশি প্রমোট কোন পেশাকে করা হয়নি।’

এক সময় চীনের পাঠ্যবইগুলোতে লিয়াং জুনের জীবনের গল্প উঠে আসে এবং বহু নারী ট্রাক্টর চালাতে হয়ে ওঠেন।

১৯৯০ সালে হার্বিন মিউনিসিপাল ব্যুরো অব অ্যাগ্রিকালচারাল ম্যাশিনের প্রধান প্রকৌশলীর পদ থেকে অবসরে যান।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লিয়াং জুন নানারকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

প্রায়ই তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলতেন এবং অনেকদিন ধরেই শয্যাশায়ী ছিলেন।

তার ছেলে ওয়াং ইয়ানবিং জানিয়েছেন, সোমবার তিনি শান্তিপূর্ণভাবে মারা গেছেন।

“তিনি মেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছেন। আর চীনের প্রথম ট্রাক্টর চালক হিসেবে লোকে যখন তার কথা বলতো তিনি খুবই খুশি হতেন।”

সামাজিক মাধ্যমে টপ ট্রেন্ড

দেশটির সামাজিক মাধ্যম ওয়েইবোতে তার মৃত্যুর বিষয়টি এখন টপ ট্রেন্ড এবং সেখানে সবাই তাকে সম্মান জানাচ্ছেন।

একজন লিখেছেন, “তিনি দেখিয়েছেন, একজন পুরুষ যা করতে পারে, নারীর পক্ষেও তা করা সম্ভব।”

নারীপুরুষ সমতা নিয়ে মাও জেদং এর বিখ্যাত উক্তি উদ্ধৃত করে আরেকজন লিখেছেন, “চীনের অর্ধেক আকাশ জুড়ে থাকা নারীকে বিদায়।”

আরেকজন লিখেছেন, “নিজের প্রজন্মের হিরোইন হয়ে ওঠার জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। বিদায় লিয়াং জুন, আপনাকে অভিবাদন।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

এ যন্ত্র দিয়ে লিটারে এক একর জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব

এ যন্ত্র দিয়ে লিটারে এক একর জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব
এ যন্ত্র দিয়ে লিটারে এক একর জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব

সময় ও খরচ কমিয়ে ধান চাষকে লাভজনক করার লক্ষে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপন কার্যক্রম। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুল মুঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এ সময় ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপন দেখতে ভিড় করেন স্থানীয় মানুষ। উপজেলার জাওয়ার ইউনিয়নের বোরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ব্যারিস্টার মো. গোলাম কবির ভূঁইয়ার ৫০ একর জমিতে ব্রি-২৮ ও ব্রি- ২৯ জাতের ধানের চারা রোপন করা হয়। মেশিনের মাধ্যমে চারা রোপন কার্যক্রম দেখে আগামীতে যন্ত্রের মাধ্যমে কৃষিকাজ শুরু করবেন বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

এ উপলক্ষে সেখানে এক কৃষক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষিকে লাভজনক করতে যান্ত্রিকরণের তাগিদ দেন। এ ব্যাপারে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেয়া হয়। পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে কৃষি কাজে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের সুফল তুলে ধরেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুল মুঈদ। তিনি বলেন সময় ও অর্থ বাঁচাতে কৃষি কাজে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।

কৃষি কাজে দিন দিন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপন দেশের কৃষি ক্ষেত্রে একটি মাইল ফলক। এ যন্ত্রের মাধ্যমে মাত্র এক লিটার তেল দিয়ে একদিনে কমপক্ষে এক একর জমিতে ধানের চারা রোপন করা সম্ভব। একজন মাত্র কৃষক এ কাজ করতে পারবেন। এতে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। ফলে কৃষক লাভবান হবে।

নামমাত্র টাকায় সরকারি ভর্তূকিতে এ যন্ত্র দেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী মওসূমে আরও বেশি রোপনযন্ত্র দেয়া হবে। সেই সঙ্গে আগামী ধানকাটা মওসূমে যন্ত্রের মাধ্যমে ধান কাটার ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় কৃষকদের পক্ষ থেকে মানসম্পন্ন ও সাশ্রয়ী মূল্যের মেশিন সরবরাহ এবং এগুলো চালানোর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে সরকারি উদ্যোগের দাবি জানান তিনি।

ওই সভায় কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক বিভূতি ভূষণ সরকার, তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক, জাওয়ার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান ও স্থানীয় কৃষক এমদাদুল হক রতন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আমন ধান ক্রয়ের লটারিতে কপাল পুড়েছে কৃষকের, খুলেছে দালালের

কৃষকের অ্যাপ: ধান ক্রয়ে দুর্নীতি অনিয়ম ঠেকাতে কাজ করবে কীভাবে
আমন ধান ক্রয়ের লটারিতে কপাল পুড়েছে কৃষকের, খুলেছে দালালের

কৃষকের ধান সরকারি গুদামে গেল না! যে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার কথা তা সফল হয়নি। লটারির মাধ্যমে খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করায় ভাগ্য খুলেছে দালালদের, আর কপাল পুড়েছে কৃষকদের। কৃষককে সহযোগিতা করতে সরকারের যে মহৎ উদ্দেশ্য ছিল তা স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্তদের কারণে ব্যাহত হয়েছে।

খোদ খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এসব তথ্য স্বীকার করেছেন। তিনিও বলছেন, সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয়ে লটারির মাধ্যমে কৃষকদের তৈরি তালিকা সঠিক হয়নি।

বগুড়ার ধুনট থানার চরপাড়া গ্রামের আদর্শ কৃষক আকিমুদ্দিন জাগো নিউজকে জানান, যারা প্রকৃত কৃষক, প্রকৃত পক্ষেই যারা ধানের আবাদ করেছেন তাদের নাম লটারিতে ওঠেনি। কিন্তু যারা জীবনে কোনো দিন ধান চাষ করেননি তাদের নাম লটারিতে উঠেছে। আর তাদের টিকিট কিনে নিচ্ছে কিছু দালাল। সেই দালালরাই খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির আমলে সারের জন্য করা কৃষি কার্ডের ওপর ভিত্তি করে লটারি করায় বেশির ভাগ লটারি বিএনপি-জামায়াতের লোকেরা পেয়েছে। চরপাড়া গ্রামে কৃষক রয়েছে প্রায় ১৫ জন। আর কৃষি কার্ড দেয়া হয়েছে ১৫০ জনকে। যারা ১ বিঘা জমি বর্গা চাষ করছে তারাও তখন কৃষি কার্ড করে নিয়েছে। এখন তারা জমি চাষ করে না। কেউ ভ্যান চালায়, কেউ রিকশা চালায়। কিন্তু তাদের কাছে কৃষি কার্ড রয়ে গেছে।

আকিমুদ্দিন বলেন, জমি চাষ না করলেও সরকারের সুবিধা যখন আসে তখন কৃষি কার্ড কাজে লাগায়। এবার গুদামে ধান সরবরাহের জন্য যখন লটারি করা হয়েছে তখন যারা জমি চাষ করে না তারাও আবেদন করেছে। যেহেতু তারা সংখ্যায় বেশি সে কারণে তাদের নামই বেশি উঠেছে, অন্যদিকে আসল কৃষকরা বঞ্চিত হয়েছে।

জানা গেছে, লটারির মাধ্যমে কৃষকদের তালিকা করে পর্যায়ক্রমে তাদের কাছ থেকে ধান কেনার কথা থাকলেও কুড়িগ্রামে নির্বাচিত কৃষকদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও ভাই। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের তিন সদস্যসহ ১১ ইউপি সদস্যের নামও রয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে ধান উৎপাদনকারী নির্বাচিত কৃষকদের তালিকা থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন হলোখানা ইউনিয়নের কৃষি কার্ড না পাওয়া এক ইউপি সদস্য। তবে লটারিতে নয়, সুপারিশের মাধ্যমে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. উমর ফারুক।

বিষয়টি স্বীকার করে হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. উমর ফারুক বলেন, ‘আমি বলেছিলাম যে, আমার অনেক আবাদ আছে, সে জন্য আমার পরিবারের চারটি নামসহ পরিষদের ১২ জনের নাম দিতে। এটা নিয়ে যেহেতু কথা উঠেছে সেহেতু সংশোধন করে নেব।’

লটারি করার পরও কীভাবে আপনাদের সবার নাম আসলো? এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘মাত্র ১২/১৪টা নাম, খুব বেশি নয়!’

জানা গেছে, নাটোরের পুঠিয়া উপজেলা খাদ্যগুদামে লটারিতে ভুয়া কৃষকদের নাম দেখিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা মিলে সিন্ডিকেট করে গুদামে ধান দিয়েছে।

খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহের জন্য লটারির মাধ্যমে তালিকায় নাম ওঠে ৬২৮ জন কৃষকের। উপজেলার একাধিক কৃষকের অভিযোগ, তালিকায় যাদের নাম উঠেছে তাদের ভেতর বেশিরভাগই প্রকৃত কৃষক নন। তারা ধানের আবাদ করেনি কিন্তু লটারিতে নাম এসেছে। সেই ভুয়া কৃষক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের নামে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করছে। মাঝ থেকে ভুয়া কৃষকরা টাকা পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য ক্রয় কমিটির সভাপতি মো. ওলিউজ্জামান বলেন, প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার জন্য লটারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা সঠিকভাবে যাচাই বাছাই করে ধান ক্রয় করছি। কৃষক বাদে কেউ ধান দিতে পারবে না।

এছাড়া মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় কৃষি অফিসের দায়িত্বহীনতার কারণে সরকারের এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন প্রকৃত কৃষকরা। রাজনগর উপজেলায় লটারির মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করায় ভাগ্য খুলেছে দালালের, অন্যদিকে কপাল পুড়েছে কৃষকদের। লটারিতে ধান সংগ্রহ করায় উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

রাজনগর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শাহাদুল ইসলাম বলেন, ধান বিক্রি করার জন্য সবার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বরাদ্দ কম থাকায় লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হয়েছে। বাছাইকৃতদের মধ্যে চাষাবাদ করেননি এমন কেউ থাকলে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রকৃত কৃষকের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সরকারিভাবে আমন ধান ক্রয়ে কৃষকদের লটারির মাধ্যমে তৈরি তালিকা সঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। গত শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে আমন ধান সংগ্রহ উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী খাদ্য অধিদফতর ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নাম রয়েছে সেগুলো ঘোচাতে সবার সহযোগিতা চান। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের হয়রানি ও কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের কর্মকর্তাদের মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখা যাবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ফুলের চারা বিক্রি করে স্বচ্ছল কুষ্টিয়ার চাষিরা

বিক্রির জন্য ফুলের চারা তুলেছেন এক চাষি
বিক্রির জন্য ফুলের চারা তুলেছেন এক চাষি

‘নার্সারি মালিকরা কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি কোনো ঋণ সুবিধাও নেই । সব কিছু নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। যা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে’

ফুলের চারা উৎপাদনে কুষ্টিয়ার বিশেষ সুনাম রয়েছে। শীত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফুলের নার্সারিগুলোত চারার বেচাবিক্রি বেড়ে গেছে। কৃষদের ভাষ্য,প্রচলিত ফসলের চেয়ে ফুলের চারা বিক্রি করে বেশি লাভবান হচ্ছেন তারা। 

সরেজমিন জেলার বিভিন্ন নার্সারি ঘুরে দেখা যায়হাইব্রিড জাতের গাঁদারক্ত গাঁদাকুইন সুপার গাঁদাবারমাসি গাঁদার চারা ১০ টাকা করে পিস বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়াও হাইব্রিড জাতের ডালিয়া খুচরা ১৫ টাকাচন্দ্রমল্লিকা ১৫ টাকাস্নোবল ২০ টাকাক্যালেন্ডুলা ১০ টাকাজিনিয়া ১০ টাকাফ্লোস ২০ টাকাগ্যাজোনিয়া ১০ টাকাডাইনথাজ ১০রঙ্গমিক্স ১০ টাকাদোপাটী ১০স্টার ১০পাপিয়া ২০সিলভিয়া ১০ফায়ার বল ১৩০অপূর্বিয়া ৮০ টাকাপানচাটিয়া ১৫০ টাকারক্তজবা ৮০ টাকারঙ্গন ৮৫ টাকাচায়না টগর ২০ টাকাকসমস ১০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। 

হাইব্রিড গোলাপের মধ্যে তাজমহল গোলাপ খুচরা ১০০ টাকারাণী গোলাপ ১০০ টাকাবিশ্ব সুন্দরী গোলাপ ১০০ টাকাইরানি গোলাপ ২৫ টাকাকাচা হলুদঘিয়াসাদাজরিনা গোলাপ প্রকার ভেদে ১০০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও দেশি জাতের গোলাপ ১০ টাকা দরে খুচরা বিক্রি করা হচ্ছে।

মিরপুর উপজেলার লিমন নার্সারির মালিক পারভেজ হাসান জয় বলেনএইসব ফুলের চারা ও বীজ যশোর গদখালীঝুমঝুমপুরবাসুদেবপুরবগুড়ার মহাস্থানগড় থেকে সংগ্রহ করা হয়। বছরের অন্য সময় ফুলের চারা তেমন বিক্রি হয় না। তবে শীত মৌসুমে ফুলের চারা বিক্রি হয় বেশি। ফুল চাষের জন্য কৃষি বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। তবে সেখান থেকে সরকারি ভাবে কোনো সার-বীজ পাইনি। পেলে আরও লাভবান হাওয়া যেত।

শীতকালীন ফুলে ভরে উঠেছে কুষ্টিয়ার নার্সারি
শীতকালীন ফুলে ভরে উঠেছে কুষ্টিয়ার নার্সারি

মিরপুর জিয়া সড়কে অবস্থিত এসআর গার্ডেন সেন্টারের মালিক এ রহমান জানানপ্রায় চারমাস শীতকালীন ফুলের চারা ব্যাবসা হয়। এ বছর ফুলের চারার বেশ চাহিদা রয়েছে।

নার্সারিটিতে কর্মরত শ্রমিক মো. টুটুল হোসেন জানানএখানে সারা বছরই কাজ করি। মালিকেরা লাভবান হওয়ায় আমারাও ভালোই আছি। 

ফুলের চারা খুচরা বিক্রেতা মো. আমজাদ হোসেন জানানআমরা নার্সারি থেকে পাইকারি ফুলের চারা সংগ্রহ করে শহর এলাকায় বিক্রি করি। প্রতিদিন চারা বিক্রি করে দুইশ থেকে পাঁচশ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকে। এতে আমাদের সংসার ভালই চলে। 

জেলা নার্সারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল গণি সান্টু বলেননার্সারি মালিকরা কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। এমনকি কোনো ঋণ সুবিধাও নেই । সব কিছু নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। যা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে।

কুষ্টিয়া নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম ওয়াসিফ আবির জানানশীত মৌসুমে জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার ফুলের চারা ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।  

কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শ্যামল কুমার বিশ্বাস বলেনকুষ্টিয়ায় অনেক বেসরকারি নার্সারি রয়েছে। তবে সেগুলো কৃষি বিভাগের আওতার বাইরে। তবে জেলায় একটি সরকারি নার্সারি রয়েছে। কিন্তু সেটি আকারে অনেক ছোট।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০১৯
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com