আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

প্রায় বিলুপ্ত মাগুর, ফলি, মহাশোল-সহ ২৩ প্রজাতির মাছ যেভাবে ফিরিয়ে আনা হলো

বাঘাইর মাছ
বাঘাইর মাছ

বাংলাদেশে গত এক দশকে ‘প্রায় বিলুপ্তি’র মুখ থেকে ফিরে এসেছে এমন দেশি মাছের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। প্রাকৃতিক ও বাণিজ্যিক চাষ উভয়ভাবেই বাড়ছে মাছের উৎপাদন।

যদিও গত কয়েক দশকে ১০০’র বেশি দেশি প্রজাতির মাছ বাজার থেকে ‘প্রায় নেই’ হয়ে গেছে।

কিন্তু বাংলাদেশে গত এক দশকে মাছের উৎপাদন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও’র ২০২০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই মূহুর্তে মিঠা পানির মাছের উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

সরকারি হিসাবে দেখা গেছে বাংলাদেশে এখন প্রতি বছর প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপন্ন হচ্ছে।

তবে এর বড় অংশটি ইলিশ।

ফিরে আসা মাছেরা

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ২০২০’ নামে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাদু পানির মাছের উৎপাদন বাড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

প্রায় বিলুপ্ত অবস্থা থেকে আবার বাঙালীর পাতে ফেরত এসেছে আইড় মাছ
প্রায় বিলুপ্ত অবস্থা থেকে আবার বাঙালীর পাতে ফেরত এসেছে আইড় মাছ

বছরে ৯ শতাংশ হারে বাড়ছে বাংলাদেশের মিঠা পানির মাছের উৎপাদন।

এ হারে প্রথম স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ায় ১২ শতাংশ হারে উৎপাদন বাড়ছে মিঠা পানির মাছের।

গবেষকেরা বলছেন, ‘প্রায় বিলুপ্ত’ অবস্থা থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছের ফিরে আসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে হাওড় এলাকা এবং মেঘনা নদীর অববাহিকায়।

এর বাইরে গবেষণার মাধ্যমে ফেরানো হয়েছে কিছু প্রজাতির মাছ, যেগুলো এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ বিবিসিকে বলেছেন, মোট ২৩টি প্রজাতির মাছ পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে, এগুলো হচ্ছে—

১. পাবদা

২. গুলশা

৩. টেংরা

৪. শিং

৫. মাগুর

৬. গুজি আইড়

৭. চিতল

৮. ফলি

৯. মহাশোল

১০. বৈরালী

১১. রাজপুঁটি

১২. মেনি

১৩. বালাচাটা

১৪. গুতুম

১৫. কুঁচিয়া

১৬. ভাগনা

১৭. খলিশা

১৮. বাটা

১৯. দেশি সরপুঁটি

২০. কালিবাউশ

২১. কই

২২. গজার

২৩. গনিয়া

এর বাইরে প্রাকৃতিক উপায়েও মাছের উৎপাদন বেড়েছে, মূলত হাওড় অঞ্চল এবং মেঘনা নদীর অববাহিকায়।

চিতল মাছ
চিতল মাছ

ওইসব এলাকায় রিটা, আইড়, বাগাইড়, নদীর পাঙ্গাস, শিলন, চিতল এবং দেশি সরপুঁটি মাছের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বলছে বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিস।

কিভাবে ঘটেছে এই প্রত্যাবর্তন

মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেছেন, প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবনের মাধ্যমে এই ২৩টি প্রজাতির মাছকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

এখন আরো ৭টি প্রজাতি নিয়ে গবেষণা চলছে।

তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এই মূহুর্তে ৮০০ হ্যাচারিতে মাছের পোনা চাষ করা হয়, ২০০৮ সালে দেশে হ্যাচারির সংখ্যা ছিল ২৫ টির মত।

“বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে হাওড়-বাঁওড়, খাল, বিল, পুকুরসহ জলাশয়ের সংখ্যা বহুলাংশে সংকুচিত হয়ে গেছে।

ফলে হারিয়ে যাচ্ছিল মিঠা পানির মাছের বহু প্রজাতি। ফলে গবেষণার মাধ্যমে সেগুলো আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু হয়, যার ফল এখন বাজারে গেলে টের পাওয়া যায়।”

শিলন মাছ
শিলন মাছ

তিনি জানিয়েছেন, একেকটি মাছের প্রজাতি নিয়ে গবেষণায় সাফল্য পেতে অন্তত আড়াই থেকে তিন বছর সময় লেগেছে।

মি. মাহমুদ বলছেন, পুনরায় ফিরিয়ে আনা মাছগুলো বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হচ্ছে।

বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হওয়া মাছের মধ্যে পুকুর ও ডোবার মত বদ্ধ জলাশয়ে ৫৭ শতাংশ মাছ উৎপাদন হচ্ছে।

দেশে ৮ লাখ হেক্টর বদ্ধ জলাশয়ে মাছ চাষ হয়।

প্রাকৃতিক প্রত্যাবর্তন

বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিসের কর্মকর্তা বলরাম মহালদার বিবিসিকে বলেছেন, দেশের হাওড় এবং উজানে প্রাকৃতিকভাবে গত এক দশকে মাছের উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, হাওড় এলাকায় জলাশয় ইজারা দেবার সরকারি পদ্ধতি বাতিল হবার কারণে এ অগ্রগতি হয়েছে।

“ইজারা পদ্ধতি চালু থাকাকালে জলাশয়ের ব্যবহারকারীদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কিছু আচরণ যেমন মৌসুম শেষে জলাশয়টি পুরোপুরি সেচে ফেলা, রাসায়নিক ব্যবহার এসব কারণে মাছের প্রাকৃতিক আবাস ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হত।”

দেশি সরপুঁটি
দেশি সরপুঁটি

তিনি জানিয়েছেন, এখন নতুন নিয়মে কোন নির্দিষ্ট কম্যুনিটি একটি জলাশয়ের দায়িত্ব পায়, সেখানে মাছের আবাস ও উৎপাদন স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারের দেয়া নিয়মাবলী মানা হচ্ছে কিনা তা মনিটর করা হয়।

“এর ফলেই মাছের আবাসস্থল বা হ্যাবিটাট অটুট থাকছে, ফলে মাছের প্রজনন নির্বিঘ্নে হতে পারছে।”

মি. মহালদার জানিয়েছেন এর বাইরে মাছের জন্য অভয়াশ্রম করা হয়েছে অনেক এলাকায়, হাওড় এলাকায় পুনরায় খনন করে মাছের আবাসস্থল ফেরানো হয়েছে কোন কোন এলাকায়।

“এছাড়া ইলিশ সংরক্ষণের জন্য বছরে কয়েকটি সময় যে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়, তার ফলে কেবল ইলিশই বাঁচে না।

ওই একই আবাসস্থলে থাকা রিটা এবং আইড়ের মত মাছও সুরক্ষা পাচ্ছে। যেমন একটি নির্দিষ্ট সময় ইলিশ ডিম ছাড়ছে এবং বাচ্চা ফুটছে মানে প্রচুর জাটকা হচ্ছে, এই জাটকা আবার রিটা এবং আইড়ের প্রধান খাবার।”

কিন্তু ইলিশের উৎপাদন ব্যাপক হারে হচ্ছে বলে, রিটা এবং আইড় মাছের পেটে অনেক জাটকা চলে যাবার পরেও সব কটি মাছের উৎপাদন বাড়ছে।

বিলুপ্ত-প্রায় অবস্থা থেকে ফেরা কি স্থিতিশীল?

বাংলাদেশে দেশীয় মাছের প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩০০।

রিটা মাছ
রিটা মাছ

এর মধ্যে প্রায় বিলুপ্তির পথে ১০০র বেশি দেশীয় মাছ থাকলেও সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়নি।

প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন’এর এ সংক্রান্ত নিয়ম হচ্ছে, সর্বশেষ কোন একটি প্রজাতির মাছের দেখা পাবার পরবর্তী ২৫ বছরে যদি সেই প্রজাতির অস্তিত্বের কোন প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে সেটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

যে কারণে বিলুপ্ত ঘোষণা না হলেও বহু দেশিয় মাছই এখন আর দেখা যায় না।

তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা বলছেন, বর্তমানে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে দেশীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করছে।

তিনি বিবিসিকে বলেছেন, “এই মূহুর্তে বাজারে যেসব মাছ পাওয়া যায় তার ৫৬ শতাংশই চাষের মাছ।

চাষের টেংরা মাছ চাহিদা আছে বাজারে
চাষের টেংরা মাছ চাহিদা আছে বাজারে

ব্যাপক হারে চাষাবাদ হবার কারণে এসব মাছের দামও এখন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে, ফলে একদিকে দেশিয় উদ্যোক্তাদের যেমন কর্মসংস্থান হচেছ, তেমনি অর্থনীতির উন্নয়নও তো হচ্ছে।”

এখন এই দেশিয় প্রজাতির মাছের প্রত্যাবর্তন টিকিয়ে রাখা এবং আরো নতুন নতুন প্রজাতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

আর সেজন্য গবেষণা আরো বাড়াতে হবে।

মৎস্য

ইলিশে জমে উঠেছে চাঁদপুর

ইলিশে জমে উঠেছে চাঁদপুর
ইলিশে জমে উঠেছে চাঁদপুর

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের জালে তেমন ইলিশ ধরা না পড়লেও ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর নদীতে। ওইসব মাছ ট্রলার ও ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে নিয়ে আসা হচ্ছে চাঁদপুর বড়স্টেশন রফতানি কেন্দ্রে। এখান থেকে মাছগুলো বাক্স ভর্তি হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রফতানি করা হচ্ছে।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছের আড়ৎ চাঁদপুর বড়স্টেশনে গত দু’সপ্তাহ যাবৎ ইলিশের এ আমদানি হচ্ছে। আর ইলিশের এ আমদানি-রফতানিতে স্বস্তি ফিরে এসেছে আড়ৎ মালিকদের মাঝে।

চাঁদপুর নদনদী ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের ভোলা, চরফ্যাশন, দৌলতপুর, দক্ষিণ হাতিয়া, সন্দিপ, নিঝুমদ্বীপ, রামগঞ্জ, শরীয়তপুর ও নোয়াখালী এলাকা থেকে চাঁদপুর মাছঘাটে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ আসছে। এরফলে চাঁদপুর মাছ ঘাটে ব্যাপক হারে ইলিশের দেখা মিলছে।

চাঁদপুর মাছ ঘাটে গত দুই সপ্তাহ যাবৎ গড়ে প্রতিদিন ২ থেকে আড়াই হাজার মণ ইলিশ আমদানি হয়েছে। তবে গত দু’দিন ধরে কিছুটা কমে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দেড় হাজার মণে।

এদিকে চাঁদপুরে ইলিশ আমদানির কারণে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী, দাদন ব্যবসায়ীসহ শ্রমিকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এতে মৎস্য আড়ৎদারদের মাঝেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

নিঝুম দ্বীপ থেকে মাছ নিয়ে আসা জেলে মনু মাঝি জাগো নিউজকে জানান, সাগর থেকে শুরু করে দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোতে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে।

হাতিয়ার জাহাজমারার জেলে সোহান মাঝি জাগো নিউজকে জানান, এখন জো চলছে। এই সময়টিতে ইলিশ ধরা পড়ছে বেশি। সামনে আরো বেশি ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে চাঁদপুর মাছ ঘাটের মৎস ব্যাবসায়ী বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া জাগো নিউজকে জানান, দুই সপ্তাহ ইলিশের আমদানি ভালো থাকলেও গত দু’দিন এর পরিমাণ কিছুটা কমে এসেছে। এর ফলে দামও বেড়েছে।

তিনি জানান, ঈদের আগে ইলিশের দাম কমার সম্ভাবনা কম। তবে কয়েকদিন পর আরো একটি জো রয়েছে সেই জোতে ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন দাম আরো কমে যাবে।

শুক্রবার সরেজমিনে বড়স্টেশন মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ১২শ গ্রামের প্রতি মণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪০ হাজার টাকায় যার প্রতি কেজির মূল্য ১ হাজার টাকা, ৭শ থেকে ৮শ গ্রামের ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ২৭ হাজার থেকে ২৮ হাজার টাকায় যার প্রতি কেজির মূল্য ৭শত টাকা, ৫শ থেকে ৬শ গ্রাম ইলিশ প্রতি মণ ২০ থেকে ২২ হাজার টাকায় যার প্রতি কেজির দাম ৫শ থেকে ৬ শ টাকা। এছাড়া ছোট সাইজের ইলিশ ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ টাকা কেজি দরে পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

তবে চাঁদপুরের রুপালী ইলিশের দাম একটু বেশি। ১ থেকে ১২শ গ্রামের প্রতিমণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫০ হাজার থেকে ৫২ হাজার টাকায়, যার প্রতি কেজির মূল্য ১২ থেকে ১৩শ টাকা, ৭শ থেকে ৮শ গ্রামের ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩৪ হাজার থেকে ৩৬ হাজার টাকায়, যার প্রতি কেজির মূল্য ৭শ টাকা থেকে সাড়ে ৭শ টাকা, ৫শ থেকে ৬শ গ্রাম ইলিশ প্রতি মণ ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা, যার প্রতি কেজি ৫শ থেকে ৬শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত

ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত

ফারাক্কা বাঁধের ওপারে পদ্মার ভারতীয় অংশ গঙ্গায় ইলিশের পরিমান বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বর্তমান প্রত্রিকা এ সংবাদ দিয়েছে।

এতে বলা হয় এক সময় সাগর মোহনা থেকে গঙ্গার খাত বেয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুর পর্যন্ত ধরা পড়ত ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশে। কিন্তু ১৯৭৫ সালে ফরাক্কা ব্যারেজ চালুর পর থেকেই সাগর থেকে পদ্মার (গঙ্গা) উজানে ভারতীয় অংশে ইলিশের আনাগোনা কমতে শুরু করে। আর ১৯৯৫ সালের পর ইলিশ কখনও ফরাক্কা ব্যারেজ অতিক্রম করেনি।

এ অবস্থায় গঙ্গায় ইলিশের উপস্থিতি বাড়াতে তৎপর হয়েছে ভারত। পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গা ছাড়াও রূপনারায়ণ, দামোদর নদীতে ইলিশের উপস্থিতি কীভাবে আরও বাড়ানো যায় এবং ফরাক্কা অতিক্রম করে ইলিশ কীভাবে ফের বিহার-উত্তরপ্রদেশে পৌঁছাতে পারে সে বিষয়ে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

এ উদ্দেশে শনিবার (২ ডিসেম্বর) দেশটির একটি কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দল ফরাক্কা ব্যারেজ পরিদর্শন করেছেন। ওই দলের নেতৃত্বে দেন পশ্চিমবঙ্গের বারাকপুরের কেন্দ্রীয় মৎস্য গবেষণা সংস্থা সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিফরি) সদস্যরা।

এছাড়া ভারতের কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন, কৃষি মন্ত্রণালয়মহ একাধিক দফতরের বিশেষজ্ঞরাও ওই দলে ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

দশ হাজার টাকায় তিন কেজি ওজনের ইলিশ

দশ হাজার টাকায় তিন কেজি ওজনের ইলিশ
দশ হাজার টাকায় তিন কেজি ওজনের ইলিশ

ভোলার মনপুরা উপজেলায় মেঘনা নদীতে তিন কেজি ওজনের একটি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে বেলাল মাঝির জালে ধরা পড়েছে এই মৌসুমের সবচেয়ে বড় ইলিশ মাছটি।

মাছটি পেয়ে দ্রুত মনপুরার সবচেয়ে বড় রামনেওয়াজ বাজার মৎস্য ঘাটে নিয়ে আসেন বেলাল মাঝি। মাছটি বিক্রির জন্য মৎস্য আড়তে আনলে দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় করেন। মৌসুমের শেষে বেশি ওজনের ইলিশ ধরা পড়ায় সবাই বিস্মিত।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটের বেলাল মাঝি মনপুরা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলে মাছটি ধরেন। পরে মাছটি বিক্রির জন্য রাত ৮টায় রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আনা হলে মনপুরার মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়তদার মো. ফরহাদ হাওলাদার সর্বোচ্চ দাম হাকিয়ে এটি ১০ হাজার টাকায় কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. ফরহাদ হাওলাদার বলেন, গত বছরও তিন কেজি ওজনের একটি ইলিশ মাছ ধরেছিলেন জেলেরা। কিন্তু আমি সে মাছটি কিনতে পারিনি। এবার সবচেয়ে বড় ইলিশ মাছটি কিনতে পেরে আমি খুব খুশি। মাছটি আমার প্রিয় নেতা পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে  উপহার দেব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশ শিকারে ভারতীয় জেলেরা

বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশ শিকারে ভারতীয় জেলেরা
বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশ শিকারে ভারতীয় জেলেরা

বঙ্গোপসাগরসহ উপকূলের সর্বত্র এখন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এসময় একটি মা ইলিশ বেঁচে থাকলে জন্ম নেবে হাজারও ইলিশ। তাই ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপকূলীয় নদ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে ১ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। বাংলাদেশি জেলেরা এ নিষেধাজ্ঞা মেনে ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকলেও এ সুযোগে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে নির্বিঘ্নে ইলিশ শিকার করছে ভারতীয় জেলেরা। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী বাংলাদেশি জেলেদের।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তাফা চৌধুরী জানান, মৎস্য গবেষকরা আশ্বিন মাসের মধুপূর্ণিমার আগের তিন দিন থেকে পরবর্তী ১৫ দিন মা ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজননকাল চিহ্নিত করেছেন। তাই এ বছরই প্রথম ১১ দিনের পরিবর্তে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময় সীমা ২২ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। শুধু আহরণই নয়, ইলিশ সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণনও এ সময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৩ সাল থেকে এ সময়ে উপকূলীয় নদ-নদী ও সাগর মোহনায় ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আসছে বাংলাদেশ সরকার।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইলিশ শিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশি জেলেরা মানলেও মিয়ানমার ও ভারতীয় জেলেরা এসব নিসেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করে যাচ্ছে। এতে প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ ও নিরাপদ প্রজননে বাংলাদেশ সরকারের উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে।

এসময়ে ভারতীয় জেলেদের বাংলাদেশের জল সীমায় অনুপ্রবেশ করে ইলিশ শিকার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ইন্ডিয়ার মধ্যে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশ শিকারে ভারতীয় জেলেরা
বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশ শিকারে ভারতীয় জেলেরা

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মান্নান জানান, একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি সুদীর্ঘ বছরের জলদস্যু সমস্যা তো রয়েছেই। তার উপরে গত কয়েক বছর ধরে শুরু হয়েছে ভিনদেশি ট্রলি ও ট্রলারের অত্যাচার। এত সমস্যার বেড়াজালে দেশীয় জেলেরা আর কুলিয়ে উঠতে পারছে না।

জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার শ্রমিক নেতা আব্দুল মান্নান জানান, গভীর সাগরে প্রতিদিন ভারতীয় স্বয়ংক্রিয় মৎস্য শিকারী ট্রলার নির্বিঘ্নে ইলিশ শিকার করে যাচ্ছে। শুধু ইলিশ প্রজনন মৌসুমেই নয়, বছরজুড়েই বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ সীমানায় চলে এসব বিদেশি ট্রলারের রামরাজত্ব।

এদিকে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞার কারণে দক্ষিণ উপকূলের অন্তত ৫০ হাজার জেলে ২২ দিনের জন্য বেকার হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিচালিত পাথরঘাটার দু’টি পাইকারি বাজার (পাথরঘাটা ও চরদুয়ানী) বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছে শত শত শ্রমিক। ব্যবসায়-বাণিজ্যে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। ইলিশ প্রজনন মৌসুমে প্রান্তিক জেলে ও মৎস্য শ্রমিকদের জন্য বিকল্প কোনো কর্ম সংস্থান কিংবা কোনোরূপ পূণর্বাসন সহায়তার ব্যবস্থা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জেলেরা।

সাধারণত সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলে আশ্বিন মাস অভাবের মাস হিসেবে পরিচিত। তার ওপর ২২ দিনের ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় চরম দুর্ভোগে এখন উপকূলের হাজার হাজার জেলে।

এ বিষয়ে বরগুনার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওয়াহেদুজ্জামান জানান, ভারতীয় জেলেদের আগ্রাসনের বিষয়টি নিয়ে এর আগেও জেলার মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক ও শ্রমিকরা একাধিকবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিও দিয়েছেন। এ সবের প্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ইতোমধ্যে জরুরি বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। যার ফলে সম্প্রতি সমুদ্রে নৌ-বাহিনী ও কোস্ট গার্ডের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম

ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম
ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম

নদী ও সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতেও এখন কেবল ইলিশ আর ইলিশ। শুধু বাজারেই নয়, প্রাচুর্যের কারণে রাজধানীর অলিগলি, পাড়া-মহল্লায়ও ফেরি করে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে। সেই সঙ্গে মেগা শপগুলোতেও এখন প্রচুর ইলিশের আমদানি।

বিপুল পরিমাণ ইলিশ সরবরাহের প্রভাব পড়েছে বাজারের অন্য মাছের ওপর। ইলিশের প্রাচুর্য ও দাম নাগালের মধ্যে থাকায় অন্যান্য মাছের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কম লক্ষ্য করা গেছে।

রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছের বাজারে যেসব ক্রেতা আসছেন, তাদের বেশিরভাগই ইলিশের ক্রেতা। এজন্য বিক্রেতারাও অন্য মাছের বদলে ইলিশ বিক্রির দিকে ঝুঁকেছেন। ইলি্শের দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে হওয়ায় বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। বাজারে আসা ক্রেতাদের বেশিরভাগই ইলিশ কেনায় বেশি দাম দিয়ে অন্য মাছ কেনার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম
ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম

রোববার মিরপুরসহ বিভিন্ন বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ইলিশের আকার অনুযায়ী দরদাম করে মাছ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশের বিক্রি বেশি হচ্ছে। আধা কেজি ওজনের ইলিশের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। তবে এর চেয়ে ছোট আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি দরে।

কারওয়ানবাজারে গিয়ে দেখা যায়, দুই কেজি ওজনের একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকায়। এর থেকে ছোট আকারের ইলিশ অর্থাৎ ১২০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশের দাম ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর এক কেজি ওজনের কম হলে সেই ইলিশের দামও কম। এক কেজি আকারের ইলিশের দাম ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা। এছাড়া কারওয়ানবাাজারে ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৭০০ টাকা।

ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম
ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম

কারওয়ানবাজারে ইলিশ কিনতে এসেছেন শফিকুর রহমান নামে এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, মাছের দাম কম। তবে কারওয়ানবাজারে সময়ভেদে এই ইলিশের দাম নির্ভর করে। কারণ এখানে ক্রেতার আগমন বেশি হলে দামও বেড়ে যায়। বিশেষ করে অফিস ছুটির টাইমে মাছের দাম একটু চড়া হয়।

বাজার ঘুরে দেখা গেল, রাজধানীর অনেক বাজারে ইলিশের দাম আগের তুলনায় অর্ধেকে নেমেছে। আর কম দামে ইলিশ কিনতে পেরে বেজায় খুশি পরিবারের কর্তা বা গিন্নি। ইলিশের বাজার সরগরম হওয়ায় মৌসুমি কিছু ব্যবসায়ীও মুনাফা লুটছেন।

মিরপুরের কালশীতে ভ্যানে ইলিশ ফেরি করছিলেন সুমন। তিনি জানান, এসব মাছ কারওয়ানবাজার থেকে সকালে কিনে এনেছেন। দুপুরের আগেই বিক্রি প্রায় শেষ। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি বিক্রি করছেন ৫০০ টাকা হিসেবে। এতে কেজিপ্রতি তার প্রায় ১০০ টাকা লাভ থাকছে। তাই অন্য মাছ বিক্রি না করে এখন ইলিশ বিক্রিতেই তিনি আগ্রহী।

ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম
ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম

বাজার ঘুরে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, নদী ও সাগরে এখন প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে। সেই ইলিশ প্রক্রিয়াজাত হয়ে কয়েক হাত ও আড়ত ঘুরে পৌঁছেছে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। আর আগের তুলনায় দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা কিনছেন দেদারসে।

এদিকে সবজির সঙ্গে কয়েকদিন আগেও পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল অন্যান্য মাছের দাম। কিন্তু ইলিশের প্রভাবে এখন অন্যান্য মাছের দামও কমতে শুরু করেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেল, প্রতি কেজি রুই ও কাতলা ৩০০-৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০-২৫০, সিলভার কার্প ১৮০-২০০, আইড় ৪৫০-৬০০ এবং মেনি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০ টাকা কেজিতে।

ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম
ইলিশে সরগরম বাজার, অন্য মাছে আগ্রহ কম

আর ছোট মাছের মধ্যে বাইলা মাছ প্রকারভেদে প্রতি কেজি ২৫০-৪০০ টাকা, বাইন মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকা, পুঁটি ২০০-৩৫০ টাকা, পোয়া ৪০০-৪৫০ টাকা ও মলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩০০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া অভিজাত মাছ হিসেবে পরিচিত পাবদা কেজিপ্রতি ৫০০-৬০০ টাকা, বোয়াল ৪৫০-৫০০ টাকা, শিং ৪০০-৭০০, দেশি মাগুর ৪০০-৭০০ টাকা ও শোল মাছ ৪০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com