আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

প্রস্রাব আটকে রেখে শরীরের ক্ষতি করছেন কি?

মনে করুন, আপনি কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং-এ আছেন কিংবা কোনো পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ভ্রমণ করছেন এবং সেই মুহূর্তে আপনি প্রস্রাব করার তীব্র তাগিদ অনুভব করছেন। তাৎক্ষণিকভাবে আপনার কোনো রেস্টরুমে যাওয়ার সুযোগও নেই। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি কোনো জায়গা খুঁজে না পাচ্ছেন, ততক্ষণ আপনাকে প্রস্রাব ধরে রাখতে হচ্ছে। আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোন সময় এরকম পরিস্থিতির শিকার হয়েছি। যা আমাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে তা আমরা বুঝতে পারি না। প্রসাব আটকে রাখলে তা আমাদের শরীরের জন্য কী ক্ষতি ডেকে আনে সে সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

হিউম্যান ব্লাডার
মানব দেহের ব্লাডার বা মূত্রাশয় প্রায় ২ কাপ পরিমাণ ইউরিন (প্রস্রাব) ধরে রাখতে পারে। আমাদের শরীরের এই পরিমাণ প্রস্রাব তৈরি করতে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা সময়ের প্রয়োজন। সুতরাং, ভ্রমণে বা কোথাও বের হলে সহজেই আপনি ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা প্রস্রাব ধরে রাখতে সক্ষম।

সমস্যাটি শুরু হয় যখন অঙ্গটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আমাদের ব্লাডারটি নমনীয় এবং এর মাঝে একটি রিসেপটর রয়েছে যা মস্তিষ্কে সংকেত প্রেরণ করে যে এটি পূর্ণ। আপনি যখন প্রস্রাব ধরে রাখেন তখন ব্লাডারটি আরও তরল ধরে রাখতে প্রসারিত হয় এবং এই অতিরিক্ত সময় অঙ্গটির জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে । এটি আমাদের গুরুতর চিন্তার কারণ।

চিকিৎসকদের মতে, প্রতি তিন ঘণ্টা পরপর আমাদের ব্লাডার খালি করতে হবে। সাধারণত, একজন ব্যক্তির দিনে ৬-৮ বার প্রস্রাব করা প্রয়োজন। তবে, ঘুরতে বের হলে বা ভ্রমণের সময় আপনি কতবার প্রস্রাব করতে পারেন তা নির্ভর করে আপনি একদিনে কত পরিমাণ তরল গ্রহণ করেন।

প্রস্রাব আটকে রাখলে দেহের যেসব ক্ষতি হয়
মাঝেমধ্যে এক’দু বার প্রস্রাব ধরে রাখা তেমন ক্ষতিকারক নয়। তবে, যদি নিয়মিতভাবে এমন হয় তাহলে এর ফলে মূত্রাশয়জনিত বেশকিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রস্রাব ধরে রাখার ফলে সর্বাধিক যে স্বাস্থ্য সমস্যাটি হয় তা হলো, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই)। এই জাতীয় ইনফেকশনের ফলে মূত্রাশয়ে জ্বালা করে এবং বারবার প্রস্রাব করার তাগিদ অনুভব হয়। পুরুষের তুলনায় নারীর মধ্যে ইউটিআই বেশি দেখা যায়।

এভাবে প্রস্রাব ধরে রাখার ফলে ব্লাডারে উপস্থিত রিসেপ্টরগুলোর সংবেদনশীলতা হ্রাস পেতে থাকে। সময়ের সাথে সাথে এটি আর তীব্র আকার ধারণ করে। এমন এক পরিস্থিতি হয় যেখানে ব্লাডারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং বিশেষত কাশি, হাঁচি দেয়ার সময় বা যখন তীব্র প্রস্রাবের তাগিদ থাকে তখন মাঝে মাঝে ইউরিন লিকেজ হয়ে যায়। ১০ ঘণ্টারও অধিক সময় প্রস্রাব ধরে রাখা মোটেও ভালো কিছু নয়।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন
প্রস্রাব ধরে রাখা অবশ্যই আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়। তবে ভয়ের কোন কারণ নেই, আপনি যখনই প্রস্রাবের তাগিদ অনুভব করবেন তখন আপনার ব্লাডার খালি করবেন। প্রস্রাব করার সময় যদি আপনার কোনো অসুবিধা হয় তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি আপনার ব্লাডার খালি করার ব্যাপারটি কঠিন করে তুলতে পারে। সেক্ষেত্রে এজাতীয় পরিস্থিতি মোটেও হালকাভাবে নেয়া উচিত নয় এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা সহায়তা নেয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

প্রচণ্ড খিদে পেলেও যেসব খাবার খাবেন না!

খিদে পেলে অনেক সময়েই সামনে যা আছে তাই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়

প্রচণ্ড খিদে পেলে অনেক সময়েই সামনে যা আছে তাই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে যা এমন খিদের সময়ে খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

জেনে নিন কোন খাবারগুলো খিদের সময়ে খাওয়া উচিত নয়।

ঝাল খাবার

মধ্যাহ্নভোজ (লাঞ্চ) সারতে দেরি হয়ে গেছে। তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল কোনো মুখরোচক খাবার অর্ডার করে বসলেন আর তা দিয়েই মধ্যাহ্নভোজ সেরে নিলেন। এর ফলে কি হবে জানেন? আপনার হজমের সমস্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের (স্টমাক লাইনিং) ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

তাহলে কী করবেন? ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না।

ফল

খালি পেটে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আমরা আমাদের ছেলেবেলা থেকেই জানি। একটা আপেল বা একটা কলা খেয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারবেন না। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। এর সঙ্গে আপনার খাওয়া উচিৎ কোনও প্রোটিন ধরনের খাবার। ফলের সঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পনির, এক পিস বিস্কুট বা পাউরুটি।

চা বা কফি

এসব পানীয় খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অত্যন্ত ক্ষতিকর।

বিস্কুট বা চিপস

এমনটা হতে পারে যে আপনি ঘণ্টা খানেক পর লাঞ্চ করবেন। তাই এখন ভারি কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু তা বলে বিস্কুট বা চিপস একেবারেই নয়! ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট বা চিপস বেশিক্ষণ পেটে থাকবে না। এছাড়া এসব খাবারে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হজম হয়ে যাবে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনো খাবার। যেমন- একটা স্যান্ডউইচ কিংবা কেক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খুসকি তাড়ানোর কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা!

রান্নাঘর বা বাড়ির আনাচে-কানাচেই এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা খুসকি সারাতে অব্যর্থ!

খুসকি খুবই কমন সমস্যা। চুল ঠিকমত ব্রাশ না করলে স্ক্যাল্পে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক হয় না। এতে স্ক্যাল্পের সেল রিনিউয়াল প্রসেস ব্যাহত হয়। ফলে স্ক্যাল্পের ত্বকে মৃত কোষ জমতে থাকে। স্ক্যাল্প যদি কোনও কারণে খুব শুষ্ক হয়ে যায় অথবা যাদের স্ক্যাল্প এমনিতেই খুব শুষ্ক, তাদের ক্ষেত্রে খুসকির সমস্যা বেশি হয়। 

শুষ্ক আবহাওয়া, বারবার তাপমাত্রার পরিবর্তন ইত্যাদিও খুসকি তৈরির জন্য দায়ী। অনেকের ধারণা থাকে যে অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে স্ক্যাল্পের ক্ষতি হয়। কথাটা আংশিক ঠিকই। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে স্ক্যাল্প ইরিটেটেড হয় এবং তা থেকে ড্যানড্রফ হয়। তবে তাই ভেবে যদি শ্যাম্পু খুব কম করা হয় তাহলেও কিন্তু স্ক্যাল্পের ক্ষতি। এক্ষেত্রে নোংরা, তেল, মৃত কোষ স্ক্যাল্পে জমতে থাকে। ফলে অপরিষ্কার স্ক্যাল্পে খুসকির সমস্যা বেড়ে যায়। 

এছাড়া, খাবারে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি, জিঙ্কসহ কিছু নির্দিষ্ট ফ্যাট না থাকে তাহলেও খুসকির সমস্যা হতে পারে। 

সমাধান

শ্যাম্পু বদলালেই অনেক সময় পুরোপুরি সমস্যা সেরে যায়। আর যাদের সমস্যা খুব বেশি তাদের ক্ষেত্রে শুধু শ্যাম্পু বদলালেই হবে না। শ্যাম্পুর পাশাপাশি চাই বিশেষ যত্ন। রান্নাঘর বা বাড়ির আনাচে-কানাচেই এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা খুসকি সারাতে অব্যর্থ! শুষ্ক স্ক্যাল্প থেকে যাদের খুসকির সমস্যা হয় তাদের জন্য রইল কিছু ঘরোয়া সমাধান।

১. আধা কাপ উষ্ণ গরম পানিতে সমপরিমাণ কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বা সাধারণ ভিনেগার মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ হাল্কা হাতে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। শ্যাম্পু করবেন না।

২. এক বাটি পানিতে ২ চা চামচ মেথি মিশিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে সেটা মিক্সারে পেস্ট করে স্কাল্পে লাগিয়ে রাখুন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

৩. বেশ কয়েকটা নিমপাতা ৫ গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি ছেকে তা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। চাইলে পাতাসহ পানি নিয়ে পেস্ট করে মাস্কের মত স্ক্যাল্পে লাগিয়েও রাখতে পারেন। একঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪. বাড়িতে ডাইনিং টেবিলে লবণের কৌটো সবারই থাকে। তবে বেশি ভাল হয় যদি এপসম সল্ট ব্যবহার করা যায়। ৩ টেবিল চামচ লবণ শুকনো অথবা সামান্য ভিজে স্ক্যাল্পে হাল্কা হাতে ঘষে নিন। ২ থেকে ৩ মিনিট রেখে ভাল করে শ্যাম্পু করে নিন।

৫. ২ টেবিল চামচ লেবুর রস ভালে করে স্ক্যাল্পে লাগিয়ে এক মিনিট রেখে দিন। আলাদা বাটিতে ১ চা চামচ লেবুর রস নিয়ে এক কাপ পানিতে মিশিয়ে নিন এবং তা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। বেশ কয়েকদিন এভাবে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন।

৬. এক কাপ উষ্ণ গরম পানিতে এক চা চামচ টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রেখে দিন। শ্যাম্পু করার পর পুরো স্ক্যাল্পে ভালো করে স্প্রে করে হাল্কা হাতে ম্যাসাজ করে নিন।

৭. চুল ধোয়ার ১৫ মিনিট আগে স্ক্যাল্পে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৮. গোসলের আগে স্ক্যাল্পে নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এক ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। নারকেল তেল ড্যানড্রফ তাড়াতে খুব উপকারি।

৯. রসুন থেতো করে মধুর সাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন। কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

১০. অলিভ অয়েল ও ড্যানড্রফ তাড়াতে ভাল কাজ করে। ৮-১০ ফোটা তেল নিয়ে স্ক্যাল্পে হাল্কা হাতে ম্যাসাজ করুন। শাওয়ার ক্যাপ পরে সারারাত রেখে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খেজুর-চিকেন কারি!

একটু অন্যরকম স্বাদের হলেও পরোটা বা লুচির সঙ্গে কিন্তু অনবদ্য লাগবে খেতে!

উপকরণ

চিকেন কিমা- ২৫০ গ্রাম

ডিম- ১টা (সেদ্ধ)

খেজুর- ৮ থেকে ১০টা

বড় পেঁয়াজ- ১টা (বাটা)

রসুন- ৫ কোয়া (বাটা)

আদা বাটা- ২ চা চামচ

বড় টমেটো- ১টা (বাটা)

কাঁচা মরিচ- ৪টে (বাটা) 

কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো- ১ চা চামচ

মেথি- সামান্য

সয়াবিন তেল- ৪ টেবিল চামচ

লবণ- স্বাদমত

প্রণালী

প্রথমে কড়াইতে সয়াবিন তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজবাটা, রসুন ও আদা বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছাড়ছে কষাতে থাকুন। এরপর টমেটো বাটা দিন। স্বাদমত লবণ দিয়ে আবারও নাড়াচাড়া করুন। আঁচ মাঝারি রাখুন। টমেটোর পানি শুকিয়ে এলে চিকেন কিমা দিয়ে দিন।িআলাদা করে আর পানি দেওয়ার দরকার নেই। তেল ছাড়তে শুরু করলে খেজুর ও কাঁচা মরিচ বাটা মেশান। এই সময় কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো দিতে পারেন, সুন্দর রং আসবে। ভাল করে সব মিশিয়ে ওপর থেকে মেথি ছড়িয়ে দিন। সেদ্ধ ডিম ওপরে ছোট টুকরো করে কেটে সাজিয়ে দিন। চাইলে সেদ্ধ ডিম কিমার ভেতরে দিয়েও নাড়াচাড়া করতে পারেন। 

একটু অন্যরকম স্বাদের হলেও পরোটা বা লুচির সঙ্গে অনবদ্য লাগবে!

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঠোঁটের মেক-আপ!

হালকা আর গাঢ় রঙের মিশেলে আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে ঠোঁটের ভাষা, অনেকটা ঠিক থ্রি-ডি এফেক্টের মত!

লিপস্টিকের মতো জনপ্রিয় মেক-আপ সামগ্রী বোধহয় এই জগতে আর দু’টি হয় না! বেজ বা চোখের মেক-আপ না থাকলেও হবে কিন্তু ঠোঁটে রঙের ছোঁয়া থাকা চাই-ই চাই!  আর শুধু একটা রং নয়, আধুনিক মেক-আপ ট্রেন্ডে লিপ মেক-আপের ক্ষেত্রেও একাধিক রঙের বেশ চল শুরু হয়েছে। আর এর কেতাবি নাম হলো, “অমব্রে”। হালকা আর গাঢ় রঙের মিশেলে যেন আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে ঠোঁটের ভাষা! অনেকটা ঠিক থ্রি-ডি এফেক্টের মত! জেনে নিন কীকরে করবেন।

১. অমব্রে লিপ করার জন্য যেকোনও দু’টি পছন্দের শেড বেছে নিতে পারেন, আবার একই রঙের হালকা ও গাঢ় শেডও চলবে। আর চাই ম্যাচিং লিপলাইনার ও প্রিসিশন ব্রাশ।

২.  লিপলাইনারের সাহায্যে নিখুঁত করে ঠোঁট আউটলাইন করে নিন। লিপস্টিকের সঙ্গে ম্যাচিং শেড ব্যবহার করাই ভাল।

৩.  এবার যেকোনও একটি শেডের লিপস্টিক দিয়ে পুরো ঠোঁট ফিল করে নিন।

৪. এবার ঠোঁটের দুই কোণ এবং লাইনারের রেখা ঘেঁষে দ্বিতীয় শেড লাগান। খেয়াল রাখবেন, দু’টো রংই যেন বোঝা যায়।

৫.  দু’টো রং যেখানে মিশেছে, শুধু সেই অংশে লিপ প্রিসিশন ব্রাশ ব্যবহার করে ব্লেন্ড করে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঘরের সাজ বদল!

বইয়ের তাক বা শো-কেস যাই হোক না কেন, অন্যভাবে সাজানো যায় সবই! একঘেয়েমি কাটাতে মাঝে-সাঝেই এদিক-ওদিক করুন ঘর সাজানোর জিনিসগুলো

ঘরকে নতুন করে সাজানোর বিশাল আয়োজনের প্রয়োজন নেই। একটু বুদ্ধি খরচ করলেই করে ফেলতে পারবেন বাড়ির মেকওভার! বইয়ের তাক বা শো-কেস যাই হোক না কেন, অন্যভাবে সাজানো যায় সবই! একঘেয়েমি কাটাতে মাঝে-সাঝেই এদিক-ওদিক করুন ঘর সাজানোর জিনিসগুলো।      

১.  ঘরের দেওয়ালে লেগে রয়েছে একগাদা দাগ! রান্নাঘরের দেওয়ালে তেল-কালির কথা আর নাই বা বললাম। দাগ তোলার জন্য আপনি কিন্তু ব্যবস্থা নিতে পারেন ঘরেই। এক কাপ গরম পানিতে এক চামচ সাবান মিশিয়ে ভাল করে ঘষলে টাইলসের দাগ উঠে যাবে।

গভীর দাগ তোলার জন্য এক মগ পানিতে ভিনিগার আর বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। ক্রেয়ন কালারের দাগ তুলুন টুথপেস্ট দিয়ে। পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ হলে অ্যালকোহল দিয়ে ঘষলেই উঠে যাবে।

২. একইরকম রং ঘরের দেওয়ালে দেখে বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন? পুরো বাড়ি, ঘরে রং করা এই ক’দিনে সম্ভব নয়। কিন্তু কোনও একটা দেওয়াল হাইলাইট করার কথা ভাবতে পারেন। এটাই আপনার ঘরের লুককে এক নিমেষে বদলে দেবে। সুন্দর দেখতে নানারকম ওয়ালপেপার আজকাল পাওয়া যায়। রং করতে না চাইলে সেগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেন।

৩. রান্নাঘরের লুক বদলাতে তেল-ঝুল পরিষ্কার করে রান্নাঘর রং করে ফেলুন। মশলার কৌটো বদলান। কিচেন ম্যাট, টাওয়েল বদলে দিন। কাঠের ম্যাট বা মাদুরের ম্যাট পাওয়া যায়, সেগুলো কিনতে পারেন। যে-বাসনগুলো বা নন-স্টিকগুলো পুরনো হয়ে গেছে এবার সেগুলো বদলে দিয়ে নতুন কিনুন।

৪.  ঘরের আলো কিন্তু ঘরের চেহারা অনেক বদলে দিতে পারে। সুন্দর দেখতে টেবলল্যাম্প কিনুন। হ্যাঙ্গিং ল্যাম্পশেডও কিনতে পারেন। ঘরে হাইলাইট করা দেওয়াল থাকলে তা অন্যরকমভাবে সাজান।

৫. দেওয়ালে ছবি রাখতে পারেন, দেওয়াল ঘড়িটাকে পালটে নতুন কোনও ঘড়ি কিনতে পারেন। আজকাল নানারকম ডেকোরেটিভ ওয়াল-আর্টও পাওয়া যায়। সেগুলোও লাগাতে পারেন দেওয়ালে।

৬. আজকাল বাড়িতে বা ঘরে অনেকেই ইনডোর প্ল্যান্ট রাখেন। ঘরের মধ্যে একটা সবুজ গাছ থাকলে মনটাও ভাল হয়ে যায়। বড় গাছ যদি চান তাহলে স্নেক প্ল্যান্ট, উইপিং ফিগ, ফিডল লিফ ফিগ টবে লাগিয়ে ড্রয়িং বা ডাইনিং রুমের একপাশে রাখতেই পারেন। আর যদি খাটের পাশে বা অন্য কোথাও ছোট গাছ লাগাতে চান, তা হলে মানি প্লান্ট, অ্যালোভেরা, ইংলিশ আইভি, অ্যাসপারাগাস ফার্ন আপনার জন্য ভাল অপশন হতে পারে।

৭. বিছানা বা সোফার কুশন, কভার বদলে দিতে পারেন। নতুন পর্দা লাগান। ঘরের চেহারাই বদলে যাবে। আজকাল অনেক সুন্দর, অন্যরকম ডিজাইনের বেড কভারও পাওয়া যায়। আপনার ঘরকে নতুন সাজে সাজাতে সেগুলো করে দেখতে পারেন। বদলে দিতে পারেন টেবিল কভারও।    

 ৮. হঠাৎ করে বাড়ির আসবাব তো বদলাতে পারবেন না। তাই ঘরে ছোটখাটো পরিবর্তন আনুন। আজকাল সুন্দর ডিজাইনার আয়না পাওয়া যায়, সেগুলো লাগাতে পারেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com