আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে

 গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে
গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে

প্রাণিজ আমিষের বড় একটা অংশ আসে পোল্ট্রি শিল্প থেকে। প্রায় অর্ধকোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এই শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই এ শিল্পের সুদৃঢ় ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। গরমকাল এ পোল্ট্রি খামারের বিশেষ যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি এবং লেয়ার খামারের ডিম সংখ্যা। সে কারণেই নিচের টিপসসমূহ জেনে নিন-

তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও এর প্রভাব
ঘর্মগ্রন্থি না থাকার কারণে মোরগ-মুরগির অতিরিক্ত গরম অসহ্য লাগে। এতে উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত তাপে এদের পানি গ্রহণ, শ্বাস-প্রশ্বাস, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার, রক্তচাপ, নাড়ির স্পন্দন, রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা, খাদ্য গ্রহণ, শরীরের ওজন ও ডিমের উৎপাদন হ্রাস পায়। ১৫ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এদের উৎপাদন সর্বোচ্চ। ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শতকরা ৪ ভাগ হারে পানি গ্রহণ বৃদ্ধি পায়। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পর থেকে ডিমের সংখ্যা না কমলেও প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ডিমের ওজন শতকরা এক ভাগ হারে কমে যায়। ২৬.৫ সেলসিয়াস ডিগ্রি তাপমাত্রার পর থেকে মোরগ-মুরগির খাদ্যের রূপান্তর ক্ষমতা হ্রাস পায়। ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপ বৃদ্ধিতে ২ থেকে ৪ শতাংশ খাবার গ্রহণ কমে যায়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মোরগ-মুরগির জন্য অসহনীয় এবং ৩৮ ডিগ্রির পর মৃত্যু হার খুব বৃদ্ধি পায়।

তাপজনিত ধকল প্রতিরোধ
খামারের আশেপাশে ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রোপণ এবং ঘর পূর্ব-পশ্চিমে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তবে আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় বায়োসিকিউরিটির কথা চিন্তা করে গাছপালা রোপণের প্রতি অনুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। গরমে পোল্ট্রি শেডে প্রত্যক্ষ সূর্যালোক পরা যাবে না। অত্যধিক গরম প্রতিরোধে প্রয়োজনে শেডের ছাদে বা টিনের চালায় দিনে দু’তিন বার পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের নিচে চাটাই বা হার্ডবোর্ড দিয়ে সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় মুরগি যখন হাঁ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় তখন ঘরে সেপ্র মেশিন দিয়ে কুয়াশার মত করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পানির ড্রিংকার ও ফিডারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ঘন ঘন ড্রিংকারের পানি পাল্টাতে হবে। গরমে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেডের মেঝে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে হয়ে লিটার দ্রুত ভিজে যায়। ফলে রোগের আক্রমণও বাড়ে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ব্রয়লার শেডের লিটার উলোট-পালোট করা প্রয়োজন। লিটারে গুঁড়ো চুন ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। শেড থেকে শেডের দূরত্ব ৩০ ফুটের বেশি হলে ভালো হয়। শেডে মোরগ-মুরগির ঘনত্ব বেশি হলে তা কমিয়ে দিতে হবে। বাতাসের অবাধ চলাচল শেডের ভেতরের তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করবে এবং পোল্ট্রির জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাসমুক্ত রাখবে। শেডে স্টেন্ড ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাবার ব্যবস্থাপনা
ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এদের খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, সেহেতু প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ৮ থেকে ১০ ভাগ শক্তি কমিয়ে প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিন বাড়িয়ে দিতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ১০-১২ গ্রাম গ্লুকোজ ও মুরগি প্রতি ১০ গ্রাম ভিটামিন সি পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক বিটেইনে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আছে যা কোষের মধ্যে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হিট স্ট্রোকের হাত থেকে এরা রক্ষা পায়। গরমে পোল্ট্রির অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা বেড়ে যায়। বিটেইনে মিথাইল মূলক বিদ্যমান, যা মিথিওনিন ও কলিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমে প্রয়োজনে একদিনের বাচ্চার জন্য পানিতে আখের গুড়, ভিটামিন-সি অথবা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত স্যালাইন পানি দিতে হবে।

এগ্রোবিজ

দুই সপ্তাহে মিয়ানমার থেকে এলো ৮ হাজার ১০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ

ভারতে পেঁয়াজের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার রেশ পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। গত কয়েকদিনে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। আর নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আসছে মিয়ানমারের পেঁয়াজ। গত দুই সপ্তাহে ৮ হাজার ১০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে এসেছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী।

টেকনাফ স্থলবন্দরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আমিন বলেন, মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসার পরিমাণ বেড়ে গেলে সে দেশেও দাম বাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। দেশের বাজারের দাম স্বাভাবিক রাখতে কয়েক দিনের মধ্যে মিয়ানমার থেকে আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক এম এ হাসেম, এহতেশামুল হক, শওকত আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ ফারুক, মো. জব্বার, মো. ইব্রাহিমসহ আরও কয়েকজনের কাছে আটটি ট্রলারে করে মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে ২৮ হাজার বস্তায় ৮০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এসেছে। পরে ট্রলার থেকে পেঁয়াজের বস্তাগুলো খালাস করে ট্রাকে বোঝাইয়ের পর এসব ট্রাকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে পেঁয়াজ সরবরাহ করা হয়।

শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত ৮ হাজার ১০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে মিয়ানমার থেকে। এসব পেঁয়াজ আমদানি করেছেন ১০ থেকে ১২ জন ব্যবসায়ী। এর আগে মিয়ানমার থেকে সেপ্টেম্বরে ২ হাজার ৯৮৮ মেট্রিক টন, আগস্ট মাসে ৭৬৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশ মূলত ভারতের পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে দাম বেড়ে গেলে এখনকার ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে থাকেন। তবে মাঝেমধ্যে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। যেকোনো সময় মিয়ানমারেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

টেকনাফ স্থলবন্দরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করলেও টেকনাফে সেটি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে, মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে ব্যবসায়ীরা তেমন বেশি লাভবান হচ্ছেন না।

টেকনাফ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের জিএম মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন। পেঁয়াজ পচনশীল পণ্য হওয়ায় স্থলবন্দর থেকে সারাদিন এ পণ্য ট্রাকভর্তি করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে এ প্রচেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কুমিল্লার কৃষকরা শীতের আগাম সবজি ভালো দাম পাচ্ছেন

লেখক

শীতের আগাম জাতের সবজির ভালো দাম পাচ্ছেন কুমিল্লার চাষিরা। ফসলের কাঙ্ক্ষিত দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা। চাহিদা থাকায় ভোরেই সবজি কিনতে ভিড় করছেন পাইকাররা। কৃষকরা বলছেন, অতি বৃষ্টিতে এবার ফলন কিছুটা কম হলেও ভালো দামে তা পুষিয়ে যাচ্ছে। সকালে বিস্তৃত মাঠে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে আগাম জাতের সবজি শিমের ফোটা দৃষ্টি নন্দন ফুল। বিক্রির আশায় ভোরে ক্ষেত থেকে শিম তুলতে ব্যস্ততা বাড়ে রাশেদা দম্পত্তির। কুমিল্লা সদর উপজেলার বিবিরবাজার এলাকায় রাশেদার মতো অনেকেই ভালো দাম পাওয়ার আশায় চাষ করেন শীতের আগাম নানা জাতের সবজি। শিম, বেগুন, পটল, মিষ্টি লাউ, ফুলকপিসহ শীতের সব ধরনের সবজির মাঠ থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকাররা। অতি বৃষ্টিতে ফলন কিছুটা কম হলেও চড়াদামে ক্ষতি পুষিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন চাষিরা।


শিম চাষি তৈয়ব আলী বাসসকে জানান,  প্রতি সপ্তাহে বিঘা প্রতি ১-২ মণ শিম তোলা হয়। গত বছরে এর দাম ছিল ৩০-৩৫ টাকা। এ বছর  ১০০ টাকায় বিক্রি করেছি। কীটনাশক মুক্ত সবজি চাষাবাদে কৃষকদের সহযোগিতা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।  আর ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিতে প্রান্তিক পর্যায়ে বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জনপ্রতনিধির।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বাসসকে  বলেন, আগাম জাতের শীতের সবজি চাষ করে ভালো দাম পাচ্ছে কৃষকরা। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক দিতে হবে না

অস্বাভাবিক দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানিতে কোনো শুল্ক দিতে হবে না। এতদিন ৫ শতাংশ হারে আমদানি শুল্ক দিতে হতো। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। আজ থেকে এটি কার্যকর হয়ে গেছে।

এ ছাড়া অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে শুল্ক কমানো হলো। বর্তমানে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩০ শতাংশ। এটি কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। ২০২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমদানি পর্যায়ে কম হারে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক দিতে হবে। আজ আরেকটি প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

এর আগে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন পেঁয়াজ ও চিনির ওপর শুল্ক কমানোর সুপারিশ করেছিল। পরে পেঁয়াজ, চিনি ও ভোজ্যতেলে শুল্ক-কর কমানোর জন্য এনবিআরকে অনুরোধ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে গত সোমবার আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

পেঁয়াজের আকাশচুম্বী দাম উঠলে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এনবিআর পেঁয়াজে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছিল। তখন শুল্ক প্রত্যাহারের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এপ্রিল মাস থেকে আবার পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ পুনর্বহাল করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

দেশে গত বছরের তুলনায় খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে

দেশে করোনাকালে গত বছরের তুলনায় খাদ্য উৎপাদনের ধারা আরও বেড়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে ২ কোটি টনের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

একই সময়ে মোট চাল উৎপাদিত হয়েছে ৩ কোটি ৮৬ লাখ টন, গম ১২ লাখ টন, ভুট্টা প্রায় ৫৭ লাখ টন, আলু ১ কোটি ৬ লাখ টন, শাকসবজি ১ কোটি ৯৭ লাখ টন, তেল জাতীয় ফসল ১২ লাখ টন ও ডালজাতীয় ফসল ৯ লাখ টন।

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আজ শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে এক বছরেই কৃষি মন্ত্রণালয় ৭ লাখ টন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এ বছর মোট পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে ৩৩ লাখ টন।ব

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খাদ্য দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আগামীকাল সকালে দিবসের প্রথম ভাগে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এফএও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয় এবং ওই সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ভারতে আরও ইলিশ পাঠালে বাংলাদেশে দাম ঠিক থাকতো: আনন্দবাজার

চলতি বছর মৌসুমের শুরু থেকেই ইলিশের দাম দেশের নিম্নবিত্ত মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাঝেমধ্যে কিছুটা কমার খবর পাওয়া গেলেও তা সহজলভ্য হয়নি কখনোই। বরং প্রতি কেজি ইলিশ দেড়-দুই হাজার টাকায় বিক্রির খবর শোনা গেছে হরহামেশা। অথচ কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা দাবি করেছে, ভারতে আরও বেশি রপ্তানি করলেই নাকি বাংলাদেশে ইলিশের উপযুক্ত দাম মিলতো!

এ বছর দুর্গাপূজা সামনে রেখে ১১৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার। তবে উৎপাদন তুলনামূলক কম ও দেশের বাজারে বিপুল চাহিদা থাকায় গত ৩ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠাতে পেরেছেন রপ্তানিকারকরা। অনুমতিপ্রাপ্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান এক কেজি ইলিশও পাঠাতে পারেনি। এতে স্বাভাবিকভাবেই নাখোশ ভারত। আর তার নমুনা মিলছে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনেই।l

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) পত্রিকাটি একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে, ‘Hilsha: আরও আরও দাও ইলিশ, ফের আর্জি’। শিরোনামের মতো গোটা প্রতিবেদনজুড়েই ভারতে ইলিশ রপ্তানির পক্ষে নানা সাফাই গাওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা আশ্বাস দিয়েছিল ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির। কিন্তু পৌঁছালো মাত্র ১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন, যা চার ভাগের এক ভাগও নয়। এটি ‘এপার বাংলার’ ইলিশপ্রেমীদের জন্য যথেষ্ট বড় ধাক্কা। তবে ঢাকা আবার সদয় হতে পারে, এমন আশায় রয়েছেন ‘দুই দেশের’ ইলিশ ব্যবসায়ীরা।

jagonews24

বাংলাদেশে গত ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, চলবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ফের ইলিশ শিকার শুরু হবে। তখন আবারও পদ্মার ইলিশ পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছেন ভারতীয়রা।

আনন্দবাজারের দাবি, ইলিশ রপ্তানি অব্যাহত রাখার অনুরোধ নিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে কয়েক দফায় দেন-দরবার করেছেন পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য আমদানিকারক সমিতির সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ। কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। বাণিজ্যমন্ত্রী দুবাই থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে আনন্দবাজার দাবি করেছে, পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ রপ্তানি করা গেলে দেশের বাজারেও এর দাম ‘একটা জায়গায় থাকতো’ বলে মনে করছেন বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ী। উদাহরণস্বরূপ রফিকুল ইসলাম নামে ‘ঢাকার এক ব্যবসায়ী’র ভাষ্য উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি। বলা হয়েছে, রফিকুলের মতো ব্যবসায়ীরা পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে পাঠানোর পক্ষে।

jagonews24

এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর ভারতে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয় বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পরে ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশী দেশটিতে আরও ২ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। তবে এর জন্য কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়, যা নিয়ে তখনই অস্বস্তির কথা জানিয়েছিলেন ভারতীয়রা।

গত ২০ সেপ্টেম্বরের আদেশে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বলা হয়েছিল। কিন্তু ২৩ সেপ্টেম্বরের আদেশে তা কমিয়ে ৩ অক্টোবর বলা হয়। কারণ ৪ অক্টোবর থেকে দেশে শুরু হয়েছে টানা ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এ নিয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনন্দবাজারের একটি প্রতিবেদনে উদ্বেগ জানানো হয়।

তাদের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে সাড়ে চার হাজার টনের বেশি ইলিশ রপ্তানির শর্তে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের আশা হাওয়ায় মেলাতে বসেছে। এত কম সময়ে এত ইলিশ আমদানি বা রপ্তানি কার্যত অসম্ভব বলে মনে করেন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা।

এ অবস্থায় সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহম্মদ ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার দাবি, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত যা ইলিশ ঢোকার ঢুকুক। কিন্তু ২২ অক্টোবরের পরে ধাপে ধাপে যেন বাকি ইলিশও ঢুকতে দেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com