আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

পেয়ারার পর এবার মাল্টায় মার

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার জামদহ গ্রামের কৃষক মেরাজুল ইসলামকে (৫৫) তিন বছর আগে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে মাল্টার চারা দেওয়া হয়েছিল। ১৫ কাঠা জমিতে তিনি ৭০টি গাছ লাগিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার তাঁর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, একটি গাছও নেই। বাগানের জমিতে কপি চাষ করা হয়েছে। মেরাজুলের ছেলে রাকিবুল ইসলাম বললেন, এক বছর পর গাছগুলোতে ফল এসেছিল। কিন্তু পাতা হলুদ হয়ে গাছ মরে যেতে লাগল। আরও ক্ষতির আশঙ্কায় তাঁর বাবা বাগান ভেঙে দিয়েছেন।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, মাল্টার বিশেষ যত্ন নিতে হয়। আমগাছের মতো মাটিতে পুঁতে দিলেই ফল ধরে না। যাঁরা সেই যত্ন নিচ্ছেন, তাঁদের বাগান ভালো আছে। রাজশাহীর বাজারে এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে এই মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। খুব বেশি মিষ্টি না হলেও টক নয়। বাজারে এর বেশ চাহিদা আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে মেরাজুলের মতো জেলার ৩০০ চাষিকে প্রদর্শনী খেত করার জন্য ২০১৭ সালে বারি মাল্টা-১ জাতের চারা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কারও বাগানের গাছ আছে, কারও বাগানে নেই। তবে আরও ভয়ের ব্যাপার, ইউটিউব দেখে উৎসাহিত হয়ে অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় চাষিরা ঝাঁপিয়ে পড়েন এই মাল্টা চাষে। জেলায় বর্তমানে প্রায় এক হাজার চাষি মাল্টা চাষ করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ এখনো কিছু বুঝে উঠতে পারেননি, কারও সর্বনাশের শুরু, আর কারও সর্বনাশ হয়ে গেছে।

বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটিতে একসময় ভূগর্ভস্থ পানি তুলে সেচ দিয়ে ধান চাষ করা হতো। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ধীরে ধীরে নিচে নেমে যেতে থাকে। যে পরিমাণ পানি তোলা হয়, বৃষ্টিপাত সেই পরিমাণ না হওয়ার কারণে পানির স্তর আর আগের জায়গায় ওঠে না। এ জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর শস্য বৈচিত্র্যকরণের উদ্যোগ নেয়। পানি কম লাগে এমন ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়। শুরু হয় নতুন জাতের ফসল চাষের আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় টমেটো, আপেলকুল, বাউকুল, পেয়ারা, পাম, কমলা, স্ট্রবেরি, ড্রাগন ফল, কাজুবাদাম, রামবুটান, পার্সিমন, অ্যাভোকাডো, কফি, বিচিবিহীন কুল, বলসুন্দরী কুল, বিচিবিহীন লেবু, চায়না লেবু ও মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে। তবে ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে মাল্টা চাষ। এর আগে শুরু হওয়া কুল চাষ থেমে গেছে। তিন–চার বছরের মাথায় মড়কে গাছ মরে যাওয়ায় পেয়ারাবাগান কমে এসেছে। ভালো বাজার না পেয়ে প্রতিবছর টমেটো রাস্তায় ফেলে দিতে দেখা যায়। ২০১৭ সালে নকল বীজে প্রতারিত হয়ে বীজ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করে আজও ক্ষতিপূরণ পাননি টমেটোচাষিরা। বাণিজ্যিকভাবে বাজার না পাওয়ায় স্ট্রবেরি চাষ বন্ধের পথে। অন্য ফলগুলো নিয়ে চাষিরা অস্বস্তির মধ্যে আছেন। আর এবার মাল্টা চাষে মার খেয়েছেন চাষিরা।

রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় মাল্টার বাগান করেছেন অভিজিৎ গুহ (৫২)। তাঁর বাড়ি রাজশাহী নগরের কেদুর মোড় এলাকায়। তিনি একজন স্কুলশিক্ষক। ইউটিউব দেখে তিনি মাল্টা চাষে উৎসাহিত হন। তিনি আরও কয়েকজন অংশীদার নিয়ে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বামনইল ও তানোরের চান্দুড়িয়া এলাকায় প্রায় ১৫০ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে মাল্টাবাগান করেছেন। এ পর্যন্ত তাঁর বিনিয়োগ প্রায় ৭০ লাখ টাকা। তাঁর গাছের বয়স প্রায় ১ বছর ৮ মাস। এই পর্যায়ে এসে তিনি দেখছেন তাঁর বাগানের ২৫ শতাংশ গাছের পাতা হুলুদ হয়ে যাচ্ছে। হলুদ পাতার গাছটি কিছুদিন পরেই মারা যাচ্ছে। মাল্টা চাষ করে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন নিয়ে তিনি দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মাল্টাবাগান দেখতে ছুটে বেড়ান। তাঁর তথ্যমতে, শুধু চুয়াডাঙ্গার একটি বাগানের গাছ সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে। অভিজিৎ বলেন, তিনি ফল গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে গেছেন, যে যা পরামর্শ দিয়েছেন, তাই করে দেখেছেন। কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজশাহীর পবা উপজেলার রনহাট এলাকার চাষি নূরুজ্জামানকে কৃষি বিভাগ থেকে মাল্টার চারা দেওয়া হয়েছিল। দেড় বিঘা জমিতে তিনি ১৯৪টি গাছ রোপণ করেছিলেন। এর মধ্যে ১৪০টি গাছই রোগাক্রান্ত হয়ে গেছে। পাতা হলুদ হয়ে গাছের ডাল মরে যাচ্ছে। আক্রান্ত গাছের ফলগুলো আকারে ছোট হয়ে আসছে। কয়েক দিন আগে তাঁর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, ৫০টি গাছ মোটামুটি সুস্থ আছে। নূরুজ্জামান বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে যে ৫৫টি চারা দিয়েছিল, সেগুলোই আগে আক্রান্ত হয়েছে।

গোদাগাড়ী উপজেলার বামনইল এলাকার চাষি মঞ্জুর রহমান ১২ বিঘা জমিতে মাল্টার বাগান করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর বাগান ভালো আছে। ৫ শতাংশ গাছ রোগাক্রান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁর বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ গাছের পাতাই হলুদ হয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোদাগাড়ীর কমলাপুর এলাকায় সারিকুল নামের একজন চাষি তাঁর মাল্টাবাগান পুড়িয়ে দিয়েছেন।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, পাতা হলুদ হওয়ার পরেও চিকিৎসা আছে। তাঁরা চাষিদের সেই পরামর্শ দিচ্ছেন। যাঁরা পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করছেন, তাঁদের বাগান ভালো আছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামছুল হক বলেন, মাল্টাগাছের পাতা হলুদ হয়ে মারা যাওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত। বিষয়টি তিনি কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটকেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পঞ্চগড়ের মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী, সেখানেও এই রোগ দেখা দিয়েছে। মাল্টা ধান, পাট আমের মতো নয়। বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তা ছাড়া হবে না।

দৈনন্দিন

পূজার রেসিপি : খাসির কষা মাংস

পূজার রেসিপি : খাসির কষা মাংস

পূজায় সুস্বাদু সব খাবারের মধ্যে কষা মাংস একটি। লুচি কিংবা পরোটার সঙ্গে এটি চমৎকার লাগে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় উৎসব দূর্গাপূজা। তাদের জন্য রইলো এই বিশেষ রেসিপি খাসির কষা মাংস-

উপকরণ:
২৫০ গ্রাম খাসির মাংস
২ টেবিল চামচ করে আদা
রসুন বাটা
টক দই পরিমাণ মতো
হলুদ
জিরা
ধনিয়া


মরিচের গুঁড়া এক চামচ করে
দারুচিনি ৩/৪ টা
শুকনা মরিচ ৩ টি
তেজপাতা ৩ টি
চিনি সামান্য
লবণ স্বাদমতো
গরম মসলার গুড়া ১ চামচ
আস্ত রসুন টুকরা কয়েকটি।

jagonews24

প্রণালি:
প্রথমে মাংসের সঙ্গে আদা, রসুন বাটা, হলুদ গুড়া, টক দই ও গরম মশলা মিশিয়ে মেরিনেট করে রাখুন ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা আর আস্ত রসুনের টুকরাগুলি দিন।

যখন রসুনগুলো বাদামি হয়ে আসবে তখন এতে ম্যারিনেট করা মাংসগুলো দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করুন। একটু পর পর নাড়তে থাকুন যাতে লেগে না যায়। ভালোভাবে কষাতে কষাতে রান্না করুন যতক্ষন না মাংসগুলো সেদ্ধ হয়। নামানোর আগে ঘি দিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাখ মানুষের তিন মাসের খাবার মজুতের ব্যবস্থা ভাসানচরে

লাখ মানুষের তিন মাসের খাবার মজুতের ব্যবস্থা ভাসানচরে

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য উপযোগী করে তোলা ভাসানচরে একসঙ্গে তিন মাসের বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক লাখের বেশি লোকের খাদ্য সংরক্ষণে ২০৫ ফুট দৈর্ঘ্যের চারটি সুবিশাল ওয়্যারহাউস (গুদামঘর) বানানো হয়েছে সেখানে। রোহিঙ্গারা নিজেদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর এসব ওয়্যারহাউস বাংলাদেশের ভূমিহীনদের জন্য ব্যবহার করা হবে।

রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য এখানে যে আবাসিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, তার আওতায় প্রতিটি ব্যারাকে পৃথক সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকছে। প্রতিটি শেল্টারে ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক সোলার সেলের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি শেল্টার স্টেশন আলোকিত রাখার পাশাপাশি সৌর পাম্প ব্যবহার করে পানি তোলা সম্ভব। এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেল জেনারেটর এবং দুটি ৫০০ কিলোওয়াট ডিজেল জেনারেটর বসানো হয়েছে। এছাড়া রয়েছে ফুয়েল ট্যাংকও।

মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা নোয়াখালীর ভাসানচর ঘুরে সম্প্রতি এসব চিত্র দেখা গেছে

জানা গেছে, প্রকল্পটি মূলত ক্লাস্টার হাউজ, শেল্টার স্টেশন বা গুচ্ছগ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। প্রতিটি ক্লাস্টার হাউজ ও শেল্টার স্টেশন নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত ভবনসমূহ ভূমি থেকে ৪ ফুট উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্লাস্টার হাউজে ১২টি ঘর, প্রতিটি ঘরে ১৬টি করে রুম রয়েছে এবং একটি চারতলা বিশিষ্ট কম্পোজিট স্ট্রাকচারের (স্টিল) শেল্টার স্টেশন রয়েছে। মোট ১২০টি গুচ্ছগ্রামে ঘরের সংখ্যা এক হাজার ৪৪০টি এবং ১২০টি শেল্টার স্টেশন নিয়ে গুচ্ছগ্রামটি গঠিত। প্রকল্পটিতে যাতে এক লাখ এক হাজার ৩৬০ জন শরণার্থী বসবাস করতে পারে সেই ব্যবস্থার আলোকে গুচ্ছগ্রামসমূহ নির্মাণ করা হয়েছে

রোহিঙ্গাদের জন্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক নৌবাহিনীর কমোডর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, সৌর বিদ্যুৎ ছাড়াও প্রকল্পের আওতায় ভাসানচরের প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের জন্য ৩২টি ফুয়েল ট্যাংক (২,২৫০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন) নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য দুটি শেল্টার আছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সেখানে প্রশাসনিক কাজের প্রতিনিধিদের জন্য একটি, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রতিনিধিদের জন্য একটি, রেডক্রস ও আন্তর্জাতিক এনজিওর জন্য একটি, এতিমখানার ব্যবহারের জন্য একটি, ডে কেয়ার সেন্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য একটি শেল্টার রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নোয়াখালী, তালপুর, ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ছোট জাহাজ/কার্গো ভেসেলসমূহ নিরাপদে যাতায়াতের জন্য কিছুসংখ্যক নেভিগেশনাল বয়া স্থাপিত রয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় ভাসানচর সংলগ্ন অত্যন্তরীণ নৌপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ছোট জাহাজ/কার্গোর সঠিক নেভিগেশনের জন্য ৯১ দশমিক ৫ ফুট উচ্চতা এবং ১৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নেভিগেশন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি লাইটহাউজ নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের ক্লাস্টারে নির্মিত পুকুরের পানি অগ্নিনির্বাপণের কাজে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া স্থায়ী ফায়ার স্টেশনের জন্য প্রকল্প এলাকায় ৩১ একর জমি রাখা হয়েছে।

ক্লাস্টার ঘুরে দেখা যায়, ভাসানচরে আশ্রিতদের রান্নাবান্নার জন্য প্রায় তিন হাজার চুলা বসানো হয়েছে ঘরগুলোতে। এক লাখ লোকের জন্য প্রতি মাসে এক হাজার ১২৫ টন জ্বালানির প্রয়োজন হবে। এই জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার হলে আশপাশে বনভূমি উজাড় হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে, যেজন্য জ্বালানি হিসেবে চারকোল বা কাঠকয়লা ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া বসানো হয়েছে আড়াইশ বায়োগ্যাস প্লান্ট।

jagonews24

প্রথমে সেখানে ৩০৬ জন রোহিঙ্গাকে রাখা হয়েছে। এরা প্রত্যেকে অবৈধপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিলেন। সাগরে ভাসতে ভাসতে তাদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়েছিল। কিন্তু কোথাও ভিড়তে পারছিলেন না। পরে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় দেয়। এদের মধ্যে ৯৭ জন পুরুষ, ১৭৬ জন নারী এবং ৩৩ জন শিশু। তাদের অনেক নারী ইতোমধ্যে সেলাই কাজে অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে, সেখানে প্রশস্ত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলও তৈরি করা হচ্ছে, যা ঘূর্ণিঝড়কালীন সমুদ্রের ঢেউয়ের প্রকোপ থেকে দ্বীপের ভূমি রক্ষা করবে। এ প্রকল্পটি সরকার প্রণীত ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সেখানে প্রয়োজন ছাড়া কোনো গাছ কাটা হয়নি। ফলে এখনো বিস্তৃত বনাঞ্চল রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

আমনে পোকার আক্রমণ

আমনে পোকার আক্রমণ

ঝালকাঠিতে আমন ধানে খোলপচা ও পাতামোড়ানো রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ফসল রক্ষায় কীটনাশক দিয়েও তেমন উপকার পাচ্ছেন না কৃষকরা। সেইসঙ্গে রয়েছে ইঁদুরের উপদ্রব। সবমিলিয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

জেলার রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের ঘিগড়া গ্রামের কৃষক আক্কাস আলী তালুকদার জানান, ৯ কাঠা জমিতে পাতামোড়া ও খোলপচা রোগ দেখা দিয়েছে।

এ সময় তিনি মরা ধানের ছোপা ও মোড়ানো পাতার ভেতরে পোকার অসংখ্য সাদা ডিম বের করে দেখান। ওই ডিম থেকে ছোট ছোট লম্বাকৃতির পোকা হয়ে ধানের পাতা মরে যায়।

তিনি জানান, দোকানির পরামর্শে কীটনাশক স্প্রে করেছেন। কিন্তু তাতে তেমন কাজ হচ্ছে না।

কাঠিপাড়া গ্রামের কৃষক চান মিয়া জানান, তিনি দেড় বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ করেছেন। কয়েকদিন ধরে তার খেতে খোলপচা ও পাতামোড়ানো রোগ দেখা দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক স্প্রে করায় এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

একই গ্রামের পরিমল মন্ডল বলেন, ৩ বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। প্রায় মাসখানেক আগে সার দিয়েছি। বীজ এখন ঘনসবুজ হতে শুরু করছে। কয়েক দিনের মধ্যেই থোর (ধানের ছড়ার প্রাথমিক অংকুর) আসবে। এখন পাতা মোড়ানো ও খোলপচা রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষি অফিসের লোকজন আমাদের কাছে না আসায় উপজেলায় গিয়ে পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক স্প্রে করতে হচ্ছে।

এদিকে আমন খেতে পোকা আক্রমণের পাশাপাশি ইঁদুরের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ইঁদুরের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে খেতজুড়ে ছেঁড়া কাপড়, কাগজ, শুকনা কলাপাতা টানিয়ে রাখছেন কৃষকরা।

চাষি আব্দুল মালেক জানান, তিনি ২০ কাঠা জমিতে আমন আবাদ করেছেন। পোকায় ধানের ক্ষতির পাশাপাশি কয়েকদিন ধরে খেতে ইঁদুরের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ধানের গোছার মধ্যে থেকে দু’তিনটি করে চটা কেটে ফেলে চলে যায় ইঁদুরের দল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, এ বছর জেলায় ৪৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মৌসুমের শুরুতেই কয়েক দফা বন্যা, অতিবৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট ও রোপণকৃত আমনের চারা পচে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছিল।

তবে চাহিদার চেয়ে এক হাজার হেক্টর অতিরিক্ত বীজতলা এবং ১২০টি বেডে ভাসমান বীজতলা করায় বীজের সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। এখন শুনছি পোকার আক্রমণ হয়েছে।

তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে জেনেছি কোনো কোনো এলাকায় খোলপচা ও পাতামোড়ানো রোগ স্বল্পাকারে দেখা দিয়েছে। তবে এসব প্রতিরোধে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ভিয়েতনামে বন্যা ভূমিধসে মৃত ১০৫

কয়েক সপ্তাহের ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা এবং ভূমিধসে ভিয়েতনামে অন্তত ১০৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম এবং একটি দাতব্য সংস্থা বলছে, দেশটির মধ্যাঞ্চলে ভয়াবহ এই বন্যায় আরও ৫০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, বন্যা ও ভূমিধসে নিহতদের মধ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্যও রয়েছেন। গত সপ্তাহে দেশটির একটি সেনা ব্যারাক ভূমিধসে চাপা পড়ায় কয়েকজন সেনা নিহত হন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন; যাদের ১৫ জন নির্মাণ শ্রমিক।

ভিয়েতনামে এই বন্যায় অন্তত ১ লাখ ৭৮ হাজার বাড়ি-ঘর ডুবে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭ হাজার হেক্টর আবাদি জমির ফসল। এছাড়া বন্যায় আরও ৬ লাখ ৯০ হাজারের মতো গবাদিপশুর প্রাণহানি ঘটেছে অথবা ভেসে গেছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দেশটির মধ্যাঞ্চলের কুয়াং বিন প্রদেশে লোকজন ঘরের ছাদে উঠে ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রদেশে সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।

ঘরের ছাদে আশ্রয় নেয়া এক বৃদ্ধা ভিটিভিকে বলেন, আমি গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত কিছু খাইনি। আমাদের কিছুই নেই। খাবার নেই, ফোনও নেই। কোনও কিছুই নেই।

ভিয়েতনামের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এনগুয়েন থি জুয়ান থু এবারের বন্যাকে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা দেখছি সব জায়গায় বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং অবকাঠামো পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব দ্য রেড ক্রস (আইএফআরসি) বলেছে, বিপর্যয়কর এই বন্যায় ভিয়েতনামের ৫০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আরও লাখ লাখ মানুষের জরুরি আশ্রয় দরকার।

আইএফআরসি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ক্রিস্টোফার রাসি বলেন, এই বন্যা সর্বশেষ আঘাত। এর প্রভাবে লাখ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

প্রথমবার লজ্জাবতী বানরের উপর দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা

নাম লজ্জাবতী বানর। তবে এই বানরের মাঝে বাদরামির চিহ্ন নেই তিল পরিমাণ। বরং লজ্জায় শরমের এক প্রতীকী ছবি দেখা যায় তাদের মাঝে। দিনের বেলায় দুই উরুর মধ্যে মাথা গুজিয়ে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলে। অনেক এলাকায় এদের মুখচোরা বানরও বলে; তবে বানর প্রজাতির মধ্যে এদের শামুক বানরও বলা হয়। এরা মাঝে মাঝে গাছের মগ ডালে পা দিয়ে আকড়ে ধরে উল্টো হয়ে ঝুলে থাকে। ঘন চীর সবুজ বনে বসবাস, চলাচল করে খুব ধীরস্থিরভাবে।

দিনের বেলায় বের হয় না, নববধূর মতো নিজেকে আড়ালে রাখতে পছন্দ করে। যত্রতত্র ঘোরাঘুরি করে না, নিজের এলাকা ছেড়ে যেতে চায় না।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো লজ্জাবতী বানরের ওপর মাঠ পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পরিচালনা করা হয়। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত দুই বছরমেয়াদি এ গবেষণার ফল বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশের অপেক্ষায়।

লজ্জাবতী বানরের গবেষক হাসান আল-রাজী চয়নের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের সাতছড়ি, রেমা-কালেঙ্গা ও মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া এবং আদমপুর বনে এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। এবং এ গবেষণা কাজের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবির বিন মুজাফফর।

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এই গবেষণা কার্যক্রমে দীর্ঘ দুই বছরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ২৩টি, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ৩৩টি, রেমা–কালেঙ্গা বনে ৮টি এবং আদমপুরে ৪টি লজ্জাবতী বানরের সাথে সরাসরি দেখা হয় গবেষকদের। যেহেতু আন্তর্জাতিক গবেষণায় পূর্ণাঙ্গ গবেষণা কাজের জন্য নতুন ট্রেইল নির্মাণ করা হলেও বাংলাদেশের বন বিভাগ নতুন ট্রেইল শুধু গবেষণার জন্য নির্মাণের পক্ষে নয়।

গবেষণার সময় গবেষক দলকে বর্তমানে বিদ্যমান ট্রেইল ধরে হেঁটেই রাতের বেলায় এ জরিপের কাজ পরিচালনা করতে হয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও প্রথমবারের মতো লজ্জাবতী বানর নিয়ে গবেষণা করতে পেরে তৃপ্ত গবেষক দল। এ গবেষণা দেশে লজ্জাবতী বানর সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

গবেষক দলের প্রধান হাসান আল রাজী চয়ন জানান, আমরা কোনো নতুন ট্রেইল নির্মাণ করতে পারিনি পুরোনো যে ট্রেইল ছিল তা ধরেই জরিপ করেছি এবং যেহেতু এই বানর রাতের বেলা সক্রিয় থাকে তাই রাতেই পুরো গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে প্রতি কিলোমিটারে ১.৭৮টি, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রতি কিলোমিটারে ০.৮২টি, রেমা-কালেঙ্গা বনে প্রতি কিলোমিটারে ০.৩৬টি ও আদমপুরে প্রতি কিলোমিটারে ০.১৩টি লজ্জাবতী বানর পাওয়া গেছে।

শুধু সাতছড়ি বনের ক্ষেত্রে ডিসটেন্স স্যামপ্লিং ম্যাথড ব্যবহার করে পুরো বনের লজ্জাবতী বানরের একটি সম্ভাব্য সংখ্যা হিসাব করা হয়েছে। এই হিসাব অনুযায়ী সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ৩০ থেকে ৩৮টি লজ্জাবতী বানরের অস্তিত্ব আছে। অন্যদিকে অন্যান্য বনে ডিসটেন্স স্যামপ্লিং ম্যাথড ব্যবহার করতে না পারায় ওই বনগুলোতে লজ্জাবতী বানরের সংখ্যা নিয়ে কোনো ধারণা করা সম্ভব হয়নি। লজ্জাবতী বানর নিশাচর এবং বৃক্ষবাসী প্রাণী। খুব বিপদে না পড়লে এরা গাছ থেকে মাটিতে নামে না। এদের সংরক্ষণের জন্য বনে গাছের পরিমাণ বাড়াতে হবে, যাতে করে নিরবচ্ছিন্ন আচ্ছাদন থাকে।

গবেষক দল জানায়, লজ্জাবতী বানর একটি নিশাচর প্রাণী। আমরা দীর্ঘ ১৭ মাস এদের গতিবিধি নিয়ে কাজ করেছি। আমাদের তথ্য মতে, এরা সন্ধ্যার পরপর সক্রিয় হয়। এরা রাতে সক্রিয় থাকার সময়ের মাঝে বেশি সময় ব্যয় করে ঘুরে বেড়াতে। খাদ্য গ্রহণ এবং বিশ্রামের জন্য এরা প্রায় সমান পরিমাণ সময় ব্যয় করে। মাজার বিষয় হলো মহিলা লজ্জাবতী বানর পুরুষের তুলনায় বেশি ঘুমায় এবং বিশ্রাম নেয়।

শীতকালে এদের স্বাভাবিক চলাফেরা কিছুটা কমে যায়। এরা রাতে সক্রিয় থাকাকালীন প্রাকৃতিক বনেই বেশি থাকে। তবে খাবার খাওয়ার জন্য এরা লেবু বাগানে আসে, যেখানে জিগা গাছ বেশি থাকে। জেলির মতো দেখতে জিগা গাছের আঠা এদের সব থেকে প্রিয় খাবার।

যেহেতু এরা প্রাকৃতিক বনে বেশি থাকে আর আঠা এদের প্রধান খাবার, তাই এদের টিকিয়ে রাখার জন্য প্রাকৃতিক বন রক্ষার পাশাপাশি আঠা উৎপাদনকারী গাছ যেমন- জিগা, বহেরা, রঙ্গি বনে আছে কিনা সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

বর্তনামে এই লজ্জাবতী বানরের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে গবেষণায়। এতে লজ্জাবতী বানরের প্রধান হুমকি হলো বনের মাঝের সড়ক এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের তার। বনের ভিতরে থাকা রাস্তায় গাড়ির নিচে চাপা পড়ে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের তারে ত্বড়িতায়িত হয়ে অনেক সময় লজ্জাবতী বানর মারা যায়।

লজ্জাবতী বানরের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রোধ করতে বনের মাঝে রাস্তায় যাতে অধিক গতিতে যানবাহন না চলে সেদিকে নজর রাখতে হবে এবং বনের ভিতরে বিদ্যুৎ সরবরাহের তারে অবশ্যই বিদ্যুৎ অপরিবাহী উপাদানের আবরণ ব্যবহার করতে হবে বলে তাদের পরামর্শ।

গবেষণার তথ্যের সাথে মিল পাওয়া গেছে বাস্তবতার। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের (শ্রীমঙ্গল) পরিচালক সজল দেব জানান, চলতি বছর বিদ্যুতায়িত দুটি এবং খাবারের সন্ধানে বনের বাইরে চলে আসা দুটি আহত বানরকে উদ্ধার করে তারা সুস্থ করে তুলেছেন।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ) রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, যেকোন বনের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ আমরা দিতে চাই না। অনেক সময় জাতীয় স্বার্থে দিতে হয়। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই রাবার দিয়ে তার মোড়ে দিতে হয়। বানরজাতীয় প্রাণীর জন্য উন্মুক্ত তার সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। এ নিয়ে কথা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে। দ্রুত এ তারগুলো রাবার দিয়ে মুড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com