আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

পেশা বদলে মহুবার এখন হাঁসের খামারি

রংপুরের বদরগঞ্জের চম্পতলি গ্রামের মহুবার আলী (৫০) ঢাকার সাভারে রিকশা চালাতেন। পরিবার নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। কিন্তু বাদ সাধে মহামারি করোনা। গত বছর মহামারির কারণে অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর আয়ের পথ। একসময় ফুরিয়ে যায় জমানো টাকা। বাধ্য হয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা ছাড়েন মহুবার।

পরিবার নিয়ে টিকে থাকতে নিজের গ্রামের বাড়িতে ফেরেন মহুবার। সেখানেও লকডাউনে রিকশা-ভ্যান চালাতে দেয়নি পুলিশ। তখন তিনি ভাবতে থাকেন, ঘরে বসে কীভাবে আয় করা যায়। মাথায় আসে হাঁস পালনের কথা। হাতে থাকা কিছু টাকা ও নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে আরও কিছু টাকা ধার নিয়ে গত বছরের অক্টোবরে বাড়ির পাশে গড়ে তোলেন হাঁসের খামার। এখন সেই খামারে হাঁসের সংখ্যা আট শতাধিক। এই হাঁস ও ডিম বিক্রি করে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

মহুবারের পাঁচ শতক জমিতে বসতভিটা আছে। তিন বছর আগে ৫৫ শতক কৃষিজমি দেড় লাখ টাকায় বন্ধক নিয়ে ধান চাষ করে আসছেন। বড় দুই ছেলে বিয়ে করার পর আলাদা সংসার পেতেছেন। ছোট ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে মহুবারের আলাদা সংসার।

মহুবারেরা চার ভাই। পৈতৃক সূত্রে তাঁদের নামে বাড়ির পাশে ৯ শতক জমিতে একটি পুকুর আছে। ওই পুকুরে মাছ চাষ করতেন অন্য তিন ভাই। হাঁস পালনে পুকুরটি কাজে লাগিয়েছেন মহুবার।

মহুবার জানান, খামার করার শুরুতে তাঁর হাতে জমানো টাকা ছিল ৫০ হাজার। ৩০ হাজার টাকা ধার নেন। পুকুরের ওপর হাঁসের ঘর তৈরিতে তাঁর খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। আর এক হাজার হাঁসের বাচ্চা কিনেছিলেন ৩০ হাজার টাকায়। স্থানীয় বাজারের পরিচিত এক পশুখাদ্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাকিতে খাদ্য নেন। প্রশিক্ষণ না থাকায় মাসখানেক পর ১৯৬টি হাঁসের বাচ্চা অসুস্থ হয়ে মারা যায়।

গত সপ্তাহে তিনি ১০০ হাঁস বিক্রি করেছেন ৩৮ হাজার টাকায়। অন্য হাঁসগুলো ঈদের বাজারে বিক্রির চিন্তা করছেন। বর্তমানে তাঁর খামারে থাকা হাঁসের বাজারমূল্য দুই লাখ টাকার বেশি।

মহুবার বলেন, ‘মোর নেকাপড়া আর যদি হাঁস পালনের নিয়ম জানা থাকিল হয়, তা হইলে লাভটা আরও বেশি হইলো হয়। গেরামের (গ্রামের) ডাক্তারেরা মোক ঠগাইছে। একবার ডাক্তার আনলে ৫০০ টাকার কম মানে না। এক হাজার টাকার ওষুধ দিয়া দুই হাজার টাকা নেছে।’

বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, করোনায় কর্মহীন না থেকে মহুবারের হাঁস পালন করে লাভবান হওয়ার উদ্যোগটি অনুসরণীয়।

লাইভস্টক

কুমিল্লায় বেড়েছে মাশরুমের চাহিদা

লেখক

জেলায় করোনায় মাশরুমের চাহিদা বেড়েছে। তবে উৎপাদন কম হওয়ায় ভোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী মাশরুম পাচ্ছেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মাশরুমের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে কুমিল্লায় প্রচুর মাশরুমের উৎপাদন থাকলেও এর চাহিদা ছিলো না। প্রচারণা না থাকায় মানুষ মাশরুম খেতে চাইতো না। এখন মাশরুম খেতে চাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। কুমিল্লা সদর উপজেলার ছত্রখিল গ্রামের চাষি চন্দন কুমার সাহা। তিনি ১৫ বছর ধরে মাশরুম উৎপাদন করেন। তিনি বাসসকে বলেন, ৫/৬ বছর আগে কুমিল্লায় শতাধিক চাষি মাশরুম উৎপাদন করতেন। বর্তমানে তা ৫/৬ জনে নেমে এসেছে। প্রচারণা না থাকায় আগে মানুষ মাশরুম খেতো না। এখন মাশরুমের অনেক চাহিদা। গরমকালে মাশরুমের উৎপাদন কম হয়। তার খামারে দুই থেকে তিন কেজি মাশরুম পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু চাহিদা রয়েছে ১০০ ্রকেজিরও বেশি। কৃষি বিভাগ মাশরুম চাষে উদ্বুদ্ধ করলে তরুণদের বেকারত্ব দূরের সাথে মানুষ পুষ্টিকর মাশরুম খেতে পারবে।


কৃষিবিদ গোলাম সারোয়ার ভুইয়া বাসসকে বলেন, পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা মাশরুমকে সুপার ফুড হিসাবে বিবেচনা করেন। নিয়মিত মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করলে এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। এতে করোনাসহ সকল রোগের বিরুদ্ধে মাশরুম সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। আগে কুমিল্লায় মাশরুম উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প ছিলো। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখানে ভাটা নেমে আসে। মাশরুম উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প কুমিল্লার সাবেক কর্মকর্তা, বর্তমানে নোয়াখালী বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে এখানে স্থবিরতা নেমে আসে। ইচ্ছে করলে সেই উদ্যোম ধরে রাখা যেত। মানুষের প্রয়োজনে মাশরুম চাষ জনপ্রিয় করা প্রয়োজন।
হর্টিকালচার সেন্টার কুমিল্লার উপ-পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাশরুম একটি পুষ্টিকর খাবার। এটি কম জায়গায় অল্প পঁজিতে চাষ করা যায়। প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন কমে গেছে। এ সংক্রান্ত বড় বরাদ্দ পাওয়া গেলে আরো বেশি মানুষের মাঝে মাশরুম চাষ ছড়িয়ে দেয়া যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

সহায়তা হিসেবে গরু পেলেন পটুয়াখালীর জেলেরা

পটুয়াখালীর বাউফলে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকাকালে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ১০ জেলেকে গাভী বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মাঠে এসব গাভী দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান, বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম ঝান্টা।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম ঝান্টা জানান, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টিতে জেলেদের মাঝে এসব গাভী বিতরণ করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার আরও ১০ জেলেকে গাভী দেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

কেঁচো সার উৎপাদনে স্বাবলম্বী তানিয়া

ফরিদপুরে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেকেই। ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করে অন্যদের মতো তানিয়া পারভীনও হয়েছেন স্বাবলম্বী। জৈব এই সার মাটিকে তাজা করে, নেই কোনো ক্ষতিকর দিক, দামেও সস্তা। তাই কৃষকেরও পছন্দ এই সার। ফলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এই সারের চাহিদা।

ফরিদপুর পৌর এলাকার শোভাররামপুর মহল্লার বাসিন্দা তানিয়া পারভীন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০১৭ সালে তিনি ৩টি রিং স্লাব দিয়ে শুরু করেন এ সারের উৎপাদন। ধীরে ধীরে সার উৎপাদনের পরিধি বাড়িয়েছেন। এখন রিং স্লাবে সীমাবদ্ধ নেই তানিয়া। বাড়ির উঠোনে বিশাল টিনের সেড ও আরেক পাশে ছাপড়ার নিচে তৈরি করেছেন ২৪টি হাউজ বা চৌবাচ্চা। প্রতিটি হাউজ ৪ ফুট বাই ১০ ফুট আকারের।

প্রতিটি হাউজে ৪০ মণ গোবর, শাকসবজির উচ্ছিষ্টাংশ ও কলাগাছের টুকরো মিশ্রণ করে প্রতিটি হাউজে ১০ কেজি কেঁচো ছেড়ে দেয়া হয়। তারপর চটের বস্তা দিয়ে হাউজ ঢেকে রাখা হয়। এভাবে এক মাস ঢেকে রাখার পর তৈরি হয় ভার্মি কম্পোস্ট সার। প্রতি মাসে তানিয়ার ২৪টি হাউজ থেকে এক থেকে দেড় টন সার উৎপাদন হয়ে থাকে। প্রতি কেজি সার খুচরা ১৫ টাকা ও পাইকারি ১২টা করে বিক্রি করা হয়। এতে খরচ বাদে প্রতি মাসে আয় হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

এদিকে তানিয়ার উৎপাদিত কেঁচো সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাষিরা এসে তানিয়া পারভীনের বাড়ি থেকে সার কিনে নিয়ে চাষাবাদ করছেন।

ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারকারী চাষি জুয়েল মল্লিক বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট সার জমির উর্বরতা বাড়ায়, ফলনও বেশি হয়। এছাড়া দামও কম। আর রাসায়নিক সারের দাম ও ক্ষতিকারক বেশি। এজন্য আমরা এখন জৈব সার ভার্মি কম্পোস্ট সার তানিয়া পারভীনের থেকে কিনে জমিতে ব্যবহার করছি। ফলে অল্প খরচে অধিক লাভবান হচ্ছি।

উদ্যোক্তা তানিয়া পারভীন বলেন, এই সার বিক্রি করে আমার প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। সারের চাহিদা থাকায় দিন দিন উৎপাদন বাড়িয়েছি। এখন এলাকার অনেকেই আমার কাছ থেকে সার উৎপাদনের কৌশল রপ্ত করছেন। তারাও আগামীতে ভার্মি কম্পোস্ট সারা উৎপাদন করবেন। তবে এজন্য সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন।

ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, কেঁচো দিয়ে সার উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জেলার প্রায় ৩শ’ কৃষক এই সার উৎপাদন করছেন। বর্তমানে রাসায়নিক সারের অতি ব্যবহারে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব এই সার মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমেছে। মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের সুরক্ষায় নীতিমালা করছে সরকার

লেখক

পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের সুরক্ষায় সরকার নীতিমালা তৈরী করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
তিনি আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এনিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আহকাব) এবং বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রেডিয়েন্টস ইমপোর্টার্স এন্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফিটা)-এর প্রতিনিধিদের সাথে অনুষ্ঠিত এক সভায় একথা জানান।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার, মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আহকাব’র সভাপতি ডাঃ এম নজরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ সায়েদুল হক খান, মোঃ অনোয়ার হোসন ও মোঃ মোশারফ হোসেন চৌধুরী, বাফিটা’র সভাপতি সুধীর চৌধুরী, সিনিয়র সহসভাপতি এ এম আমিরুল ইসলাম ও মহাসচিব মোঃ হেলাল উদ্দিন সভায় উপস্থিত ছিলেন।


মন্ত্রী বলেন, “নীতিমালার মাধ্যমে পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পকে সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করা হবে। এ শিল্পের উন্নয়নে সাধ্যমতো সবকিছু করা হবে। এক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা অতিক্রম করার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে পদক্ষেপ নেয়া হবে।। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড-১৯ এর কারণে দেশীয় অনেক শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসময়ে বাংলাদেশের গ্রামীন অর্থনীতিকে সচল করা, দারিদ্র্য দূর করা, মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী করা, মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটানো এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই।”
আহকাব ও বাফিটা’র প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা ব্যবসা করবেন ঠিক আছে। কিন্তু দেশ, বাজার ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর খাদ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। যাতে সরকার বাজার মনিটরিং করতে না হয়। পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে হবে।”

পরে অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা দ্রুততার সাথে দায়িত্ব নিয়ে পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর খাদ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য কাজ করবেন বলে সভায় আশ্বস্ত করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

পোল্ট্রি শিল্পে করোনার হানা

করোনায় দেশের যেসব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো পোলট্রি খাত। করোনার কারণে গত বছরের অর্থনৈতিক ক্ষতির ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই নতুন লকডাউন ও করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ফের বিপাকে পড়েছে পোল্ট্রি খাতের খামারিরা। করোনার প্রথম ঢেউয়ে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে অনেক ব্যবসায়ী ব্যবসা সংকুচিত করেন। অনেকের ব্যবসাই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পোল্ট্রি খাতের কয়েক লাখ প্রান্তিক খামারির অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে পড়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া ও সরবরাহ দু’টিই পড়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে।

জানা গেছে, গত বছর করোনার এই সময়ে সংক্রমণ বাড়ায় খামারি এবং একদিনের বাচ্চা উৎপাদনকারী হ্যাচারি মালিকরা বড় লোকসানে পড়েন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ একই পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে তাদের। গত কয়েক দিনে একদিনের মুরগির বাচ্চার দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।এর প্রভাবে বাজারে মুরগির দাম বেশ কমেছে। ডিমের দামও কমেছে। এতে ক্রেতার স্বস্তি মিললেও খামারিদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, পোল্ট্রি ফিডের মূল্যবৃদ্ধি একটি বড় সমস্যা। পোলট্রি ফিডের অন্যতম উপকরণ ভুট্টার মৌসুম চলছে এখন। ভুট্টার মৌসুমে পোলট্রি ফিডের দাম বাড়াটা অযৌক্তিক।

এদিকে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আবারো বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান শুরু হতে থাকায় এবং পর্যটন খাত চাঙা হয়ে ওঠায় পোল্ট্রি মুরগি ও ডিমের চাহিদা বাড়তে থাকে। খামারিরাও লোকসান কাটিয়ে উঠতে বেশি দামে মুরগি বিক্রি করতে শুরু করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে ফের একই আশঙ্কা ভর করছে তাদের মাঝে।
পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, মুরগির দাম হ্রাস: একদিকে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে কমেছে মুরগি ও ডিমের দাম। গত বছর পোল্ট্রি  ফিডের দাম টনপ্রতি ছিল ৩১ হাজার টাকা, তখন ডিমের দাম ওঠে ৭-৮ টাকায় আর এ বছর পোল্ট্রি খাদ্যের টন ৪১ হাজার টাকা, অথচ ডিমের দাম কমে নেমে এসেছে ৪-৫ টাকায়! লকডাউনে কমেছে মুরগির দাম। এ অবস্থায় দেশের কয়েক লাখ প্রান্তিক খামারি দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, সমপ্রতি ৫০ কেজি ব্রয়লার মুরগির খাবারের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। লেয়ারের দাম ৫০ কেজির বস্তায় বেড়েছে ৭৫ টাকা। প্রতি টন খাদ্যের দাম বর্তমানে ৪১ হাজার টাকা, যা গত বছর ছিল ৩১ হাজার টাকা। প্রতি টনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কয়েক মাস আগে খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি সোনালী মুরগির দাম ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। আর ব্রয়লার মুরগির কেজি ১০০ টাকা থেকে হয়ে যায় ১৩০ টাকা। চলতি মাসের পাঁচ তারিখ থেকে ৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে সরকার। তখন থেকেই খুচরা বাজারে পোল্ট্রি পণ্যের দাম কমে যায়। বর্তমানে খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা ও প্রতি কেজি সোনালী মুরগি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এছাড়া লাল ডিম প্রতিটি ৫ টাকা চার পয়সায় ও সাদা ডিম ৪ টাকা চার পয়সায় বিক্রি হয়।

বিক্রেতারা জানান, লকডাউন শুরুর পরে চাহিদা কমেছে। এ কারণে দাম কমছে।
খামারি আশিক জানান, এক কেজি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে খরচ হয় ১২০-১২৫ টাকা। দেশে প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ৩০ লাখ মুরগির বাচ্চা তৈরি হয়। একেকটি বাচ্চা উৎপাদনে গড়ে খরচ ১৫ থেকে ২০ টাকা। মুরগির বিক্রি কম হওয়ায় নতুন করে বাচ্চা তুলতে তেমন আগ্রহ নেই খামারিদের। প্রতিটি এক দিনের ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা ২৮-৩০ টাকায় নেমেছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ৪৫-৪৮ টাকা ছিল।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১৪ই এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। একইদিন থেকে রমজানও শুরু হওয়ায় পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের আরো বেশি লোকসানে পড়তে হয়। স্বাভাবিক সময়েও রমজানে সাধারণত বেকারি ও কনফেকশনারিগুলোতে ডিমের চাহিদা কমে যায়। ফলে রমজানে দাম কমে যায় ডিমের।
পোল্ট্রি খামারি শিমুল হক বলেন, লকডাউনের কারণেও ডিমের বিক্রি কমে গেছে। প্রতি পিস সাদা ডিমে খামারিদের ৩ টাকা করে লোকসান হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পোল্ট্রি খাত ধ্বংস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের (বিপিকেআরজেপি) তথ্য অনুসারে, দেশে প্রায় ৯৮ হাজার পোল্ট্রি খামারি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ শতাংশ মহামারিকালে খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
উদ্যোক্তারা জানান, পোল্ট্রি ব্যবসায় ডিম ও মাংস উৎপাদন এবং হ্যাচিংয়ের মতো কয়েকটি ভাগ রয়েছে। বড় খামারগুলোতে সবগুলো কাজ করা হলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারগুলোতে সাধারণত এগুলোর একটি বা দুটি কাজ করা হয়।

হ্যাচারি ব্যবসায়ী মোতালেব সরকার বলেন, বাচ্চা ফুটানোর জন্য তিনি ১৮ টাকা দরে সোনালী মুরগির ডিম কিনেছেন। আর তার হ্যাচিং খরচ হয়েছে ৫ টাকা। সেই হিসাবে একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চা ২৫ টাকার মতো বিক্রি করা যাবে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চার দাম নেমে এসেছে মাত্র ৮ থেকে ৯ টাকায়। ফলে শুধু এক ব্যাচ হ্যাচিংয়েই প্রায় ২ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে তাকে। দাম পড়ে যাওয়ার পর হ্যাচিং বন্ধ করে দিয়েছি।

পোল্ট্রি খামারি মিলন বলেন, মুরগির বাচ্চার দাম অনেক বেশি কমে গেছে। যদি খুচরা বাজারে মুরগির দাম ১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে বাচ্চার দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। করোনার প্রভাব ছাড়াও মৌসুমি রোগবালাই ও মুরগির খাবারের দাম বাড়ায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামার ব্যবসায়ীদের ক্ষতি আরো বেড়েছে।

মুরগির বাচ্চা উৎপাদকদের সংগঠন ব্রিডার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) সভাপতি মো. রাকিবুর রহমান টুটুল বলেন, গত বছর করোনার আগে থেকেই খারাপ অবস্থায় ছিল পোল্ট্রি খাত। করোনায় আরো বিপর্যয় নেমে আসে। এতে এ খাতে ১১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়। এর পরে বাজার স্থিতিশীল হয়। সরকারের প্রণোদনায় আবার অনেকটা ঘুরে দাঁড়ায়। ভালো দামে গত এক মাস বেচাকেনা হয়েছে। এখন আবার করোনা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে নতুন করে সংকটে পড়তে যাচ্ছে এ খাত।

বিপিকেআরজেপি’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন বলেন, অনেক খামারিই লোকসানের ধাক্কা সামাল দিতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত হয়তো ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, লকডাউনের পাশাপাশি মুরগির খাবারের দাম বাড়ায় ক্ষতির পরিমাণ আরো বেড়েছে।

টেস্টিং কিটের অভাব: টেস্টিং কিটের অভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রচুর মুরগির খাবার ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছে না। খন্দকার মহসিন বলেন, ছাড়পত্র দেয়ার আগে এসব খাবার পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু টেস্টিং কিটের অভাবে গত ৪ থেকে ৫ মাস ধরে এগুলো পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। খাবার পরিবহন খরচ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, এ প্রণোদনা হয়তো ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সাহায্য করবে। কিন্তু যদি করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে থাকে, তবে পোল্ট্রি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটবে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, করোনার প্রথম ওয়েভে ডেইরি খাতে ১৫ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সাহায্যের পদক্ষেপ নিতে সরকারের এক বছর সময় লেগেছে। কিন্তু তারপরেও অনুদানের অর্থ যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তিনি। পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা গত বছরের লোকসান থেকে বের হয়ে এসে ব্যবসায় লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু নতুন লকডাউনে আবারো লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের। এভাবে চলতে থাকলে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
অবশ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ জানান, লকডাউনে প্রান্তিক খামারিরা যাতে ক্ষতির মুখে না পড়েন, সেজন্য ভিন্ন চিন্তা করা হচ্ছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে পণ্য বাজারজাতের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ সমপ্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে। তাতে বলা হয়, করোনায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এমনিতেই উৎপাদন মূল্য পাচ্ছেন না তারা, তার ওপর পোলট্রি ফিডের দাম বস্তাপ্রতি ৫০-৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। স্মারকলিপিতে পোল্ট্রি ফিডের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।

বিপিআইসিসি’র হিসাবে, করোনায় লোকসানে সারা দেশে ৩০-৩৫ শতাংশ পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধ হয়ে গেছে। আর এ খাতে ক্ষতি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্রিডার্স ইন্ডাস্ট্রি খাতে ৪৫৮ কোটি টাকা, ফিড শিল্পে ৭৫ কোটি টাকা, বাণিজ্যিক পোলট্রি (ডিম ও মাংস) খাতে ৫০৩ কোটি টাকা, প্রসেসড্‌ ইন্ডাস্ট্রিতে ৩১ কোটি টাকা ও ওষুধ মিনারেল প্রিমিক্সসহ অন্যান্য খাতে ক্ষতি ৮৩ কোটি টাকা।

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, পোল্ট্রি খাত হচ্ছে ক্ষুদ্রশিল্প। এ খাতকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে নিজের ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে খামারি সোহেল রানা বলেন, খামারিদের গলা চাইপা মাইরা ফালান। ধীরে ধীরে মরার থেকে একবারে মরাই ভালো। আর সহ্য হয় না। খাবারের দাম বাড়ে আর ডিমের দাম কমে। হায়রে আজব দেশ! এই দেশ থেকে মন চায় অন্য কোথাও চলে যাই।
আরেক খামারি আলী আজাদ ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, চিন্তা করার টাইম নাই। খাদ্যের ব্যাগের (বস্তা) মূল্য ২৪শ’-২৫শ’ টাকা, বাচ্চার মূল্য ৬০-৬২ টাকা। অপরদিকে এক কেজি মুরগির মূল্য ১১০ টাকা, ডিমের হালি ৫-৮ টাকা। এরপরও বাচ্চা তোলাই লাগবে.. লোকসান গুনতে হবে।

বিপিআইসিসি সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, পোলট্রি ফিড তৈরির উপকরণ ভুট্টা ও সয়াবিনসহ সবকিছুর দাম ৩০-৩৫ শতাংশ বাড়ছে। কিন্তু সেভাবে বাড়েনি মুরগির মাংস ও ডিমের মূল্য। বেশি দাম দিয়ে খাবার কিনে ফার্মে মুরগি পালন করা কষ্টকর।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যপ্তি: পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের সংগঠনগুলোর তথ্যানুসারে, দেশের ৮৩ হাজার রেজিস্ট্রিকৃত পোলট্রি ফার্মে ৫৭ লাখ মানুষ কাজ করছে। এসব খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, দেশে আড়াই লাখ রেজিস্ট্রারড ডেইরি ফার্ম আছে। প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ এই খাতের সঙ্গে জড়িত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com