আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক

আচমকা পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত কি রাজনৈতিক? প্রশ্নটা সরাসরি তুলে দিয়েছে অল ইন্ডিয়া কিষান সভা। কমিউনিস্ট প্রভাবিত এই কৃষক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অজিত নাভালের অভিযোগ, বিহার বিধানসভা ভোটের আগে সরকার পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে। তাই রপ্তানি নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস দলের (এনসিপি) নেতা শারদ পাওয়ারও। কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে তিনি বলেছেন, অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হোক। না হলে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের ভাবমূর্তিই শুধু নষ্ট হবে না, পাকিস্তানের বিপুল লাভ হবে।

দেশে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় গত সোমবার কেন্দ্রীয় সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত পেঁয়াজ উৎপাদকদের ক্ষুব্ধ করেছে। বর্ষায় ফসলের মারাত্মক ক্ষতির পর সবে কৃষকেরা কিছুটা দাম পেতে শুরু করেছিলেন। রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে পেঁয়াজের বাড়তি দাম কমে যাবে। তাতে পেঁয়াজচাষিদের ক্ষতি মিটবে না। এ বছর বর্ষায় মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট ও কর্ণাটকে পেঁয়াজ চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শারদ পাওয়ার গতকাল মঙ্গলবার পেঁয়াজ নিয়ে একাধিক টুইট করেন। তাতে তিনি এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। পাওয়ার বলেন, রাজ্যের পেঁয়াজচাষিরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। সমস্যার কথা বলেছেন। বিষয়টি তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীকেও জানিয়েছেন। শারদ পাওয়ার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আরজি জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীকে বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় ভারতের অবস্থান এর ফলে নষ্ট হবে। উপকৃত হবে পাকিস্তান।

ভারতের বৃহত্তম পাইকারি পেঁয়াজের বাজার মহারাষ্ট্রের লাসালগাঁও। সেখানে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের পাইকারি দাম কেজিতে ২০ থেকে বেড়ে ৩৫–৪০ রুপি হয়ে যায়। এতে চাষিরা তাঁদের ক্ষতি কিছুটা মেটাতে পারছিলেন। রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় এখন দেশে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল হয়ে যাবে। চাষিদের উপকার হবে না।

কমিউনিস্ট সংগঠন অল ইন্ডিয়া কিষান সভা এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বলে মনে করছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অজিত নাভালে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তে শুধু মহারাষ্ট্র নয়, সারা দেশের সব পেঁয়াজচাষি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কৃষকেরা এখন রাস্তায় নেমে রপ্তানি বন্ধের প্রতিবাদ করছেন। সবাই বুঝতে পারছেন, বিহারের ভোটের দিকে তাকিয়েই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ, ভোটের আগে সরকার চাইছে না পেঁয়াজের দাম বাড়ুক।

রপ্তানি বন্ধের আগে দেশে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি মানভেদে ৪০–৪৫ রুপিতে দাঁড়িয়েছিল। গত বছর দাম দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছিল। তখনও সরকার রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ কেনে ভারতের কাছ থেকে। গত বছর হুট করে রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর অক্টোবরে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় তিনি পেঁয়াজের প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন।

এগ্রোবিজ

আলুর দাম ফের নির্ধারণ করল সরকার

কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট, কারওয়ান বাজার এবং শ্যামবাজারের আলুর পাইকার ও আড়তদাররা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেঁধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এই দামের বিষয়ে আপত্তি জানান ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে তারা আলু বিক্রি বন্ধ করে দেন।

মঙ্গলবার সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৭ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে কেজি ৩০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে কেজি ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই নির্ধারিত মূল্যে কোল্ডস্টোরেজ, পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা যেন আলু বিক্রি করেন সেজন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেছে কৃষি বিপণন অধিদফতর।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে এক মতবিনিময় সভায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কিনছে সরকার

কাতার ও সৌদি আরব থেকে ১১১ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ১২৪ টাকায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার মেট্রিকটন সার কিনবে সরকার।

সর্বমোট ১৭৩ কোটি ২৯ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৯ টাকার ৮০ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) এসব সার কিনতে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ২৭তম সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে (ভার্চুয়াল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ৩টি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ২টি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি করে মোট ৭টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭৪ কোটি ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪০৬ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ২৮৭ কোটি ৫৯ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫২ টাকা এবং জাইকা ও দেশীয় ব্যাংক থেকে ঋণের পরিমাণ ১৮৬ কোটি ৫২ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৪ টাকা।

তিনি জানান, বৈঠকে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) কাতারের মুনতাজাত প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫ হাজার টন বাল্ক প্রিল্ড (অপশনাল) ইউরিয়া সার ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৬২ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়।

এছাড়া কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) সৌদি আরবের বেসিক ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন থেকে ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৬২ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সভায় কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশকে (বিসিআইসি) কাফকো থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ৬২ কোটি ১১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৫ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকে অনুমোদিত অন্যান্য প্রস্তাবগুলো হলো- জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ (২০১৮ সালে সংশোধিত)’ এর আওতায় রূপকল্প-৯:২ডি সাইসমিক প্রকল্পের ৭টি লটে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের এক্সপার্ট সার্ভিস গ্রহণে ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৩ কোটি ৭৫ লাখ ৬ হাজার ৫ টাকা।

এছাড়া সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন ‘হাওর এলাকায় বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্পে’ নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জাপানের নিপ্পন কোইকে বিদ্যমান চুক্তির সঙ্গে ভেরিয়েশন বাবদ ১৩ কোটি ২৩ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ টাকা যুক্ত করে সংশোধিত চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আজ থেকে ২৫ টাকা দরে মিলবে টিসিবির আলু

আজ বুধবার থেকে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাক সেলের মাধ্যমে আলু বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ টাকা দরে একজন সর্বোচ্চ দুই কেজি আলু কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, চিনি, মশুর ডাল নির্ধারিত সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করবে টিসিবি।

এদিকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে এক মতবিনিময় সভায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেঁধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এই দামের বিষয়ে আপত্তি জানান ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে তারা আলু বিক্রি বন্ধ করে দেন।

মঙ্গলবার সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৭ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে কেজি ৩০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে কেজি ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই নির্ধারিত মূল্যে কোল্ডস্টোরেজ, পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা যেন আলু বিক্রি করেন সেজন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেছে কৃষি বিপণন অধিদফতর।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বাজারে আলু খুঁজছে প্রশাসন

আড়ত থেকে খুচরা বাজার—কুষ্টিয়ার বাজারে আলু পাওয়া যেন কঠিন হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে আলুর সংকট। হিমাগারে আলু থাকলেও সেখানে দাম বেশি। তাই আড়তদারেরা সেখান থেকে কিনছেন না। আবার আড়তে না থাকায় খুচরা বাজারেও মিলছে না হঠাৎ করে দামি পণ্যে পরিণত হওয়া এই সবজি।

কুষ্টিয়া পৌর বাজারে অন্তত ১১টি সবজি আড়তে আলু কেনাবেচা হয়ে থাকে। গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে আড়তে দুই ট্রাক আলু নিয়ে এসেছিলেন ব্যবসায়ীরা। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা সরিয়ে ফেলা হয়। কিছু আলু থাকলেও সেগুলোও সরকারের নির্ধারিত দামে বিক্রি হয়নি। এ নিয়ে বিপাকে পড়েন খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতারা। সোমবার সকালে সবগুলো আড়ত মিলে মাত্র ৩০০ বস্তা আলু ছিল। এক ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো কেজিপ্রতি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়ে যায়। এই আড়তে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ টন আলুর চাহিদা। আলুর বাজারে এমন অবস্থা আর কত দিন চলবে, তা বলতে পারছেন না কেউ।

জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘কদিন ধরে আলুর দাম বেড়েছে সেটা জানা আছে। কিন্তু আজই জানতে পারলাম আলুর সংকট। আলু কোথায় আছে, খুঁজে বের করা হচ্ছে। প্রয়োজনে টিসিবির মাধ্যমে আলু বিক্রি করা হবে। তবে সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।’

এদিকে সকাল থেকে আলুর সন্ধানে মাঠে নামে প্রশাসনের একটি দল। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী রকিবুল হাসান ও জেলা বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম। তাঁরা কুষ্টিয়া পৌর বাজারের আড়ত, খুচরা বিক্রেতা, বড় বাজার ও কুষ্টিয়া বিআইডিসি হাট ঘুরে দেখেন।

তাঁরা দুজনেই বলেন, আড়তগুলো ফাঁকা। কোথাও কোনো আলু নেই। আলুর সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। যদি জেলার কোথাও মজুতের সন্ধান পাওয়া যায়, সেখানে অভিযান চালানো হবে।

হাটবাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলু সরবরাহ ছিল। কিন্তু রোববার হঠাৎ করে আলুর সরবরাহ কমে যায়। সোমবার আলুশূন্য হয়ে পড়েছে আড়তগুলো।

রবিউল ইসলাম, বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা

সোমবার সকাল ৯টায় পৌর বাজারে গিয়ে আড়তদার, খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা হয়। খুচরা বিক্রেতারা জানান, আলুর দাম চড়া। জরিমানা দেওয়ার ভয়ে আলু কেনাবেচা বন্ধ করে দিয়েছেন তাঁরা। পৌর বাজারের নূর ভান্ডার, সোহাগ ভান্ডার, রুপালী ভান্ডার, মিলন ভান্ডার, মোল্লা ভান্ডার গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোনো আলু নেই।

জানতে চাইলে আড়তে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, হিমাগারে দাম বেশি থাকায় সেখান থেকে কোনো আলু কিনছেন না ব্যবসায়ীরা। এ জন্য আড়তেও আলু নেই।

খুচরাতে ৩০, পাইকারিতে ২৫ ও হিমাগার থেকে ২৩ টাকা প্রতি কেজি আলুর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কুষ্টিয়া পৌর বাজারে গত শনিবার থেকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার তদারকি করে সরকারের নির্ধারিত দামে বিক্রি করার হুঁশিয়ারি দেন। এরপর থেকেই আড়তে আলু আসা বন্ধ হয়ে যায়।

বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, হাটবাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলু সরবরাহ ছিল। কিন্তু রোববার হঠাৎ করে আলুর সরবরাহ কমে যায়। সোমবার আলুশূন্য হয়ে পড়েছে আড়তগুলো। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী রকিবুল হাসান বলেন, শনিবার দুটি ট্রাকে ব্যবসায়ীরা আলু নিয়ে উত্তরবঙ্গে ফেরত গেছেন। তাঁরা এখানে আসার পর বেশি দামে আড়তদারেরা আলু কিনতে রাজি না হওয়ায় তাঁরা চলে যান। তাঁদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আড়ত থেকে সরে গেল আলু!

সরকারের নির্ধারণ করে দেওয়া দরে বিক্রি না করতে কুষ্টিয়া পৌর বাজারের আড়ত থেকে আলু সরিয়ে নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিছু আলু থাকলেও সেগুলোও সরকারনির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়নি। এতে খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতারা বিপাকে পড়েছেন।

আজ রোববার এখানকার খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি আলু বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা দরে। কাঁচা মরিচ, বেগুন, ফুলকপিসহ বিভিন্ন সবজিও ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করা হয়। এতে ক্রেতাদের মাথায় হাত পড়েছে।

হাটবাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলুর সরবরাহ ছিল। কিন্তু আজ হঠাৎ করে আলু সরবরাহ কমে যায়। কেন এটা হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রবিউল ইসলাম, বাজার তদারক কর্মকর্তা

গত বুধবার তিন পর্যায়ে আলুর দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। কেজিপ্রতি খুচরায় ৩০, পাইকারিতে ২৫ ও হিমাগারে ২৩ টাকা করে আলু বিক্রি করতে বলা হয়। এরপর গত শনিবার কুষ্টিয়া পৌর বাজারে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার তদারকি করেন। তিনি সরকারনির্ধারিত দামে আলু বিক্রির কড়া হুঁশিয়ারি দেন। আজ সকাল থেকে সেটা বাস্তবায়নের কথা।

আজ সকাল নয়টায় পৌর বাজারে গিয়ে আড়তদার, খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা হয়। জানা গেল, প্রতিদিন এ বাজারে অন্তত ৩০ টন আলু কেনাবেচা হয়। সেখানে আজ মাত্র ৫ টন আলু রয়েছে। সেগুলো ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

বাজারের নূর ভান্ডারে গিয়ে দেখা যায়, আড়তে কোনো আলু নেই। সেখানে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, হিমাগারে দাম বেশি থাকায় ব্যবসায়ীরা আলু আনছেন না। হিমাগারেই ৩১ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। সরকার যদি বিএডিসি (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন) থেকে আলু সরবরাহ করে, তাহলে ভালো হয়।বিজ্ঞাপন

আড়তে দাম কমাচ্ছে না। তাই কাল থেকে আলু বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। তবু জরিমানা দিতে রাজি না।

ইনসান আলী, আলুর খুচরা বিক্রেতা

খুচরা বিক্রেতারা জানান, গতকাল সকালে ম্যাজিস্ট্রেট কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর বিকেলে আড়ত থেকে তিনটি ট্রাকে করে আলু সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর যে পরিমাণ আলু রয়ে যায়, সেগুলো আড়তে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। খুচরা বিক্রেতারা সেই আলু ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, অনেক আড়তদার বিক্রি করা আলুর মেমো দিতে রাজি হননি। এ জন্য খুচরা বিক্রেতারা অনেকে আলু কেনেননি। অনেকে জরিমানার ভয়ে আলু বিক্রি করেননি।

খুচরা বিক্রেতা ইনসান আলী বলেন, আড়তে দাম কমাচ্ছে না। তাই কাল থেকে আলু বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। তবু জরিমানা দিতে রাজি না।

জানতে চাইলে বাজার তদারক কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, হাটবাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলুর সরবরাহ ছিল। কিন্তু আজ হঠাৎ করে আলু সরবরাহ কমে যায়। কেন এটা হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com