আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের শুল্ক কমাতে চিঠি

  • পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থির হয়ে ওঠায় আমদানিতে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
  • চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।
  • গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে দেশীয় বাজার অস্থির হয়ে ওঠে।

পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থির হয়ে ওঠায় আমদানিতে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় এ অনুরোধ জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, পেঁয়াজ আংশিক আমদানিনির্ভর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। নিকট অতীতে এ পণ্যের বাজার বেশ কয়েকবার অস্থিতিশীল হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পণ্যটির মূল্য সম্প্রতি অনেকটাই বেড়েছে, তার অন্যতম কারণ, আমদানি মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া।

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এখন জাতীয় স্বার্থেই পেঁয়াজের ওপর আরোপিত আমদানি শুল্ক আপাতত প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব মো. জাফরউদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আশা করছি, এনবিআর শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে

গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে দেশীয় বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। এ বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত। কিন্তু এর পরের মাসেই শুরু হয় মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ। ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।

এগ্রোবিজ

৩০ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে ভিড়

চট্টগ্রাম নগরের আটটি স্পটে চিনি, ডাল, সয়াবিন তেলের সঙ্গে ৩০ টাকা দরে পেঁয়াজও বিক্রি করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এসব জায়গায় অন্যান্য পণ্যের চাইতে পেঁয়াজ কিনতেই বেশি ভিড় করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ভারতীয় ও দেশি পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়, চীনা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। নগরের আটটি স্পটে টিসিবি পেঁয়াজের সঙ্গে চিনি, ডাল, সয়াবিন তেল বিক্রি করলেও ক্রেতাদের মধ্যে পেঁয়াজের চাহিদা বেশি।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে টাইগার পাস এলাকায় ট্রাকে করে খাদ্যপণ্য বিক্রি করতে দেখা যায় টিসিবির কর্মীদের। এ সময় নিম্নআয়ের অর্ধশতাধিক মানুষকে কমদামে এসব খাদ্যপণ্য ক্রয়ের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

জেসমিন আরা নামের এক গৃহকর্মী জানান, তাদের পক্ষে বাজার থেকে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে খাওয়া সম্ভব নয়, তাই সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে এক কেজি পেঁয়াজ কিনেছেন ৩০ টাকায়।

টিসিবির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান জামাল উদ্দিন আহমদ জাগো নিউজকে জানান, চট্টগ্রাম শহরে আটটি ট্রাকে পেঁয়াজসহ টিসিবির পণ্য বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আনোয়ারা, মিরসরাই ও খাগড়াছড়িতে তিনটি ট্রাক পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৩০ টাকায় ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ এক কেজি করে কিনতে পারবেন। এছাড়া মশুর ডাল ও চিনি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আলুর দাম ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ হচ্ছে : কৃষিমন্ত্রী

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কৃষিমন্ত্রী এ কথা জানান। কেজিপ্রতি আলুর দাম ৩৫ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) বিকেল ৩টায় খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আলুর দাম পুনর্নির্ধারণ করা হবে। আড়ৎদার, খুচরা ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বসে দামটা নির্ধারণ করবে।’

গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এই দামের বিষয়ে আপত্তি জানায় ব্যবসায়ীরা।

আগের বছর কৃষকরা আলুর দাম পায়নি, সরকার চেষ্টা করেও দাম বাড়াতে পারেনি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এতে আলু চাষের এলাকা কমেছে, উৎপাদনও কিছু কম হয়েছে। এর মধ্যে কোভিড মহামারি আসল। আমাদের এবার লক্ষ্য ছিল আলুর দাম বাড়ানোর জন্য। দাম বাড়াতে গিয়ে এমন একটা বিপর্যয়কর অবস্থা হবে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ, রিকশাওয়ালা-ভ্যানওয়ালা, শ্রমিক তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। এত দাম চিন্তাই করা যায় না। ৫০ টাকা কিংবা এরও বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এবার ত্রাণের মধ্যে আলু দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদেরও আলু দিতে বলেছিলাম। এজন্য আলুর ব্যবহারটাও বেশি হয়েছে। এছাড়া গত পাঁচ মাস ধরে একটানা বৃষ্টি। বৃষ্টিতে শাক-সবজি অনেক কমে গেছে, মানুষ আলু ওপর নির্ভরশীল হয়েছে। তা না হলে কোনোক্রমেই আলুর দাম এত বেশি হওয়ার কথা নয়।’

‘ব্যবসায়ীরা সবসময়ই মুনাফার দিকে থাকে। তারা দেখছে, এবার আলু দেরিতে আসবে। এজন্য তারা আলুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। খোলা বাজার অর্থনীতি, আমরা তো ওইভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। আমি সবসময় বিশ্বাস করি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে কোনোদিনই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। সরবরাহ না বাড়ালে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। আমরা মনিটর করতে পারি, চাপ দিতে পারি। অস্বাভাবিক কিছু একটা করলে সেখানে ব্যবস্থা নেয়া যায়।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের কৃষি বিপণন অধিদফতর দাম নির্ধারণ করেছিল ৩০ টাকা। সেই দামেই বিক্রির জন্য তারা একটা প্রচেষ্টাও চালিয়েছে। কিন্তু সফল হয়নি। এখন ব্যবসায়ীরা আলুই বের করছেন না, দাম বেশি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এটা (নির্ধারিত দাম) পুনর্বিবেচনা করছি। পর্যালোচনা করে, মাঠ থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে। যে দামে মোটামুটি একটা লাভ হয়। কোল্ড স্টোরেজ, পাইকারি ব্যবসায়ী, খুচরা ব্যবসায়ী, তাদের লাভ ধরে মূল্য অবশ্যই বাড়াতে হবে। দাম পুনর্নির্ধারণের পর আমরা আবার মনিটরিং করব, এটা কঠোরভাবে দেখার চেষ্টা করব।’

‘দাম অবশ্যই ৩০ টাকার বেশি হবে। ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে একটা দাম চিন্তা করা হচ্ছে।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আশা করি, নতুন আলু আসলে দাম কমে যাবে। এবার আলু অনেক হবে। আলুতে আমাদের ঘাটতি থাকার কোনো কারণ নেই। আমাদের পর্যাপ্ত আলু হয়। আশা করি, ভবিষ্যতে এই সমস্যা হবে না। আমরা এখনও চিন্তা করছি যে, আলু কীভাবে রফতানি করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘এই বিপর্যয়ের জন্য আমরা খুবই দুঃখিত। স্বল্প আয়ের মানুষ কষ্ট করছে।’

দেশে আলুর চাহিদা ৮০ থেকে ৯০ লাখ টন। ১৫ থেকে ২০ লাখ টন আলু আমাদর উদ্বৃত্ত থাকে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আলুর বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে : কৃষিমন্ত্রী

সরকার নির্ধারিত খুচরা পর্যায়ে কেজি প্রতি আলুর দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

গতকাল মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক সভায় কৃষি বিপণন অধিদফতর আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৭ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি ৩০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করে দেয়।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এই দামের বিষয়ে আপত্তি জানায় ব্যবসায়ীরা। এক পর্যায়ে তারা আলু বিক্রি বন্ধ করে দেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা এই দাম নিয়ে খুশি মনে বাড়ি ফিরেছে। তারা নিজেরা বলেছে এই দাম বাস্তবায়ন না করলে মুনাফাখোর হিসেবে বিবেচিত হবে। তারা আপ্রাণ চেষ্টা করবে আমাদের সহযোগিতা করতে। আর কাল থেকেই বা দুই একদিনের মধ্যেই আমরা বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করব।

তিনি বলেন, ‘আলুর দাম যদি ৫০/৬০ টাকা হয়ে যায় তাহলে কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। ৩৫ টাকা যাতে বাস্তবায়ন হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করব। তবে এক মাসের মধ্যে দাম কমে আসবে।’

হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, তুলা, বিটি কটনে ভারত আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। আমরা চাচ্ছি এই বিটি কটন আমাদের দেশে আনতে। এটা এদেশের আবহাওয়ার জন্য ভালো। এছাড়া ভুট্টাসহ অনেক ফসলের ভালোজাত ভারত থেকে আনার সুযোগ রয়েছে।

‘বাংলাদেশ সরকার কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণে গুরুত্ব দিয়ে অনেক বড় প্রকল্প নিয়েছে। ভারতের বেশ কিছু কোম্পানি রয়েছে যারা এক্ষেত্রে সফল। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করবে ভালো কিছু কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে। বিশেষ করে মোহেন্দ্রকে চেষ্টা করবে বাংলাদেশে নিয়ে আসার জন্য’ বলেন কৃষিমন্ত্রী।

এরপর অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরাম (এআরএফ) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে যোগ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আলুর দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা…এটা কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আপনারা মুনাফা করেন, মুনাফা করার জন্যই ব্যবসা করছেন। কিন্তু এ সুযোগে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা করবেন না। মানুষের প্রতি কর্তব্যবোধ থেকে আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আপনারা সরকারের নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি করুন।’

দীর্ঘ দিনেও ভিটামিন-এ’র ঘাটতি পূরণে ধানের নতুন জাত ‘গোল্ডেন রাইস’ উন্মুক্ত করতে না পারার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, জেনেটিক্যালি মডিফাইড এই ধানটি নিয়ে বেশ বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। এই ধান মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকারক কিনা, ধান চাষের ফলে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে কিনা, এ নিয়ে পরিবেশ অধিদফতর এখনও আমাদের ছাড়পত্র দেয়নি। আমরা চেষ্টা করছি।

করোনা মহামারির কারণে এবার এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হবে কিনা- জানতে চাইল আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পৃথিবীর ৬৬টি দেশের মধ্যে জরিপ শেষে দ্য ইকোনমিস্টের গোয়েন্দারা বলছে, পৃথিবীর যে ৯টি দেশের অর্থনীতি এখন ভালো আছে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশ আছে। আরেকটা রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশের ইকোনমির পজিটিভ গ্রোথ আছে, যেখানে ভারতের ইকোনমি ২৪ শতাংশের বেশি নেমে গেছে। হাঙ্গার ইনডেস্কে আমরা ৭৪তম স্থানে এসেছি। পাকিস্তান ৮৮, ইন্ডিয়া ৯৪তম অবস্থানে আছে।। সুতরাং এ কথা বলার এখনই সময় আসেনি যে কোভিডের কারণে এসডিজি ব্যাহত হবে কিনা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আলুর দাম ফের নির্ধারণ করল সরকার

কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট, কারওয়ান বাজার এবং শ্যামবাজারের আলুর পাইকার ও আড়তদাররা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেঁধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এই দামের বিষয়ে আপত্তি জানান ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে তারা আলু বিক্রি বন্ধ করে দেন।

মঙ্গলবার সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৭ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে কেজি ৩০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে কেজি ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই নির্ধারিত মূল্যে কোল্ডস্টোরেজ, পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা যেন আলু বিক্রি করেন সেজন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেছে কৃষি বিপণন অধিদফতর।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে এক মতবিনিময় সভায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কিনছে সরকার

কাতার ও সৌদি আরব থেকে ১১১ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ১২৪ টাকায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার মেট্রিকটন সার কিনবে সরকার।

সর্বমোট ১৭৩ কোটি ২৯ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৯ টাকার ৮০ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) এসব সার কিনতে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ২৭তম সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে (ভার্চুয়াল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ৩টি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ২টি এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি করে মোট ৭টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭৪ কোটি ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪০৬ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ২৮৭ কোটি ৫৯ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫২ টাকা এবং জাইকা ও দেশীয় ব্যাংক থেকে ঋণের পরিমাণ ১৮৬ কোটি ৫২ লাখ ৯১ হাজার ৬৫৪ টাকা।

তিনি জানান, বৈঠকে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) কাতারের মুনতাজাত প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫ হাজার টন বাল্ক প্রিল্ড (অপশনাল) ইউরিয়া সার ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৬২ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়।

এছাড়া কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) সৌদি আরবের বেসিক ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন থেকে ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৫৬২ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সভায় কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশকে (বিসিআইসি) কাফকো থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ৬২ কোটি ১১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৫ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকে অনুমোদিত অন্যান্য প্রস্তাবগুলো হলো- জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ (২০১৮ সালে সংশোধিত)’ এর আওতায় রূপকল্প-৯:২ডি সাইসমিক প্রকল্পের ৭টি লটে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের এক্সপার্ট সার্ভিস গ্রহণে ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৩ কোটি ৭৫ লাখ ৬ হাজার ৫ টাকা।

এছাড়া সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন ‘হাওর এলাকায় বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্পে’ নিয়োজিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান জাপানের নিপ্পন কোইকে বিদ্যমান চুক্তির সঙ্গে ভেরিয়েশন বাবদ ১৩ কোটি ২৩ লাখ ১১ হাজার ৬৫৫ টাকা যুক্ত করে সংশোধিত চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com