আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের দাম কমবে ১৫-২০ দিনের মধ্যে

আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানিয়েছের কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। গ্রীষ্মকালীন ও আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসবে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে। এরপর দাম কমতে থাকবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।

কৃষীমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাসে, এত দিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। পেঁয়াজচাষিরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুত রাখার তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে দাম বেড়ে যায়।

রোববার (১০ অক্টোবর) গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের দুটি গবেষণাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কৃষিপণ্য নিয়ে আমাদের দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে আমাদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। গত এক বছরে আমাদের কৃষিপণ্য রপ্তানি অনেক বেড়েছে।

মন্ত্রী জানান, অ্যাক্রিডিয়েট ল্যাব, যান্ত্রিকরণ এবং আধুনিক কৃষির মাধ্যমে আমরা অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে পারবো।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালা-২০২১ এর উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, সাবেক সচিব ও বিএআরসির সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. জহুরুল করিমএছাড়া বিশিষ্ট বিজ্ঞানী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক (অব.) ও এমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

‘করোনাভাইরাস সংকট সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি বিস্ময়কর গতিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে’

এই গতি এখন আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান

ভয়াবহ করোনাভাইরাস পরিস্থিতি জয় করেই বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত গতিতে তার ছন্দে ফিরে আসছে। বিশ্ব মোড়লরা সহজে টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে না পারায় অর্থনেতিক পুনরুদ্ধারের এই প্রক্রিয়া আরও গতি অর্জন করে উঠতে পারেনি। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের মাথা পিছু আয়ের প্রবৃদ্ধি গতো দু’বছরে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল। এই গতি এখন আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান।

গতিময় আধুনিক কৃষি, প্রবাসী আয় এবং রপ্তানির ওপর ভর করেই বাংলাদেশের অর্থনীতি এই শক্তিমত্তা দেখাচ্ছে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

শনিবার (৯ অক্টোবর) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) আয়োজিত “কোভিড পরবর্তী কৃষির ভূমিকা” বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন করার সময় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

 তিনি আরও বলেন, “গত পাঁচ বছর ধরেই মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির বিচারে এশিয়ার সবচেয়ে গতিময় দেশটির নাম বাংলাদেশ।করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৭.৮%। চীনে এই বৃদ্ধির হার ৬.৯%, ভারতে ৩.১% এবং ভিয়েতনামে ৪%।”

কৃষির অসামান্য সমর্থন ছাড়াও রপ্তানি ও প্রবাসী আয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ার কারণে প্রচুর টাকা গ্রামে যাচ্ছে। তাই গ্রামের অর্থনীতিতে ভোগ বেড়ে চলেছে। গ্রামে কৃষি মজুরিও বাড়ন্ত। আর সেখানে মোট আয়ের ৬০%আসছে কৃষি সংশ্লিষ্ট অকৃষি খাত থেকে। গ্রামের অর্থনীতি আধুনিক ও বহুমুখি হবার পেছনে এই অকৃষি আয়ের ভূমিকা অসামান্য বলেও জানান তিনি ।

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে গ্রামের মানুষের এই বাড়ন্ত ভোগ প্রবণতা। তবে করোনাভাইরাস না এলে  গ্রামে বিনিয়োগ আরও বাড়ত। 

আর্থিক খাতের ডিজিটাল রূপান্তর, বিশেষ করে মোবাইল ভিত্তিক আর্থিক সেবা, বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতির এই গতিময়তাকে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সমর্থন জুগিয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের বরাত দিয়ে তিনি জানান, এ অর্থবছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৪%। কয়েক মাস আগেও এর চেয়ে ঢের কম বলেছিল। এডিবি বলেছে, আমাদের প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৮%। স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক কয়েকদিন আগে বলেছে এই হার হবে ৭.২%।

অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, “আমি মনে করি প্রবৃদ্ধির হার সাত শতাংশের বেশিই হবে।এই প্রবৃদ্ধি যেন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় সেজন্য কৃষি, এমএসএমই এবং সবুজ উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক হয় সেদিকে খেয়াল রাখা বেশ জরুরি।”

চলতি অর্থ বছরে প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশের বেশি হবে আশাবাদ জানিয়ে ড. রহমান বলেন, “ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ যাতে আরও বাড়ে সেদিকে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে। এক কোটি তিরিশ লক্ষ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের যে সমর্থন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন তার ইতিবাচক প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে পড়েছে।”

তবে সামাজিক পাটাতনের নীচের দিকের মানুষগুলোর কাছে সরকার সামাজিক সুরক্ষা দিলেও এদিকে আরও সমর্থনের প্রয়োজন রয়েছে। নতুন করে প্রণোদনার রোডম্যাপ গ্রহণ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

রাজশাহীর স্থানীয় বাজারে সবজির সমারোহ

রাজশাহীর পবা মোহনপুর উপজেলার এলাকাগুলোতে সব ধরনের সবজির ফলন ভালো হয়েছে। আজ উপজেলার বিধিরপুর হাট বারে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের সবজি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। 

বুধবার (২০ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ। 

হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, সরকারি নির্দেশনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম যথারীতি চালু হবে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

জ্বালানিসহ নিত্যপণ্যের দামে আগুন

বিশ্বব্যাপী পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি হারে বেড়েছে জ্বালানিসহ নিত্যপণ্যের দাম। গত বছরের তুলনায় জ্বালানির দাম গড়ে ৮০ শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে খাদ্যপণ্যের দাম গড়ে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। এখন কিছুটা কমে এলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে। বিশ্বব্যাংকের ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ত্রৈ-মাসিক প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দর গড়ে ৭০ ডলার থাকলেও আগামী বছর গড়ে ৭৪ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। আগামী বছর নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোস বলেন, জ্বালানির এই দাম বৃদ্ধির ফলে শিগিগরই বিশ্বে মূল্যস্ফীতির উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি হবে। যদি দাম বাড়তেই থাকে সে ক্ষেত্রে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে চাপ বাড়বে। করোনার কারণে নিত্যপণ্যের দাম যে হারে কমেছিল এখন সেটি খুব দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য অস্থিতিশীল থাকলে দেশগুলোর নীতি নির্ধারণে চাপ বাড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর কিছু নিত্যপণ্যের দাম ২০১১ সালের তুলনায় বেশি লক্ষ করা গেছে। উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কয়লার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। তাছাড়া বিদ্যুতের চাহিদা এখন করোনার আগের পর্যায়ে ফিরেছে, তাই জ্বালানির চাহিদাও বেড়েছে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে চাহিদা স্বাভাবিক হলে দাম স্থিতিশীল হয়ে আসবে। তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে আসা এবং সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দর (ব্রেন্ট, ডব্লিউটিআই এবং দুবাই) এ বছর গড়ে ৭০ ডলার (প্রায় ৬ হাজার টাকা) পর্যন্ত থাকতে পারে। আগামী বছর এই দাম গড়ে ৭৪ ডলার (প্রায় ছয় হাজার ৩০০ টাকা) থাকতে পারে। উল্লেখ্য, করোনার প্রকোপ শুরুর পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম তরতর করে নামতে থাকে। চাহিদা না থাকায় এক পর্যায়ে ঋণাত্মক পর্যন্ত হয়ে যায়। গত বছর গড়ে যে দামে বিক্রি হয় এ বছর সেটি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ফিরে এসেছে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জন বাফেস বলেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ায়। তা ছাড়া জ্বালানির দাম বাড়লে সার উৎপাদনের খরচও বেড়ে যায়। ফলে ফসল উৎপাদনে খরচও বাড়ে। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতোমধ্যে এলুমিনিয়াম এবং জিংকের উৎপাদন কমে গেছে। প্রতিবেদনে কৃষিপণ্যের বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এ বছরের শুরুর দিকে বিশ্ববাজারে আগের বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে প্রায় ৩০ ভাগ। করোনার প্রকোপে গত বছর একেবারেই কমে গিয়েছিল নিত্যপণ্যের দাম। গত দুই প্রান্তিকে মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে কৃষিপণ্যের বাজার। এখন স্থিতিশীল থাকলেও কৃষিপণ্যের দাম গত বছরের চেয়ে গড়ে ২৫ শতাংশ বেশি রয়েছে। করোনার আগের অবস্থায় ফিরে আসছে কৃষিপণ্যের বাজার। আট বছরের মধ্যে এখন খাদ্য মূল্যসূচক সবচেয়ে বেশি। ভুট্টার দাম অতি সম্প্রতি কিছুটা কম হলেও গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ দাম বেড়েছে। গত মে মাসে প্রতি মেট্রিক টন ভুট্টা ৩০০ ডলার পর্যন্ত চড়েছিল। মূলত উৎপাদন কম হওয়া, পশুখাদ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভুট্টার দর বেড়েছিল। এখন সেপ্টেম্বরে ২৩০ ডলারে নেমে এসেছে ভুট্টার দর। সরবরাহ সংকটে চালের দাম এ বছরের শুরুর দিকে সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়ে গিয়েছিল। গত ত্রৈ-মাসিক হিসাবে এটি ১৮ শতাংশ কমে এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে গড়ে প্রতি মেট্রিক টন চাল এখন ৪০৬ ডলারে নেমেছে।

ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা কমে এলেও এখনো গত বছরের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে পাম ও সয়াবিন তেলের দাম গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। মূলত দক্ষিণ আমেরিকার সয়াবিন ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে পাম উৎপাদন কমে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছিল। তা ছাড়া চীন সয়াবিনের আমদানি বাড়িয়েছে ব্যাপক হারে। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বাম্পার ফলনেও দামে হতাশ প্রান্তিক পান চাষিরা!

বরগুনার আমতলীতে পানের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই প্রান্তিক চাষিদের। ভরা মৌসুমেও পানের দাম না পেয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। পানের ব্যাপক আমদানি হলেও পর্যাপ্ত বিক্রি না হওয়ায় পান চালান নিয়েও বিপাকে পড়েছে চাষিরা। ফলে তারা চরমভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। অথচ গ্রাম থেকে যাওয়া এ পান নগরীতে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এ জন্যই আমতলীর হাট-বাজারে পানির দামে পান বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজারের বেশি পান চাষি রয়েছে। শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, অতিরিক্ত দামে খৈল ও বাঁশের শলা ক্রয়সহ প্রয়োজনীয় উপকরণের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়া সত্ত্বেও উপজেলার হাট- বাজারগুলোতে পানির দামে পান বিক্রি করতে হচ্ছে। বর্তমানে ১০০০ টাকা ১ পাই (২৪ চল্লি) মূল্যের পান এখন ১০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

প্রান্তিক কৃষকরা জানায় করোনায় পরিবহন সংকটের সুযোগে সিন্ডিকেট করে পাইকাররা পানের দাম কমিয়ে দিয়েছেন। আর পাইকাররা বলছেন বর্তমানে বাজারে পানের চাহিদা আগের তুলনায় অনেক কম। এ কারনে পানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ চাষিরা। গ্রামীণ জনপদের খেটে খাওয়া ওই মানুষগুলো বিশ্বাস করে সরকার যদি ওই সিন্ডিকেট ভেঙে পান চাষিদের সহয়তা করে তাহলে জীবিকার তাগিতে আবারও প্রান্তিক চাষিরা ঘুরে দাঁড়াবে।

কুকুয়া ও চাওড়া  ইউনিয়নের পানচাষি বাদল দফাদার ও রহিম ব্যাপারি বলেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ভরা মৌসুমেও চাষিরা পানের ন্যায্য মূল্য পায়নি। পানের দাম না বাড়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা। এবছর পান বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা, পান চাষের খরচ ওঠে কি না সন্দেহ আছে। অনেক চাষি লোকসানের মুখে পড়বেন। যে পান বাজারে ১০০০ টাকা ১ পাই (২৪ চল্লি) মূল্যের পান এখন ১০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছেু। এতে দিনমজুরি দিতেও তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিএম রেজাউল করিম মুঠোফোনে বলেন, আমাদের চেষ্টা থাকে যাতে পানের ফলনে কোনো সমস্যা না হয়। পানের চাহিদা সারা দেশেই রয়েছে। বাম্পার ফলন হলেও গত বছরের তুলনায় এবছর পানের দাম খুবই কম। এখান থেকে যদি অন্যত্র পান রপ্তানি করা যায় তাহলে পান চাষিরা বেশি মূল্য পেতো।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com