আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

জেনে নিন পেঁয়াজের অজানা ১৩ তথ্য

রান্না ঘরে খাবার সুস্বাদু করতে পৃথিবীর সব দেশই পেঁয়াজ ব্যবহার করা হয়। শুধু অন্য রান্নার অনুষঙ্গ নয়, কাঁচা খেতেও পেয়াজ বেশ সুস্বাদু। এছাড়া সরাসরি কাঁচা পেঁয়াজ, ভর্তা, আচার এবং সালাদ হিসেবেও পেঁয়াজের কদর কম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধিতে দেশজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এবার জেনে নিন পেঁয়াজের অজানা ১৩টি তথ্য।

  • পেঁয়াজের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে: অনেক সময় পেঁয়াজ কাটলে বা কাঁচা পেঁয়াজ খেলে হাতে এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয়। এর জন্য অনেক সময়ই পেঁয়াজকে এড়িয়ে চলি আমরা। তবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলেই পেঁয়াজের এই দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

    পেঁয়াজের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে: অনেক সময় পেঁয়াজ কাটলে বা কাঁচা পেঁয়াজ খেলে হাতে এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয়। এর জন্য অনেক সময়ই পেঁয়াজকে এড়িয়ে চলি আমরা। তবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলেই পেঁয়াজের এই দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

  • পেঁয়াজের ঔষধি গুণ কী: বিবিসি গুড ফুড তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ঐতিহাসিকভাবে পেঁয়াজের রয়েছে ঔষধি ব্যবহার। প্রাচীন আমলে কলেরা এবং প্লেগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হতো পেঁয়াজ। রোমান সম্রাট নিরো ঠান্ডার ওষুধ হিসেবে পেঁয়াজ খেতেন বলেও শ্রুতি রয়েছে। পেঁয়াজে থাকা এলিসিন নামের উপাদান অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।

    পেঁয়াজের ঔষধি গুণ কী: বিবিসি গুড ফুড তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ঐতিহাসিকভাবে পেঁয়াজের রয়েছে ঔষধি ব্যবহার। প্রাচীন আমলে কলেরা এবং প্লেগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হতো পেঁয়াজ। রোমান সম্রাট নিরো ঠান্ডার ওষুধ হিসেবে পেঁয়াজ খেতেন বলেও শ্রুতি রয়েছে। পেঁয়াজে থাকা এলিসিন নামের উপাদান অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।

  • পেঁয়াজ নিয়ে আরও কথা: জাপান বা অন্য দেশে পেঁয়াজ বড় মাপের হয় এবং সেগুলোতে এলিসিনের মাত্রা কম থাকার কারণে সেখানে পেঁয়াজ কাটলে চোখ জ্বলে না। এসব দেশে পেঁয়াজ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাঁচা খাওয়া হয় সবজি হিসেবে।

    পেঁয়াজ নিয়ে আরও কথা: জাপান বা অন্য দেশে পেঁয়াজ বড় মাপের হয় এবং সেগুলোতে এলিসিনের মাত্রা কম থাকার কারণে সেখানে পেঁয়াজ কাটলে চোখ জ্বলে না। এসব দেশে পেঁয়াজ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাঁচা খাওয়া হয় সবজি হিসেবে।

  • পেঁয়াজ কাটলে চোখ দিয়ে পানি পড়ে কেন: পেঁয়াজ কেটেছেন কিন্তু চোখে পানি আসেনি এমনও কাউকে খুঁজে পাওয়া বেশ দুরূহ। পেঁয়াজের ভলাটাইল কম্পাউন্ড যা এলিসিন নামে পরিচিত, এটি পেঁয়াজের ঝাঁঝের জন্য দায়ী। আর কাটার সময় এটি চোখে লাগে বলেই চোখ জ্বালাপোড়া করে এবং পানি পড়ে।

    পেঁয়াজ কাটলে চোখ দিয়ে পানি পড়ে কেন: পেঁয়াজ কেটেছেন কিন্তু চোখে পানি আসেনি এমনও কাউকে খুঁজে পাওয়া বেশ দুরূহ। পেঁয়াজের ভলাটাইল কম্পাউন্ড যা এলিসিন নামে পরিচিত, এটি পেঁয়াজের ঝাঁঝের জন্য দায়ী। আর কাটার সময় এটি চোখে লাগে বলেই চোখ জ্বালাপোড়া করে এবং পানি পড়ে।

  • পেঁয়াজ দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে খাদ্যগুণ কি নষ্ট হয়ে যায়: পেঁয়াজে নানা ধরণের ভিটামিন ও প্রাকৃতিক তেল থাকে যা রান্নার পর নষ্ট হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। পেঁয়াজে ভোলাটাইল কিছু উপাদান রয়েছে যেগুলো নাকে-মুখে লাগে সেগুলো হয়তো নষ্ট হয়। কিন্তু পেঁয়াজের অন্য উপাদানগুলো নষ্ট হয় না।

    পেঁয়াজ দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে খাদ্যগুণ কি নষ্ট হয়ে যায়: পেঁয়াজে নানা ধরণের ভিটামিন ও প্রাকৃতিক তেল থাকে যা রান্নার পর নষ্ট হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। পেঁয়াজে ভোলাটাইল কিছু উপাদান রয়েছে যেগুলো নাকে-মুখে লাগে সেগুলো হয়তো নষ্ট হয়। কিন্তু পেঁয়াজের অন্য উপাদানগুলো নষ্ট হয় না।

  • রান্নায় পেঁয়াজ কী স্বাদ যোগ করে: পেঁয়াজ যেহেতু সালফার উপাদান থাকে তাই এটি রান্নায় এক ধরণের ঝাঁজালো স্বাদ যোগ করে। তবে নিজস্ব স্বাদ যোগ করার ছাড়াও রান্নায় পেঁয়াজের সব চেয়ে বড় কাজ হচ্ছে, রান্নার অন্যান্য উপকরণের স্বাদ অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়।

    রান্নায় পেঁয়াজ কী স্বাদ যোগ করে: পেঁয়াজ যেহেতু সালফার উপাদান থাকে তাই এটি রান্নায় এক ধরণের ঝাঁজালো স্বাদ যোগ করে। তবে নিজস্ব স্বাদ যোগ করার ছাড়াও রান্নায় পেঁয়াজের সব চেয়ে বড় কাজ হচ্ছে, রান্নার অন্যান্য উপকরণের স্বাদ অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়।

  • পেঁয়াজে যেস ভিটামিন থাকে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। ডায়েটারি ফাইবার থাকে অনেক বেশি যা প্রায় ১২ শতাংশ। পেয়াজে মধ্যে কোন ফ্যাট নাই। এছাড়া পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং আয়রন পাওয়া যায়।

    পেঁয়াজে যেস ভিটামিন থাকে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। ডায়েটারি ফাইবার থাকে অনেক বেশি যা প্রায় ১২ শতাংশ। পেয়াজে মধ্যে কোন ফ্যাট নাই। এছাড়া পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং আয়রন পাওয়া যায়।

  • পেঁয়াজের আরও গুণ: পেঁয়াজের খোসা ছাড়ালে যে গাঢ় বেগুনি রঙের একটি আস্তরণ পাওয়া যায় এতে বেশি পরিমাণে এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। জ্বালাপোড়া বা প্রদাহ নিবারণ করে এমন উপাদানও রয়েছে পেঁয়াজে। এটি হাড়েরও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। শরীরে পটাসিয়াম এবং মিনারেল বা খনিজের চাহিদা পূরণের একটি ভালো উৎস পেয়াজ। এই উপাদানগুলোই পেয়াজে অনেক বেশি পরিমাণে থাকে।

    পেঁয়াজের আরও গুণ: পেঁয়াজের খোসা ছাড়ালে যে গাঢ় বেগুনি রঙের একটি আস্তরণ পাওয়া যায় এতে বেশি পরিমাণে এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। জ্বালাপোড়া বা প্রদাহ নিবারণ করে এমন উপাদানও রয়েছে পেঁয়াজে। এটি হাড়েরও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। শরীরে পটাসিয়াম এবং মিনারেল বা খনিজের চাহিদা পূরণের একটি ভালো উৎস পেয়াজ। এই উপাদানগুলোই পেয়াজে অনেক বেশি পরিমাণে থাকে।

  • পেঁয়াজের খাদ্যগুণ কী কী: পেয়াজ আসলে মশলা জাতীয় খাবার। এর মূল উপাদান পানি, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার। তবে পেঁয়াজে পানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি-প্রায় ৮৫ শতাংশ। এছাড়াও পুষ্টিগুণ বলতে গেলে, ভিটামিন সি, বি এবং পটাসিয়াম থাকে।

    পেঁয়াজের খাদ্যগুণ কী কী: পেয়াজ আসলে মশলা জাতীয় খাবার। এর মূল উপাদান পানি, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার। তবে পেঁয়াজে পানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি-প্রায় ৮৫ শতাংশ। এছাড়াও পুষ্টিগুণ বলতে গেলে, ভিটামিন সি, বি এবং পটাসিয়াম থাকে।

  • বাংলাদেশে কী ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়: বাংলাদেশে যে সব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। বাংলাদেশ এলিয়াম সেপা বা পেঁয়াজ যা মূলত একটি বাল্ব সেটাই উৎপাদিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না।

    বাংলাদেশে কী ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়: বাংলাদেশে যে সব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। বাংলাদেশ এলিয়াম সেপা বা পেঁয়াজ যা মূলত একটি বাল্ব সেটাই উৎপাদিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না।

  • বাংলাদেশে কী ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়: বাংলাদেশে যে সব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। বাংলাদেশ এলিয়াম সেপা বা পেঁয়াজ যা মূলত একটি বাল্ব সেটাই উৎপাদিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না।

    বাংলাদেশে কী ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়: বাংলাদেশে যে সব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। বাংলাদেশ এলিয়াম সেপা বা পেঁয়াজ যা মূলত একটি বাল্ব সেটাই উৎপাদিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না।

  • পেঁয়াজ কোথায় উৎপন্ন হয়: এটি এমন একটি উদ্ভিদ যা বিশ্বের প্রায় সব দেশেই উৎপাদিত হয়। তবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় ভারত এবং চীনে। সেসব দেশগুলোতেই প্রধানত পেয়াজ হয় যেখানে বেশি বৃষ্টি হয় না। পাশাপাশি হাল্কা শীত থাকে। সেজন্যই বাংলাদেশে পেঁয়াজ হয় শীতকালে। সেসময় দামও কম থাকে।

    পেঁয়াজ কোথায় উৎপন্ন হয়: এটি এমন একটি উদ্ভিদ যা বিশ্বের প্রায় সব দেশেই উৎপাদিত হয়। তবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় ভারত এবং চীনে। সেসব দেশগুলোতেই প্রধানত পেয়াজ হয় যেখানে বেশি বৃষ্টি হয় না। পাশাপাশি হাল্কা শীত থাকে। সেজন্যই বাংলাদেশে পেঁয়াজ হয় শীতকালে। সেসময় দামও কম থাকে।

  • পেঁয়াজ আসলে কী : পেঁয়াজ আসলে কোন সবজি নয়। এটি আসলে একটি মসলা জাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম এলিয়াম সেপা। এই বর্গের অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে রসুন, শ্যালট, লিক, চাইব এবং চীনা পেঁয়াজ। রসুনের মতোই এর গোত্র হচ্ছে লিলি।

    পেঁয়াজ আসলে কী : পেঁয়াজ আসলে কোন সবজি নয়। এটি আসলে একটি মসলা জাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম এলিয়াম সেপা। এই বর্গের অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে রসুন, শ্যালট, লিক, চাইব এবং চীনা পেঁয়াজ। রসুনের মতোই এর গোত্র হচ্ছে লিলি।

  • পেঁয়াজের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে: অনেক সময় পেঁয়াজ কাটলে বা কাঁচা পেঁয়াজ খেলে হাতে এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হয়। এর জন্য অনেক সময়ই পেঁয়াজকে এড়িয়ে চলি আমরা। তবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলেই পেঁয়াজের এই দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  • পেঁয়াজের ঔষধি গুণ কী: বিবিসি গুড ফুড তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ঐতিহাসিকভাবে পেঁয়াজের রয়েছে ঔষধি ব্যবহার। প্রাচীন আমলে কলেরা এবং প্লেগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হতো পেঁয়াজ। রোমান সম্রাট নিরো ঠান্ডার ওষুধ হিসেবে পেঁয়াজ খেতেন বলেও শ্রুতি রয়েছে। পেঁয়াজে থাকা এলিসিন নামের উপাদান অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।
  • পেঁয়াজ নিয়ে আরও কথা: জাপান বা অন্য দেশে পেঁয়াজ বড় মাপের হয় এবং সেগুলোতে এলিসিনের মাত্রা কম থাকার কারণে সেখানে পেঁয়াজ কাটলে চোখ জ্বলে না। এসব দেশে পেঁয়াজ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাঁচা খাওয়া হয় সবজি হিসেবে।
  • পেঁয়াজ কাটলে চোখ দিয়ে পানি পড়ে কেন: পেঁয়াজ কেটেছেন কিন্তু চোখে পানি আসেনি এমনও কাউকে খুঁজে পাওয়া বেশ দুরূহ। পেঁয়াজের ভলাটাইল কম্পাউন্ড যা এলিসিন নামে পরিচিত, এটি পেঁয়াজের ঝাঁঝের জন্য দায়ী। আর কাটার সময় এটি চোখে লাগে বলেই চোখ জ্বালাপোড়া করে এবং পানি পড়ে।
  • পেঁয়াজ দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে খাদ্যগুণ কি নষ্ট হয়ে যায়: পেঁয়াজে নানা ধরণের ভিটামিন ও প্রাকৃতিক তেল থাকে যা রান্নার পর নষ্ট হয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। পেঁয়াজে ভোলাটাইল কিছু উপাদান রয়েছে যেগুলো নাকে-মুখে লাগে সেগুলো হয়তো নষ্ট হয়। কিন্তু পেঁয়াজের অন্য উপাদানগুলো নষ্ট হয় না।
  • রান্নায় পেঁয়াজ কী স্বাদ যোগ করে: পেঁয়াজ যেহেতু সালফার উপাদান থাকে তাই এটি রান্নায় এক ধরণের ঝাঁজালো স্বাদ যোগ করে। তবে নিজস্ব স্বাদ যোগ করার ছাড়াও রান্নায় পেঁয়াজের সব চেয়ে বড় কাজ হচ্ছে, রান্নার অন্যান্য উপকরণের স্বাদ অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়।
  • পেঁয়াজে যেস ভিটামিন থাকে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। ডায়েটারি ফাইবার থাকে অনেক বেশি যা প্রায় ১২ শতাংশ। পেয়াজে মধ্যে কোন ফ্যাট নাই। এছাড়া পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি এবং আয়রন পাওয়া যায়।
  • পেঁয়াজের আরও গুণ: পেঁয়াজের খোসা ছাড়ালে যে গাঢ় বেগুনি রঙের একটি আস্তরণ পাওয়া যায় এতে বেশি পরিমাণে এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। জ্বালাপোড়া বা প্রদাহ নিবারণ করে এমন উপাদানও রয়েছে পেঁয়াজে। এটি হাড়েরও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। শরীরে পটাসিয়াম এবং মিনারেল বা খনিজের চাহিদা পূরণের একটি ভালো উৎস পেয়াজ। এই উপাদানগুলোই পেয়াজে অনেক বেশি পরিমাণে থাকে।
  • পেঁয়াজের খাদ্যগুণ কী কী: পেয়াজ আসলে মশলা জাতীয় খাবার। এর মূল উপাদান পানি, কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার। তবে পেঁয়াজে পানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি-প্রায় ৮৫ শতাংশ। এছাড়াও পুষ্টিগুণ বলতে গেলে, ভিটামিন সি, বি এবং পটাসিয়াম থাকে।
  • বাংলাদেশে কী ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়: বাংলাদেশে যে সব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। বাংলাদেশ এলিয়াম সেপা বা পেঁয়াজ যা মূলত একটি বাল্ব সেটাই উৎপাদিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না।
  • বাংলাদেশে কী ধরণের পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়: বাংলাদেশে যে সব এলাকায় শীত বেশি থাকে সেসব এলাকায় পেঁয়াজ বেশি জন্মায়। বাংলাদেশ এলিয়াম সেপা বা পেঁয়াজ যা মূলত একটি বাল্ব সেটাই উৎপাদিত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের পেঁয়াজ তেমন বড় হয় না।
  • পেঁয়াজ কোথায় উৎপন্ন হয়: এটি এমন একটি উদ্ভিদ যা বিশ্বের প্রায় সব দেশেই উৎপাদিত হয়। তবে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় ভারত এবং চীনে। সেসব দেশগুলোতেই প্রধানত পেয়াজ হয় যেখানে বেশি বৃষ্টি হয় না। পাশাপাশি হাল্কা শীত থাকে। সেজন্যই বাংলাদেশে পেঁয়াজ হয় শীতকালে। সেসময় দামও কম থাকে।
  • পেঁয়াজ আসলে কী : পেঁয়াজ আসলে কোন সবজি নয়। এটি আসলে একটি মসলা জাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম এলিয়াম সেপা। এই বর্গের অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে রসুন, শ্যালট, লিক, চাইব এবং চীনা পেঁয়াজ। রসুনের মতোই এর গোত্র হচ্ছে লিলি।
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোবিজ

শৌখিন মাছে কোটিপতি মৃদুল

শৌখিন মাছে কোটিপতি মৃদুল

রংপুরে শখের বশে শৌখিন মাছের খামার গড়ে কয়েক বছরে কোটি টাকার বাণিজ্যে রূপ দিয়েছেন ব্যবসায়ী মৃদুল রহমান। তিনি বলেন, ঘরোয়া পরিবেশে ছোট পরিসরেই গড়ে তোলা সম্ভব শৌখিন মাছের পোনা উৎপাদনের খামার।

বাড়ির সামনে স্বল্প পানির এই চৌবাচ্চাগুলো দেখলে মনে হয় পরিত্যাক্ত ছোট ছোট জলাধার। এখানেই চাষ আর প্রাকৃতিক পোনা উৎপাদন হচ্ছে রঙিন সব মাছের।

ক্ষুদ্র মাছগুলোর একেকটির দামই কমপক্ষে ১ কেজি খাবার মাছের সমান।

শখের বশে শুরু করেই আজ এই শৌখিন মাছের বাণিজ্যকে কোটি টাকায় নিয়ে পৌঁছেছেন উদ্যোক্তা মৃদুল রহমান। এই ছোট্ট জায়গাতেই তিনি সংরক্ষণ করছেন অ্যাকুরিয়াম ফিসের মাতৃজাতও।

তিনি বলছেন, যে কেউ অল্প বিনিয়োগে স্বল্প পরিসরেই গড়ে তুলতে পারে রঙিন মাছের এমন খামার।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষিতে শিক্ষিত তরুণদের সাফল্যের নজির

কৃষিতে শিক্ষিত তরুণদের সাফল্যের নজির

কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্যের নজির গড়ছেন শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তারা। পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদে তাদের সাফল্য দেশের অর্থনীতিতে যেমন ভূমিকা রাখছে একইভাবে সৃষ্টি করছে বেকার তরুণদের কর্মস্থান। নরসিংদীর শিবপুরের এমনই এক সফল খামারি কিবরিয়া গাজী।

দুই দশক আগে ছাত্রজীবনে বাড়ির একটি পুকুরে মাছ চাষ আর একটি মাত্র গাভী নিয়ে শুরু হয় কিবরিয়া গাজীর কৃষক জীবন। নিষ্ঠার সঙ্গে লেগে থাকার কারণেই সেই উদ্যোগ আজ পরিণত হয়েছে বিশাল এক সমন্বিত খামারে। একটি মাছের পুকুর থেকে হয়েছে ৬০টি মাছের পুকুর। এছাড়া খামারে যুক্ত হয়েছে ৩৫টি গাভী আর ১৮ হাজার লেয়ার মুরগী।

কিবরিয়া গাজী বলছেন, তার কৃষি উদ্যোগ ও খামার সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে টেলিভিশনের।

এই খামারে কর্মসংস্থান হয়েছে এলাকার অনেক কৃষি শ্রমিকের। অন্যদিকে পরিকল্পিত চাষাবাদের কারণে প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে কিবরিয়া গাজীর এই সমন্বিত খামার।

কিবরিয়া গাজীর সাফল্য তরুণ কৃষি উদ্যোক্তাদের কাছে এক অনুসরণীয় মডেল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন

 খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন
খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন

দিনাজপুরে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে খাঁচায় মাছ চাষে সফলতা পেয়েছেন আল আমিন খান। এখন বাণিজিক্যভাবে উৎপাদন শুরু করেছেন তিনি। প্রশিক্ষণ নিয়ে এ পদ্ধতিতে দেশি মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ হন। তার সফলতা দেখে অনেক বেকার যুবক বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

জানা যায়, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন তিনি। প্রথমবারের মতো ১২ শতক জমি নিয়ে ৬ হাজার লিটার পানি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১টি খাঁচা বানিয়ে দেড় কেজি শিং মাছের পোনা ছাড়েন। প্রথম চালানে ৬০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করবেন। পোনা ছেড়ে বাজারজাত করা পর্যন্ত সময় লাগে সাড়ে ৩ থেকে ৪ মাস। যাতে লাভ হবে অর্ধেক। একটি খাঁচা দিয়ে শুরু করলেও এ জমিতে আরও ২১টি খাঁচা স্থাপন করা যাবে।

প্রথমে বাসায় পরীক্ষামূলকভাবে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেন। সেখানে সফলতা পাওয়ার পর বাণিজিক্যভাবে মাছ চাষ শুরু করেন। আগামীতে খাঁচা বাড়িয়ে কৈ, তেলাপিয়া, পাবদা, রুই, মাগুর, ট্যাংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ চাষ করবেন।

 খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন
খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন

আল আমিন গত ৪ আগস্ট সাড়ে ৩ ফুট উঁচু ও ১৩ ফুট গোলাকৃতির খাঁচা তৈরি করেন। খাঁচাগুলো ওয়াটার প্রুফ ত্রিপল দিয়ে ঘিরে দেন। খাঁচা তৈরি করতে ২৫-৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। একটি খাঁচায় সর্বোচ্চ ১২ হাজার শিং, কৈ, তেলাপিয়া, মাগুর, পাবদা ও ট্যাংরা মাছের পোনা ছাড়া যায়। যাতে ৮০-১০০ কেজি মাছ পাওয়া যায়। একটি খাঁচায় বছরে ৩ বার মাছ চাষ করা সম্ভব। এতে মাছের উৎপাদন বেশি হওয়ায় লাভও বেশি। এ পদ্ধতিতে মাছের খাবার কম লাগে। অসুখ না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় না।

মাছ চাষের আগে প্রতিটি খাঁচায় অরগানিকভাবে লবণ, চিটাগুড় ও প্রবাইটিক দিয়ে পানির (মিশ্রন) কালচার করতে হবে। এ পদ্ধতিতে মাছের বিষ্ঠা আবারও প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়ে মাছের খাদ্যের ৭০ শতাংশ পূরণ হয়। এ পদ্ধতিতে মাছের খাবারও কম লাগে। যত বেশি পানি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন খাঁচা তৈরি করা যায়; তত বেশি মাছ উৎপাদন হয়।

 খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন
খাঁচায় মাছ চাষে সফল আল আমিন

আল আমিন খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সরকার বেকার যুবকদের সহজ শর্তে ঋণসহ পৃষ্ঠপোষকতা দিলে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে দেশীয় মাছ চাষ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। এতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হবে হাজারও বেকারের।’

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. এস এম রেজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ এই প্রথম। বায়োফ্লক পদ্ধতিকে আমাদেরকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলে প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা পূরণ হওয়া সম্ভব। দ্রুত সময়ে এ বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

মৎস্যখাতে সংকটের শঙ্কা, পরিকল্পিত পদক্ষেপের আশ্বাস মন্ত্রীর

 মৎস্যখাতে সংকটের শঙ্কা, পরিকল্পিত পদক্ষেপের আশ্বাস মন্ত্রীর
মৎস্যখাতে সংকটের শঙ্কা, পরিকল্পিত পদক্ষেপের আশ্বাস মন্ত্রীর

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশ অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে। দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যখাতের কার্যক্রমও অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে আগামী দিনগুলোতে মৎস্যখাতে সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সচেতন রয়েছেন জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেছেন, এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ক্ষতি পোষাতে সহায়তা করা হবে। এছাড়া মাছের ঘাটতি থেকে উত্তরণে যা যা করা দরকার আমরা তা করব। সেটা অবশ্যই পরিকল্পিত উপায়ে হবে।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম পর্যায়ে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, গণপরিবহনও। সবাইকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সরকার।

মৎস্যখাতের সঙ্গে জড়িতরা জানিয়েছেন, মৎস্যপোনা পরিবহন ও বাজারজাতকরণে বাধা দেয়া হচ্ছে। মাছের মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমদানিকৃত মৎস্যখাদ্য উপকরণ ছাড়করণে বন্দর ও কাস্টমস জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বন্ধ রয়েছে মাছের মোকাম।

তারা আরও জানিয়েছেন, আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রায় ৬০ শতাংশ প্রাণিজ আমিষের জোগান দেয় মাছ। দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাছের জোগান অব্যাহত রাখতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ বিষয়ে শনিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সব সেক্টর যেমন কঠিন সমস্যার মুখোমুখি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেক্টরও সেই একই রকম কঠিন সমস্যার মুখোমুখি।’

তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন রকম বিষয় বিবেচনা করছি। যারা লোন নিয়ে মাছচাষ করছেন। বিভিন্ন খামার করছেন। তাদের লোনের ইন্টারেস্ট কীভাবে কমানো যায়, প্রণোদনা দেয়া যায় কিনা- এ বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ মহলের কাছে প্রস্তাব রেখেছি।’

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে এই প্রণোদনা বা অন্যান্য বিষয়ে মতামত দেবেন। আমরা আশা করি, সেখানে এই সেক্টরের ব্যাপারেও একটা মতামত আসবে’ বলেন রেজাউল করিম।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বর্তমানে পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে চাই, এরপর পরবর্তী পদক্ষেপে যাব।’

মৎস্যমন্ত্রী বলেন, ‘মাছের যে ঘাটতি দেখা দেবে, এই অবস্থা থেকে উত্তরণে, সেই প্রেক্ষাপটে আমাদের যা যা করা দরকার আমরা তা করব। সেটা অবশ্যই পরিকল্পিত উপায়ে হবে। যাতে এই ঘাটতি আমরা কাটিয়ে উঠতে পারি।’

শনিবার মৎস্যখাত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভায় বসেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সভায় মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ লাইভ অ্যান্ড চিলড ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং ফিশ হ্যাচারি অ্যান্ড ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সংশ্লিষ্টরা সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। অপরদিকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করোনা সংকটেও মৎস্য উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও রফতারি অব্যাহত রাখার জন্য মৎস্যখাতের অংশীজনদের যার যার জায়গা থেকে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। এ সংক্রান্ত সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে স্থাপিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষে হটলাইনের মাধ্যমে (হটলাইন নম্বর-০২-৯১২২৫৫৭) অবহিত করার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়।

সমস্যা সমাধানে মন্ত্রণালয় দ্রুততার সাথে উদ্যোগ নেবে বলে এ সময় জানানো হয়। সমস্যা সমাধান ও সৃষ্ট ক্ষতিপূরণে সরকার সাধ্যমত সবকিছু করবে বলেও অংশীজনদের আশ্বাস দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব।

মৎস্যচাষীদের ব্যাংকঋণের সুদ মওকুফ, কিস্তি স্থগিতকরণ ও প্রণোদনা দেয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে ব্যবস্থাগ্রহণ, মৎস্যখাতের সমস্যা সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

মৎস্য অধিদফতর থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মুক্তজলাশয়ের (নদী, সুন্দরবন, কাপ্তাই লেক, বিল ও প্লাবনভূমি) পরিমাণ প্রায় ৩৯ লাখ ২০ হাজার হেক্টর, বদ্ধ জলাশয়ের (পুকুর, মৌসুমি চাষকৃত জলাশয়, বাঁওড় ও চিংড়ি ঘের) পরিমাণ ৭ লাখ ৮৩ হাজার হেক্টর, সামুদ্রিক পানিসীমার পরিমাণ ১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গ কিমি. এবং সমুদ্র উপকূল রয়েছে ৭১০ কিমি.। যেখানে কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বিপুল পরিমাণ বাড়ানো যায় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারের উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্তি কার্যক্রম রয়েছে। প্রতি অর্থবছরেই গুণগত মানসম্পন্ন ও বিপন্ন প্রায় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এই মাছের সংকট কাটানো কিংবা উৎপাদন বাড়াতে সরকার এই কার্যক্রমটি আরও জোরদার করতে পারে।

মৎস্য অধিদফতর থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ আমাদের দেশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে প্রবাহমান নদী, উন্মুক্ত জলাশয়, লেক বা বৃহৎ জলাশয়ে খাঁচায় মাছচাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের কিছু কিছু এলাকায় যেমন চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফরিদপুর, বরিশাল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাসহ অন্যান্য অঞ্চলে খাঁচায় মাছচাষ ক্রমান্বয়ে প্রসার লাভ করছে।

অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সহজে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ, দারিদ্র্যবিমোচন, বেকারত্ব দূরীকরণ ও তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে খাঁচায় মাছচাষ প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। শুধু গ্রামীণ জনগোষ্ঠীই নয় খাঁচায় মাছচাষে ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের উদ্বুদ্ধ করে তুলতে হবে। কিন্তু প্রবাহমান নদী, উন্মুক্ত জলাশয়ে খাঁচা স্থাপনের মাধ্যমে মাছচাষের জন্য বৈধ মালিকানার কোনো ভিত্তি না থাকায় ব্যবহারের আইনগত অধিকার বা বৈধতা বা নীতিমালা না থাকায় খাঁচায় মাছচাষের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আশানুরূপভাবে বিকশিত হচ্ছে না। এ জন্য একটি নীতিমালা করা হয়েছে।

এই নীতিমালাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিলে মৎস্যখাত আরও এগিয়ে যাবে বলেও মনে করেন ওই কর্মকর্তা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

প্রণোদনার কথা শুনে খুশি পোল্ট্রি-ডেইরি খামারিরা

প্রণোদনার কথা শুনে খুশি পোল্ট্রি-ডেইরি খামারিরা
প্রণোদনার কথা শুনে খুশি পোল্ট্রি-ডেইরি খামারিরা

করোনার প্রভাবে দেশের পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পে যে ক্ষতিসাধন হয়েছে সে ক্ষতি পূরণের লক্ষ্যে এ শিল্পের মালিকদের প্রণোদনা দেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় এ শিল্পের মালিকরা উচ্ছ্বসিত হয়েছেন। তারা বলছেন, এটা ভালো একটা খবর। করোনায় ব্যাপকহারে ক্ষতি হওয়ার পর ডেইরি এবং পোল্ট্রি শিল্পের মালিকরা চরমভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্যসহ বিভিন্ন সেক্টরে করোনার প্রভাবের কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা প্রণোদনা পারেন। ভবিষ্যতে ব্যবসা চালাতে তাদের কোনো অসুবিধা হবে না। ৯ ভাগ হারে ঋণ পাবেন। এই ঋণের সুদ ৪.৫ ভাগ সরকার এবং ৪.৫ ভাগ মালিকপক্ষ বহন করবে।

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের ডেইরি ও দুগ্ধখামারি পরিচালক আবদুস সামাদ ফকির বলেন, সরকার যে প্রণোদনা দিয়েছে বা সাড়ে ৪ ভাগ হারে যে ঋণ দেয়ার কথা বলছে তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন হলে খামারিরা খুশি হবে। এছাড়া আমরা যে পণ্য উৎপাদন করছি তা ঠিকমতো বাজারজাতকরণ করতে পারলে খামারিরা লাভবান হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য এবং মানুষের পুষ্টির অভাব দূর করার জন্য মিল্কভিটা স্থাপন করেছিলেন। তার যে উদ্দেশ্য ছিল সে উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করাই হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ।

শেরপুর জেলার ডেইরি খামারি তৌহিদুর রহমান পাপ্পু জাগো নিউজকে বলেন, খামারিরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রী খামারিদের যে সুযোগ দিতে চেয়েছেন সে সুযোগ পেলে খামারিরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ চাই না। ন্যূনতমভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ চাই। সরকারিভাবেই যদি কিছু দুধ বিক্রির সুযোগ করে দেয়া হয়, কিছু মিষ্টির দোকান পর্যায়ক্রমে খোলা রাখা, গো-খাদ্যের দোকান খোলা রাখার ব্যবস্থা করলে আমরা বেঁচে থাকতে পারব, ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

প্রণোদনার কথা শুনে খুশি পোল্ট্রি-ডেইরি খামারিরা
প্রণোদনার কথা শুনে খুশি পোল্ট্রি-ডেইরি খামারিরা

বগুড়ার খামারি হবিবর রহমান (হবি) জাগো নিউজকে বলেন, গরু কেনার জন্য কম সুদে ঋণ দিলে খুশি হবে খামারিরা। কারণ করোনার কারণে যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরকারের সহায়তা ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব না।

শেরপুর জেলার তুষার পোল্ট্রির মালিক সেলিনা পারভিন জাগো নিউজকে বলেন, ঋণ ছাড়া আর ব্যবসা চালু করার মতো কোনো শক্তি নেই। সরকার যদি আমাদের কম সুদে ঋণ দেয় বা প্রণোদনা দেয় তাহলে আমরা কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারব।

সেলিনা বলেন, এবার প্রায় ১৫ লাখ টাকা লস হয়েছে। এর আগেও একটি কোম্পানির ভ্যাকসিন দেয়ার কারণে সব মুরগি মারা গেছে। তখন লস হয়েছে ২০ লাখ টাকা। এখন আর ব্যবসা করার মতো কোনো পয়সা নেই।

উল্লেখ্য, করোনার কারণে পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পে প্রায় দুই হাজার ৬২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে পোল্ট্রি শিল্পে এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা এবং ডেইরি শিল্পে ৯১২ কোটি টাকা।

পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার প্রভাব অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। ফলে দেশের অনেক খামারির টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। গত ১৬ দিনের একটি হিসাব ধরে এই ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com