আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শাকসবজি

পেঁয়াজ সংকট: বিদেশ থেকে আমদানির ফলে বিপদে পড়বে চাষীরা?

পেঁয়াজ সংকট: বিদেশ থেকে আমদানির ফলে বিপদে পড়বে চাষীরা?

বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বুধবার (২০শে নভেম্বর) থেকে বিমানে করে পেঁয়াজ আমদানি করা শুরু করেছে সরকার।

খুচরা ও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকায় জরুরি ভিত্তিতে সরকার পেঁয়াজ আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলে আসন্ন পেঁয়াজ উৎপাদনের মৌসুমে পেঁয়াজ-চাষীরা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে বলে মনে করেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা।

বাজারের নিয়ম অনুযায়ী যোগানের তুলনায় চাহিদার পরিমাণ বেশি হয়ে যাওয়ার কারণেই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে পেঁয়াজের।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম মনে করেন, এরকম অবস্থায় পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সরকারের পেঁয়াজ আমদানি করার সিদ্ধান্তটি সময়োপযোগী ছিল।

“কিন্তু দেশজ পেঁয়াজের উৎপাদন বাজারে আসার সময় পেঁয়াজ আমদানি করা অব্যাহত থাকলে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।”
“দেশজ উৎপাদন হওয়ার পরপরই যখন বাজারে পেঁয়াজ আসবে, তখন বাজারের সিংহভাগই হবে দেশী পেঁয়াজ।”

“কিন্তু সেসময় যদি সরকার পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রাখে তাহলে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাবে এবং দাম কমে যাবে,” মন্তব্য করেন অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম।

বাজারমূল্য যদি কমে যায় তখন দেশীয়ভাবে পেঁয়াজ উৎপাদনকারী কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করার সময় কম দাম পাবেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

তবে কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম মনে করেন, দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য যখন বাজারে আসবে তখন সরকার কৃষকের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে আমদানি ও উৎপাদনের মধ্যে সমন্বয় করবে বলে তিনি আশা করেন।
সরকারের পরিকল্পনা কী?
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ নাসিরুজ্জামান বিবিসিকে বলেন, পেঁয়াজ-চাষীরা যেন তাদের উৎপাদিত পণ্যের যথাযথ মূল্য পায়, তা নিশ্চিত করতে কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

তিনি বলেন, “সাধারণত আমরা দেখি, দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজ যখন বাজারে আসে তখন আমদানিকৃত পেঁয়াজও বাজারে থাকে। ফলে দেশীয় পেঁয়াজের দাম পড়ে যায় এবং পেঁয়াজ চাষীরা তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না।”

এই পরিস্থিতি যেন এবার তৈরি না হয় সেলক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সচিব মোহাম্মদ নাসিরুজ্জামান।

“পেঁয়াজের উৎপাদন মৌসুমে যেন বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছি আমরা।”
সেক্ষেত্রে আমদানি করা পেঁয়াজের তুলনায় বাজারে দেশে উৎপাদন করা পেঁয়াজের পরিমাণ বেশি থাকবে এবং তার ফলে পেঁয়াজ-চাষীরা তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া বাজারে দেশীয়ভাবে উৎপাদন করা পেঁয়াজের পরিমাণ যেন বৃদ্ধি পায় তা নিশ্চিত করতে পেঁয়াজ-চাষীদের প্রণোদনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

কৃষকরা যেন তাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনে আগ্রহী হয় সেজন্যই এই প্রণোদনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান মি. নাসিরুজ্জামান।

তিনি বলেন, “সরকার চায় পেঁয়াজের চাহিদার পুরোটা যেন দেশের পেঁয়াজ-চাষীরাই উৎপাদন করতে উৎসাহী হয়, সেবিষয়ে উৎসাহ দিতে আগামী রবি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষীদের প্রণোদনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।”

তবে চাষীদেরকে ঠিক কী ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে সেটা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেন নি।

শাকসবজি

ব্রোকলি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

 সাতক্ষীরার তালায় এ বছরও নতুন জাতের শীতকালীন সবজি ব্রোকলি। আকারে ফুলকপির মত হলেও ফুলগুলো সাদার পরিবর্তে পাতার রঙের মত সবুজ। স্বাদে ও গুণে অসাধারণ।জাগো নিউজ

[৩] ব্রোকলি ওজনে ৭শ গ্রাম থেকে ১ কেজি পর্যন্ত হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতি পিস ১৫ থেকে ২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

[৪] এ বছর ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা, নগরঘাটা, মিঠাবাড়ী, আলিপুর, ধানদিয়া, কৃষ্ণনগর, কাটাখালী ও ফুলবাড়ি গ্রামে এ বছর কৃষকরা এই সবজির চাষ করেছে।
[৫] সাধারণ ফুলকপির চেয়ে আবাদে খরচ কম আবার বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় এ নতুন সবজি চাষে ঝুঁকছেন এলাকার কৃষকরা।

[৬] আলিপুর গ্রামের কৃষক বিজন কুমার জানান, স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্রোকলি বীজ সংগ্রহ করে ৮ শতক জমিতে ব্রোকলি রোপণ করেছি। এতে খরচ হয়েছে ৬ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ২৫ হাজার টাকার ব্রোকলি বিক্রি হয়েছে। প্রতি পিচ ৩ থেকে ৪শ গ্রামের ব্রোকলি ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান।

[৭] তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান, ইউরোপিয়ান ফসল বারবারা জাতের ব্রোকলি সাতক্ষীরা জেলায় এবার তৃতীয়বার চাষ হচ্ছে। এ সবজি চাষ করে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

[৮] এছাড়া এতে অধিক পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

জনপ্রিয় হচ্ছে স্কোয়াশ চাষ (ভিডিও)

জনপ্রিয় হচ্ছে স্কোয়াশ চাষ (ভিডিও)

স্কোয়াশ দেখতে বাঙ্গির মতো, স্বাদে কুমড়ার মতো। এটি বিদেশি জনপ্রিয় সবজি। সবুজ ও হলুদ দুই ধরনের রঙের হয়ে থাকে। বাংলাদেশে নতুনভাবে এর চাষ শুরু হয়েছে। স্কোয়াশে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ আছে। এর পাতা ও কান্ড সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। কুমিল্লায় দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে স্কোয়াশ চাষ। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এটি শীতকালীন সবজি। স্কোয়াশ চাষের জন্য বেলে দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। ভালো ফলন পেতে হলে জমি গভীরভাবে চাষ করতে হবে। শীতকালীন চাষাবাদের জন্য সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বীজ বপন করা হয়। তবে আগাম শীতকালীন ফসলের জন্য আগস্টের মাঝামাঝি থেকে সেপ্টেম্বরে জমিতে সরাসরি বীজ রোপণ করা হয়। বীজ রোপণের অল্পদিনের মধ্যেই গাছ বেড়ে ওঠে। ৩৫-৪০ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসে। পরাগায়নের ১০-১৫ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করতে হয়। বীজ লাগানো থেকে ফল তুলতে সময় লাগে দুই থেকে আড়াই মাস। কুমিল্লার দাউদকান্দি, তিতাস, মেঘনা, হোমনা উপজেলায় এ সবজির চাষ চোখে পড়ে। বেশি চাষ হয়েছে দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের মাঠে।

মাঠে গিয়ে দেখা যায়, স্কোয়াশের লতা কুমড়ার লতার মতো। লতার নিচে বড় বড় স্কোয়াশ। কোনোটির ওজন দুই কেজির মতো। গাছের গোড়ায় স্কোয়াশের বোঁটা লাগানো। দেখতে মনে হবে ডিমে তা দেওয়া মুরগি তার ডিম আগলে রেখেছে। দাউদকান্দির টামটা গ্রামের কৃষক মোবারক হোসেন বলেন, তিনি দুই-তিন বছর ধরে এই সবজির চাষ করছেন। ভালো ফলন পাচ্ছেন। নিজে খাচ্ছেন কিছু বাজারে বিক্রি করেন। দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার জামান বলেন, হেক্টরপ্রতি স্কোয়াশের গড় ফলন ৪৫-৫০ টন। একটি গাছে গড়ে ১২-১৬ কেজি ফল হয়। প্রতি বিঘা জমিতে স্কোয়াশ উৎপাদনের জন্য খরচ হয় ৯-১০ হাজার টাকা। মুনাফা হয় ৬০-৭০ হাজার টাকা। স্থানীয় বাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সুপারশপে এর চাহিদা ব্যাপক। এ ছাড়া রেস্তোরাঁয়ও স্কোয়াশের চাহিদা রয়েছে। জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, স্কোয়াশ ইউরোপের জনপ্রিয় সবজি। কুমিল্লার মাটিতে স্কোয়াশের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সবজি চাষে কৃষকরা লাভবান হতে পারবেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

তামাকের জমিতে সবজি চাষ

প্রাকৃতিক মৎস্যপ্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর উৎস-স্থল খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলা। এই উপজেলার তিন শতাধিক কৃষক পেশা পরিবর্তন করেছেন। তারা তামাক চাষ বাদ দিয়ে এখন উৎপাদন করছেন শাক-সবজি। এতে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।

মানিকছড়ি উপজেলার গোরখানা এলাকার তামাক চাষি গিয়াস উদ্দিন। ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি নিজের ১২ কানি জমিতে তামাক চাষ করতেন। তিনি এখন তামাক চাষের নেতিবাচক পরিণতি বুঝতে পেরে ফিরে আসেন মূলধারার সবজি চাষে।

জানা যায়, ২০১৬ সালে হালদা নদীতে প্রথমবারের মতো মাছ ডিম ছাড়েনি। এ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) হালদা নদী রিসার্চ ল্যাবরেটরি। জানা গেল, হালদার উজান অঞ্চল মানিকছড়ি এলাকায় আট বছর আগে সীমিত আকারে শুরু হয় তামাক চাষ। কয়েকটি তামাক কোম্পানির বিশেষ প্রণোদনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে এটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন ‘প্রজনন মৌসুমে হালদায় মাছের ডিম ছাড়ার জন্য প্রয়োজন পাহাড়ি ঘোলা পানির ঢল। এই পাহাড়ি ঢল না আসলে প্রজনন ক্ষেত্রে মা মাছ ডিম ছাড়ে না। স্বাভাবিকভাবে এই পাহাড়ি ঢলের পানি তামাকের বিষাক্ততা নিয়ে আসলে মা মাছ ডিম ছাড়বে না। ২০১৬ সালে তাই ঘটেছিল।’ পরে চবি হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরি একটি বেইজলাইন স্টাডি করে তামাক চাষিদের মূলধারার কৃষিকাজে ফেরাতে কিছু সুপারিশ করে।

মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে উন্নয়ন সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আইডিএফ) ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয় তামাক চাষিদের সবজিচাষে উদ্বুদ্ধ করতে নানা কর্মসূচি। ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত দেড় শতাধিকসহ প্রায় ৩০০ তামাক চাষি মূলধারার কৃষিকাজে পেশা শুরু করেছেন। পশুপালন, পাহাড়ি মুরগী, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, হালদার মৎস্য চাষ, কুচিয়া চাষ এবং ফসল হিসেবে রামবুটান, বারো মাসি আম, তাইওয়ানের কাঁঠাল, বাতাবি লেবু, কমলা, মাল্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল, চীনা বাদাম ও আলু বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। চবি হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, ‘হালদাকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে সরকার। তামাকসহ নানাভাবে এটির স্বাভাবিকতাকে নষ্ট করা হয়েছিল। চবি ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘হালদা নদীর উৎসস্থল মানিকছড়িতে তামাক চাষের পাতা ও অবশিষ্ট গুড়া নানাভাবে হালদা নদীতে পড়ে। ফলে একবছর মা মাছে অস্বাভাবিক কম ডিম দেয়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘তামাকের ক্ষতিকারক নিকোটিন পদার্থ

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

বোয়ালমারীতে বিদেশি সবজি স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলা রায়পুর গ্রামে শীতকালীন সবজির স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। ১ম বার চাষ করে বোয়ালমারীতে স্কোয়াশ সবজি পরিচিত এনে দিয়েছে মাসুদ পারভেজ।

[৩] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বোয়ালমারী রায়পুর গ্রামের ২নং ওয়ার্ডে মাসুদ পারভেজ ৩৬০ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন। এ জমিতে তিনি প্রায় ১০হাজার ৫’শ চারা রোপণ করেছেন। স্কোয়াশের চারাগুলো এখন প্রায় ৭০ সে. মি লম্বা হয়েছে ও প্রতিটি গাছে ১০-১৪ টি স্কোয়াশ ধরেছে। সে অনুপাতে ওই জমিতে আনুমানিক ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পর্যন্ত স্কোয়াশ উৎপাদন হতে পারে বলে আশাবাদী ওই কৃষক। প্রতিটি স্কোয়াশের ওজন ৮শ গ্রাম থেকে ১ হাজার গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৯ লাখ টাকা বিক্রি হতে পারে। যা উৎপাদন খরচের তুলনায় কয়েকগুণ বেশী।

[৪] স্কোয়াশ রোপণের দিন হতে ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে স্বল্প সময় ও অল্প খরচে অন্যান্য সবজির চেয়ে কয়েকগুণ বেশী লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন ওই কৃষক

[৫] বোয়ালমারীতে প্রথম স্কোয়াশ চাষী মাসুদ পারভেজ এর সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, “দেশের বিভিন্ন জেলায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় আমার মধ্যেও আগ্রহ জাগে। তাই আমি স্কোয়াশ চাষ শুরু করেছি। এ পর্যন্ত আমার প্রায় ৮লাখ ২৫ হাজার টাকা খরচ দাঁড়িয়েছে। আশা করি মোট খরচ বাদেও স্কোয়াশ সবজি বিক্রি করেও লাভ থাকবো বলে আশা করি।এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে।

[৭] মাসুদ পারভেজ বলেন কৃষি বিভাগ থেকে স্কোয়াশের ভালো বীজ ও চাষের প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেলে এটি বোয়ালমারী কৃষকদের প্রধান অর্থকরী ফসল হতে পারে বলে মনে করি।

[৮] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এটি উপজেলার প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ নতুন একটা ফসল। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে এই ফসল জুকিনি নামেও পরিচিত। মন জুড়ানো মাঠ ভরা ফসল সত্যিই খুব সুন্দর। এই ফসলের চাষ যেমন লাভজনক তেমনি কষ্টসাধ্য। অন্যান্য ফসলের চেয়ে এতে কয়েকগুণ বেশী লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শাকসবজি

কামারখন্দে উচ্চ ফলনশীল সবজি স্কোয়াশ চাষে ঝুঁকছে কৃষক

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে স্কোয়াশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। অন্যান্য ফসলের তুলনায় অধিক ফলন ও লাভ হওয়ায় পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সবজি স্কোয়াশ চাষে ঝুঁকছে কৃষক। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে কৃষকদের স্কোয়াশ চাষে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষে উপজেলার চরটেংরাইল ও জামতৈল এলাকায় ২৫ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ চাষের প্রদর্শনী প্লট তৈরি করা হয়েছে।

[৩] চরটেংরাইল গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম তালুকদার জানান, আমি ঢাকার একটি কোম্পানীতে চাকুরি করেছি। করোনা ভাইরাসের কারণে আশানুরুপ বেতন না পাওয়ায় গ্রামের বাড়ীতে এসে আমার ব্যক্তিগত ৮০ শতাংশ জমিতে অন্যান্য ফসলের আবাদ না করে অধিক লাভের আশায় উচ্চ ফলনশীল সবজি রায়লা এফ-১ জাতের স্কোয়াশের আবাদ করি।

[৪] স্কোয়াশ গাছের আয়ুষ্কাল ৮০দিন। আমার জমির গাছগুলোর বয়স হয়েছে ৫৮দিন। ইতিমধ্যে আমি ২হাজার স্কোয়াশ পাইকারীতে বিক্রি করেছি। স্কোয়াশ উৎপাদনের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় আশানুরুপ দাম পাচ্ছি না। আমার জমিতে স্কোয়াশের বেশ ভাল ফলন হয়েছে। আশা করছি আমার জমিতে লাগানো ৪ হাজার ৫০০টি গাছ থেকে ৩৬ হাজার স্কোয়াশ উৎপাদন হবে।

[৫] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, স্কোয়াশে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ আছে। স্কোয়াশের পাতা ও কান্ড সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। স্কোয়াশ চাষের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ ও বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। উপজেলায় ১শ’ ২০ শতাংশ জমিতে এবছর স্কোয়াশের আবাদ হচ্ছে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com