আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

পুরুষের বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে ভূঁড়ি

গর্ভধারণের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আলাদা করে সমস্যা থাকতে পারে

পৃথিবীজুড়ে ৮ থেকে ১২ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগছেন। অনেকেই মনে করেন বন্ধ্যত্ব শুধু নারীদের ক্ষেত্রে হয়। তবে এ ধারণা মোটেও ঠিক নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুধু নারী নয়, পুরুষও সন্তান জন্ম দিতে ব্যর্থ হতে পারে। আর তারা পুরুষের বন্ধ্যত্বের জন্য পেটের অতিরিক্ত চর্বি বা ভূঁড়িকেই দায়ী করেছেন। 

বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, বন্ধ্যত্বের এক-তৃতীয়াংশ ঘটনায় নারী দায়ী, এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে পুরুষ দায়ী এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশের জন্য কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। 

গর্ভধারণের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের আলাদা করে সমস্যা থাকতে পারে। আবার দু’জনের একসঙ্গেও সমস্যা থাকতে পারে। খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম, অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া এবং আধুনিক জীবনযাপনের কারণে দিন দিন ধরে পেটে জমা মেদই সন্তান জন্মদানে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে গবেষকদের দাবি করেছেন। 

সম্প্রতি কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একদল পুরুষের ওপর একটি পরীক্ষা চালান। স্থুলতা আক্রান্ত ১৫ জন পুরুষের শুক্রাণু পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন, স্থুলতায় আক্রান্ত পুরুষদের শুক্রাণুর জিনে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বেশ দুর্বল হয়। শুক্রাণুর সংখ্যাও কমে যায় এই ভূঁড়ি ও স্থুলতা থেকেই। সেই সংখ্যা এতটাই কমের দিকে থাকে যে সন্তান জন্মদানে সমস্যা হয়। 

ওই পুরুষদের নানা শারীরিক কসরত ও নিয়মের মধ্যে রেখে স্থুলতা দূর করার পরে দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা করেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে এই সমস্যা অনেকটাই কমে আসে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

এক বাড়িতে ৪৩ মৌচাক, মিলছে লাখ টাকার মধু

এক বাড়িতে ৪৩ মৌচাক, মিলছে লাখ টাকার মধু

দ্বিতল বাড়িটির ছাদ, জানালার কার্নিশ, গাছের ডাল—সবখানেই বাসা বেঁধেছে মৌমাছি। একটু পরপর মৌচাক থেকে মৌমাছি বের হয়ে উড়ে যাচ্ছে পাশের শর্ষেখেতে। মধু সংগ্রহ করে এনে জমা করছে চাকে। এমন দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক মানুষেরা।

বাড়িটির অবস্থান রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামে। বাড়িটিতে গত ৫ বছরে মৌমাছিরা একে একে ৪৩টি মৌচাক তৈরি করেছে। গৃহকর্তা ছেকেন্দার আলী মুন্সী সৌদিপ্রবাসী। গত বছর এই বাড়িতে মৌচাকের সংখ্যা ছিল ২৭টি। সেগুলোর মধু বিক্রি করে মিলেছে প্রায় লাখ টাকা।

রাজবাড়ী শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দুরে রাজেন্দ্রপুর গ্রাম। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামে একটি ছোট্ট বাজার রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এলাকাটি পরিচিত কানাডা বাজার নামে। আশপাশে প্রচুর কৃষিজমি। জমিতে রোপণ করা হয়েছে শর্ষে। হলুদ শর্ষেখেতের দিকে তাকালে চোখ জুড়িয়ে যায়। কানাডা বাজারের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার ধারে দ্বিতল ভবন। ভবনটির কাজ এখনো পুরো সম্পন্ন হয়নি। বাড়িটির ছাদ, জানালার কার্নিশ, গাছের ডালে মৌমাছির বাসা। বাড়ির উঠানে, মেঝেতে মৌমাছি মরে পড়ে আছে। মৌচাক থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করতে ছুটে চলছে। নিচে ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করছে। তবে মৌমাছি কাউকেই কামড় দিচ্ছে না। এমনকি মৌচাকের এক ফুটের মধ্যে গেলেও কামড় দেয় না।

কানাডা বাজারের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার ধারে দ্বিতল ভবন। ভবনটির কাজ এখনো পুরো সম্পন্ন হয়নি।
কানাডা বাজারের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার ধারে দ্বিতল ভবন। ভবনটির কাজ এখনো পুরো সম্পন্ন হয়নি।

গৃহকর্তা ছেকেন্দার আলী প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৫ সালে বাড়িটি নির্মাণ করেন। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করলেও পরের বছর ২০১৬ সালে মৌমাছি বাসা বাঁধে। প্রতিবছর মৌচাকের সংখ্যা বেড়ে চলছে। গত বছর মৌচাকের সংখ্যা ছিল ২৭টি। এবার ১৬টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩টিতে। তবে এখনো আরও মৌচাক তৈরির সময় আছে। হয়তোবা মৌচাকের সংখ্যা আরও বাড়বে।

মৌমাছি কাউকেই কামড় দেয় না। শুধু আঘাত বা উৎপাতের শিকার হলে মৌমাছি আক্রমণ শুরু করে। এ কারণে কেউ যাতে ঢিল বা লাঠি দিয়ে খোঁচা না দেয় তা খেয়াল রাখতে হয়।

ছেকেন্দার আলী বলেন, ‘গত বছর আমি বিদেশ ছিলাম। শুনেছি গত বছর প্রায় এক লাখ টাকার মধু বিক্রি করা হয়েছে। তবে আমি লাভের টাকা নিই না। এতিমখানা ও হেফজখানার শিশুদের জন্য দিয়ে দিই। এবার এখনো মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ শুরু করা হয়নি।’

বাড়িটির পাশেই খেলছিল ছোট্ট শিশু মো. আবদুল্লাহ। সে বলল, সে সব সময় মৌচাকের আশপাশে ঘোরাফেরা করে। কিন্তু মৌমাছি তাকে কখনো কামড় দেয়নি। মধু খুব সুস্বাদু। মৌমাছি তার খুব ভালো লাগে।

মৌচাকের মৌমাছি কাউকে কামড় দেয় না। এসব মৌচাক থেকে লাখ টাকার মধু সংগ্রহ করা হয়। সম্প্রতি রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামে
মৌচাকের মৌমাছি কাউকে কামড় দেয় না। এসব মৌচাক থেকে লাখ টাকার মধু সংগ্রহ করা হয়। সম্প্রতি রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর গ্রামে

মৌমাছিগুলো শীতের শুরুতে বাসা বাঁধে। জ্যেষ্ঠ মাসের শেষের দিকে চলে যায়। বছরের বাকি সময় চার–পাঁচটি চাক থাকে। মৌসুমের শুরুতে এসে আবারও মৌচাক তৈরি করে মৌমাছিরা। ছেকেন্দার আলী বলেন, মৌমাছি কাউকেই কামড় দেয় না। মৌচাকের চারপাশে দেয়াল থেকে ময়লা পরিষ্কার করতেও সমস্যা হয় না। শুধু আঘাত বা উৎপাতের শিকার হলে মৌমাছি আক্রমণ শুরু করে। এ কারণে কেউ যাতে ঢিল বা লাঠি দিয়ে খোঁচা না দেয় তা খেয়াল রাখতে হয়।

মৌচাক দেখতে আসা কলেজশিক্ষার্থী হৃদয় খান ও পিয়াল মাহমুদ বলেন, এলাকাটি নির্জন। শীতের সময়ে খেতগুলোতে শর্ষে আবাদ করা হয়। খেতগুলো হলুদ আর হলুদে একাকার হয়ে যায়। কিছুদিন আগে মৌচাকের কথা শুনে তিনি দেখতে এসেছেন।

রাজবাড়ী সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. নূরুজ্জামান বলেন, মৌচাকে সাধারণত কয়েক হাজার মৌমাছি থাকে। মৌমাছি বাসা বাঁধার ক্ষেত্রে সাধারণত দুটি বিষয় খুব গুরুত্ব দেয়। নিরাপত্তা ও খাবার। এসব কারণেই তারা বিভিন্ন স্থানে বাসা তৈরি করে। ওই এলাকায় প্রচুর শর্ষেখেত। সেখান থেকে কর্মী মৌমাছি নেকটার সংগ্রহ করে। এ কারণে প্রতিবছর এত মৌমাছি সেখানে বাসা বাঁধে। তবে বাসা তৈরির ক্ষেত্রে একদল মৌমাছি আরেক দল মৌমাছির সঙ্গে মিলে বাসা তৈরি করে না। নিজেদের প্রয়োজনে তারা বাসা তৈরি করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেভাবে সুতি কাপড়ের যত্ন নিলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে

আরামদায়ক পোশাক পরতে হলে সুতি কাপড়ের বিকল্প নেই। কারণ সুতি হলো প্রাকৃতিক ফেব্রিক। তুলা থেকে তৈরি হয় সুতা। এরপর ওই সুতা থেকে তৈরি হয় সুতির পোশাক। তাই এই ফেব্রিকের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

সুতি কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে ভাঁজ করা পর্যন্ত নিয়ম মানা জরুরি। না হলে কাপড়ের আয়ু কমে যায়। এটির বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক সুতি কাপড়ের যত্ন নেবেন কীভাবে?

সুতি কাপড় ধোয়ার উপায়

>> সুতি কাপড়ের ফেব্রিক খুব সহজেই ছিঁড়ে যায়। তাই ঘঁষে ঘঁষে সুতির পোশাক না ধোয়াই ভালো।

>> প্রচণ্ড গরম পানিতেও কখনো ভেজাবেন না সুতির পোশাক। এতে পোশাকের রং নষ্ট হয়ে যাবে।

>> একটি সুতি কাপড় পরিধান করার একমাস পর ধোবেন না। পরার পরপরই ধুয়ে শুকিয়ে ভালোভাবে রেখে দিন।

>> যদি একবার পরেই কাচতে না চান, তবে তাকে রোদে দিতে হবে অবশ্যই। অন্তত এক ঘণ্টা রোদে দেবেন।

>> যদি সুতির পোশাকে কোনো দাগ হয়ে যায়, তবে আগে তা আলাদা করে তুলে নিন। তারপর সম্পূর্ণ জামাটি পরিষ্কার করুন।

>> সুতির পোশাকে আপনি মাড় দিতেই পারেন। তবে মাড় দেওয়ার পরই পানি ঝরিয়ে নিন।

শুকানোর সময় যা করবেন

>> খুব টানটান করে সুতির পোশাক মেলবেন না।

>> পানি ঝরিয়ে নিয়ে সুতির পোশাক মেলুন।

>> চড়া রোদে সুতির পোশাক দেবেন না। হালকা রোদে বা ছায়ায় সুতির পোশাক মেলবেন।

ইস্ত্রি করার সময় করণীয়

>> প্রথমে পোশাক উল্টে নিয়ে ইস্ত্রি করে তারপর সোজা পিঠে করুন।

আলমারিতে রাখার সময় করণীয়

>> পরিধান করার পর ভালোভাবে রোদে না শুকিয়ে বা ধুয়ে সুতির পোশাক কখনো ভাঁজ করে আলমারিতে রাখবেন না।

>> সুতির কাপড় আলমারিতে রাখার পর ওই স্থানে কিছু কালোজিরা দিয়ে রাখবেন। এতে পোশাক ভালো থাকবে। পোকা-মাকড় কাপড়ের ধারে-কাছে আসবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

টাক মাথায় চুল গজাতে পেয়ারা পাতার ব্যবহার!

অকালে চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাতে অনেকেই এটা-সেটা ব্যবহার করেন। এসব করেও মাথায় নতুন চুল গজাচ্ছে না। এমন অবস্থায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েন। মাথায় যাদের চুল কম বা টাক পড়ে গেছে; এমন মানুষেরা সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকেন।

চুল পড়ার রয়েছে অনেক কারণ। অনিয়মিত জীবন-যাপন, বংশগতভাবে টাক, কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর ব্যবহার ইত্যাদি কারণে চুল পড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের কারণেও চুল পড়ার সমস্যাটি বেড়ে যেতে পারে।

এ ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগে অতিরিক্ত চুল পড়ায় মাথায় টাক পড়তে পারে। তবে চিন্তিত না হয়ে কার্যকরী উপায়ে চুল গজানোর জন্য প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানে ভরসা রাখুন।

তেমনই একটি উপাদান হলো পেয়ারা পাতা। নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন! পেয়ারা পাতায় আবার কীভাবে চুল গজাবে? প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় পেয়ারা পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলোয় ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স রয়েছে। যা চুল পড়া ঠেকাতে পারে। একই সঙ্গে এটি চুল গজাতেও সাহায্য করে।

তাই জেনে নিন পেয়ারা পাতা দিয়ে চুল গজানোর সহজ উপায়-

প্রথমে কিছু পেয়ারা পাতা একটি পাত্রে নিয়ে পানিতে সেদ্ধ করে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে পানি ঠান্ডা হতে দিন। এবার আপনার মাথার ত্বকে পেয়ারা পাতা সেদ্ধ পানীয় ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এ উপায় অনুসরণ করলে ফলাফল কিছুদিনের মধ্যে টের পাবেন।

যদিও অনেক কারণে চুল পড়ে মাথা টাক হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ধরে যদি চুল পড়তে থাকে আর মাথা টাক হওয়া শুরু হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি এ টোটকা মেনে চুলের যত্নে পেয়ারা পাতা ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কালো চা দূর করবে মুখের কালচে দাগ

শারীরিক সুস্থতায় কালো চা পানের বিকল্প নেই। কালো চা আমরা সাধারণত লিকার হিসেবে (রং চা) অথবা দুধ-চিনি মিশিয়ে পান করে থাকি। তবে রং চায়ে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কালো চা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তা ছাড়া নিয়মিত কালো পান করলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। এমনকি যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান; তাদের জন্যও রং চা অনেক কার্যকরী। শুধু শারীরিক সুস্থতা নয় বরং ত্বকের কালো দাগ দূর করতে পারে চা।

কালো চায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। চায়ের পলিফেনল হচ্ছে ব্যাকটেরিয়ার যম। যেকোনো জীবাণু ধ্বংসে কাজ করে কালো চায়ে থাকা উপাদানসমূহ। ত্বক ও চুলের যত্নে কালো চা ব্যবহারেই দেখবেন ম্যাজিকের মতো ফলাফল। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় কালো চায়ের ব্যবহার-

>> চোখের নিচের বলিরেখা ও কালচে দাগ দূর করতে ব্ল্যাক টি’র ব্যবহৃত ঠান্ডা ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন।

>> চুলের ঝলমলে ভাব আনতে শ্যাম্পু শেষে ব্ল্যাক টি লিকার দিয়ে ধুয়ে নিন।

>> মেহেদির সঙ্গে কালো চায়ের লিকার মিশিয়ে চুলে লাগালে রঙিন আভা চলে আসবে।

>> ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে ঠান্ডা টি ব্যাগ চেপে চেপে লাগান।

>> চুল লম্বা করতেও কালো চায়ের বিকল্প নেই! এজন্য কয়েকটি কালো চায়ের টি ব্যাগ এক কাপ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন শ্যাম্পু শেষে চুলের গোড়ায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিট চুলে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর চুল শুকিয়ে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

তামার পাত্রে পানি পানের উপকারিতা

প্রাচীনকাল থেকে উপমহাদেশের মানুষ তামার তৈজসপত্র ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে পানি পানের জন্য তামার পাত্র প্রায় সব পরিবারেই ব্যবহার করা হত। তামায় আছে একাধিক গুণ, প্রতিদিন তামার পাত্রে পানি পান কীভাবে সুস্থ রাখে শরীর তা জেনে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com