আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

পাবনায় কৃষকের ঘরে পেঁয়াজের মজুত

পাবনার সুজানগরে ৪০ হাজার, সাঁথিয়ায় ৩৮ হাজার ও বেড়ায় ১১ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত আছে। ফলে পেঁয়াজের দাম ছিল কিছুটা পড়তির দিকে

দেশের পেঁয়াজের ভান্ডার বলে পরিচিত পাবনার সুজানগর, সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলায় কৃষকের ঘরে অন্তত ৮৯ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত আছে। হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা ঘরে থাকা পেঁয়াজ বাজারে আনতে শুরু করেছেন। এতে তিন উপজেলায় গতকাল বুধবার পেঁয়াজের দাম ছিল কিছুটা পড়তির দিকে।
মঙ্গলবার উপজেলাগুলোর বিভিন্ন হাটে পাইকারি ৮০–৮৮ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হলেও গতকাল তা কেজিতে ৫–৮ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে।

কৃষি কার্যালয় সূত্রগুলো জানায়, দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদনকারী উপজেলা হলো সুজানগর। এর পরেই সাঁথিয়ার অবস্থান। সুজানগরে এবার ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার টন উৎপাদিত হয়েছে। সাঁথিয়ায় ১৬ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। আর বেড়ায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়ে ৫৬ হাজার ২০০ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে।

তিন উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মতে, অন্য বছরের তুলনায় এবার কৃষকের ঘরে মজুত পেঁয়াজের পরিমাণ অনেক বেশি। চলতি বছরের পেঁয়াজ ওঠার মৌসুমের (মার্চ-এপ্রিল) পর পাঁচ মাস পেরিয়ে গেছে। ইতিমধ্যে কৃষকের ঘরের পেঁয়াজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো তিন উপজেলায় অন্তত ৯৯ হাজার টন পেঁয়াজ কৃষকের ঘরে মজুত রয়েছে। এর মধ্যে সুজানগরে ৪০ হাজার, সাঁথিয়ায় ৩৮ হাজার ও বেড়ায় ১১ হাজার টন মজুত রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার পেঁয়াজ ওঠার মৌসুম, অর্থাৎ মার্চ-এপ্রিলে কৃষকেরা পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন কম। কয়েক মাস সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে এনজিওগুলো কৃষকদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারেনি। তাই কৃষকদের কিস্তি পরিশোধের চিন্তা ছিল না। তা ছাড়া সে সময় হাটে ব্যাপারীদের উপস্থিতি যেমন কম ছিল, তেমনি কৃষকেরাও পেঁয়াজ নিয়ে খুব একটা হাটে যাননি। তাই সব মিলিয়ে কৃষকের উৎপাদিত পেঁয়াজের একটা বড় অংশ এখনো মজুত আছে।

গত দুই দিন বিভিন্ন হাটে গিয়ে দেখা যায়, হাটে অন্যান্য দিনের তুলনায় পেঁয়াজের আমদানি বেড়েছে। ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা জানান, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির খবরে কৃষকেরা হাটে পেঁয়াজ আনতে শুরু করেছেন। এ ছাড়া হাটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পেঁয়াজ কিনতে প্রচুর ব্যবসায়ীর উপস্থিতিও লক্ষ করা গেছে। গতকাল পাইকারি ৭৫–৮০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। অথচ আগের দিন এসব হাটে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০–৮৮ টাকায়।
সাঁথিয়ার করমজা হাটের পেঁয়াজের আড়ত মুন্নাফ ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপক মো. আলম বলেন, ‘গতকালের (মঙ্গলবার) তুলনায় আজ পেঁয়াজের দাম পড়তির দিকে। দাম বাড়ার খবরে কৃষকেরা হাটে বেশি বেশি পেঁয়াজ নিয়ে আসছেন। এভাবে পেঁয়াজের আমদানি বাড়তে থাকলে দাম আরও কমবে বলে আমাদের ধারণা।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অন্য বছরগুলোতে ব্যবসায়ীরা প্রচুর পেঁয়াজ মজুত করে রাখলেও এবার তেমনটি খুব একটা হয়নি। বরং এবার কৃষকেরাই পেঁয়াজ মজুত রেখেছেন বেশি।
এ বিষয়ে সাঁথিয়ার করমজা হাটের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজের আড়তের মালিক মুন্নাফ প্রামাণিক বলেন, এবার পেঁয়াজ ওঠার মৌসুমে প্রতিমণ পেঁয়াজের দাম ছিল ১৭০০–১৮০০ টাকা। এত দামে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ মজুতে সাহস পাননি। তাই ব্যবসায়ীদের ঘরে এবার পেঁয়াজের মজুত খুবই কম। অন্যদিকে এনজিওগুলো কৃষকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন কিস্তি আদায় করতে পারেনি। এই সুযোগে অনেক কৃষক পেঁয়াজ রেখে দিয়েছিলেন। এতে দাম বাড়ার সুফল কৃষকের ঘরেই যাচ্ছে।
বেড়ার সানিলা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, তারাপুর গ্রামের আলী আকবর, সাঁথিয়ার মহিষাকোলা গ্রামের নূর ইসলামসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, পেঁয়াজ চাষ করে এর আগের কয়েক বছর তাঁরা টানা লোকসান দিয়েছেন। গতবার থেকে তাঁরা লাভের মুখ দেখছেন। তবে গতবার অনেকেই পেঁয়াজ ওঠার মৌসুমেই বেশির ভাগ পেঁয়াজ বিক্রি করে অল্প লাভ পেয়েছেন। কিন্তু এবার তাঁরা সাধ্যমতো পেঁয়াজ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।

এগ্রোবিজ

আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা বাড়াল সরকার

কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন করে আলুর দাম নির্ধারণ করল কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার অধিদপ্তরে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় আলুর দাম খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

নতুন দর অনুযায়ী, হিমাগারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হবে ২৭ টাকা দরে। পাইকারি এ আলু ৩০ টাকায় বিক্রি করবেন ব্যবসায়ীরা। এর আগে গত ৭ অক্টোবর আলুর দাম হিমাগার পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারিতে ২৫ টাকা ও খুচরায় ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যদিও এই দাম কোথাও কার্যকর হয়নি।

বাজারে ব্যাপকভাবে দাম বেড়ে যাওয়ায় আলুর দর নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি আলু ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়।

যা স্মরণকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। ৭ অক্টোবর দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পর আলু কেজিপ্রতি ৫ টাকা কমে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হয় ঢাকার বাজারে। দাম নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে অভিযান চালানো হয়। এরপর গত দুই দিন ঢাকার কারওয়ান বাজারে আলু বিক্রি বন্ধ ছিল। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হিমাগার থেকে আলু বিক্রি করা হয়নি।

আজ বিকেলে দাম নির্ধারণ নিয়ে সভার পর কৃষি বিপণন অধিদপ্তর একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। এতে বলা হয়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের জেলা কর্মকর্তাসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে জেলা প্রশাসন আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণে পর্যবেক্ষণের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিজ্ঞপ্তিতে আলুর নতুন দাম কার্যকর করতে জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানানো হয়।

সভায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ সভাপতিত্ব করেন। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

২৫ টাকায় আলু বেচবে টিসিবি

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ক্রেতাদের সাশ্রয়ী মূল্যে আলু সরবরাহের জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাক সেলের মাধ্যমে সবজিটি বিক্রি করা হবে। টিসিবি প্রতি কেজি আলু ২৫ টাকায় বিক্রি করবে।


সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ রোববার কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, আলুর পাইকারি বিক্রেতা, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে সরকার–নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রি নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।

দেশে আলুর কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে আলুর কোনো ঘাটতি নেই। প্রচুর আলু আবাদ হয়েছে। বন্যা ও বৃষ্টির কারণে সবজির আবাদ কিছুটা ক্ষতি হওয়ায় আলুর চাহিদা বেড়েছে। তবে সরকার–নির্ধারিত মূল্যের বেশি আলুর দাম হওয়ার কোনো কারণ নেই।


প্রসঙ্গত, সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর দাম ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।


গতকালের সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) মো. হাফিজুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোস্তাক হোসেন, ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য শাহ মো. আবু রায়হান আল-বেরুনি প্রমুখ। সভাটি সঞ্চালনা করেন বাণিজ্যসচিব মো. জাফর উদ্দীন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কাপাসিয়ার বাজার থেকে আলু উধাও

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা প্রশাসন সরকার নির্ধারিত ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে গত বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পর থেকে বাজারগুলোতে আলু পাওয়া যাচ্ছে না। রোববার সকালেও কাঁচা বাজার ছিল আলুশূন্য। এ পরিস্থিতিতে আড়তদারদের ডেকেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

শনিবার সন্ধ্যা ও রোববার সকালে কাপাসিয়া উপজেলা সদরের বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা সবজি বিক্রেতাদের দোকানে অন্যান্য সবজি থাকলেও আলু নেই।

কাঁচা সবজি বিক্রেতারা ইচ্ছে করেই আলু বিক্রি করছেন না এমন অভিযোগ ক্রেতাদের। কাপাসিয়া এলাকার তপন বিশ্বাস নামের এক ক্রেতা বলেন, বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারির পর শুক্রবার বাজার পর্যবেক্ষণ করা হয়। তখন বাজারে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশিত ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন বিক্রেতারা। কিন্তু পর্যবেক্ষণ দল চলে যাওয়ার পর শুক্রবার বিকেল থেকে বিক্রেতারা আর আলু বিক্রি করছেন না। এমনকি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ কাপাসিয়া উপজেলা সদরের কাঁচাবাজারে ক্রেতারা আলু কিনতে পারেননি।

মোবারক হোসেন নামের এক ক্রেতা আলু কিনতে গিয়ে হতাশ হয়েছেন। তিনি বলেন, বাজারে কোনো দোকানেই আলু বিক্রি করা হচ্ছে না। এতে ভোক্তারা বিপাকে পড়েছেন।

এ বিষয়ে দুজন কাঁচা সবজি বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাদের কাছে থাকা সব আলু বিক্রি হয়ে গেছে। এখন অনেক বেশি দামে পাইকারি কিনে আনতে হয়। বেশি দামে কিনে কম দামে তাঁরা আলু বিক্রি করতে চান না। উপজেলা প্রশাসন থেকে বেঁধে দেওয়া ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করলে পাইকারি ক্রয়মূল্য থেকে আরও ১৫ টাকা গচ্চা দিতে হয়।

তবে ক্রেতাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বলেছেন, পর্যাপ্ত আলু থাকার পরও ব্যবসায়ীরা তা বিক্রি করছেন না বলে তাঁদের ধারণা। সরকার নির্ধারিত টাকায় বিক্রি করলে লাভ কম হওয়ায় তারা এমনটা করছেন বলে তাদের অভিযোগ।

এ বিষয়ে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. ইসমত আরা প্রথম আলোকে বলেন, বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছেন তিনি। বাজারে আলুর কৃত্রিম সংকট থাকলে এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি। জেলা বাজার কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘রোববার আড়তদারদের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ডাকা হয়েছে। সেখানে ডিসি মহোদয়ের উপস্থিতিতে সভা হবে। তখন হয়তো একটা সিদ্ধান্ত আসবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নেয়ার নির্দেশ

দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার জন্য গবেষক, বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) কেন্দ্রীয় গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজে আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। দেশে পেঁয়াজ নিয়ে সংকট চলছে। এ সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা যায় এবং কতদিনের মধ্যে উৎপাদন বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া যাবে, সে বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে বসে শিগগিরই কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হলে আমাদের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন করতে হবে। সরকার পক্ষ থেকে পেঁয়াজ চাষিদের বীজ, উপকরণ, প্রযুক্তিসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে। এ বিষয়ে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে, তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আগামী গ্রীষ্মকালে দেশের কোন উপজেলায় কতজন চাষি পেঁয়াজ আবাদ করবে, তার তালিকা প্রণয়ন করতে হবে।’

আগামী ১- ২ মাসের মধ্যে কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন, পেঁয়াজ বীজের চাহিদা নিরূপণ ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আব্দুর রাজ্জাক।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় বর্তমান সরকার সার, বীজসহ কৃষি উপকরণ বিতরণে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। কৃষি উপকরণ নিয়ে দেশে এখন কোনো হাহাকার নেই, সংকট নেই। কৃষকেরা সার, বীজসহ এসব উপকরণ সময়মতো, অত্যন্ত সহজে ও কোনো ঝামেলা ছাড়াই পেয়ে যাচ্ছেন।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এবং কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) মহাপরিচালক মো. নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিজ্ঞানী কাজী এম বদরুদ্দোজা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবদুল মুঈদ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সায়েদুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, বারির পরিচালক মো. মিয়ারুদ্দীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আলু-পেঁয়াজের বাজারে অভিযান, সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

আলু, চাল, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং নকল ও ভেজাল প্রতিরোধে সারাদেশে খুচরা ও পাইকারি বাজা‌রে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

অভিযানে ১১৮টি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়ে‌ছে। ‌বুধবার (১৪ অ‌ক্টোবর) রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সার্বিক নির্দেশনায় ও বাণিজ্যসচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের পরামর্শ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ঢাকা মহানগরীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর শাহ আলী বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, হাতিরপুল এলাকায় অভিযান করা হয়।

অভিযান প‌রিচালনা ক‌রেন অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস, সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার প্রামানিক, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাগফুর রহমান ও মাহমুদা আক্তার।

এছাড়াও ঢাকার বাইরে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে বিভিন্ন বাজারে তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তদারকিকালে আলু, চাল, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল, আদাসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যৌক্তিক মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করা হয়।

এছাড়া পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, মূল্যতালিকার সঙ্গে বিক্রয় রশিদের গরমিল, পণ্যের ক্রয়রসিদ সংরক্ষণ না করা, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও পণ্য, নকল পণ্য, ওজনে কারচুপিসহ ভোক্তাস্বার্থবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে সারাদেশে ১১৮টি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তদারকিকালে চাল, আলু ও পেঁয়াজের মূল্য নিয়ে কারসাজি না করা এবং বাধ্যতামূলকভাবে পণ্যের ক্রয়রসিদ সংরক্ষণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা বলেন, ভোক্তাস্বার্থ সুরক্ষায় নিয়মতান্ত্রিক ও নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনাকে অধিদফতর সবসময়ই স্বাগত জানায়। কিন্তু অসাধু ও অনৈতিক যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর জিরো টলারেন্স প্রদর্শন করবে।

ভোক্তাস্বার্থ সংরক্ষণে দেশব্যাপী অধিদফতরের অভিযান চলছে এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com