আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

বিশ্বের সবচেয়ে পরিবেশ বান্ধব খাবার কোনগুলো?

খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখে
খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখে

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে বিশ্বে যে পরিমাণ গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হয় তার এক চতুর্থাংশের জন্য দায়ী খাদ্য উৎপাদন। অর্থাৎ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের পেছনে এই খাদ্য উৎপাদন অন্যতম প্রধান কারণ।

তবে, গবেষকরা দেখেছেন যে একেক ধরণের খাবারের পরিবেশগত প্রভাব একেক রকম।

পরিবেশ সচেতন অনেকেই এখন প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং প্লাস্টিকের স্ট্র ব্যবহার বাদ দিয়েছেন। চেষ্টা করছেন যতোটা সম্ভব নিজের ব্যবহার্য জিনিষগুলো পুনর্ব্যবহার করার, যেন উষ্ণতা কয়েক ডিগ্রী কমানো যায়।

তবে আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার সাপ্তাহিক বাজার এই বিশ্বের পরিবর্তনে কতোটা ভূমিকা রাখতে পারে?

বিবিসি রেডিও ফাইভ তাদের কুল প্ল্যানেট সিজনে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত তথ্যচিত্র প্রচার করে।

সেখানে তারা এটা খোঁজার চেষ্টা করেছে যে আমাদের প্রাত্যহিক বাজারে ছোটখাটো কোন পরিবর্তনগুলো কিভাবে আমাদের গ্রহের ওপর বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে।

ল্যানক্যাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাই বার্নার্স লি গিয়েছিলেন বাজার করতে। তিনি একাধারে একজন জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ।

বাজার করতে গিয়ে কয়েকটি খাবারের উদাহরণ সামনে আসে।

লাল মাংসের কিমা
লাল মাংসের কিমা

মাংস এবং মাছ

বেশিরভাগ মানুষই বাড়িতে মাছ মাংস খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোয়। ভেবে দেখুন সপ্তাহের ওই বিশেষ দিনগুলোর ডিনারে গড়ে কি পরিমাণ গ্রিল মুরগি, সসেজ, নুডুলস ইত্যাদি খাওয়া হয়?

অধ্যাপক বার্নার্স-লি বলেছেন যে গরুর মাংস বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন উৎপাদনকারী মাংস।

তিনি বলেন, মুরগি পরিবেশের জন্য অপেক্ষাকৃত ভাল। সঙ্গে তিনি এটাও জানান, “উদ্ভিদজাত খাবার অর্থাৎ শাক সবজির উৎপাদনের চাইতে সব ধরণের মাংসের উৎপাদন বেশ সহজ। এতে কৃষিকাজের মতো সময় ও শ্রম দিতে হয়না।”

মাছ সম্পর্কে অধ্যাপক বার্নার্স-লি পরামর্শ দিয়েছেন মাছ খাওয়া কমিয়ে আনতে। যেমন প্রতিদিনের পরিবর্তে প্রতি সপ্তাহে এক অথবা দুই বেলায় মাছ খাওয়া সীমিত রাখা।

এবং প্রতিবারই বিভিন্ন ধরণের মাছ খাওয়ার চেষ্টা করা।

তবে সবচেয়ে ভাল উপায় হল নিরামিষভোজী হয়ে যাওয়া। যদি আপনি নিরামিষাশী হওয়ার কথা ভাবতেই রা পারেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আপনি বাদ দিতে না পারেন, অন্তত মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করতে পারেন।

যদি আপনার প্রতিদিন মাংস খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে সপ্তাহে মাত্র একটি দিন বেছে নিন যেদিন আপনি কোন মাংস খাবেন না। এই ছোট পরিবর্তন পরিবেশে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে।

২০১৮ সালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায় যে, গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ অর্ধেকেরও বেশি হ্রাস করা হবে যদি আমরা সবাই সপ্তাহে রেড মিট খাওয়ার পরিমাণ এক বেলায় নামিয়ে আনতে পারি।

ব্রোকোলি
ব্রোকোলি

ফল এবং সবজি:

ফল এবং সবজি সবসময়ের জন্য সবচেয়ে ভাল এবং টেকসই খাবার। তবে এর কিছু ব্যতিক্রম আছে বলে মনে করেন অধ্যাপক বার্নার্স-লি।

“আপনার কাছে থাকা ফল বা সবজিটি যে মৌসুমে ফলন হয় এটা যদি ওই সময়ের পরিবর্তে অন্য কোন মৌসুমে আপনার হাতে আসে তাহলে সেটি খাওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করে নেবেনে এটি এখানে এলো কিভাবে?

“যদি ওই ফল ও সবজি দেখতে অনেক তরতাজা হয় তাহলে ধরে নিতে পারেন যে এটি আপনার দেশের নয়। বিদেশ থেকে বিভিন্ন উপায়ে আমদানি করা হয়েছে।

হয় এটি পানিপথে এসেছে না হলে আকাশপথে। আর এসব পরিবহনে প্রচুর পরিমাণে কার্বন নির্গত হয়েছে। উড়োজাহাজের একটি ফ্লাইটেই কয়েকশ টন জ্বালানি পোড়ানো হয়। একইভাবে হয় নৌযানের ক্ষেত্রেও।

যদি শীতকাল চলে যাওয়ার পরও আপনার শীতের ফল খেতে ইচ্ছা করে তাহলে সবচেয়ে ভাল উপায় হল সেই ফল ও সবজিগুলোকে হিমায়িত সংরক্ষণ করা।

প্রফেসর বার্নার্স-লি বলেছেন: “খাবার হিমায়িত অবস্থায় অনেকদিন পর্যন্ত টাটকা ও সুস্বাদু থাকে।”

তবে এতেও কার্বন নির্গমনের প্রশ্ন থেকে যায়। কেননা রেফ্রিজারেটর থেকেও কার্বন নির্গত হয়।

আপেল এবং রাস্পবেরি
আপেল এবং রাস্পবেরি

তবে অধ্যাপক বার্নার্স লি বলেছেন, ফ্রিজ থেকে যে পরিমাণ কার্বন নির্গত হয় সেটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো নয়।

আবার বারো মাস ফলন হয় এমন অনেক সবজি রয়েছে যেগুলো কিনা উচ্চমাত্রার কার্বন নি:সরণের জন্য দায়ী। যেমন কচি ব্রোকোলি।

আমরা সবসময় ধরে নিই যে এটি অন্য সব ব্রোকোলির মতোই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এই বিশেষ ধরণের ব্রোকোলিটি বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন করে থাকে।

কেননা বিশ্বের বেশিরভাগ ব্রোকোলি আসে বিভিন্ন দেশ থেকে আকাশপথে।

গোলাপ ফুল
গোলাপ ফুল

ফুল:

যদি আপনি ফুল খুব ভালবাসেন এবং দিনটাকে রঙিন করে তুলতে মাঝে মাঝে একগুচ্ছ ফুল কেনেন। তাহলে সেই ফুল কেনার ক্ষেত্রেও আনতে পারেন কিছুটা পরিবর্তন।

সবার পছন্দের গোলাপ বা লিলি ফুল সাধারণত দুইভাবে বাজারে আসে। প্রথমত উষ্ণ ঘরে উৎপাদনের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়ত আকাশ পথে আমদানি হয়ে। আবার দুটি বিষয়ও হতে পারে।

এক্ষেত্রে আপনি পটারি প্লান্ট বা টবের গাছ কিনতে পারেন। অথবা ফুলের মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। যখন দেশেই উৎপাদিত তাজা ফুল হাতে পাবেন।

মুরগির মাংস অপেক্ষাকৃত পরিবেশবান্ধব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা
মুরগির মাংস অপেক্ষাকৃত পরিবেশবান্ধব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা

গোল্ডেন রুলস:

পরিবেশের বিষয়ে সচেতনতার ক্ষেত্রে অধ্যাপক মাইক বার্নার্স লি কিছু গোল্ডেন রুলস বা নিয়মের কথা বলে গেছেন। সেগুলো হল:

  • জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকানোর জন্য সবচেয়ে বড় প্রভাব রাখতে, মাংস এবং দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে এই দুই ধরণের খাবার সবচেয়ে কম কার্যকর। অথচ এই খাবারগুলো কার্বন ফুটপ্রিন্টের মূল কারণ।
  • যদি আপনি সম্পূর্ণ মাংস-মুক্ত থাকতে না চান তাহলে আপনি গরু বা খাসির মাংসের পরিবর্তে মুরগি বা মাছ বেছে নিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে সেই মুরগি ও মাছের কোনটাই যেন খামারে উৎপাদন না হয়।
  • আপনি যা কিছু কিনবেন তার সবটাই খেয়ে নিন। কোন খাবার নষ্ট করবেন না। এজন্য সপ্তাহের বাজার করতে যাওয়ার আগে ভালভাবে ফ্রিজ এবং রান্নাঘর দেখে নিন। যেন বুঝে শুনে কিনতে পারেন।
  • বাজারে প্রায়ই চটকদার সব অফার দেখিয়ে ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়। এসব দেখে কখনোই প্রলুব্ধ হবেননা। দাম কম হওয়ার চাইতে এটা জানা জরুরি, এই জিনিষটা আপনার কতোটা প্রয়োজন।
  • আপনি যতো বেশি ফল এবং সবজি খাবেন ততোই ভাল। তবে খেয়াল রাখবেন যেটা আপনি খাচ্ছেন সেটা মৌসুমি ফল/সবজি কিনা। যদি সেটা ওই ঋতুতে উৎপাদিত খাবার না হয় এবং তা সত্ত্বেও খাবার চেহারা যদি টাটকা থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে যে এটি আকাশ বা নৌপথে আমদানি করা হয়েছে।

প্রিয় খাবারটি পরে খাওয়ার জন্য রেফ্রিজারেটরে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণ করে রাখুন। যেন আমদানি করা খাবার খেতে না হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

ঈদের দিনে আজিম রাঁধবেন তিন পদ

ঘরবন্দী এই সময়ে রান্নার হাত ঝালাই করে নিয়েছেন মডেল আজিম–উদদৌলা। ছবি: সংগৃহীত
ঘরবন্দী এই সময়ে রান্নার হাত ঝালাই করে নিয়েছেন মডেল আজিম–উদদৌলা। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবার ঈদ এলেই একটা আলাদা পরিকল্পনা থাকত মডেল আজিম-উদদৌলার। এবার দেশ তো বটেই, গোটা দুনিয়ার পরিস্থিতি ভিন্ন। তাই আলাদা করে কোনো পরিকল্পনা নেই। ঈদের কয়েক মাস আগে থেকেই ব্যস্ততা শুরু হয়ে যেত। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের কাজ চলত দিন–রাত। এবার সেই ব্যস্ততা নেই। ঈদে এবার বাগেরহাটে বাড়িতে যাওয়া হবে না বলেও জানালেন আজিমের। বাবা-মাকে ছাড়া ঈদ কাটবে এবার। ঢাকায় যদিও ভাই-বোনেরা আছেন, সবাই মিলে ঘরেই থাকবেন। আর ঈদের দিন নিজের হাতে রান্নাও করবেন।

বেশ আগে থেকেই টুকটাক রান্নাবান্না করেন আজিম–উদদৌলা। মহামারির কারণে ঘরে থেকে রান্নার হাত আরেকটু ঝালাই করে নিয়েছেন। আজিম বলেন, ‘ঘরে থেকে নিজের পছন্দের খাবার রান্না করে খাচ্ছি। ভালো লাগছে। এত কিছু রান্না করতে পারব ভাবিনি। স্প্যানিশ খাবার আমার খুব পছন্দ। পিৎজা, পাস্তা আর নানা রকম জুস খেতে ভালোবাসি। বাসায় নিজের হাতে বানাচ্ছি, খাচ্ছি আর অবাক হচ্ছি!’

গরুর মাংসও বেশ ভালো রান্না করেন আজিম। সেটা যাঁরা খেয়েছেন তাঁরাও স্বীকার করেন। এবারের ঈদে পরিবারের জন্যও গরুর মাংসের পদ রাঁধবেন। নকশার পাঠকদের জন্য আলু দিয়ে গরুর মাংস ছাড়াও রান্না করেছেন পোলাও। তৈরি করেছেন ফলের রস।

আলু দিয়ে গরুর ঝোল
আলু দিয়ে গরুর ঝোল

উপকরণ: ক. গরুর মাংস ১ কেজি, মরিচ ১ টেবিল চামচ, হলুদ আধা চা-চামচ, ধনিয়াগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা দেড় টেবিল চামচ, আদাবাটা দেড় টেবিল চামচ, জয়ফলগুঁড়া সিকি চা-চামচ, টক দই সিকি কাপ, বড় টমেটো ১টা ও পেঁয়াজকুচি পৌনে এক কাপ।

খ. শর্ষের তেল আধা কাপ, দারুচিনি ২ টুকরা, আলু ২০০ গ্রাম, এলাচি ৪টি, তেজপাতা ৩টি, গোলমরিচ ৮টি, লং ৪টি, লবণ দেড় টেবিল চামচ ও পানি আড়াই কাপ।

প্রণালি: মাংস ধুয়ে উপকরণ–ক–এর সব মসলা মাখিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। এবার কড়াইতে তেল দিন। গরম হলে দারুচিনি, এলাচি, তেজপাতা গোলমরিচ, লং ও লবণ দিয়ে ৪০ সেকেন্ড মতো ভেজে মাখানো মাংস ঢেলে ২০ মিনিট কষিয়ে নিতে হবে। এবার আড়াই কাপ পানি নিয়ে মিনিট ১৫ রান্না করুন। এবার দিন আলু। ঢেকে, নেড়ে আরও ১৫ মিনিট রান্না করুন। আলু সেদ্ধ হলে লবণ ঠিক আছে কি না দেখে নামিয়ে নিন।

দুধ পোলাও
দুধ পোলাও

উপকরণ: পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, ঘি ৩ টেবিল চামচ, সায়াবিন তেল সিকি কাপ, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচি ৪টি, তেজপাতা ৪টি, গোলমরিচ ৫টি, লবণ স্বাদমতো, নারকেলের দুধ সিকি কাপ ও গরম পানি ৪ কাপ।

প্রণালি: চাল ধুয়ে ১০ মিনিট ঝরা দিয়ে পানি ছেঁকে নিন। এবার একটি ননস্টিক প্যান চুলায় বসিয়ে তাতে ঘি ও তেল দিন। গরম হলে তার মধ্যে এলাচি, দারুচিনি, তেজপাতা, গোলমরিচ দিয়ে নাড়ুন। এবার চাল ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভেজে নিন। কয়েক মিনিট ভাজার পর গরম পানি ঢেলে ১৫ মিনিট জ্বালে রাখুন। জ্বাল কমিয়ে নারকেলের দুধ মিশিয়ে ১০ মিনিট দমে রাখুন। এরপর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

তরমুজের জুস
তরমুজের জুস

উপকরণ: তরমুজের টুকরা ২ কাপ, পানি ১ কাপ, লবণ এক চিমটি, চিনি (ইচ্ছে) ১ চা-চামচ ও পুদিনা পাতা কয়েকটি।

প্রণালি: তরমুজের বিচি ফেলে নিন। এবার একটা ব্লেন্ডারে সব ঢেলে ব্লেন্ড করে গ্লাসে ঢেলে ওপরে পুদিনা পাতা দিয়ে পরিবেশন করুন। ঠান্ডা পানি দিলে তরমুজের জুস খেতে ভালো লাগবে। তবে স্বাভাবিক পানিও দিতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জিরোক্যাল ড্রিংকস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ১৮: কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি

জিরোক্যাল ড্রিংকস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ১৮: কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি
জিরোক্যাল ড্রিংকস অ্যান্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ১৮: কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি

ইফতারের পানীয়তে আজ বানাতে পারেন সুস্বাদু ও পুষ্টিকর কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি। জিরোক্যাল ড্রিংকস অ্যান্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে চলুন জেনে নিই কীভাবে বানানো যায় কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি।

কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি তৈরির উপকরণ:
কলা ১টি
কর্নফ্লেক্স আধা কাপ
তরল দুধ ১ কাপ
লো-ফ্যাট ফ্রেশ ক্রিম ১ কাপ
পানি পরিমাণমতো
জিরোক্যাল ২ স্যাশে

কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি তৈরির পদ্ধতি
জুসার মিক্সারে সব উপকরণ কলা, কর্নফ্লেক্স, তরল দুধ, লো-ফ্যাট ফ্রেশ ক্রিম, পানি ও জিরোক্যাল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল কর্নফ্লেক্স বানানা স্মুথি। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন ও উপভোগ করুন মজার এই পানীয়টি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ২০: হেলদি জুস

সারাদিন রোজার ক্লান্তি দূর করতে ইফতারের পানীয় হতে হয় স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এর আজকের পর্বে আমরা দেখব কীভাবে তৈরি করা যায় হেলদি জুস।হেলদি জুস তৈরির উপকরণ:শশা- ১ টি (টুকরো করে কাটা)

আপেল- ১ টি (টুকরো করে কাটা)

লেবুর রস- ১ চা চামচ

মধু- ১ চা চামচ

জিরোক্যাল- ২ স্যাশেহেলদি জুস তৈরির পদ্ধতি:হেলদি জুস তৈরির জন্য জুসার মিক্সারে সব উপকরণ শশা, আপেল, লেবুর রস, মধু ও জিরোক্যাল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তৈরি হয়ে গেল হেলদি জুস। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন এবং পরিবারের সাথে উপভোগকরুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ২১ : শাহি ফিরনি

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ২১ : শাহি ফিরনি
জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ২১ : শাহি ফিরনি

ঈদের দিনগুলোতে সাধারণত একটু ভারী খাবার যেমন বিরিয়ানি, পোলাও, মাংস ইত্যাদি বেশি খাওয়া হয়। আর বিরিয়ানি খাওয়ার পরেই ডেসার্টে আমাদের অনেকেরই প্রিয় খাবার হলো শাহি ফিরনি। জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস এর আজকের পর্বে চলুন জেনে নিই কীভাবে বানানো যায় সুস্বাদু শাহি ফিরনি।
শাহি ফিরনি তৈরির উপকরণ:
চিনিগুঁড়া চাল- ২০০ গ্রাম

দুধ- ১০০ গ্রাম

কিশমিশ- ২০ গ্রাম

মিক্স বাদাম- ১৫ গ্রাম

জাফরান- পরিমাণমতো

সাদা এলাচ- ৩ টি

জিরোক্যাল- ২ স্যাশেশাহি ফিরনি তৈরির পদ্ধতি:শাহি ফিরনি তৈরির জন্য প্রথমে চুলায় একটি পাত্রে দুধ গরম করে নিন। দুধের মধ্যে ৩ টুকরো এলাচ দিয়ে দিন। দুধ কিছুটা ফুটে উঠলে তাতে চাল দিয়ে দিন। চাল একটু ফুটে উঠলে এবার জাফরান এবং মিক্স বাদাম মিশিয়ে দিন। একটু নেড়ে নিয়ে এবার জিরোক্যাল মিশিয়ে দিন। পুরো মিশ্রণ ভালোভাবে ফুটে ঘন হয়ে উঠলে নামিয়ে ফেলুন। ফিরনি ঠান্ডা হয়ে গেলে এবার পরিবেশনের পাত্রে ঢেলে উপর থেকে কিশমিশ এবং মিক্স বাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ও লোভনীয় শাহি ফিরনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ২২ : তরমুজের স্মুথি

জিরোক্যাল ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টস রেসিপি পর্ব ২২ : তরমুজের স্মুথি

আজকের ইফতারের পানীয়তে বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার ও স্বাস্থ্যকর তরমুজের স্মুথি। জিরোক্যাল
ড্রিঙ্কস এন্ড ডেসার্টসের আজকের পর্বে চলুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করা যায় তরমুজের স্মুথি।

তরমুজের স্মুথি তৈরির উপকরণ :

তরমুজ টুকরো করে কাটা- ২ কাপ
ম্যাংগো ক্রিম- ১ টেবিল চামচ
মিল্ক ক্রিম- ২ কাপ
জিরোক্যাল- ২ স্যাশে

তরমুজের স্মুথি তৈরির পদ্ধতি:

তরমুজের স্মুথি তৈরির জন্য জুসার মিক্সারে সব উপকরণ তরমুজ, ম্যাংগো ক্রিম, মিল্ক ক্রিম ও জিরোক্যাল
দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। নিমিষেই তৈরি হয়ে গেলো তরমুজের স্মুথি। এবার গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com