আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

অন্যান্য

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ২০ অক্টোবর

২০ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। গতকাল ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খানের সভাপতিত্বে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সন্ধ্যায় এ কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে আজ (বৃহস্পতিবার) কোথাও ১৪৪৩ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ৮ অক্টোবর শুক্রবার (আজ) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ৯ অক্টোবর থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি, ২০ অক্টোবর বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

অন্যান্য

স্বাগতম হে অতিথি জলের গ্রাম অন্তেহরীতে

বর্ষায় নাও হেমন্তে পাও! শীতে সবুজের রাজ্যে পাখিদের নিরাপদ শান্তির নীড়। আর বর্ষায় মুগ্ধতা ছড়ায় শাপলা-শালুক। এমনই একটি রূপে ভরা ’জলের গ্রাম’ অন্তেহরী। ‘বর্ষায় নাও হেমন্তে পাও’ অর্থাৎ অন্তেহরী গ্রামে বর্ষায় যাতায়াতের প্রধান ভরসা নৌকা। শীত মৌসুমে পথ চলত হয় পায়ে হেঁটে। নামে রূপে গ্রামখানি প্রশান্তির আদর্শ স্থান।

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলাধীন কাউয়া-দিঘি হাওর। এই হাওরের পশ্চিম প্রান্তে ফতেপুর ইউনিয়নের এক নিবৃত পল্লি অন্তেহরী। হিজল, করচ, তমালের বন এই গ্রামটিকে করেছে অপরুপ অনন্য। ধুলোমাখা মেঠোপথ পেরিয়ে প্রবেশ করতে হয় গ্রামটিতে। প্রবেশের সাথে সাথে এর বিচিত্র রূপ স্পর্শ করে হৃদয়।

বর্ষায় গ্রামের বাড়িগুলো দেখে মনে হয় পানির ওপর ভেসে আছে। শীত মৌসুমে তার বিপরীত। শীতে এক একটি বাড়ি মনে হবে টিলার ওপর তৈরি। হাওরের বাড়িঘর খুব সহজে পানিতে নিমজ্জিত হয়। এ কারণে বাড়িগুলো অনেক উঁচুতে নির্মাণ করতে হয়। প্রতিটি বাড়ির চারিদিকে দেখা মিলবে বিভিন্ন জাতের গাছ গাছালি। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে হিজল, তমাল, করচ এই গাছগুলো বর্ষায় হাওরের ঢেউ থেকে বাড়িগুলোকে রক্ষা করে এবং সারাবছর দেশিয় পাখিদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল। শীত মৌসুমে দেশি-বিদেশি নানা জাতের পাখি একত্রে বসবাস করে এখানে। গ্রামের কেউ পাখি শিকার করেন না। বাইরে থেকে পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে কেউ এলে তারা বাধা দিয়ে থাকেন।

হাওর পাড়ের এই গ্রামটির অধিকাংশ মানুষই কৃষিজীবী। হাওরে সাধারণত একটি ফসল হয় বোরো ফসল। এ ফসলের ওপর নির্ভর করে তাদের সারা বছর চলতে হয়। খাদ্য শিক্ষা চিকিৎসা সহ সকল মৌলিক চাহিদা এই ফসলের আয় থেকে চলে। পাশাপাশি যে সময় যে কাজ পান সেগুলোও করে জীবন ধারণ করে থাকে। কেউ কেউ বর্ষা মৌসুমে হাওরে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে চাহিদা পূরণ করে।

২০১৮ সালে এই গ্রামটিকে সরকারিভাবে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়। নামকরণ করা হয় ’জলের গ্রাম অন্তেহরী’ সারাবছর পর্যটকরা নির্বিঘ্নে আসার লক্ষ্যে নানাবিধ উদ্যোগ নিয়ে কাজ চলছে। সরকারি উদ্যোগে কিছু উন্নয়ন হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অবকাঠামো গত উন্নয়নের পরিকল্পনা চলছে।

এই গ্রামকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা করায় কাজের সুযোগ পাবেন, বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল গ্রামের অনেক দরিদ্র মানুষ। পাশাপাশি বাড়বে তাদের জীবনযাত্রার মান। বর্ষায় হাওরের বুকে থাকে থইথই জল কিংবা জলের ওপর একটুকরো সবুজের হাতছানি। শাপলা ও শালুক অথবা নাম না জানা বাহারি বঙ্গের ফুল যেন জানান দেয়, স্বাগতম হে অতিথি জলের গ্রামে।

এখানকার সবচাইতে আকর্ষণ ’জলের মধ্যে হিজল-করচের ডুবাডুবি খেলা’ যা ভাটি-বাংলার মানুষের কাছে অতি সাধারণ দৃশ্যপট আর নগরজীবনের কাছে কৌতূহল। পুরো গ্রাম মনে হবে জলের ওপর ভেসে বেড়াচ্ছে। আর প্রতিটি বাড়ি মনে হবে ভাসমান কটেজ।

বর্তমানে হাওর শুকনো, মাঠে সবুজ কচি ঘাস দেখলে মনে হবে সবুজ গালিচা বিছানো হয়েছে। যতদূর চোখ যায় শুধু এই দৃশ্য দেখা যায়। সবুজ মাঠে হাজার হাজার সাদা বক উড়ে বেড়ায় খাদ্যের সন্ধানে। সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে হেলান দেয় তখন হাজারো সাদা বক সহ নানা জাতের পাখিগুলো সন্ধ্যা নামার মুহূর্তে গ্রামের গাছগুলোতে এসে আশ্রয় নেয়। ঘুরতে আসা ভ্রমণপিপাসুরা পাখিদের ঘরে ফেরার দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হন বেশি।

রাজনগরের ফতেহপুর ইউনিয়নের গ্রাম অন্তেহরী। কাউয়াদিঘি হাওরকে কেন্দ্র করে এখানে লোকবসতী গড়ে উঠে। গ্রামটি বৈচিত্র্যপূর্ণ রূপ ধারণ করে যখন হাওর পানিতে পরিপূর্ণ থাকে। আর তখনই অন্তেহরী ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ালে এই জলের গ্রামের নান্দনিক রূপ চোখে ধরা পড়বে।

সূর্যের বাড়ি ফিরবার সময় হলে বিকেলের আলো নিমিষেই মিলাতে থাকে। সন্ধ্যার আলো-আঁধারে এ গ্রামের প্রকৃতি যেন অকৃপন হয়ে ওঠে। পশ্চিমাকাশে যখন সূর্য ডুবতে যায় তখন ঘরে ফেরা উড়ন্ত পাখিদের বিচরণ প্রকৃতিকে করে তুলে আরো আকর্ষণীয়।

ভাসমান কোনও রাস্তায় কিংবা উঁচু ভূমিতে দাঁড়িয়ে দেখে নিতে পারেন নিস্তেজ সূর্যের অবগাহন। তখন ঝাঁকে ঝাঁকে সাদা বক উড়ে বেড়ায় অন্তেহরীর আকাশে। এ যেন পাখিদেরও স্বর্গরাজ্য। প্রকৃতি রূপ নেয় অন্য এক লাবণ্যে। তাই বলা চলে, ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্তেহরী গ্রামখানি প্রশান্তির অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

মৌলভীবাজার শহর থেকে অন্তেহরী গ্রামের দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার। বসবাস প্রায় ৬ হাজার মানুষের। ৪ থেকে ৫ বছর আগেও বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে শহরের সাথে গ্রামটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকতো। বর্তমানে সড়ক পথের ভালো উন্নতি হয়েছে। তাই গাড়ীতে করে সহজে যেতে পারেন অন্তেহরী গ্রামে। প্রকৃতির উদারতা ও প্রাণবন্ত জীবনের স্বাদ নিতে ছুটে আসুন হাওর পাড়ে।

যে ভাবে যাবেন, মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনী ঘাট ব্রিজ সংলগ্ন জগতপুর বাস-স্ট্যান্ড থেকে ৩০ টাকা ভাড়ায় সিএনজি চালিত অটোরিকশাতে যেতে পারেন। কিংবা রিজার্ভ গাড়ি নিয়েও সোজা চলে যাওয়া যায় অন্তেহরী বাজারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

হৃদরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা পেঁপে

ডেস্ক রিপোর্ট: পেটের নানা রোগবালাই দূরীকরণে কাঁচা পেঁপে খুবই কার্যকরী। শুধু পেটের সমস্যায় নয়, আরো অনেক নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যায় এই ফলের উপকারিতা অনেক। 

অন্যান্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন তারা অনায়াসে খেতে পারেন এ ফলটি। এছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি যা শরীরের জন্য বেশ উপকারি

নিচে পেঁপের নানাবিধ পুষ্টিগুণের কথা তুলে ধরা হলো :
ত্বকের সমস্যা ও ক্ষত দূর করে : পেঁপেতে বিদ্যমান পুষ্টিগুণ ব্রণ ও ত্বকের যে কোন ধরনের সংক্রামক থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের ছিদ্র মুখগুলো খুলে দেয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা পেঁপে ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনজ্জ্বীবিত করে তুলতে সাহায্য করে।

ব্যথা নিরাময় করে : পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারী। কারণ এটি যে কোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকারী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসাথে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।

অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে : পেঁপের বীজে আছে এন্টি- অ্যামোবিক ও এন্টি-প্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য যা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিড রিফ্লাক্স, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অন্ত্রের সমস্যা, পেটের আলসার ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকেও রক্ষা করে।

হৃদরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় : এটি ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখার পাশাপাশি রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণকেও কমিয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। একারণেই হৃদরোগীদের সবসময় পেঁপে খেতে বলা হয়।

অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বি কমিয়ে দেয় : পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ই ও এ। এগুলো ১০০ গ্রামে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি দেয়। এছাড়া এতে বিদ্যমান এন্টি-অক্সিডেন্ট অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

নারীরা কৃষি কাজে, ২ হাজার পরিবারে স্বচ্ছলতা

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কৃষি কাজে অংশ নিচ্ছেন নারী শ্রমিকরা। তাদের উপার্জনে স্বচ্ছলতা এসেছে উপজেলাটির প্রায় ২ হাজার পরিবারে।

কর্মস্থলে কিছু মানুষ নারীদের বৈষম্যের চোখে দেখলেও তাদের স্বাগত জানিয়েছেন কৃষকরা। চাষাবাদের কিছু কাজে পুরুষের তুলনায় নারী শ্রমিকের চাহিদা এখন বেশি।

জানা গেছে, লাখাইয়ের গোপালপুর, আগাপুর, মাহমুদপুর, মোড়াকরি, বুল্লা, ভবানীপুর ও আগাপুর গ্রামের প্রায় ২ হাজার নারী প্রতিদিন হাওরে কৃষি কাজ করেন। ধানের জমিতে চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার ও মাটি কাটার কাজে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কাজ করছেন তারা। মজুরিও পান পুরুষদের সমান প্রায়। এতে ওই নারীদের পরিবারের অভাব দূর হওয়ার পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রে কমেছে শ্রমিক সংকট।

উপজেলার কাসিমপুরে মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, পুরুষের সঙ্গে ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত নারীরা। সারিবদ্ধ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে কাজ করেছেন তারা। চারা রোপণের গতিও পুরুষের সঙ্গে সমানে সমান।  

মাঠে কর্মরত মধ্যবয়সী সরস্বতি দাশ, বিশুকা দাশ ও ফালানি দাশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি রোপা আমনের মৌসুমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণের মজুরি ১ হাজার টাকা। ছয়জন নারী মিলে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রোপণ করতে পারেন দুই বিঘা। সেই হিসাবে প্রতিজন নারীর প্রতিদিনকার রোজগার প্রায় ৩৫০ টাকা।  

তারা আরও জানান, রোপা ও বোরো আমনের মৌসুমে প্রায় ৪ মাস নারীরা মাঠে কাজ করেন। বছরের অন্য দিনগুলোতে মাটি কাটা, জমির আগাছা পরিষ্কারসহ বিভিন্ন কাজ করেন। এসব কাজে পুরুষের তুলনায় মজুরি কিছু কম হলেও এই আয় দিয়েই তারা সন্তুষ্ট।

স্থানীয় কৃষক কদ্দুছ মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, আমি আমার জমি চাষের সময় পুরুষের তুলনায় নারী শ্রমিক বেশি নেই। কারণ, নারী শ্রমিকরা কাজে খুব ভালো। আর পুরুষের তুলনায় তাদের মজুরি কিছুটা কম।



হবিগঞ্জের সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মো. আলী আকবর বাংলানিউজকে বলেন, শুধু লাখাই উপজেলা নয়, জেলাজুড়েই নারীরা এখন কৃষিকাজ করছেন। নারীদের কিছু লোক বৈষম্যের চোখে দেখলেও কৃষি বিপ্লবে তাদের ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়টিকে অবশ্যই ইতিবাচকভাবে চিন্তা করতে হবে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

বছরে ২৯০০ কোটি টাকার ফসল নষ্ট করে ইঁদুর

প্রতি বছর ইঁদুর প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকার ফসল নষ্ট করে। গত বছর ইঁদুরের হাত থেকে ৮৯ হাজার ৮৭৬ টন ফসল রক্ষা করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা।

সোমবার (১১ অক্টোবর) জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২১ ও ২০২০ সালের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত বছর প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ইঁদুর নিধন করা হয়েছে। তার আগে ২০১৯ সালেও ইঁদুর নিধন অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ইঁদুর নিধন করে ৩০০ কোটি টাকার ফসল রক্ষা করা হয়েছে।

Rat-1.jpg

রাজধানীর খামারবাড়ির আ. কা. মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রতি বছর মাসব্যাপী এ ইঁদুর নিধন অভিযান পরিচালনা করে। বর্তমানে এ অভিযান চলছে, যা ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে। জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২১ এর প্রতিপাদ্য ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি একসাথে’।

এ সময় ইঁদুরের ব্যাপক ক্ষতি থেকে ফসল রক্ষা করার পাশাপাশি ইঁদুর নিধন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার আহ্বান জানান কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিনিয়তই ইঁদুর কৃষকের কষ্টার্জিত ফসলের কয়েকগুণ নষ্ট করে। এ ক্ষতির পরিমাণ বছরে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

মেসবাহুল ইসলাম আরও বলেন, সবাইকে উদ্ধুকরণের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে ইঁদুর নিধন করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য ইঁদুর দমন করা অত্যন্ত জরুরি।

Rat-1.jpg

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, সরেজমিনে উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আণবিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক মফিজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক ড. মো. আবু সাইদ মিঞা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ হাবিবুর রহমান। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

সয়ামিল রপ্তানি বন্ধ, পোলট্রি খামারিদের স্বস্তি প্রকাশ

পোলট্রি, মৎস্য ও ডেইরি ফিড তৈরির অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ সয়ামিলের রপ্তানি বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) থেকে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তে খামারি, উদ্যোক্তা ও ফিড প্রস্তুতকারকদের মাঝে স্বস্তি এসেছে।

এই সিদ্ধান্তের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পোলট্রি শিল্প সংশ্লিষ্টরা। বুধবার (১৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

সয়ামিল রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে হয়েছে, সয়ামিল রপ্তানি অব্যাহত থাকলে এর প্রভাবে ডেইরি ও পোলট্রি খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। যার ফলে ডেইরি ও পোলট্রি খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে দেশের প্রাণিসম্পদ সেক্টরে বিরূপ প্রভাব পড়বে। সে কারণেই ডেইরি ও পোলট্রি সেক্টরের স্বার্থ রক্ষার্থে বৃহস্পতিবার থেকে সয়ামিল রপ্তানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। তবে বুধবার (১৩ অক্টোবর) পর্যন্ত যেসব এলসি/টিটি সম্পন্ন হবে ওই পণ্যসমূহ আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে রপ্তানি করা যাবে।

রপ্তানি বন্ধের এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করে ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (এফআইএবি) সভাপতি এহতেশাম বি. শাহজাহান বলেন, দেরিতে হলেও এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আমরা ধন্যবাদ জানাই।

এফআইএবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. আহসানুজ্জামান বলেন, সয়ামিল রপ্তানির সিদ্ধান্তে দেশীয় পোলট্রি, মৎস্য ও ডেইরি খাতের অভাবনীয় ক্ষতি হয়েছে। রপ্তানি বন্ধ হওয়া ও ভারতে সংকট কমে যাওয়ায় সয়ামিলের স্থানীয় মূল্য অবশ্যই কমবে বলে আমি আশা করি।

সয়ামিল রপ্তানি বন্ধে আপাতত স্বস্তি এলেও পোলট্রি ও ডেইরি খামারিরা অবশ্য বলছেন, রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তই যথেষ্ঠ নয়। সয়ামিলের দাম আগের অবস্থায় আনাও অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে ফিডের দাম কমবে না; ফলে ডিম ও মুরগির উৎপাদন খরচও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না। তাই সয়ামিলের মূল্য কমানোর জন্য তৈল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন পোলট্রি, মৎস্য ও ডেইরি খামারিরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com