আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

পদ্মা নদীতে খাঁচায় তেলাপিয়া চাষ

ঈশ্বরদী: পদ্মা নদীতে খাঁচায় ‘মোনাসেক্স তেলাপিয়া’ মাছ চাষ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কম খরচে, অল্পদিনে লাভবান হওয়ায় এ পদ্ধতিতে মাছ চাষের দিকে ঝুঁকছে ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়নের বেকার যুবকেরা।

উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান স্বজন সরদার বাংলানিউজকে বলেন, গতবছর ১০টি খাঁচা দিয়ে ‘মোনোসেক্স তেলাপিয়া’ মাছ চাষ শুরু করি। প্রতি খাঁচার দৈর্ঘ্য-২০ ফুট, প্রস্থ-১০ ফুট।

প্রতি খাঁচা তৈরি করতে খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। একটি খাঁচায় ১ ইঞ্চি সাইজের ৫৫০-৬০০ পোনার চাষ করা যায়। খাঁচায় পোনা ছাড়ার ৭৫-৯০ দিনের মধ্যে ৩০০ গ্রাম ওজন হলে তা বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ঋণ ও অন্য সুবিধা পেলে অনেক বেকার যুবক এ কাজে এগিয়ে আসবে। এতে বেকার সমস্যার পাশাপাশি দেশে মাছের চাহিদা অনেকাংশে পূরণ হবে।
     
সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন নদীর ঘাটে সারি সারি করে খাঁচা বসানো হয়েছে। নদীতে চার কোনায় বাঁশ, স্টিলের পাইপে জাল লাগিয়ে খাঁচা বানানো হয়েছে। সেই খাঁচা ড্রাম দিয়ে ভাসিয়ে রাখা হয়েছে।

সাঁড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এমদাদুল হক রানা সরদার বাংলানিউজকে জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার মেম্বারকে ছোট পরিসরে এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করতে দেখে বিষয়টি আমার ইউনিয়নের বেকার যুবকদের পরামর্শ দেয়। সে পরামর্শ অনুযায়ী অল্প পরিসরে কয়েকজন চাষ শুরু করেছে। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ৮০ জন বেকার যুবকদের নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। সরকারি বড় সহযোগিতা পেলে এ এলাকায় খাঁচায় মাছ চাষে বিপ্লব ঘটবে।

ঈশ্বরদী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাকিলা জাহান বাংলানিউজকে বলেন, চলতি বছরে সরকারিভাবে ‘মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় দুটি প্রদর্শনী প্রকল্পে আড়াই লাখ টাকা সহযোগিতা করা হয়েছে। নতুন করে কেউ মাছ চাষ শুরু করলে আরও সরকারি সহযোগিতা করার সদিচ্ছা রয়েছে। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করব।  

স্থানীয়রা জানান, নদীতে পানি বাড়লে খাঁচা উপরে ওঠে, আর পানি কমলে খাঁচা নিচে নেমে যায় বলে অনেক বেকার যুবক মাছের চাষ করতে আগ্রহী। সরকারি সহযোগিতা পেলে কর্মসংস্থান হবে স্থানীয় যুবকদের। এতে এই এলাকায় বেকারত্ব কমবে।

বাংলাদেশ

উৎপাদনে এবার হতে পারে রেকর্ড

লেখক

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, এবার যে ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছিল, সে সময় ৫১ দশমিক ২ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছেড়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দেড় থেকে দুই শতাংশ বেশি। ফলে নতুন ইলিশ যুক্ত হতে পারে ৩৭ হাজার ৮শ কোটি। মোট উৎপাদন হতে পারে ৬ লাখ টনের বেশি ইলিশ। এর বাজারমূল্য হতে পারে ২৫ হাজার কোটি টাকা। ইলিশ উৎপাদনে এবার অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে গবেষণায়।


মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ৫টি গবেষক দল ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রসহ বিভিন্ন নদনদী ও ইলিশের অভয়াশ্রমে গবেষণা চালায়। নিষিদ্ধ সময়ের আগের ১০ দিন, নিষিদ্ধ সময়ের ২২ দিন এবং পরবর্তী ১০ দিন নমুনা ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এ মৌসুমে দেড় থেকে দুই শতাংশ বেশি মা ইলিশ প্রজনন কার্যক্রম সম্পন্ন করার সুযোগ পেয়েছে। এবার ৫১ দশমিক ২ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছেড়েছে, যা ২০১৯ সালে ছিল ৪৮ দশমিক ৯২ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৪৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৪৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ২০১৫ সালে প্রায় ৩৭ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৩৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ।


এ বছর ৩৭ হাজার ৮শ কোটি নতুন ইলিশ যুক্ত হতে পারে। এই জাটকা ইলিশ পাঁচ থেকে সাত মাস নদনদীতে বড় হয়ে সাগরে চলে যাবে। সেখানে বড় হয়ে ডিম ছাড়ার জন্য আবার নদনদীতে অবস্থিত অভয়াশ্রমে চলে আসবে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্র জানায়, ইলিশ মাছ সারাবছরই ডিম ছাড়ে। তবে ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুম হচ্ছে অক্টোবর-নভেম্বর মাস। এটি মূলত আশ্বিন মাসের পূর্ণিমাভিত্তিক। এ জন্য ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময় বছর বছর পরিবর্তিত হয়। চলতি বছর ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ মাছ ধরা, মজুদ, বেচাকেনা ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা তথ্যের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ এ সময় নির্ধারণ করা হয়।


বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র চাঁদপুরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও গবেষণা দলের প্রধান ডা. আনিসুর রহমান সমকালকে বলেন, আমাদের এবারের গবেষণা শেষ। খুব শিগগিরই মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করবে। অভয়াশ্রমে তদারকি বৃদ্ধির কারণে সাগর থেকে বেশি মা ইলিশ নদীতে এসে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেয়েছে। এবার ডিম ছাড়ার হার বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, অক্টোবরের শেষদিকে যদি পূর্ণিমা হয় এবং পূর্ণিমা যদি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলে তাহলে ইলিশ প্রজননে ভালো ফল পাওয়া যায়। এবার অমাবস্যা ছিল ১৬ অক্টোবর। অক্টোবরের শেষদিকের পূর্ণিমা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল। এ ছাড়া এবার নিষিদ্ধ সময়ে একটি নিম্নচাপ ছিল। এটিও ভালো ফল দিয়েছে। কারণ ওই সময়ে নদীতে জেলেরা ছিলেন না। তিনি বলেন, এখন যে ৩৭ হাজার ৮শ কোটি জাটকা আসবে, তা সুরক্ষিত রাখতে হবে। ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আট মাস জাটকা ধরা নিষেধ। ২৫ সেন্টিমিটারের নিচে ইলিশ ধরা যাবে না। মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের চলতি বছরের হিসাবে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে। প্রতি বছর উৎপাদন ১০-১২ হাজার টন বাড়ছে। বাড়ছে স্বাদ, ওজন এবং আকৃতিও। অথচ চার বছর আগেও বিশ্বের মোট ইলিশের উৎপাদনের ৬৫ শতাংশ হতো বাংলাদেশে। এই সময়ের মধ্যে এখানে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে ইলিশের উৎপাদন। সে তুলনায় প্রতিবেশী ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে ইলিশের উৎপাদন কমেছে। সাগরে অনুকূল পরিবেশ, অভয়াশ্রম তৈরি, নতুন নতুন গবেষণা ও প্রজনন মৌসুমে নিষিদ্ধ সময়ে কড়াকড়ির কারণে এর সুফল মিলছে বলে মনে করেন গবেষকরা।


বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ সমকালকে বলেন, চলতি বছর মা ইলিশ বেশি সুরক্ষিত হওয়ায় ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম সমকালকে বলেন, সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে এ বছর ইলিশ উৎপাদন বাড়বে। এ উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য আমরা নানা রকম পরিকল্পনা নিয়েছি। ছোটখাটো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া আমরা মা ইলিশ রক্ষায় ইলিশ শিকার, আহরণ, বাজারজাতকরণ, বিক্রি ও পরিবহন নিষিদ্ধ করার কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেছি। ফলে এই মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন অনেক বাড়বে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

বিষ দিয়ে ১৮ লাখ টাকার মাছ নিধন

লেখক

নেত্রকোনার মদনে বিষ দিয়ে কয়েক টন মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার বিকালে উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের কুঠুরীকোনা মৌজার বড়রুকশি বিলে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ইজাদাররা।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার বিলের ইজারাদারদের পক্ষে তাজ্জত মিয়া ৭ জনকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিলের ইজারাদার তাজ্জত মিয়া জানান, বড়রুকশি বিলের জমি মাছ ধরার জন্য এক বছরের জন্য  ১৮ লাখ টাকায় তিনিসহ নয়জন ইজারা নেন। বিলে বাঁধ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি চলছিল। তার অভিযোগ, বুধবার বিকালে পাহাড়পুর গ্রামের সেকুল ও রিপন নৌকা নিয়ে বাঁধের ভিতরে ঘুরাফেরা করেন। এতে তার লোকজনের সন্দেহ হলে তাদেরকে ধাওয়া করা হয়। এ সময় তারা পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা থেকে বিলে মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে। তার দাবি, সেকুল-রিপন বিলের পানিতে বিষ ট্যাবলেট ফেলায় মাছ মরে গেছে।


অভিযুক্ত সেকুল মিয়া জানান, বড়রুকশি বিলে একটা বড় অংশের ইজারা তারা নিয়েছেন। সেখানে বিষ ঢেলে দিলে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তার দাবি, প্রতিহিংসায় তাদের নামে প্রতিপক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, নিরপক্ষ তদন্ত করলেই মূল বিষয় বের হয়ে আসবে।   

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুজ্জামান জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সত্য মিথ্যা যাছাই করার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

পদ্মায় ধরা পড়ল ১৫ কেজির কাতলা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীর বাহির চর দৌলতদিয়ায় জেলেদের জালে এবার ১৫ কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি আজ বুধবার দৌলতদিয়া বাজারে নিলামে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে প্রায় ২১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা ও মোমিন মণ্ডল যৌথভাবে মাছটি কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী মোমিন মণ্ডল বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে বাহির চর দৌলতদিয়ার ছাত্তার মেম্বার পাড়ায় পদ্মায় জাল ফেলেন স্থানীয় জেলে আনিস হালদার ও তাঁর সহকর্মীরা। গভীর রাতের দিকে জালে টান পড়লে বুঝতে পারেন বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। আজ ভোরের দিকে জাল তুলে বড় একটি কাতলা মাছ দেখতে পান। এত বড় কাতলা মাছ পেয়ে জেলেদের মুখে খুশির ঝিলিক দেখা দেয়। মাছটি বিক্রির জন্য তাঁরা নিয়ে যান দৌলতদিয়া ঘাট টার্মিনাল–সংলগ্ন মাছবাজারে। সেখানে স্থানীয় আড়তদার দুলাল সরদারের আড়তে মাছটি তোলা হয় নিলামের জন্য। নিলামে অংশ নিয়ে তিনি (মোমিন মণ্ডল) ও চান্দু মোল্লা সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১৫ কেজির মাছটি কিনে নেন।বিজ্ঞাপন

মোমিন মণ্ডল বলেন, মাছটি বিক্রির জন্য তাঁরা ঢাকার বিভিন্ন পরিচিত বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে তাঁরা মাছটি বিক্রি করতে চান। এর আগে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের আগে এর চেয়ে আরেকটু বড় কাতলা মাছ পেয়েছিলেন তিনি।

গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, পদ্মা নদীতে এ ধরনের বড় মাছ সংরক্ষণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ জন্য এ এলাকায় একটি অভয়াশ্রম করা খুবই জরুরি। এখন একটু কম বড় মাছ ধরা পড়ছে। সামনের পূর্ণিমায় আরও বড় কিছু মাছ ধরা পড়তে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

পদ্মায় ধরা পড়া বাগাড়টি ৩০ হাজারে বিক্রি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে সোমবার ভোরে জেলেদের জালে এবার ২৯ কেজি ওজনের একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিনে নিয়েছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা। সারা দিন ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে মাছটি বেঁধে রাখার পর বিকেলে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে বাগাড়টি বিক্রি করেন দেন চান্দু। এর আগে বৃহস্পতিবার শেষ রাতের দিকে পদ্মায় ২৫ কেজি ওজনের বাগাড় মাছ ধরা পড়ে।

দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটসংলগ্ন চাঁদনি-আরিফা মৎস্য আড়তের মালিক চান্দু মোল্লা বলেন, নিলামের মাধ্যমে সোমবার সকালে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তিনি ১ হাজার ৫০ টাকা কেজি দরে মাছটি ৩০ হাজার ৪৫০ টাকায় কিনে নেন। বিকেলে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি বিক্রি করেছেন। ঢাকার ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি কেনা দামের কথা বলে গাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তবে তাঁর আশা, অন্তত ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে মাছের দাম পাবেন।বিজ্ঞাপন


পদ্মায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২৯ কেজি ওজনের বাগাড়। সোমবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে
পদ্মায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২৯ কেজি ওজনের বাগাড়। সোমবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে

গোয়ালন্দ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, বর্তমানে নদীতে পাঙাশ ও বাগাড় মাছের মতো বড় মাছ ধরা পড়ছে। ভবিষ্যতে আরও বড় মাছ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদী। তবে এ ধরনের দেশি প্রজাতির বড় মাছ সংরক্ষণের জন্য অভয়াশ্রম করা দরকার বলেও তিনি মনে করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

দুই ভাইয়ের জালে ধরা পড়ল বড় দুই বাগাড়

রাজশাহীর বাঘায় দুই ভাইয়ের জালে ধরা পড়েছে বড় দুই বাগাড় মাছ। উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীতে শনিবার সকালে মাছ দুটি ধরা পড়ে। উপজেলার মীরগঞ্জ ভানুকর গ্রামের দুই ভাই আনার মন্ডল ও আফজাল মন্ডল মাছ দুটি ধরেন।

জেলেরা জানান, আনার মন্ডলের জালে সাড়ে ১৭ কেজি ও তাঁর ছোট ভাই আফজাল মন্ডলের জালে সাড়ে ১৬ কেজি ওজনের বাগাড় মাছ ধরা পড়ে। স্থানীয় মীরগঞ্জ বাজারে মাছ দুটি ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়।

জেলে আনার মন্ডল বলেন, দীর্ঘদিন থেকে পদ্মা নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরেন। হঠাৎ তাঁর জালে বড় মাছটি ধরা পড়ে। পরে জানতে পারেন ছোট ভাই আফজালের জালেও আরেকটি মাছ ধরা পড়েছে। এর আগেও তাঁরা এ ধরনের মাছ পেয়েছেন।

বাঘা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, পদ্মায় এখন প্রতিদিনই বাগাড় মাছ ধরা পড়ছে। বাগাড় আর পাঙাশ খুব ধরা পড়ছে। পাঙাশ কিছুটা কমেছে। এখন বাগাড় ধরা পড়ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com