আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

পটকা মাছ খেয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, তিন মেয়ে অসুস্থ

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় পটকা মাছ খেয়ে অসুস্থ হয়ে স্বামী-স্ত্রী মারা গেছেন। একই মাছ খেয়ে তাঁদের তিন মেয়েও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারা কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

মারা যাওয়া দুজন হলেন মৃগা ইউনিয়নের পূর্বপাড়ার হেমেন্দ্র মালাকার (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী সঞ্চিতা মালাকার (৪৫)। হেমেন্দ্র মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে মারা যান। বুধবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সঞ্চিতা মারা যান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজন হলো সীমা মালাকার (১৬), তমা মালাকার (১৩) ও প্রিমা মালাকার (৪)।বিজ্ঞাপন

পটকা মাছ না খাওয়ার জন্য তাঁরা বারবার সচেতন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকেও সচেতনমূলক পোস্ট করছেন। এরপরও মানুষ এ ভুল করছেন।

মো. মুজিবুর রহমান, সিভিল সার্জন, কিশোরগঞ্জ

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে পটকা মাছ খেয়ে পরিবারের পাঁচজনই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাড়িতেই হেমেন্দ্র মালাকার মারা যান। বুধবার সকালে বাকি চারজনকে প্রথমে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁদের কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় সঞ্চিতা মালাকার মারা যান।

হেমেন্দ্র মালাকারের ভাতিজা কালি প্রসন্ন মালাকার বলেন, একই হাসপাতালে সীমা, তমা ও প্রিমা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন মো. মুজিবুর রহমান বলেন, পটকা মাছ না খাওয়ার জন্য তাঁরা বারবার সচেতন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকেও সচেতনমূলক পোস্ট করছেন। এরপরও মানুষ এ ভুল করছেন। পটকা মাছ কারও খাওয়া উচিত না।

দৈনন্দিন

শিশুর হাড়ের রোগ রিকেটস

অনেক সময় বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে, কেন একটি শিশু অকারণ অস্বস্তিতে ভুগছে। অযথাই কান্নাকাটি করে, আগের মতো দৌড়াদৌড়ি করে না। একটু বড় শিশু হলে মাঝেমধ্যে পায়ের ব্যথার কথা বলে। তারপর আস্তে আস্তে দেখা গেল, তার পা দুটো বেঁকে গেছে, হাঁটাহাঁটিতে আগের চেয়ে আরও বেশি অনীহা। এভাবেই প্রকাশ পেতে পারে শিশুদের হাড়ের রোগ রিকেটস, যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি–এর অভাবে হয়ে থাকে।

গর্ভবতী মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে জন্মের পর শিশুর শরীরে ভিটামিন ডি–এর অভাব দেখা দেয়। এর থেকে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয় এবং শিশু খিঁচুনিসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। দীর্ঘ মেয়াদে শিশু ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাব থেকে রিকেটস রোগে আক্রান্ত হয়। যেকোনো কারণে শিশুর শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রার তারতম্যের ফলে প্রথমে হাড় নরম হয়ে যায়, যার থেকে পা বেঁকে যায়। কোথাও কোথাও হাড় বেড়ে চওড়াও হয়ে যায়, মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়। শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, হাঁটা শুরু করতে দেরি হয়। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অনেকের দাঁত উঠতে দেরি হয়, মাথা বড় দেখায়, বুকের খাঁচা অস্বাভাবিক রূপ নেয়, পরবর্তী সময়ে যা ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। জটিলতা বৃদ্ধির আগেই সঠিক চিকিৎসা না করলে হাড় ভেঙে যেতে পারে, শিশু পঙ্গু হয়ে যেতে পারে। এমনকি শিশুর অকালমৃত্যুও ঘটতে পারে।বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

রিকেটস রোগ প্রতিরোধে গর্ভবতী মা ও শিশুদের পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার (যেমন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, সবুজ শাকসবজি, মটরশুঁটি, ছোট মাছ) খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি ভিটামিন ডি–এর জোগান নিশ্চিত করা আবশ্যক। কারণ, ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ হতে সহায়তা করে।

শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি জোগান দিতে দরকার নিয়মিত উন্মুক্ত ত্বকে সূর্যালোক লাগানো, বাইরে খেলাধুলা। কারণ ডিমের কুসুম, মাশরুম ও বিশেষ কিছু তৈলাক্ত মাছ ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন খাবারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি থাকে না বললেই চলে।

সচেতনতার সঙ্গে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের পরও যদি শিশুর শরীরে রিকেটসের কোনো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা নিলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওষুধের মাধ্যমে রিকেটস সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জরায়ুমুখ ক্যানসার থেকে বাঁচুন

বাংলাদেশে নারীর প্রজননতন্ত্রের ক্যানসারগুলোর মধ্যে ৭০ শতাংশই জরায়ুমুখ ক্যানসার (সার্ভিক্যাল ক্যানসার)। কিন্তু এটি এমন এক রোগ, যা প্রতিরোধের জন্য রয়েছে কার্যকর টিকা। আছে ক্যানসারপূর্ব অবস্থা শনাক্তকরণের পরীক্ষাও। এই দুটি প্রতিরোধব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব।

হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস নামক একটি গোত্রের ভাইরাস জরায়ুমুখ ক্যানসারের জন্য দায়ী। বাল্যবিবাহ, কম বয়সে সহবাস, অধিক সন্তান ধারণ এবং ঘন ঘন সন্তান প্রসব, বহুগামিতা, ধূমপান, দীর্ঘদিন একনাগাড়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন, প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ ও এইচআইভি/এইডস রোগে আক্রান্ত হলে এই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। সাধারণত ৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী নারীরা বেশি আক্রান্ত হন।বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

উপসর্গ

প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের কোনো লক্ষণ না–ও দেখা দিতে পারে। সহবাসের পর রক্তক্ষরণ, মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় রক্তপাত, অনিয়মিত বা অতিরিক্ত রক্তস্রাব, সাদা স্রাব, তলপেটে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, হাড়ে ব্যথা, যোনিপথ দিয়ে প্রস্রাব বা পায়খানা নির্গত হওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত পড়া ইত্যাদি।বিজ্ঞাপন

করণীয়

● সাধারণত ৯ থেকে ২৬ বছর বয়সী মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়। তবে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত নারীদেরও এই টিকা দেওয়া যাবে। সহবাসের আগে টিকা দেওয়া হলে তা সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

● স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে জরায়ুমুখ ক্যানসার আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব। ফলে চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যানসার থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠা যেতে পারে। এইচপিভি ডিএনএ টেস্ট, প্যাপ স্মিয়ার, ভায়া টেস্ট ইত্যাদি এ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মধ্যে এইচপিভি ডিএনএ টেস্ট সবচেয়ে কার্যকর। টিকা দিলেও স্ক্রিনিং টেস্ট করতে হবে। ৩ থেকে ৫ বছর পরপর এটা করা হয়ে থাকে।

● অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে এই ক্যানসারের চিকিৎসা করা হয়। অন্যান্য ক্যানসারের সঙ্গে এই ক্যানসারের পার্থক্য হলো এটি প্রাথমিক অবস্থায়ই শনাক্ত করা সম্ভব এবং যথাযথ সময়ে চিকিৎসা নিলে পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব। তাই সচেতনতাই পারে রোগটিকে রুখতে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

চিনির মোহ কাটবে যেভাবে

অনেকের চিনির প্রতি রয়েছে তীব্র মোহ। এই কারণে স্বাভাবিক মাত্রার থেকে অনেক বেশি চিনি খেতেও ভালো লাগে। এ ছাড়া চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার সঙ্গে মানসিক বিষয়েরও কিছুটা সম্পর্ক রয়েছে। যদিও সাদা চিনির ক্ষতিকর দিক অনেক।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ দিনে চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পারবেন ৯ চা-চামচ। মেয়েদের ক্ষেত্রে সেটি ৬ চা-চামচ। চিনি খাওয়ার মোহ বেশি থাকলে হঠাৎকমিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারেন, পরামর্শ দিলেন পারসোনা হেলথের প্রধান পুষ্টিবিদ শওকত আরা সাঈদা।

খাবারে চিনি ব্যবহারের আগে মেপে নিন
খাবারে চিনি ব্যবহারের আগে মেপে নিন

যে ধরনের খাবার খাবেন

চিনির বিকল্প হতে পারে মধু
চিনির বিকল্প হতে পারে মধু

চিনির প্রতি তীব্র মোহ কমাতে চিনির বিকল্প বেছে নিতে হবে। সাদা চিনি খাওয়া একেবারেই বাদ দিন। লাল চিনি সাদা চিনির থেকে কম ক্ষতিকর। এ ছাড়া মিষ্টি ফল, ফলের সালাদ বা কাস্টার্ড ভালো সমাধান। খেজুর, মধু, গুড়, কিশমিশ খেয়েও কিন্তু মিষ্টির মোহ কমাতে পারেন, যা ততটা ক্ষতিকরও নয়।

তবে কৃত্রিম চিনি কোনোভাবেই খাওয়া যাবে না। সে ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক চিনি, যেমন স্টিভা নামের একধরনের পাতা খেতে পারেন, যা চিনির স্বাদ দেবে কিন্তু চিনির মতো ক্ষতিকর নয়।

অনেক সময়ে গর্ভকালে বা মানসিক অবস্থার কারণে চিনির প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়।

মন খারাপ হলে অনেকেই চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া শুরু করেন। মন ভালো রাখতে এটি অনেকের কাছে প্রচলিত উপায়। কিন্তু ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট এ্যানি বাড়ৈ বলেন, মন খারাপ হলে মিষ্টি খাওয়া কোনো সমাধান নয়। মিষ্টি আমাদের শারীরিক শক্তি এনে দেয়, অনেক ক্ষেত্রে মনে হয় তা মন ভালো করছে। এটি খুবই অস্থায়ী অনুভূতি, যা সাময়িক ভালো লাগা দিতে পারে। উল্টো এতে শারীরিক ক্ষতি হয় মারাত্মক। মনের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো নয়। তাই চিনির প্রতি মোহ কমাতে বেশ কিছু বিষয় চর্চা করা যেতে পারে। এতে মনও অনেক ক্ষেত্রে ভালো হয়। তবে ব্যক্তিবিশেষে উপায়গুলো আলাদা হতে পারে।

পানি পান

চিনির প্রতি মোহ হতে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস পানি পান করতে পারেন। এই উপায় অনেক ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

পানি পান চিনি খাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে আনতে পারে
পানি পান চিনি খাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে আনতে পারে

ফল খাওয়া

চিনির বদলে ফল খেয়ে চিনির মোহ কমাতে পারেন। এতে ধীরে ধীরে মোহ কাটবে।বিজ্ঞাপন

আমিষ খাওয়া

চিনি যেহেতু শক্তি দেয়, তাই এর বিপরীতে আমিষ খেতে পারেন। চিনি খাওয়ার পর যে অনুভূতি হয়, তার অনেকটাই পাওয়া যায় আমিষ খাওয়ার পর।

ঘুম

পর্যাপ্ত ঘুম রোধ করবে চিনি খাওয়ার প্রবণতা
পর্যাপ্ত ঘুম রোধ করবে চিনি খাওয়ার প্রবণতা

মন ভালো রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। চিনি না খেয়ে মন যেন ভালো থাকে, সে চেষ্টাই প্রথমে করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ত্বকের যত্নে যেভাবে কাজ করে আনারস

ধীরে ধীরে আপনার ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে লাবণ্য হারাচ্ছে? এমন হলে হতাশ হবেন না। কারণ সমাধান আপনার হাতের নাগালেই আছে। শুনতে অবাক মনে হলেও স্কিনের যেকোনো সমস্যায় দারুণ কাজ করে আনারস। আর স্কিনের যত্নে এই ফলের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।  আপনি যদি প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ত্বকের যত্ন নিতে চান তাহলে চলুন আনারসের ব্যবহার জেনে নেওয়া যাক।

চিকিৎসকদের মতে, আনারস ত্বক, চুল ও হাড়ের জন্য ভালো। কেউ যদি স্ক্রিনে ব্রণ, র‌্যাশ হওয়ার মতো সমস্যায় ভোগেন, তাহলে স্কিনের লাবণ্য ফিরিয়ে দ্রুত কাজ করে আনারস।  আনারসের রসে ভিটামিন ‘সি’ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা স্কিন হাইড্রেট ও সুস্থ রাখে। সেই সঙ্গে চেহারায় বয়সের ছাপ কমায় আনারস।

ত্বকের যত্নে আনারসের ব্যবহার : ত্বকের যত্নে আনারসের ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহার আছে।

আনারসের জুসের ব্যবহার :

তুলা দিয়ে সারা মুখে আনারসের রস লাগান। তারপর ৫ মিনিট রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন, খুব বেশিক্ষণ যেন না থাকে। কারণ আনারসে থাকা এসিডের কারণে মুখ পুড়ে যেতে পারে।

স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার :

আনারস প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা ত্বকের ডেড সেলগুলো তুলে ফেলতে সাহায্য করে।  আনারস স্লাইস করে কেটে চার ভাগ করে নিন। তারপর মুখসহ পুরো শরীরে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করুন। কিছুক্ষণ স্ক্রাবিং করার পর ধুয়ে ফেলুন। আনারস আপনার স্কিনকে এক্সফলিয়েট করার সঙ্গে সঙ্গে  স্কিনকে কোমল করে তোলে।  অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে আনারস, যা ত্বকের ব্রণ সারাতেও সাহায্য করে।

ফেস মাস্ক হিসেবে :

তিন টেবিল চামচ আনারসের জুসের সঙ্গে  একটি ডিমের কুসুম ও দুই টেবিল চামচ দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাক মুখে লাগানোর আগে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এরপর তিন থেকে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ সময় সাবান ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বন্ধ নাক খোলার ৫টি ঘরোয়া উপায়

করোনাকালে সাধারণ ফ্লুর পরিমাণ কিছুটা হলেও কমেছে। সেন্টার কন্ট্রোল ও প্রিভেনশনের দেওয়া তথ্য মতে, ২০২০-২০২১ সালে ফ্লুর পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে অনেক কমেছে।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা, লকডাউনের ফ্লু কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

 সাধারণ কিছু ফ্লুতে মানুষ কমবেশি এখনো ভুগছে। হালকা জ্বর, কফ, গলা ব্যথা, নাকে পানি আসা, শরীরে ব্যথা ও পেটে ব্যথার মতো সমস্যায় ভুগছে মানুষ। তবে বাড়িতে কিছু বিষয় মেনে চললে এই ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

গরম পানি ও তরলজাতীয় খাবার খাওয়া :

গরম পানি ঠাণ্ডার অন্যতম ওষুধ। বিশেষ করে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে নাক খুলতে দারুণ কাজ করে গরম পানি। গরম পানি, আদা দিয়ে পানি, গ্রি টি শরীর হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি নাক খোলা রাখতে সাহায্য করে। আবার যে মিউকাসের কারণে নাকে ও গলায় সংক্রমণ হয়, সেই মিউকাসকে পাতলা করতে সাহায্য করে।

গরম পানির ভাপ :

নাক বন্ধ হলে সব সময় খুব অস্বস্তি লাগে। সাইনাসের প্রদাহের কারণে এটি ঘটে। এ জন্য গরম পানির ভাপ নেওয়া উপযুক্ত একটি সমাধান হতে পারে। পানির উঞ্চতা শ্লেষ্মাকে পাতলা করতে পারে। এর ফলে সহজে নাক পরিষ্কার হয়ে যায়।

যেভাবে করবেন : স্টিম নেওয়ার জন্য প্রথমে একটি বাটিতে গরম পানি নিতে হবে। মুখ বাটির কাছে নিয়ে পাঁচ থেকে দশ মিনিট নিঃশ্বাস নিতে হবে। তবে এমন দূরত্বে আপনার মুখ রাখুন, যাতে করে পুড়ে না যায়।

ন্যাজাল স্প্রে :

ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হয়ে গেলে তা পরিষ্কারের অন্যতম উপায় হলো ন্যাজাল স্প্রে। আপনি চাইলে বাজার থেকে কিনেও এই স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন, আবার বাড়িতেও তৈরি করতে পারেন। লবণ পানি নাক খোলা রাখতে সাহায্য করবে। তবে ভালো ফলাফল পেতে অবশ্যই কিছুক্ষণ পরপর ব্যবহার করতে হবে।

ঝালজাতীয় খাবার :

আপনি যদি আপনার বন্ধ নাকের চিকিৎসা করাতে চান, তাহলে ঝালজাতীয় খাবার খেতে পারেন। কাঁচা মরিচে ক্যাপসাইসিন নামক উপাদান থাকে, যার তাপ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। এতে করে প্রদাহও কমে।  

উষ্ণ প্রবাহ :

আপনার যদি ঠাণ্ডা লেগে নাক বন্ধ থাকে, তবে নাকের ওপর গরম কিছু রাখুন। সে ক্ষেত্রে একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভেজাতে পারেন। তারপর পানি ঝরিয়ে তোয়ালেটি নাকের ওপর দিয়ে রাখুন। উষ্ণতা বন্ধ নাকের দ্রুত চিকিৎসা করবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com