আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

পঙ্গপাল দমন না করে বিক্রি, আয় করছেন কৃষকরা!

পঙ্গপাল দমন না করে বিক্রি, আয় করছেন কৃষকরা!
পঙ্গপাল দমন না করে বিক্রি, আয় করছেন কৃষকরা!

তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহভাবে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল ছড়িয়ে পড়েছে ভারত ও পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে। যেহেতু করোনাভাইরাসের মাঝে পঙ্গপালের আক্রমণ খাদ্য সংকটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে এ সংকটের মাঝেও নতুন একটি সমাধান খুঁজে পেয়েছেন পাকিস্তানের কৃষকরা।

সামাটিভি‘র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পঙ্গপাল শুধু দমন করাই নয়, তা বিক্রি করে আয়েরও বড় উপায় হয়ে উঠেছে পাঞ্জাবের ওকারা জেলায়। ক্ষুদ্র এ পতঙ্গটি ব্যবহার করা হচ্ছে মুরগির উচ্চপ্রোটিন যুক্ত খাবার হিসেবে।

ওকারা জেলায় উদ্ভাবনী এ প্রকল্প এনেছেন পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ খুরশিদ ও পাকিস্তান কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের জৈবপ্রযুক্তিবিদ জোহর আলী।

এরপর প্রকল্পের একটি শ্লোগান দেন তারা, ‘পঙ্গপাল ধর, আয় কর এবং ফসল বাঁচাও’। প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রতি কেজি পঙ্গপালের বিনিময়ে ২০ পাকিস্তানি রুপি করে দেয়া হয়।

খুরশিদ ও আলী মিলে পাকিস্তানের জনসংখ্যাবহুল প্রত্যন্ত গ্রাম ওকারা জেলাতে তিনদিনের পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেন। প্রকল্পটি ছিল দেপালপুরে পেপলি পাহার বনে। গত ফেব্রুয়ারি থেকেই সেখানে বিপুল সংখ্যক পরিপক্ক পঙ্গপাল আসতে থাকে। আর ওই বন নির্বাচন করার কারণ ওখানে পঙ্গপালের ওপর কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি।

এ ধারণার অন্যতম প্রবর্তক পাকিস্তানের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খুরশিদ বলেন, পঙ্গপাল সাধারণত দিনের আলোতে উড়ে বেড়ায়। রাতে ওরা গাছপালায় বা উন্মুক্ত ময়দানে বিশ্রাম নেয়। তখন একদম নড়াচড়া করে না। মৃতের মতো পড়ে থাকে। ওই সময় পঙ্গপাল ধরা অনেক সহজ। আমরা কৃষকদের সেই বুদ্ধি দিলাম। তাতেই কাজ হলো। কৃষকরা প্রথম রাতেই ৭ টন পঙ্গপাল ধরেছে। আমরা সেগুলো পার্শ্ববর্তী মুরগির খাবার তৈরির কারখানায় বিক্রি করেছি। ওই রাতে কাজ করে কোনো কোনো কৃষক ২০ হাজার রুপিও আয় করে।

এ ব্যাপারে পাকিস্তান কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের জৈবপ্রযুক্তিবিদ আলী বলেন, আমরা যখন শুরু করলাম তখন অনেকেই উপহাস করেছে। কারণ পঙ্গপাল ধরে বিক্রি করবে এ চিন্তা তখন পর্যন্ত কেউ করতে পারেনি। প্রথম রাতে ১০ থেকে ১৫ জন কৃষক কাজ করে। কিন্তু লোভনীয় এ আয়ের খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে তৃতীয় রাতে কয়েকশ কৃষক জড়ো হয়। তারা নিজেরাই থলে নিয়ে আসে এবং সারারাত পঙ্গপাল ধরে থলে ভর্তি করে ফেলে। আমরাও তাদের বিনিময় দিয়ে দিলাম।

খুরশিদ আরো জানান, ইয়েমেনের ২০১৯ সালের একটি উদাহরণ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তারা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও দুর্ভিক্ষ কবলিত ওই দেশটিতে শ্লোগান উঠেছিলো, পঙ্গপাল খেয়ে ফেল, ওরা ফসল খাওয়ার আগে।

পাকিস্তানে মুরগির খাবার তৈরির প্রতিষ্ঠান হাই-টেক ফিডসের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আতাহার বলেন, কীটনাশক ব্যবহার ছাড়া পঙ্গপাল ধরা গেলে এটি অত্যন্ত উচ্চপ্রোটিন যুক্ত খাবারে পরিণত হয়। এ খাবার হাস-মুরগি, মাছ ও গবাদিপশুকে খাওয়ানো যায়।

তিনি আরো জানান, প্রাণীর খাবার তৈরি করতে যে সয়াবিন আমদানি করা হয়, তাতে প্রোটিন ৪৫ শতাংশ, আর পঙ্গপালে আছে ৭০ শতাংশ। এছাড়া পঙ্গপালে খরচও পড়ে অনেক কম।

প্রকল্পের এ সাফল্যে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও সাময়িক স্থগিত রাখতে হয় করোনা মহামারির কারণে। লকডাউন শিথিল হলে প্রকল্পটি আবার শুরু করা হবে। গ্রামে কাজহীন বহুমানুষ আছে, তারা আয়ের জন্য এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন।

পরিবেশ

মাছের খামারে দুর্বৃত্তদের বিষ, মরলো দেড়শ মণ মাছ

গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাছের খামারে দুর্বৃত্তদের বিষ প্রয়োগে খামারটির প্রায় দেড়শ মণ মাছ মরে গেছে। উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের ভাসানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার সকালে স্থানীয় ওই মাছের খামারের মালিক ও ঢাকা জজ কোর্টের শিক্ষানবিশ আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান। এর আগে তিনি গত শুক্রবার কালীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানাধীন উলুখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন জানান, তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের ভাসানিয়া এলাকায় জমি কিনে শখ করে সেখানে মাছের খামার করেছেন। কিন্তু শখের ওই খামারে দুইদিন আগে কে বা কারা রাতের আঁধারে বিষ ঢেলে দিয়েছে। এতে ওই আইনজীবীর মৎস্য খামারের সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

এসআই জাকির আরও জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া জানান, গত ১৩ অক্টোবর তার মাছের খামারের কেয়ারটেকার মোকলেস তাকে ফোন করে জানায় যে, পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠছে। পরে তিনি এসে দেখেন তার মাছের খামারে অবমুক্ত করা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দেড়শ মণ মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পাঁচ লাখ টন মজুদ থাকার পরও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন

দুই সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কাঁপুনি ধরিয়েছে ক্রেতার পকেটে। গত মাসের শেষ দিকে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা থাকা নিত্যপণ্যটি দাম বেড়ে এখন ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এই দাম বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছে না ক্রেতা। খোদ বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন দেশে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী তিন মাস চাহিদা মেটানো যাবে।

পেঁয়াজই নয় শুধু, দাম বৃদ্ধির দৌড়ে আছে চাল, ডাল, চিনি, ভোজ্যতেলসহ আরও কয়েকটি নিত্যপণ্য। অল্প দিনের ব্যবধানেই দফায় দফায় বাড়ছে এসব পণ্যের দাম। খোদ রাষ্ট্রায়ত্ত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি এক প্রতিবেদনে বলছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম একমাসে প্রায় ১৯.৬৪ শতাংশ বেড়ে গেছে। একমাসের ভেতর দ্রব্যমূল্যের দাম এর আগে কখনোই এতটা বাড়তে দেখা যায়নি বলেও দাবি সংস্থাটির।

প্রশ্ন উঠেছে, তিন মাসের পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও কেন বাড়ছে দাম? যেখানে মধ্য সেপ্টেম্বরেও সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ছিল পেঁয়াজের কেজি সেখানে গত দুই সপ্তাহ ধরে ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছাড়া মিলছে না নিত্যপণ্যটি। অবশ্য পেঁয়াজের দাম আপাতত আর বাড়বে না বলেই অভয় দিয়েছেন বাণিজ্য সচিব। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরকে পেঁয়াজের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারে অনুরোধও জানানো হয়েছে।

সোমবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদ, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এক সভায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে এই মুহূর্তে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস চলতে পারে।’

পেঁয়াজসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি যাতে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যতদিন পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হবো, ততদিন পর্যন্ত কখনো কখনো আমাদের মূল্য নিয়ে ক্রাইসিসে পড়তে হবে।’

যদিও পেঁয়াজের দাম কবে নাগাদ সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব বলতে পারেননি। অবশ্য আরেক অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘পেঁয়াজসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সত্যিই অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। তাই কথা বলার চেয়ে এগুলো নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা যায় সেদিকে মন দিতে হবে দায়িত্বশীলদের।’

দুদকের সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে আমরা বারবার বলে আসছি। বিশেষ করে পেঁয়াজ নিয়ে এমন কিছু হবে এটা অনেকেই আশঙ্কা করেছিল। উচিত ছিল ভারত ছাড়া অন্য উৎসগুলো থেকে আগেভাগে পেঁয়াজ আমদানি নিশ্চিত করা।’

পেঁয়াজ নিয়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস প্রতি বছরই ওঠে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করায় দেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। দফায় দফায় বেড়ে তখন পণ্যটির দাম কেজি প্রতি ৩০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছয়। তবে বিকল্প উৎস থেকে সরকারি ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে আমদানি করে সেবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

দুই সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার কারণ নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর ভাষ্য, পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাসে, এত দিন পর্যন্ত পেঁয়াজ থাকে না। তাই কৃষকেরা সব বিক্রি করে দেন। পেঁয়াজ পচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। আর একারণে মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।

গত রবিবার এক অনুষ্ঠানে দাম কমার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ও আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসার পরপরই আগামী ১৫ থেকে ২০ দিন পর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

অবশ্য বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কিছুটা ভিন্ন কারণ দেখিয়েছেন। তিনি বলছেন, ‘যতদিন পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হবো, ততদিন পর্যন্ত কখনো কখনো আমাদের মূল্য নিয়ে ক্রাইসিসে পড়তে হবে। এছাড়া বৃষ্টিজনিত কারণে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে।’

পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে সব ধরণের চেষ্টার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত ছাড়া মিয়ানমার থেকে যদি পেঁয়াজ আনা যায়, তাহলে কিন্তু এত প্রেশার (চাপ) পড়ার কথা না। গত বছরের তুলনায় এবছর অন্তত এক লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন বেশি হয়েছে।’ শুধু পেঁয়াজ নয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে ১৭টি পণ্য রয়েছে সেগুলোর মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি মনিটর করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয় জানিয়ে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানান, নভেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসবে। ভারতের বেঙ্গালুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে সেখানকার বাজারে দাম বেড়ে গেছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, সেটার প্রভাবে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিছু ভারতের দাম বাড়ার জন্য এবং কিছু আশঙ্কা থেকে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তিন মাসের পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা নিয়ে জানতে চাইলে ক্যাব চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, মন্ত্রী হয়তো ধারণা করে বলেছেন। যে পেঁয়াজ আছে সেটা তো কৃষকের ঘরে। এখন কৃষক কয় টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করবে সেটা তার বিষয়। এজন্য বিপদের আগেই স্বল্প মেয়াদে একাধিক উৎস থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে পেঁয়াজের উৎপাদনশীলতাও বাড়াতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চাঁদপুরে ৭৫ কেজি মা ইলিশ ৫৫ লাখ মিটার জালসহ ৩১ জেলে আটক

লেখক

জেলার পদ্মা- মেঘনায় প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভয়াশ্রমে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে চাঁদপুর  নৌ-পুলিশ।  শনিবার অভিযানের ষষ্ঠ দিন ভোর থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত চলা নৌ-পুলিশের এ অভিযানে ৭৫ কেজি মা ইলিশ ৫৫ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৩১ জেলেকে আটক করা হয়। 
এ অভিযানে  অংশ নেয় নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জমান এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান। এসময় চারটি ফাঁড়ি এবং একটি থানার পুলিশ সদস্যরা অভিযানে যোগ দেন। এছাড়া নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য্যসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত  ছিলেন। 


পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজজ্জামান বাসসকে জানান, চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ও তার আশপাশের পদ্মা ও মেঘনা নদীর বেশকিছু এলাকায় শনিবার সকাল থেকে  এ সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। তিনি আরো জানান, অভিযানকারী দলটি দেখে জেলেরা জাল ও নৌকা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেন। এসময় আটক ৩১ জেলের জাল থেকে  ৭৫ কেজি মা ইলিশ, ৮টি নৌকা,  প্রায় ৫৫ লাখ মিটার কারেন্ট  জাল আটক করা হয়।   


এদিকে, গত ৬ দিনের অভিযানে  সবমিলিয়ে চাঁদপুর জেলায়  এ পর্যন্ত এক কোটি দশ লাখ মিটার কারেন্ট  জাল, ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার ১৫টি নৌকা এবং প্রায় চারশ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। এ সময় আটক করা হয়েছে ৮০ জন জেলেকে। অন্যদিকে, আটক দের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলাসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তরমুজ থেকে তৈরি হচ্ছে ‘গুড়’, নতুন সম্ভাবনার হাতছানি

তরমুজ থেকে তৈরি হওয়ায় গুড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘তোগুড়’

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ছোটবন্ড গ্রামে  কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় তরমুজ থেকে গুড় উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। সেই উৎপাদিত গুড়ের নাম দিয়েছেন “তোগুড়”।

কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল জানান, ২০১৯ সাল থেকে তিনি তরমুজ চাষ শুরু করে সফলতা পান। এরপর তরমুজের রস মিষ্টি এবং পাতলা বলে তা জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করে সফল হন। 

তিনি আরও বলেন, “শুরুতে প্রায় তিন কেজি গুড় তৈরি করে পাড়া প্রতিবেশী, উপজেলা কৃষি অফিসারসহ অনেককেই খাইয়েছেন। আবার অনেকেই সে গুড় ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনতেও চেয়েছেন।”

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মোছাদ্দেক হোসেন জানান, আমাদের দেশের গুড় শিল্প দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, তাল ও খেঁজুর গাছের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি, গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য গাছির সংখ্যাও কমছে। এছাড়া, উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলগুলো তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তরমুজের মৌসুমের সময়ে কৃষকরা তরমুজের জন্য ন্যয্য মূল্য পান না। তাই তরমুজের গুড় কৃষিক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাই বাণিজ্যিকভাবে তরমুজের গুড় তৈরি করলে কৃষকরা তার ন্যায্যমূল্য পাবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পদ্মায় ইলিশ ধরার সময় আটক ৫৫ জেলে

মুন্সিগঞ্জের পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ ধরার সময় আটক করা হয়েছে ৫৫ জন জেলেকে। আটকদের মধ্যে ৩৭ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে রোববার (১৭অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত লৌহজং উপজেলা সংলগ্ন পদ্মা নদীর বিভিন্ন অংশে ইলিশ রক্ষায় অভিযান চালায় উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এতে সহায়তা করে নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

জানা যায়, অভিযানে ১ লাখ ২০হাজার মিটার কারেন্টজালসহ একটি মাছ ধরার নৌকা ও ২৫০কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। অভিযান শেষে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করায় জেলেদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

jagonews24

লৌহজং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান আসাদ জাগো নিউজকে জানান, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যদের সহায়তায় নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ ধরা বন্ধ করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ৫৫ জেলেকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৭ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকিদের মধ্যে ১৭ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর একজন প্রতিবন্ধী ছিলেন।

jagonews24

তিনি আরও জানান, দুপুরে জব্দ করা ইলিশ মাছ স্থানীয় বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। আর কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com