আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

নদী-বাঁধের মেরামত আর সেচের জল নিয়ে নেপাল-ভুটানও এবার ভারতের সঙ্গে সংঘাতে জড়াল

গন্ডক নদী নেপালে উৎপন্ন হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে
গন্ডক নদী নেপালে উৎপন্ন হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে

অভিন্ন নদীগুলোর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচের কাজে জলের ব্যবহার নিয়ে এবার আরও দুই প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ল ভারত।

নেপাল-ভারত সীমান্তে গন্ডক নদীর ওপর যে ব্যারাজ আছে, তার রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নেপাল বারবার বাধা দেওয়ার পর বিহার সরকার এ ব্যাপারে দিল্লির জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

পাশাপাশি, আসামের বাকসা জেলার হাজার হাজার চাষী অভিযোগ করছেন, মিত্র দেশ ভুটান তাদের সেচের জল আটকে দিয়েছে।

বাকসার জেলা প্রশাসনও বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে তারা বিষয়টি নিয়ে ভুটানের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।

কিন্তু ভারতের উত্তর সীমান্তে চীনের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এবারে বিভিন্ন নদী নিয়ে কেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের বিরোধ?

বস্তুত লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পুয়াধারার মতো সীমান্তের বিতর্কিত এলাকাগুলোকে নেপাল নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার জেরে দিল্লি ও কাঠমান্ডুর মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই – এখন তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে গন্ডক ব্যারাজ নিয়ে দুদেশের বিরোধ।

বহু বছরের সমঝোতা অনুসারে সীমান্তবর্তী এই ব্যারাজটি ভারতই বরাবর রক্ষণাবেক্ষণ করে এসেছে – কিন্তু এই মরশুমে টানা দশদিন চেষ্টা চালানোর পরও ভারতীয় প্রকৌশলীরা সে কাজে সফল হননি, বুধবারও তাদের ব্যারাজ থেকে ফিরে আসতে হয়েছে।

বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা
বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা

বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা বলছেন, “বাল্মীকিনগর জেলায় গন্ডকের ওপর যে ব্যারাজ আছে তাতে মোট ছত্রিশটা গেট আছে – আঠারোটা ভারতের দিকে, আঠারোটা নেপালের দিকে।”

“এখন নেপালের দিকে যে আঠারো নম্বর বা শেষ গেট, সেখানে তারা হঠাৎ প্রাচীর তুলে দিয়েছে।”

“ফলে বন্যা মোকাবিলার সরঞ্জাম নিয়ে আমাদের ইঞ্জিনিয়ার ও শ্রমিকরা ওদিকে যেতেই পারছেন না, বাঁধের ডানদিকের অংশ বা অ্যাফ্লাক্সটা বিরাট ঝুঁকিতে পড়েছে।”

“গন্ডক দিয়ে রোজ রাতে এখন দেড় লাখ কিউসেক জল প্রবাহিত হচ্ছে – কিন্তু আমরা যদি মেরামত আর মনিটরিংয়ের কাজই না-করতে পারি তাহলে পুরো উত্তর বিহারই ভীষণ বন্যার বিপদে পড়বে।”

উদ্বিগ্ন বিহার সরকার এরপরই এই সঙ্কটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চেয়ে বুধবার দিল্লিতে জরুরি বার্তা পাঠিয়েছে।

আসামে চাষীদের বিক্ষোভ

ওদিকে ভুটান সীমান্তবর্তী আসামের বাকসা জেলাতেও পঁচিশটি গ্রামের বেশ কয়েক হাজার চাষী বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন।

তাদের অভিযোগ, ভুটান সরকার তাদের অভিন্ন নদীগুলোর সেচের জল ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে, যে ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

আসামের বাকসা জেলায় একদল কৃষক। ক্ষেতে সেচের জন্য তারা ভুটানের নদীগুলোর ওপরেই নির্ভরশীল
আসামের বাকসা জেলায় একদল কৃষক। ক্ষেতে সেচের জন্য তারা ভুটানের নদীগুলোর ওপরেই নির্ভরশীল

সমস্যা যে একটা তৈরি হয়েছে, বিবিসি বাংলার কাছে তা স্বীকার করেছেন বাকসার ডেপুটি কমিশনার রঞ্জন শর্মাও।

মি শর্মা বলছিলেন, “এটা আসলে লকডাউনে ভুটান সীমান্ত সিল করে দেওয়ার কারণেই হয়েছে।”

“আমাদের চাষীরা এতদিন অবাধেই সীমান্ত পেরিয়ে ভুটানের দিকে চলে যেতেন, তারপর ছোট ছোট নদীর ধারাগুলো সুবিধেমতো চ্যানেল কেটে নিজেদের চাষের ক্ষেতে সেচের জন্য নিয়ে আসতেন।”

“সীমান্ত এখানে শিথিল, দুদিকের স্থানীয় লোকজন বিনা বাধাতেই এপার-ওপার যাতায়াত করেন, কাজেই কোনও অসুবিধা হত না।”

“কিন্তু এখন যে সমস্যাটা হচ্ছে, এই বিষয়টা আমি আমাদের লাগোয়া ভুটানের সামড্রুপ জোঙ্কার জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে জানিয়েছি, তিনি বিষয়টা দেখারও আশ্বাস দিয়েছেন।”

ভুটান থেকে বেকি, পাগলাদিয়া, পুথিমারির মতো যে সব নদী ভারতে নেমে এসেছে, বাকসা জেলার কৃষকরা সেচের জন্য সেগুলোর অসংখ্য ছোট ছোট শাখানদী বা পাহাড়ি ঝোরার ওপরেই নির্ভরশীল।

এবারের চাষের মৌশুমে সেই সেচের জল না-পেয়ে তারা গভীর সঙ্কটে পড়েছেন।

মেধা পাটকর
মেধা পাটকর

ভারতের সুপরিচিত পরিবেশকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট মেধা পাটকর মনে করেন, নেপাল বা ভুটানের সঙ্গে ভারতের এই ধরনের বিরোধে জড়িয়ে পড়ার পেছনে আসলে দুপক্ষেরই দায় আছে।

মিস পাটকর বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, “বিহার সরকারই বা বাঁধ মেরামতের কাজ এই জুন মাসে, এত দেরিতে শুরু করল কেন? এটা তো অনেক আগে, সেই শীতেই করা দরকার ছিল।”

“ফলে তারা যেমন শুধু নেপালকে দোষ দিতে পারে না, তেমনি নেপাল ও ভুটানেরও আরেকটু পরিণতিবোধ দেখানো উচিত ছিল।”

“আসলে এই নদী, জলধারা বা হিমবাহ তো কখনও একটা নেশন স্টেটের সম্পত্তি হতে পারে না, সেখানে সবার আগে দাবি মানুষের। সেইটা ভুলে গিয়ে যদি আমরা সেই মানুষগুলোকেই কোণঠাসা করি, সেটা খুবই অন্যায়।”

লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে সামরিক সংঘাত ও মানচিত্র নিয়ে নেপালের সঙ্গে বিরোধ আগে থেকেই দিল্লিকে অস্বস্তিতে রেখেছে।

এখন দেখা যাচ্ছে, উত্তর সীমান্তের কোনও কোনও অভিন্ন নদীও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ এনে হাজির করছে।

  • মেধা পাটকর

    মেধা পাটকর

  • আসামের বাকসা জেলায় একদল কৃষক। ক্ষেতে সেচের জন্য তারা ভুটানের নদীগুলোর ওপরেই নির্ভরশীল

    আসামের বাকসা জেলায় একদল কৃষক। ক্ষেতে সেচের জন্য তারা ভুটানের নদীগুলোর ওপরেই নির্ভরশীল

  • বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা

    বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা

  • গন্ডক নদী নেপালে উৎপন্ন হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে

    গন্ডক নদী নেপালে উৎপন্ন হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে

  • মেধা পাটকর
  • আসামের বাকসা জেলায় একদল কৃষক। ক্ষেতে সেচের জন্য তারা ভুটানের নদীগুলোর ওপরেই নির্ভরশীল
  • বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা
  • গন্ডক নদী নেপালে উৎপন্ন হয়ে ভারতের বিহারে প্রবেশ করেছে
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

বিশ্ব

অক্সিজেন শূন্য হতে যাচ্ছে পৃথিবী!

লেখক

অতিরিক্ত মিথেন গ্যাস নিঃসরণ আর স্বল্প অক্সিজেনে প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে পৃথিবীর জন্য। বিবর্ণ হতে শুরু করবে সবুজ আর নীল এই গ্রহ। কোটি বছর পড়ে সৌরজগতের এই গ্রহে প্রাণের কোন অস্তিত্বই থাকবে না। এমন পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের।


বিজ্ঞানীরা জানান, ২৪০ কোটি বছর আগে পৃথিবী যেমন ছিল, তেমন রূপই ধারণ করবে। পৃথিবীতে আর প্রাণের অস্তিত্ব থাকবে না। মানুষ তো থাকবেই না, থাকবে না অন্য কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণির অস্তিত্বও।



যত দিন যাচ্ছে, ততই মানুষের বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই পৃথিবী। সব কিছু এখন স্বাভাবিক, সুন্দর মনে হলেও এমন দিন আসবে, যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে শ্বাস নেওয়ার মতো বাতাস, অক্সিজেন থাকবে না। বাস্তবে পৃথিবীকে ঘিরে থাকবে না কোনো বায়ুমণ্ডলই। সূর্যের প্রচণ্ড তাপে এবং ক্ষতিকর বিকিরণে ধ্বংস হয়ে যাবে ওজনস্তর। ফলে অক্সিজেন নির্ভর প্রাণের পক্ষে টিকে থাকা যেমন অসম্ভব হবে, তেমনি অসম্ভব হয়ে পড়বে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণও। মানুষ তো বটেই, অল্প কিছু অণুজীব ছাড়া কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ বাঁচতে পারবে না এই গ্রহে। ২৪০ কোটি বছর আগের পরিস্থিতি যে রকম ছিল, পৃথিবী আবার ফিরে যাবে সেই অবস্থায়। পৃথিবী তখন ভরে যাবে অত্যন্ত বিষাক্ত মিথেন গ্যাসে।


পৃথিবীতে কমছে অক্সিজেনের পরিমাণ। গ্রিনহাউসের কারণে পৃথিবী আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে। অক্সিজেনের ওপর প্রতি সেকেন্ডে মানুষ আর প্রাণিরা নির্ভরশীল। কোটি বছর পর আর এই অক্সিজেনই থাকবে না পৃথিবীতে। পৃথিবী হয়ে যাবে মঙ্গলের মতো পাথুরে একটি গ্রহ। সমুদ্রের সব পানি বাষ্প হয়ে যাবে। সূর্যের তাপ বাড়ছে, বাড়ছে পৃথিবীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড। পৃথিবীকে রক্ষা করা ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই ওজন স্তর না থাকলে সূর্যের তাপ পৃথিবীতে প্রবেশে কোন বাঁধা থাকবে না। ২০০ কোটি বছরের মধ্যেই পৃথিবীর সমুদ্রগুলো শুষে নেবে সূর্য।





সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, অক্সিজেন এতো আশঙ্কাজনকহারে কমে যাবে, যে পৃথিবীতে কোনো প্রাণিই বেঁচে থাকবে না।


নাসার ’নেক্সাস ফর এক্সোপ্ল্যানেট সিস্টেম সায়েন্সের’ গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। গবেষণাটির মূল গবেষক হচ্ছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ভূবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্রিস রেনহার্ড ও জাপানের তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞানী অধ্যাপক কাজুমি ওজাকি জাবি।
তাদেন গবেষণা বলছে, পৃথিবীতে শুধু অণুজীব টিকে থাকবে। ওজন স্তর না থাকলে পৃথিবী আর কোন প্রাণির জন্য বাসযোগ্য থাকবে না। জলবায়ু পরিবর্তন যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরেই থাকে, আগামী ১০০ কোটি বছরের মধ্যেই পৃথিবী অক্সিজেনশূন্য হয়ে যাবে। এরমধ্যে সূর্যের বয়স হবে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘাটতি হলে গাছের জন্য টিকে থাকা কষ্ট হবে। গাছও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজনে সরবরাহ করতে পারবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

স্বর্ণের চেয়েও দামি, এক কাপ চায়ের মূল্য সাড়ে আট লাখ টাকারও বেশি!

এবার স্বর্ণের চেয়েও দামি চায়ের সন্ধান মিলেছে। যার এক গ্রামের দাম স্বর্ণের এক গ্রামের দামের থেকে ৩০ গুণ বেশি। এর এক কাপ চায়ের দাম সাড়ে সাত লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকারও বেশি)। শুনলে খটকা লাগলেও ঘটনা সত্যি। বিশ্বের অন্যতম দামি এই চায়ের নাম ‘দা হোং পাও’। 

খুব বিরল জাতের এই চা উৎপন্ন হয় চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের উয়ি পর্বতে। সারা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র চীনে এই চায়ের ছ’টি গাছ রয়েছে। বিরল এবং উৎকৃষ্ট গুণমানের জন্য দা হোং পাও-কে চায়ের রাজা বলা হয়। ২০০৬-এ চীন সরকার প্রায় ১১৭ কোটি টাকার বিমা করিয়েছে এই ছ’টি চা গাছের। এক কেজি এই চায়ের দাম প্রায় ৮ কোটি ৩০ লক্ষ রুপি। তিনশো বছর ধরে এই চায়ের চাষ হচ্ছে চীনে।জানা গেছে, মূল্যবান এই চায়ে ক্যাফিন, থিওফিলিন, পলিফেনলস এবং ফ্ল্যাবোনয়েড আছে। স্বাস্থ্যের পক্ষে যা খুব উপকারী। প্রতি দিন এই চা খেলে ত্বক ভাল থাকে। মাটির পাত্রে বিশুদ্ধ পানিতে এই চা বানাতে হয়। সুগন্ধের জন্যও এই চায়ের দাম এত বেশি। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের দাম কমেছে খুলনায়

শুক্রবার খুলনার খুচরা ও পাইকারি বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়।
চার দিন আগে খুলনার বাজারগুলোতে হু হু করে বেড়েছিল পেঁয়াজের দাম। সে সময় দেশি পেঁয়াজের দাম খুচরা বাজারে ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।


পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, বার্মা থেকে পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। ২১ দিনের মধ্যে আরও কমবে।
তবে কেউ কেউ বলছেন, আসন্ন দুর্গাপূজার কারণে ভারতে থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে না। যে কারণে দাম বেড়েছিল। পেঁয়াজ এখন ভারত নির্ভর পণ্য। আমাদের দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তা দিয়ে দেশের মানুষের চাহিদা মেটানো অসম্ভব। ভারত পেঁয়াজ দেওয়া বন্ধ করে দিলে এ পণ্যটির দাম বেড়ে যায়।


ময়লাপোতাস্থ সন্ধ্যা বাজারের সুমী স্টোরের মালিক কাউসার আলী হোসেন বলেন, দেশি জাতের পেঁয়াজ ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকায় উঠেছিল। এখন সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজি দরে।
পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা খুলনার বড় বাজারের মেসার্স ফরাজী ট্রেডিংয়ের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মিলন ফরাজী বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজের পাইকারি দাম ছিল কেজি প্রতি ৩৪-৩৬ টাকা। যা শনিবার বিক্রি হয়েছে ৪০-৪২ টাকা। সোম ও মঙ্গলবার সেই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৭-৪৮ টাকায়। অনুরূপ ভাবে ৩৮-৩৯ টাকা কেজি দরের দেশি পেঁয়াজ ৬০-৬২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা বুধবারও অব্যাহত ছিল। বৃহস্পতিবার থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।


তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মিয়ানমারের থেকে পেঁয়াজ এসেছে। যে কারণে ২-৩ টাকা কেজি দরে দাম কমে গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

ফের জ্বলে উঠলো বিদ্যুতবিহীন লেবানন

লেবাননে জ্বালানির স্বল্পতা থাকায় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়ে পুরো দেশ। পরে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থায়নের পরপরই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে বন্ধ হয়ে থাকা দেশটির বৃহত্তম দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র। 

দেশটির জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেইর আম্মার ও জাহরানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়েছে পুরো লেবানন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গতকাল রবিবার প্রয়োজনীয় জ্বালানি কিনতে লেবানন সরকারকে একশ’ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে ।এদিকে, আমদানি না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের মজুত থেকে জ্বালানি দিয়ে সহায়তা করতে রাজি হয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। 

এছাড়াও গত মাসে ইরান থেকে জ্বালানি আমদানি করে হিজবুল্লাহ। এরপরও লেবাননের জ্বালানি সংকটের কোনও সমাধান হয়নি। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পদ্মায় ইলিশ মাছ নিধনের অপরাধে ৩২ জেলেকে দণ্ড

সরকারী নিষেধাজ্ঞা লংঘন করে মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মায় ইলিশ মাছ নিধনের অপরাধে ৩২ জন জেলেকে ১ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

মৎস বিভাগ ও পুলিশের একটি টিম শুক্রবার গভীররাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চালিয়ে ৩২ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত এ সাজা প্রদাণ করেন। এসময় ইলিশ মাছ ক্রয়ের অপরাধে ৩ নারী ক্রেতাকে মোট ২৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানকালে জব্দকৃত প্রায় ৩০ হাজার মিটার জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংশ করা হয় ও ২০ কেজি ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম রকিবুল হাসান বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিনিয়ত আমাদের অভিযান চলছে এবং অব্যাহত থাকবে।

মাদারীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র ওঝাঁ জানান, এর আগে ৩৮ জেলেসহ এ পর্যন্ত ৭০ জন জেলেকে এক বছরের দণ্ড দেয়া হয়। এরপরও অপরাধ অব্যাহত থাকলে আরো কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। কোনভাবেই অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না। আমরা মা ইলিশ রক্ষা করতে পারলে সারা বছর ইলিশ খেতে পারবো বলে কর্মকতার্র অভিমত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com