আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

নাগোর্নো-কারাবাখ: নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মাথায় ভঙ্গ, পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র চার মিনিটের মাথাতেই ভেঙ্গে পড়েছে। যুদ্ধবিরতি ভাঙ্গার দায়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া, দুপক্ষই পরস্পরকে এখন দুষছেঅ।

স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সমঝোতা হয়েছিল।

কিন্তু আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র চার মিনিটের মাথায় আর্টিলারি শেল ও রকেট ছুড়ে তা লঙ্ঘন করে আজারবাইজান।

পরে আজারবাইজান পাল্টা দোষারোপ করে বলে, আর্মেনিয়াই সন্ধি ভেঙ্গেছে।

রাশিয়ার মধ্যস্থতা করা এই যুদ্ধবিরতিতে দু দেশই গত শনিবার সই করেছিল।

গত সপ্তাহান্তে কয়েকটি চুক্তিতে সম্মতি আসার কারণে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে এর পরও সংঘর্ষ চলেছে।

গত মাসে এমন একটি এলাকা নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ বলে স্বীকৃতি থাকলেও জাতিগত আর্মেনীয়রা এটি পরিচালনা করে। এই সংঘাতে কয়েকশ মানুষ নিহত হয়।

ওই এলাকায় ১৯৯৪ সালে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ছয় বছরের সংঘাতের অবসান হওয়ার পর এটি সবচেয়ে ভয়াবহ নৃশংসতা।

এর আগে শনিবার দুই দেশই রুশ-মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আনে। এই বিবৃতির পর এমন সন্দেহ আরও স্থায়ী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক চুক্তি কী?

দুই দেশই মানবিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়, যদিও এ বিষয়ে তেমন বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

আরো পড়ুন:

আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্টদের দেয়া বিবৃতির উপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘাতে মধ্যস্থতা করার জন্য ওই তিন দেশের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালে ওএসসিই মিনস্ক গ্রুপ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলা হয়।

আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আন্না নাঘদালিয়ান এক টুইট বার্তায়ও একই বিবৃতি তুলে ধরে বলেন যে দেশটি যুদ্ধাঞ্চলে “যুদ্ধবিরতি এবং উত্তেজনা” প্রশমনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ যিনি এর আগের সপ্তাহে হওয়া চুক্তির মধ্যস্থতা করেছিলেন তিনি দুই দেশেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি তাদেরকে বলেছেন যে দুই দেশেরই আগের চুক্তিটির শর্ত “কঠোরভাবে মেনে চলা” উচিত।

যুদ্ধক্ষেত্রে কী হচ্ছে?

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শুশান স্টিপানিয়ান টুইটারে লেখেন, “শত্রুপক্ষ স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১২:০৪ মিনিটে উত্তর দিকে আর্টিলারি শেল নিক্ষেপ করে এবং রাত ০২:২০ থেকে ০২:৪৫ মিনিটের সময় দক্ষিণ দিকে রকেট নিক্ষেপ করে।”

আজারবাইজান অভিযোগ করে যে, আর্মেনিয়া শনিবার সকালে গানজা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে যাতে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৪৫ জন আহত হয়। গানজা শহরটি যুদ্ধাঞ্চল থেকে দূরে বলেও জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয় যে আর্মেনিয়া “স্বেচ্ছায় এবং নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করছে।”

আর্মেনিয়া হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা অভিযোগে বলেছে যে আজারবাইজানই মূলত বেসামরিক এলাকায় হামলা করছে।

মিজ স্টিপানিয়ান ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি দাবি করেছেন যে, নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকায় ধ্বংস্তুপ দেখা যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, আজারবাইজানের সামরিক বাহিনী নাগোর্নো-কারাবাখের রাজধানী স্টিপানাকার্টসহ বেসামরিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

বাংলাদেশ

বিদায়ের জন্য বন্ধুর মৃত্যুর তারিখকেই বেছে নিলেন ম্যারাডোনা!

বয়সের পার্থক্য যাই হোক, দু’জনের বন্ধুত্বের কথা জানা ছিল সবার। আর্জেন্টিনার দিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা আর কিউবার এক নায়ক ফিদেল ক্যাস্ত্রো- দু’জন ছিলেন একে অপরের জানের দোস্ত। ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন ম্যারাডোনা।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিজের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর দিনটিকেই নিজের বিদায়ের জন্য বেছে নিলেন দিয়েগো ম্যারডোনা! ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর, ৯০ বছর বয়সে কিউবার রাজধানী হাভানায় মৃত্যুবরণ করেন ফিদেল ক্যাস্ত্রো। ঠিক একই দিন, চার বছর পর নিজের বাড়ি, বুয়েন্স আয়ার্সের তিগ্রেতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করলেন ফুটবলের অবিসংবাধিত সম্রাট দিয়েগো ম্যারাডোনা।

দুই বিশ্ব সমাজতন্ত্র আর পুঁজিতন্ত্র। লড়াই চিরকালীন। এই লড়ইয়ের এক অধিনায়ক ফিদেল কাস্ত্রো, অপরজন ম্যারাডোনা ছিলেন তার সহযোদ্ধা। মনেপ্রাণে ফিদেল অনুরাগী- ফিদেলিস্তা। সময়ের কী আশ্চর্য সমাপতন, সেই ২৫ নভেম্বর প্রিয় ‘কমরেড’ ফিদেল মৃত্যু বরণ করেছিলেন। ম্যারাডোনাও বেছে নিলেন প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর দিনটিকে।

কিউবা পুরোপুরি কড়া কমিউনিস্ট শাসনের দেশ। যদিও সেখানে বারবার সিআইএ ষড়যন্ত্র পাকিয়েছিলো ফিদেলকে পরাজিত করতে। উল্টো সিআইএ পরাজিত হয়েছে। আর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনায় বারবার সিআইএ ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটিয়েছে, সমাজতন্ত্র হটিয়ে দিয়ে তারা কায়েক করেছে পুঁজিতন্ত্রের শাসন।

ম্যারডোনার ফিদেল কাস্ত্রোর অনুরাগী হওয়ার মূলত কারণ, তার স্বপ্ন পুরুষ যে তারই দেশের কিংবদন্তি কমিউনিস্ট নেতা বিশ্বজনীন বিপ্লবী বলে পরিচিত চে গুয়েভারা!

সেই চে গুয়েভারা কিন্তু ছিলেন কিউবায় বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক সরকার গড়ার অন্যতম রূপকার- ফিদেল কাস্ত্রোর সহযোদ্ধা। কিশোর বয়স থেকেই ম্যারাডোনা ছিলেন গুয়েভারার খাঁটি সৈনিক। কোনো অন্ধ আবেগ নয় রীতিমতো সমাজতান্ত্রিক সমর্থন থেকেই চে’র উল্কি হাতে একে পুঁজিবাদি দুনিয়াকে কটাক্ষ করে গেছেন দশকের পর দশক। বারবার চলে যান কিউবায়। ছিলেন বন্ধুর সান্নিধ্যে।

কিংবদন্তি ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল নিবিড়। সেই নিবিড়তা ম্যারাডোনাকে ক্রমশ পুঁজিবাদি শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি করে তুলেছিল। একই সঙ্গে পায়ের জাদুতে বিশ্ব কাঁপিয়ে স্বপ্নের ফুটবল উপহার দিয়েছেন তিনি।

তবে বিতর্কও কম নেই। মাদকাসক্ত হয়েছেন। যদিও অভিযোগ রয়েছে, এই আসক্তির পেছনেও সিআইএ ষড়যন্ত্র কাজ করেছিল। কিন্তু বিতর্ক সরিয়ে ম্যারাডোনা বারবার মাঠে এসেছেন। বল নিয়ে শিশুর মতো হেসেছেন।

এখন সবই অতীত। কিউবা ছিল তার দ্বিতীয় দেশ। আবার দক্ষিণ আমেরিকারই সমাজতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলার সরকারে থাকা হুগো শাভেজ বা পরবর্তীতে নিকোলাস মাদুরোর মতো নেতৃত্বের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে তার।

মূলতঃ যেখানেই সমাজতন্ত্র কায়েম হয়েছে, সেখানেই স্বচ্ছন্দ ম্যারাডোনা। যদিও খেলোয়াড়ি জীবন কেটেছে ইতালির মতো চরম পুঁজিতান্ত্রিক দেশের ক্লাব নেপোলি তে; কিন্তু ইতালিকে তেমন গ্রহণ করেননি তিনি। বরং ফুরসত পেলেই কমরেড ফিদেল কাস্ত্রো, কমরেড রাউল কাস্ত্রোর দেশ কিউবা ছিল তার গন্তব্য।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁশের যত পুষ্টিগুণ

চীনারা ঠিকই এর মর্ম জানে। তারা বাঁশের কোড়লকে “স্বাস্থ্যকর খাবারের রাজা” বলে জানে। দৈহিক সুস্থতায় এর কোনো জুড়ি নেই

সবচেয়ে লম্বা ঘাস, দ্রুত বর্ধনশীল চিরহরিৎ উদ্ভিদ হলো বাঁশ। গৃহস্থালির কাজে বাঁশের ব্যবহার সবারই জানা। কিন্তু সবার হয়ত জানা নেই যে, এটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং উপকারী খাবারও? বাঁশের কোড়ল পাহাড়ি আদিবাসীদের একটি অতি পরিচিত ও উপাদেয় খাদ্য।

সদ্য অঙ্কুরিত বাঁশের চারাকে কোড়ল বলা হয়। হালকা হলুদ এবং সবুজের মিশ্রণে এটি দেখতেও বেশ। কোড়ল খুব নরম ও আর্দ্র। বাংলাদেশে সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি আদিবাসীরা এটি বেশি খেয়ে থাকেন। তবে ভারতের মেঘালয়, আসাম ও হিমাচল প্রদেশ, নেপাল, ভুটান, চীন, কোরিয়া ও জাপানে বাঁশের কোড়ল খুব জনপ্রিয়।            

কোড়লের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা অতটা পরিচিত না হলেও চীনারা ঠিকই এর মর্ম জানে। তারা বাঁশের কোড়লকে “স্বাস্থ্যকর খাবারের রাজা” বলে জানে। দৈহিক সুস্থতায় এর কোনো জুড়ি নেই।

বাঁশের পুষ্টিমান:

পানি: ৮৮ – ৯৩%

প্রোটিন: ১.৪ – ৫%

চিনি: ০.৭৮ – ৫.৮৬%

চর্বি : ০.২৫ – ০.৯৫%

সেলুলোজ: ০.৬০ – ১.৩৪%

খনিজ পদার্থ: ১.১%

এছাড়াও আছে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন।  

বাঁশের কোড়লের উপকারিতা:

হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: মানবদেহে হৃদরোগের অন্যতম কারণ রক্তে কোলেস্টেরলের অত্যাধিক মাত্রা। তবে নিয়মিত বাঁশের কোড়ল খেলে দেহে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় থাকে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: কচি বাঁশ দেহে উচ্চরক্তচাপ কমিয়ে আনে। এর পাশাপাশি এটি ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বাঁশের কোড়ল দারুণ কার্যকরী একটি খাবার। যারা এ সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এটা রাখুন।

এছাড়াও কোড়ল খেলে ডায়াবেটিস, হাঁপানী, মৃগী রোগ, মূর্ছা ও তীব্র জ্বরের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এর কোনো খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন এই উদ্ভিদ।          

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ফল খাওয়ার সঠিক সময়

রাতে খাওয়ার পর ফল না খাওয়াই ভালো

ফল খাওয়া নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলে থাকেন। একেকজনের মত এক্ষেত্রে একেকরকম। অনেকে বলেন, খালি পেটে পানি, আর ভরা পেটে ফল খেতে হয়। অনেকে আবার বলেন, সন্ধ্যার আগেই ফল খেয়ে নেওয়া উচিত। এত মতের মধ্যে কোনটা মানবো আমরা? জেনে নেওয়া যাক পুষ্টিবিদদের পরামর্শ থেকে। 

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের কথায়, ফল হচ্ছে প্রচুর প্রাকৃতিক ভিটামিন, মিনারেল আর ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার। প্লেটের অর্ধেকটা যদি ফল, আর অর্ধেকটা সবজিতে ভরা থাকে তাহলে এমনিতেই পেট ভরবে। তাই ভরা পেটে না খালি পেটে ফল খাবেন সেই দ্বন্দ্বও থাকবে না।

এছাড়া পুষ্টিবিজ্ঞানীদরা দাবি করেন, খাওয়ার আধঘণ্টা আগে যদি কয়েক টুকরো ফল খেয়ে নেওয়া যায় তাহলে বেশি খাওয়ার সমস্যা থেকে আপনি রেহাই পাবেন। বাঁচবেন স্থূলতার সমস্যা থেকেও। তবে যেসব ফলে শর্করা বা চিনির মাত্রা বেশি, সেগুলো দিনের মূল খাবারের সময় গ্রহণ করা উচিৎ নয়। এতে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবসময়েই ফল ও মূল খাবার খাওয়ার মধ্যে কমপক্ষে আধঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিৎ। নাহলে খাবার বা ফল, কোনোটাই হজম হবে না। কারণ, ফল নিজেই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ খাবার।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে একগ্লাস পানি খাওয়ার পর ফল খেলে শরীর দূষণমুক্ত হবে, হজম ক্ষমতা বাড়বে, আরও বেশি পুষ্টি পাবেন আপনি। তবে সাধারণত, সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাওয়ার মাঝের সময়ে ফল খাওয়া যেতে পারে। সেইসঙ্গে বিকাল বা সন্ধ্যায় স্ন্যাকস হিসেবেও ফল বেছে নেওয়া যেতে পারে। 

এছাড়া খাওয়ার আগে কয়েক টুকরো ফল খেলে পাকস্থলীতে ফাইবার যায়, যা অন্য খাবার হজম করতে সাহায্য করে। আবার পেটও ভর্তি রাখে। বেশি ফাইবারযুক্ত ফল হচ্ছে আপেল, নাশপাতি, কলা।

তবে রাতে খাওয়ার পর ফল না খাওয়াই ভালো। কারণ, ফলের মধ্যে থাকা চিনি শরীরে বাড়তি এনার্জি এনে ঘুমের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ঘণ্টা দুই আগে ফল খেতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে কী হয়?

ঘুমানোর সময় আমরা শরীরে লেপটিন নামের একটি হরমোন তৈরি করি

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুমানো আসলে কোনো বিলাসিতা নয়, বরং স্বাস্থ্যকর রুটিনের একটি অপরিহার্য অংশ। অপর্যাপ্ত ঘুম আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যকে মারাত্বকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনি যদি কম ঘুমান তাহলে কী ঘটে থাকে শরীরে। 

দ্রুত শিখতে পারেন নতুন কিছু

পর্যাপ্ত ঘুমের পর সকালে আপনার দেহ ও মন দুটিই বেশ ফুরফুরে থাকে। আপনি যখন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন তা খুব দ্রুতই আয়ত্ত করতে সক্ষম হন। বিজ্ঞানিরা বলছেন, ঘুমের মধ্যে আমরা নতুন তথ্য প্রক্রিয়া করি। আপনি যদি পর্যাপ্ত না ঘুমান, তাহলে এটি আপনা্র ওপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। যার কারণে নতুন কোনো দক্ষতায় মনোনিবেশ করতে অথবা নতুন কিছু মনে রাখার ক্ষেত্রে আপানাকে বেশ বেগ পেতে হতে পারে। 

সচেতনতা বৃদ্ধি করে

নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের ফলে আপনার মনোযোগ এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা আরও বেশি সক্রিয়ভাবে কাজ করে। এটি স্পষ্টভাবে কোনো চিন্তা করতে বা দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। 

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে 

সমীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, ঘুমানোর সময় আমরা শরীরে লেপটিন নামের একটি হরমোন তৈরি করি। এই হরমোন আমাদের শরীরকে বলে দেয়, এই মূহুর্তে আমাদের কতোটুকু খাবার গ্রহণের প্রয়োজন। আমরা যখন পর্যাপ্ত না ঘুমাই, তখন এই হরমোন তৈরির প্রক্রিয়া ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে এবং আমাদের ক্ষুধা বাড়িয়ে তোলে। ফলে আমরা মাত্রাতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করি এবং আমাদের ওজন বেড়ে যেতে থাকে। 

নিরাপদ ড্রাইভ করা 

দেখা গেছে, চালকদের মধ্যে পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব রয়েছে তারা অ্যালকোহল গ্রহণকারী চালকদের মতো আচরণ করছেন। অপরদিকে যারা আট ঘণ্টা ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন, তারা বেশ নিরাপদে রয়েছেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

রক্তে চর্বি জমতে দিলেই হয় স্ট্রোক

বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট নামে পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের চর্বি পরিমাপ করাতে হবে

যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে যেন সমান হারে বেড়েই চলছে অসুখ-বিসুখ। তার ওপর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই তেমন স্বাস্থ্য সচেতন নন। কিন্তু ক্ষতিকর ও ভয়াবহ কিছু রোগে আশঙ্কা থাকে প্রানহানির। এসব রোগের মধ্য অন্যতম স্ট্রোক। 

স্ট্রোকের কারণ হলো রক্তে জমে থাকা চর্বি। আর রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলেই তা চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ এবং ব্যায়াম না করা। 

চিকিৎসকরা বলেন, রক্তে চর্বি বেশি হলে ধমনীর গায়ে সেগুলো জমা হতে থাকে। ফলে ধমনী ক্রমশঃই সরু হতে থাকে। ধমনী সরু হয়ে গেলে রক্তের সঞ্চালনও সীমিত হতে থাকে। কখনো কখনো রক্ত সঞ্চালন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই বন্ধ হওয়া যদি হার্টের করোনারি ধমনীতে হয় তখন দেখা দেয় হার্ট অ্যাটাক। হার্ট অ্যাটাকের কারণে বিভিন্ন জটিলতাসহ তাৎক্ষণিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। আর যদি মস্তিষ্কের মধ্যে এই ঘটনা হয় তবে তাকে বলা হয় স্ট্রোক। যেহেতু চর্বির আধিক্যের কারণেই বিভিন্ন জটিলতা ঘটে তাই চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ এবং শরীরের বাড়তি চর্বির ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

এক্ষেত্রে সমাধান হতে পারে প্রচুর টাটকা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া। কমিয়ে দিতে হবে তেলে ভাজা খাবার। বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট নামে পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের চর্বি পরিমাপ করাতে হবে। 

আমাদের রক্তে বিভিন্ন রকমের চর্বি থাকে। এর মধ্যে আছে ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরল, এলডিএল ও এইচডিএল। রক্তে এসবের নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। প্রতি বছর পরীক্ষা করে দেখতে হবে এই মাত্রা স্বাভাবিক আছে কি না। এগুলোর আদর্শ মাত্রা হচ্ছে   ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০ মিলি গ্রামের কম,  কোলেস্টেরল ২০০ মিলি গ্রামের কম, এলডিএল ১০০ মিলি গ্রামের কম এবং এইচডিএল ৪০ মিলিগ্রামের বেশি।

মাত্রাধিক্য দেখা দিলেই স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসার, হৃদরাগ, ফ্যাটি লিভারসহ নানারকম রোগ দেখা যায়। তাই সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আবার হোটেল-রেস্টুরেন্টের খাবার, দাওয়াতের খাবারে প্রচুর তেল চর্বি থাকে। এসব বেশি খেলে রক্তের চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়।

এছাড়াও অনেক পরিবারে বংশানুক্রমিকভাবে বাড়তে থাকে চর্বির মাত্রা। মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলেও রক্তে চর্বি বেড়ে যায়। স্ট্রোক এবং হৃদেরাগের হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই চর্বি গ্রহণ কমাতে হবে। তা না হলে দুর্ঘটনার আশংকা বাড়তেই থাকে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com