আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

নতুন বছরে ভালো থাকা

২০২০ সালে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ফিটনেস, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা, টিকা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে যতটা ভাবনাচিন্তা আর আলোচনা হয়েছে, তা বোধ হয় গত ১০০ বছরেও হয়নি। বছরজুড়ে পরিবার বা বাড়ি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সংস্থা বা গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় ছিল স্বাস্থ্য। করোনা মহামারি এ বছর আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছে তা হলো সুস্বাস্থ্য ও ফিটনেস মানুষের টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে জরুরি, আর সবকিছুর চেয়ে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই মহামারির পর মানুষের স্বাস্থ্যবিষয়ক ধ্যানধারণা, আচরণ ও জ্ঞানের পরিবর্তন হবে অভূতপূর্ব। আর আগামী বিশ্বও নিজেকে নতুনভাবে সাজাতে বাধ্য হবে মানুষের সুস্বাস্থ্যকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিয়ে। ২০২১ সালে কেমন হওয়া উচিত আমাদের জীবনাচরণ, সুস্বাস্থ্যের জন্য কীভাবে লড়াই করব আমরা?বিজ্ঞাপন

নতুন বছরে ভালো থাকা

পরিচ্ছন্নতাবোধ ও স্বাস্থ্যবিধি

সংক্রামক ব্যাধি গুরুত্ব ফিরে পেয়েছে এ বছর। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুর সঙ্গে লড়াই-ই যে মানবজাতির আসল যুদ্ধে পরিণত হবে, তা গত বছরও কেউ ভাবেনি। সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে লড়াইয়ে ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক পরিচ্ছন্নতাবোধ, হাইজিন ও স্বাস্থ্য-সতর্কতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র বলে স্বীকৃত। হাত ধোয়া, হাঁচি-কাশির আদবকেতা, যেখানে-সেখানে থুতু-কফ না ফেলা, বিশুদ্ধ খাবার ও পানি গ্রহণ, বাইরের যেকোনো বস্তু আগে জীবাণুমুক্ত বা পরিষ্কার করে ব্যবহার করা, গণপরিবহন বা কমন স্পেস ব্যবহারে সতর্কতা, পারস্পরিক স্পর্শের আগে হাত পরিষ্কার করা ইত্যাদি সু-অভ্যাস মানুষকে চর্চা করে যেতে হবে এখন থেকে সব সময়। কেবল নিজেকে নয়, পরিবেশ, বাড়িঘর, আশপাশের মানুষগুলোকেও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না রাখতে পারলে বাঁচা সম্ভব নয়। জনসাধারণের এ ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

অসংক্রামক ব্যাধির নিয়ন্ত্রণ

দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক ব্যাধি মানুষের স্বাস্থ্যকে কীভাবে নাজুক করে তোলে আর জীবাণুর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে, তা-ও প্রমাণিত হলো নতুন করে। করোনাভাইরাসের আক্রমণে সবচেয়ে বেশি পর্যুদস্ত হলেন তাঁরা, যাঁদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, কিডনি জটিলতা, ক্যানসার, হাঁপানি বা ব্রঙ্কাইটিস রয়েছে। তাই জীবাণু প্রতিরোধের সঙ্গে অসংক্রামক ব্যাধি রোধের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে সামনে। সুশৃঙ্খল জীবনাচরণ, সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন ইত্যাদি পারে এই রোগগুলোকে প্রতিহত করতে।

সঠিক ও সুষম পুষ্টি

পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতার সঙ্গে এর সম্পর্ক—এটি ছিল এ বছরের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। মহামারির শুরু থেকেই বিজ্ঞানীরা বলছেন যে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ইমিউনিটি বাড়াতে হলে সঠিক ও সুষম পুষ্টি থাকা চাই। জনপ্রিয় সব ডায়েট, যেমন কিটো, প্যালিউ, নো কার্ব, হোল ৩০ ইত্যাদি জনপ্রিয়তা হারিয়েছে এ বছর। ক্রাশ ডায়েটের প্রতি ক্রাশ কমেছে, অপরদিকে পুষ্টিকর ভিটামিন মিনারেলযুক্ত খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। শাকসবজি, ফলমূল ও প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা বেড়েছে। কোন খাবারে ভিটামিন সি এবং ডি ইত্যাদি বেশি, তার খোঁজ অনেকে নিয়েছেন, অনেকেই ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেছেন। যাঁরা বাইরের খাবার, বেশি প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতেন, তাঁরা সে অভ্যাস থেকে সরে আসছেন। বাড়িতে তৈরি তাজা বা ফ্রেশ খাবারের প্রতি ঝুঁকেছেন সবাই। ২০২০ সালের পর মানুষের অন্যতম চিন্তাভাবনার বিষয় হতে যাচ্ছে পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার, অর্গানিক খাবার আর তার যথাযথ ব্যবহার।বিজ্ঞাপন

নতুন বছরে ভালো থাকা

ফিটনেস

এ বছর ফিটনেস বাড়াতে মনোযোগী হয়েছেন সবাই। লকডাউনের সময় বাড়িতে ব্যায়াম, শারীরিক কসরত, যন্ত্রপাতির ব্যবহার, ভিটামিন ডি পেতে সূর্যের আলোতে নিয়মিত হাঁটা, পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুমানোর চেষ্টা ইত্যাদির দিকে মনোযোগ বেড়েছে। গুরুত্ব পেয়েছে নানা ধরনের ফিজিওথেরাপি, শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম (ব্রিদিং এক্সারসাইজ), ফিটনেস এক্সারসাইজ। ঘরোয়া পদ্ধতি, যেমন হারবাল ড্রিংক, আদা ও গরমমসলার চা, প্রোটিনযুক্ত স্যুপ, ফলের রস, ভাপ বা স্টিম ইত্যাদি জনপ্রিয় হয়েছে। শর্করা, উচ্চ রক্তচাপ, চর্বি কমাতে উদ্যোগী হয়েছেন সবাই।

বয়স্কদের যত্ন

কোভিড মহামারি বয়স্কদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছিল। এ বছর বহু পরিবার তাদের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যকে হারিয়েছে বা তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে লড়াই করেছে। তাই পরিবারে বয়স্কদের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। তাঁদের পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, হাইজিন বা পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ফিটনেস বাড়ানো, রোগবালাইয়ের সঠিক চিকিৎসা ইত্যাদি দিকে নজর বাড়ানো উচিত আরও। বয়স্কদের মধ্যে নানা রকম টিকা দেওয়া, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রবণতাও বেড়েছে এ বছর।

মানসিক স্বাস্থ্য

মহামারির নানামুখী আঘাতে মানসিকভাবে পর্যুদস্ত হওয়ার হার বেড়েছে, বেড়েছে বিষণ্নতা, অতি উদ্বেগ, নির্ঘুম ইত্যাদি। এ-ও প্রমাণিত হয়েছে যে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) কমায়। সামনের দিনগুলোতে টিকে থাকতে হলে মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার গুরুত্ব অপরিসীম। সে জন্য বারবার বলা হচ্ছে পরিবারে আনন্দময় সময় কাটানো, সঠিক ও পর্যাপ্ত ঘুম, স্ক্রিন টাইম কমানো, খেলাধুলা ও পারিবারিক বিনোদন, শখের পরিচর্যা ও পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে। এ বছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ মানসিক সমস্যার জন্য চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই প্রবণতা হয়তো সামনে আরও বাড়বে।

বাড়ি থেকে স্বাস্থ্যসেবা

অনেক ক্ষেত্রেই বাইরে না গিয়েও বাড়িতে বসে স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া, বাড়ি থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নমুনা দেওয়া, অনলাইনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ইত্যাদি যে সম্ভব, তা প্রমাণিত হয়েছে আর সামনে এ প্রবণতা আরও বাড়বে। আগামী বছরে হয়তো এ খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়বে। আরও বেশি মানুষ প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বাড়ি বসে চিকিৎসাসেবা নিতে আগ্রহী হবেন।

নতুন বছরে ভালো থাকা

টিকা

নতুন বছরে নিশ্চয় সবচেয়ে আগ্রহ-উদ্দীপনার বিষয় হবে করোনার টিকা। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিকা পাওয়ার পরও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও চর্চাগুলো চালিয়ে যেতে হবে আরও দীর্ঘকাল। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, দূরত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি অভ্যাস বাদ দেওয়া চলবে না। তার সঙ্গে বাড়াতে হবে ইমিউনিটি, ফিটনেস, চাই যথার্থ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য। টিকার বিরুদ্ধে নানা প্রকার গুজব ও কুসংস্কার নিয়ে একশ্রেণির মানুষ ইতিমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছেন। তবে ভাইরাসের বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি গড়ে তুলতে অধিকাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। তাই এসব কুসংস্কারে কান না দেওয়াই ভালো।

সব মিলিয়ে ২০২০ মানবজাতির জন্য একটি দৃষ্টান্তমূলক পরিবর্তন (প্যারাডিম শিফট)। আমাদের নিত্যদিনের সমস্ত জাগতিক ভাবনাচিন্তার পরিবর্তন এনে নিজের শরীর ও মনের সঠিক যত্ন নেওয়া, পরিবারের প্রতি আরও মনোযোগী হওয়া আর সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন জীবনাচরণের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই হবে আগামী দিনের ভালো থাকার মূলমন্ত্র।

দৈনন্দিন

যে ৫ সবজি বেশি খেলেই বিপদ!

শরীর সুস্থ রাখতে শাক-সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবজি রাখা জরুরি। একেক সবজি থেকে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ মেলে। আর তাই তো স্বাস্থ্য সচেতনরা অবশ্যই খাদ্যতালিকায় সবজি রাখেন।

বর্তমানে অনেকেই ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে পাতে প্রোটিন ও ভিটামিন বেশি রাখেন। তাই অনেকেই এখন ভাত-রুটি কমিয়ে শাক-সবজি বেশি করে খান।

তবে জানেন কি, অতিরিক্ত সবজি খাওয়াও বিপদের কারণ হতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন সবজি বেশি খেলে শরীরে খারাপ প্রভাব পড়ে-

>> স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে মাশরুম খুবই প্রিয় এক সবজি। বিশেষ করে বাহারি সব পদে ব্যবহার করা হয় এটি। মাশরুমে ভিটামিন ডি’সহ অনেক পুষ্টিগুণ আছে।

তবে অ্যালার্জির সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের মাশরুম খেলে সমস্যা হতে পারে। তা ছাড়াও এমন কিছু মাশরুম যা এতোটাই বিষাক্ত যে, হাত দিলেও বিপদ!

>> প্রতিদিন পাতে এক টুকরো লেবু না থাকলে খাবারের স্বাদই বাড়ে না। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, তা সবারই জানা। তবে লেবুর অ্যাসিডিক উপাদান বেশি শরীরে গেলেও ক্ষতি হতে পারে।

বিশেষ করে দাঁতের ক্ষয় হয়। আবার অনেকে শরীরের বিপাক হার বাড়াতে খালি পেটে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। তবে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এটি বদহজম ও পেট ব্যথার কারণ হতে পারে।

>> বাজারে এখন ফুলকপি উঠেছে। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক কম। যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য ফুলকপি অনেক উপকারী।

তবে এই সবজিতে এমন এক পদার্থ থাকে, যা বদহজমের কারণ হতে পারে। তাই ফুলকপি বেশি খেলে পেট ভার হয়ে থাকাসহ অ্যাসিডিটির মতো নানা সমস্যা হয়। আবার বর্ষায় বা গরমে ফুলকপি খেলেও অনেকের সমস্যা হয়।

>> লাল টকটকে বিটরুটে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান, তাদের ডায়েটে বিট থাকবেই। তবে এই সবজিও বেশি খেলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

>> গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন। যা বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে, ত্বকের রং বদলে কমলা হয়ে যেতে পারে।

আবার ভিটামিন সি’তে ভরপুর গাজর খেলে দাঁত, চোখ ভালো থাকে। তবে গাজরও মেপে খাওয়াই ভালো।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

গিঁটে ব্যথা যে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

গিঁটে ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষ করে মধ্য বয়স্করা এই সমস্যায় বেশি কষ্ট পান। এটি মূলত রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ।

এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাঁটু, গোড়ালি, পিঠ, কব্জি বা ঘাড়ের জয়েন্টগুলোতে ব্যথার অনুভূত হয়।

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিসকে অনেকে শুধু হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা বলেই মনে করেন। তবে এই অসুখ শুধু তা নয়।

এ রোগের কারণে হাড়ে ব্যথার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

jagonews24

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সমস্যা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই রোগের কারণে হাড়ে প্রদাহ ও ব্যথা বাড়ে।

সমস্যাটি অতিরিক্ত পর্যায়ে পৌঁছালে চোখ, ত্বক, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীতেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

যদিও রাতারাতি এই অসুখ সারানো যায় না। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। গিঁটে ব্যথা ছাড়াও এ রোগে আরও যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়-

>> অতিরিক্ত ক্লান্তি সব রোগেরই প্রাথমিক লক্ষণ। ঠিক তেমনই রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসও এই অসুখের ইঙ্গিত দেয়।

>> প্রায়ই জ্বর আসছে? তাহলে নিশ্চয়ই শরীরে কোনো রোগ বাসা বাঁধছে। যা জ্বরের মাধ্যমে জানান দেয়। যদি প্রায়ই হঠাৎ করে জ্বর আসে বা শরীরে জ্বরজ্বর ভাব থাক, তাহলে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।

jagonews24

>> হঠাৎ করেই হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া এই রোগের আরেকটি লক্ষণ। হাত ও পায়ের জোরও কমে যেতে পারে এ কারণে।

>> যদি হাত-পায়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যথা থাকে, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হলে যে প্রচণ্ড ব্যথা হয় তা কিন্তু নয়। শুরুর দিকে এক্ষেত্রে কম ব্যথা থাকে।

>> রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের আরও একটি মারাত্মক লক্ষণ হলো, চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

>> এ ছাড়াও ওজন কমতে শুরু করলেও সতর্ক হতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খাবারের ফরমালিন দূর করবেন যেভাবে

এখন বাংলাদেশে ফরমালিন ছাড়া খাবারজাতীয় কোনো কিছু পাওয়া এককথায় অসম্ভব। ফলে ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে একেবারে সহজ কিছু উপায় অবলম্বন করে খাদ্য থেকে ফরমালিন দূর করা যায়।


অনেকেরই ধারণা, ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখলে খাদ্যদ্রব্য থেকে ফরমালিন দূর হয় বা কমে যায়। অাসলে কমলেও তা অতটা কার্যকর নয়। তার চেয়ে বরং কাঁচা অবস্থায় খাবার থেকে ফরমালিন অপসারণ করতে চাইলে পানির কল ছেড়ে তার নিচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। কারণ কাঁচাসবজি ও ফলের ত্বকে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে। অার পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিন আরো ভালোভাবে খাবারে মিশে যেতে পারে। তাই পানির কল ছেড়ে তার নিচে নির্দিষ্ট খাবার দ্রব্য বা ফলটি রেখে দিন।ভিনেগার বা লেবুর রসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখেও ফরমালিন দূর করা যায়। আগুনের তাপে ফরমালিন অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার আগে ফরমালিন কমানোর পদ্ধতি ব্যবহার করে রান্না করলে খাবার পুরোপুরি ফরমালিন মুক্ত করা সম্ভব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

অ্যালোভেরার যত গুণ

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।

অ্যালোভেরার গুণাগুণ;অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরায় মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যা হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।
দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ওষুধের কাজ করে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এটি। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।

নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে হজম শক্তি বাড়ে। পরিপাক তন্ত্রের নানা জটিলতা সারাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা।    

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।

সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

ওজন কমাতে অ্যালোভেরার জুস অনেক বেশি কার্যকরী। অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরের জমে থাকা মেদ দূর করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কাঁচা পিঁয়াজে রয়েছে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

পিঁয়াজ কাটতে গেলে চোখে পানি চলে আসে। তবে এই পিঁয়াজ যে স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপকারি তা জানলে আপনি অবাক হতে বাধ্য। প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের সঙ্গে এতে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা আমাদের শরীরে নানা উপকারে আসে। 

স্যালাদ থেকে স্যান্ডউইচ কিংবা শুধু মুড়িতে মেখে যেমন নানা ভাবে পিঁয়াজ খাওয়া যায়, তেমনই এর রয়েছে নানাবিধ গুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে দেখে নিন নিয়মিত কাঁচা পিঁয়াজ খেলে কী কী স্বাস্থ্য উপকারিতা লাভ করা যায়।পিঁয়াজের মধ্যে ২৫টি ভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের মতো রোগকে প্রতিরোধ করে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পিঁয়াজের ফ্ল্যাভোনয়েডগুলি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে এবং থিওসালফিনাটগুলি রক্ত পাতলা করার সঙ্গে সঙ্গে রক্তের ধারাবাহিকতা সঠিক রাখতে সাহায্য করে। এর কারণে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত পিঁয়াজের মতো অ্যালিয়াম শাকসবজি খান তাদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি ৭৯% কম। পিঁয়াজের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মুক্ত র‍্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে।

একটি পিঁয়াজের মধ্যে ২৫.৩ গ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। তাই কাঁচা পিঁয়াজ খেলে অক্সিডেটিভ চাপ কমে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়ে এবং এটি হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে, যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।

পিঁয়াজের ভিটামিন এ, সি এবং কে পিগমেন্টেশন থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে এবং আপনাকে ক্ষতিকারক ইউভি রশ্মি থেকেও রক্ষা করে। ভিটামিন সি এর একটি ভাল উৎস হিসাবে পিঁয়াজ কোলাজেন নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে, যা ত্বক এবং চুল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কাঁচা পিঁয়াজ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করতে পারে, যা ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। পিঁয়াজে পাওয়া কুয়েরসেটিন এবং সালফার নামক এই দুই নির্দিষ্ট যৌগ ডায়াবেটিক বিরোধী প্রভাব ধারণ করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com