আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

নওগাঁয় ধানের বদলে আম চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক

নওগাঁ জেলায় ধানের আবাদ কমে আমের আবাদ বাড়ছে। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় কৃষকেরা ধানের আবাদ কমিয়ে দিচ্ছেন। লাভজনক হওয়ায় তাঁরা জমিতে আমবাগান করছেন। জেলার কয়েকজন কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।
কৃষকেরা বলেন, লাভ বেশি হওয়ায় দু-একজন করে কৃষিজমিতেও ধান ছেড়ে আমের বাগান করতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে এগিয়ে এলেন অন্য চাষিরাও। এখন পুরো উপজেলায় বাগানের মালিকের সংখ্যা পাঁচ হাজারের অধিক। নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার আম চাষের গল্প এটি। শুধু পোরশা উপজেলাতেই নয়, বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করায় মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে নওগাঁতে আম চাষ বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। প্রতিবছর প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ বাড়ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় মোট ১৮ হাজার ৯৬২ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আম চাষ হয়েছে পোরশা উপজেলায়। পোরশাতে আম ৯ হাজার ২০০ হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় ৪ হাজার ১৫০, পত্নীতলায় ২ হাজার ১০০, নিয়ামতপুরে ১ হাজার ৫০, নওগাঁ সদরে ৪০০, মহাদেবপুরে ৩৬০, মান্দায় ৪৫০, বদলগাছীতে ৩৪০, ধামইরহাটে ৬৫০, রানীনগরে ১৪৬ ও আত্রাই উপজেলায় ১১৬ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। গত বছর জেলায় আম চাষ হয়েছিল ১৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রতিবছর আড়াই থেকে তিন হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ কমছে। গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে জেলায় পাঁচ হাজার হেক্টর কম জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। গত বছর বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার হেক্টর জমিতে। ২০১৪ সালে জেলায় বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল ২ লাখ ৬ হাজার হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ গত পাঁচ বছরে জেলায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ কমেছে। চার বছরে (২০১৪ থেকে ২০১৮) রোপা আমন ধান আবাদ ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে কম হয়েছে।

আম চাষ সবচেয়ে বেশি বাড়ছে জেলার পোরশা, সাপাহার ও পত্নীতলা এলাকায়। এসব এলাকার ধান ও আমচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধান চাষের তুলনায় আম চাষে তুলনামূলক লাভ বেশি। শুরুতে আমবাগান পরিচর্যা করতে কিছু টাকা খরচ হয়। এক বিঘার বাগানে আম উৎপাদনে খরচ পড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। উন্নতজাতের আম চাষ করলে প্রতি বিঘাতে আমের বাগান বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। আর চাষি নিজে আম পেড়ে বাজারে বিক্রি করলে প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় করেন। অন্যদিকে এ এলাকায় এক বিঘা জমিতে ধানের উৎপাদন সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২২ মণ। প্রতি মণ ধানের দাম ৭০০ টাকা হলে এক বিঘা জমিতে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার ধান বিক্রি হবে। যেখানে উৎপাদন খরচ ও ধান কাটার খরচ পড়ছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। এ হিসাবে ধানের তুলনায় আম চাষে অনেক বেশি লাভ।

সম্প্রতি পোরশা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বসতবাড়ির আশপাশে ও কৃষিজমিতে আমের বাগান। একেকটি বাগানে সারি সারি আমগাছ। কোনো কোনো বাগানে বড় বড় আমগাছ। আবার কোনো কোনো বাগানে আম্রপালি জাতের আমের ছোট ছোট গাছ। একেকটি গাছে ঝুলছে ১০০ থেকে ১৫০টি আম। কিছু গাছে বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে।

উপজেলার গাঙ্গুরিয়া গ্রামের আফজাল হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে ৩০ বিঘা জমিতে উন্নতজাতের আম্রপালি, ল্যাংড়া ও আশ্বিনা জাতের আম চাষ করেছেন। আমের ফলনও ভালো হয়েছে। বিঘাপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ মণ আম হয়েছে। ইতিমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছে তিনি ১০ বিঘার বাগান এক বছরের জন্য বিক্রি করেছেন ৩ লাখ টাকায়। বাকি বাগানগুলোও বিক্রির কথাবার্তা চলছে। গত বছরের তুলনায় এবার আমবাগান বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

গণপুর গ্রামের আমচাষি আমজাদ হোসেন বলেন, ‘তিনি আগে ১৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করতেন। উঁচু জমি হওয়ায় ওই জমিগুলোতে শুধু আমন মৌসুমে ধান চাষ হতো। কিন্তু আম চাষে লাভ দেখে পাঁচ বছর আগে ওই জমিতে আম্রপালি জাতের আমের বাগান গড়ে তোলেন। ব্যবসায়ীরা তাঁর বাগান কেনার জন্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম করেছেন। আরও বেশি দামের আশায় এখনো বিক্রি করেননি তিনি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে কৃষি বিভাগ থেকে আম চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ধানের মতো যেসব ফসল আবাদে ভূগর্ভস্থ পানি বেশি ব্যবহার হয় এবং উৎপাদন খরচ বেশি, সেসব ফসল আবাদ কম করার চেষ্টা করছে সরকার। বিশেষ করে জেলার পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর উপজেলায় এমন অনেক এলাকা রয়েছে, যেখানে সেচের অভাবে ধান চাষ হয় না। ওই সব এলাকায় কৃষকদের আম চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এর ফল ইতিমধ্যে কৃষি বিভাগ পাচ্ছে এবং কৃষকেরাও লাভবান হচ্ছেন। প্রতিবছর জেলায় প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে আমবাগান বাড়ার ঘটনাকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি।’

এগ্রোবিজ

টিসিবির পণ্যে নতুন চমক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম ভোক্তাদের নাগালে রাখতে সাশ্রয়ী মূল্যে সারাদেশে চারটি পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এগুলোর মধ্যে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। ডেইলি বাংলাদেশ

টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, টিসিবির আমদানি করা তুরস্কের পেঁয়াজের চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। ট্রাকসেলে পেঁয়াজের বরাদ্দ বাড়ানো হবে। গাড়ি প্রতি ৭০০ কেজি করে পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

সারাদেশে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে টিসিবির এ বিক্রি কার্যক্রম চলছে। সংস্থাটি জানায়, ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে চিনির পাশাপাশি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। এ কার্যক্রম ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

টিসিবির ট্রাক থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাওয়া যাবে ৩০ টাকা দরে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। এছাড়া সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার নিতে পারবেন।

এছাড়া চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। আর প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। এতে ভোক্তা সাধারণের নাভিশ্বাস। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে টিসিবি ৩০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। টিসিবি জানিয়েছে, তুরস্কের পেঁয়াজের সঙ্গে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে কমেছে কাঁচা মরিচের দাম

লেখক

আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতের কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করায় খুব শিগগিরই স্থিতিশীল হবে উঠবে মরিচের বাজার।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রাকে ট্রাকে প্রবেশ করছে কাঁচা মরিচবাহী ভারতীয় ট্রাক। আমদানিকারকরা জানান, দেশেরে বাজারে চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করেছেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, মরিচগুলো ভারতের মধুপুর থেকে আসছে। সময় লাগছে ২ থেকে ৩ দিন। আগে গাড়ি আসতো ২-৪টি করে, তবে এখন ৮-১০টি আসসে। কাঁচা মরিচগুলো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যাবে। 


ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতিকেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাংলাদেশের বাজারে আসায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মরিচের বাজার স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকেরা।


হিলি স্থলবন্দরেরে আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বলেছেন, দেশে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে আমাদের ভারতের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে। এতোমধ্যেই আমরা ব্যাপক পরিমাণে আমদানির প্রস্তুতি নিয়েছি। কাঁচা মরিচ আসা শুরু করেছে এবং এর প্রভাবে দাম কমাও শুরু করেছে।

হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গেল ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় ভারত থেকে কাচাঁ মরিচের আমদানি। গেল ৮ কর্মদিবসে ভারতীয় ৪১ ট্রাকে ২৯১ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হলেও শুধু মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) একদিনেই ভারত থেকে ১১ ট্রাক কাঁচা মরিচ এসেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষিখাতে লাভজনক বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা চলছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

লেখক

ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ, বিশ্ববাজারে প্রবেশ সহায়তা, আমদানি ব্যয় ও সময় কমাতে সহায়তা প্রদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের কৃষি খাতে সহায়তায় প্রকল্প গ্রহণের জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সরকার এ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিপণ্যের বাণিজ্য পদ্ধতির আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার, পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করণের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পণ্য সংরক্ষণে অবকাঠামো তৈরি ও উন্নয়নে বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট সহায়ক হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হবে।



উল্লেখ্য, প্রায় ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ট্রেড ফেসিরিটেশন এগ্রিমেন্ট বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে করে বাংলাদেশি পণ্যের বিশ্বের বাজারে প্রবেশে সহায়তা প্রদান এবং আমদানি ব্যয় ও সময় হ্রাস করতে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এ প্রকল্প আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজতর, স্বয়ংক্রিয়করণ, ঝুঁকিভিত্তিক পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণ, আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া ও পণ্য প্রবেশ সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন অবহিতকরণ ও প্রক্রিয়ার উন্নয়ন, পরীক্ষাগারগুলোর পণ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়া ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পচনশীল পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সহজ করার জন্য কোল্ড-চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করবে।ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ইউএসডিএ এগ্রিকালচারাল এটাসি মিজ মেগান ফ্রানসিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কার্ল আর মিলার, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবুল কাশেম খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মিকায়েল। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আগাম সবজি আসতে শুরু করলেও দামে ঊর্ধ্বগতি

লেখক

ভোররাত থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উৎপাদিত সব ধরনের টাটকা সবজি নিয়ে আড়তে আসতে থাকেন কৃষকরা। সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে জমে ওঠে সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাইকারি এই সবজির আড়ত। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পাইকাররা এই আড়ত থেকে সবজি কিনে নিয়ে খুচরা দামে বিক্রি করেন।আড়তে শীতকালীন টাটকা সবজির মধ্যে আলু বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ টাকায়, কাঁচা মরিচ ১৩০ টাকায়, আদা ৫৫-৬০ টাকায়, ফুলকপি ৬০-৭০ টাকায় এবং পাতা কপি ৫০ টাকায়। 


এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার মধ্যে এ আড়ত। আশপাশের এলাকার প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি এখানে আসে। বর্তমানে শীতকালীন টাটকা সবজি মধ্যে সিমের দাম ৭০ টাকা কেজি, লাউ ১৫-২০ টাকা পিস এবং পেঁপে ৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু পেঁয়াজের দামটা একটু বেশি। পেঁয়াজের দাম ৫৬-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম একটু কমেছে। তারা আরও বলেন, শীতকালের সবজি আস্তে আস্তে আসছে; তবে দামটা একটু বেশি। পুরো দমে মৌসুম এলে মূল্য কমে আসবে। আড়তে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। সেই সঙ্গে শীতকালীন আগাম সবজি উঠতে শুরু করলেও দাম কিছুটা বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য, প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলে এই আড়তে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে বাণিজ্য বন্ধ থাকবে ৬ দিন

লেখক

তবে স্বাভাবিক থাকবে বন্দর অভ্যন্তরে লোড-আনলোডসহ সকল কার্যক্রম।

বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন চলন্ত জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল ১১ অক্টোবর সোমবার থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৬ দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। ভারতের হিলি এক্সপোটার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপকে জানিয়েছেন। তারা এই ৬ দিন ব্যবসায়ীদের কোনো প্রকার পণ্য এই বন্দরে আমদানি-রপ্তানি করবে না।

হিলি পানামা পোর্ট লিংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাপ মল্লিক জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম সহ সবকিছু স্বাভাবিক থাকবে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি সেকেন্দার আলী বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাসপোর্ট যাত্রী ফেরত আসা কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com