আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফসল

আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো

আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো
আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো

কুষ্টিয়ায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শুধুই সোনালি ধান। ইতোমধ্যেই মাঠে পেকে ওঠা ধান কাটা শুরু হয়েছে। এবারের বোরো মৌসুমে জেলার ছয়টি উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ধান চাষ হয়েছে বলে কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে কুষ্টিয়া জেলায় ৩৩ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। এবার বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন। তবে এবার বোরো চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বলে কৃষকরা জানান।

জেলার মাঠজুড়ে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ হয়েছে। হাইব্রিড জাতের মধ্যে সোনার বাংলা-১, গোল্ড ও জাগরণ ধানে প্রতি হেক্টরে ৪.৭ টন এবং উচ্চ ফলনশীল (উফসী) জাতের ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯, হীরা ও গাজী ধানের ক্ষেত্রে প্রতি হেক্টরে ৩.৭ টন করে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

ধান ঘরে ওঠার শেষ মুহূর্তে প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন হবে বলে কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তরা জানান। সদর উপজেলার কবুরহাট, বাড়াদি, জয়নাবাদ, বটতৈল ও মোল্লাতেঘরিয়া গ্রামের পেকে ওঠা ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। সোনালি ধানের শীষের দোলায় খুশিতে ভরে উঠছে কৃষকের মন।

আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো
আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো

সদর উপজেলার বাড়াদি এলাকার কৃষক আব্দুল মালেক জানান, এবার বোরো ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সার, বালাইনাশক ও সেচ সঠিকভাবে দেওয়ায় ধানের ছড়া লম্বা ও ফলন ভালো হয়েছে। বিঘাপ্রতি ১৫-১৬ মণ থেকে ১৮-২০ মণ পর্যন্ত ধান কৃষকের ঘরে উঠবে বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে করোনার কারণে ধান কাটার শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। তবে খুব সহজে শ্রমিক সংকট এড়াতে সরকারি ভর্তুকিতে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার। কুষ্টিয়ার ৬ উপজেলার জন্য ১২টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ৩টি রিপার মেশিন ও ১টি রাইচ ট্রান্সপ্লান্টার বরাদ্দ করা হয়েছে। কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিনের মোট মূল্যের অর্ধেক কৃষক দেবে। বাকি অর্ধেক ভর্তুকি হিসেবে দেবে সরকার।

আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো
আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলনও ভালো

কৃষি বিভাগ ও সরকার গঠিত কমিটির মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভর্তুকিতে ৮টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন কৃষকরা কিনে নিয়েছেন। এ কম্বাইন্ড হারভেস্টার ব্যবহার করলে ধান কাটা ও মাড়াইসহ বস্তাভর্তি হয়ে অটোমেটিক ধান বেরিয়ে আসবে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ধান কাটা কার্যক্রম চলবে বলে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান।

কুষ্টিয়া কৃষি অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শ্যামল কুমার বিশ্বাস জানান, বোরো আবাদের শুরু থেকেই কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার ধানের ফলনও অনেক ভালো হয়েছে বলে তিনি জানান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

দেশ বাঁচাতে কৃষিকে গুরুত্ব দিতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশকে বাঁচাতে হলে কৃষিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলছে।

মুজিববর্ষ-২০২০ উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে মঙ্গলবার বৃক্ষরোপণকালে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে এক কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ ভবন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে স্বপ্ন বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত করা, সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী। তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সারাদেশে চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা নতুন প্রজন্মকে এই কাজে উৎসাহিত করবে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও পিডব্লিউডি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

কৃষকরাই করোনাকালে সাহসী ভূমিকা রাখছেন

করোনা মহামারিতে সবকিছু থমকে গেলেও অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গ্রামের কৃষকরাই সাহসী ভূমিকা রাখছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

তিনি বলেন, কৃষি এবং কৃষকই যে আমাদের অর্থনীতির প্রাণ, তা এই দুর্যোগকালে ফের প্রমাণিত হলো।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এ সদস্য বলেন, ‘করোনাকালে অনেক কিছুই হারাতে হচ্ছে। আরও হারাতে হবে হয়তো। মানুষ বেঁচে থাকার লড়াই করতে গিয়ে গোটা পৃথিবীকে থমকে দিয়েছে। আবার বেঁচে থাকার প্রশ্নেই নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হচ্ছে। কারণ অর্থনীতি টিকলে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে। আমি দেখছি, কৃষকরাই সে চ্যালেঞ্জ বেশি মোকাবিলা করছে। নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও কৃষকরা দমে যাননি। তারা মাঠে-প্রান্তে কাজ করে খাদ্যের জোগান দিচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। করোনার বিশ্বপরিস্থিতি সবার জানা। ইউরোপ-আমেরিকায় অর্থনীতির ধস, উন্নয়ন থমকে গেছে। বাংলাদেশ কিন্তু এখনও সেই জায়গায় যায়নি। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ মানুষকে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করছে। করোনাকালে বাজেটে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার আওতায় কৃষক, শ্রমিকরাও আছেন। এই প্রণোদনার সুফল তারা পাচ্ছেন। হয়তো, সামনে প্রণোদনার বিষয়ে আরও ভাবতে হবে।’

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘জনজীবনে স্বাভাবিকতা ফিরতে শুরু করেছে। মানুষ কাজে ফিরছে। হয়তো, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবই স্বাভাবিক হবে। তবে স্বাভাবিকতায় ফিরলেও নানা চ্যালেঞ্জ সামনে আসবে। বাণিজ্য-অর্থনীতি নিয়ে ভাবতে হবে। মনে রাখতে হবে, আগের অনেক ধারাই বাতিল হবে। নতুন নিয়মে সম্পৃক্ত হতে হবে আমাদের। বিশ্ববাণিজ্যে মনোযোগ বাড়াতে হবে। কৃষিজাত পণ্যে বিশ্ববাজার ধরতে হবে। তাহলেই কৃষক বাঁচবে। কৃষক বাঁচলে দেশও বাঁচবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

শেষ পর্যন্ত ব্যর্থই হলো বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা

শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে চলতি বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ। সাড়ে ১৯ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ দিন পর্যন্ত ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৯০২ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহ করা গেছে। ঘাটতি রয়েছে ১০ লাখ ৬ হাজার ৯৪ মেট্রিক টন। তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি রোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও কোনো খাদ্য সংকট হবে না। তারা বলছেন, সাড়ে ১৪ লাখ মেট্রিক টন চাল মজুত রয়েছে।

চলতি বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ৩১ আগস্ট ছিল শেষ দিন। তবে ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু করে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও সংগ্রহ করতে পারেনি সরকার। এ কারণে সময় আরও ১৫ দিন বাড়িয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়। সর্বশেষ সময় পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ঘাটতি রয়েছে ১০ লাখ ৬ হাজার ৯৪ মেট্রিক টন।

জানা গেছে, খাদ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতি, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লটারি করতে করতেই প্রায় দেড় মাস সময় পার হওয়া, গুদামে ধান দিতে গিয়ে নানা ঝক্কি ঝামেলায় কৃষকের আগ্রহ হারানো, উৎকোচ দেয়া, করোনা, লাগাতার বৃষ্টি, বন্যার কারণে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।

খাদ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সরকার ১৯ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহ করার জন্য গত ২৬ এপ্রিল থেকে বোরো ধান এবং ৭ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করে। সর্বশেষ সময় বাড়িয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ লাখ মেট্রিক টন। তবে শেষদিন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়েছে দুই লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন। সিদ্ধ চালের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ লাখ মেট্রিক টন। সংগ্রহ হয়েছে ৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭ মেট্রিক টন। আর আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। সংগ্রহ হয়েছে ৯৪ হাজার ৩৪৭ মেট্রিক টন।

জানা গেছে, আপৎকালীন মজুতের জন্য সরকার প্রতি বছর আমন ও বোরো মৌসুমে স্থানীয় চালকল মালিকদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে চাল সংগ্রহ করে থাকে। তবে এবার মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বোরো মৌসুমে সরকার এ সংগ্রহ অভিযানকে আরও বেশি গুরুত্ব দেয়। এজন্য এবার ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অন্যবারের চেয়ে আরও বেশি ধরা হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লটারি করতে করতেই প্রায় দেড় মাস চলে যায়। এর মধ্যেই কৃষকের হাত থেকে ধান মজুতদারদের গুদামে চলে গেছে। ফলে সরকারের ধান-চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সফল হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার কারণে যেকোনো দুর্যোগের সময় চাল সরবরাহে বিপদে পড়তে পারে সরকার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা, আগাম বন্যা ও সারাবিশ্বে দুভিক্ষের আভাস পেয়ে অনেক গৃহস্থ এবার ধান হাতছাড়া করেননি। যারা মজুতদার তারাও ধান কাটা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধান ক্রয় করা শুরু করেন। মিলাররাও এ সময় ধান মজুত করেন। ফলে যেসব কৃষক ধান বিক্রি করেছেন, সেগুলো ইতোমধ্যে মজুতদারদের গুদামে চলে গেছে। মিলারদের সঙ্গে চালের জন্য সরকারের যে চুক্তি হয়েছে, সে চুক্তি অনুযায়ী অনেক মিলাররাও চাল দিতে পারেননি।

চাল কেনার জন্য কেজি ৩৬ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। তবে একই চাল বাজারে ৪০-৪২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মিলাররা বলছেন, বেশি দামে ধান কেনার কারণে কম দামে সরকারকে চাল সরবরাহ সম্ভব হয়নি।

বিভিন্ন জেলা, উপজেলায় কর্তব্যরত খাদ্য নিয়ন্ত্রক, কর্মকর্তা ও গুদাম ইনচার্জদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ধান-চাল সংগ্রহের সময় প্রায় ১০ জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বেশকিছু উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও গুদাম ইনচার্জকে বদলি করা হয়েছে। ধান-চাল সংগ্রহের এই সময় তাদের বদলি করার কারণে অনেক জায়গায় ধান-চাল সংগ্রহ করা যায়নি। কারণ একজন খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে স্থানীয় মিলার এবং ধান সরবরাহ কৃষকসহ অনেকের একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের নিজস্ব সম্পর্কের কারণেই তারা ধান-চাল সংগ্রহ করতে পারেন। কিন্তু এই সময় হঠাৎ বদলির ঘটনা সবকিছু থমকে দিয়েছে।

জানা গেছে, ময়মনসিংহ, গাইবান্ধা, নীলফামারী, গাজীপুর, ভোলা, শরীয়তপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের বদলি করা হয়েছে। ধান-চাল সংগ্রহের সময় আগে কখনো এমন বদলির ঘটনা ঘটেনি। নতুন একজন কর্মকর্তা যোগদান করেই তার সফলতা দেখানো অনেকটা কঠিন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া কিছু কিছু জেলার খাদ্য কর্মকর্তারা ধান-চাল সংগ্রহের চাইতে অন্য দিকে মনোনিবেশ করায় যেমন-ভালো চাল গুদাম থেকে বের করে দিয়ে গুদামে নিম্নমানের চাল ঢোকানো, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ঢোকানোসহ নানা পরিকল্পনায় ব্যস্ত থাকা এবং উপরি কামাইয়ের কারণেও অনেক জেলায় ধান-চাল সংগ্রহ করে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম এক প্রশ্নের জবাবে জাগো নিউজকে বলেন, ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা আমরা পূরণ করতে পারিনি। সাড়ে ১৯ লাখ মেট্রিক টনের কাছে সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল সংগ্রহ করতে পারলেও সেটা সন্তোষজনক হতো।

তিনি বলেন, কৃষক এবার ধানের ভালো দাম পাওয়ার কারণে বাইরে ধান বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।

তবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও কোনো সমস্যা মনে করছেন না খাদ্যসচিব। তিনি বলেন, ‘আমাদের খাদ্যের কোনো সংকট হবে না। ফুড সিকিউরিটিতে আমরা ভালো অবস্থানে আছি। কারণ সাড়ে ১৪ লাখ মেট্রিক টন চাল আমাদের স্টকে আছে। তাছাড়া আর কিছুদিন পরেই আমনের মৌসুম শুরু হবে। আমন মৌসুমে আমরা ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারলে খাদ্যের ব্যাপারে কোনো ক্রাইসিস সৃষ্টি হবে না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সারওয়ার মাহমুদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবার টার্গেট অনেক বেশি। তার মধ্যে বৈরী আবহাওয়া ও করোনার মতো দুর্যোগ। এটা নরমাল বছরের মতো সময় নয়। এমতাবস্থায় টার্গেট ফিলআপ হওয়া সম্ভব নয়। তবে আমরা কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টায় ছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘কৃষক এবার ধানের ভালো দাম পাওয়ার কারণে বাজারেই ধান বিক্রি করে দিয়েছে। কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য পেয়েছে-এটাও সরকারের বড় অ্যাচিভমেন্ট।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

রাজশাহীতে পাম চাষে সাফল্যের হাতছানি

রাজশাহীতে পাম চাষে সাফল্যের হাতছানি

বাংলাদেশে অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে বাণিজ্যিক পাম চাষ। রাজশাহীতে পরীক্ষামূলক পাম চাষে মিলেছে সাফল্যের হাতছানি। রাস্তা কিংবা রেললাইনের ধারে, পতিত ও অনাবাদি জমি পাম চাষের আওতায় আনার সুপারিশ করেছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) গবেষকরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় বড় প্রকল্প নেওয়া জরুরি। যাতে যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাব স্থাপন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাম চাষ, তেল উৎপাদন ও বাজারজাত করা যায়। এতে ভোজ্য তেলের আমদানি নির্ভরতা কমবে। রফতানি করেও আয় করা সম্ভব প্রচুর বৈদেশিক মুদ্র। সম্ভাবনাময় পাম পাল্টে দিতে পারে দেশের অর্থনীতির গতিধারা।

জানা গেছে, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রাজশাহীতে বিসিএসআইআর গবেষণা কেন্দ্রে পাম চাষ শুরু করে। দেশে পাম গাছের প্রজনন, বৃদ্ধি, উৎপাদন এবং ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতেই এ গবেষণা প্রকল্প। তিন বছরের মধ্যেই ফল এসেছে ৩ একর জমিতে রোপণ করা ৩শ পাম গাছে। গবেষকরা বলছেন, পুরোদমে উৎপাদনে আসতে আরও বছরদুয়েক সময় লাগবে।

তবে এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে প্রকল্পের মেয়াদ। গতমাসে প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক বিসিএসআইআরের অয়েল, ফ্যাট অ্যান্ড ওয়েক্সেস রিসার্চ ডিভিশনের প্রিন্সিপ্যাল সায়েন্টিফিক অফিসার মো. মইনউদ্দিন প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তাতে রাজশাহী অঞ্চলে পাম চাষ নিয়ে তুলে ধরা হয়েছে অপার সম্ভাবনার কথা।

মইনউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু পাম গাছের জন্য খুবই উপযোগী। সঠিকভাবে পামের চাষাবাদ, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে দেশে ভোজ্য তেলের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব। সেই সাথে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও পাম তেল রফতানি করে তেল উৎপাদনশীল দেশের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান সম্ভব।

বিসিএসআইআর বলছে, এশিয়া ও আফ্রিকান দেশগুলোতে পাম গাছ প্রচুর পরিমাণে থাকায় তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এ পাম ওয়েল সিড থেকে তেল নিঃসরণ করে সেটি ভোজ্য তেল হিসেবে ব্যবহার করছে। এতে ফ্যাটি অ্যাসিড ও কোলেস্টরেল থাকলেও তাতে ক্ষতি হচ্ছে না।

তাছাড়া পামে আছে ভিটামিন ই। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই শক্তিশালী ও কার্যকর। আবার পুষ্টিমানের দিক থেকে গাজরের তুলনায় পামে রয়েছে ১৫ গুণ এবং টমেটোর তুলনায় ৩০০ গুণ বিটা-ক্যারোটিন। যা মানবদেহে ভিটামিন এ উৎপাদনে সহায়তা করে। সঙ্গত কারণেই পাশ্চাত্যে এখন পাম তেলের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণে।

এ ছাড়া পামের বীজ থেকেও তেল উৎপাদন সম্ভব। কিন্তু এ বীজ থেকে সামান্যই তেল পাওয়া যায়। ফলে বীজ ব্যবহার হয় সাবান ও প্রসাধনী তৈরির কোম্পানিগুলোয়। কাজেই পামের প্রতিটি উপাদানেই রয়েছে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ।

মইনউদ্দিন আরও বলেন, ‘বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চলের মাটি, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা ও গড় বৃষ্টিপাত পাম গাছের বৃদ্ধির জন্য খুবই উপযোগী। এ ছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভাগীয় অঞ্চলগুলোর অনাবাদি জমিতেও পাম চাষে যেমন সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার পাম ফল মালেশিয়ায় উৎপাদিত পাম ফলের চেয়ে আকারে বড়। উৎপাদনও প্রায় দ্বিগুণ। আবার পাম গাছে বছরে ৩ বার ফল নামানো যায়।’

তিনি জানান, প্রথমে রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনা ক্যাম্প থেকে পাম গাছের চারা ও ফল সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তিনি সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাম গাছ ও তার ফল সংগ্রহে নেমে পড়েন। রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকায় মহাসড়কের পাশে লাগানো পাম গাছ থেকে পাম সংগ্রহ করে প্রথম গবেষণায় ভালো ফলাফল পান। পরবর্তীতে নওগাঁর ফজলুল হক নামের এক কলেজ শিক্ষকের কাছ থেকে ৩শ চারা এনে গবেষণাগারের পতিত জমিতে বাগান তৈরি করেন। ৩ বছর বয়সী পাম গাছে ফল এসেছে। পুরোদমে উৎপাদনে আসতে আরও অন্তত ২ বছর সময় লাগবে।

প্রথমে ফল থেকে তেল সংগ্রহের বিষয়টি বেশ কঠিন ছিল জানিয়ে মইনউদ্দিন বলেন, ‘পাম ফলের বীজ ও উপরের মাংসল অংশ থেকে ভোজ্য তেল পাওয়া যায়। মালয়েশিয়ান ও আফ্রিকান স্থানীয়রা ব্লিচিং পদ্ধতিতে পাম ফল থেকে তেল বের করেন। গুগল ও ইউটিউবে বিভিন্ন তথ্যের মাধ্যমে ল্যাবেও প্রাথমিকভাবে ব্লিচিং পদ্ধতিতে তেল বের করেন তারা। এখন ইঞ্জিনিয়ারিং মেশিন পদ্ধতিতে তেল উৎপাদনের অপেক্ষা। এ ধাপে তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। মেশিনটি তৈরি হলেই সঠিকতা যাচাই করে পুরোপুরি বাণিজ্যিক ধাপে পাম তেল উৎপাদনে যাওয়া যাবে।’

বাংলাদেশের পাম তেলের সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমানে সরকার ১২-১৫ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানি করে। আমদানিকৃত ভোজ্য তেলের ৬০ শতাংশই পাম ওয়েল। এ ছাড়াও ভোজ্য তেলের দিক থেকে বিশ্বে প্রথম পাম তেল। তাছাড়া আবহাওয়া ও জলবায়ুগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্বের শীর্ষ পাম তেল উৎপাদনকারী দেশ মালয়েশিয়ার খুব একটি পার্থক্য নেই।

মালয়েশিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের জমির উর্বরতা শক্তিও বেশি। এ উপযোগিতা ও সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে অনাবাদী, পতিত জমি এবং রাস্তা কিংবা রেল লাইনের ধার ঘেঁষে পাম চাষ করা যায়। এতে পাম তেলে শুধু সমৃদ্ধই হবে না বরং বিদেশে তেল রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এটি কেবলই আশাব্যঞ্জক নয় উৎসাহব্যঞ্জকও বটে।

সম্ভাবনাময় পাম চাষ গবেষণায় সফলতায় আশাবাদী রাজশাহী বিসিএসআইআরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. ইব্রাহিম। তিনি বলেন, ‘এ গবেষণা প্রকল্পের ফলাফল খুবই ভালো এসেছে। প্রয়োজনীয় সরকারি পদক্ষেপ ও সহযোগিতা পেলে হয়তো এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশও হতে পারে ভোজ্য তেল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশ।’

তাছাড়া বহু বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় গিয়ে সেখানকার বাণিজ্যিক পাম বাগানে শ্রম দেন। এদের দেশে ফিরিয়ে এনে বাণিজ্যিক পাম চাষে কাজে লাগানো যায়। বাণিজ্যিক পাম চাষ, ভোজ্য তেল উৎপাদন ও বিপণন সম্ভব হলে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিধারা পাল্টে যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

বোরো সংগ্রহ মেয়াদ ১৫ দিন বেড়েছে

লেখক

বোরো সংগ্রহ মেয়াদ ১৫ দিন বেড়েছে
বোরো সংগ্রহ মেয়াদ ১৫ দিন বেড়েছে

বোরো সংগ্রহের মেয়াদ ১৫ দিন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বোরো সংগ্রহের মেয়াদ বাড়ানোয় আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান-চাল সংগ্রহ করা যাবে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে রোবো সংগ্রহের মেয়াদ বাড়িয়ে আদেশ জারি করে।

গত ১ জুলাই খাদ্যমন্ত্রী বোরো সংগ্রহ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অনলাইনে সভা করে জানিয়েছিলেন, এবার বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই ভরা মৌসুমে চালের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার কোনো কারণ নেই। যদি কেউ চালের মূল্য বৃদ্ধি করার অপচেষ্টা করে তাহলে কঠোর অবস্থানে যাবে সরকার। ওই সভায় চালকল মালিকদের খাদ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখেন। সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করুন। যদি তা না করেন তবে সরকার চাল আমদানিতে যেতে বাধ্য হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, চাল সংগ্রহে ঘাটতি হলে আমদানি করা হবে। এ জন্য প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ের মিল মালিকরা আমদানি না করার দাবি জানানোয় তাদের চাল সংগ্রহের জন্য সময় বাড়িয়ে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি সময়ে পর্যাপ্ত চাল সরকারকে সরবরাহ না করলে ঘাটতি অনুযায়ী আমদানি করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ এপ্রিল থেকে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়ে প্রথম দফায় ৩১ আগস্ট মেয়াদ শেষ হয়। এর পরে নতুন করে এবার ১৫ দিন মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। চলতি মৌসুমে সাড়ে ১৯ লাখ মেট্টিক টন বোরো ধান-চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে সরকার। সে অনুযায়ী ৩৬ টাকা কেজি দরে মিলার মালিকদের কাছ থেকে ১০ লাখ মেট্টিক টন সিদ্ধ চাল, ৩৫ টাকা কেজিতে দেড় লাখ মেট্টিক টন আতপ চাল এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজিতে আট লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান কেনার সিদ্ধান্ত হয়। গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রোরো ধান-চাল মোট সংগ্রহ হয়েছে ৭ লাখ ৮১ হাজার ৭৬৯ টন। এর মধ্যে সিদ্ধ চাল ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৫৫৫ টন, আতপ ৮২ হাজার ৭৯৫ টন ও ২ লাখ ৮ হাজার ৩৩৭ টন ধান সংগ্রহ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাকি ধান-চাল সংগ্রহের জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com