আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

অন্যান্য

ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকেঝাঁকে ইলিশ মাছ। বেশি ইলিশ ধরা পড়ায় পিরোজপুরের জেলেদের মুখে হাসি ফুটেছে।

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

    ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
  • ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

অন্যান্য

মক্কা-মদিনা যাতায়াতে হারামইন এক্সপ্রেস ট্রেন

৪ অক্টোবর থেকে মক্কা-মদিনা যাতায়াতে চালু হবে উচ্চ গতির ইলেক্ট্রিক ট্রেন হারামাইন এক্সপ্রেস।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

মাছ ধরার জাল বিক্রির জমজমাট হাট

মাছ ধরার জাল বিক্রির জমজমাট হাট

চিকন সুতা আর বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি। চাকার মতো ঘোরানো যায়, তাই এর নাম চাক জাল। দেখতে অনেকটা ‘বুচনা’ চাঁইয়ের মতো। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘টোনা জাল’ নামে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এ জালের বেচা-কেনা হয়।

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি হাট বসে সপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবার। বাগড়ি হাট সংলগ্ন মঠবাড়ি ইউপি ভূমি অফিসের সামনে চাক জালের হাট বসে। প্রতিটি জাল আকারভেদে ৩০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।

চাক জালের কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে বর্ষাকালে ধানক্ষেত ও নালায় বাঁশের তৈরি চাঁই পেতে মাছ ধরা হতো। এক দশক ধরে উপকূলীয় এলাকায় বাঁশের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাঁইয়ের উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তা ছাড়া বাঁশের সংকটও রয়েছে।

অন্যদিকে চাক জাল তৈরিতে খরচ কম। জাল তৈরির কাঁচামাল সহজে পাওয়া যায়। তাই বাঁশের তৈরি চাঁইয়ের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চাক জাল। এটি দেখতে বুচনা চাঁইয়ের মতো। শুধু বাঁশের পরিবর্তে সুতার জাল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত চিংড়ি মাছ ধরার জন্য কৃষক ও মৌসুমি জেলেদের কাছে চাক জালের চাহিদা বেশি।

কয়েকশ’ পরিবার বর্ষা মৌসুমে চাক জাল তৈরি করে বাড়তি আয় করছে। অবসরে নারী-পুরুষরা ঘরে বসে চাক জাল তৈরি করেন। একজন প্রতিদিন দুই-তিনটি জাল তৈরি করতে পারেন।

পোনাবলিয়া গ্রামের দুলাল মুনশি জানান, প্রতিদিন তারা কৃষিকাজের অবসরে চাক জাল তৈরি করেন। ঘরে বসে নারীরাও চাক জাল তৈরি করেন। ঝালকাঠি শহরের টাউন হলের সামনে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার জাল নিয়ে যান তিনি। বড় চাক জাল ৪০০-৫০০ টাকা এবং ছোট চাক জাল ৩০০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়। খরচ বাদে প্রতিটিতে ৮০-১০০ টাকা লাভ হয়।

চাক জালের আরেক কারিগর শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘বাঁশের তৈরি চাঁইয়ের ব্যবহার কমে যাওয়ায় জেলেরা চাক জালের দিকে ঝুঁকছেন।’

জাল কিনতে আসা জেলে কামাল হোসেন বলেন, ‘চাক জাল দিয়ে শুধু চিংড়ি মাছ ধরা হয়। বর্ষা মৌসুমে ধানক্ষেতে ও ছোট নালায় প্রচুর চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়। চিংড়ি মাছ ধরার জন্য চাক জালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।’

ভান্ডারিয়া থেকে ঝালকাঠিতে বিক্রি করতে আসা চাক জাল ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, ‘বাজার থেকে চিকন সুতার জাল কিনে কেটে বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাঁশের কঞ্চির সাথে বেধে জাল তৈরি করি। শুধু ঝালকাঠি নয়, রাজাপুর, কাঠালিয়া, কাউখালী ও ভান্ডারিয়ায় এ জালের বেচা-বিক্রি করি। এ দিয়ে সংসার চলে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

অভয়াশ্রমে অবাধে চলছে মা মাছ নিধন

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অভয়াশ্রমে ধরা হচ্ছে মা ও পোনা মাছ। গতকাল সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদেপ্রথম আলো
নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অভয়াশ্রমে ধরা হচ্ছে মা ও পোনা মাছ। গতকাল সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদেপ্রথম আলো নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অভয়াশ্রমে ধরা হচ্ছে মা ও পোনা মাছ। গতকাল সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙ্গন নদেপ্রথম আল

ঠাকুরগাঁওয়ে দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষার জন্য নদ-নদীতে গড়ে তোলা হয়েছে অভয়াশ্রম। এসব অভয়াশ্রমে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা অমান্য করে বিভিন্ন প্রজাতির মা ও পোনা মাছ ধরা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষও তেমন নজরদারি করছে না। এতে দেশি প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।বিজ্ঞাপন

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ১১ টির মৎস্য অভয়াশ্রম রয়েছে। তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সাতটি অভয়াশ্রমের নাম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার পৌর এলাকার টাঙ্গন নদে জেলা প্রশাসকের বাসভবনের পশ্চিম পাশে ও সুক নদের বুড়িরবাঁধ এলাকায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তীরনই নদীর পাইলট বিদ্যালয়ের পেছনে রূপপুরে রানীশংকৈল উপজেলার রাজবাড়ী এলাকার কুলিক নদে, হরিপুর উপজেলায় ধীরগঞ্জ এলাকায় এবং পীরগঞ্জের টাঙ্গন নদের গাঞ্জনদহ ও কদমতলী এলাকায় মাছের অভয়াশ্রম রয়েছে।বিজ্ঞাপন

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচটি উপজেলায় ১১টি মৎস্য অভয়াশ্রম রয়েছে। অভয়াশ্রম ঘোষণার পরে নদের তীরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বেড়া দিয়ে স্থানগুলো ঘিরে দেওয়া হয়। বাঁশের খুঁটির মাথায় লাগিয়ে দেওয়া হয় লাল নিশান। প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছের পাশাপাশি সরকারিভাবে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। অভয়াশ্রম বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছের আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তোলা হয়।বিজ্ঞাপন

সরকারিভাবে উপজেলা গভর্ন্যান্স প্রজেক্টের আওতায় ২০১৮ সালে ঠাকুরগাঁও শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত টাঙ্গন নদের ১ দশমিক শূন্য ৫ হেক্টর এলাকায় মৎস্য রানি অভয়াশ্রম ঘোষণা করে মৎস্য বিভাগ। কিন্তু নজরদারির না থাকায় কিছুদিনের মধ্যে তা অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এখন সেখানে একটি সাইনবোর্ড ছাড়া অভয়াশ্রমের আর কোনো চিহ্ন নেই। ওই সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে, ‘মৎস্য অভয়াশ্রমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ। মৎস্য অভয়াশ্রম নির্ধারিত এলাকার বাইরে মৎস্য সংরক্ষণ আইন মেনে চলুন। মৎস্য সংরক্ষণ আইন অমান্যকারীর জেল অথবা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত অপরাধ।’বিজ্ঞাপন

গত সোমবার জেলা প্রশাসকের বাসভবনের পশ্চিম পাশে টাঙ্গন নদ ও বুড়িরবাঁধ এলাকার সুক নদের অভয়াশ্রমে দেখা যায়, বড়শি ও ফিকা জাল দিয়ে ছোট (পোনাজাতীয় মাছ) ও বড় মাছ শিকার করছেন কয়েকজন।বিজ্ঞাপন

নদপারের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলে ও শৌখিন মাছশিকারিরা জাল দিয়ে মাছ ধরেন। রুই, কাতলা, ট্যাংরা, পুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ ধরা পড়ছে। মৎস্য বিভাগের নজরদারি না থাকায় লোকজন অবাধে জেলার বিভিন্ন অভয়াশ্রমে মাছ ধরছেন।বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসকের বাসভবনের পশ্চিম পাশে টাঙ্গন নদে অভয়াশ্রমে ফিকা জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন গোলাম মোস্তফা নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘মৎস্য অভয়াশ্রমটি যখন ঘোষণা করা হয়ছিল, তখন আমরা এখানে মাছ ধরতাম না। পরে অনেকেই সেখান থেকে মাছ ধরা শুরু করেন। তাঁদের দেখাদেখি আমিও মাছ ধরছি। আমি মনে করেছিলাম, এই অভয়াশ্রমের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।’বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সদর উপজেলার বুড়িরবাঁধ এলাকার সুক নদের মৎস্য অভয়াশ্রম থেকে মাছ ধরার অভিযোগে আটজনকে কারাদণ্ড ও দুজনকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে শহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, অভয়াশ্রম থেকে মা মাছ শিকার করা উদ্বেগের বিষয়। অভয়াশ্রমই যদি মাছশিকারিদের হাত থেকে রক্ষা না পায়, তাহলে মাছ রক্ষা হবে কেমন করে। আর মা মাছ রক্ষা না পেলে দেশীয় মাছের সংরক্ষণ সম্ভব হবে না।বিজ্ঞাপন

টাঙ্গন নদের মৎস্য রানি অভয়াশ্রমের স্থানীয় ব্যবস্থা কমিটির সভাপতি আবদুল মজিদ বলেন, গত বছরের বর্ষায় অভয়াশ্রমের খুঁটি ও বেড়া বিলীন হয়ে যায়। বরাদ্দ না থাকায় পরে সেখানে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আফতাব হোসেন বলেন, অভয়াশ্রম স্থানীয় মৎস্য সমিতির সদস্যরা দেখভাল করেন। মৎস্য অভয়াশ্রমে মাছ ধরার কোনো সুযোগ নেই। সেখান থেকে যাঁরা মাছ ধরছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

করোনা ভাইরাস: ভারতে উৎপাদিত টিকা বাংলাদেশ কীভাবে পাবে

করোনাভাইরাসের টিকা প্রস্তুত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশ।
করোনাভাইরাসের টিকা প্রস্তুত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশ।

করোনাভাইরাস মহামারি থেকে বাঁচতে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য এখন প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা। এর মধ্যে ভারত দুটি প্রতিষেধক নিয়ে কাজ করছে। একটি তাদের নিজেদের তৈরি এবং আরেকটি ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ভ্যাকসিনের পেটেন্ট নিয়ে ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে এবং এই ভ্যাকসিনটি তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা সফরে এসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, তার দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি হলে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে।

ভারত তাদের উৎপাদিত টিকা বাংলাদেশকে দেবে কি না সেটা দেশটির নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

কিন্তু ভারতে উৎপাদিত অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন বাংলাদেশ কোন্ উপায় পাবে সেটা ভারতের সাথে ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের চুক্তির ওপর নির্ভর করবে বলে জানান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আ ফ ম রুহুল হক।

তিনি বলেন, “ভারতসহ বিভিন্ন দেশকে অক্সফোর্ড এই টিকা উৎপাদনের অনুমোদন দিয়েছে। অক্সফোর্ড যদি ভারতকে অনুমোদন দেয় বিক্রি করতে, তাহলে তারা বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করবে। এটা নির্ভর করছে অক্সফোর্ডের ওই কোম্পানি এবং ভারতের মধ্যে কী দেন-দরবার হয়েছে, সেটার ওপর।”

যেহেতু, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তাই মি. হক আশা করছেন যে ওই টিকা বাংলাদেশকে দেয়ার মতো অনুমোদন তাদের আছে।

“পররাষ্ট্র সচিবের মতো শীর্ষ পর্যায়ের নেতার কিছু বলা মানে সেটা ভারত সরকারের বক্তব্য। এতে ধারণা করাই যায় যে, ওই টিকা সফল হলে সেটা বাংলাদেশকে দেয়ার অথরিটি তাদের আছে,” বলেন সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সারাবিশ্বে প্রায় ১২০টি করোনাভাইরাস ভ্যাক্সিন তৈরির কার্যক্রম চলছে
সারাবিশ্বে প্রায় ১২০টি করোনাভাইরাস ভ্যাক্সিন তৈরির কার্যক্রম চলছে

ভারতের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ও চীন সাতটি দেশে ভ্যাকসিনের অ্যাডভান্সড ট্রায়াল শুরু করেছে।

এগুলোর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বাংলাদেশে শুরু করা উচিৎ বলে অভিমত দিয়েছে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি।

সে লক্ষ্যে টিকা উৎপাদনকারী দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব।

এখন বাংলাদেশে কোন টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হলে কী লাভ হবে, সে বিষয়ে সরকারের ভ্যাকসিন বিষয়ক কমিটির সদস্য ডাঃ শামসুল হক বলেন: “কোন দেশে ভ্যাকসিন পরীক্ষার পর যদি এটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পায় তাহলে যে দেশে পরীক্ষা চালানো হয়েছে, সেখানে ভ্যাকসিনের প্রয়োগ সহজ হয়ে যায়।

”আবার যারা এই ভ্যাকসিন উৎপাদক তারা যেসব দেশে পরীক্ষা চালায় তাদেরকে সাধারণত অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে,” জানান ডা: হক।

এর আগে চীন মোট ছয়টি দেশে তাদের তৈরি ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু করে। দেশগুলো হল ব্রাজিল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, চিলি, ফিলিপিন্স ও তুরস্ক।

বাংলাদেশেও এই টিকার ট্রায়াল হওয়ার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেষ মুহূর্তে আরও পরীক্ষা নিরীক্ষার কথা জানালে সেই প্রচেষ্টা বন্ধ হয়ে যায়।

অথচ জাতীয় পরামর্শক কমিটি এবং বাংলাদেশ মেডিকেল গবেষণা পরিষদ এই ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছিল।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতিও নিয়েছিল।

এরপরেও সেটা বাংলাদেশে কেন পরীক্ষা করা হয়নি সেটা নিয়ে সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন আপডেট: টিকা কী, কীভাবে তৈরি হয়?

এর পেছনে বৈশ্বিক রাজনীতি এবং ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বেনজির আহমেদ।

চীন যদি চায় তাদের ভ্যাকসিনটি কোন দেশকে নিতে হবে। তাহলে চীন ওই দেশের ওপর চাপ দেবে।

মি. আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চীন পদ্মা সেতু বা তিস্তা সেতুর অর্থায়নের শর্ত তুলে চাপ দেবে। এই ঘোষণা দেয়ার দুইদিনের মাথায় মি. শ্রিংলা ঢাকায় হাজির হয়েছেন।

তাই চীনের টিকা পরীক্ষা না করার পেছনে যে রাজনীতি নেই, ব্যবসায়িক স্বার্থ নেই এটা উড়িয়ে দেয়া যাবে না বলে জানান মি. আহমেদ।

তিনি বলেন, “যখন বিশেষজ্ঞদের মতামতকে উপেক্ষা করে একজন মন্ত্রী টিকার মতো বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন তাহলে সেটা কোন বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত থাকে না বরং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হয়ে যায়।”

সাধারণত বাজারে আসা প্রথম ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিতরণ করে থাকে।

যেসব দেশের মাথাপিছু আয় কম তাদেরকে বিনা মূল্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়।

করোনাভাইরাস ঠেকাতে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত টিকাটি মানব শরীরের জন্য নিরাপদ এবং সেটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উজ্জীবিত করে তুলতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে।
করোনাভাইরাস ঠেকাতে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত টিকাটি মানব শরীরের জন্য নিরাপদ এবং সেটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উজ্জীবিত করে তুলতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে।

তবে এই প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ হওয়ায় বিভিন্ন দেশের সরকার ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানের সাথে আগে থেকেই চুক্তি করে বা অগ্রিম অর্থ দিয়ে রাখে।

কিন্তু বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কারও সাথে ট্রায়ালের অংশীদার হওয়ার কোন চুক্তি করেনি , ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেতে অগ্রিম অর্থও দেয়নি।

এমন অবস্থায় সরকারের করণীয় সম্পর্কে মি. আহমেদ বলেন, “যখন ভ্যাকসিন বাজারে আসবে, তখন রাজনীতির খেলাগুলো বোঝা যাবে। বাংলাদেশকে সেটা হ্যান্ডেল করতে গেলে প্রচুর হোমওয়ার্ক করতে হবে। বাংলাদেশ এখনও হেলথ ডিপ্লোম্যাসি শুরু করেনি।”

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রতিষেধক নিয়ে যতো বক্তব্য আসছে তার সবই রাজনৈতিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক কথা দিয়ে টিকার মতো বৈজ্ঞানিক বিষয়ে সফল সিদ্ধান্তে আসা যাবে না। সুতরাং এখানে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে প্রস্তুতি নিতে হবে।”

বাংলাদেশ যদি সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে ভালো দেন-দরবার করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ লাভবান হবে। ভুক্তভোগী হবে না বলে জানান মি. আহমেদ।

এদিকে কোন্ দেশ ভ্যাকসিন আবিষ্কারে এগিয়ে গেছে, কাদের ভ্যাকসিনের মান ভালো, কার্যকরী এবং দামে সাশ্রয়ী এমন নানা বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ সরকার করোনাভাইরাসের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের বিষয়ে চুক্তি করবে বলে জানিয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক।

এছাড়া অগ্রাধিকার-ভিত্তিতে টিকা পাওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ আছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

করোনার টিকা সঠিকভাবে মজুত রাখার জন্য প্রচুর কাঁচের শিশি (ভায়াল) এবং ফ্রিজের প্রয়োজন হবে।
করোনার টিকা সঠিকভাবে মজুত রাখার জন্য প্রচুর কাঁচের শিশি (ভায়াল) এবং ফ্রিজের প্রয়োজন হবে।

তবে বাংলাদেশের মতো বিপুল জনগোষ্ঠীর দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ অর্থ অগ্রিম করা প্রয়োজন, সেটা দেয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে কিনা সেটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেনজির আহমেদ।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে স্বাস্থ্য অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এরি মধ্যে রাশিয়া প্রথম দেশ হিসেবে টিকা উৎপাদন শুরু করে দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন টিকার অনুমোদন দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

কবে নাগাদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন নিয়ে কোন ভ্যাকসিন বাজারে আসতে পারে সেটা বলা যাচ্ছে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

রূপে গুণে অনন্যা সুন্দরী চেরি

রেইনিয়ার চেরি।
রেইনিয়ার চেরি।

‘শ্বশুরবাড়ি মধুর হাঁড়ি’ একটি বাংলা প্রবাদ আছে। এখন আম-জাম-কাঁঠালের মৌসুম। তাজা ফল খেতে এখন শ্বশুরবাড়িতে ডাক পড়বে জামাইদের। সে জন্যই কি শ্বশুরবাড়িকে মধুর হাঁড়ি বলা হয়েছিল? আমরা জানি না। তবে বাংলাদেশের মতো ইউরোপেও ফলের মৌসুম আছে। ইউরোপের সেই মৌসুমে হয়তো আম–জাম পাওয়া যায় না। কিন্তু পাওয়া যায় রসে টসটসে চেরি।

কেক-পেস্ট্রি–জাতীয় বিভিন্ন খাবারের টপিং হিসেবে ঢাকায় দেখা যায় চেরির ব্যবহার। এ ছাড়া অল্পবিস্তর চেরি যে ঢাকা শহরের ফলের দোকানে পাওয়া যায় না, তা নয়। কিন্তু সেগুলো অনেক প্রসেস করা। গাছে পেকে থাকা রসালো তাজা চেরির স্বাদই আলাদা।

এখন চেরির মৌসুম। চেরির মৌসুম খুব অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়। ইউরোপের বাজারে এপ্রিলের শেষে চেরি উঠতে শুরু করে, জুলাইয়ের শেষে খুব কমই দেখা যায়। কোমল, সরস ও টসটসে চেরি দেখতেও যেমন দৃষ্টিনন্দন, স্বাদেও তেমন মজার। চেরি প্রকরণভেদে মিষ্টি বা টক-মিষ্টি হয়ে থাকে। একটি চেরির গাছে গড়ে প্রায় সাত হাজার ফল ধরে। জ্যাম, জেলিসহ হরেক পদের কেক তৈরিতে গ্রীষ্মকালীন এ ফলের কদর অনেক বেশি। নানা পদের রান্না ও সালাদে চেরি ব্যবহার করা হয়।

বিং চেরি।
বিং চেরি।

প্রায় বারো শ ধরনের চেরি আছে বিশ্বজুড়ে। এর মধ্যে খুব বেশি হলে মাত্র ২০ ধরনের চেরি বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। এই মজার স্বাদের আর উপকারী ফলটির সঙ্গে মানুষের পরিচয়ের ইতিহাস লেখা আছে সেই প্রস্তর যুগের পাথরে। প্রত্নতাত্ত্বিকগণ ইউরোপ ও এশিয়াজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রাগৈতিহাসিক গুহাগুলোতে চেরি ফলের ফসিলের সন্ধান পেয়েছেন। তবে চেরি ফলের প্রথম লিখিত বর্ণনা পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ বছর আগে, গ্রিক লেখক থিওফ্রাস্টাসের লেখা ‘উদ্ভিদের ইতিহাস’ বইতে। ঠিক একই সময়ে গ্রিক লেখক ও চিকিৎসক ডিফিলাস মূত্রবর্ধক হিসেবে চেরি ফলের উপকারিতার কথা লিখেছিলেন।

মৌসুমি সব ফলেরই কিছু না কিছু গুণ থাকে। পুষ্টিগুণের যাঁরা খবর রাখেন, তাঁরা চেরি ফল খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ,

১. হৃদয় ভালো রাখে
চকচকে উজ্জ্বল বর্ণের চেরি দেখলেই হৃদয় আন্দোলিত হয়। হওয়ারই কথা। কম ক্যালরির এ ফলের সঙ্গে হৃদয়ের সখ্য আছে। কারণ, রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এ ফল। মিষ্টি চেরি পলিফেনলস ও পটাশিয়ামের ভালো উৎস। অতিরিক্ত সোডিয়াম অপসারণ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে চেরি।

চেরি।
চেরি।

২. অমিত লাবণ্যে চেরি
ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই-সহ অনেক পদের খাদ্যপ্রাণে ভরপুর, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনলস–সমৃদ্ধ মজার ফল চেরি। ভিটামিন ই ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। ভিটামিন বি রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সহায়তা করে। ভিটামিন সি বার্ধক্য ও চুল পড়া রোধ করে। চর্চিত ত্বকের জন্য চেরিতে আছে খাদ্যপ্রাণ এ। সবকিছু মিলে চেরি আপনার চেহারার রুক্ষতা দূর করে ত্বককে অনেক উজ্জ্বলতা দেবে, চেহারায় এনে দেবে অপার সৌন্দর্য, উচ্ছল লাবণ্য।

৩. সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রশান্তি ও ঘুম
মজার ফল চেরিতে মেলাটোনিন (০.০১৩ মিলিগ্রাম/কেজি) খুব একটা কম নয়। মেলাটোনিন চিন্তা ও উদ্বেগ দূর করে মনে প্রশান্তি আনে। রাতে ভালো ঘুম হয়, শরীর মন সতেজ ও প্রফুল্ল থাকে। তাতেও ত্বক উজ্জ্বল হয়, লাবণ্য বৃদ্ধি পায়।

৪. অস্থিসন্ধির প্রদাহ ও গেঁটে বাতের কষ্ট দূর
রক্তে ইউরিক অ্যাসিড কমায় বলে যাঁরা গেঁটে বাতে কুপোকাত, তাঁরা এই অজুহাতে মজার ফলটি বেশি বেশি খেতে পারেন। প্রাচীন চিকিৎসকেরা এই ফলের এই গুণের কথা জানতেন।

৫. গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) নিচের দিকে
এদিকেও এ ছোট্ট লাল রঙের ফলের সুনাম আছে। ডাক্তাররা সাধারণত যেসব ফলের গ্লাইসেমিক সূচক ৫৫-এর নিচে, সেসব ফল বহুমূত্র, অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগীদের খেতে পরামর্শ দেন। চেরির জি আই ২২। তারপরও একজন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিজ্ঞানীর পরামর্শ নেওয়া উচিত হবে ডায়াবেটিস রোগীদের চেরির স্বাদ নেওয়ার আগে।

ফল সহ চেরি গাছ।
ফল সহ চেরি গাছ।

৬. গর্ভবতীদের জন্য
চেরি প্লাসেন্টা ও ভ্রূণের মধ্যে রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। উপরন্তু ঠান্ডা ও ফুসকুড়ি সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। আর তা ছাড়া প্রশান্তি আর ভালো ঘুমের জন্য যথেষ্ট মেলাটোনিন তো আছেই।

৭. হজমের জন্য ভালো
খাবার ভালো হজম হলে অনেক রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। চেরিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার আছে বলেই অন্ত্রে খাদ্য চলাচল নির্বিঘ্ন করে। ১০টি চেরি ফল দেহকে প্রায় ১.৪ গ্রাম ফাইবারের জোগান দেয়। যা কিনা একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মোট চাহিদার ১০ শতাংশ।

চেরি হৃদয়বান্ধব, প্রশান্তির ঘুম মনকে সতেজ করে, রূপে বাড়তি লাবণ্য ও জৌলুশ আনে, প্রদাহ প্রশমনে কাজ করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও এর সুনাম আছে। অন্ত্র পরিষ্কার করে। রোগ প্রতিরোধে এমন ফলের জুড়ি মেলা ভার। করোনাভাইরাস ঠেকাতে দেহে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া আর তেমন কোনো কার্যকরী উপায় আজও আমাদের জানা নেই। তাই যাঁদের সুযোগ আছে, তাঁরা এ সময়ে চেরির স্বাদ আস্বাদন করতে পারেন।

ফরাসিতে একটি জনপ্রিয় প্রবাদ আছে, তা হলো ‘কেকের ওপর চেরি’, অর্থাৎ এমনিই কেক আবার তার সঙ্গে যোগ হয়েছে চেরি! এ যেন ‘সোনায় সোহাগা’। অন্য সব মৌসুমি ফলের সঙ্গে চেরি যোগ হলে সত্যিই তা হবে বাড়তি পাওনা, একেবারে সোনায় সোহাগা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com