আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

দুধের উৎপাদন বাড়াতে ঔষধি ঘাস ব্যবহারে দেশের গবেষকদের সাফল্য

চার ঔষধি ঘাসের মিশ্রণ খাদ্য গবেষণার মাধ্যমে গাভির দুধ উৎপাদন বাড়ানোর পন্থা উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। এরই মধ্যে ঘাসের মিশ্রণ খাদ্যের গবেষণায় সফলতাও মিলেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ‘দুগ্ধজাত গাভীর প্রচলিত খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস সমৃদ্ধ দুধ উৎপাদনে ঔষধি ঘাসের প্রভাব’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রধান গবেষক পশুপুষ্টি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আমিষের অন্যতম উৎস হচ্ছে গাভির দুধ। সাধারণত গাভির দুধের উৎপাদন বাড়াতে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক, গ্রোথ হরমোন ও স্ট্যারয়েডস ব্যবহার করেন খামারিরা। এসব উপাদান নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তাই গাভির দুধের উৎপাদন বাড়াতে ক্ষতিকর উপাদানের বিকল্প হিসেবে চারটি ঔষধি গাছ ব্যবহার করে গবেষণার উদ্যোগ নেয়া হয়।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন বলেন, ঔষধি গুণ সম্পন্ন সজিনা পাতা, তেলাকুচা পাতা, আনারসের উচ্ছিষ্টাংশ ও লেমন ঘাসের একটি মিশ্রণ দুগ্ধজাত গাভীর খাদ্যের সঙ্গে ব্যবহার করলে দুধের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, জিংকসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সঙ্গে উৎপাদনও বাড়ে। মিশ্রণটি খামারিরা দুগ্ধজাত গাভীর খাদ্যের সঙ্গে ব্যবহার করলে অধিক পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ নিরাপদ দুধ উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন। এই দুধ খেলে মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, এই চারটি ঘাস নির্বাচন করতে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- ঘাসের সহজলভ্যতা, খরচ বিশ্লেষণ এবং জৈব ও খনিজ পদার্থের পরিমাণ বিশ্লেষণ।

লাইভস্টক

কুমিল্লায় বেড়েছে মাশরুমের চাহিদা

লেখক

জেলায় করোনায় মাশরুমের চাহিদা বেড়েছে। তবে উৎপাদন কম হওয়ায় ভোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী মাশরুম পাচ্ছেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মাশরুমের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে কুমিল্লায় প্রচুর মাশরুমের উৎপাদন থাকলেও এর চাহিদা ছিলো না। প্রচারণা না থাকায় মানুষ মাশরুম খেতে চাইতো না। এখন মাশরুম খেতে চাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। কুমিল্লা সদর উপজেলার ছত্রখিল গ্রামের চাষি চন্দন কুমার সাহা। তিনি ১৫ বছর ধরে মাশরুম উৎপাদন করেন। তিনি বাসসকে বলেন, ৫/৬ বছর আগে কুমিল্লায় শতাধিক চাষি মাশরুম উৎপাদন করতেন। বর্তমানে তা ৫/৬ জনে নেমে এসেছে। প্রচারণা না থাকায় আগে মানুষ মাশরুম খেতো না। এখন মাশরুমের অনেক চাহিদা। গরমকালে মাশরুমের উৎপাদন কম হয়। তার খামারে দুই থেকে তিন কেজি মাশরুম পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু চাহিদা রয়েছে ১০০ ্রকেজিরও বেশি। কৃষি বিভাগ মাশরুম চাষে উদ্বুদ্ধ করলে তরুণদের বেকারত্ব দূরের সাথে মানুষ পুষ্টিকর মাশরুম খেতে পারবে।


কৃষিবিদ গোলাম সারোয়ার ভুইয়া বাসসকে বলেন, পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা মাশরুমকে সুপার ফুড হিসাবে বিবেচনা করেন। নিয়মিত মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করলে এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। এতে করোনাসহ সকল রোগের বিরুদ্ধে মাশরুম সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। আগে কুমিল্লায় মাশরুম উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প ছিলো। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখানে ভাটা নেমে আসে। মাশরুম উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প কুমিল্লার সাবেক কর্মকর্তা, বর্তমানে নোয়াখালী বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে এখানে স্থবিরতা নেমে আসে। ইচ্ছে করলে সেই উদ্যোম ধরে রাখা যেত। মানুষের প্রয়োজনে মাশরুম চাষ জনপ্রিয় করা প্রয়োজন।
হর্টিকালচার সেন্টার কুমিল্লার উপ-পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাশরুম একটি পুষ্টিকর খাবার। এটি কম জায়গায় অল্প পঁজিতে চাষ করা যায়। প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন কমে গেছে। এ সংক্রান্ত বড় বরাদ্দ পাওয়া গেলে আরো বেশি মানুষের মাঝে মাশরুম চাষ ছড়িয়ে দেয়া যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

সহায়তা হিসেবে গরু পেলেন পটুয়াখালীর জেলেরা

পটুয়াখালীর বাউফলে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকাকালে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ১০ জেলেকে গাভী বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মাঠে এসব গাভী দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান, বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম ঝান্টা।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম ঝান্টা জানান, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টিতে জেলেদের মাঝে এসব গাভী বিতরণ করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার আরও ১০ জেলেকে গাভী দেয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

পেশা বদলে মহুবার এখন হাঁসের খামারি

রংপুরের বদরগঞ্জের চম্পতলি গ্রামের মহুবার আলী (৫০) ঢাকার সাভারে রিকশা চালাতেন। পরিবার নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। কিন্তু বাদ সাধে মহামারি করোনা। গত বছর মহামারির কারণে অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর আয়ের পথ। একসময় ফুরিয়ে যায় জমানো টাকা। বাধ্য হয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা ছাড়েন মহুবার।

পরিবার নিয়ে টিকে থাকতে নিজের গ্রামের বাড়িতে ফেরেন মহুবার। সেখানেও লকডাউনে রিকশা-ভ্যান চালাতে দেয়নি পুলিশ। তখন তিনি ভাবতে থাকেন, ঘরে বসে কীভাবে আয় করা যায়। মাথায় আসে হাঁস পালনের কথা। হাতে থাকা কিছু টাকা ও নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে আরও কিছু টাকা ধার নিয়ে গত বছরের অক্টোবরে বাড়ির পাশে গড়ে তোলেন হাঁসের খামার। এখন সেই খামারে হাঁসের সংখ্যা আট শতাধিক। এই হাঁস ও ডিম বিক্রি করে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

মহুবারের পাঁচ শতক জমিতে বসতভিটা আছে। তিন বছর আগে ৫৫ শতক কৃষিজমি দেড় লাখ টাকায় বন্ধক নিয়ে ধান চাষ করে আসছেন। বড় দুই ছেলে বিয়ে করার পর আলাদা সংসার পেতেছেন। ছোট ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে মহুবারের আলাদা সংসার।

মহুবারেরা চার ভাই। পৈতৃক সূত্রে তাঁদের নামে বাড়ির পাশে ৯ শতক জমিতে একটি পুকুর আছে। ওই পুকুরে মাছ চাষ করতেন অন্য তিন ভাই। হাঁস পালনে পুকুরটি কাজে লাগিয়েছেন মহুবার।

মহুবার জানান, খামার করার শুরুতে তাঁর হাতে জমানো টাকা ছিল ৫০ হাজার। ৩০ হাজার টাকা ধার নেন। পুকুরের ওপর হাঁসের ঘর তৈরিতে তাঁর খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। আর এক হাজার হাঁসের বাচ্চা কিনেছিলেন ৩০ হাজার টাকায়। স্থানীয় বাজারের পরিচিত এক পশুখাদ্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাকিতে খাদ্য নেন। প্রশিক্ষণ না থাকায় মাসখানেক পর ১৯৬টি হাঁসের বাচ্চা অসুস্থ হয়ে মারা যায়।

গত সপ্তাহে তিনি ১০০ হাঁস বিক্রি করেছেন ৩৮ হাজার টাকায়। অন্য হাঁসগুলো ঈদের বাজারে বিক্রির চিন্তা করছেন। বর্তমানে তাঁর খামারে থাকা হাঁসের বাজারমূল্য দুই লাখ টাকার বেশি।

মহুবার বলেন, ‘মোর নেকাপড়া আর যদি হাঁস পালনের নিয়ম জানা থাকিল হয়, তা হইলে লাভটা আরও বেশি হইলো হয়। গেরামের (গ্রামের) ডাক্তারেরা মোক ঠগাইছে। একবার ডাক্তার আনলে ৫০০ টাকার কম মানে না। এক হাজার টাকার ওষুধ দিয়া দুই হাজার টাকা নেছে।’

বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, করোনায় কর্মহীন না থেকে মহুবারের হাঁস পালন করে লাভবান হওয়ার উদ্যোগটি অনুসরণীয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

কেঁচো সার উৎপাদনে স্বাবলম্বী তানিয়া

ফরিদপুরে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেকেই। ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করে অন্যদের মতো তানিয়া পারভীনও হয়েছেন স্বাবলম্বী। জৈব এই সার মাটিকে তাজা করে, নেই কোনো ক্ষতিকর দিক, দামেও সস্তা। তাই কৃষকেরও পছন্দ এই সার। ফলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এই সারের চাহিদা।

ফরিদপুর পৌর এলাকার শোভাররামপুর মহল্লার বাসিন্দা তানিয়া পারভীন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০১৭ সালে তিনি ৩টি রিং স্লাব দিয়ে শুরু করেন এ সারের উৎপাদন। ধীরে ধীরে সার উৎপাদনের পরিধি বাড়িয়েছেন। এখন রিং স্লাবে সীমাবদ্ধ নেই তানিয়া। বাড়ির উঠোনে বিশাল টিনের সেড ও আরেক পাশে ছাপড়ার নিচে তৈরি করেছেন ২৪টি হাউজ বা চৌবাচ্চা। প্রতিটি হাউজ ৪ ফুট বাই ১০ ফুট আকারের।

প্রতিটি হাউজে ৪০ মণ গোবর, শাকসবজির উচ্ছিষ্টাংশ ও কলাগাছের টুকরো মিশ্রণ করে প্রতিটি হাউজে ১০ কেজি কেঁচো ছেড়ে দেয়া হয়। তারপর চটের বস্তা দিয়ে হাউজ ঢেকে রাখা হয়। এভাবে এক মাস ঢেকে রাখার পর তৈরি হয় ভার্মি কম্পোস্ট সার। প্রতি মাসে তানিয়ার ২৪টি হাউজ থেকে এক থেকে দেড় টন সার উৎপাদন হয়ে থাকে। প্রতি কেজি সার খুচরা ১৫ টাকা ও পাইকারি ১২টা করে বিক্রি করা হয়। এতে খরচ বাদে প্রতি মাসে আয় হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

এদিকে তানিয়ার উৎপাদিত কেঁচো সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাষিরা এসে তানিয়া পারভীনের বাড়ি থেকে সার কিনে নিয়ে চাষাবাদ করছেন।

ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারকারী চাষি জুয়েল মল্লিক বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট সার জমির উর্বরতা বাড়ায়, ফলনও বেশি হয়। এছাড়া দামও কম। আর রাসায়নিক সারের দাম ও ক্ষতিকারক বেশি। এজন্য আমরা এখন জৈব সার ভার্মি কম্পোস্ট সার তানিয়া পারভীনের থেকে কিনে জমিতে ব্যবহার করছি। ফলে অল্প খরচে অধিক লাভবান হচ্ছি।

উদ্যোক্তা তানিয়া পারভীন বলেন, এই সার বিক্রি করে আমার প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। সারের চাহিদা থাকায় দিন দিন উৎপাদন বাড়িয়েছি। এখন এলাকার অনেকেই আমার কাছ থেকে সার উৎপাদনের কৌশল রপ্ত করছেন। তারাও আগামীতে ভার্মি কম্পোস্ট সারা উৎপাদন করবেন। তবে এজন্য সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন।

ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, কেঁচো দিয়ে সার উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জেলার প্রায় ৩শ’ কৃষক এই সার উৎপাদন করছেন। বর্তমানে রাসায়নিক সারের অতি ব্যবহারে জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব এই সার মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমেছে। মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের সুরক্ষায় নীতিমালা করছে সরকার

লেখক

পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের সুরক্ষায় সরকার নীতিমালা তৈরী করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
তিনি আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এনিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আহকাব) এবং বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রেডিয়েন্টস ইমপোর্টার্স এন্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফিটা)-এর প্রতিনিধিদের সাথে অনুষ্ঠিত এক সভায় একথা জানান।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার, মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আহকাব’র সভাপতি ডাঃ এম নজরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ সায়েদুল হক খান, মোঃ অনোয়ার হোসন ও মোঃ মোশারফ হোসেন চৌধুরী, বাফিটা’র সভাপতি সুধীর চৌধুরী, সিনিয়র সহসভাপতি এ এম আমিরুল ইসলাম ও মহাসচিব মোঃ হেলাল উদ্দিন সভায় উপস্থিত ছিলেন।


মন্ত্রী বলেন, “নীতিমালার মাধ্যমে পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পকে সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করা হবে। এ শিল্পের উন্নয়নে সাধ্যমতো সবকিছু করা হবে। এক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা অতিক্রম করার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে পদক্ষেপ নেয়া হবে।। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড-১৯ এর কারণে দেশীয় অনেক শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসময়ে বাংলাদেশের গ্রামীন অর্থনীতিকে সচল করা, দারিদ্র্য দূর করা, মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী করা, মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটানো এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই।”
আহকাব ও বাফিটা’র প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা ব্যবসা করবেন ঠিক আছে। কিন্তু দেশ, বাজার ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর খাদ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। যাতে সরকার বাজার মনিটরিং করতে না হয়। পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে হবে।”

পরে অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা দ্রুততার সাথে দায়িত্ব নিয়ে পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর খাদ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য কাজ করবেন বলে সভায় আশ্বস্ত করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com