আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

ব্যবসায়ীরা নিজেরাই দাম বাড়ালেন সয়াবিন তেলের

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপনন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির তোয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই এবার দাম বাড়ালেন সয়াবিন তেলের। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

অথচ আন্তজার্তিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে এই জাতীয় কমিটিই সয়াবিন তেলের দাম পুন:নির্ধারন করবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল। গত ১৯ এপ্রিল দেশের ভোজ্যতেল উত্পাদন ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে চিঠি দিয়ে নতুন দাম নির্ধারণের কথা জানায়।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১২২ টাকা, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ১৪৪ টাকা ও পাঁচ লিটারের বোতল ৬৮৫ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া পাম সুপার তেল ১১৩ টাকায় বিক্রি হবে। ইতিমধ্যে রাজধানীর বাজারগুলোতে খুচরা ব্যবসায়ীরা বাড়তি দরে ভোজ্যতেল বিক্রি শুরু করেছেন।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নিউমার্কেট, শান্তিনগর ও মহাখালী কাঁচাবাজারে খোঁজ নিয়ে বাড়তি দরে ভোজ্যতেল বিক্রির তথ্য জানা যায়। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, ভোজ্যতেল কোম্পানিগুলোর পরিবেশকরা তেলের দাম বাড়ার কথা জানিয়েছেন। এদিকে দাম বাড়ায় খুচরা ব্যবসায়ীরা আগের বোতলজাত সয়াবিন তেলও বাড়তি দরে বিক্রি করছেন।

সরকারের বিপনন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) গতকাল তাদের দৈনন্দিন বাজারদরের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাজারে খোলা সয়াবিন নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১২২ থেকে ১২৬ টাকা।

কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপনন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির প্রধান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো: জাফর উদ্দীনের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকসী ইত্তেফাককে বলেন, ‘কমিটির বৈঠক হয়নি। বৈঠকেই ভোজ্যতেলের দর নির্ধারণ হওয়ার কথা।’

গত ১৫ মার্চ কমিটি এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৩৯ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ৬৬০ টাকা , খোলা সয়াবিন ১১৭ টাকা ও পামতেল ১০৯ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। এরআগে ১৭ ফেব্রুয়ারি এই কমিটি প্রথমবারের মতো ভোজ্যতেলের দর নির্ধারন করে। সেসময় প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১১৫ টাকা, বোতলজাত সয়াবিনের লিটার ১৩৫ টাকা ও পামঅয়েল ১০৪ টাকা বিক্রির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

প্রথমবারের মতো সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ যাচ্ছে বিদেশে

দেশের প্রথম স্থানীয় জাত হিসেবে সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ আম যাচ্ছে জার্মানিতে। সচরাচর হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি জাতের আম রপ্তানি হলেও এবারই প্রথম রপ্তানির তালিকায় উঠলো সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ আম।

মাটি ও আবহাওয়াজনিত কারণে অন্য জেলার তুলনায় সাতক্ষীরার আম আগে পাকায় এবং স্বাদে, গুণে ও মানে অনন্য হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরেই সাতক্ষীরার ল্যাংড়া, হিমসাগর ও আম্রপালি আম রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

গত মৌসুমে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে রপ্তানি বিঘ্নিত হলেও কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টায় এবং বেসরকারি সংস্থা উত্তরণ ও সলিডারিডাড’র সহযোগিতায় চলতি মৌসুমে আবারও রপ্তানি শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার আম।

শনিবার (৮ মে) সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেরেলকাতা ইউনিয়নের পুটুনি এলাকার চাষি দাউদ মোল্লার বাগানের গোবিন্দভোগ আম পেড়ে প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে চলতি মৌসুমে বিদেশে আম রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমে উদ্বোধন করেন। এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম, উত্তরণ’র সফল প্রকল্পের ম্যানেজার ইকবাল হোসেন, সলিডারিডাড’র সাপ্লাই চেইন প্রোগ্রাম অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, উত্তরণ’র সাপ্লাই চেইন অফিসার শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি বিভাগ জানায়, অন্য জেলার তুলনায় ১৫-২০ দিন আগে সাতক্ষীরার আম পেকে যায়। তাই রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জকে পেছনে ফেলে রপ্তানি বাজারে বিশেষ গুরুত্ব পায় সাতক্ষীরার ল্যাংড়া, হিমসাগর ও আম্রপালি আম। এ বছর থেকে এই তালিকায় গোবিন্দভোগ আম যুক্ত হলো। এছাড়া সারাদেশেও রয়েছে সাতক্ষীরার আমের বিপুল চাহিদা।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় এ বছর ১৩ হাজার ১০০ জন চাষি ৫ হাজারেরও বেশি বাগানে আম চাষ করেন। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা থেকে অন্তত ৫০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হবে জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের বাজারে।

আম চাষি ডাবলু বাংলানিউজকে জানান, আম রপ্তানির জন্য তারা মৌসুমের শুরু থেকেই বাগান পরিচর্চা শুরু করেছেন। ডাল ছাটা, ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা দমনসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আম উৎপাদন করা হয়েছে। এখন ন্যায্য মূল্যে পেলেই তারা খুশি।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, বিদেশে আম রপ্তানির জন্য মৌসুমের শুরু থেকেই কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে জৈব পদ্ধতিতে বাগান পরিচর্যা শুরু করেন চাষিরা। ইতোমধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে নিরাপদ ও বিষমুক্ত গোবিন্দভোগ আম হার্ভেস্টিং ও রপ্তানি শুরু হয়েছে।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমের শুরুতে রপ্তানির লক্ষে জেলার কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, তালা, আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলার ৩৫০ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব চাষি পরিবেশ সম্মত উপায়ে বিদেশে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন করেছেন। বাশার অ্যাগ্রো, ইসলাম গ্রুপ, গ্লোব ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, আর আর এন্টারপ্রাইজসহ ১৪টি কোম্পানির মাধ্যমে সাতক্ষীরার আম বিদেশে রপ্তানির প্রক্রিয়া চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা থেকে অন্তত ৫০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হবে।

প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরার মুম্বাই, গোবিন্দভোগ, গোপালভোগসহ আগামজাত আম ১ মে, হিমসাগর আম ২১ মে ও ল্যাংড়া আম ১ জুন থেকে হার্ভেস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের চেয়ে অন্তত ১৫ দিন আগে হার্ভেস্টিংয়ের সুবিধা থাকায় সাতক্ষীরার আম রপ্তানিতে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

৩ লাখ ৬০ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন

তিউনিসিয়া, বেলারুশ ও কাফকো থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন সার কিনতে তিনটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ২৬৩ কোটি ৯৮ লাখ ৪৬ হাজার ৪২০ টাকা।

বুধবার (০৫ মে) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে ক্রয় প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৭তম বৈঠকে অনুমোদনের জন্য ১৪টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ৫টি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২টি, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ২টি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ২টি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি, শিল্প মন্ত্রণালয়ের ১টি এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রস্তাবনা ছিল। এর মধ্যে ৮ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৫৭৭ কোটি ৮৭ লাখ ৪২ হাজার ৯৪২ টাকা।

তিনি বলেন, বৈঠকে গণপূর্ত বিভাগের যে প্রকল্পগুলো ছিলো সেগুলো আমরা বিবেচনা করিনি, কারণ এখন সময় নেই। এই অর্থবছরে কাজগুলো শেষ করা যাবে না। অর্থবছরের সময় আছে মাত্র একমাস। চলতি মাস বাদ দিলে জুন মাস শুধু বাকি আছে। সেজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি গণপূর্ত বিভাগের যেগুলো চলমান কাজ সেগুলো চলবে এবং বিদেশি অর্থায়নের কাজগুলো চলবে। এছাড়া নতুন যেসব প্রকল্প যেগুলো লম্বা সময় লাগে কাজ শেষ করতে এবং এক থেকে দেড়মাসের মধ্যে শেষ করা যাবে না সেগুলো পরে কাজ শুরু করতে হবে। আমরা ঠিক করেছি এখন থেকে আগামী জুন পর্যন্ত গণপূর্ত বিভাগের নতুন কোনো প্রকল্প আমরা অনুমোদন দেবে না। এটা আমরা পরিষ্কার করে দিয়েছি। এ জন্য আজকের বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ৫টি প্রস্তাব জুনের পরে পুনরায় উত্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক তিউনিশিয়া থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি টন সারের দাম ৫৬৮ মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৭২৩ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক বেলারুশ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতিটন সারের দাম ধরা হয়েছে ২৯২ দশমিক ৮৭ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে মোট ব্যয় হবে ৪৪৭ কোটি ৮২ লাখ ৭৫ হাজার ১৭০ টাকা।

এছাড়া সরাসরি ক্রয়ের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব টেবিলে উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে ১৪তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া ক্রয়ের প্রস্তাব। প্রস্তাবটি বৈঠকে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রতিটন সারে দাম ধরা হয়েছে ৩৬২ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৩৮ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টাকা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

‘খাদ্যশস্য সংগ্রহে কৃষক যেন হয়রানির শিকার না হয়’

কোনো কৃষক যেন খাদ্যগুদামে ধান দিতে এসে ফেরত না যায় এবং কোনোভাবেই যেন হয়রানি না হয় সেজন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

তিনি বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে সঠিক সময়ে নতুন ফসল ঘরে তুলতে পারলে খাদ্যের সমস্যা হবে না।

খাদ্যশস্য সংগ্রহে ধানকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাশাপাশি গুদামের ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খামালের উচ্চতা বাড়ানোসহ কিছু দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার (৪ মে) মিন্টো রোডস্থ সরকারি বাসভবন থেকে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।  

ভিডিও কনফারেন্সে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলার করোনা মোকাবিলা পরিস্থিতি, চলতি বোরো ধান কাটা-মাড়াই, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সাধন চন্দ্র মজুমদার।  

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষকের স্বার্থের কথা চিন্তা করে তাদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য ধান-চাল কেনার ক্ষেত্রে ধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এবারের বোরো মৌসুমে ৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে এবং ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল ক্রয় করা হবে। যা করোনা দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের মতো আমাদের দেশও একটা মহামারির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে মিলেমিশে, ভালো আচরণ করার মাধ্যমে, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিত্য-নতুন উদ্যোগ নিয়ে চলমান বোরো সংগ্রহ শতভাগ সফল করতে হবে। বর্তমান সময়ে করোনার সঙ্গে আমরা যেমন যুদ্ধ করছি। তেমনি করোনা পরবর্তী খাদ্যের যোগান নিশ্চিত করার জন্যেও আমাদের এখন থেকেই যুদ্ধ করতে হবে।

করোনা মোকাবিলা করে সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, খাদ্যশস্য সংগ্রহে যাতে কোনো অনিয়ম না হয় সেজন্য খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে। এছাড়া সংগ্রহ কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতা ও করোনা মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মুখে মাস্ক পরার আহ্বান জানান তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত থেকে খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, কোনোভাবেই পুরান চাল নেওয়া যাবে না। চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে যে সংগ্রহকৃত চাল এবারের বোরো ধানের চাল। পাশাপাশি বস্তার গায়ে স্টেনসিল ব্যবহার করার নির্দেশ দেন তিনি।

ভিডিও কনফারেন্সে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রংপুর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, নাটোর, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার জেলা প্রশাসক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও মিল মালিক প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

সরকার নির্ধারিত দামে জগন্নাথপুর খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহ শুরু

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সরকার নির্ধারিত দামে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

বুধবার (০৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় জগন্নাথপুর উপজেলা খাদ্য গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধান চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জগন্নাথপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত উসমান মজুমদার, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শিমলা রায়। উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শংকর রায়, স্থানীয় কৃষক জুনাব আলী, আব্দুল মোহিদ প্রমুখ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

অস্থিরতা বাড়তে পারে চালের বাজারে

লেখক

সরকারের সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী গুদামে সব সময় মজুদ থাকার কথা কমপক্ষে ১০ লাখ টন চাল। যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মজুদ থাকা উচিত ১৫ লাখ টন। কিন্তু এখন সরকারের কাছে মজুদ আছে মাত্র দুই লাখ ৯৭ হাজার টন। সরকার আমদানির মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। বেসরকারিভাবে সাড়ে ১৫ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন হলেও এসেছে সাড়ে সাত লাখ টনেরও কম। আর সরকারিভাবে সাড়ে ১০ লাখ টন লক্ষ্য থাকলেও আমদানি করা হয়েছে মাত্র তিন লাখ ৮৩ হাজার টন। বিশাল এই ঘাটতির কারণে চালের বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। সেটি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্নিষ্টরা।
নতুন ধান উৎপাদন হওয়ার পরও চালের দাম কমেনি। বরং দিন দিন দাম বেড়ে চলেছে। গত এক বছরে দেশের খুচরা বাজারে চালের দাম প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। এখন দেশের কৃষক ও মিল মালিকদের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার। সেটিও সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সংশ্নিষ্টদের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক গবেষণা পরিচালক এম আসাদুজ্জামান সমকালকে বলেন, বেসরকারিভাবে আমদানি না করে সরকারকে নিজে আমদানি করতে হবে। কিন্তু সরকার নিজে যে পরিমাণ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটাও আনতে পারেনি। সংগ্রহ ও আমদানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় বাজারে চালের দামে ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে কোনো কারণে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে চালের বাজারে আরও ঊর্ধ্বগতি দেখা দেবে।
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে এক বছরে চালের মজুদ ১১ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখ টন করা উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে মজুদ কেন দুই লাখ টনে নামিয়ে আনা হলো, তার জবাব খাদ্য মন্ত্রণালয়কে দিতে হবে।


গত ২৭ ডিসেম্বর বেসরকারিভাবে চাল আমদানির শুল্ক্ক ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার। এরপর ব্যবসায়ীরা ১৫ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৩ টন চাল আমদানির অনুমোদন নেন। কিন্তু আমদানির শেষ দিন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে চাল প্রবেশ করেছে সাত লাখ ৪৪ হাজার ৪৩০ টন। অনুমোদনের ৪৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বেসরকারি চাল আমদানিকারকরা অনুমতি নেওয়ার পরও প্রায় ৫২ ভাগ চাল আমদানি করেননি।


এ ছাড়া দুই লাখ ১০ হাজার ৭৬১ টন চালের এলসি খোলার পরও আমদানি করা হয়নি বলে সংশ্নিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। ছয় লাখ পাঁচ হাজার ৬৭২ টন চালের এলসি খোলেননি আমদানিকারকরা। ফলে আমদানির মাধ্যমে চালের ঘাটতি পূরণের সরকারি উদ্যোগ ভেস্তে গেছে।
আমদানিকারকরা অভিযোগ করেছেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে পুরো চাল আমদানি করা সম্ভব হয়নি। বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে এলসি খুলতে হবে। আর চাল আনার পর ২০ দিনের মধ্যে বাজারজাত করতে হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে নিয়ে আসাটা আসলে অনেক কঠিন। আবার বোরো ধান কাটা শুরু হওয়ায় আমদানি নিয়ে সংশয়ে পড়েন তারা। এ ছাড়া সীমান্তে ট্রাকে ও কাস্টমসে হয়রানির কারণে অনেকে এলসি খোলার পরও চাল দেশে আনতে পারেননি।


সবচেয়ে বেশি চাল আমদানির অনুমতি পাওয়া ব্যবসায়ী সাতক্ষীরার সি মজুমদার বলেন, এলসি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ ভাগ, পরের ১০ দিনে ৫০ ভাগ চাল বাজারজাত করতে বলা হয়েছে। এই অল্প সময়ের মধ্যে নিয়ে আসাটা অনেক কঠিন। আর এলসি করলেই চাল আমদানি করা যায় না। এরপর আরও অনেক কাজ থাকে। ট্রাকের সংকট, স্থলবন্দরে জট ইত্যাদি কারণে সময় বেশি লাগে। এদিকে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। কিন্তু খাদ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা সেটা বুঝতে চান না।
সি মজুমদার জানান, তার দুই লাখ টন চালের এলসি খোলা ছিল, এর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার টন দেশে প্রবেশ করেছে। বাকি ৬০ হাজার আনতে পারেননি।
নওগাঁর চাল ব্যবসায়ী ও আমদানির অনুমতি পাওয়া নুরুল ইসলাম বলেন, আমদানির চাল এনে বিক্রি করা কঠিন। তাই ২০ হাজার টনের অনুমতি পেয়ে তিনি ১০ হাজার টন আমদানি করেছেন।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, গত বছর আগস্টেই প্রয়োজনীয় পরিমাণ চাল আমদানির অনুমতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু চার মাস পর গত জানুয়ারিতে সেই প্রক্রিয়া শুরু করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এরপর নানা জটিলতায় বেসরকারিভাবে চাল আমদানিতেও বিলম্ব হয়েছে।


গত বোরো মৌসুমে সরকারের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল আট লাখ টন। এর মধ্যে সংগ্রহ হয়েছিল মাত্র দুই লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ টন। সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ লাখ টন। এর মধ্যে সংগ্রহ হয়েছিল ছয় লাখ ৬৭ হাজার ৮৯০ টন। আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দেড় লাখ টন। সংগ্রহ হয়েছিল ৯৯ হাজার ১২৩ টন। একইভাবে আমন মৌসুমেও সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি সরকার। চলতি বোরো মৌসুমে সরকার সাড়ে ছয় লাখ টন ধান কিনতে চায়। গত বছরের চেয়ে সাড়ে তিন লাখ টন কম। এ ছাড়া সাড়ে ১১ লাখ টন চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে। তবে বেশিরভাগ জেলায় এখনও শুরু হয়নি। আজ ৭ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে। শেষ হবে ৩১ আগস্ট।
গত দুই মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার একাধিকবার বলেছিলেন, চালকল মালিকরা যদি সিন্ডিকেট করে, তাহলে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে।


কিন্তু সেই আমদানির উদ্যোগ সফল হয়নি। এখন আবার অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল সংগ্রহের জন্য সর্বোচ্চ জোর দিয়েছে সরকার। গত ৪ মে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের এবং ৫ মে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এ সময় চলতি বোরো মৌসুমে ধান-চাল ক্রয়ের গতি ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সাধন চন্দ্র মজুমদার।
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক বদরুল হাসান সমকালকে বলেন, কভিডের কারণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাল কেনা অনেক কঠিন। প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব খাদ্য মজুদ রেখেছে। বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে মাসে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টন চাল আমদানি করা যায়। অথচ দেশে প্রতিদিন চালের চাহিদা ৮০ হাজার টন। তাই আমদানির চেয়ে সংগ্রহের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে দেশের বাজারে চালের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তৈরি না করে উন্মুক্তভাবে সুযোগ দিয়ে মনিটরিং বাড়ালে অভিযান সফল হতো। প্রয়োজনীয় চাল আমদানি হলে বন্ধের নির্দেশ দিত সরকার।
তবে খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম সমকালকে বলেন, আমদানিকারকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রয়েছে। এ জন্য তাদের চাপ দেওয়া যায় না। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য ৩২০ আমদানিকারককে নির্দিষ্ট পরিমাণে চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন বোরো ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। চাল আমদানির আর প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী দুই কোটি ৫ লাখ টন ধান উৎপাদন হয়েছে। এ জন্য অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ধান-চাল সংগ্রহে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরপরও সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে শুল্ক্ক কমিয়ে আবার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারিভাবে ১৩ লাখ টন চাল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com