আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

দাঁতের ক্ষত, দাঁতের ক্ষয়

দাঁতের খুব যত্ন নিচ্ছ। তিন প্রহরে দাঁত ব্রাশ করছ। নানান ধরনের মাউথওয়াশ, ডেন্টাল ফ্লসে দাঁত পরিষ্কার করছ। তারপরও দাঁতে কেন ক্ষত হচ্ছে! এই অতিরিক্ত যত্ন–আত্তিই আবার দাঁতের ক্ষতি করে দিচ্ছে না তো! দীর্ঘ সময় ধরে খুব জোরে জোরে ব্রাশ করা কিন্তু দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ না করলে দাঁত পরিষ্কারের পরিবর্তে দাঁতে ক্ষত তৈরি হয়। ভুলভাবে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে দেখা দেয় প্রথম ক্ষত। দিনের পর দিন এমন চলতে থাকলে ক্ষতটা বাড়ে। লক্ষণ হিসেবে ঠান্ডা–গরম যেকোনো খাবার খেলে দাঁত শিরশির করে ওঠে। অতিরিক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহারও ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ব্যবহারে দাগ পড়তে পারে দাঁতে। কিছু মাউথওয়াশে থাকে অ্যালকোহল। এ ধরনের মাউথওয়াশ মুখের ভেতরটা শুষ্ক করে দেয়। এমন পরিবেশে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি দ্রুত হয়। ক্ষত তৈরি হয় দাঁতে।

দাঁত দিয়ে হাতের নখ কাটার অভ্যাস যাঁদের আছে, তাঁদের দাঁতে ক্ষয় হয়। ঘুমের মধ্যে অনেকের দাঁত কামড়ানোর অভ্যাস আছে। এই বদভ্যাসগুলোর কারণেও দাঁত ক্ষয় হয়ে যায় দ্রুত।

এ ছাড়া দাঁতে গর্ত বা ক্ষত হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ ব্যাকটেরিয়া। আমরা যে খাবারগুলো খাই, তার মধ্যের শর্করা ও স্টার্চ থেকেই ব্যাকটেরিয়াগুলো নিজেদের খাবার পেয়ে থাকে। এই খাবার থেকে তারা শক্তি অর্জন করে একধরনের অ্যাসিড উত্পন্ন করে। এই অ্যাসিড তখন দাঁতের বাইরের আবরণ এনামেলকে আক্রমণ করে বসে এবং আস্তে–ধীরে দঁাতে ক্ষত তৈরি করে। এই ক্ষতকে আমরা ডেন্টাল ক্যারিজ কিংবা ক্যাভিটি বলে থাকি। এই ক্যাভিটিতে যখন খাদ্যকণা জমে, তখন ক্যাভিটি বা গর্ত দৈর্ঘ্য–প্রস্থেও বাড়তে থাকে। তৈরি হয় দাঁতের বিভিন্ন রোগ।বিজ্ঞাপন

দাঁতের ক্ষত, দাঁতের ক্ষয়

দাঁতের ক্ষত রোধে চিনিজাতীয় খাবার যিনি এড়িয়ে যান, তিনি বুদ্ধিমান। মুখে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তারকে চিনি আরও সহজ করে দেয়। অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার দাঁতের সুরক্ষাব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। এ জন্য মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খাবার সুস্থ দাঁতের জন্য খুব দরকার। এসব খাবারে থাকা উপাদানগুলো দাঁতের ক্ষয় রোধে দারুণ সহায়ক। শাকসবজি ও ফল শুধু দাঁতের সুরক্ষা দেয় না, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার দাঁতের জন্য খুব ভালো। এতে দাঁত মজবুত হয়। দাঁতের সুরক্ষায় ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা উচিত। দাঁতের ক্ষয়রোধে ফ্লোরাইড একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। ব্যাকটেরিয়াগুলো যে অ্যাসিড নিঃসৃত করে দাঁতে ক্ষয় বা ক্যারিজ তৈরি করে, ফ্লোরাইড অ্যাসিডের বিরুদ্ধে একধরনের প্রতিরোধ–দেয়াল তুলে রেখে দাঁতের ক্ষয় হতে দেয় না। এই ফ্লোরাইড কোনো ওষুধ নয়, এটি একধরনের খনিজ। খাদ্য, ফলমূল ও খাওয়ার পানি থেকে আমরা প্রাকৃতিকভাবে এই ফ্লোরাইড পেতে পারি। টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশের মাধ্যমেও দাঁতে ফ্লোরাইড প্রয়োগ করা যায়।

ট্যাবলেটের মাধ্যমেও ফ্লোরাইড নেওয়া যায়, তবে সে ক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শে নিতে হবে।

সকালে খাওয়ার পর এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুই বেলা সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের ক্ষয় এবং ক্ষত অনেকটাই এড়ানো যায়। আর যেটুকু একদমই এড়ানো যায় না, তার জন্য তো বিশেষজ্ঞরা রইলেনই।

দৈনন্দিন

নিয়মিত ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

লেখক

আমাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ তাপমাত্রার পানির থেকে ঠান্ডা পানি পান করতে বেশি পছন্দ করেন। ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের ওপর যেমন ভাল প্রভাব পড়ে, তেমন বেশ কিছু ক্ষতিকারক প্রভাবও পড়ে। তাহলে জেনে নিন অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করলে স্বাস্থ্যের উপর কেমন প্রভাব পড়ে:হার্ট রেট কমে যেতে পারেঠান্ডা পানি পান করার একটি ক্ষতিকারক দিক হলো, হার্ট রেট কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা পানি কেবল হৃদস্পন্দনকেই কমায় না, এটি ভ্যাগাস নার্ভকেও উদ্দীপিত করে। নার্ভটি শরীরের অনিচ্ছাকৃত কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভ্যাগাস নার্ভের উপর ঠান্ডা পানি সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলে হার্ট রেট কমে যায়।\

শরীরকে শক দিতে পারেকঠোর পরিশ্রমের পর কখনোই ঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। তবে অনেকেই কঠোর পরিশ্রমের পর ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে গরমকালে শরীরচর্চা করার পর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চার পর ঈষদুষ্ণ পানি পান করা উচিত। কারণ শরীরচর্চার সময় শরীরে প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই ওই সময় ঠাণ্ডা পানির সেবন, শরীরের তাপমাত্রায় অসামঞ্জস্যতা আনতে পারে। যার ফলে হজমে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। তাছাড়া শরীরচর্চার পরপরই ঠান্ডা পানি পান করলে, দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যথা হতে পারে, কারণ অত্যন্ত ঠান্ডা পানি আমাদের শরীরে শক দেয়। ফ্যাট ব্রেকডাউনে প্রভাব ফেলেখাবার খাওয়ার পরই ঠান্ডা পানি পান করলে তা শরীরের ফ্যাট ব্রেকডাউনের ক্ষমতাকে হস্তক্ষেপ করে। ঠান্ডা পানি খাবার থেকে আসা ফ্যাটকে শক্ত করে। ফলে শরীর থেকে অবাঞ্ছিত ফ্যাট ব্রেকডাউন কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া, খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করতে চাইলেও কমপক্ষে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর পান করা ভাল। 

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারেহজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ঘরোয়া তাপমাত্রার পানি পান করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে ঠান্ডা পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মূল কারণ হল, ঠান্ডা পানি পান করার ফলে খাদ্য শক্ত হয়ে যায় এবং শরীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, অন্ত্রও সংকুচিত হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম প্রধান কারণ। হজমে প্রভাব ফেলেঠান্ডা পানি হজমে গুরুতর প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি এবং কিছু ঠান্ডা পানীয় রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে এবং হজমেও প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি পান করার ফলে, হজমের সময় পুষ্টি শোষণের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার চুল বাড়ায় শিউলি ফুল!

লেখক

সকালে শিশির মাখা শিউলি ফুল দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। শিউলি মূলত শরতেরই ফুল। তবে শিউলির শোভা ও সৌরভ হেমন্তেও কিছুটা থাকে।

রূপেগুণে পরিপূর্ণ এই ফুল। সুবাস ছড়ানোর পাশাপাশি নানা রকম ওষুধি গুণে ভরপর এই ফুল। অনেকের কাছে এই ফুলটি খুবই প্রিয়। নানা কাজে শিউলি ফুল ব্যবহার করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক শিউলি ফুলে গুণগুলো।

আর্থারাইটিস ও সাইটিকার ব্যাথা সারাতে: প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দুটি শিউলি ফুলের পাতা ও দুটি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ও সাইটিকার ব্যাথা কমবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যাথা দূর হবে।

ব্রণের সমস্যা সমাধানে: ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

গলার আওয়াজ: কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায়? তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

জ্বর কমাতে: জ্বর কমাতে বেশ সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কৃমি ও মেদ সমস্যা সমাধানে: শিউলিফুলের পাতার  রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েকদিন খান। কৃমি সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।

ম্যালেরিয়ার পর: গবেষণা দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে। 

মাথার চুল বাড়ায়: শিউলি ফুলের পাতা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাতা ফেলে দিয়ে তেল সংরক্ষন করুন। এই তেলের ব্যবহারে আপনার মাথার চুল বাড়তে পারে।

শিউলি গাছের নির্যাস প্রাণীদের পাকস্থলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া মানব দেহে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা গবেষণায় পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শিউলি গাছের যাবতীয় অংশ সেবন করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হিজাবিদের চুলে খুশকি, সমস্যার সমাধান কী?

লেখক

হিজাব পরেন এমন অনেকেই প্রায়ই জানতে চান, কীভাবে চুলের যত্ন নিলে এবং কোন প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করলে খুশকিসহ চুলের এমন কমন কিছু সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। তাই আজকে জেনে নেব, কী কী কারণে হিজাবিদের চুলে খুশকি বেড়ে যেতে পারে এবং এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী কিছু সমাধান। হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব সাধারণত বেশি দেখা যায়! কিন্তু কেন? যেকোনো সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি তা প্রতিহত করা যায়, এর চেয়ে ভালো সমাধান আর কী হতে পারে? হিজাবিদের কিছু অসচেতনতা এবং লাইফস্টাইলে অসাবধানতার কারণেও কিন্তু দেখা দিতে পারে খুশকিসহ নানান হেয়ার সমস্যা। তাই শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক, হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব কেন বেশি দেখা যায়। 

  • টানা অনেকক্ষণ ধরে হিজাব পরে থাকলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কোনো রকম ব্রেক না দিয়ে সারাদিন লম্বা সময় ধরে হিজাব পরে থাকেন। এর ফলে চুলে এবং চুলের গোঁড়ায় বাতাস স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে পারে না। তাই চুলের গোঁড়া তেল চিটচিটে হয়ে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • তাড়াহুড়া করে চুল না শুকিয়েই হিজাব পরা হলে

কোথাও বের হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে গোসল করে হিজাব পরেই বের হয়ে যাওয়া অনেকের একটি কমন অভ্যাস, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভেজা অবস্থায় কোনোভাবেই চুলে হিজাব পরবেন না। 

  • খুব টাইট করে চুল বাঁধা হলে

চুল খুলে যাওয়া বা বের হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খুব টাইট করে চুল বেঁধে রাখেন। এতে চুলের গোঁড়া দ্রুত ঘেমে যায়। আর এই ঘাম থেকেই পরে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • বাতাস প্রবেশে বাঁধা পায় এমন কাপড়ের হিজাব ব্যবহার করলে

হিজাবের কাপড় বাছাই করার সময় এমন কাপড় বেছে নিতে হবে যা আরামদায়ক এবং যা দিয়ে সহজেই মাথায় বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বাতাস প্রবেশ না করার ফলে চুলের গোঁড়ায় ঘাম জমে খুশকি বেড়ে যায়। 

  • হিজাবের কাপড় ব্যবহারের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে

হিজাবের কাপড় নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হলে, এতে মাথার ত্বকের ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই কোনোভাবেই ময়লা হিজাব ব্যবহার করা যাবে না। 

  • সঠিক ভাবে হেয়ার কেয়ার করা না হলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই রেগুলার হেয়ার কেয়ারে প্রচণ্ড অনীহা করে থাকেন। অথচ হিজাবিদের সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চার দিন বা প্রয়োজন বুঝে নিয়মিত ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।

তাই, যারা হিজাব পরেন তাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে চুলের সুরক্ষার পাশাপাশি চুলকে খুশকিমুক্ত এবং অয়েল ফ্রি রাখতে উপরের কাজগুলো করা থেকে নিজেদের বিরত রাখা ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হার্ট অ্যাটাকের ১ মাস আগেই দেহ এই ৫টি সিগনাল দেয়!

লেখক

# অস্বাভাবিক রকমের শারীরিক দুর্বলতা: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে এবং রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে এমনটা হয়। রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোতে চর্বি জমে বাধা সৃষ্টি করলে এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়লে হৃদরোগের প্রধানতম এই লক্ষণটি দেখা দেয়।# ঝিমুনি: দেহে রক্তের প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনিও দেখা দেয়। মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনির সৃষ্টি হয়।# ঠাণ্ডা ঘাম: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে দেহে ঘাম ঝরলে স্যাঁতসেঁতে ও ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হবে।

ব্যথা: বুক, বাহু, পিঠ এবং কাঁধে ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বুকে ব্যথা এবং সংকোচন হৃদপিণ্ডের অসুস্থতার একটি বড় লক্ষণ।# শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ না হলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। হার্টের সমস্যা থাকলে ফুসফুসে রক্ত চলাচল কমে যায়। আর শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস ছোট হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব পানীয় দ্রুত ওজন কমায়

লেখক

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কেবল খাদ্য নয়, সঠিক পানীয়ের গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়েট অনুসরণ করার সময়, দিনে কী ধরনের এবং কতটা পানীয় গ্রহণ করছেন তার দিকেও সমানভাবে মনোযোগ দেওয়া দরকার। এমন নির্দিষ্ট কিছু পানীয় আছে যেগুলি খেলে, ওজন কমার প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ১) প্যাকেটজাত ফলের রস ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ ফলের রস, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী।

ফলের রস শরীরের সমস্ত অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলোকে ভালোভাবে সম্পন্ন করতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করে। তবে এই সকল উপকারিতাগুলো কেবল তাজা ফলের রসের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ বাজারে কিনতে পাওয়া প্যাকেটজাত ফলের রসে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং প্রিজারভেটিভ থাকে, যা আমাদের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ২) মিষ্টি চা গ্রিন টি, হার্বাল টি অথবা কালো চা, এগুলি সবই স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। তবে শর্ত একটাই, এই চা উপভোগ করার ক্ষেত্রে, চিনি কিংবা কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করা যাবে না। মিষ্টি চা আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া বাজারের প্যাকেটজাত মিষ্টি আইস টির সেবনও এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এক বোতল মিষ্টি আইস টি-তে, ২০০ থেকে ৪৫০ ক্যালোরি বর্তমান, যা খুব সহজেই আপনার ডায়েট নষ্ট করে দিতে পারে। 

 ৩) এনার্জি ড্রিংকস শরীরচর্চার পর ক্লান্তি দূর করতে আমরা অনেকেই, এনার্জি ড্রিংকস পান করতে পছন্দ করি। তবে চিনি এবং ফ্লেভার যুক্ত এনার্জি ড্রিংকস কখনই আদর্শ পানীয় নয়। স্পোর্টস ড্রিংকস কিংবা এনার্জি ড্রিংকসে, প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং কৃত্রিম স্বাদ যোগ করা থাকে, যা শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ডাবের পানি কিংবা তাজা ফলের রস, প্রভৃতি পান করা যেতে পারে। ৪) অ্যালকোহল গ্রহণ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল গ্রহণের দিকে বিশেষ নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ অ্যালকোহলেই ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে এবং তার সঙ্গে যখন কোল্ড ড্রিকস মেশানো হয়, তখন ক্যালরির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। ৫) অপর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার ব্যাপারটা আমরা প্রায়ই অবহেলা করে থাকি। তবে শরীর সুস্থ রাখতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পানি শরীরকে হাইড্রেট রাখে, টক্সিন বের করে দেয় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন ২ থেকে ৩ লিটার জল পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com