আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আমার স্বামী একজন দিনমজুর। দিনমজুরি করে আমার চিকিৎসা খরচ চালান। এই দিনমজুরি টাকা দিয়ে ওষুধ কিনব, নাকি ঘর ঠিক করব, না সংসার চালাব? সরকারের কাছে আমার আবেদন যেন সরকার আমাকে একটা ঘর দেয়। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে যেন ওই ঘরে সুখে-শান্তিতে দিন কাটাতে পারি। এভাবেই কষ্টের কথাগুলো বলছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী নমিতা রানী (২৮)। তার স্বামীর নাম সাধন চন্দ্র (৩৫)।

নিজস্ব জমি না থাকায় পাঁচ বছর ধরে সরকারি খাসজমিতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই প্রতিবন্ধী দম্পতি। নমিতা রানীর একটি হাত ও একটি পা বিকলাঙ্গ। তারপরও এখন পর্যন্ত ভাগ্যে জোটেনি প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি কার্ড কিংবা মাথা গোঁজার মতো একটা সরকারি ঘর। অভাবের কারণে অনেক সময় অভুক্ত থাকতে হয়।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্না ইউনিয়নের পূর্ব সিন্দুর্না গ্রামের খাসজমিতে বসবাস করেন দিনমজুর সাধন চন্দ্র ও তার শারীরিক প্রতিবন্ধী স্ত্রী নমিতা রানী (২৮)। এই দম্পতির এক ছেলে নয়ন চন্দ্র ও এক মেয়ে বৃষ্টিকে নিয়ে তাদের অভাবের সংসার। ছেলে নয়ন পঞ্চম শ্রেণিতে ও মেয়ে বৃষ্টি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

শুধু খাওয়ার কষ্টই নয়, নমিতা বুকের ভাল্ভ ও ছেলে নয়ন হার্টের সমস্যায় ভুগছে। প্রতি সপ্তহে তাদের জন্য ওষুধ কিনতে লাগে প্রায় সাড়ে ৭০০ টাকা। তাদের চিকিৎসা করতে সব শেষ করছেন সাধন চন্দ্র।

ভূমিহীন এই পরিবারে থাকার একটি ঘর গত ছয় মাস আগে ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ে। সেই থেকে ভাঙা টিনের ঘরে দুই সন্তানকে নিয়ে ঠান্ডায় বসবাস করছেন এই দম্পতি। চার মাস আগে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে দেখা করে ঢেউটিনের জন্য আবেদন দিয়েও আজ পর্যন্ত টিন পাননি।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে ভাঙা টিনের ঘরে প্লাস্টিক মুড়িয়ে ছেলেমেয়েকে নিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন এই দম্পতি। ঘরের সব টিন জং ধরে ভেঙে পড়েছে। ঘরে থাকার কোনো

সাধন চন্দ্র বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এই খাসজমিতে বসবাস করছি। স্ত্রী ও ছেলের চিকিৎসা করে সব শেষ করছি। ঘর ভেঙে পড়েছে। ঘরটি তোলার কোনো উপায় নেই। আমি সরকারের কাছে একটি ঘর চাই। ইউএনওর কাছে টিনের জন্য দরখাস্ত দিয়েছি। ইউএনও বলেছেন, টিন এলে পাবেন। কিন্তু চার মাসেও টিন পাইনি। কেউ যদি আমার ঘরটি টিন দিয়ে ঠিক করে দিত, তাহলে ভগবানের কাছে আশীর্বাদ করতাম।’

ওই গ্রামের প্রতিবেশী আবু সাঈদ জানান, সাধান চন্দ্র একজন দিনমজুর, গরিব। তার স্ত্রী নমিতা শারীরিক প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ। টাকা-পয়সা না থাকায় ভাঙা ঘরটিতে ছেলেমেয়ে নিয়ে রাতযাপন করছেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষে তার একটি সরকারি ঘর পাওয়া উচিত বলে মনে করি।’

সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আমিনুর রহমান জানান, সাধন চন্দ্র একজন হতদরিদ্র ব্যক্তি। তিনি সরকারি ঘর পাওয়ার যোগ্য। তবে সরকারি ঘর পাওয়ার তালিকা থেকে তিনি কেন বাদ পড়েছেন তা আমার জানা নেই।’

সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরল আমিন বলেন, ওই পরিবারটির বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে সরকারি ঘরের জন্য আবেদন দিলে বিষয়টি দেখা যাবে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, তিনি ভূমিহীন হলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে সরকারি ঘর পাওয়ার যোগ্য হলে ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও বলেন, টিনের জন্য আবেদনপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

কেন্দুয়ায় অতিরিক্ত খাবার খেয়ে কৃষকের ৩ গরুর মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাচিয়ালী গ্রামের আব্দুল আউয়াল নামের এক কৃষকের তিন গরুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে কৃষক আব্দুল আউয়ালের ছোট ভাই পল্লী চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, আমার ভাইয়ের গোয়ালে চারটি গরু ছিল। প্রতিদিনের মত বুধবার (১০ফেব্রুয়ারী) তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) দিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয়। কিন্তু হঠাৎ গরু গুলি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনটি গরুরই মৃত্যু হয়। অপর একটি গরুকে চিকিৎসা দেয়ার পর প্রাণে বেঁচে যায়।

 গরু তিনটির বাজার মুল্য প্রায় ১৭০ হাজার টাকার মতো হবে। এতে করে কৃষক আব্দুল আউয়াল বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা খোশেদ আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে চিকিৎসক দল পাঠানো হয়েছে। পরে তারা ওই কৃষকের গরুগুলো দেখে এবং কৃষকের সাথে কথা বলে জানতে পারে, গরু গুলি অতিরিক্ত মাত্রায় তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) খেয়ে ফেলে। যে কারনে ওই কৃষকের তিনটি গরুর একসাথে  মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাছাড়া মৃত্যুর অন্য কোনও কারণ আছে কিনা সে কারণে আমরা মৃত গরুর আলামত সংগ্রহ করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জমি কিনেও নৌকায় বসবাস, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নৌকায় মানুষ পারাপার করে একখণ্ড জমি কিনেছিলেন মিলন নেছা (৫২)। কিন্তু সে জমিতে ঘর নির্মাণ করতে পারেননি তিনি। নৌকায়ই ছোট ছেলেকে নিয়ে থাকেন। খবরটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে প্রধানমন্ত্রীর। পরে তার কার্যালয় থেকে মিলন নেছাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিলন নেছার ঘরের কাজের উদ্বোধন করেন শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান।
তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন-ভূমিহীনদের ঘর ও জমি প্রদানের কার্যক্রম নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে আজ আমরা শরীয়তপুরের নারী খেয়াঘাটের মাঝি মিলন নেছাকে একটি ঘর করে দিচ্ছি।’এ সময় গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ঢালী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলমগীর হুসাইন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের সদস্য জাকির হোসেন দুলাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল খায়ের শেখ, গোসাইরহাট পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলী আকবর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলী আকবর বলেন, ‘মিলন নেছা নদীতে নৌকা চালিয়ে মানুষ পারাপার করতেন। তাকে নিয়ে  সংবাদ প্রকাশের পর, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের নজরে আসে।’

দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে জয়ন্তী নদীতে নৌকায় বসবাস করছেন মিলন নেছা। আট বছর যাবত নদীতে মানুষ পারাপার করছেন। মিলনের যখন বয়স ২২ বছর, তখন তার বাবা মারা যান। তারা তিন বোন ও তিন ভাই। বাবার পথ অনুসরণ করে ওই বয়সেই সংসারের হাল ধরতে মাঝির কাজ শুরু করেন মিলন। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করেন। তাছাড়া দুই পারের কিছু মানুষ বছরে যা ফসল পায় তার একটি অংশ দিয়ে সহযোগিতা করেন মিলনকে।

নৌকায়ই রান্না-খাওয়া, নৌকায়ই বসবাস তার। নৌকা পারাপার করে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছেন। জীবনের শেষ সঞ্চয় দিয়ে ছয় শতক জমিও কিনেছেন তিনি। কিন্তু ঘর তুলতে পারেননি। তার স্বামী রহম আলী সরদার ১৫ বছর আগে তাকে ও দুই ছেলেকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। বড় ছেলে আব্দুল খালেক (২৬) বিয়ে করে আলাদা থাকে। নদীর পাড়ে ছাউনি নৌকায় ছোট ছেলে আব্দুল মালেককে (২২) নিয়ে থাকেন তিনি।

এদিকে ঘর বরাদ্দ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা মিলন নেছা বলেন, ‘আগে নৌকায় মানুষ পারাপার করতাম, নৌকায়ই থাকতাম। সাংবাদিকরা আমার কষ্ট দেখে, নিউজ করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঘর দিছে। সন্তানদের নিয়ে ঘরে থাকবো। আমি খুবই খুশি।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জান্নাতে যেতে হজরত আলির ৬ উপদেশ

জান্নাত মুমিনের সর্বোচ্চ চাওয়া। শেষ আশ্রয় স্থল। এ কারণে কুরআন-সুন্নাহর বর্ণনায় জান্নাতের অগণিত নেয়ামতের কথা বলা হয়েছে। এ জান্নাত পাওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক পথে চলা। বিশেষ করে ৬টি গুণ নিজের মধ্যে বাস্তবায়ন করা জরুরি। জান্নাত লাভের সেই কাঙ্ক্ষিত ৬ উপদেশ কী?

হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ‘যার মধ্যে ৬ টি গুণ থাকবে, সে এমন কোনো রাস্তায় পা দেবে না; যা তাকে জান্নাত থেকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে। জান্নাত পাওয়ার সেই ৬টি গুণ বা কাজ হলো-
> আল্লাহ তাআলাকে চেনা এবং তার আদেশগুলো মেনে চলা।
> শয়তান সম্পর্কে জানা এবং শয়তানকে অমান্য করা। অর্থাৎ শয়তানের পথে ও মেতে জীবন পরিচালনা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
> সত্য জানা এবং সত্যতার অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করা।
> মিথ্যা সম্পর্কে জানা এবং মিথ্যার আক্রমণ ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকা।
> দুনিয়ার জীবন সম্পর্কে জানা এবং দুনিয়ার ক্ষতিকর লোভ-লালসা ও জীবনাচার এড়িয়ে চলা।
> পরকাল সম্পর্কে জানা এবং পরকালের সফলতা লাভে কামিয়াবির পথ অনুসন্ধান করা। (ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন)

মনে রাখা জরুরি
ময়াবি এ দুনিয়ায় জীবন পরিচালনা ও বিচরণ করা সহজ; কিন্তু দুনিয়ার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে সঠিক পথের ওপর জীবন পরিচালনা করা খুবিই কঠিন। যারা হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু ঘোষিত ৬টি গুণ নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারবে। তারাই দুনিয়া ও পরকালের চিরস্থায়ী জীবনে হবে সফল।

সুতরাং মুমিন মুসলমানে উচিত, ভালো কাজের দিকে অন্তর আকৃষ্ট করতে সচেষ্ট থাকা। বেশি বেশি এ দোয়া করাও জরুরি-
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
উচ্চারণ : ‘ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুবি ছাব্বিত কালবি আলা দিনিকা।’
অর্থ : ‘হে মনের পরিবর্তনকারী!আমার মনকে তোমার দ্বীনের ওপর স্থির রাখো।’ (তিরমজি)

এতে আল্লাহ তাআলা বান্দার অন্তরকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন। সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন। কেননা তিনি সর্বোত্তম অন্তর পরিবর্তনকারী।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ার সব মায়াজাল থেকে বেঁচে থেকে পরকারের প্রস্তুতি ও জান্নাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ঘোড়াঘাটে সরকারি জমিতে দোকান-ঘর নির্মাণের অভিযোগ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে দোকান ঘরের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বারপাইকের গড় মাজার কমিটির সভাপতি আবুল কালাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা যায়, ঘোড়াঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক বারপাইকেরগড়ে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন বারপাইকের গড় মাজার শরিফের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গার উপর উপজেলার মগলিশপুর মিরাপড়া এলাকার ইব্রাহিম আলী ও বারপাইকেরগড় গ্রামের শাহাজান আলীসহ আরও অনেকে অবৈধভাবে জবর দখল করে দোকান ঘরের স্থাপনা নির্মান করছে। এতে মাজার কমিটির লোকজন বাধা দিতে গেলে কমিটির লোকজনকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় অবৈধ দখলকারীরা। অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বসন্ত বরণ ও ভালোবাসা দিবস নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান

বসন্ত বরণ ও ভালোবাসা দিবস নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com