আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

যেভাবে তাজা মাছ চিনবেন ও দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করবেন

আমরা ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। স্বাদ ও সুবাসের কারণে মাছ প্রায় সবার কাছেই প্রিয়। তবে মাছ তাজা-টাটকা হলেই কেবল আসল স্বাদ পাওয়া যায়। তাই তাজা মাছ চেনা ও সংরক্ষণের উপায় জেনে নিন।

  • ফ্রোজেন মাছ গরম পানিতে ভেজাবেন না: তাড়াহুড়ো করতে যেয়ে ডিপফ্রিজে রাখা মাছ কখনো গরম পানিতে ভেজাবেন না, যা অনেকেই করে থাকেন। এতে মাছের রসালোভাব কমে গিয়ে মাছকে শুষ্ক করে ফেলে এবং এতে মাছের আসল স্বাদ কমে যায়। তাই রান্নার কয়েক ঘণ্টা আগেই ডিপফ্রিজ থেকে বের করে বাইরে রেখে দিন, নিজে থেকেই মাছ গলে যাবে। তখন রান্না, ভাজি যাই করুন না কেন, মাছের পুরো স্বাদই পাবেন।

    ফ্রোজেন মাছ গরম পানিতে ভেজাবেন না: তাড়াহুড়ো করতে যেয়ে ডিপফ্রিজে রাখা মাছ কখনো গরম পানিতে ভেজাবেন না, যা অনেকেই করে থাকেন। এতে মাছের রসালোভাব কমে গিয়ে মাছকে শুষ্ক করে ফেলে এবং এতে মাছের আসল স্বাদ কমে যায়। তাই রান্নার কয়েক ঘণ্টা আগেই ডিপফ্রিজ থেকে বের করে বাইরে রেখে দিন, নিজে থেকেই মাছ গলে যাবে। তখন রান্না, ভাজি যাই করুন না কেন, মাছের পুরো স্বাদই পাবেন।

  • বেশিদিন মাছ তাজা রাখতে চাইলে: ডিপফ্রিজে রাখার জন্য বিশেষ ব্যাগে ভরে ডিপফ্রিজে রেখে দিন। তবে মনে রাখবেন যে ডিপফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাছের আঁশ, ফুলকা ইত্যাদি পরিষ্কার করে নেবেন। এতে মাছ জীবাণুমুক্ত থাকবে। মাছ ভালোভাবে ফ্রিজ করলে মাছের স্বাদ কয়েক সপ্তাহ পরেও একই রকম থাকে।

    বেশিদিন মাছ তাজা রাখতে চাইলে: ডিপফ্রিজে রাখার জন্য বিশেষ ব্যাগে ভরে ডিপফ্রিজে রেখে দিন। তবে মনে রাখবেন যে ডিপফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাছের আঁশ, ফুলকা ইত্যাদি পরিষ্কার করে নেবেন। এতে মাছ জীবাণুমুক্ত থাকবে। মাছ ভালোভাবে ফ্রিজ করলে মাছের স্বাদ কয়েক সপ্তাহ পরেও একই রকম থাকে।

  • বরফ দিয়ে রাখুন: টাটকা মাছ কেনার পর যদি কোনো কারণে রান্না করা না হয় তাহলে এমন ঠান্ডায় রাখতে হবে, যেন ফ্রিজের তাপমাত্রা নরমাল ফ্রিজের চেয়ে ঠান্ডা থাকে। অর্থাৎ ফ্রিজেই মাছের গায়ে বাড়তি বরফ দিয়ে রাখুন। এভাবে মাছ দুই দিন তাজা থাকবে।

    বরফ দিয়ে রাখুন: টাটকা মাছ কেনার পর যদি কোনো কারণে রান্না করা না হয় তাহলে এমন ঠান্ডায় রাখতে হবে, যেন ফ্রিজের তাপমাত্রা নরমাল ফ্রিজের চেয়ে ঠান্ডা থাকে। অর্থাৎ ফ্রিজেই মাছের গায়ে বাড়তি বরফ দিয়ে রাখুন। এভাবে মাছ দুই দিন তাজা থাকবে।

  • ফ্রিজে রেখে দিন: তাজা মাছ ভাজি বা রান্না করে খাওয়ার পর একটু বেচে গেলে তা ভালো করে ঢেকে ফ্রিজে রেখে দিন, তাহলে পরেরদিনও কিন্তু খেতে একই রকম স্বাদ লাগবে।

    ফ্রিজে রেখে দিন: তাজা মাছ ভাজি বা রান্না করে খাওয়ার পর একটু বেচে গেলে তা ভালো করে ঢেকে ফ্রিজে রেখে দিন, তাহলে পরেরদিনও কিন্তু খেতে একই রকম স্বাদ লাগবে।

  • মাছ বহন করবেন যেভাবে: দোকানদার যদি ‘ইনসিউলেটিং পেপার’ দিয়ে মাছ প্যাকেট করে দেয় তাহলে তো ভালোই। তবে নিজেও বাড়ি থেকে একটি ‘কুল ব্যাগ’ নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আপনার সাধের কেনা মাছটি বাড়ি পৌঁছা পর্যন্ত তাজা থাকা নিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারবেন।

    মাছ বহন করবেন যেভাবে: দোকানদার যদি ‘ইনসিউলেটিং পেপার’ দিয়ে মাছ প্যাকেট করে দেয় তাহলে তো ভালোই। তবে নিজেও বাড়ি থেকে একটি ‘কুল ব্যাগ’ নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আপনার সাধের কেনা মাছটি বাড়ি পৌঁছা পর্যন্ত তাজা থাকা নিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারবেন।

  • মাছটি একটু টিপে দেখুন: মাছ বিক্রেতার অনুমতি নিয়ে মাছের গায়ে আঙুল দিয়ে একটু টিপে দেখতে পারেন। যদি এতে একটু গর্তের মতো হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মাছটি তেমন তাজা নয়।

    মাছটি একটু টিপে দেখুন: মাছ বিক্রেতার অনুমতি নিয়ে মাছের গায়ে আঙুল দিয়ে একটু টিপে দেখতে পারেন। যদি এতে একটু গর্তের মতো হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মাছটি তেমন তাজা নয়।

  • মাছের চেহারা: লাল ফুলকা, স্বচ্ছ চোখ আর মাছের গায়ের চকচকে আঁশ দেখে মাছ কিনুন। কারণ তাজা মাছের চেহারা এমনই হয়।

    মাছের চেহারা: লাল ফুলকা, স্বচ্ছ চোখ আর মাছের গায়ের চকচকে আঁশ দেখে মাছ কিনুন। কারণ তাজা মাছের চেহারা এমনই হয়।

  • মাছের গন্ধ: তাজা মাছে কিন্তু কখনো গন্ধ থাকেনা, তবে যদি তা সাগর বা পুকুরের পানির গন্ধ হয়, তাহলে অবশ্য আলাদা কথা।

    মাছের গন্ধ: তাজা মাছে কিন্তু কখনো গন্ধ থাকেনা, তবে যদি তা সাগর বা পুকুরের পানির গন্ধ হয়, তাহলে অবশ্য আলাদা কথা।

  • বরফে রাখা তাজা মাছ চেনার উপায়: মাছের নিচে যথেষ্ট পরিমাণ বরফ রয়েছে কিনা, ভালো করে দেখে নিন। বরফ কম হলে অনেক সময় দেখে বোঝা না গেলেও মাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    বরফে রাখা তাজা মাছ চেনার উপায়: মাছের নিচে যথেষ্ট পরিমাণ বরফ রয়েছে কিনা, ভালো করে দেখে নিন। বরফ কম হলে অনেক সময় দেখে বোঝা না গেলেও মাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

  • ফ্রোজেন মাছ গরম পানিতে ভেজাবেন না: তাড়াহুড়ো করতে যেয়ে ডিপফ্রিজে রাখা মাছ কখনো গরম পানিতে ভেজাবেন না, যা অনেকেই করে থাকেন। এতে মাছের রসালোভাব কমে গিয়ে মাছকে শুষ্ক করে ফেলে এবং এতে মাছের আসল স্বাদ কমে যায়। তাই রান্নার কয়েক ঘণ্টা আগেই ডিপফ্রিজ থেকে বের করে বাইরে রেখে দিন, নিজে থেকেই মাছ গলে যাবে। তখন রান্না, ভাজি যাই করুন না কেন, মাছের পুরো স্বাদই পাবেন।
  • বেশিদিন মাছ তাজা রাখতে চাইলে: ডিপফ্রিজে রাখার জন্য বিশেষ ব্যাগে ভরে ডিপফ্রিজে রেখে দিন। তবে মনে রাখবেন যে ডিপফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাছের আঁশ, ফুলকা ইত্যাদি পরিষ্কার করে নেবেন। এতে মাছ জীবাণুমুক্ত থাকবে। মাছ ভালোভাবে ফ্রিজ করলে মাছের স্বাদ কয়েক সপ্তাহ পরেও একই রকম থাকে।
  • বরফ দিয়ে রাখুন: টাটকা মাছ কেনার পর যদি কোনো কারণে রান্না করা না হয় তাহলে এমন ঠান্ডায় রাখতে হবে, যেন ফ্রিজের তাপমাত্রা নরমাল ফ্রিজের চেয়ে ঠান্ডা থাকে। অর্থাৎ ফ্রিজেই মাছের গায়ে বাড়তি বরফ দিয়ে রাখুন। এভাবে মাছ দুই দিন তাজা থাকবে।
  • ফ্রিজে রেখে দিন: তাজা মাছ ভাজি বা রান্না করে খাওয়ার পর একটু বেচে গেলে তা ভালো করে ঢেকে ফ্রিজে রেখে দিন, তাহলে পরেরদিনও কিন্তু খেতে একই রকম স্বাদ লাগবে।
  • মাছ বহন করবেন যেভাবে: দোকানদার যদি ‘ইনসিউলেটিং পেপার’ দিয়ে মাছ প্যাকেট করে দেয় তাহলে তো ভালোই। তবে নিজেও বাড়ি থেকে একটি ‘কুল ব্যাগ’ নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আপনার সাধের কেনা মাছটি বাড়ি পৌঁছা পর্যন্ত তাজা থাকা নিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারবেন।
  • মাছটি একটু টিপে দেখুন: মাছ বিক্রেতার অনুমতি নিয়ে মাছের গায়ে আঙুল দিয়ে একটু টিপে দেখতে পারেন। যদি এতে একটু গর্তের মতো হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মাছটি তেমন তাজা নয়।
  • মাছের চেহারা: লাল ফুলকা, স্বচ্ছ চোখ আর মাছের গায়ের চকচকে আঁশ দেখে মাছ কিনুন। কারণ তাজা মাছের চেহারা এমনই হয়।
  • মাছের গন্ধ: তাজা মাছে কিন্তু কখনো গন্ধ থাকেনা, তবে যদি তা সাগর বা পুকুরের পানির গন্ধ হয়, তাহলে অবশ্য আলাদা কথা।
  • বরফে রাখা তাজা মাছ চেনার উপায়: মাছের নিচে যথেষ্ট পরিমাণ বরফ রয়েছে কিনা, ভালো করে দেখে নিন। বরফ কম হলে অনেক সময় দেখে বোঝা না গেলেও মাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

উটের ঘাস বিক্রি করে হোসেন এখন কোটিপতি

 উটের ঘাস বিক্রি করে হোসেন এখন কোটিপতি
উটের ঘাস বিক্রি করে হোসেন এখন কোটিপতি

সফল হতে মানুষ পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছোটাছুটি করছে। একটু সুখের আশায় পরিবার-পরিজন ছেড়ে প্রতিনিয়ত পাড়ি জমাচ্ছে দূর প্রবাসে। কুমিল্লার কৃতি সন্তান মো. হোসেন তেমনই একজন সফল প্রবাসী। পরিশ্রমের ওপর ভর করে আজ তার এ পরিবর্তন। ওমানে উটের ঘাস বেচেই হোসেন নিজের ভাগ্য গড়েছেন।

ভাগ্য বদলের আশায় ২৬ বছর আগে পাড়ি জমান মরুময় দেশ ওমানের সালালাতে। অক্লান্ত পরিশ্রম আর সততা দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন কোটিপতি সফল ব্যবসায়ী হিসেবে।

দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সালালাতে শুরুতেই সাধারণ শ্রমিক হিসেবেই তার যাত্রা। তিন বছর হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর নিজ উদ্যোগে ওমানি আবায়ার ছোট একটি দোকান দিয়ে শুরু করেন নিজের ব্যবসা। এরপর থেকে তাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি।

বর্তমানে সালালার মেইন বিজনেস এরিয়া হাফা ও নিউ সালালাহতে রয়েছে ১৮টি দোকান। এছাড়াও ইতোমধ্যে তিনি সালালাহ আল কুফ এলাকায় নির্মাণ করছেন ৩৫০টি দোকান। স্থানটিতে বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় বৃহত্তম মার্কেট।

এছাড়াও তিনি শখের বশে একটি এগ্রিকালচার প্রোজেক্ট করেছেন। মরুদ্যানে সবুজের বিপ্লব ঘটিয়েছেন এ বাংলাদেশি হোসেন। সালালাহ থেকে প্রায় ২০০ কিমি দূরে ছেচর নামক মরুভূমিতে ৬ কিমি এরিয়া নিয়ে বিশাল এক এগ্রো প্রোজেক্ট রয়েছে তার।

উটের ঘাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সবজি উৎপাদন করে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন সালালাতে। ঘাস চাষাবাদ করে বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকা বিক্রি করছেন। স্বল্প সময়ে দ্রুত ফলনশীল এই ঘাস মাত্র ৩৫ দিনেই বিক্রির উপযোগী হয়ে যায়।

উটের ঘাস বিক্রি করে হোসেন এখন কোটিপতি
উটের ঘাস বিক্রি করে হোসেন এখন কোটিপতি

জানা গেছে, উটের এ ঘাস বছরে ৯ বার ফলন হয়। একবার লাগানোর পর সাধারণত ৮/৯ বছর আর ঘাস লাগানোর দরকার হয় না। যতবেশি কাটা হয় ততো ফলন বেশি হয়।

এক বান্ডেল ঘাস বাংলাদেশি টাকায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়, প্রতি ৩৫ দিনে প্রায় ১৫,০০০ বান্ডেল ঘাস উৎপাদন হয়, সবমিলে প্রতি ৩৫ দিনে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ঘাস বিক্রি হচ্ছে।

তার এই কোম্পানিতে ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানিসহ সবমিলে প্রায় ১৫০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন, এর ভেতর বেশিরভাগই বাংলাদেশি শ্রমিক।

দুই ছেলে দুই মেয়ে নিয়ে বেশ সুখে শান্তিতেই বসবাস করছেন ওমানে, বড় মেয়ে ইন্ডিয়ান স্কুলে ক্লাস নাইনে এবং বড় ছেলে ইন্ডিয়ান স্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়ছে।

একজন বাংলাদেশি হয়েও ছেলে-মেয়েদের কেন ইন্ডিয়ান স্কুলে পড়াচ্ছেন এমন প্রশ্ন করলে হোসেন বলেন, সালালাহতে পরিবার নিয়ে প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি বসবাস করছে, অথচ এখানে বাংলাদেশ স্কুল নেই, তিনি দূতাবাসের কাছে একটি স্কুলের জন্য বিনীত অনুরোধ করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

আদা চাষে করণীয়

মসলা হিসেবে আদার গুরুত্ব কম নয়। মসলা ছাড়াও বিভিন্ন রোগ-ব্যধিতে দারুণ উপকারে আসে এটি। কারণ আদায় ক্যালসিয়াম ও প্রচুর ক্যারোটিন থাকে। এছাড়া আদা চাষ করা যায় সহজেই। আসুন জেনে নেই নিয়ম-কানুন-

মাটি
পানি নিকাশের সুব্যবস্থা আছে এমন উঁচু বেলে-দো-আঁশ ও বেলে মাটি আদা চাষের জন্য উপযোগী।

বীজ
ফাল্গুন থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত লাগানো যায়। সাধারণত ১২-১৫ গ্রাম ওজনের ১-২টি কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ লাগানো হয়। ৪০-৪৫ সেন্টিমিটার পর পর সারি করে ২০ সেন্টিমিটার দূরে ৫ সেন্টিমিটার গভীরে আদা লাগানো হয়। কন্দ লাগানোর পর ভেলি করে দিতে হয়। প্রতি হেক্টরে ১০০০ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়।

সার
প্রতি হেক্টরে গোবর সার ৪-৬ টন, ইউরিয়া ২০০-২৪০ কেজি, টিএসপি ১৭০-১৯০ কেজি, এমওপি ১৬০-১৮০ কেজি দিতে হয়। জমি প্রস্তুতির সময় সমুদয় গোবর, টিএসপি ও ৮০-৯০ কেজি এমওপি সার দিতে হয়। কন্দ লাগানোর ৫০ দিন পর ১০০-১২০ কেজি হারে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করা হয়। লাগানোর ৯০ দিন ও ১২০ দিন পর যথাক্রমে ২য় ও ৩য় কিস্তির সার উপরি প্রয়োগ করা হয়। ভেলা সামান্য কুপিয়ে ১ম কিস্তির সার প্রয়োগ করে আবার ভেলা করে দিতে হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তির উপরি প্রয়োগের সময় প্রতি হেক্টরে প্রতিবারে ৫০-৬০ কেজি ইউরিয়া ও ৪০-৪৫ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করা হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তির সার সারির মাঝে প্রয়োগ করে মাটি কোঁদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে সামান্য পরিমাণ মাটি ভেলিতে দিতে হয়।

রোগ
পিথিয়াম এফানিডারমেটাম নামক ছত্রাকের কারণে রাইজম রট নামক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। এতে আদা বড় হতে পারে না এবং গাছ দ্রুত মরে যায়। ভেজা ও স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় এ রোগ বেশি হয়। বর্ষাকাল বা জলাবদ্ধতা থাকলে এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।

ব্যবস্থপনা
আদা লাগানোর ২১ দিন আগে মুরগীর অর্ধপচা বিষ্ঠা প্রতি হেক্টরে ১০ টন হারে মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া মাটি হালকা কুপিয়ে ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।

সংগ্রহ
আদা লাগানোর ৯-১০ মাস পর উঠানোর উপযোগী হয়। গাছের প্রায় সব পাতা শুকিয়ে গেলে আদা তোলা হয়। ফলন প্রতি হেক্টরে ১২-১৩ টন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ধানের চুঙ্গি পোকা দমনের উপায়

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। তাই এ দেশে প্রচুর ধান জন্মে। ধানের উৎপাদনও বেশ ভালো। তবে ধান উৎপাদনে হঠাৎ করে বিভিন্ন ধরনের পোকা আক্রমণ করে। চুঙ্গি পোকা তার মধ্যে একটি। আসুন জেনে নেই এ পোকা দমনের উপায়-

লক্ষণ
কীড়া ধানের পাতার উপরের অংশ কেটে চুঙ্গি তৈরি করে এবং সবুজ অংশ কুরে কুরে খায়। আক্রান্ত জমিতে গাছের পাতা সাদা দেখায় এবং পাতার উপরের অংশ কাঁটা থাকে। দিনের বেলায় চুঙ্গিগুলো পানিতে ভাসতে থাকে।

প্রতিকার
ধান ক্ষেত তথা আক্রান্ত জমির দাঁড়ানো পানি সরিয়ে দিন এবং মাটি কয়েকদিন শুকিয়ে নিন।

ব্যবস্থাপনা
১. পার্চিং করা বা ডাল পুঁতে দেওয়া।
২. আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা।
৩. হাত জাল দিয়ে মথ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
৪. পরজীবী বা উপকারী পোকার সংরক্ষণ ও সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কীটনাশক প্রয়োগ যথাসম্ভব পরিহার করা।
৫. বীজতলায় শতকরা ৫০ ভাগ পাতা এবং জমিতে শতকরা ১৫-২০ ভাগ পাতা আক্রান্ত হলে কীটনাশক ব্যবহার করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ব্রির আরও ৫ ধানের জাত উদ্ভাবন

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বিজ্ঞানীরা আরও পাঁচটি নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করেছেন। জাতীয় কারিগরি কমিটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে উদ্ভাবিত নতুন জাতগুলো। এগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ব্রি ধান ৮২, ব্রি ধান ৮৩, ব্রি ধান ৮৪, ব্রি ধান ৮৫ ও ব্রি ধান ৮৬।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর জাগো নিউজকে বলেন, নতুন পাঁচটি জাতের মধ্যে তিনটি আউশ ও দুটি বোরো মৌসুমের। আউশ মৌসুমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এবার এর ওপর জোর দিয়েছি। সদ্য উদ্ভাবিত ব্রি ৮৪-তে আগের বোরো ধানের চেয়ে বেশি জিঙ্ক রয়েছে। ব্রি ৭৪-এ ২৪ শতাংশ জিঙ্ক থাকলেও নতুন জাতে এর পরিমাণ ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

উদ্ভাবিত জাতগুলো অল্পদিনে উচ্চফলনশীল হওয়ায় দেশের মোট ধান উৎপাদনে এগুলো উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে মনে করছেন ব্রির বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে ব্রি ৮৬ জাতটিতে জৈব-প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, বোরো মৌসুমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধান ব্রি ২৮-এর মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এ জাত। আর ব্রি ৮২-তে কৃষক পাবেন সবচেয়ে উচ্চফলন, যা উৎপাদিত হবে স্বল্পতম সময়ে।

সদ্য উদ্ভাবিত ব্রি ৮২ রোপা আউশ মৌসুমের স্বল্পকালীন একটি জাত। এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১০৫ দিন। জাতীয় কারিগরি কমিটিতে অনুমোদন পাওয়া এ জাতটির গড় ফলন হেক্টরে সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ টন পর্যন্ত। এর চাল থেকে ভাত হবে ঝরঝরে।

সূত্র জানায়, ব্রি ৮২-র জীবনকাল হবে রোপা আউশ মৌসুমের প্রচলিত জাত ব্রি ৪৮-এর চেয়েও চার থেকে পাঁচ দিন কম। ব্রি ৮৩ বোনা আউশ মৌসুমের একটি জাত। ব্রি ৮৪ বোরো মৌসুমের একটি স্বল্পমেয়াদি জাত। একই সঙ্গে এটি উচ্চফলনশীল জিঙ্ক সমৃদ্ধও। হেক্টরে গড় ফলন ৬ থেকে সাড়ে ৬ টন।

ব্রি ৮৪-এর জীবনকাল বোরো মৌসুমের জনপ্রিয় জাত ব্রি ২৮-এর মতোই। এর জীবনকাল স্বল্প হওয়ায় বোরো মৌসুমের এ ধান আবাদের পর পাট চাষেরও সুযোগ তৈরি হবে। ব্রি ৮৫ রোপা আউশ মৌসুমের নতুন একটি জাত। এ জাতটির গড় ফলন সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ টন পর্যন্ত। জৈব প্রযুক্তি বিভাগ (এন্থার কালচার) ব্যবহারের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো উদ্ভাবন করেছে ‘ব্রি ৮৬’। সদ্য উদ্ভাবিত এ জাতটির গড় ফলন ৬ থেকে সাড়ে ৬ টন পর্যন্ত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ধানের শরীরতাত্ত্বিক পরিবর্তনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ

ইরি ধানের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ানোর লক্ষ্যে চলছে নতুন নতুন গবেষণা। এ ফসলের শরীরতাত্ত্বিক পরিবর্তন বিষয়ে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গবেষণায় ধানের জিনের গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এর সালোকসংশ্লেষণের প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ানো হবে। ফলে এ ধরনের মৌলিক গবেষণা আগামী প্রজন্মের জন্য আশির্বাদ বয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

গবেষকরা জানান, ধান গাছ একটি সি৩ ভুক্ত উদ্ভিদ, অন্যদিকে ভুট্টা ও সরগম সি৪ ভুক্ত উদ্ভিদ। সি৪ ফসল অধিক পরিমাণে সূর্যের আলো ও বাতাসের কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহণ করে অধিক খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। সি৪ ভুক্ত উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের দক্ষতা বেশি হবার কারণে সরগমের জীন ব্যবহার করে ধানের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করার উদ্দেশে এ গবেষণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের একটি সূত্র জানায়, সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute) (ইরি) সফর করেন। সেখানে বিগত ২২ বছরব্যাপী এ গবেষণার ৭ বছরের অগ্রগতি বিষয়ে ল্যাবরেটরিতে বিশদভাবে মন্ত্রীকে অবহিত করেন ইরির বিজ্ঞানী ড. রবার্ট কু। মন্ত্রী এ গবেষণার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের মৌলিক গবেষণা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি আশির্বাদ বয়ে আনবে বলে জানান।

কৃষিমন্ত্রী ইরির এসব মৌলিক ও উন্নত গবেষণায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের অধিক হারে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষির সাফল্য সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে ধান উন্নয়নে ইরির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাই ইরির গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষিবান্ধব সরকার সকল সহযোগিতা প্রদান করছে।

সফরকালে ইরির মহাপরিচালক ড. ম্যাথিউ মোরেলসহ ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানীগণ কৃষিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। সফরে মন্ত্রীকে ধান গবেষণার বিভিন্ন দিক বিশেষ করে বাংলাদেশের উপযোগী জলমগ্নতা, খরা, লবণাক্ততা, তাপমাত্রা সহিষ্ণু; ভিটামিন, জিঙ্ক ও আয়রনসমৃদ্ধ অধিক উৎপাদনশীল ধানের বিষয়ে অবহিত করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com