আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

তাজা মাছ যেভাবে চিনবেন

অনেকেই বাজারে গিয়ে মাছ কিনতে সাহস পান না। তাজা মাছ কিনে বাসায় নিতে না পারলেই বাধবে তুলকালাম কাণ্ড। মাছ দেখে তো তাজাই মনে হচ্ছে, আসলে তাজা তো? টিপেটুপেও নিশ্চিত হতে পারছেন না। সিদ্ধান্তহীনতায় কেটে যাচ্ছে অনেকটা সময়। এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে এড়াতে আপনার জন্য রইল কয়েকটি সহজ টিপস।

কানকোর রঙ

তাজা মাছ চিনতে কানকোর রঙটাই পরীক্ষা করে দেখুন সবার আগে। বিক্রেতা কানকো হাত দিয়ে তুলে দেখাবে ঠিকই, তবু নিজেও একবার যাচাই করে দেখতে ভুলবেন না। তাজা মাছের কানকোর রঙ দেখতে ভেজা মনে হবে। আর বাসি মাছ হলে কানকোর রঙটাকে শুকিয়ে যাওয়া মনে হবে। আবার আঙুল দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন, রংটা আসল না নকল। তাজা মাছের কানকোর রঙটা হয় সচরাচর গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের।

চোখের দিকে লক্ষ্য রাখুন

রাসায়নিক দিয়ে মাছ তাজা রাখার প্রবণতা এদেশের মাছ বিক্রেতাদের মধ্যে হামেশাই দেখা যায়। তবে মাছে যতই রাসায়নিক দেওয়া হোক, এর চোখ কিন্তু ঢাকা যায় না। তাই হাত দিয়ে ধরার আগে মাছের চোখ দেখুন। তাজা মাছের চোখটাও জ্বলজ্বলে হবে। চোখ যত সাদা ও ঘোলাটে হবে, মাছের পচে যাওয়ার আশঙ্কা তত বেশি হবে।

ত্বক পরীক্ষা

তাজা মাছের বাহ্যিকটা হবে বেশ চকচকে, যাকে বলে মেটালিক টেক্সচার। বাসি মাছের ত্বক হবে ফ্যাকাসে। আবার তাজা মাছের গায়ে জোরে হাত দিয়ে ঘষা দিলেও সহজে আঁশ ছুটে আসবে না। সবশেষে অনেকের মতো মাছটা টিপেও দেখুন। আঙুল সরানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি বাউন্স করে আবার ত্বক সমান হয়ে যায় তবে মাছটা তাজাই আছে। পচা হলে দেবেই থাকবে কিংবা উঠে আসতে সময় লাগবে।

গন্ধ শুঁকুন

তাজা মাছ চিনতে গন্ধ শোঁকার টেকনিকটা বেশ কাজের। মাছটাকে নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকে দেখুন। তাজা মাছ হলে বিশেষ কোনও গন্ধ পাবেন না। নদী বা সমুদ্রের তাজা মাছ হলে খানিকটা শ্যাওলা পানির গন্ধ পেতে পারেন। তবে সেটা নাকে ধাক্কা দেবে না। আর যদি কড়া আঁশটে গন্ধ পান, তবে বুঝতে হবে মাছটা পুরোপুরি পচা না হলেও বাসি। কিছু সময় পরই পচন ধরবে।

দৈনন্দিন

উটপাখির মাংস দিয়ে কীভাবে আমিষের চাহিদা মেটাতে চায় বাংলাদেশ?

উটপাখির মাংস দিয়ে কীভাবে আমিষের চাহিদা মেটাতে চায় বাংলাদেশ?

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটে চলছে উটপাখির জাত উন্নয়নে গবেষণা।

আফ্রিকা থেকে ২২টি উটপাখি এনে সেগুলো বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী করে গড়ে তুলে তা থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য হাতে নেওয়া হয়েছে এই গবেষণা প্রকল্প।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের আবহাওয়া উটপাখি পালনের জন্য উপযোগী বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে, তবে ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করা যাবে কিনা – তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও বছর দেড়েক।

বাংলাদেশে উটপাখি পালনের সুবিধা আর সম্ভাবনা জানতে দেখুন এই ভিডিওটি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাংলাদেশে খাদ্য পণ্য এবং কসমেটিকসের হালাল সার্টিফিকেট দেবে বিএসটিআই

বাংলাদেশে খাদ্য পণ্য এবং কসমেটিকসের হালাল সার্টিফিকেট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

বাংলাদেশে কোন পণ্য মান বজায় রেখে বাজারজাত করা হচ্ছে কীনা, মূলত সেটাই দেখে থাকে বিএসটিআই। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির সার্টিফিকেশন মার্কস উইং এর উপপরিচালক রিয়াজুল হক বিবিসিকে বলেন দেশের বাজার এবং রপ্তানির কথা চিন্তা করে হালাল পণ্যের সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কেন হালাল সার্টিফিকেট দেয়ার প্রয়োজন :

বিএসটিআই বলছে দেশের পণ্যের মান উন্নত করতে হবে একই সঙ্গে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করতে হবে।

মি. হক বলেন, খাদ্য-পণ্য এখন বিভিন্ন ইসলামী দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং ঐ সকল দেশে হালাল পণ্যের একটা চাহিদা থাকে। এ কথা মাথায় রেখেই তারা বিএসটিআই হালাল সনদ দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

“আমরা যেহেতু পণ্যের মান সনদ দিচ্ছি, পাশাপাশি আমরা যদি হালাল সনদ প্রণয়ন করি তাহলে কোন প্রতিষ্ঠান একই জায়গা থেকেই দুটি সনদ পেয়ে যাবে, তাদের কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। এর ফলে দেশি এবং আন্তর্জাতিক উভয় বাজার সুফল পাবে। একটা পণ্য হালাল কিনা সেটা বিদেশিদের দেখার যেমন অধিকার রয়েছে আমাদেরও তেমন রয়েছে, আমরাও দেখবো‍।”

কসমেটিকসেরও হালাল সনদ দেয়া হবে
ছবির ক্যাপশান,কসমেটিকসেরও হালাল সনদ দেয়া হবে

কোন কোন পণ্যের হালাল সার্টিফিকেট দেয়া হবে:

প্রাথমিকভাবে খাদ্য পণ্যের হালাল সার্টিফিকেট দেয়ার বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কসমেটিকস পণ্যকে হালাল সনদ দেয়া হবে। সংস্থাটি বলছে, তাদের পূর্নাঙ্গ লোকবল, অবকাঠামো রয়েছে অর্থাৎ কোন সমস্যা নেই।

মি. হক বলেন “যিনি আবেদন করবেন তাকেই আমরা দিতে পারবো, তবে আমরা খাদ্য পণ্যকে অগ্রাধিকার দেব”

কী প্রক্রিয়ায় হালাল সনদ দেয়া হবে:

বিএসটিআইতে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি রয়েছে। রিয়াজুল হক বলেন “আমাদের ল্যাবরেটরিগুলো এক্রিডিটেড, আমরা তাদের পণ্য পরীক্ষা করবো। এখানে যারা কাজ করবেন তারা উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। সুতরাং আমাদের যে সনদটা দেয়া হবে সেটা অনেকটাই অথেনটিক হবে”।

“পণ্যের মানের যেমন স্ট্যার্ন্ডাড রয়েছে সেটা অনুসরণ করেই আমরা তাদের মান সনদ দিয়ে থাকি। একই রকম হালাল পণ্যেরও বাংলাদেশে কিছু মান রয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান যখন আমাদের কাছে আবেদন করবে তখন আমরা সেই স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে পরিদর্শন, পরীক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক সকল কার্যক্রম সেই স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী অনুসরণ করবো। সেটা আন্তর্জাতিক স্ট্যার্ন্ডার্ডের হবে।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লিকার চায়ের যত উপকারিতা

লেখক

বিশ্বজুড়ে যেসব পানীয় জনপ্রিয় তার মধ্যে অন্যতম হল চা। শরীরের জন্য চা খুব উপকারী। সেই সঙ্গে মন ভালো রাখার কাজও করে চা। তবে দুধ-চিনি দিয়ে চা খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিতে পারলেই ভালো। কারণ তা শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। বরং লিকার চা শরীরের নানা উপকার করে।

নিয়মিত ব্ল্যাক টি বা লিকার চা খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত এই চা পানে ত্বক ভালো থাকে, হজম ভালো হয়। সারাদিনে অন্তত ৩ কাপ চিনি ছাড়া লিকার চা খেতে পারলে তা শরীরের জন্য খুব ভালো হয়। বিশেষ করে দুপুরের খাবার খাওয়ার পর বিকেলে আদা দেওয়া চা প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে হজমের সমস্যা কমে যাবে।

২. ব্ল্যাক টি বা লিকার চায়ে মধ্যে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শরীর যাতে ঠিকমতো কাজ করতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখে। যাদের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা রয়েছে তাদের জন্যও লিকার চা খাওয়া খুব ভালো।

৩. চিনি ছাড়া লিকার চা এবং গ্রিন টি নিয়মিত খেলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে। টিউমারের গ্রোথ কম করার ক্ষমতা রয়েছে চায়ের। এছাড়াও ত্বক, স্তন, ফুসফুস ও প্রোস্টেটের ক্যান্সার থেকে বাঁচতে অবশ্যই ব্ল্যাক টি খাওয়ার অভ্যাস করবেন।

৪. চায়ের মধ্যে যে ক্যাফেন থাকে তা চুল আর ত্বকের জন্য খুব ভালো। তবে দুধ, চিনি দেওয়া কড়া চা নয়। ত্বক ভালো রাখতে সকালে এক কাপ চিনি ছাড়া ব্ল্যাক টি খান। দিনেও দু’বার খেতে পারেন।

৫. হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে লিকার চা। নিয়মিত এই চা খেলে হৃদরোগের সমস্যা কমে। এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, স্থূলতার মতো সমস্যা থেকেও দূরে থাকা যায়।

৬. কোলেস্টেরল বাড়লে হৃদরোগ, স্ট্রোকের মতো সমস্যার সম্ভাবনা থাকে খুব বেশি। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ব্ল্যাক টি খান তাদের মধ্যে কোলেস্টেরলের সমস্যা অনেক খানিই কমে। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

৭. সব সময় একমনে কাজ করা সম্ভব হয় না। একটা টি ব্রেক কিন্তু সকলের জন্যই জরুরি। এতে মন ভালো থাকে। সেই সঙ্গে কাজে শক্তিও পাওয়া যায়। তাই কাজের ফাঁকে কফি নয়, লিকার চা খেতে পারেন। নিয়ম করে চা খেলে কাজও ভালো হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথাব্যথা কমানোর কিছু সহজ কৌশল

মাথাব্যথা কমানোর আছে অনেকগুলো টিপস। তবে সবার ক্ষেত্রে যে সব টিপস কাজ করবে তা কিন্তু নয়। একসঙ্গে কিছু কৌশল অনুসরণ করেও দেখতে পারেন। কোনও একটা তো কাজ করবেই।

  • যাদের সচরাচর মাথাব্যথার সমস্যা ছিল না, তারাও যদি ইদানীং মাথাব্যথার শিকার হচ্ছেন। নেপথ্যে কলকাঠি নাড়াচ্ছে মানসিক চাপ। তাই প্রথম কৌশল হিসেবে একটি নিরিবিলি অন্ধকার রুমে শরীর পুরো ছেড়ে দিয়ে শুয়ে থাকুন। চেষ্টা করবেন, যতটা সম্ভব চোখ, ঘাড় ও হাত-পা যেন রিল্যাক্স মুডে থাকে। কোনও মাংসপেশীই যাতে টান টান হয়ে না থাকে।
  • ক্লান্তি ও অবসাদের জন্য খেতে পারে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় ওরফে চা-কফি। তবে চিনিযুক্ত কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন।
  • চাপে থাকলে অনেক সময় আমাদের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দে ব্যাঘাত ঘটে। মাথাব্যথা থাকলে আগে খেয়াল করুন ঠিকমতো এতক্ষণ শ্বাস নিচ্ছিলেন কিনা। ধীরে ধীরে জোরে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ আটকে রেখে ধীরে ধীরে আবার ছাড়ুন। এভাবেও পেশীগুলোকে রিল্যাক্স করতে পারেন।
  • ঘাড়, গলা বা কপালে গরম সেঁক নিয়ে দেখতে পারেন। যাদের ঠান্ডা পছন্দ, তারা আইসব্যাগ নিয়ে ঠান্ডা সেঁকও নিতে পারেন। এতেও অনেক সময় চলে যায় মাথাব্যথা।
  • অনেক সময় ঘাড়ের মাংসপেশী শক্ত হয়েও মাথাব্যথা ঘটায়। এজন্য করাতে পারেন মাসাজ। ব্যথাযুক্ত স্থানে আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে কিছুক্ষণ মাসাজ করে আবার ছেড়ে দিন। এভাবে কয়েকবার করলেও চলে যেতে পারে ব্যথা।
  • একই পজিশনে দীর্ঘক্ষণ মাথা ধরে রাখলেও ব্যথা শুরু হতে পারে। এর জন্য হাতের তালু ধরে রাখুন কপালে। এরপর কপাল দিয়ে তালুটাকে ধাক্কা দিন। একই সময়ে হাত দিয়ে কপালটাকে সামনে এগোতে বাধা দিন। মাথা রাখুন একদম সোজা।
  • খাটাতে পারেন আকুপ্রেশার টেকনিক। মাথার পেছনে ছবির মতো করে হাত নিন। মাথা ও ঘাড় যেখানে মিশেছে সেখানে দুপাশে দুটো পেশীর স্পর্শ পাবেন। মাঝের ফাঁকা অংশে বুড়ো আঙুল দিয়ে উপরের দিকে আঙুল ঘুরিয়ে টানা ১-২ মিনিট মাসাজ করুন।
  • মাথাব্যথা ঘন ঘন ফিরে এলে, কিংবা একটানা কয়েকদিন যদি থেকে যায়, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে মাথায় আঘাত, জ্বর, খিঁচুনি, চোখে ঝাপসা দেখা- এসব কারণেও যদি মাথাব্যথা হতে থাকে তবে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতেই হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে এড়িয়ে চলুন খাবারগুলো

হাড় অথবা জয়েন্টের ব্যথা আর্থ্রাইটিস। এই রোগের অসহনীয় ব্যথা থেকে বাঁচতে নিচের খাবারগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অতিরিক্ত চিনি

আপনার যদি আর্থ্রাইটিস থাকে, তবে অবশ্যই চিনি খাওয়ার পরিমাণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। বিশেষ করে ক্যান্ডি, সফট ড্রিংকস, সোডা, সস বা আইসক্রিমকে পুরোপুরি না বলতে হবে। যেকোনও ধরনের ডেজার্টেও চিনির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

প্রক্রিয়াজাত মাংস ও রেড মিট

বাজারের প্রক্রিয়াজাত মাংস বা রেড মিট যেমন গরু, ছাগল, মহিষের মাংসও এ রোগের লক্ষণগুলো বাড়িয়ে দেয়। এসব খাবার আপনার দেহের ইন্টারলিউকিন-৬, সি-রিয়েক্টিভ প্রোটিন এবং হিমোসিস্টিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা দেহে প্রদাহের কারণ।

গ্লুটেনযুক্ত খাবার

গ্লুটেন হচ্ছে এক ধরনের প্রোটিন যেটা মূলত গম, রাই, বার্লি ইত্যাদিতে থাকে। এ সবে এক ধরনের আঠালো পদার্থ থাকে এসব খাবারে। যা খাবারটিকে বেক করার সময় ফেঁপে উঠতে সাহায্য করে। মূলত রুটি, পাউরুটি, পাস্তা, কেক, চিপস, সসে গ্লুটেন থাকে। এটিও আর্থ্রাইটিসের জন্য ক্ষতিকর।

অতি প্রক্রিয়াজাত খাবার

এসব খাদ্য তালিকায় আছে মিষ্টি বা মসলাদার স্ন্যাক্স, কোমল পানীয়, ইনস্ট্যান্ট নুডলস ও স্যুপ, হিমায়িত অথবা দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত খাবার, চর্বি দিয়ে তৈরি প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদি। এগুলোর পাশাপাশি ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের অস্থি ও জয়েন্টের প্রদাহ বাড়িয়ে দেয়। এগুলো আর্থ্রাইটিস ঘটানোর পেছনেও দায়ী।

বাড়তি লবণ

লবণ খাওয়া একেবারেই কমিয়ে দেওয়া আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত হবে। ভর্তা, শুঁটকি, আচার, সালাদ, টেস্টিং সল্ট, সয়া সস, অয়েস্টার সস, ক্যানড স্যুপ, পিৎজা, চিজ, প্রক্রিয়াজাত মাংসসহ অনেক খাবারে বাড়তি লবণ দেওয়া হয়। এগুলো হাড়ের পাশাপাশি হৃদযন্ত্র, ধমনি, কিডনি ও মস্তিষ্কের ওপর চাপ তৈরি করে ও ব্যথা বাড়ায়।

ভাজাপোড়া

অ্যাডভান্সড গ্লাইকেশন এন্ড প্রোডাক্টস (এজিই) হলো সুগার, প্রোটিন ও আরও কয়েকটি উপাদানের সমন্বয়। বাইরের ভাজাপোড়া খাবারে এজিই বেশি থাকে। বিভিন্ন প্রকার খাবারের ভাজা মাংসেও এটি থাকে। এরপর যথাক্রমে ভেজিটেবল অয়েল, পনির ও মাছে এজিইর উপস্থিতি পাওয়া যায়। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস, প্যান-ফ্রাইড স্টেক, গ্রিলড মিট এবং ডুবোতেলে ভাজা মাছ পরিহার করতে হবে। কারণ উচ্চ-তাপমাত্রায় রান্নার সময় এতে থাকা সুগার, প্রোটিন বা ফ্যাটগুলোর সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে উচ্চমাত্রার এজিই সৃষ্টি করে, যা দেহের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রক্রিয়াগুলোসহ সেলুলার কর্মহীনতা এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে আর্থ্রাইটিসের সমস্যার বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com