আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যেতে পারে যেসব শহর

সুনামি বা সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে উপকূল তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। সেটা হয়তো সাময়িকের জন্য। কিন্তু এবারের আশঙ্কাটি বলতে গেলে স্থায়ী হয়ে যাচ্ছে। কারণ ইতোমধ্যে সমুদ্রের পানির স্তর কয়েকগুণ বেড়েছে। যার ফলে তলিয়ে যেতে পারে উপকূলবর্তী কয়েকটি শহর।

এমনই আতঙ্কের খবর শোনালেন সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিকাল ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের উপকূলবর্তী কয়েকটি শহর তলিয়ে যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে গবেষণা করে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গবেষকদল জানায়, আগে সমুদ্রে ধীরগতিতে পানি বাড়ত। এবার সেই রূপ বদলে গেছে। ইতোমধ্যে পানির স্তর বেশ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। তাদের আশঙ্কা হচ্ছে- এমনভাবে চলতে থাকলে সমুদ্র উপকূলবর্তী শহরগুলো তলিয়ে যেতে পারে সমুদ্রের গর্ভে। সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়।

কোন কোন শহর এ তালিকায় রয়েছে, তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন তারা। এতে বিশ্বের ৩টি শহরের নাম জানা গেছে। শহরগুলো হলো- ভারতের মুম্বাই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক এবং চীনের সাংহাই শহর। শহর তিনটি এখনো বিপদসঙ্কুল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে।

এমন খবর শুনে চোখ কপালে উঠেছে ওই শহরগুলোর সাধারণ মানুষের। পাশাপাশি কপালে বিরাট চিন্তার রেখা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে পরিবেশবিদদের। কারণ যে হারে পানির স্তর উপরে দিকে উঠে আসছে, তাতে বিপদের আর বেশি দেরি নেই বলে মনে হয়।

গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

এবার মোদির গুজরাটে পঙ্গপালের আক্রমন, গ্রামের পর গ্রাম ফসল নষ্ট

পঙ্গপালের হানায় উত্তরপূর্ব ভারতে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল ধ্বংস হয়ে গেছে। গত ২৫ বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ উপদ্রব বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।কীটনাশক দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপালের এই উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশটির কর্মকর্তারা। ফসলনাশক এই পতঙ্গ তাড়িয়ে দিতে ঢাক ব্যবহার করতে দেখা গেছে কৃষকদের।-খবর এএফপির

ভিডিওতে দেখা গেছে, স্কুলছাত্রীরা স্টিলের প্লেট পিটিয়ে পঙ্গপাল তাড়ানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই উপদ্রব তাড়াতে বিকট শব্দ সহায়ক ভূমিকা রাখে।উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে পঙ্গপালের হানায় অর্ধডজনের বেশি জেলায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা পুনামচান্দ পারমার এমন দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, একটি জেলায়ই বারো হাজার একরের ফসলে বিপর্যয় ঘটেছে। তবে কীটনাশক দিয়ে ২৫ শতাংশ পঙ্গপাল ধ্বংস করা হয়েছে।

এসব কীট পুরোপুরি ধ্বংস করতে আরও চার থেকে পাঁচদিন লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।তিনি দাবি করেন, পঙ্গপালের প্রাথমিক উড়াল পথ ছিল পাকিস্তান। কিন্তু বাতাসের দিক পরিবর্তন ও আর্দ্রতার কারণে সেগুলো উত্তর গুজরাটে হানা দিয়েছে।গুজরাটের আনন্দ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পতঙ্গতত্ত্ব বিভাগের প্রধান পি. কে. বোরাদ বলেন, গত দুই দশকের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ পঙ্গপাল আক্রমণ। এর আগে ১৯৯৪ এমন ব্যাপক বিধ্বংসী দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।

রাজ্য কৃষি মন্ত্রী আর. সি. ফালদু বলেন, শুক্রবার থেকে কীটনাশক বহনকারী ১০০ ট্র্যাকটর আক্রান্ত গ্রামগুলোতে পাঠানো হয়েছে।ফসলধ্বংসকারী এই পতঙ্গের কবল থেকে মুক্তি পেতে কৃষকরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ক্ষেতের চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছেন, ঢাক পিটিয়ে তাদের তাড়াতে চেষ্টা করছেন। এক ব্যক্তি বলেন, আমরা গ্রামের সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস ‘হয়তো কখনোই নির্মূল হবে না’- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মায়ামি অঙ্গরাজ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে যে পৃথিবী থেকে নভেল করোনাভাইরাস ‘হয়তো কখনোই নির্মূল হবে না।’

এই ভাইরাস কবে নির্মূল হবে, বুধবার সেবিষয়ে ধারণা প্রকাশ করার ব্যাপারেও সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইমার্জেন্সি বিষয়ের পরিচালক ডা. মাইক রায়ান।

তিনি বলেছেন যে প্রতিষেধক যদি পাওয়াও যায়, তবুও এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ‘ব্যাপক প্রচেষ্টা’ চালাতে হবে।

এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বে ৪৩ লাখের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় তিন লাখ মানুষ মারা গেছে।

জেনেভার ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে ডা. রায়ান বলেন, “এই ভাইরাসটি আমাদের জাতিগত রোগ হিসেবে আমাদের সাথেই থাকতে পারে এবং হয়তো কখনোই শতভাগ নির্মূল হবে না।”

“এইচআইভি’ও নির্মূল হয়নি। কিন্তু আমরা ঐ ভাইরাসের সাথে সহাবস্থান অজর্ন করতে পেরেছি।”

ডা রায়ান আরো বলেন যে ‘এই ভাইরাস কবে নির্মূল হবে’ সেই ধারণা যে কেউ করতে পারে – তাও বিশ্বাস করতে চান না তিনি।

বর্তমানে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক তৈরির অন্তত ১০০ টি প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে প্রতিষেধক আবিষ্কারই যে ভাইরাসের বিলুপ্তি নিশ্চিত করে না, তা মনে করিয়ে দেন ডা রায়ান।

লকডাউনের কড়াকড়ি কমিয়ে আনার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন ডা রায়ান ও ডা টেড্রোস

তিনি উল্লেখ করেন যে হামের টিকা বহুদিন আগে আবিষ্কার হলেও হাম এখনও বিলুপ্ত হয়নি পৃথিবী থেকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস অবশ্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

“এর গতিপথ আমাদের হাতে এবং এটি আমাদের সবার মাথাব্যাথা। এই মহামারি থামাতে আমাদের সবার অবদান গুরুত্বপূর্ণ।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রোগতত্ববিদ মারিয়া ভ্যান কারখোভ ব্রিফিংয়ে বলেন: “এই মহামারি পরিস্থিতি থেকে বের হতে আমাদের সময় লাগবে, আমাদের মানসিকভাবে এর জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারার এমন সময় এই মন্তব্য করলেন যখন বিভিন্ন দেশ পর্যায়ক্রমে তাদের লকডাউনের কড়াকড়িতে শৈথিল্য আনছে এবং আরো অনেক দেশের নেতাই তাদের নিজ নজি অর্থনীতি উন্মুক্ত করে দেয়ার চিন্তা করছে।

ডা. টেড্রোস সতর্ক করেছেন যে চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিলে দ্বিতীয় দফা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায়।

“অনেক দেশই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ শিথিল করতে চাইবে। কিন্তু আমাদের সুপারিশ, এখনও যে কোনো দেশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকা উচিত।”

ডা. রায়ান সতর্ক করেছেন: “অনেকেই চিন্তা করছেন লকডাউন শতভাগ কার্যকর ছিল এবং লকডাউন উঠিয়ে নিলে পরিস্থিতি ভাল হবে। এই দুইটি ধারণাই ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

হেনা জীবনের রঙ দেখায়

হেনা জীবনের রঙ দেখায়

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

হালদা নদীতে ব্রুডফিশস হ্রাস পেয়েছে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

উত্তরের কৃষকরা বন্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com