আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যেতে পারে যেসব শহর

সুনামি বা সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে উপকূল তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। সেটা হয়তো সাময়িকের জন্য। কিন্তু এবারের আশঙ্কাটি বলতে গেলে স্থায়ী হয়ে যাচ্ছে। কারণ ইতোমধ্যে সমুদ্রের পানির স্তর কয়েকগুণ বেড়েছে। যার ফলে তলিয়ে যেতে পারে উপকূলবর্তী কয়েকটি শহর।

এমনই আতঙ্কের খবর শোনালেন সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিকাল ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের উপকূলবর্তী কয়েকটি শহর তলিয়ে যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে গবেষণা করে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গবেষকদল জানায়, আগে সমুদ্রে ধীরগতিতে পানি বাড়ত। এবার সেই রূপ বদলে গেছে। ইতোমধ্যে পানির স্তর বেশ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। তাদের আশঙ্কা হচ্ছে- এমনভাবে চলতে থাকলে সমুদ্র উপকূলবর্তী শহরগুলো তলিয়ে যেতে পারে সমুদ্রের গর্ভে। সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়।

কোন কোন শহর এ তালিকায় রয়েছে, তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন তারা। এতে বিশ্বের ৩টি শহরের নাম জানা গেছে। শহরগুলো হলো- ভারতের মুম্বাই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক এবং চীনের সাংহাই শহর। শহর তিনটি এখনো বিপদসঙ্কুল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে।

এমন খবর শুনে চোখ কপালে উঠেছে ওই শহরগুলোর সাধারণ মানুষের। পাশাপাশি কপালে বিরাট চিন্তার রেখা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে পরিবেশবিদদের। কারণ যে হারে পানির স্তর উপরে দিকে উঠে আসছে, তাতে বিপদের আর বেশি দেরি নেই বলে মনে হয়।

গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
  • গবেষকরা জানান, ২১০০ সালের মধ্যে ৩৯.৩৭ ইঞ্চি এবং ২৩০০ সালের মধ্যে ১৯৭ ইঞ্চি বেড়ে যাবে সমুদ্রের পানির স্তর। যা উপকূলবর্তী শহরগুলোর জন্য মোটেই সুখবর নয়। পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শহরগুলোতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

পরিবেশ

পোলট্রি শিল্পের উন্নয়নে খামারিদের ১১ দফা দাবি

লেখক

শনিবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ মিলনায়তনে প্রান্তিক খামারি সভায় এসে এসব কথা জানান খামারিরা। একই সঙ্গে দেশের পোলট্রি শিল্পের টেকসই উন্নয়নে কার্যকরী জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং চলমান সংকট দূরীকরণে ১১ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। খামারিরা বলছেন, ফিডের দাম বৃদ্ধি, বাচ্চার দাম বাড়িয়ে দেয়াসহ নানামুখী সিন্ডিকেট সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। পোলট্রি খাতে ব্যয় করে কোনো লাভ নেই। তাহলে বেকাররা কীভাবে এগিয়ে আসবে আর খামারিরা টেকসইভাবে এ ব্যবসা করবে বলে প্রশ্ন করেন তারা। আরও

 এ জন্য এ খাতের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, ফিড ও বাচ্চার দাম যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি বন্ধ করা, সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ ও প্রণোদনা প্রদান, ওষুধ ও ভ্যাকসিন সহজলভ্য করাসহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে জোর দাবি জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ ড. শেখ মহ. রেজাউল ইসলাম, প্রধান আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারী,  বিশেষ অতিথি ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ এর সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম । সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এসএমই ফোরাম প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ পোলট্রি শিল্প ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা চাষি মামুন। সভায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে আগত করোনা ও অন্যান্য সংকটে বিপর্যস্ত প্রান্তিক খামারিরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

দ্রব্যমূল্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর নেই

লেখক

কয়েকমাস ধরেই নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন। সোমবার (১১ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ, আমদানি ও মূল্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্য সচিবের সভাপতিত্বে সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এতে এনবিআর, টিসিবি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।।


পেঁয়াজসহ সভায় ভোজ্য তেল, চিনি ও মসুর ডালের মূল্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।


সভার শুরুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসব পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ও বর্তমান পরিস্থিতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানানো হয় সভায়।


আগামী চার মাসের জন্য পেঁয়াজের ওপর থেকে শুল্ক এবং চিনি ও তেলে ওপর থেকে অ্যাডভান্স ট্যাক্স প্রত্যাহারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেন বাণিজ্য সচিব।




দেশে স্বয়ংসম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের সংকট থাকবে বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা চারদিক থেকেই চেষ্টা করছি যাতে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে আমরা যত দিন পর্যন্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ হব না, ততদিন কখনো কখনো ক্রাইসিসের মধ্য পড়তে হবে।
 

বাণিজ্য সচিব বলেন, পরিস্থিতি এ থেকে আর বেশি খারাপ হবে না। তবে আগামী একমাস পরিস্থিতি একটু নাজুক থাকবে উৎপাদনের দিক থেকে চিন্তা করলে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টিসিবি সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিদিন সারা দেশে ৪০০ ট্রাকে ৪০০ থেকে ১০০০ কেজি পেঁয়াজ বিক্রির কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ ছাড়া ভারত ও তুরস্ক থেকে ১৫০০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করা হয়েছে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

প্রতিবছর একই সময়ে কেন বাড়ছে পেঁয়াজের দাম?

লেখক

হঠাৎ করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে কেনার আগে ভাবতে হয় ভোক্তাদের। এর কারণ স্পষ্ট। সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির হিসাবেই গত এক মাসে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
 কয়েক বছর ধরে এই সময়ে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আমদানি নির্ভরতাকে দায়ী করছেন কমিশন এজেন্ট ও আমদানিকাররা।
 কমিশন এজেন্ট মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ভারতের রপ্তানিকারকরা যে বাজার নির্ধারণ করে, সেই বাজারটাই বাংলাদেশে নির্ধারণ হয়।
 পেঁয়াজ আমদানিকারক মো. মোশারফ শিকদার বলেন, দেশে যে পরিমাণ উৎপাদন হয় সেটা যথেষ্ট না। আরেক পেঁয়াজ আমদানিকারক হাজী মো. মাজেদ বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আনলে আমাদের দেশে দাম কম পড়ে।
 কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য, গত জুন পর্যন্ত এক বছরে পেঁয়াজের ৩৫ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় সাড়ে ৩৩ লাখ মেট্রিক টন। যা আগের বছরের চেয়ে ৮ লাখ টন বেশি।


 সংরক্ষণ দুর্বলতায় সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ নষ্ট ধরলেও টিকে যায় ২৫ লাখ টনের বেশি। সেক্ষেত্রে আমদানি করতে হচ্ছে ১০ লাখ টন। অথচ আমদানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রয়েছে দাবি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ঘাটতি দেখিয়ে ফায়দা লুটতে চায় বিশেষ একটি শ্রেণি।
 বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইআইটি অণুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, বাজারে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি নেই। যারা ঘাটতি বলে তারা আসলে ব্যবসা করতে যায়।
 কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজারে নেই চাহিদা-যোগান আর উৎপাদনের সঠিক পরিসংখ্যান। আর এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, আমদানি বন্ধেই রয়েছে এর আসল সমাধান।
 কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. মো. সদরুল আমিন বলেন, আমাদের আসল উৎপাদন কত আর আমাদের চাহিদা কত এখানে একটু রঙ্গরস আছে। কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ীর কারসাজি আর কিছু সরকারি ব্যক্তি পর্যায়ের অনাগ্রহ। সমাধান হলো, আমাদের একটা প্যাকেজ আছে উৎপাদন করব আমদানি করব না।
 কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়লেও মৌসুমের শুরুতে নায্যমূল্য না পাওয়ায় আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষীরা। যার প্রভাব পড়ছে মৌসুমের শেষে।


 কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের মৌসুমে পেঁয়াজের দাম যদি ৪০ টাকা হয়, তাহলে তারা লাভ করতে পারবে। কিন্তু আমরা মৌসুমে সেই দাম দিতে পারি না। যার ফলে পরবর্তী সময় বিভিন্ন হাত ঘুরতে ঘুরতে এটার দাম বেড়ে যায়।
 পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নেয়া চার বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় চলতি অর্থবছরে বার্ষিক চাহিদা অপরিবর্তিত রাখা হলেও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ঘাটতি ধরা হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

কুমিল্লায় জমজমাট মাছ ধরার ফাঁদ চাই-এর হাট

লেখক

জেলায় জমে উঠেছে মাছ ধরার ফাঁদ ‘চাই’-এর হাট। খাল-বিল ও নদী প্রধান এই  জেলার অন্তত ২৫টি হাটবাজরে বিক্রি হচ্ছে মাছ ধরার এই বিশেষ ফাঁদ।


জেলার চান্দিনা, তিতাস, মুরাদনগর, মেঘনা উপজেলার হাটসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বসেছে চাইয়ের হাট। সপ্তাহে দুই দিন করে হাট বসে। বর্ষায় পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নাঞ্চলে পানির মধ্যে এই যন্ত্রটি রেখে দেয়া হয়। চলাচলের সময় ছোট-ছোট মাছগুলো বাঁশের তৈরি এই ফাঁদের ভিতরে আটকা পড়ে। এটি গ্রামাঞ্চলের মাছ ধরার খুব জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। এই সময়ে জেলার সব জায়গায় মাছও পাওয়া যাচ্ছে।
কুমিল্লার মাধাইয়া ও দোল্লাই, নবাবপুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি চাই আকার ভেদে ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দোল্লাই নবাবপুর বাজারের চাই ব্যবসায়ী আনু মিয়া বাসসকে বলেন, এই মৌসুমে প্রতি হাটে ৬০-৭০ টি চাই বিক্রি করি। বহু দূর-দূরান্ত এলাকা থেকে আমার কাছে এসে চাই কিনে নিয়ে যায়। বর্ষার শেষ দিকে এসে আমাদের এলাকায় চাই বিক্রি বেড়ে যায়। কারণ এই সময়ে ছোট-ছোট মাছগুলো পানি কমার সময় চাইগুলো জমির আইলে বিশেষ কাদায় পুঁতে রাখলে ফাঁদে মাছগুলো আটকা পড়ে।


মহিচাইল গ্রাম থেকে চাই কিনতে মাধাইয়া হাটে আসা নুরু মিয়া বাসসকে বলেন, এই মৌসুমে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কেজি মাছ ধরতাম, তা বিক্রি করতাম ৩ থেকে ৪ শত টাকা। আমি প্রতি মৌসুমে পানি কমার সময় ৫ থেকে ৬ চাই কিনে নিয়ে যাই। এগুলো দিয়ে যে মাছ পাওয়া যায়, তা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাকি মাছ স্থানীয় হাট বাজারে বিক্রি করি। দেশীয় পদ্ধতিতে এই সময়ে মাছ ধরায় মেতে উঠে ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে ছোট মাছ ধরার ধুম পড়ে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

নারিকেল ঝরে পড়ার কারণ ও প্রতিকার

নারিকেল অর্থকরী ফল ও তেলজাতীয় ফসল। প্রায় সবার বাড়িতে দু’একটি নারকেল গাছ রয়েছে। এসব গাছে বিভিন্ন সময় নানা সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে কচি অবস্থায় নারকেল ঝরে পড়া একটি প্রধান সমস্যা। সাধারণত নারকেল গাছে ফুল আসার পর থেকে ডাব পর্যন্ত নারকেল ঝরে পড়ার কয়েকটি কারণ হতে পারে। যেমন- ফুলে পরাগ সংযোগ না হওয়া, কচি ফলগুলোতে পোকার আক্রমণ, মাটিতে সারের অভাব, নারকেলের ভেতরের শাঁস অংশ গঠনে ব্যাঘাত, মাটিতে পানির অভাব ইত্যাদি।

নারিকেল গাছের বয়স পাঁচ-ছয় বছর হলেই তাতে ফল ধরে। তবেছোট অবস্থাতেই ফল ঝরে যায়। কম বয়সী গাছে ফুল এলেও তা থেকে ফল না নিয়ে সাত-আট বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।

নারিকেল গাছে কোনো রোগ বা পোকার আক্রমণ হলে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে এর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নারকেলের ফুল বা ফল খাওয়া পোকায় আক্রমণ করলে দুই মিলি রগর এক লিটার পানিতে মিশিয়ে ফুলের উপর ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। গাছের কুঁড়ি বা পচা রোগের জন্য এক শতাংশ শক্তিযুক্ত বর্দো মিশ্রণ গাছের অগ্রভাগে বিশেষ করে পাতার গোঁড়ায় ভালো করে প্রয়োগ করতে হবে।
নারিকেল ফুলে পরাগায়ন সংঘটিত হয় পোকা বিশেষ করে মৌমাছি অথবা বাতাসের মাধ্যমে। এজন্য একই এলাকায় একাধিক নারিকেল গাছ থাকা দরকার, এতে পরাগায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ফুল থাকে। এছাড়া নারিকেল ফুল ফোটার পর বাতাস প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হলে পরাগায়নও বাধাগ্রস্ত হয়। এতে নারিকেল কুঁড়ি অবস্থাতেই ঝরে পড়ে।

অনেক সময় সুষম সার প্রয়োগ না করায় পুষ্টির অভাবে বা অপূর্ণতায় ফুল সুষ্ঠুভাবে পরিণত না হওয়ায় পরাগায়ন হওয়ার পরও ফল ঝরে যায়। মৌমাছি যাতে নারিকেল গাছের এলাকায় ঘোরাফেরা করতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়। নারিকেলের ফুল ফোটার আগে অপ্রয়োজনে কোনো বালাইনাশক স্প্রে করা ঠিক নয়।

নারিকেল গাছের গোঁড়ায় যদি রস বেশি বা সব সময় স্যাঁতস্যাঁতে থাকে অথবা একেবারে শুকনো থাকে তাহলে গাছের ভেতরের অবস্থা ও ক্রমবর্ধিষ্ণু ফলের কুঁড়ির মধ্যকার আর্দ্রতার অসাম্যতা দেখা দেয়। এতে ফলের কুঁড়ির বোঁটা অতিরিক্ত নরম বা শুকনো হয়ে যায় এবং ফল ঝরে পড়ে।

এছাড়া আবহাওয়ায় আর্দ্রতার কমবেশিও ফল ঝরার কারণ হতে পারে। এজন্য নারিকেল গাছের গোঁড়ার মাটিতে যেন সব সময় জো অবস্থা থাকে সেদিকে নজর রাখতে হয়। গ্রীষ্মে অতিরিক্ত গরমের সময় রাতে ও শীতে অতিরিক্ত ঠাণ্ডার সময় দিনে নারিকেলের পাতায় শুধু পানি সেপ্র করে গাছের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করলে ওই সময়ের অস্বাভাবিক অবস্থায় ফল ঝরে পড়ে না।

সাধারণত মাটিতে সারের অভাব হলে কচি অবস্থায় নারকেল বেশি করে ঝরে পড়ে। নারকেল গাছে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ সারের সঙ্গে সুহাগা প্রয়োগের বিশেষ প্রয়োজন। পটাশ সারের অভাব হলে নারকেলের শাঁস গঠনে ব্যাঘাত হয় ও নারকেল ঝরে পড়ে। সেজন্য গোবর সার বা পচন সারের সঙ্গে অনুমোদিত রাসায়নিক সার মিশিয়ে দু’ভাগ করে এক অংশ বর্ষার আগে (চৈত্র-বৈশাখ) এবং অন্য অংশ বর্ষার পরে (অশ্বিন-কার্তিক) মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

অনেক সময় গাছে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ফল ধরে এবং প্রতিটি ফল পরিমিত পরিমাণ পুষ্টির অভাবে সঠিকভাবে বাড়তে না পারায় বেশির ভাগই ঝরে পড়ে। এজন্য দু’টি ছড়ি বের হওয়ার মধ্যে সময়ের পার্থক্য কম হলে ছড়িগুলো থেকে ফলসংখ্যা ছাঁটাই করে ফেলা দরকার। এতে বাকিগুলো ঠিকভাবে বাড়তে পারে, পাশাপাশি ফলঝরা কমে।

নারিকেল গাছের সবুজ পাতা / ডাল ছাঁটাই করা কোনো ক্রমেই উচিত নয়। যেসব পাতা / ডাল শুকিয়ে যায় সেগুলোর গাছের সঙ্গে লেগে থাকা মোটা বোঁটাটি না শুকানো পর্যন্ত কাটা উচিত নয়। সবুজ পাতা কাটলে গাছে খাদ্য তৈরি কমে যায়। এতে ফল ঝরে পড়তে পারে। পূর্ণ বয়স্ক একটি গাছে ৩০-৩৫ টি ডাল থাকা আবশ্যক।

খরার সময় জমিতে পানির পরিমাণ কমে গেলে বা খরার পর ভারী বৃষ্টিপাত হলে গাছে পানির পরিমাণ বেড়ে গেলে ছোট ছোট নারকেলগুলো ঝরে পড়ে। সেজন্য খরার সময় নারকেল গাছের গোঁড়ায় ১৫-২০ দিন পর পানি দেয়ার প্রয়োজন। জমিতে পানির অভাব হলে বা প্রতিকূল অবস্থায় ফল ও ডাটার গোঁড়ায় এবসাইজিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ফল ঝরে পড়ে। এমন অবস্থায় ৬০ পিপিএম শক্তির ২-৪-ডি মিশ্রণ ফুলের ডাটায় ৭ দিন পর পর ৪ বার প্রয়োগ করলে ঝরে পড়া বন্ধ হয়।

প্লানোফিক্স জাতীয় হরমোনের ১০ পিপিএম মিশ্রণ নারকেলের ফুলে এবং পরে ২০ পিপিএম নারকেলের ডাটায় প্রয়োগ করলেও নারকেল ঝরে পড়া বন্ধ হয়। রোগ ও পোকার আক্রমণ না থাকা গাছের নারকেল হরমোনের জন্য সাধারণত ঝরে পড়ে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com