আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোটেক

টেকসই কৃষি উন্নয়নে আরও মানসম্পন্ন গবেষণার তাগিদ ড. রাজ্জাকের

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা ধরে রাখতে হলে আরও মানসম্পন্ন ও কার্যকর গবেষণা পরিচালনা করতে হবে। কৃষিতে অসাধারণ সাফল্য সত্ত্বেও টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি গবেষণাকর্ম কৌশল নির্ধারণ, দক্ষতার সঙ্গে গবেষণা প্রকল্প নির্ধারণ এবং আরও মানসম্পন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেলে ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে বিএআরসি আয়োজিত জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমভুক্ত (নার্স) প্রতিষ্ঠানসমূহের গবেষণার মান উন্নয়নের জন্য বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে দক্ষতার সঙ্গে গবেষণা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কৃষি গবেষক ও বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানান।

Agri-2.jpg

বিএআরসি নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। এছাড়াও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা), ‘ক’ তফসিলভুক্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মহাপরিচালকরা, বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কৃষি গবেষণা সিস্টেমভুক্ত (এনএআরএস) এর এপেক্স বডি হিসেবে কাজ করে। এনএআরএসভুক্ত জাতীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- পাঁচটি পৃথক মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৪টি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

এসব গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৬৫৫টি উচ্চফলনশীল জাত এবং ৫৯১টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।

এগ্রোটেক

হারভেস্টর সহযোগী যন্ত্র উদ্ভাবন আনোয়ার হোসেনের

কৃষকের সময় ও খরচ বাঁচাতে ফসল হারভেস্টরকে সহযোগিতা করতে একটি সহযোগী যন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন দিনাজপুরের আনোয়ার হোসেন। সরকারী সহযোগিতা পেলে কৃষকের ঘরে ঘরে এই যন্ত্র পৌঁছে দেয়ার কথা বলছেন তিনি। 

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক এই আনোয়ার হোসেন তার নিজের প্রচেষ্টায় দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষকের কৃষিতে সুবিধার জন্য একের পর এক সময় সাশ্রয়ী বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন। এর ফলশ্রুতিতে ইতিপূর্বে পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার।এবার আনোয়ার হোসেন তৈরি করেলেন ধান কাটার হারভেষ্টার মেশিনের সহযোগী মেশিন। এই মেশিন দিয়ে কৃষকরা হারভেষ্টার মেশিন থেকে স্বল্প খরচে ধান পরিবহণ ও বস্তাজাত করতে পারছেন।

ধান কাটা মাড়াই মৌসুমে শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা নানা সমস্যার সম্মুখিন হয়। তাই কৃষকদের কাটা মাড়াই সুবিধার্থে কৃষি দপ্তরের অধিনে ভর্তুকি মূলে ধান কাটা মাড়াইয়ের জন্য অত্যাধুনিক হারভেষ্টার মেশিন সরবরাহ করেন। ওই হারভেষ্টার দিয়ে কৃষকরা দ্রুত সময়ে জমির ধান কাটা ও মাড়াই কাজ সম্পন্ন করতে পারেন। কিন্তু হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা মাড়াইয়ের সময় একটি মেশিনে ধান সংগ্রহের ধারণ ক্ষমতা থাকে ২৫ মন। কাটা মাড়াই’র পর জমি থেকে কৃষকের সুবিধাজনক স্থানে ওই ধান আনলোড কিংবা বস্তাজাত করতে সময়সহ হারভেষ্টারের জ্বালানী ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক বেশী। আবার ওই ধান বস্তাজাত করতে লেবার ব্যবহারে খরচও বেশী। এই চিন্তাধারা থেকে পল্লী চিকিৎসক ও কৃষক আনোয়ার হোসেন উদ্ভাবন করেন হারভেষ্টার সহযোগী এ পরিবহণ যন্ত্র। যা দিয়ে এক একর জমির ধান হারভেষ্টার থেকে কৃষকের সুবিধাজনক স্থানে পরিবহণ করতে সময় লাগে কম এবং খরচ হয় মাত্র ৬ থেকে ৭ শত টাকা। অথচ একই পরিমাণ জমি ধান শ্রমিক দিয়ে পরিবহণ করতে খরচ হয় ৩ হাজার টাকা।

বাসুদেবপুর গ্রামের ২টি হারভেষ্টারের মালিক মো. গোলাম মোস্তফা লিখন জানান, তিনি সরকারের ভর্তুকিতে দু’টি হারভেষ্টার নিয়েছেন। কিন্তু হারভেষ্টা দিয়ে ধান কাটা মাড়াই দ্রুত হয়। তবে হারভেষ্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানী খরচ অনেক বেশী। আরো ভালো হয় সরকার হারভেষ্টরের সাথে এই সহযোগী যানও যদি ভর্তুকিতে কৃষকদের সরবরাহ করতে পারে।

এ ব্যাপারে উদ্ভাবক আনোয়ার হোসেন জানান, সরকার কৃষকের লাভের কথা চিন্তা করে বিদেশ থেকে উচ্চ মূল্য দিয়ে ধান কাটার কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার মেশিন কিনছে। কিন্তু এ হার্ভেস্টার মেশিনের ধান সংগ্রহের ভান্ডারটি তুলনামূলক ছোট হওয়ায় ১০/১৫ মিনিট পর পর ধান আনলোড করতে হয়। এতে যথেষ্ট সময় নষ্ট হয়। একইসাথে ধান আনলোড করতে রাস্তা কিংবা শুকনো উঁচু জমিতে যাতায়াত করতে হার্ভেস্টার মেশিনের তেল খরচ ও রক্ষণা-বেক্ষণ খরচ অনেক বেশি। এ সমস্যা সমাধানের জন্য ধানের জমি থেকেই ধান সংগ্রহের বিকল্প হিসেবে এই সহযোগী মেশিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

তিনি আরো বলেন, আনোয়ার হোসেন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, সরকারিভাবে আমাকে সহযোগিতা করলে এই সহযোগী যন্ত্রটি কৃষকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারব। অন্য সময় হার্ভেস্টার সহযোগী এ মেশিনটি ধান পরিবহণ ছাড়া, জমি চাষ করা, হার্ভেস্টার মেশিনকে পরিবহন করা, ধানের বস্তা পরিবহন ইত্যাদি কাজেও ব্যবহার করা যায়। যন্ত্রটির মূল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, প্যাকেজ হিসেবে এর মূল্য সাড়ে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা মাত্র।

উল্লেখ্য, আনোয়ার হোসেন ২০১৪ সালে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্বাইড হারভেষ্টার মেশিন তৈরি করে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। তার তৈরি কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার মেশিনের মূল্য মাত্র ৮ লাখ টাকা। অথচ বিদেশ থেকে এই মেশিন আমদানি করতে খরচ হয় অনেক বেশী।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহারে কমেছে খরচ, বেড়েছে উৎপাদন

কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহারে কমেছে খরচ, বেড়েছে উৎপাদন

চারা রোপন থেকে শুরু করে ফসল কাটা পুরো প্রক্রিয়াই সম্পন্ন  হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে। ফলে খরচ কমেছে, বেড়েছে ফসলের উৎপাদনও।

কৃষিতে যন্ত্রের ছোঁয়া। কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে চলছে ফসল কাটা। একেকটি হারভেস্টার যন্ত্র দিয়ে প্রতি ঘন্টায় প্রায় এক একর জমির ধান কাটা সম্ভব। ফলে ধান কাটা-মাড়াইয়ের অনেক টাকার সাশ্রয় হচ্ছে কৃষকের।

জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রহিমাপুর গ্রামে একই প্লটে ৭৮ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে সার, বীজ ও বালাইনাশক। ট্রেতে চারা রোপন থেকে শুরু করে ধান কাটা সবই হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে। আধুনিক এই চাষ পদ্ধতিতে আগের তুলনায় উৎপাদনও বেড়েছে, ফলে খুশি কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষকরা জানান, কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে ফসল কাটায় জমি থেকে রাস্তার মধ্যে ধান পাওয়া যাচ্ছে। এটা অনেক ভালো একটা পদ্ধতি।

রংপুরের তারাগঞ্জের কৃষি কর্মকর্তা উর্মি তাবাসসুম বলেন, ‘এই পদ্ধতির মাধ্যমে বোরো মৌসুমে আমাদের শ্রমিক সংকট দুর হচ্ছে এবং উৎপাদন খরচ কম হচ্ছে। পাশাপাশি সময়টাও কম লাগছে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে কৃষিকে সহজ, লাভজনক ও আধুনিক করতেই কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রংপুর কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন, ‘এই সবকিছু আমরা সরকারি প্রণোদনা থেকেই  করে দিচ্ছি। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কম হবে এবং লাভ বেশি হবে।’

সরকারের এমন উদ্যোগ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি কৃষিপণ্য নষ্টও হচ্ছেনা এবং কৃষক এই পণ্য ভালোমূল্যে বাজারে বিক্রি করার একটি সুযোগ পেয়েছে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

এসিআই মটরস নিয়ে এসেছে স্মার্ট পাওয়ার টিলার

জমি চাষের পদ্ধতিকে আরও সহজ করতে এসিআই মটরস নিয়ে এসেছে স্মার্ট পাওয়ার টিলার। মেশিনটি সম্পূর্ণ নতুন লৌহ আকরিক থেকে তৈরির কারণে এর চেসিস বাজারের অন্যসব পাওয়ার টিলারের থেকে দিগুণ মজবুত ও অধিক দীর্ঘস্থায়ী।

এসিআই মটরস সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ পাওয়ার টিলার ১২ হর্স পাওয়ার ইঞ্জিনে চালিত ১৮ ফলা বা লাঙ্গল। এসব হর্স-পাওয়ার গভীরভাবে জমি চাষের অনুপযোগী। ফলে জমির ৩.৫-৭ ইঞ্চি যে শক্ত স্তর রয়েছে প্রথাগত পাওয়ার টিলার সে স্তরটা চাষ করা সম্ভব নয়। কিন্তু এসিআই মটরসের ২৫ হর্স-পাওয়ারের আর-২৮ মডেলের পাওয়ার টিলারে ২৮ টি ফলা বা লাঙ্গল রয়েছে। ফলে সহজেই জমির ৫-৭ ইঞ্চি গভীরে চাষ করা যায়।

আরও জানা যায়, আর-২৮ মডেলের পাওয়ার টিলার মাটির শক্ত স্তর ভেদ করার সক্ষমতা রাখে। যেটা উর্বর চাষ ও অধিক ফলনে সহায়তা করে। অন্যান্য পাওয়ার টিলার ১৮ ফলায় ৬০০ মিলিমিটার সারি ধরে চাষ করে। আর সেখানে আর-২৮ মডেলের পাওয়ার টিলার ২৮ ফলায় ৯০০ মিলিমিটার সারি চাষ করতে সক্ষম। তাই প্রচলিত পাওয়ার টিলারের তুলনায় একই সময়ে দেড় গুণ বেশি জমি চাষ করা সম্ভব।

জমি চাষে পাওয়ার টিলারের ব্যবহার সম্পর্কে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের অধ্যাপক ও জরিপের সমন্বয়ক মো. মঞ্জুরুল আলম জানান, সার্বিকভাবে কৃষিতে শ্রমিক সংকট ও উৎপাদন বাড়াতে কৃষি কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলোর বিকল্প নেই। সেক্ষেত্রে সঠিক যন্ত্র যেমন কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হবে তেমনি যন্ত্রটি যাতে সঠিকভাবে জমি চাষে ব্যবহার করা যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। তাই জমি চাষের জন্য এখন বেশি হর্স-পাওয়ার ইঞ্জিন চালিত পাওয়ার টিলারের প্রয়োজন।

এ বিষয়ে এসিআই মটরসের পরিচালক (সার্ভিস এন্ড প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট) ইঞ্জিনিয়ার আসিফ উদ্দীন জানান, ২৫ হর্স-পাওয়ার ইঞ্জিন ডাইরেক্ট ফুয়েল ইঞ্জেকশান সিস্টেম হওয়ায় তেল খরচ কমবে প্রায় ৭ শতাংশ। আর-২৮ মডেলের পাওয়ার টিলার লিটারে চাষ করে ২৮ শতক জমি যা অন্যান্য পাওয়ার টিলারের তুলনায় দুই কিলোমিটার বেশি।

নতুনভাবে সাজানো পাওয়ার টিলারটির সারা দেশজুড়েই বিক্রয়োত্তর সেবা ও খুচরা যন্ত্রাংশের নিশ্চয়তার মাধ্যমে কৃষককে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

শ্রমিক সংকটে সর্বাধুনিক কম্বাইন্ড হারভেস্টারের ব্যবহারে বহুমুখী ব্যয় সাশ্রয়

শ্রমিক সংকটে সর্বাধুনিক কম্বাইন্ড হারভেস্টারের ব্যবহারে বহুমুখী ব্যয় সাশ্রয়

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

ত্রিপুরায় রিং পিট পদ্ধতিতে আখ চাষ

কম জমিতে অধিক পরিমাণ আখ উৎপাদন করার জন্য ত্রিপুরার ধলাই জেলার কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র রিং পিট নামে বিশেষ একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আখ চাষ করছে।

ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি রাজ্যে আখ চাষে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।এছাড়া কৃষকদের আখ চাষের প্রতি উৎসাহিত করার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছে। কৃষকরা যাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আখ চাষ করে অল্প জমিতে অধিক পরিমাণ ও ভালো মানের আখ উৎপাদন করতে পারেন এজন্য ধলাই জেলার কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তারা তাদের কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ১৫০ বর্গ মিটারের একটি প্লটে রিং পিট পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে আখ চাষ করছেন। এ পদ্ধতিতে জমিতে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে একাধিক গর্ত করা হয়। এগুলো প্রায় এক থেকে দেড় ফুট গভীর করা হয়। এ গর্তগুলোতে দুই চোখ যুক্ত আখের কাণ্ড লাগানো হয়। এক একটি গর্তের মধ্যে ২০ থেকে ২৫টি এমন দুই চোখ যুক্ত আখের টুকরো লাগানো হয়।  

এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে সমপরিমাণ জমিতে সাধারণ আখ চাষের তুলনায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বেশি পরিমাণ উৎপাদিত হয় বলে জানিয়েছেন কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট প্রদীপ দাস।  

তিনি আরও জানান, ধলাই জেলার বামণছড়া এলাকার আখ চাষিদের মধ্যে এ পদ্ধতিতে আখ চাষের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কারণ ওই এলাকাগুলোতে এক সময় প্রচুর পরিমাণ আখ চাষ করা হত। এখন ততটা লাভ না হওয়ায় তারা আখ চাষ কমিয়ে আনছে। আবার আখ চাষের প্রতি চাষিদের আগ্রহ বাড়াতে মূলত তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন।  

ত্রিপুরা রাজ্যে এ পদ্ধতিতে আখ চাষ না করা হলেও হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশসহ ভারতের যেসব রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে আখ চাষ হয় এসব রাজ্যগুলোতে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। তবে আগামী দিনে রাজ্যের আখ চাষিরাও এ পদ্ধতিতে আখ চাষ করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com